আরও কিছু অগোছালো কথা
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
এক পিচ্চিকে কোলে নিয়ে মা এসেছে, দূর থেকেই দেখছিলাম গাবদু গুবদু বাচ্চাটাকে (মাশাল্লাহ), খুব সুন্দর, হাসিখুশী, আর স্বাস্থ্যও ভালোই। হয়তো ঠান্ডা লেগেছে, তাই এখানে এসেছে। কাছে আসার পর জিজ্ঞেস করলাম, কি সমস্যা? তার মা বলল, দেখেন না ম্যাডাম, আমার পোলাডা খালি দিন দিন শুকায়া যাইতাছে, কিসসু খায় না। আমি ভাবলাম নিশ্চয়ই আমার চশমার পাওয়ার বাড়াতে হবে। আবার ভালো করে দেখলাম পিচ্চিটাকে। যথেষ্ট স্বাস্থ্যবান, বরং আর একটু কম হলে স্বাভাবিক হত। চিন্তা করতে থাকলাম কি বললে বাচ্চার মা মাইন্ড করবেন না। পরে বললাম, বাচ্চারা এমনিতেই আস্তে আস্তে সব খাওয়া শিখে যায়, এটা নিয়ে টেনশন করবেন না। এরকম আরও কিছু ভং চং মার্কা কথা বলে বিদায় করলাম। একটু পর আবার ফিরে আসল, একটা ভিটামিনের ফাইল লিখা দেন, যাতে খাওনের নুচি (রুচিকে নুচি বলে এখানে) আসে। এই জিনিসটা এদের মধ্যে খুব কমন, আর কিছু হোক না হোক, একটা ভিটামিনের ফাইল খেতে পারলে খুব খুশী।
প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুশ রোগী আসে যাদের ৯০% এর সমস্যা হল, সারা শইলে ব্যাতা। মনে মনে বলি, ওষুধ দিমু কোতা? এদেরকে যে ওষুধই দেয়া হোক না কেন (আয়রন বা এন্টাসিড), কয়েক দিন পর এসে বলবে, আপনের ঐ ওষুধে অনেক উপকার পাইছি।
কয়েকজন আবার একটু বেশী চালাক, বুঝে ফেলে এইসব চালাকি। এদেরকে সোজা করতে হালকা পাতলা ঝাড়ি দেয়া লাগে।
একদিন হাসপাতালে আমার রুমে ঢুকেই দেখি এক মহিলা আগে থেকেই রোগী দেখার বেডে শুয়ে আছে, আমাকে দেখে কাতরানো শুরু হয়ে গেল। আমি চেয়ারে বসার পর সে উঠে আসল। কাতরাতে কাতরাতে বলল, আমার অবস্থা খুবই ছিরিয়াছ, আমারে আগে দেখেন। বললাম, তাই নাকি, তা সমস্যাটা কি শুনি? বলল, আমার সর্ব শইলে ব্যতা, আহ, মইরা যাইতাছি ব্যতায়, সোজা হয়া খাড়ায়া থাকতে পারতাছি না। আসলেই একটু বাঁকা হয়ে দাঁড়িয়েছিল মহিলা। বললাম, হাসপাতালে এই মুহূর্তে ব্যথার ওষুধের সাপ্লাই নাই। সাথে সাথে সব কাতরানি শেষ, সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ও, তাইলে আমারে কয়ডা পাতলা পায়খানার ওষুধ দেন। বোঝ অবস্থা।
আর একদিন রোগীর প্রচন্ড ভিড়। আমি টিকিট জমা নিয়ে একজন একজন করে সিরিয়ালি দেখছি। এর মধ্যে এক বুড়ি ভয়ংকর চেঁচামেচি শুরু করল, আমি ছয় ঘন্টা ধইরা খাড়ায়া রইছি, আমারে ডাকে না, আমি এত্ত অসুস্থ, খাড়ায়া থাকতে পারি না, আর আমারে রাইখা অন্যদের ডাকে, আমি মইরা যাইতাছি, কেউ দেখে না। অথচ বুড়ি মা এসেছে মাত্র ১৫-২০ মিনিট হয়েছে। ছয় ঘন্টা কোথায় দাঁড়িয়ে ছিল কে জানে। আমি তার চেঁচামেচিতে বিন্দুমাত্র কান না দিয়ে সিরিয়ালি রোগী দেখে যাচ্ছি। এক সময় তার ডাক পড়ল। সে কিন্তু এতক্ষণ এক মুহূর্তও চুপ ছিল না, ভাঙা রেকর্ড চালিয়েই যাচ্ছিল। তার নাম ডাকার পর সে হঠাৎ চুপ মেরে গেল। হা করে তাকিয়ে রইল আমার দিকে। আমি বললাম, বলেন আপনার কি হইছে যে মইরা যাইতেছেন। সে তাও চুপ। তখন আশে পাশের অন্য রোগীরা তাকে ঝাঁকুনি মেরে বলে, কি চাচী, কন না ক্যা? তখন বুড়ি বলে, আমার খিজলি হইছে খিজলি, সারা গা চুলকায়। সবাই হো হো করে হেসে দিল। আমি বললাম, এই রোগে আপনে মইরা যাইতেছিলেন? আপনার চিল্লাপাল্লায় তো মরা মানুষও উইঠা আসতে নিছিল।
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কসাই, ডাক্তার, রোগী, অগোছালো ;
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ক্যান ধরা খাইছিলেন নাকি, কাহিনী খুইলা কন।
অপ্সরা বলেছেন:
প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুশ রোগী আসে যাদের ৯০% এর সমস্যা হল, সারা শইলে ব্যাতা। মনে মনে বলি, ওষুধ দিমু কোতা? দুষ্টু আপুনি। তোমার পুরো লেখাটা পড়ে হাসতে হাসতে আমি শেষ!
লেখক বলেছেন: আপনি হাসছেন? আমার যে প্রতিদিন গলা ব্যথা হয়ে যায় এদের সাথে ক্যাচাল করতে করতে।
আমি স্বার্থপর বলেছেন:
ডাক্তাররা সব কসাই।কথাটা কতটা সত্য বা মিথ্যা জানি না। তবে তাদের সেবার নামে তাদের ব্যবসাটা বন্ধ করা উচিৎ।
লেখক বলেছেন: দোয়া কইরেন ব্যবসা শুরু কইরাই ফালামু ভাবতেছি।
লেখক বলেছেন: না হইলেও ক্ষতি ছিল না।
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই।
সব ডাক্তাররা কসাই না হলে ও ঢাকায় অনেক ডাক্তারদের যা অবস্হা তা দেখে কসাই কি গল্পের ইবলিস শয়তান ও শুয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: শুধু ঢাকায় না, কসাই ছড়িয়ে আছে সারা দেশেই।
লেখক বলেছেন: রোজার দিনে তো খাওয়া সমস্যা। চোখ, নাক, কান, মুখ সব কিছু বন্ধ করে ১৫ সেকেন্ড বসে থাকেন।
লেখক বলেছেন: কি মনে হয়?
লেখক বলেছেন: সময় সবচেয়ে বড় ভিটামিন।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
সব ডাক্তার কশাই এটা আমি মানিনা ভাল তো নিশ্চয়ই আছে, তবে বেশীর ভাগই মশাই সরি কশাই।
লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগ দিয়েই তো বিচার করা হয়।
সাধারণমানুষ বলেছেন:
না সব ডাক্তার কসাই না....।
লেখক বলেছেন: তাই?
লেখক বলেছেন: চুর ভাই কেমন আছেন?
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
তাহলে আপনি এটা মানতে রাজী, অর্থাৎ তার অন্তর্ভুক্ত
লেখক বলেছেন: আমি না মানলে লিখছি ক্যান।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা?
লেখক বলেছেন: তাতো বটেই, কসাইরা যদি মাংস না কাটত, সবাই তো নিরামিশভোজী হয়ে যেত।
কাব্য বলেছেন:
"সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই। "
মন থেইক্কা কইলেন ?
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সব কথার শেষ কথা ইঞ্জিনিয়াররা চোর!
[তাল মেলালাম!
@আরাফাত ভাই-উঁ-- চুরিতো অখনো খরবার ফারলাম না
লেখক বলেছেন: লাইগা থাকেন, একদিন নিশ্চয়ই পারবেন।
লেখক বলেছেন: আমিও এমনেই কমু না। ![]()
লেখক বলেছেন: খেক শিয়ালের ডাক শুনি প্রতি রাইতে।
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
ডাক্তারসাব, ইন্টারনেটের নেশা কমাবার কুনো ঔষধ আছেনি?
লেখক বলেছেন: থাকলে আমি সবার আগে খাইতাম। ![]()
লেখক বলেছেন: সব সময় ঠিক কথাই বলতে হবে নাকি। ![]()
লেখক বলেছেন: সারা শইলে বিছুটি পাতা ঘষবেন। দেখবেন কত্ত ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: টমেটু থেরাপি।
লেখক বলেছেন: নেফারতিতিকে খোঁজার সময় তো দিবা, তাড়াহুড়া করলে তো পচা হবে।
রজনী বলেছেন:
হাসি থামাতে পারছি না আপু, হাসতে হাসতে প্যাত ব্যতা হয়ে গেল। ++
লেখক বলেছেন: পেটে একটা বালিশ বেঁধে হাসতে থাকুন, হাসি থামানো যাবে না কিন্তু।
জেরী বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই
......................................
ডাক্তার বড় বিলাই কি কসাই নাকি??
লেখক বলেছেন: নয় তো কি?
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
গ্রামের মানুষদে রমধ্যে এই অদ্ভূত মেন্টালিটি দেখা যায়, কমসে কম আমি আমার গ্রামের মানুষদের দেখছি। কেউ খাইতে একশটা টাকা দিলে যত না খুশি হয়, ঢাকা থেকে পাঁচ টাকার ওষুধ কিন্যা নিয়া গেলে তার চাইতে বেশি খুশি হয়। আর সবাই নিজের এতো এতো রোগ বাড়ায় বলতে থাকে...যে ডাক্তার না হইয়াই মনে হয়, ইনারা বাঁইচা আছে কিভাবে?!ডাক্তার কসাই -- এইটা নিয়া একটা ব্যাখ্যা আছে।
রোগী কঠিন রোগে হাসপাতালে আসছে। অপারেশন হইলো।
বাঁইচা ফিরলে...আল্লায় বাঁচাইছে!
আর মরলে...শালার ডাক্তার...ডাক্তার না কসাই?!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কসাই হয়েছি কি এমনি এমনি?
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
সব ডাক্তার কসাই হইলেও ডাক্তারনীরা মনে হয় ভালু.......................আফনের ফোস্ট মারাত্নক অইছে!!
লেখক বলেছেন: ডাক্তুরনীরা কসাইনী। শব্দটা আসলে কি হওয়া উচিৎ?
নিলাচল বলেছেন:
Hashi thamanor vitamin ache naki ?
লেখক বলেছেন: হাসি থামানোর এত শখ? আমার ফিসটা দেন, হাসি বের হয়ে যাবে।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
আমাদের নিয়মিত প্রেস্ক্রিপশন দেবেন, তাইলেই ভালো থাকবো!
লেখক বলেছেন: ফিসটাও যেন নিয়মিত পাই। ![]()
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সব কথার শেষ কথাটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠিক। তবে বড় বিলাই আপায় সেই গোত্রের না বৈলাই ধারনা করি লেখক বলেছেন: এত শিউর হন কেমনে? কসাই ই যদি না হইলাম তো কিসের ডাক্তার হইলাম।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
নাঃ কাটাকুটির ব্যাপারে কসাই মানলাম লেখক বলেছেন: মানুষ চেনা এত সহজ ভাবছেন?
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
ওলে ওলে ডাক্তার আপা..............আঁই আম্নের পোষ্ট পইড়া হাঁসতে হাঁসতে সারা শরিরের ন্যায় পেডুক খানা ব্যাথা কইরাই হালাইছি!! এহন ব্যাথার ট্যাবলেট না থাকলে অন্তত একটু ভাইটামিন ট্যাবলেট দেন..........আল্লার দোহাই লাগে!! ভাইটামিন ট্যাবলেট দেন!
লেখক বলেছেন: ভাইটামিন সাপ্লাই শেষ, আয়রন খাইতে থাকেন মনের সুখে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সহজ যে না সেটা জানি। কিন্তু বছর দেড়েক মার্কেটিংএর চাকরী করছি তো ৬০/৪০% বুঝি বলেই করতে পারছি মনে হয় লেখক বলেছেন: কর্মক্ষেত্রে সফল হোন, শুভকামনা রইল। ![]()
কঁাকন বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: মন ভইরা হুমান।
লেখক বলেছেন: দরকার হইলে তো কসাইদের কাছেই যাবেন। আল্লাহ ভরসা।
লেখক বলেছেন: বাঁশ দিয়া পিটানোর আইডিয়া পছন্দ হইছে।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
সব ডাক্তার কসাই না হলেও কেউ কেউ যে কসাই সেটা অবশ্য হাড়ে হাড়েই টের পাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: গুড লাক।
সবুজ সাথী বলেছেন:
সব ডাক্তার কসাই না হইলেও বড় বিলাই রা তো এক রকমের কসাই লেখক বলেছেন: সেটা ঠিক। তবে একটা কথা, কসাইরা যে মাংস কাটে সেটা কি সে-ই খায়, নাকি আপনি খান।
লেখক বলেছেন:
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই।রাগ করছেন কারো উপ্রে?
জানেন তো, মানুষ নিজেরটা না হইলেই উল্টা-পুল্টা কথা কয়....
আর বিখ্যাত ২/৪ টা ডাক্তারের জন্য সব ডাক্তারের বদনাম হয় ।
একবার কান ব্যাথায় ভোর সকালে ডাক্তারের কাছে গেছিলাম...ডাক্তার নাস্তা থেইকা উইঠা আইসা আমারে দেখছিলো...তখনই ভাবছিলাম, জীবনে ডাক্তার হমুনা...কিন্তু সেইটা সশ্রদ্ধ...নিজেদের লাইফ বলতে কিছু নাই ডাক্তারগো......রাইত বিরাতে অপারেশনের কল আসলে এক সার্জন না গিয়া থাকতে পারবোনা..সেইটা যদি তার জীবনের অত্যন্ত স্মরনীয় মুহূর্ত উজ্ঝাপনের সময়ও হয়..না গেলে মানুষের জীবন-মরনের কুশ্চেন..আর হেয় হইবো কসাই...আফসুস.....
লেখক বলেছেন: আফসুসের কিছু নাই, এইটাই সত্য।
না রাগ করিনাই কারও উপর।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ইদানিং বিলাই ছাইড়া পুচকি পাচকি, ঘটনা কি?
লেখক বলেছেন: পুচকি পাচকি আগেও ছিল। মনে কইরা দেখেন।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই। আমার আপুরও একসময় আপনার মতো জঙ্গলে পোস্টিং ছিলো। ওর সাথে আমিও কয়েকবার গিয়েছিলাম। যা দেখেছিলাম তাতে মনে হচ্ছে আপনাদের সব ডাক্তারদের অভিজ্ঞতা একইরকম। লোকজন ওদের সমস্যা কখনো বুঝতে চায়না।
লেখক বলেছেন: কিন্তু ডাক্তার সবার সমস্যা শুনতে চায়। ![]()
তাজা কলম বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: নতুন আপা ঘুমায়, আর লেখা আপা মার্কেটে গেছে।
লেখক বলেছেন: ঝিমায়।
লেখক বলেছেন: আপনার ব্যাখ্যাটা কী শুনি
লেখক বলেছেন: থাংকু থাংকু।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
আমার পরিবারের অনেকেই ডাক্তর। এর মধ্যে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞও আছেন। বাচ্চাদের নিয়ে মা-বাবা যে কতো রকমের ঢং করেন সেটা নিজের দেখা।অনেক সময় রোগী গ্রাম থেকে লাউ, মোরগ, ডিম, কুমড়া নিয়ে আসে। আর ফলমুল তো আছেই। তাই বল্লাম।
বুছছেন??
লেখক বলেছেন: খাসীর ব্যাখ্যাটা বুঝিনাই।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
ডাক্তারদের ব্যস্ততা এবং দৌড়াদৌড় দেখে নিজে ডাক্তার হতে ইচ্ছে করে নাই। এতো কষ্ট করার পর কিছু হলে সব ডাক্তারের দোষ (হয়ত নিজের পরিবারে সদস্য বলে কিছু পক্ষপাত আছে)। তাই খাশি (নিজের অভিক্ষতা)। যদিও সব ডাক্তার ডাক্তর নয় (মানে খসাই)
লেখক বলেছেন: হুমম বুঝলাম। ভালোই বলেছেন। নিজের পরিবারে আছে বলেই কিছু জানেন, নইলে আপনিও ঐ লাইনটার সাথে একমত হতেন। ধন্যবাদ আপনার ব্যাখ্যার জন্য। আর আমার কথায় কিছু মনে করবেন না প্লিজ। ![]()
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
ঘরের মধ্যে একটা ডাক্তার থাকে ফ্রি ফ্রি আয়রন আর ভিটামিন ট্যাবলেট পাওয়া যেত ... আফসুস !!!!
লেখক বলেছেন: তো একজন ডাক্তারনী নিয়ে আসো না, খোঁজ লাগিয়ে দিই কি বল।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ক্রিকেটাররা সব শ্রমিক।দিনে আইনা রাইতে খায়
(দিনে খ্যাপ মাইরা রাতে অপসরা আপুর রেসিপি মোতাবেক পুড়ে যাওয়া ফিরী খায়া রাত কাটানো লাগে
লেখক বলেছেন: পুড়ে যাওয়া হোক, তবু ফিরনীতো ফিরনীই। শ্রমিকদের জয় হোক।
লুনা ফিরোজ বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই। একদম মিথ্যা কথা;
আর ভাঙা পেন্সিলের সাথে কঠিনভাবে একমত।
লেখক বলেছেন: আমাকে তাহলে মাইনাস দেন, মিথ্যা কথা বলার জন্য।
হাল্ক বলেছেন:
সব কথার শেষ কথা: ডাক্তাররা সব কসাই।নেতারা সব চোর।
আমলারার বেকুবের গোষ্ঠী।
আর পাবলিক হইল আসল চালাক...
লেখক বলেছেন: আমি তো জানতাম পাবলিক হইল বলির পাঁঠা।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া খালি ইমোর উপর চলছেন। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ক্ষমা চাই বন্ধু।
নিজের মেজাজ খারাপ বলে সবার মেজাজ খারাপ করিয়ে দেয়া ভুল হয়েছে।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
নাহ, ক্ষমা কইত্তে? মন-টন ভালো করেন...সত্যি সত্যি ভালো হইলে জানান দ্যান, তারপর দেখা যাইবো..লেখক বলেছেন: তইলে আরো কয়ডা দিন যাউক।
লেখক বলেছেন: মনের ডাক্তার আলাদা। আমার এক্তিয়ারে পড়েনা। ![]()
লেখক বলেছেন: আইছেন ভালো করছেন, মুখখান বেঁকায়া রাখছেন কেলা।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আফসুস আমার মতো রোগী পাইলেন না আফা, আমার মত বান্দা আর কিছু থাকলে ফার্মাগুলারে ব্যবসা বন্ধ কইরা আলুর গুদাম বানাইতে হইত।
এক্কেরে জীবন যায় এই অবস্থা না হইলে অষুধ খাই না, মাথা ব্যাথা আর পেডে ব্যাথা যাই কননা কেনো। এইবছর কয়টা অষুধ খাইলাম গুইন্যা গুইন্যা বলতে পারবো, আগের বছর এর টাও
লেখক বলেছেন: আগামী বছর থেকে যেন কোন ওষুধ খাওয়া না লাগে, একদম যেন সুস্থ থাকেন, এই দোয়া রাখি।
কাব্য বলেছেন:
"তার মা বলল, দেখেন না ম্যাডাম, আমার পোলাডা খালি দিন দিন শুকায়া যাইতাছে, কিসসু খায় না।"
আরে ওনার পোলাতো ছুডু,বোঝেনা।এগো লইয়া এরুম কথা কইলেও মানায়।আমিতো বুইড়া হইয়া গেছি।বাড়ী ছাড়নের পর আমার ওজন ২০কেজি'র মতো বাড়ছে।তারপরও আমার আম্মু বলে, "তোর স্বাস্থ্য ভালো হইতেছে না কেনো
আর ছুটিতে বাড়ীত গেলে, আম্মুর হাজারো খানাপিনার আইটেমের সাথে সবসময় আমার যেই জিনিসটা যুক্ত করতে হয় তা হইলো loperamide groups এর ওষুধ
লেখক বলেছেন: হইছে মায়ের রান্নার বদনাম করতে হবে না, নিজে আগেই কি জানি কি খেয়ে পেটের বারোটা বাজিয়ে রাখেন, তারপর মায়ের হাতের ভালো ভালো রান্না আর সহ্য হয় না। ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: না আসলে তারা কেমনে বাঁচবে বলেন? ![]()
![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
যথারীতি ভাল লাগলোগো বড় বিলাই। তা কেমন আছো? অনেকদিন পর তোমার বাড়িতে বেড়াইতে আইলাম। আশা করি সব খবর ভা। সহি সালামতে আছো। আমি বেড়াইতে গিয়া কয়দিনে একটু শুকায়া গেছি। আমারে দুই'চাইরটা ভিটিমিন ওষুধ লেইখা দেও দেখি। খায়া একটু তরতাজা হই।
লেখক বলেছেন: আপনেতো গেছিলেন গেরামে। আপনের দরকার ভিটামিন না, কৃমির ওষুধ। পাঠায়া দিমুনে।
লেখক বলেছেন: মায়ের আদর উপলব্ধি করা যায়। ![]()
লেখক বলেছেন: কাছিম ভাইয়া আপনার চেহারাটা অন্যরকম হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: কানের দুলগুলি সৌন্দর্য।![]()
রোবোট বলেছেন:
শেষ লাইনটা অনেকসময় ক্ষোভে বলি। ননইনজিনিয়াররা যেমন বলে "ইনজিনিয়াররা সব ঘুষখোর"। কিন্তু তারপরও তো নিজের প্রোফেশনের দোষ আমরা ঠিকই দেখি। প্যারাসিটামলের ঘটনায় অরণ্যচারীর কমেন্ট "মাঝে মাঝে ভাবি ফার্মেসি পড়া ছেড়ে দিব, ওষুধের নামে বিষ বানানোর চেয়ে না খেয়ে থাকা ভাল।" সব ফারমাসিস্ট কি দোষী? নিজের প্রোফেশনের অসৎ প্র্যাকটিসগুলো মনে হয় স্বীকার করা উচিত।
******
অ:ট: আপনার "আমার যত টারজান" সিরিজটা কি নির্মাণাধীন?
লেখক বলেছেন: নিজের প্রফেশনের অসৎ প্র্যাকটিস দেখেই তো এই ক্ষোভ।
এরকম কোন সিরিজের কথা তো শুনিনি, কি এটা?
লেখক বলেছেন: এত কষ্ট করে এইটা খুঁজে বের করেছেন? আর একটু কষ্ট করে একই পোস্টের কমেন্ট ৩২ দেখে নিন প্লিজ। ![]()
লেখক বলেছেন: সিভিটের ফ্রি স্যাম্পলের উপর নাম লেখা আছে ভাগ্নের, ঐটাতো দেয়া যাবে না। ডায়রিয়ার ওষুধ আছে, লাগলে কইয়েন।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা লুকায়া লুকায়া আপনেরে দিলাম।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভিটামিনের জায়গায় কৃমির ওষুধ!!! এই ডাগটার একদম ভালা না। খালি খালি প্যাটের ভিত্রের খবর লয়।
লেখক বলেছেন: এই ডাগটার ভালা না, এক্কেরে কসাই। কৃমির ওষুধ না খাইলে কইলাম প্যাট কাইটা কৃমি বাইর করুম।
লেখক বলেছেন: বেশী বেশী খাবেন এইটা বুইঝাই তো ডায়রিয়ার কথা কইছি। উপরে দেখেন একজনের বেশী খাইয়া কি হালৎ হইছে।
লেখক বলেছেন: ঐটা সামুর ভূতে করছিল। আবার ঠিক করছি।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
তিক্ত অভিজ্ঞতা সাহিত্য রস দিয়ে দারুন লিখেছেন। ভাল লাগল সৌদি রোগী মোঃ মোজাম হকের রোগ ও আপনার ট্রিটমেন্ট।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আমার লেখা পড়ার জন্য। ট্রিটমেন্ট তো দিতে পারলাম না সৌদি রোগীকে। ![]()
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
যদিও ডাক্তারগো আমরা সবাই কসাই বইলাই মানি, কিন্তু যদি একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করি তাইলে দেখেন কেমুন লাগে ব্যাপারটা!দেশে মনে হয় ৬৪০০০ গ্রাম আছে যার অর্ধেক স্বাস্হ্য কেন্দ্রে ভালো ডাক্তার নাই। ভালো ডাক্তার পাইতে গেলে উপজেলা স্বাস্হ্য সংস্হায় যেতে হয়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় রোগীর লাইন হাসপাতাল থুইয়া রাস্তায়। জেলা হাসপাতালে গেলে এই চিত্র আরো ভয়াবহ, তবুও সবাইকে কিছুটা চেস্টা করা হয় চিকিৎসা দিতে। কার কাছে জানি শুনছিলাম ৪ নাকি ৫ হাজার লোকের জন্য একজন ডাক্তার। একজন ডাক্তারকে যদি দৈনিক ১০০ টা রোগী দেখতে কয় তাইলে তার উপর কেমন জুলুম হয় সেইটা বলার অপেক্ষা রাখে না। সবাই ৮ ঘন্টা কাজ করে কিন্তু একজন ডাক্তারকে পরিচিত লোকের জন্য রাত ৩ টার সময় যেতে হয়, রোগী ভালো হলে ভিজিট ছাড়া চলে আসতে হয় আর যদি ঘুমের ঘোরে একটু ভুল হয় তাইলে তার মায়রে বাপ!
একটু ভাইবা দেখি ডাক্তার যারা হয় তার কি অন্য গ্রহ থিকা উইড়া আইছে? মনে হয় না। তারা আমাগো মতো পুলাপান, একটু ভালা কইরা পড়াশুনা কইরা ডাক্তারী চান্স পাইছে। আমাগো ভাই বোনই তো এরা, তবু সামান্য একটু ভুল হইলে তাগো আমরা ছাড়ি না!
অবশ্য আমি যে এতো সুন্দর কইরা কইলাম এই আমি আমার মামাতো বোইনরে একদিন ডাইকা খাড়ার উপর অপমান করছিলাম ডাক্তারি না কইরা কসাইগিরী করতে! তবু বোইনটা আমার এখনো খবর নেয়, আমার আম্মা আব্বার সমস্যা হইলে সূদুর অস্ট্রেলিয়া থিকা তাগো কয় এইটা করতে এইটা করতে না!
ডাক্তাররা কসাই, এইটা মনে হয় ঠিক না! অন্তত আমার কাছে না!
লেখক বলেছেন: অনেক কথা বললেন, ভালই লাগল, কিন্তু ডাক্তারদের মধ্যে অনেক অসততাও আছে যেগুলো কেউ কেউ বিবেক জলাঞ্জলি দিয়ে করেন, আবার কেউ করতে বাধ্য হন। এদের জন্য সবারই নামের সাথে কসাই জুড়ে যায়। কিভাবে অস্বীকার করব এটা।
লেখক বলেছেন: আমি পেরাইভেটে রোগী দেখি না।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
আপনার নিক দেখে আগেই সন্দেহ হইছিল আপনি ডাক্তার আপা এখন দেখি আপনি পাবলিক ডাক্তার.....খিক খিক
লেখক বলেছেন: বড়ই হাস্যকর ঘটনা, তাই না?
লেখক বলেছেন: বেশী তেড়িবেড়ি করলে কইলাম সবার শেষে দেখব।
রাজ০০৭ বলেছেন:
আিম পরে আপনার লেখা গুলৈা পড়বো
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, ইচ্ছা করলে পড়বেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




























আর আমি সাংবাদিককে খুব ভয় পাই