প্রিয় ফল
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
প্রিয় ফল কী? এই প্রশ্নের উত্তরে বেশীর ভাগই ক্ষেত্রেই আমের নাম আসে। আমার সবচেয়ে প্রিয় ফলটা একটু অন্যরকম - সফেদা। ছোটবেলায় নানার গাছের প্রায় সব সফেদা আমিই খেতাম। নানা নিজে যত্ন করে খোসা ছাড়িয়ে দিতেন। আমি অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকতাম। আমাকে দেয়ার আগে জিজ্ঞেস করতেন, টুকরো করে দিব? আমি বলতাম, না, লাগবে না। টুকরো করতে আবার কতক্ষণ লাগবে, অতক্ষণ সবুর করা যায় নাকি। আবার টুকরো করলে যদি অন্যদের ভাগ দেয়া লাগে, সেটাও তো চিন্তা করতে হবে। তারচেয়ে আস্ত খাওয়াই ভালো।
(এই কাহিনী আব্বার মুখে শুনেছি।)
নানার ঐ গাছ আর নেই। এখন সফেদা কিনে খাই।
আমি জঙ্গলে গাছের তলে বসে বসে সফেদা খাচ্ছি। অনেক মজা, তবে নানার গাছের সফেদার মত মজা না।![]()
প্রিয় ফলের মধ্যে ২য় হচ্ছে লিচু। এই মজার ফলটা কেন যে বছরে মাত্র দুই সপ্তাহের মত থাকে বুঝি না। লিচু এতই ভালো লাগে যে এক বসায় কমপক্ষে ৫০টা না খেলে মনই ভরে না। আগে বাসায় আব্বা লিচু আনলে সবাই ৫-৬ টা করে বা খুব বেশি হলে ১০ টা খেত। বাকীগুলো নিয়ে আমি আর আমার ছোট বোন প্রতিযোগিতায় বসতাম কে কত বেশী খেতে পারে। একবারে ১০০ লিচু শেষ করে উঠতাম দুজন মিলে।
সবার প্রিয় ফল আম - আমার প্রিয় ফলের তালিকায় তিন নাম্বারে আসে। তবে এই ফলটা খাওয়া হয় সবচেয়ে বেশি। শুধু আম খাওয়ার চেয়ে আম-দুধ দিয়ে মুড়ি মাখিয়ে খেতেই বেশী ভালো লাগে। তবে দুধটা হতে হবে গুড়ো দুধ, নইলে মাখা মাখা ভাবটা আসে না।
প্রিয় ফলের তালিকায় এর পরের স্থানে একসাথে অনেকগুলো ফল আসে, বড়ই, পেয়ারা, কামরাঙা, আঙুর, জাম, আমড়া, কমলা............. এখন সব মনেও পড়ছে না। থাক আর বলার দরকার নেই।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সফেদা, ছবি ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজসোহান বলেছেন:
ভালু লাগলুলেখক বলেছেন: ধইন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঐটা আমার প্রিয়র তালিকায় নাই, মাঝে মধ্যে খাই আর কি।
গিলটি মিয়া বলেছেন:
চুরি করে লিচু খেতে গিয়ে ধরা পোড়েচি একবার.........এমন পেদানীটা দিল না, সারের কতা শুনে বেচাড়া ছেড়ে দিয়েচে....তকন থেকে কান ধরে লিয়েচি এ জীবনে আর লিচুর সাতে ৪২০ কোরতে যাব না...
লেখক বলেছেন: তাই বলে আবার লিচু খাওয়া বাদ দিবেন না যেন।![]()
অপ্রিয়কথা বলেছেন:
আমার সাথে ১ নং প্রিয়টা মিলে যাওয়ায় একখান +
লেখক বলেছেন: তাই নাকি? যাক একজনকে পেলাম। টারজানকে বলা যাবে আমি একাই পাগল না।
লেখক বলেছেন: বড় বিলাই বড়ই পেটুক।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
পুরা ইয়াম্মী পুষ্ট।
লেখক বলেছেন: রান্দা-বান্দা পারিনা তো, তাই ফল দিয়াই ইয়াম্মী পুস্ট বানাই।![]()
ইউনুস খান বলেছেন:
প্রিয় ফলগুলোর মাঝে আমার জাম্বুরাও আছে।
লেখক বলেছেন: আমার জাম্বুরাও ভালো লাগে। ![]()
ভাবের অভাব বলেছেন:
আম আর লিচুটাই বেশি ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: এই দুই ফলের কোন তুলনা হয় না।![]()
লেখক বলেছেন: হি হি হি, এইটাতো সবার জানাই আছে, যেগুলা জানেন না, সেগুলাই বললাম।
লেখক বলেছেন: শুধু কলা? আমি মাঝে মাঝে রাতের খাবার হিসেবে কলা-দুধ-মুড়ি দিয়ে চালিয়ে দিই।![]()
রেজোওয়ানা বলেছেন:
লিচু, জামরুল আর লটকন আমার প্রিয়।সফেদাও ভাল লাগে। আজকাল এক ধরনের হাইব্রিড সফেদা পাওয়া যায়, ছোট ছোট, সুপারির মতো। ভেতরে বীজ একটা থাকে, শীতেও পাওয়া যায়। ওটা খেয়েছেন?
লিচু খেতে ইচ্ছা করছে।
লেখক বলেছেন: হাইব্রিড তো জানি বড় হয়, সফেদার বেলায় উল্টা?
না খাওয়া হয়নি ওটা।
লিচুর কথা আর বলবেন না আপু, গত বছর মন ভরে খেতেই পারলাম না।
(মন ভরে মানে এক বসায় ৫০টা)
লেখক বলেছেন: একটু আগে এক হালি সাবার করলাম। ![]()
লেখক বলেছেন: মুক্ত ভাই বড়ই কর্মঠ।![]()
kisuna বলেছেন:
সফেদা ভাল লাগেনা। একবার আভোকাডো নামে একটা ফল খেয়েছিলাম, বাজে লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: সফেদা অনেকেই পছন্দ করে না, বালু বালু লাগে। আভোকাডো খাইনি।
পারভেজ বলেছেন:
সফেদা চট্টগ্রামেই বেশী জনপ্রিয়। ইন্ডিয়াতে বলে আনজীর। আমারও বেশ প্রিয়।
লেখক বলেছেন: আনজীর? আমি জানতাম চিক্কু। আমার জানা ভুল হতে পারে।
আরও একজনকে পেলাম আমার দলে।
লেখক বলেছেন: কলা তো ভালো জিনিস, ফ্রবলেম হবার কথা না, তবে কি না, দুপুরের খাওয়া হিসেবে একটু কেমন যেন। তবে আপনার ভালো লাগলে কোন আবিসিদা নাই।
খোলা_আকাশ বলেছেন:
১। আম২। লিচু
৩। আঙ্গুর
এই তিনটাই বেশি ভাল লাগে। আর একটা ফল খেতে ইচ্ছা হয়, সেটা হচ্ছে চেরি।
লেখক বলেছেন: চেরি খেতে মজাই লাগে, তবে বাংলাদেশে করমচা ফলকে লাল রঙ করে চেরি নামে বিক্রি করে, সেটা অত মজা না।
লেখক বলেছেন: ছবিটা দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে।
লেখক বলেছেন: পরীক্ষার ফল ভালো হলে ভালো, নইলে কোন মজা নাই।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
ও.. ফটুক দেইখা মনে পড়ল..চেরি'ও খাইতে মজা।
খাওয়নের পিলান আছে। গুলশান আগোরায় নাকি পাওয়া যায়। ৪ জনে মিল্লা ৪ কেজি খামু খায়েশ আছে। আগামী দুই-একদিনের মাঝেই।
লেখক বলেছেন: আপনাগোর পিলান সফল হউক।![]()
লেখক বলেছেন: মজার নাম তো? আলিবুট শব্দটা জানা ছিল না।
লেখক বলেছেন: কাঁঠাল খাই, কিন্তু প্রিয়র তালিকায় রাখতে পারি না। সফেদা চিনে না এমন মানুষ আরও আছে তাহলে, টারজানের দল একটু ভারী হল।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
পারভেজ বলেছেন: মনে হচ্ছে আমারও ভুল হয়েছে, চিক্কুও হতে পারে। চাটগাঁর ভাষায় বলে 'আলিবুট' ----------------------------------------------------------------------------------
আলিবুট, হে হে হে হে হে
লেখক বলেছেন: নামটা আসলেই মজার।![]()
চিকনমিয়া বলেছেন:
নাইড়কেল ভালা পাই
লেখক বলেছেন: নারকেল কুরিয়ে মুড়ি দিয়ে খেতে খুব মজা।
জ্যাক স্প্যারো বলেছেন:
প্রিয়: গরমে কাঠাল ও তরমুজ।সব ঋতুতে: জলপাই, বিষটক কাঁচা আম, তেতুঁল।
অপ্রিয়: ডালিম ও বেদানা
ঘৃণা করি: পাকা আম
লেখক বলেছেন: আমার কাঁচা পাকা সব আমই প্রিয়। আরও কয়েকটা প্রিয় ফলের নাম বলতে ভুলে গেছি - আতা, শরীফা, তরমুজ।
সবচেয়ে বেশি এই ফল ভালোবাসি
লেখক বলেছেন: মনে হচ্ছে স্ট্রবেরীর ছবি দিয়েছেন, ছবিটা আসেনি, শেষের ব্র্যাকেট ক্লোজ করলে আসবে।
![]()
চামড়া ছিলে ফল খেতে আমার আইলসামি লাগে!
লেখক বলেছেন: মুক্তর দল ভারী হইল।
কাঁচা আমের জুস আমার ফেভারিট।
লেখক বলেছেন: আখ ভালো লাগে, খাই না অনেক দিন।
লেখক বলেছেন: আহ, গাছের পাকা আম, কি যে দারুণ স্বাদ।
মনপুরা বলেছেন:
পেয়ারা ও লিচু খেতে অনেক ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: আমারও আমারও।![]()
এন এইচ আর বলেছেন:
আমি বরই হতাশ হতাম যদি বড় বিলাই আপুর প্রিয় ফলের তালিকায় বড়ই না থাকত................ তবে মজার কথা কি আমি আম খাই না
লেখক বলেছেন: সবার পছন্দ একরকম না হবারই কথা।![]()
লেখক বলেছেন: আমি মিউ মিউ না, হালুম হুলুম।![]()
লেখক বলেছেন: আমারও অনেকটা সেরকমই অবস্থা।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
পারলে সারা বছর আম খাইতাম। আফসোস। মুক্ত আর তায়েফ। শাহবাগে আজীজে একটা জুসের দোকান আছে। শুধু জুসের। ওইখানে গেলে ইন্টারেস্টিং ইন্টারেস্টিং জুস খাইতে পারবা। আমি একবার গিয়া মাসাল্লা জুস খাইছি। পাচ ছয়টা ফ্লেভার মিক্সড কইরা। আজীব লাগছে। লেখক বলেছেন: ঐ দোকানের জুস আসলেই দারুণ।
লেখক বলেছেন: আসলেই করেছিলেন? নাকি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্নের মধ্যে করেছেন।![]()
কী লিখেছিলেন?
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
ছফেদা আমার ও ছেলে মেয়েদের অন্যতম প্রিয় ফল। আজ সকালেই কিনে আনলাম কিছু। আরব দেশে এই ফলের ফলন খুব বেশী। রাস্তায় রাস্তায় খেজুর গাছের সারিতে ছফেদা ও গাছও বেশ দেখা যায়। লিচু খেতে চাইলে চলে আসুন আবুধাবী। সব সময়ই পাওয়া যায়(আমদানী কৃত) এখানে তবে বাংলাদেশের লিচুর মত এত রসালো ও মজাদার নয়। দেখুন তো কেমন লাগে
লেখক বলেছেন: লিচু রসালো না হলে খেয়ে মজা নেই।
দেখছি।
লেখক বলেছেন: কাঁঠাল আসলেই পছন্দের তালিকায় নেই, তবে খাই অল্প স্বল্প।
লেখক বলেছেন: ফল স্বাস্থ্যকর খাবার, ফল না খেয়েই তো এখনও বাবুটাই রয়ে গেছেন, এখনও শুধু আঙ্গুল চোষেন।
তবে আপনার কপালের টিপটা খুব সুন্দর।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
পাকা আমরে বেশি ভালা পাই, বাকিগুলানও ভাল্লাগে... তয় আম একটু বেশিই প্রিয়.... লেখক বলেছেন: সবচেয়ে কমন প্রিয় ফল। আমিও অনেক খাই, সুযোগ পেলেই। আপনার জন্য আরও একটু...
লেখক বলেছেন: আমিও করি, সবচেয়ে বেশী পছন্দেরগুলো বললাম শুধু।
কালপুরুষ বলেছেন:
লিচু আমারো প্রিয় ফল। আম-দুধ দিয়ে মুড়ি আমারো খুব প্রিয়। আমের দিনে আমার সকালের নাস্তা এটা। পুরো একবছর খেলেও অরুচি লাগবেনা। ব্যাংকক-এ খেয়েছিলাম ডুরিয়ান (আমাদের দেশের কাঁঠালের মতো দেখতে, বিশ্রী গন্ধ কিন্তু স্বাদে অতুলনীয়)- এখনো সেই স্বাদ ভুলতে পারিনা।
লেখক বলেছেন: থাইল্যান্ডের রামবুটানও খেতে ভালোই লাগে।
আচ্ছা বিশ্রী গন্ধ হলে তো মুখের কাছে আনলেই অরুচি লাগার কথা, নাক বন্ধ করে খেতে হবে বুঝছি।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আমার সবচেয়ে প্রিয় আম! মণ হিসেবে উপহার পাই! তারপরও প্রচুর আম কিনে খাই। আমার বউ সফেদা পছন্দ করে না।
লেখক বলেছেন: সফেদা খুব একটা জনপ্রিয় ফল না।
এত এত আম পান! ভাবীর বাড়ি রাজশাহী-চাপাই নাকি?![]()
নীল ভোমরা বলেছেন:
ছোটবেলায় আমাদের বাসায় (সরকারী বাংলো) সফেদা ও আতা গাছ ছিল। গাছ থেকে পেড়ে পাকাবার জন্য চালের বস্তার মধ্যে রেখে দিতাম। সেদিন কাওরান বাজারে পাকা সফেদা পেয়ে কিনে আনলাম.... কিন্তু আমার মেয়ে একটু খানি মুখে দিয়েই আর খেল না.... ওরা এ'গুলো মজা পায়না!... ঢাকার বাচ্চাদের টেষ্ট এখন কোক, বার্গার, পিৎজা! ওরা দেশী ফলগুলোর মজা নিতে শিখছেনা...মিস করছে অনেক কিছু!
লেখক বলেছেন: আসলেই, আমার জানের জান ভাগ্নেটাকে কোন ফলই খাওয়ানো যায় না, ছোটটার আবার মোটামুটি আগ্রহ আছে ফল খাওয়ার।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
সব গুলোই আমার অনেক পছন্দের, ফল মাত্রই আমার প্রিয় .... তবে এটা আমার পছন্দের ফল ....
লেখক বলেছেন: তোমার ঐ ছবিটা যেন কোথায় রেখেছিলাম। দাঁড়াও খুঁজে আনছি।
পল্লী বাউল বলেছেন:
কেউ আনারসের নাম নিল না, আফসুস।
লেখক বলেছেন: আফসুস কেন? আপনার জন্য আনারস।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আমার দাদু বাড়ি দিনাজপুর।বউয়ের বাড়ি রংপুর।
ছোটভাইয়ের শ্বশুড়বাড়ী চাপাইনবাবগঞ্জ।
এই তিন জেলাতেই ভাল আম পাওয়া যায়।
লেখক বলেছেন: আহ, কী কপাল আপনার!
লেখক বলেছেন: মন চাইলেও সব খাওয়ার উপায় নাই, এখন সফেদা আর কমলা খান, বাকিগুলা সময় হইলে খাইয়েন।![]()
ইজীটক বলেছেন:
Amar prio phol ডিওরেন (রামবুটান)।একবার ইনদোনেশীয়া তে খাইয়া বমি করছিলাম।
লেখক বলেছেন: ডিওরেন আর রামবুটান আলাদা ফল। কোনটা খাইয়া বমি করলেন?
পাথুরে বলেছেন:
হাহাহা
বিলাই খায় ফল....
প্যাট খারাপ হৈলে পাতা খায় জানতাম
পারভেজ ভাই, সফেদা আর "আলিবুট" আলাদা। আলিবুটের শুদ্ধ বাংলা হল 'গাব'।
লেখক বলেছেন: ওহ তাই নাকি, অনেকেই সফেদাকে গাবের সাথে গুলিয়ে ফেলে। তার মানে পারভেজ ভাই আসলে সফেদা খান নি। গাবের চেয়ে সফেদা অনেক অনেক বেশী মজা।
হোদল রাজা বলেছেন:
কাচা আম, পাকা আম! উফ! আম মানেই আমাদের বাসায় কার্টুন হিসাবে আসে! আর চলে সব বেলায়!
লেখক বলেছেন: ইয়াম ইয়াম।![]()
চিকনমিয়া বলেছেন:
এইবার ছোড ছোড কমলা আইচে বাজারে, এইডিও ভালা পাই
লেখক বলেছেন: ওগুলো দেখলে কেমন যেন অন্য গ্রহের মনে হয়।
খেতে ভালোই লাগে।
যতরকম খাবার-দাবার আছে তার মাঝে আমার সবসময়ের পছন্দ ফল। ভাত না খেয়ে থাকা ব্যাপার না কিন্তু ফল না খেয়ে...... হতেই পারে না।
এখানে পারভেজ বলেছেন সফেদাকে চট্টগ্রামে আলিবুট বলা হয়, আমি জানতাম আলিগুট...
লেখক বলেছেন: আমার সাথে আপনার এত মিলে গেল কিভাবে? ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমার খুব ছোট বেলার সফেদা খাওয়ার স্মৃতি মনে পড়ছে। ফলটা অসাধারণ বলেই হয়তো খাওয়ার স্মৃতি মনে আছে এখনো। আমি তখন স্কুলেও পড়ি না এমন ছোট। একদিন বাবা ব্যাবসার কাজে গাজীপুরের আই ইউ টি তে গেছেন আর আমাকেও সাথে নিয়ে গেছেন। তখন ছিল লোকাল বাস। জীবনে প্রথম কোন ইউনিভার্সিটিতে ঢুকছি। বাবা ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে কি কি বললেন উনিই জানেন, আমি তখন কিছুই বুঝি নাই। তখন ছিল বিকেল বেলা। সূর্য হেলে পড়েছে। ভিতরের লাল ইটের দেওয়ালগুলো দেখে খুব ভাল লাগল। একেবারে ভিতরে সম্ভবত একটা জলাশয় ছিল ভবনের সাথে লাগোয়া। সূর্যের আলো পড়ছিল সেখানে। কেক খেয়ে আমি পানিতে প্রতিফলিত সূর্যালোক দেখছিলাম। বাবাকে বললাম আমি এখানেই বসে থাকি তুমি তোমার কাজ সেরে আস। কাজ শেষ হলে আমরা বাড়ী ফিরলাম। তখন সন্ধ্যা। আমাদের একটা সফেদা গাছ ছিল। ঐটাতে সেই বছরই প্রথম সফেদা ধরেছে তাও মাত্র একটা। বহুদিন ধরে ঠিক করে রেখেছি ফলটা পাকলে খাব। বাড়ীতে ফিরে দেখলাম সফেদাটা গাছে নেই। মাকে জিজ্ঞাসা করলাম, মা বললে সফেদাটা আজকে গাছ থেকে পড়ে গেছে। আমি বললাম ওটা কোথায়। মা বলল জানালার পাশে রেখে দিয়েছে। আমি সফেদাটা নেড়ে চেড়ে দেখলাম এখনো নরম হয়নি। বেশ কিছুক্ষণ হাতের তালু দিয়ে ঘষলাম। যদি গরমে পেকে যায় এই আশায়। লাভের লাভ কিছুই হল না শুধু হাততা আঠালো হয়ে গেল। পরের দিন দেখি ওটা পেকে গেছে। ভাঙ্গার পর দেখলাম ভিতরে খুব সুন্দর লম্বা বিচি আপনার দেওয়া ছবির মতন। মারাত্মক মজা পেয়েছিলাম ফলটা খেয়ে। আফসোস হচ্ছিল কেন একটা মাত্র ফল ধরল! আমাদের একটা বিলম্বি গাছ ছিল। বিলম্বি গাছে অনেকদিন দেখি না। মাঝে মাঝে মা বিলম্বি দিয়ে ছোট মাছের তরকারী রান্না করতেন। তরকারীর সিদ্ধ বিলম্বি খেতে ভাল লাগত না তবে টক টক ঝোলটা দারুন লাগত। আমার আরেকটা প্রিয় ফল হল আতা। একজন বাদে আর কেউ এইটার নামও নেয় নাই দেখে আফসুস খাইলাম। তবে সবচেয়ে প্রিয় ফল আম অবশ্যই। একধরণের আম আছে, সিদুরে আম বলি, বোটার দিকে সিদুরের মত লাল হয়, সবচেয়ে প্রিয়। টক ফল ভাল লাগে না। পেয়ারাও ভাল লাগে না। পেয়ারা ভাল না লাগার কারন সম্ভবত একসময় পেয়ারার ড্রামে গোসল করতাম। আমাদের কারখানায় ট্রাক ভর্তি পেয়ারা আসত। কাঠাল সব ধরনের ভাল লাগে না। বড় কোসের কাঠাল ছাড়া কাঠাল পছন্দের না। জামের ভর্তা প্রিয়। কামরাঙ্গা টক ভাল লাগে না তবে মিষ্টিটা চরম। অমৃতের মত লাগে। গাছে অনেক সময় পাখি খাওয়া কামরাঙ্গা পাওয়া যায়। আমি ঐগুলো পেড়ে পেড়ে খেতাম। পাকা বেলও ভাল লাগে, করবেলও বিট লবন কাচা মরিচ দিয়ে ঘুটিয়ে খেতে মজা। কমলা, জাম্বুরা, কামরাঙ্গা মোটেও পছন্দ না............
লেখক বলেছেন: আতা আমারও প্রিয়, পোস্টে লিখতে মনে ছিল না, কমেন্টে লিখেছি।
হায় হায়, এত মজার কৎবেলের নাম কেমনে ভুলে গেলাম। কৎবেলের ভর্তা ইয়াম ইয়াম ইয়াম।
রাজীব নুর বলেছেন:
আমি জীবনে সফেদা ফল খাই নাই।
লেখক বলেছেন: আপনি কি দেশের বাইরে আছেন? সুযোগ পেলে খেয়ে নিবেন।
লেখক বলেছেন: আমিও পারি।
শাহানা বলেছেন:
কম বেশি সব ফলই ভাল লাগে। প্রিয় ফল কোনটা বললে বেশ চিন্তায় পরে যায়।
লেখক বলেছেন: কম বেশি সব ফল আমারও ভালো লাগে। প্রিয় বলতে যেগুলো বেশি ভালো লাগে সেগুলোর কথা বলতে চেষ্টা করেছি, তাও কিছু বাদ পড়ে গেছে।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
প্রথম যখন স্কুলে ভর্তি হয়েছি, ঐ সফেদার লোভে রোজ তাড়াতাড়ি স্কুলে যেতাম। অনেক গুলো সফেদা গাছ ছিলো।আর ছেটে রাখার কারনে বোধহয় বেটে আর খুব ঝাকালো।
মাটিতে ডাল লুটিয়ে থাকতো। ঢাকার বাইরে থাকায় অনেক বছর সফেদা চোখেও দেখিনি। কয়েক বছর আগে ছোট বোন গাজীপুর, আর রাজেন্দ্রপুর থাকার সময় ওর বাসায় অনেক গুলো গাছ ছিলো, তখন মনের সাধ মিটিয়ে খেয়েছি।
আর পছন্দ করি আম। যদিও আম খেলেই আমার এলার্জি বের হয়। তবুও খাই।
এখনকার বাচ্চারা সফেদা চিনেনা, আর দিলেও খেতে চায়না।
লেখক বলেছেন: সফেদা পছন্দ করে না এমন মানুষ অনেক পেয়েছি। আপনি আমার দলের জেনে খুশী হলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























