জানতে ইচ্ছে করে.......

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার এই লেখা কাউকে বিদ্রুপ করার জন্য নয়। কৌতহল থেকেই করছি। আমার খুব জানার ইচ্ছে ঈদের দিন নাস্তিকেরা কি করে?

১. তারা কি সকল মোসলমানের সাথে মিলে মিশে আনন্দ করে কাটায়?
২. সেদিন ঈদের বিরুদ্ধে গনসচেতনাতা (!) মূলক কাজ করে কাটায়?
৩. ঈদের মতো বিশ্রী(?) একটি ব্যপার যাতে চোখে না পড়ে সেই কারণে ঘর বসেই কাটায়?
৪. নাকি অন্য কোন ভাবে কাটায়?
সত্যি জানতে চাচ্ছি। আশা করি নাস্তিকেরা আমাকে নিরাশ করবেন না। সম্ভব হলে ঈদের দিনের কিছু স্মৃতিচারণ করতে পারেন।

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ১৯০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৪
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: নামায ছাড়া সব করে May b ( মানে খাওয়া-দাওয়া, টিভি দেখা, ঘোরাঘুরি)।
তাহরে নাস্তিকতাও হলো আবার Enjoy করাও হলো।
:)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: আজব.......ঈদ তো মোসলমানদের ধর্মীয় উৎসব। নাস্তিকেরা তো তা দেখে নাকসিটকানোর কথা।

২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৫
comment by: কুম্ভকর্ণ বলেছেন: সবই করে, আরো বেশি করে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: তার মানে ধর্মকর্ম করার সময় তারা নাস্তিক। আনন্দ করার সময় আস্তিক।

৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৬
comment by: রাতমজুর বলেছেন: নাস্তিক কি?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: খিকজজজজ

৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৭
comment by: শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: আমার চেনা এক নাস্তিক আছে, যে ঈদের দিন বৌয়েব ভয়ে চামে নামায পড়তে যায়।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: খিককক। দারুন মজার কথা শোনালেন।

৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: নাস্তিকরা মনে মনে ভাবে আহারে সব মানুষ কত আহাম্মক আর মুরগী পোলাও খায়
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: কুরবানীর ঈদে তো তাহলে নাস্তিকদের জন্য শ্রেষ্ঠ বিনোদন।

৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৭
comment by: মামুনহ্যাপী বলেছেন: তারা মনে লয় দুই দিকেই মজা লয়। ১ ইসলাম যে গুলি নিষেধ করেছে তা করে । ২ যখন ইসলামী উৎসব হয় তাও করে।শুধু ইসলামী উৎসব পালন করে
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: হুমমম... সুযোগ পাইলেই মজা লয়।

৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৩
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

১. সকল মোসলমানের সাথে মিলে মিশে আনন্দ করে কাটানোর মত কি ঘটে ঐদিন?

২. সেদিন ঈদের বিরুদ্ধে গনসচেতনাতা (!) মূলক কাজ করে কাটায়? ঈদ কি গণমানুষের জিনিস? গণসচেতনতার দরকার কি? যে মুসলমান সে তার ধর্মের বিধান পালন করবে। যে হিন্দু সে করবে তারটা। নাস্তিক এসব ব্যাপার নিয়ে বেহউদা ভাবে না।

৩. ঈদের মতো বিশ্রী(?) একটি ব্যপার যাতে চোখে না পড়ে সেই কারণে ঘর বসেই কাটায়?

হা হা হা ...এইটায় মজা পাইলাম...!। ঈদ কি বান্দর না হনুমান, বাইরে গেলেই দেখা যাইব...!


৪. নাকি অন্য কোন ভাবে কাটায়?

থাক বাদ দেন ভাইটু, নাস্তিকেরা কি করে জানলে আপনের ঈমান খাড়া হয়া যাইতে পারে...


২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: এতোক্ষণে পাইছি জবাব......... এতোক্ষণ কইছিলেন মিয়া........

৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
comment by: ক-খ-গ বলেছেন: বাংলাদেশে ঈদ যতটা না ধর্মিয়, তার চেয়ে বেশি সামাজিক উৎসবে পরিনত হয়েছে। আপনি লক্ষ করলে দেখবেন এদেশের হিন্দু ধর্মের মানুষ-ও কিন্তু ঈদের দিন ভালো রান্না করে, নতুন জামা-কাপর পরে। আশা করবো মনটাকে আরো অনেক বেশি উদার করবেন এবং নাস্তিক-আস্তিক বাদ দিয়ে মানুষকে নিয়ে ভাববেন। ধন্যবাদ।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: বলেছেন: আপনি লক্ষ করলে দেখবেন এদেশের হিন্দু ধর্মের মানুষ-ও কিন্তু ঈদের দিন ভালো রান্না করে, নতুন জামা-কাপর পরে।

আপনার সাথে আমি একমত। আমিও সুযোগ পেলে দুর্গপুজা দেখতে যাই। কিন্তু হিন্দু,বুদ্ধ,মুসলিম আর নাস্তিক এককথা নয় সেটাও বুঝতে হবে। একজন সত্যিকারের ধার্মিক যে ধর্মেরই হোক সে অন্য ধর্মকে কখনো অবজ্ঞার চোখে দেখবেনা। কিন্তু নাস্তিকদের কথা আলাদা। তাদের চোখে প্রত্যেক ধার্মিকই অবজ্ঞার পাত্র। বেকডেটেড। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৯
comment by: মানুষের পৃথিবী বলেছেন: ১] ঈদ কার জন্যে আনন্দের? মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্ত গুটিকয়েক পরিবার ছাড়া ঈদ একটি অভিশাপ হয়ে আসে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্র জনগুষ্ঠির জন্য। ঈদের চাদ দেখে ভয়ে সিটিয়ে যেতে দেখেছি আমি আত্মমর্যাশীল অর্থ-অক্ষম পিতাকে।

নজরুল:

জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নীদ,
তাদের কিসের ঈদ?

২) ঈদের দিন নাস্তিকেরা এ কাজটি করে না, কিন্তু করা যেতে পারে:
যে ঈশ্বর বলে যে আমি যাকে ইচ্ছা দেই আর যাকে ইচ্ছা দেই না, সেই বৈষম্যপূর্ণ অবিবেচক নির্মম ঈশ্বরের ঘরবাড়ী তথা মসজিদগুলোকে পাথর মেরে মেরে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া।

৩) আনন্দ বুঝেন? আনন্দ কি দিনক্ষণ মেপে আসে? শামসুর রাহমানকে একদিন এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করে, আপনার আনন্দের দিন কোনটি? কবি বললেন: কখনো হঠাৎ যে কোন সময়।

৪) কোন একটি দিনকেই যদি আনন্দঘন বলতে হয় তাহলে পহেলা বৈশাখে টিএসসি এবং গ্রামাঞ্চলের মেলাগুলোতে একটু বেরুবেন আর তার সাথে তুলনা করবেন যে কোন একটি ঈদের দিনকে। কোথায় বয়ে যায় প্রাণের বন্যা লক্ষ্য করবেন।

১০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩১
comment by: সজল বলছি বলেছেন: বলেছেন........
১১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: শাহারিয়ার আহমেদের দেয়া তথ্যে মজা পাইলাম... এরেই কয় নাস্তিক... ব্যকবোনলেস একদল মানুষ...
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: খিককক

১২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০১
comment by: সাহোশি৬ বলেছেন: ১। আনন্দের সংজ্ঞা কি? পোলাও কোর্মা, মুরগী মোসল্লম খাওয়াটাই কি আনন্দ?

আনন্দ কিংবা দু:খের জন্য কোন নির্দিষ্ট দিন থাকাটা অযৌক্তিক। একজন বুড়িকে চিনতাম, ঈদের দিন সে প্রায় কিছুই খেত না, কান্নাকাটি করত, আর বুক চাপড়িয়ে চাপড়িয়ে বলত, "আল্লাহ এই দিনে তুই আমার একমাত্র পোলাটারে উঠায়া নিলি?" বুড়িটা যেহেতু আল্লাহর উদ্দেশ্যেই কথাগুলো বলত, ধরে নেয়া যায় সে মুসলিম ছিল। অথচ ঈদের দিনটাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে দু:খের দিন।

২। নাস্তিকেরা মনে হয় বছরের সব ক'টি দিনই গনসচেনতার জন্য কাজ করে। আস্তিকদের বোধ হয় বছরে এক দুইটা দিন ফকির মিসকিনদের দান খয়রাতের জন্য বরাদ্দ থাকে।

৩। একেকজন মানুষ একেক রকম। কেউ ঘরকুনো, কেউ বাহিরমুখী। ঘরকুনো মানুষ ঈদের দিনেও ঘরেই কাটায়, আর বাহিরমুখী মানুষ চেষ্টা করে বছরের সব দিনেই কোথাও না কোথাও যেতে। ঈদের দিন কে ঘরে বসে থাকল, কে বাইরে বের হল, সেটা আস্তিকতা কিংবা নাস্তিকতার উপর নির্ভর করে না।

৪। ৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দেখুন
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: হাস্যকর...........

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৮০৯৩