সন্ধ্যার আঁধারে আমি যদি হারিয়ে যাই বন্ধু, আমাকে মনে রেখো তোমার ঘরের ধূপ-আগরের সুবাসে- তোমার ঘরের প্রদীপের আলোয়, আমাকে ফেলে দিও না বাসি ফুলের মত। মনের ঘরেই রেখো বন্ধু পথের ধারের ফুলটি ভেবে। আমি যে জলসাঘরে ...www.jolsaghor.com/author/sharmabangla

ঘুরে আসি ইয়েমেন থেকে
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৫
ইয়েমেনের পার্বত্য একটি গ্রামে থাকে আমার বন্ধু ফয়সাল। বন্ধুকে তারা হাব্বুব বলে ডাকে। সেও আমাকে হাব্বুব বলে সমোধন করে যা সব বন্ধুর ক্ষেত্রেই করে। কিন্তু আমার কারণে তার নামই হাব্বুব হয়ে গেছে আমাদের গ্রুপে। হাব্বুব বললে সবাই তাকেই চিনে। তার আন্তরিকতা, বন্ধুসুলভ ব্যবহার দেখে ইয়েমেনের মানুষকে নিয়ে খুব ভালই ধারণা জন্মেছে। শুধু সে না- ইয়েমেনের আরও অনেকে আছে। আমাদের বাংলাদেশীদের মত তারাও অতিথি পরায়ন। আমার মনে আছে- বছর দুয়েক আগে একদিন সব্ধ্যার পরে আমি তার বাসায় গিয়েছিলাম। তারা সবাই মিলে তখন খাচ্ছিল। যেতেই আমাকে জোর করে তাদের সাথে বসালো। সে জানে যে- গোমাংস আমাদের জন্য নিষেধ। আমাকে আগেই বলে দিচ্ছে- হাব্বুব এটা চিকেন, তুমি খেতে পার। সাথে ব্রেড ছিল- আবার ভাতও আছে। বিভিন্ন ধরণের মসলা গুলে এক বাটিতে রাখা- এটার স্বাদও দারুণ; ঝাল- সাথে সুন্দর ঘ্রাণও আছে। খাবার সামনে রাখা- সবাই চারপাশে বসে খেলাম। খুব ভাল লাগলো। গত বছর ছুটিতে সে ইয়েমেন গিয়েছিল। তার গ্রামের অনেক ছবি তুলে এনেছে। আমাকে একদিন দেখালো। তার গ্রামটি আমার কাছে অপূর্ব এক জায়গা মনে হয়েছে। উঁচ উঁচু পাহাড়। চারিদিকে সবুজ-শ্যমল গাছপালা। তার মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামের ঘরবাড়ি। উন্নত রাস্তাঘাট আছে, বিদ্যুত আছে। এক কথায় আমাদের অনেকের কাছে স্বপ্নের একটি জায়গার মত।
বেশ কয়েকদিন ধরে ভাবছি তার কাছ থেকে ছবিগুলো নিয়ে আসবো এবং ব্লগে সবাইকে দেখাবো। তাকে এক মাস আগেও বলেছিলাম। একেক্টি ছবির সাইজ তিন এমবির কাছাকাছি তাই সে ইমেইলে পাঠাতে পারেনি। আর আমিও যাবো যাবো করে আলসেমি করে যাচ্ছিলাম না। গত পরশুদিন রাত দশটার পরে গেলাম। গিয়ে দেখলাম সে আর আরেকটি ইয়েমেনের ছেলে ব্রেড, আলু আর মসলা মিশিয়ে খাচ্ছে। খাবার সময় সামনে থাকলে জোর করে বসাবেই। খেতে হলো। কার খাবার কখন কোথায় লেখা থাকে কে জানে- রাত করে গেলাম তবুও সেখানে খাবার জুটলো। তার কাছ থেকে ছবিগুলো নিয়ে আসলাম। অনেক ছবি- ১২০টির মত হবে। সাইজও অনেক বেশি। তাই বেছে বেছে কিছু ফেইসবুকে আপলোড করলাম। সেখান থেকে লিংক ধরে এখানে দিলাম।
আশাকরি ভার্চুয়াল জগতের ডিজিটাল এই সফর সবার ভাল লাগবে।
আমার বন্ধু ফয়সল; সাথে তার চাচাত ভাই। তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে আছে।
তার কাছে ছোট্ট একটি ভিডিও ক্লিপ পেয়েছিলাম- ইয়েমেন সম্পর্কে। আমি ইউটিউবে আপলোড করেছি। অনেক কিছু জানা যাবে ইয়েমেন সম্পর্কে। নিচে দিলামঃ
ইউটিউব থেকে পাওয়া আরও কিছু ভিডিও ক্লিপঃ
ইয়েমেনের একটি স্কুলের বাচ্চাদের অংশগ্রহনে গান ও নাচ।
সুন্দর একটি গান; অসাধারণ গানের মিউজিক। আমি তো গানের এই মেহফিল শুনে দিওয়ানা হয়ে গেছি।
ইয়েমেনি বাদ্যকলা, নৃত্যকলা প্রদর্শন।
ইয়েমেন
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ম্যাকানিক বলেছেন:
ছবি এবং লেখা ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
চমৎকার দেশ । আমার ধারনা ছিল দেশটা বুঝি সৌদি আরবের মত মরুভূমিই হবে । ছবিগুলো সুন্দর। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য ।
লেখক বলেছেন: আমারও ধারণা ছিল মরুভূমি হবে। ছবি দেখে আমি নিজেও অবাক হয়েছি।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
খুব ভাল্লাগলো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইলো।
অরনঝ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক শুকরিয়া।
সুবিদ্ বলেছেন:
বাহ! চমৎকার
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ- হাতেম তাঈ এর গল্প শুনেছি বেশি। সিরিয়াল দেখেছি।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ- সবুজ পাহাড়ী গ্রামটি আমাকেও মুগ্ধ করেছে।
বড় বিলাই বলেছেন:
nice.
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শাফিন বলেছেন:
ছবিগুলো অদ্ভুত হয়েছে। ইয়েমেন তো, ছবিতেই দেখে ফেললাম।
লেখক বলেছেন: জায়গাটা আসলেই সুন্দর। আমিও মুগ্ধ ছবি দেখে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















