আমার প্রিয় পোস্ট
- মাত্র 14.5 KBPS হতে সর্বচ্চো 256 KBPS এর মধ্যে ক্যাবল টিভির মতই উপভোগ করুন ৭৭ টি দেশ, ৮০০ এর অধিক সম্পূর্ণ ফ্রি লাইভ অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেলস! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- শেখ মুজিব ----- আহমেদ শরীফের ডায়েরী থেকে - রাসেল ( ........)
- কমিকস গুলো নিয়ে গেলো ছোট বেলায়
- হাসান তারেক
- Midnight Cowboy একটি অসাধারন মুভি
- মোতাব্বির কাগু
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- "কেসপারস্কি-২০০৯ এন্টিভাইরাস ফুল ভারসন" ক্রেকসহ ফ্রি ডাউনলোড করুন। - লুলুপাগলা
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- বিশ্বের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ঠিকানা - একরামুল হক শামীম
- ১৯+ = বড়মণিদের কৌতুক।
(আরো কিছু আপডেট এন্ড স্পেশাল ফর এডাল্ট) - এস.আর.এফ খাঁন
- তালিকা , সাধের বাংলাদেশ ও বছর শেষের ভাগাংক - রাগ ইমন
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৩ > নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি - মনজুরুল হক
- । হিজড়া, প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের এক দুর্ভাগা শিকার ! - রণদীপম বসু
- CIA এন্টি কম্যুনিজম মিশনঃবাংলাদেশে ধর্মিয় উগ্রতা বিস্তারে প্রথম বীজ (পর্ব-২) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ক্যাসপার স্কি ট্রায়াল ভার্সন কে ইচ্ছামত রিসেট করুন - জুয়েল ফুজি
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয় > দ্বিতীয় পর্ব। - মনজুরুল হক
- আরিফের ঘটনা যে ধর্মান্ধ মৌলবাদী আর স্বার্থান্বেষী মহলের কাজ তার আরেকটি প্রমাণ - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
ফিরে দেখা ২০০৯ : সেরা ১০ বৈজ্ঞানিক অর্জন
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪
২০০৯ সাল ছিল অসাধারণ বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি আর আবিস্কারসমৃদ্ধ একটি বছর। আবিষ্কারের এই সমৃদ্ধ তালিকা থেকে সেরা দশটির তালিকায় স্থান পেয়েছে অদ্ভূত, আকষর্নীয়, ও ইতিহাস সৃষ্টিকারি কিছু বিষয়। প্রযুক্তি বিষয়ক উইয়ার্ড ওয়েবসাইট এমন কিছু বৈজ্ঞানিক অর্জনের কথা জানাচ্ছে যা গত বছরটিকেই চিহ্নিত করে রাখবে। সে তালিকাটি পাঠকদের জন্য এখানে দেয়া হলো। এ তালিকায় ১০ম অর্জন থেকে শুরু করে সব শেষে ১ নম্বর গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে।
আবিষ্কার ১০ : ১১৪ তম মৌলিক কণার সন্ধান লাভ
লরেন্স বার্কলি ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির একটি সাইকোট্রনে ক্যালসিয়াম পরমাণুর একটি রশ্মির সাথে প্লুটোনিয়াম কণার সংঘর্ষ ঘটিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় বারের মত একজোড়া ১১৪ তম মৌলিক পদার্থের পরমাণুর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এর আগে রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের একটি দল এই কণা আবিষ্কারের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু যথেষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষ না হওয়ায় এই বিষয়ে সংসয় থেকে গিয়েছিল। ২০০৯ সালে এই পরীক্ষার মাধ্যমে এই কণার অস্তিত্ব প্রমাণ করছেন বিজ্ঞানীরা। উৎপন্ন হওয়া অনেক ভর বিশিষ্ট এই কণার স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের এক ভাগ সময়। এই বিষযে গবেষণা এখনও অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
আবিষ্কার ৯ : ডেঙ্গু জ্বরের টিকা তৈরি হবার পথে কয়েক ধাপ
Dengu0104পৃথিবীতে প্রতি বছর ২ কোটি ৩০ লাখ লোক ডেঙ্গু জ্বরের শিকার হয়। এ বছরই ডেঙ্গু জ্বরের টিকা তৈরির পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষের শরীরে ক্রিপল ইয়েলো ভাইরাস এর সঙ্গে প্রোটিন যোগে এই ভাইরাসের টিকা তৈরির পথ খুঁজে পেয়েছেন তারা। তারা আশা করছেন ২০১২ সালের দিকে তারা এই টিকা তৈরিতে পুরোপুরি সফল হতে পারবেন। এই বছর তাদের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল এইচআইভি-র টিকা নিয়ে পরীক্ষা।
আবিষ্কার ৮ : ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তকারি সেন্সর তৈরি
ইসরায়েল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা ক্যান্সার কোষ শনাক্তকারি একটি সেন্সর তৈরি করতে পেরেছেন যা ঘ্রাণ থেকে বুঝতে পারবে কোনো কোষ ক্যান্সার আক্রান্ত কিনা। এই সেন্সরে সোনা দিয়ে তৈরি ন্যানোপার্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে। ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ থেকে বের হওয়া টেলটেল সেট অব ভোলাটাইল অর্গানিক নামের রাসায়নিক পদার্থ শনাক্ত করতে পারে এই সেন্সর। এটি রোগীকে প্রাথমিক অবস্থায় সতর্ক করার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবে। সোনার তৈরি ৯ সেটের ন্যানোপার্টিকেল ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের রাসায়নিক গন্ধ পড়তে পারে বলে দাবী করেছেন বিজ্ঞানীরা।
আবিষ্কার ৭ : ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়া হিসাব করতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম
ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনার একদল গবেষক একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেছেন যা ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করবে। জটিল কোনো রোগের জন্য কোন ঔষধ খেতে হবে এই নিয়ে ভাবনার পথ বন্ধ করে দেবে এই উদ্ভাবন। কোন ঔষধ কি প¦ার্শপ্রতিক্রিয়া করতে পারে তার সবকিছু এই প্রোগ্রামে দেয়া আছে। এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই তার ঔষধ নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে পারবেন। এই সফটওয়্যারে বিভিন্ন ঔষধ ওরাসায়নিকের তুলনামূলক চিত্র দেয়া আছে। বলা হচ্ছে এই প্রোগ্রাম ঔষধ উৎপাদকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যেন আলাদিনের চেরাগ।
আবিষ্কার ৬ : আলোড়নকারি জেলিফিশ
সমুদ্রের জেলিফিশেরা শুধু খেলা নিয়ে মেতে থাকেনা। সমুদ্র উত্তাল করে বেড়ায় তারা। তাদের ডানা আর নিক্ষপ্ত তরলে আন্দোলিত হয় সমুদ্র। ঝড়ের সময় বাতাস যেমন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলে তেমনি এক ধরনের জেলিফিশ চলার সময় সমুদ্রের পানিকে আলোড়ত করে এগিযে যায়। ২০০৯ সালে জেলিফিশের এই ক্ষমতার আবিষ্কার তেমনি বিস্ময়কর।
আবিষ্কার ৫ : প্লাস্টিকের উপাদান বিসফেনল-এ মানুষের ক্ষতি করে
গবেষকেরা এই বছর জানিয়েছেন প্লাস্টিকের উপাদান বিসফেনল-এ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। এই রাসায়নিক উপাদানটি ক্যান্সার সৃষ্টির জন্যও দায়ী। বিভিন্ন প্রাণীর উপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন বিসফেনল-এ প্রাণীদেহের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি মানুষের শরীরের জন্যও একই রকম ক্ষতির কারণ হতে পারে। প্লাস্টিক উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই আবিষ্কার নিয়ে হৈচৈও করেছে।
আবিষ্কার ৪ : আয়ু বাড়ানোর কৌশল উদ্ভাবন
কোষের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দিয়ে বয়সকে ঠেকিয়ে রাখতে বিজ্ঞানীরা কাজ করেছেন। এই প্রক্রিয়ার তারা কিছুটা সফলও হয়েছেন। মানুষকে দীর্ঘজীবি বানাতে তারা র্যাপামাইসিন নামের একধরণের ওষুধও তৈরি করেছেন। তারা ইঁদুরের উপর পরীক্ষা চালিয়ে সেটিকে ১৩ বছর পর্যন্ত বেশি বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছেন। তারা আশা করছেন মানুষকে বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখতে তাদের গবেষণা সফল হয়েছে।
আবিষ্কার ৩ : সিজোফ্রেনিয়ার ধাধা শেষ হলো না
সিজোফ্রেনিয়া বিষয়ে গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন এটি আসলে জিনগত। এই রোগের কারণ অনুসন্ধানে তারা ধাঁধাঁয় পড়ে গিয়েছিলেন। তারা প্রায় ৫০ হাজার জিনোম নিয়ে বিশ্লেষণ করেও সিজোফ্রেনিয়ার জন্য দায়ী জিনোম শনাক্ত করতে পারছিলেন না। তারা প্রায় ১০ হাজার আলাদা আলাদা জিনোম বৈশিষ্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন যেগুলো সবই রোগের কারণ হতে পারে। ফলে তারা এই সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ না বলে ঘোষণা করেন সিজোফ্রেনিয়া আসলে জিনোম থেকেই হয়।
আবিষ্কার ২ : আদ্রির খোঁজ
১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ার রিভারবেড থেকে উদ্ধার করা ৩২ লাখ বছর পুরানো ফসিল লুসিকে প্রাচীনতম প্রজাতির মানুষ মনে করা হলেও ২০০৯ সালে খোঁজ পাওয়া আদ্রি সেই ধারণা পাল্টে দেয়। লুসিরও ১০ লাখ বছর পুরানো আদ্রি নামের প্রাচিন ফসিলের মালিক আসলে এই সোজাভাবে হাঁটতে পারা পাইরেট। বিবর্তনের ধারায় মানুষ এসেছে এই মতবাদের ভিত্তিতে আদ্রিকে সর্বশেষ মিল সমৃদ্ধ আদিম মানুষের কাছাকাছি ধরা যায় যে দেখতে বানরপ্রজাতির মতো মনে হয় না। এটি মানুষ না বড় প্রজাতির বানর তা নিয়ে সংশয় থাকলেও অদ্রির আবিষ্কারের গুরুত্ব কিন্তু সীমাহীন।
আবিষ্কার ১ : জিন থেরাপিরা প্রত্যবর্তন
এই বছরের সেরা বৈজ্ঞানিক ঘটনার মধ্যে নিঃসন্দেহে জিন থেরাপির প্রত্যাবর্তন প্রথম স্থানে। মানুষের নিরাপদ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এই ক্ষেত্রে উন্নতি অবশ্যই বড় ঘটনা বলে মন্তব্যকরেছে উইয়ার্ড। এই বছর জিন থেরাপি নিয়ে কাজ করা গবেষকদের ৪ টি দল তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল হন। এই গবেষণার ফলে এখন রক্তস্রোতের মাধ্যমে ডিএনএ, আরএনএ কোষের প্রয়োজনীয় স্থানে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। জিনগত গবেষণায় এই বছরের বড় সাফল্য ছিল অন্ধত্ব, মস্তিষ্ক বিকৃতি, ইমিউন সিস্টেম ডিফিসিয়েন্সি, ত্বকের সমস্যাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিন থেরাপির প্রয়োগ।
---------
সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নীল ভোমরা বলেছেন:
ভাল পোস্ট! ক্লিনিক প্লাস!
নতুন বলেছেন:
++++ ভাল লাগলো... সেয়ারের জন্য ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















