সতর্কীকরণঃ প্রায় দেয় বছর আগে লেখাটি অন্য একটি ব্লগে লেখা হয়েছিল।
প্রত্যেক মানুষই নাকি জীবনের কোন একটি সময় কবি হয়ে উঠে। বিশেষ করে প্রেমে পড়লে কবিতা লিখতে চায়। আমারও জীবনের শুরুতেই একজনকে ভাল লেগেছিল। সে আমার মনে এতো বেশী দাগ কেটেছিল যে সেটা বলে বোঝাবার মতো নয়। আমার মনের সেই দাগ কখনও মুছে যাবে না। সেই তেমন একটি সময় আমারও কবিত্ব জেগে উঠেছিল। কিন্তু চাইলেই তো আর কবিতা লেখা সবার কম্ম নয়। আমার বেলাও তাই হলো। কবিতা লিখতে বসি। মনে কতো সুন্দর সুন্দর পদ্য খেলা করে কিন্তু কলম দিয়ে সেটা আর কবিতা হয়ে বের হয় না। সে কি ভীষণ কষ্ট! যাইহোক, এর মধ্যেও কেমন করে যেন আমার কলম ১০/১২ কবিতা প্রসব করে ফেলল। কিন্তু সেটা কি আদো কোন কবিতা হয়েছে কিনা আল্লাহ জানে। কবিতা লেখা ডায়েরী টি খুব যতন করে লুকিয়ে রেখেছি আজ প্রায় ১২ বছর হলো। ভয় লাগে যদি কেউ দেখে পেলে নিশ্চয় একটি হাসির কান্ড হবে। আমার কবিতা পড়ে কেউ একজন দাঁত কেলিয়ে হাসছে এটা ভাবতেই অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে।
সেখান থেকে একটি কবিতা সামুর ব্লগারদের জন্য দিলাম। ১২ বছর আগের লেখা এখন আমার নিজেরই মনে হয় এটা কোন কবিতা নয়, একটি হাসির বিষয় হয়েছে। তার পরও লেখাটিতে কোন পরিবর্তন না করে যেমন লেখা হয়েছিল ঠিক তেমন করেই দিলাম।
হৃদয়ে প্রতিমা
আমি কোন আর্টিস্ট নই
তবু এই কাঁচা হাতে
হৃদয়ে যে প্রতিমার ছবি এঁকেছি
তা চির ভাস্বর।
আমি শিল্পীর মতো ভাল রং বুঝিনা
তবু যে রং আমি তুলিতে ব্যবহার করেছি
তা কখনও মুছে যাবে না
এ রং অবিনশ্বর।
হৃদয়ের এই প্রতিমা, এই ছবি
অন্যকারো জন্য নয়
এই ছবি একান্তই আমার
যা সময়ের স্রোতে কখনও বিবর্ণ হবার নয়।
এরপর আর একযুগ আর কোন কবিতা লেখার দুঃসাহস হয়নি। কিন্তু এই বছর এসে আবার কয়েকটি কবিতা লেখার সাহস করলাম।
আমি কবি প্রকৃতির কিছু নয়। মানুষের জীবনে কিছু কিছু মূহুর্তে আসে যখন তাকে কবি করে তোলে। ঠিক তেমনি কিছু মূহুর্তের প্রলাপ মাত্র।
তোমাকে ঘৃণা করি
ভালবাসার ফাঁদ।
চলতে চলতে বহুদূর চলে গেছ
কুত্তার লেজ
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



