যখন দেখি যুদ্ধাপরাধের দায়ে নিজামী, মুজাহীদি, কামরুজ্জামান ধরা পড়ে তখন বুকটা ভরে যায় এই বিশ্বাসে যে, সরকার আসলেই যুদ্ধাপরাধের বিচার চাইছে, তারা জনগণকে দেয়া ওয়াদা রাখবে। তাদের খুব বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে।
কিন্তু যখন দেখি গোলাম আযম, সাকা চৌধুরীর মতো লোকেরা এখন পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধের বিচারের উর্দ্ধে তখন সন্দেহ হয়।
কারণ ৭১ জামায়াতের পূর্বপাকিস্তান প্রধান ছিলেন গোলাম আযম। রাজাকার, আলবদর, আল সামস এর সৃষ্টিকর্তা ছিলেন গোলাম আযম। যুদ্ধাপরাধের অপরাধে কাউকে যদি প্রথম গ্রেফতার করতে হয় সে অবশ্যই গোলাম আযম হওয়ার কথা। কিন্তু গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? সে বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয় নয় সুতরাং আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ নয় বলে? তাহলে কি আমি ধরে নেব যে যুদ্ধাপরাধীরা বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ তাদেরই শুধু নির্মূল বা বিচার করা হবে?
আরেক বিখ্যাত রাজাকার ফকা চৌধুরীরর ছেলে সাকা চৌধুরী। তার বাবা ও তার কীর্তি সম্পর্কে
এখানে কিছু ধারনা পাবে। অথচ সাকাকে গ্রেফতারের তো দূরের কথা এমন চিন্তা সরকারের আছে কিনা তাও সন্দেহ।
সাকাকে কেন গ্রেফতার করা হবে না? তাকে হজম করার মতো ক্ষমতা আওয়ামী লীগের হয়নি বলে?
নাচতে নামলে ঘোমটা দেয়ার কোন সুযোগ নাই। সুতরাং ঘোমটা খুলতে না পারলে নাচতে যাওয়া উচিৎ না।
সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার যেহেতু শুরু করেছে সেহেতু সকল স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। আর যদি মনে করে যে সবার বিচার করার হিম্মত তাদের নাই তাহলে সবাইকে ছেড়ে দেয়া হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



