somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আওয়াজ চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28870652 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28870652 2008-11-18 13:11:08 পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ। " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> আওয়ামী লীগ বিএনপির বড়ো বড়ো নেতাদেরকে লাল ঘরে ঢুকানোর পরো রাস্তায় কারোরে লাফালাফি করতে দেখিনাই। আর দুই জামায়াতী কুত্তাকে জেলে ঢুকানোর পর তাদের আন্ডা বাচ্ছা গুলার লাফালাফি দেইখা পাছায় লাথ্থি দিতে ইচ্ছা করছিলো। মাগার আমাগো পুলিশ ভাইদের মাইর দেইখ্যা সেই আশা অনেক খানি পুরাইছে<img src=" style="border:0;" /> কিছুক্ষনের জন্য মনে হইছিল আহা...আমি যদি পুলিশ হইতাম!!!!!!!!
সকল সচেতন ভাইদের কাছে বিনীত অনুরোধ। দেশোদ্রোহী রাজাকারের বাচ্চাগুলারে সুযোগ পাইলে এমন মাইরের উপর রাখেন। মাইরের উপর তাদের জন্য আর কোন মেডিসিন নাই<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28868207 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28868207 2008-11-12 18:02:19
হায় প্রথম আলো ব্লগ http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28863912 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28863912 2008-11-03 10:46:32 শেয়ার বাজার " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28858637 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28858637 2008-10-23 14:43:14 হায় আশরাফুল New Zealand 171
Bangladesh lead by 137 runs with 6 wickets
টেষ্ট ম্যাচ জিতার এমন সুযোগ বার বার আসে না। সেই সুযোগ যদি হারাই তাহলে তার জন্য অবশ্যই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা দায়ী। বিশেষ করে আশরাফুল। আশরাফুলের এমন অবিবেচকের কতো খেলা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। দুই ইনিংস মিলিয়ে অন্তত ৬০/৭০রান যদি সে করতো তাহলে বাংলাদেশ দলের জেতার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেত। তারপরো আশায় আছি। যদি কিছু একটি হয়ে যায়!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28856797 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28856797 2008-10-19 12:21:43
ভালো লাগেনা<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> (" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28852349 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28852349 2008-10-08 16:22:59 জানতে ইচ্ছে করে.......
১. তারা কি সকল মোসলমানের সাথে মিলে মিশে আনন্দ করে কাটায়?
২. সেদিন ঈদের বিরুদ্ধে গনসচেতনাতা (!) মূলক কাজ করে কাটায়?
৩. ঈদের মতো বিশ্রী(?) একটি ব্যপার যাতে চোখে না পড়ে সেই কারণে ঘর বসেই কাটায়?
৪. নাকি অন্য কোন ভাবে কাটায়?
সত্যি জানতে চাচ্ছি। আশা করি নাস্তিকেরা আমাকে নিরাশ করবেন না। সম্ভব হলে ঈদের দিনের কিছু স্মৃতিচারণ করতে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846734 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846734 2008-09-23 01:29:11
আসবো ফিরে........

বা



কে

ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা। আগামী মাসখানেক সা:ও তে আসবো না। ভাবতেই কান্না পাচ্ছে। /<img src=" style="border:0;" />
তাই সবাইকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখলাম। সবাই ভালো থাকুন।

আর যে কারণে এই পোষ্টে সবাই মিলে মাইনাচের বন্য বইয়ে দেবেন সে কারণটি হলো এটা আমার ৫০ তম পোষ্ট। তালি....... (সাথে হয়তো কিছু গালি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846259 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846259 2008-09-22 01:43:47
নয়া ঝামেলা http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846235 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846235 2008-09-22 01:06:10 দ্য ইকনোমিস্ট এর প্রতিবেদন....দ্য বেগমস আর ব্যাক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা জামিনে মুক্তি পেয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করায় দেশ আবার ফেলে আসা দিনগুলোতে ফিরে যাচ্ছে। শুধু এ দুই শীর্ষ নেত্রী নন, দেশের দুইটি বড় দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের যেসব মন্ত্রী ও এমপি দুর্নীতির দায়ে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন, তারাও জামিনে বাইরে বেরিয়ে আসছেন। এসব রাজনীতিক কারাগার থেকে বাইরে বের হওয়ায় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশের মূলস্রোতের দুই নেত্রীকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। দেশ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগেও এমন দৃশ্য ছিল অভাবনীয়। বাংলাদেশের রাজনীতির এ নয়া মোড় নিয়ে দ্য ইকনোমিস্ট ‘দ্য বেগমস আর ব্যাক’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ইকনোমিস্টের ইন্টারনেট সংস্করণে প্রকাশিত এ নিবন্ধে বলা হয়, ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা দখল এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা সত্ত্বেও সেনাবাহিনী বাংলাদেশের দুই বিবদমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা ওয়াজেদ প্রভাবাধীন যুগের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে এক বছরের অধিক কারারুদ্ধ থাকার পর দুই বেগম মুক্তিলাভ করেছেন। ১১সেপ্টেম্বর সরকার খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে। তার পাঁচদিন পর সরকার আমেরিকা থেকে শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের আইনগত বাধা দূর করে। গত ১১ জুন প্যারোলে মুক্তিলাভের পর শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। আগামী মাসের প্রথমদিকে তিনি দেশে ফিরে আসবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে উভয় নেত্রী এখনো বিচারাধীন। সরকারের অনুমতি ছাড়া কৌঁসুলিগণ তাদের মামলাগুলো চালু করতে পারবেন না। সরকার দুই বেগমের রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটানোর চেষ্টা বাদ দিয়েছে। বড় ধরনের কোনো অঘটন না ঘটলে তাদের দুইজনের একজন হবেন বাংলাদেশের আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী।

বিস্ময়করভাবে ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে দুইজনের মধ্যেই। ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত পালাক্রমে দুই বেগমই ক্ষমতায় ছিলেন। এ দুই বেগম তীব্র শত্রুতামূলক ও দুর্নীতিপ্রবণ রাজনীতি অনুসরণ করেছেন। যার পরিণামে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে। প্রথমে সেনাবাহিনী তাদের দু্‌ইজনকে নির্বাসনে পাঠানোর এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করে। পরে তারা দুই নেত্রীকে কারাগারে নিক্ষেপ করে এবং তাদের দলে ভাঙ্গন ধরানোর চেষ্টা করে এই আশায় যে, তাতে নয়া নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটবে। তা সত্ত্বেও দুই বেগমের দল ঐক্যবদ্ধ থাকে। দুইটি বিষয় তাদের দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সহায়তা করেছে। একটি ছিল পৃষ্ঠপোষকতা এবং আরেকটি ব্যক্তিপূজা। দুইটি দল দুই বেগম ছাড়া চলতে পারে না। এ বাস্তবতা সত্ত্বেও গত সপ্তাহে দলকে আজীবন নেতৃত্ব দানে বিএনপির প্রস্তাব বেগম খালেদা জিয়া ফিরিয়ে দিয়েছেন।

বাংলাদেশীদের জন্য সুখবর হলো যে, ২০০১ সালের পর প্রথমবার তারা একটি সরকার নির্বাচন করার সুযোগ পাচ্ছে। এ নির্বাচনে কারচুপি করা প্রায় অসম্ভব হবে। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা থেকে জাল, মৃত ও ভুয়া ভোটারের নাম বাদ দিতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শে প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। সরকার খুব শিগগির ২০ মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিতে পারে।

এটা বিব্রতকর যে, যে দুইজন রাজনীতিবিদ গণতন্ত্রকে অকার্যকর করে রেখেছিলেন, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রে উত্তরণের দায়িত্ব তাদের উপরই ন্যস্ত হয়েছে। তারা কয়েক দশক একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যদিও সরকার তাদের আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার কথা বলছে। রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন বর্জন রোধে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের অব্যাহতি দিতে গিয়ে সরকারকে মূল্য দিতে হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে পরবর্তী ৫ বছর বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এ মাসে সরকার বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে মুক্তি দিয়েছে। তারেক রহমান ছিল সরকারের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের কেন্দ্রবিন্দু। দুই বেগমের অনুসারীরা জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন। মনে হচ্ছে দুর্নীতির অভিযোগে যাদের শাস্তি দেয়া হয়েছিল তারা ছাড়া পেয়ে যাবে। ঢাকায় কেউ কেউ উদ্বিগ্ন যে, জেনারেলদের পক্ষে এত সব হজম করা কঠিন হবে। সেনাবাহিনীকে বহুদলীয় ব্যবস্থায় নিজেদের নিরাপদ প্রস্থানের পথ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু পুনর্গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর উপর তাদের প্রভাব খুব সামান্য। পশ্চিমা সরকারগুলো বিগত দুই বছর সেনাবাহিনীকে দেশের বিশৃংখল রাজনীতি সুস্থ খাতে প্রবাহিত করার জন্য সমর্থন দিয়েছে। এখন তাদের সমর্থন জানানোর দিন শেষ হয়ে আসছে। বিদেশী সরকার এবং বাংলাদেশী কেউ সেনাবাহিনীকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তবে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, জেনারেলগণ রাজনীতি থেকে বিদায় নাও নিতে পারেন। নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গি গ্রুপ জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনী ইতিপূর্বে এ জঙ্গি গ্রুপকে ধ্বংস করে দেয়ার দাবি করেছিল। গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিল। জেনারেলদের পশ্চাদপসরণ অনিবার্য। তবে তারা যে ক্ষত রেখে যাচ্ছে তা বড় ধরনের নয় বলে মনে হচ্ছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846221 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28846221 2008-09-22 00:46:28
এই ঈদে ঘুরে আসুন
সোনাদিয়া দ্বীপ
সোনাদিয়া দ্বীপ কক্সবাজর হতে ৯ কিলোমিটার দূরে, দ্বীপটি নয় স্কয়ার কিলোমিটার। এ দ্বীপের পশ্চিম দিকের সমুদ্রতীরে বালুরাশি ও বিভিন্ন প্রাণীর খোলস দেখতে পাওয়া যায়। দীপের দক্ষিণ দিকে ঝিনুক দেখা যায়। শীতকালে জেলেরা দ্বীপ হতে সামুদ্রিক মাছ শিকার করে অস্থায়ী ক্যাম্পে শুকানোর ব্যবস্থা করে। প্রত্যেক শীতে হাজার হাজার জেলে সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে। এ দ্বীপটি অতিথী পাখির স্বর্গ বলা হয়ে থাকে যেমন- গাংচিল, বালি হাস, অন্য অনেক প্রকারের পাখি এবং রাজহংসী ইত্যাদি পাখি দেখা যায়। শীতকালে সংঘবদ্ধভাবে অতীতি পাখিরা বীচের উপর অবাদে বিচরন করে ও দ্বীপের জলাভুমিতে সাতার কাটে।

মহেশখালী দ্বীপ
মহেশখালী কক্সবাজার উপকুলবর্তীয় একটি দ্বীপ। ইহার আয়তন ২৬৮ বর্গ কিলোমিটার। দ্বীপের মধ্যস্থানে এবং পূর্ব উপকুলে নিচু পাহাড়গুলো ৩০০ ফুটের মত উচুঁ। কিন্তু পশ্চিম ও দক্ষিণ উপকুল নিচু ও গরান গাছের বন। উপকুলের পাহাড়ে আদিনাথের মন্দির আছে যা শিবা নামে পরিচিত। ইহার এক প্রান্তে বৌদ্ধের প্যাগোডা আছে। পর্যটকরা এখানে এক হতে আধ ঘন্টার মধ্যে ট্রলার অথবা সিপ্রডবোডে চড়ে আসতে পারে। এখানে গরান গাছের বন, পাহাড়ী এলাকা, লবণ উৎপাদন দেখতে পারবেন। বৌদ্ধ মন্দির,প্যাগোডা এবং এই দ্বীপের পাশে সোনাদিয়া দ্বীপ যা দেখতে দেখতে একজন পর্যটক সারদিন কাটিয়ে দিতে পারে।

হিমছড়ি ঝরনা
হিমছড়ি ১৮ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার সমুদ্র তীরের দক্ষিণ প্রান্তে। পিকনিক ও শুটিং এর জন্য একটা সুন্দর স্থান। এখানকার পাহাড়ী টিলা ও ঝরণা বিরল ও বিখ্যাত। পাহাড়ের চূড়ায় রিসোর্ট থেকে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। হিমছড়ির বামে সবুজ পাহাড় ও ডানে সমুদ্র তরঙ্গ যা উপভোগ করার মত।

নিঝুম দ্বীপ
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরের পর্যটন স্থানটি হচ্ছে নিঝুম দ্বীপ। এখানে গরাণ বনভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ ও বানর দেখা যায়। প্রচুর পরিমাণে অতিতী পাখি শীতের সময় এখানে আগমন করে যা দ্বীপটির আকর্ষন অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়া সত্ত্বেও পর্যটকদের এখানে আগমনের কমতি নেই। চট্রগ্রাম হতে প্রথমে হাতিয়া দ্বীপ ও পরে যন্ত্র নৌকা অথবা জাহাজে চড়ে নিঝুম দ্বীপে আসা যায়। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে তমিজউদ্দিন লঞ্চে করে নিঝুম দ্বীপে আসা যায়।

টেকনাফ
টেকনাফ কক্সবাজার হতে ৮৪ কিলোমিটার দূরে নাফ নদীর পার্শ্বে বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত। কক্সবাজার হতে জীপ, বাস অথবা মাইক্রেবাসে সমুদ্র পাশ দিয়ে টেকনাফে আসা যায়। নাফ নদীর অপর প্রান্তে মায়ানমার অবস্থিত। এ এলাকায় বন্য প্রাণী ও পাখি আছে এবং নদী ভ্রমন খুবই আনন্দদায়ক। পাহাড়ের উপর থেকে সমুদ্র তীর সবুজ বনভুমি সত্যিই অপূর্ব যা পর্যটকদের স্বরনীয় করে রাখে। নাফ নদীর তীরে অনেক লবণ তৈরী জমি আছে। টেকনাফে প্রাকৃতিক ঝর্ণা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করে। এখানে বার্মিজ মার্কেট আছে যেখানে উপজাতীদের হাতের তৈরী জিনিস পাওয়া যায়। টেকনাফে মাথিনের কুপ অবস্থিত যাকে বলা হয় ভালবাসার গল্প। আর একটি আকর্ষণ হচ্ছে টেকনাফের নৌকা ও সাম্পান। এখানে আরাকান ও রাখাইন সম্প্রদায়দের দেখতে পাওয়া যায়। টেকনাফ বীচ আর একটি সৌন্দর্য্যের স্থান। অন্য আকর্ষনীয় স্থান হচ্ছে সাফারি দ্বীপ যা উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত।


ইনানী সমূদ্র সৈকত
ইনানী বীচ কক্সবাজার হতে ৩২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। পশ্চিমে সমুদ্র ও পূর্বে পাহাড়ী সত্যিই স্বপ্নের মত দেখতে। কক্সবাজার হতে আধাঘন্টার সময় এখানে পৌছতে, যা পিকনিক ও সুমদ্রে গোছলের জন্য উপযুক্ত স্থান।

আগামৈডা কেয়াং
আগামৈডা কেয়াং বিশাল গাছের শক্ত আবৃত্রে একটি পাহাড়-এর পাদদেশে। কক্সবাজার শহরের প্রবেশদ্বারের কাছাকাছি আগমৈদা কিয়াং সমানভাবে সুনির্মিত করা হয়েছে। চারিদিকে কাঠের কলামে উপর নির্মিত পবিত্র স্থান কাম আশ্রম যা বৌদ্ধের সর্বোচ্চ অস্তিত্ব সমৃদ্ধ বার্মিজ অধিবাসীদের প্রার্থনার সম্মেলন হল এবং সেখানে কিছু পুরাতন পান্ডুলিপি আছে । দক্ষিণপ্রান্তে প্রধান কিয়াং-এর ধারে কাঠ ও ভাজকরা লৌহ ইটের মন্দিরটি তৈরী। মান্দিরের প্রবেশদ্বারে রক্ষিত পাথরে বিশাল অংলঙ্করনের খোদিত চিহ্ন বিভিন্ন ধরনের প্রলেপ বৌদ্ধের সাথে বার্মিজদের অস্তিত্ব বহন করে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845982 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845982 2008-09-21 06:16:45
১০ লাখ পাউন্ড দামের বিচিত্র এক ঘড়ি। ঘড়িটির নকশা প্রণেতা ড. টেইলর ১৯৫০ সালে এ কলেজের ছাত্র ছিলেন। সেখানে তিনি সময়ের পরিমাপ নিয়ে গবেষণা করেন।
৪ ফুট প্রশস্ত এ ঘড়িটির আলোর ছটা দিয়ে সময় প্রকাশ করে। সব সময়ই বিভিন্ন আলো ছড়ায় তবে তা শুধুই একঘেয়েমি কাটিয়ে বৈচিত্র্য আনার জন্য। কিন্তু ৫ মিনিট অন্তর সঠিক সময় দেয় থেমে গিয়ে। ড. টেইলরের মতে সময় ফিরে আসে না হারিয়ে যায় অন্ধকারে। সে জন্যই তার এই বিচিত্র ব্যবস্থা।
১০ লাখ পাউন্ড দামের এ ঘড়িটি টেইলর দান করেছেন তার কলেজকে।
আট প্রকৌশলী ও এক কারুশিল্পীর ৫ বছরের পরিশ্রমের ফসল এই বিচিত্র ঘড়ি।
বৃটিশ হরলজিক্যাল ইন্সটিটিউটের (ঘড়ি বিষয়ক) কিউরেটর এলেন সিডলিটন বলেন এটি চমৎকার বিষয়। তবে সময়ই বলবে এটা ‘বিগ বেনের’ মতো বিখ্যাত হবে কি না তবে এ ব্যাপারে আমার সংশয় রয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845978 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845978 2008-09-21 05:18:51
তবে কেন লোক হাসালি? http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845972 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845972 2008-09-21 05:03:55 যা ভাবছেন তা নয় ১৮+











আমি এমন একজন, যাকে দুই লিঙ্গের মানুষই উপভোগ করে থাকে।
আমি ধরুন গিয়ে, ছয় থেকে আট ইঞ্চির মতো লম্বা, আমার একদিকে কিছু রোঁয়া আছে, অন্যদিকে আছে একটা ফুটো।
সাধারণত আমি শুয়েই থাকি সারাদিন, কিন্তু যে কোন সময় আমি কাজের জন্যে দাঁড়িয়ে যেতে রাজি।
আর কী কাজ রে ভাই! একটা ভেজা ভেজা জায়গায় আমাকে বারবার যেতে আর আসতে হয়। কাজ শেষ হলে সাদা, আঠালো কিছু পদার্থ পেছনে ফেলে রেখে আমি আবার আগের জায়গায় ফিরে যাই। অবশ্য যাওয়ার আগে আমাকে পরিষ্কার করা হয়।
বলতে পারলেন না তো? আরে, আমি তো আপনার ...


... টুথব্রাশ! কী ভাবছিলেন আপনি আমাকে, খাচ্চর কোথাকার?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845555 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845555 2008-09-20 05:24:49
কারাগারের দিন-রাত কারাবন্দি অবস্থায় শারীরিকভাবে পুরোপুরি ‘ফিট’ আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী। বন্দি জীবনে কয়েকদিন মাত্র দাঁতের ব্যথায় ভুগলেও অন্য কোনো শারীরিক সমস্যায় পড়েননি তিনি। তবে খুব অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটছে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় ‘জাউ ভাত’ ছাড়া অন্য খাবার খেতে পারছেন না। আর আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়ার পর আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে রাখা হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ১৬ নম্বর সেলে। কারাগারে যাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ওই সেলের অন্য বন্দিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। সবার সঙ্গে মিলেমিশে দিন কাটাতেন। প্রাণ খুলে গল্প করতেন। ব্যক্তি ও চাকরি জীবনের অভিজ্ঞতার গল্প করতেন। পড়তেন বিভিন্ন ধরনের বই, পত্রিকা, ম্যাগাজিন। কিন্তু কারাগারের ভেতরে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার হওয়ার পর তাকে পাঠানো হয় নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে। সেখানেও তিনি বইপত্র পড়ে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন। নিয়মিত নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন। সন্ধ্যায় বন্দিদের সঙ্গে নিয়ে ইফতার করেন। সপ্তাহে একদিন বাসা থেকে পাঠানো ইফতার খান। তাছাড়া কারাবন্দিদের জন্য জেল কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা ইফতার খেয়েই রোজা ভাঙতে হয়। ভিআইপি বন্দি হলেও ইফতারের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না তিনি।
কারা সূত্রে জানা গেছে, বন্দি জীবনে তিনি অন্য ভিআইপি বন্দিদের মতো জটিল কোনো অসুখে ভোগেননি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকার সময় মাত্র কয়েকদিন দাঁতের ব্যথায় ভুগেছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ তখন তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
কারাগারের এক কর্মকর্তার ভাষায়, বিমান বাহিনীর এক সময়ের দক্ষ কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন চৌধুরী শারীরিকভাবে ছিলেন অসম্ভব রকমের ‘ফিট’। কখনো তাকে কারা হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি। এমনকি তিনি একবারের জন্য বাতের ব্যথায়ও ভোগেননি। প্রতিদিনের কাজকর্মে তার কোনো হেরফের হতো না। কারাগারের নিয়ম মেনে চলতেন। কারারক্ষী বা কারাগারের অন্য কারো সঙ্গে কখনো খারাপ ব্যবহারও করেননি। করেননি কোনো অন্যায় আবদার।
কারাবিধি অনুযায়ী পরিবারের লোকজন মাঝে মধ্যেই তার সঙ্গে দেখা করতে আসে। তবে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট উদ্ধারের পর শাস্তি হিসেবে তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেয়া হয়নি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকার সময় দলীয় বা এলাকার লোকজন কখনো দেখা করতে আসেননি।
আর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পরপরই বিভিন্ন রোগে ভুগতে শুরু করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যেতে থাকে। ফলে তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। পরবর্তী সময়ে অবস্থার আরো অবনতি হলে কারা চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে স্থানান্তর করা হয়। প্রথমে রাখা হয় ওয়ার্ডে। এখন চিকিৎসাধীন আছেন বি ব্লকের কেবিনে।
কারা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এখন একাধিক রোগে আক্রান্ত তিনি। আর সবই পুরনো রোগ। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ওষুধ খেতেন। কিন্তু গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় অনিয়ম হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বাভাবীক খাবার খেতে পারেন না, এমনকি ভাতও না। খেতে হয় ‘জাউ ভাত’ ও নরম খাবার।
বাবর এখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া খাবার খান। এতে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো হাত নেই। দিনের বেশিরভাগ সময় তসবি জপেন, নামাজ পড়েন। ধর্মীয় কাজকর্মের দিকে এখন তার বেশি মনোযোগ। সময় কাটাতে পড়েন বই ও পত্রিকা। এক সময়ের প্রবল ক্ষমতাধর বাবরকে এখন কারাবিধি মেনেই স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে হয়।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের প্রভাবশালী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এখন চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন। চিকিৎসা নিচ্ছেন সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। কারাবন্দি অবস্থায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হন মোহাম্মদ নাসিম। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ভর্তি করা হয় ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে। পরবর্তী সময়ে সরকার তাকে চিকিৎসার জন্য পেরোলে মুক্তি দেয়। বর্তমানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। উন্নত চিকিৎসার পর তার অবশ হয়ে যাওয়া হাত ও পা এখন নড়াতে পারছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র: যায়যায়দিন

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845553 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845553 2008-09-20 05:19:08
আবার ক্রসফায়ার র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সে শ্যামপুর এলাকার সন্ত্রাসী বড়মিয়া শাহীন গ্র"পের সদস্য।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে iর‌্যাব-১০ এর একটি দল জানতে পারে, নামা শ্যামপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা মিলিত হয়ে অপরাধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। র‌্যাব সদস্যরা সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা র‌্যাবের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। র‌্যাবপাল্টা গুলি করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে সন্ধান করে সায়েলের লাশ পাওয়া যায়।
সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করে র‌্যাব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845543 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845543 2008-09-20 04:42:03
রাশি " style="border:0;" />কাউছার আহমেদ নিজেই বলেন মানুষ ৯৬ভাগ পর্যন্ত ভাগ্য নিজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারে, বাকি ৪ ভাগকে বলা যেতে পারে নিয়তি। তবু অনেক মানুষকে দেখি রাশিফল এবং পাথরে বিশ্বাস করেন। এটা হয়তো কিছু ধান্দাবাজ জ্যোতেষির মন্ত্রনায় পড়ে বিশ্বাস করে। একটি পাথর কোন মানুষের ভাগ্য বদল করতে পারে এটা আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারিনা। আবার একজন মানুষ চাঁদ তারা নিয়ে হিসাব কিতাব করে কারো ভবিষ্যৎ বলে দেবে তাও বিশ্বাস হয়না।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845066 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845066 2008-09-19 02:37:00 বিডি আইডল গেল কই??(সাময়িক) " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845061 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845061 2008-09-19 02:06:14 একুশে টেলিভিশনের প্রতারণার.. সত্য নাকি মিথ্যা?
হাসনাইন কবীর নামের ওই ব্যবসায়ী অভিযোগে করেছেন পাওয়া টাকা না দিয়ে তাকে জিম্মি করে ব্ল্যাঙ্ক চেকে সাক্ষর নিয়েছেন ইটিভির শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা। তার অভিযোগ, কেবল জিম্মি করাই নয়, অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে পরিবারসুদ্ধ তাকে হেয় করার চেষ্টা করছে টেলিভিশন চ্যানেলটি।

এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ইটিভির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাসনাইন কবীরকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা। ইটিভি এ ধরনের কোনও কাজ করতে পারে না। এছাড়া ইটিভি যেসব সংবাদ তাকে নিয়ে করেছে সবগুলোই সত্যি।"

উল্টো অভিযোগ এনে সালাম বলেছেন, "পুলিশ ওর পৃষ্ঠপোষকতা করছে। আর বিশেষ একটি মহল, যারা আগেও ইটিভির বিরুদ্ধে লেগেছিল, ইটিভির সুনাম ক্ষুণœ করার জন্য আবার উঠেপড়ে লেগেছে।"

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে হাসনাইন বলেন, "কম্পিউটার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা বাবদ আমি একুশে টেলিভিশনের কাছে প্রায় ২৪ লাখ টাকা পাই। কিন্তু ওই টাকা না দিয়ে আমাকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাঙ্ক চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া ক্রমাগত আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আমাকে নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে।"

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষ হওয়ামাত্রই ইটিভির বার্তা বিভাগের প্রধান রাশেদ চৌধুরীর উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে কয়েকজন লোক সাংবাদিকদের কাছে ইটিভির লিখিত বক্তব্য বিতরণ করার চেষ্টা করলে সম্মেলনস্থল আকস্মিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইটিভির একাধিক সাংবাদিক উত্তেজিতভাবে হাসনাইন কবীরকে চিৎকার করে প্রশ্ন করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত অন্য সাংবাদিকরা হতচকিত হয়ে পড়ে। প্রবীন ফটো সাংবাদিক কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে কয়েকজন সাংবাদিক ইটিভির লোকদের বাধা দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইটিভির প্ল্যানিং এডিটর হারুনুর রশীদ, প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী ও অখিল পোদ্দারসহ কয়েকজন সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মী কামরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে অখিল পোদ্দারকে মারতে উদ্যত হন কামরুজ্জামান। ইটিভির নির্বাহী প্রযোজক প্রণব সাহা ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির আরো কয়েকজন সেসময় উপস্থিত ছিলেন।

উত্তেজিত হয়ে কামরুজ্জামান বলতে থাকেন, 'একটি সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে ইটিভি থেকে কতজন এসেছেন?' তিনি আরো বলেন, "এটা তো ইটিভির সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে না। তাহলে ইটিভি কেন লিখিত বক্তব্য প্রচার করবে ?" তিনি প্রয়োজনে তাদের আলাদা সংবাদ সম্মেলন করতে বলেন।

প্রায় ১০ মিনিটের উত্তেজনা শেষে কার্যত কামরুজ্জামানদের তাড়া খেয়ে চুপ হয়ে যায় ইটিভি। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে সংবাদ সম্মেলনস্থলের বাইরে প্রেসক্লাবের দোতলায় দু'পক্ষের মধ্যে আবার বচসা হয়। কিছুক্ষণ পর সংবাদ সম্মেলনে আসা সাংবাদিকরা ফিরে যান।

হাসনাইন কবীর লিখিত বক্তব্যে কম্পিউটার ব্যবসায়ী হিসাবে নিজের পরিচয় দেন। তিনি বলেন, গত জুলাইয়ে ইটিভিতে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তার ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল যা কাজে যোগ দেওয়ার পরও অব্যাহত থাকে।

তিনি বলেন, "পাঁচটি কার্যাদেশ ও চালানের মাধ্যমে ইটিভি আমার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকার কম্পিউটার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় করে। এর মধ্যে ২১ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকী ১৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ছাড়াও কার্যাদেশের বাইরে জরুরি প্রয়োজনে আরও প্রায় চার লাখ টাকার মালামাল সরবরাহ করেছি, যেগুলোর বিল এখনও পাইনি।"

এসব কার্যাদেশ, চালান ও মালামাল সরবরাহের তথ্য প্রমাণ রয়েছে দাবি করে কবীর বলেন, "গত আট সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ইটিভিতে কর্মরত অবস্থায় কনফারেন্স রুমে আমাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চ্যানেলটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, জেনারেল ম্যানেজার রুহুল আমীন, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সাদিয়া সিলভানা ও নাট্যকার সাখাওয়াত আল মামুনের উপস্থিতিতে ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান আব্দুস ছোবহান জানান, আমার সমস্ত কার্যাদেশ ও চালান বাতিল করা হয়েছে। বাতিল ঘোষণাপত্র আমার হাতে দিয়ে তা রিসিভ করতে বলা হয়।"

কবীরের অভিযোগ, বাতিল করার কারণ জানতে চাইলে চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যরা তাকে ধমক ও গালাগালি দিয়ে ভয় দেখান এবং পুলিশে দেওয়ার হুমকি দেন। বাধ্য হয়ে তিনি বাতিলপত্র রিসিভ ও জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সই করেন।

কবীর বলেছেন, এরপরও তাকে আটকে রাখা হয় এবং জেনারেল ম্যানেজার রুহুল আমীন এসে বিল হিসেবে তাকে পরিশোধ করা ১৯ লাখ টাকা তক্ষুণি ফেরত দিতে হবে বলে দাবি করেন। এরপর তিনজন সাদা পোশাকের লোক এসে নিজেদের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে থানায় অভিযোগ করলে ক্রস ফায়ারে হত্যার হুমকি দেন।

হাসনাইন কবীর বলেন, "তখন জেনারেল ম্যানেজার আমাকে বাসা থেকে চেক এনে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিতে বলেন। আমি তখন নিরূপায় হয়ে আমার দোকানের কর্মচারী হাবিবকে ফোন করে বাসা থেকে চেক আনতে বলি। আমার ব্র্যাক ব্যাংকের চেকবই থেকে তারা ৬টি ব্ল্যাঙ্ক চেক কেটে রাখে এবং ভোরে আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়।"

এই অভিযোগ করেই ১৩ সেপ্টেম্বর তেজগাঁ থানায় ইটিভির ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন হাসনাইন কবীর। এরপর ওই রাতেই প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একই থানায় হাসনাইন কবীরের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করে ইটিভি কর্তৃপক্ষ।

ইটিভির দায়ের করা মামলায় বলা হয়, কম্পিউটার মালামাল সরবরাহের জন্য হাসনাইন কবীর ১৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা অগ্রিম নেন। কিন্তু কোম্পানির চাকরির সুযোগ নিয়ে প্রতিশ্র"ত মালামাল সরবরাহ না করে তিনি ওই টাকা আত্মসাৎ করেন। মামলায় আরও বলা হয়, এসব বিষয় জিজ্ঞেস করলে কবীর কার্যাদেশ বাতিল করে অগ্রিম নেওয়া টাকা অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক দিয়ে অফিস ত্যাগ করেন।

হাসনাইন কবীর বলেন, "মামলা দায়েরের পর থেকেই নিয়মিত সংবাদ ও বিশেষ বুলেটিনে ইটিভি আমাকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে সংবাদ প্রচার করতে থাকে। ওইসব সংবাদে জনগণকে আমাকে ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আমি একুশে টেলিভিশনের টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছি।"

তিনি বলেন, "ইটিভি অফিসে চেক পৌঁছে দিতে আসা আমার দোকানের কর্মচারী হাবিবের বিরুদ্ধেও প্রতিবেদন প্রচার করেছে ইটিভি। স্থানীয় কিছু মানুষের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাবিবের সাভারের বাড়িতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে।"

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাবিবুর রহমান হাবিব কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমি শ্যামলীতে থাকি। সাভারে আমাদের বাড়িতে আমার মা ও বাবা থাকেন। মিথ্যা সংবাদে তারা লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না।"

হাসনাইন কবীর ও হাবিবের বিরুদ্ধে ইটিভি প্রচারিত দুটি প্রতিবেদনও ল্যাপটপ দিয়ে প্রদর্শন করা হয়।
সূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845040 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28845040 2008-09-19 01:16:07
ওয়েবসাইট হ্যাকিং যেভাবে হয়
ধরুন, আমরা ইয়াহু! ডট কমের বিভিন্ন তথ্য খুঁজে বের করবো। এজন্য প্রবেশ করুন http://www.internic.com/whois.html ওয়েবসাইটে। who is Search এর ঘরে টাইপ করুন yahoo.com এবং এন্টার দিন। লক্ষ্য করলে দেখবেন ইয়াহু! ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ১৯৯৫ সালের ১৮ জানুয়ারি, আপডেট করা হয়েছে ২০০৫ সালের ২২ জুলাই এবং ডোমেইনটির মেয়াদ শেষ হবে ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি।

এখানে আরও লক্ষ করলে দেখবেন, যে সার্ভারে ইয়াহু! এর ডোমেইন অবস'ান করছে তার হোস্ট নেম। যেমন, NS1.YAHOO.COM, NS2.YAHOO.COM, NS3.YAHOO.COM ... ইত্যাদি। এটা প্রমাণ করে দেখার জন্য ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা অবস্থায়- Ping দিয়ে দেখতে পারেন। যেমন স্টার্ট মেনু > রান > এ গিয়ে লিখুন> ping ns1.yahoo.com দেখবেন Ping এর মাধ্যমে উক্ত হোস্টকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।

এই সাইটটির আরও তথ্য বের করার জন্য ইন্টারনেটে সংযুক্ত অবস্থায়, উইন্ডোজের ক্ষেত্রে ডস প্রোগ্রাম, লিনাক্সের ক্ষেত্রে টার্মিনাল কনসোল এবং ম্যাকের ক্ষেত্রে টার্মিনাল প্রোগ্রাম খুলুন। এবার নিম্নোক্ত কমান্ডগুলো লিখুন-
> nslookup লিখে এন্টার
> set type=any লিখে এন্টার চাপুন
অত:পর টাইপ করুন
yahoo.com এবং এন্টার চাপুন।
দেখুন ইয়াহু! এর অনেক তথ্য এখন আপনার সামনে। হ্যাকাররা প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে এভাবেই একটি ডোমেইনের কিংবা ওয়েবসাইটের তথ্য খুঁজে বের করে। তারপর এর সূত্র ধরে সামনে এগুতে থাকে। হ্যাকাররা ডোমেইনের তথ্যের মধ্যে যেটিকে কাজে লাগায় তাহলো এর আইপি এড্রেস। যে সার্ভারে ওয়েবসাইটটি হোস্টিং করা আছে তার আইপি এড্রেসটি খুঁজে বের করাই তাদের প্রথম পদক্ষেপ। তারপর ওই আইপির সার্ভারে সংযুক্ত হয়ে তারা তাদের কারসাজি চালায়। তবে উল্লেখ্য যে আইপি পেয়ে যাওয়া মানেই সার্ভারে প্রবেশ করতে পারা নয়। আইপি খুঁজে পাওয়াটা সহজ হলেও ঐ আইপির অধীনে থাকা সার্ভারে প্রবেশ করা ওতোটা সহজ নয়। ফায়ারওয়াল, পাসওয়ার্ড প্রভৃতি ভেদ করে সেখানে প্রবেশ করতে হয়। যা একমাত্র অভিজ্ঞরাই পারে। হ্যাকাররা সাধারণত পাসওয়ার্ড চুরি করে কিংবা পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে সার্ভারে প্রবেশ করে না। তারা মূলতঃ এমন কিছু বিশেষ কমান্ড প্রয়োগ করে যার জন্য পাসওয়ার্ড পর্ব পর্যন্ত তাদের যেতে হয় না। হ্যাকিং করার জন্য হ্যাকাররা চাবি হিসেবে ব্যবহার করে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে। কম্পিউটার সিস্টেমে প্রত্যেকটি প্রোগ্রাম কিংবা সার্ভিসের অধীনে একটি বিশেষ যোগাযোগ মাধ্যম কাজ করে যার নাম ‘পোর্ট ’। একটি সার্ভারে এরকম একাধিক পোর্ট সচল থাকতে পারে। এসব পোর্টগুলোর কোন কোন কাজে ব্যস- থাকে আবার কোন কোনটি ফ্রি থাকে। হ্যাকার এই ফ্রি পোর্টগুলোকে খুঁজে বের করে এবং সেই পথ দিয়েই প্রবেশ করে আরেকজনের সার্ভারে।
সূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844632 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844632 2008-09-18 02:13:42
হাবিবুল বাশারের সাক্ষাৎকার
প্রশ্ন : ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তটা নিশ্চয়ই শুনেছেন। প্রতিক্রিয়াটা তো খুব ভালো হওয়ার কথা নয়।

হাবিবুল বাশার : হ্যাঁ, শুনেছি। শুনে খুব খারাপই লাগছে। এতো বড় শাস্তি দেওয়ার মতো কোনো কাজ করেছি বলে মনে হয় না। আমরা তো কোনো অপরাধ করতে ভারতে যাইনি। কিংবা কোনো অনৈতিক কাজও করতে যাইনি। আমরা ওখানে ক্রিকেট খেলতেই গিয়েছিলাম।

প্রশ্ন : কিন্তু এরকম কিছূ যে হবে তা তো আপনাদের জানাই ছিল নাকি...

হাবিবুল : জানতাম যে কোনো একটা ব্যবস্থা হয়তো নেওয়া হবে। কিন্তু এতোটা কঠোর হবে একদমই আশা করিনি। যদি এমন হত যে বেটিংয়ের মতো ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িয়েছি, তাহলে মাথা নীচু করে এই শাস্তি মেনে নিতাম। কিন্তু আমরা কী সেরকম কিছূ করেছি? আমি আবারো বলছি আমরা কোনো ক্রাইম করতে যাইনি। গিয়েছিলাম ক্রিকেট খেলতে।

প্রশ্ন : আজ (বুধবার) বিকেলে ভারত থেকে ফেরার পরও খুব উৎফ্ল্লু ছিলেন। আর সন্ধ্যায় বিসিবির শাস্তির কথা শুনলেন। এ তো দেখছি সেঞ্চুরি করার পরের ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হওয়ার মতো অভিজ্ঞতা।

হাবিবুল : নিষেধাজ্ঞার কথা শোনাটা মোটেই সুখকর কোনো অভিজ্ঞতা নয়। জানেন, ওইখানে কিন্তু আমাদের ভীষণ রেসপেক্ট করা হয়েছে। বাংলাদেশের একটা দল খেলতে গেছে, এটাকে ভারতের মিডিয়াও খুব পজিটিভলি নিয়েছে। মঙ্গলবার জমকালো একটা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে একশোর মতো সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন। এসব কিছুই কিন্তু আমাদের জন্য।

প্রশ্ন : ওই অনুষ্ঠানে দেখলাম আপনাদের 'বিদ্রোহী' হিসেবে চিহ্নিত না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

হাবিবুল : এখানে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবের কথাগুলো আপনাদের শোনাতে চাই। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, "আমরা চাই ওরা বাংলাদেশের হয়ে খেলুক। এখানে খেলতে এসে ওরা তো কোনো পাপ করেনি। জাতীয় দলের ডাক আসলে আমরা ওদের ছেড়ে দেব।" এমনকি আইসিএলের খেলা চলার সময়ও আমাদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন : কিন্তু এখন আপনাদের জাতীয় দল তো বটেই, দেশেরও কোনো টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ রাখা হয়নি।

হাবিবুল : এটা দুঃখজনক। দেশের হয়ে এতোদিন খেলার পর এধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়াটা মেনে নেওয়া কঠিন। অথচ আইসিএলে কিন্তু বাংলাদেশেরই একটা দল খেলবে। আমরা সেখানে ভালো খেললে দেশেরই সুনাম। তাছাড়া এই টুর্নামেন্টকে তো আইসিসিও নিষিদ্ধ করেনি।

প্রশ্ন : তাই বলে আইসিসি অনুমোদনও দেয়নি।

হাবিবুল : কিন্তু আমাদের নিষিদ্ধ করতেই হবে এমন কথাও তো কেউ বলছে না। আজ (বুধবার) সকালে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকা পড়ে আসলাম। সেখানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটা ভাষ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি আমাদের আইসিএলে খেলার অনুমতি দেয় তাহলে তাদের কোনো সমস্যা নেই। বিসিবি আমাদের নিষিদ্ধ না করলেও পারতো।

প্রশ্ন : এখন তাহলে কী করবেন বলে ঠিক করেছেন?

হাবিবুল : আমরা বোর্ডের সাথে কথা বলতে চাই। জানাতে চাই আমাদের কথা। আইসিএলের সঙ্গে কী ধরনের চুক্তি হয়েছে তা সবাইকে জানাতে চাই। জানানো গেলে দেখবেন অনেক ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়ে গেছে। আমাদের নিয়ে ধোঁয়াশাও তখন আর থাকবে না।

প্রশ্ন : বোর্ড তো আপনাদের আলোচনার টেবিলে স্বাগত জানিয়েছিলই। তখন না এসে এখন আবার বসতে চাইছেন।

হাবিবুল : বোর্ড যখন চিঠি পাঠায় তখন আমি দেশে ছিলাম না। এখন এসেছি। এখন বসতে চাই।

প্রশ্ন : আইসিএলে খেলার জন্য অন্য ক্রিকেটারদের অনুপ্রাণিত করার অভিযোগ উঠেছে কারো কারো বিরুদ্ধে। আপনি কী বলেন?

হাবিবুল : দেখুন, আমি সিনে (দৃশ্যপটে) এসেছি অনেক পরে। দল গড়ার কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পর আমার সঙ্গে কথা হয়। ভারতীয় এজেন্ট আশরাফুলের রেফারেন্স দিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

প্রশ্ন : আপনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে পৌছে গেছেন বলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু আফতাব, নাফীসদের মতো তরুণদের আইসিএলে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কোনো ভূমিকা....

হাবিবুল : আমি নিশ্চিত করে বলতে চাই, আমার সঙ্গে কথা হওয়ার অনেক আগেই ওরা আফতাব ও নাফীসকে কনফার্ম করে ফেলেছিল। আসলে টিমটা হয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। আরো অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওদের না পাওয়াতেই হয়তো আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কেউ যদি আমার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারে আমি তাকে আইসিএলে খেলার অফার করেছি, তাহলে সবকিছু ছেড়ে দিব।

প্রশ্ন : ক্রিকেটারদের সংগঠনও আপনাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মঙ্গলবার তাদের সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ক্রিকেটাররা বলেছেন, বিভিন্ন সময়ে কোচরা তাদের সঙ্গেও অনেক বাজে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু তারা সেগুলো প্রকাশ্যে নিয়ে আসেননি। আপনি জেমি সিডন্সের সঙ্গে দূরত্বের বিষয়টা সামনে নিয়ে এসে ভালো কাজ করেননি বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

হাবিবুল : আমার সঙ্গেও এমন অনেক কিছূ ঘটেছে যা আমি কখনোই বলিনি। কিন্তু এবার যখন আমাকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করা হল তখন বাধ্য হয়েই এসব বলতে হয়েছে আমাকে।

প্রশ্ন : ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি আপনাদের আহ্বান জানিয়েছেন সিদ্ধান্তটা পুনর্বিবেচনার জন্য। সেরকম কোনো সম্ভাবনা আছে কি?
হাবিবুল : এখন তো বোধহয় আর সেরকম সুযোগ নেই। কারণ আমরা আইসিএল-এর সঙ্গে চুক্তিটা স্বাক্ষর করে ফেলেছি। তবে আইসিএল-এ খেলেও তো জাতীয় দলে খেলা সম্ভব।


বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমপি/এমএম/২০৫৫ঘ.


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844623 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844623 2008-09-18 01:51:59
সামিট........ সাময়িক http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844592 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844592 2008-09-18 00:59:13 আহা..... কি যে সুখের খবর দেশের রাজনীতি থেকে নেতিবাচক ভাবমহৃর্তির রাজনীতিবিদদের বাদ দেওয়ার ব্যাপারে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কাছ থেকে অঙ্গীকার আদায়ে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ১২ সেপটেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারের চার উপদেষদ্বা। খালেদা জিয়া সরকারের এই সিদব্দান্লের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। বলেছেন, ধারাবাহিকভাবে সেটা করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও বৈঠকে বসতে চায় সরকার। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরই এ বৈঠক হওয়ার সল্ফ্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের রাজনীতির গুণগত মান উল্পুয়নে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে এক টেবিলে বসাতে চায় সরকার। দু’নেত্রী একসঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই নেতিবাচক ভাবমহৃর্তির রাজনীতিবিদদের বাদ দেওয়ার ব্যাপারে সিদব্দান্ল নেবেন বলে সরকার আশাবাদী। তারা রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়ে নির্বাচনের আগে একটি জাতীয় সনদ স্বাক্ষক করিয়ে নিতে চায়।
দেশের গণতন্প টেকসই এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকার নেতিবাচক ভাবমহৃর্তির রাজনীতিবিদদের নির্বাচন থেকে দহৃরে রাখতে চায়। যাদের নিয়ে জনমনে প্রশু আছে, এসব রাজনীতিবিদকে নির্বাচন থেকে মাইনাস করাই সরকারের লক্ষ্য। গত বছর দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ল অর্ধশতাধিক রাজনীতিবিদের সাজা হয়েছে বিভিল্পু মামলায়। সাজাপ্রাপ্ট্লদের মধ্যে সাবেক মন্পী-এমপির সংখ্যা ৪০। এছাড়া সল্ফ্ভাব্য এমপি প্রার্থীর সংখ্যা আরো ১০ জনের বেশি।
সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ফৌজদারি মামলায় কমপক্ষে দুই বছর কারাদণ্ড হলে এবং এই সাজাভোগ করে মুক্তিলাভের পর পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ট্ল ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। একইসঙ্গে জরুরি ক্ষমতা বিধিমালার ১১(৫) ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ট্ল হলে এবং দণ্ডের বিরুদেব্দ উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকলেও দণ্ডপ্রাপ্ট্ল ব্যক্তি জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ স্ট্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। সাজাপ্রাপ্ট্ল এসব রাজনীতিবিদ ও তাদের স্ট্পী-সন্লানরা জাতীয় সংসদ কিংবা স্ট্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। উচ্চ আদালত থেকে জরুরি ক্ষমতা বিধিমালার এ ধারাটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ল শাস্ট্লিপ্রাপ্ট্লরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হিসেবেই থেকে যাবেন।
সাজাপ্রাপ্ট্লদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ব্যারিসদ্বার নাজমুল হুদা, মির্জা আব্বাস, ব্যারিসদ্বার আমিনুল হক, এম মোর্শেদ খান, শাজাহান সিরাজ, মিজানুর রহমান মিনু, তৈয়বুর রহমান, মীর নাছির উদ্দিন, ব্যারিসদ্বার শাহজাহান ওমর (বীরউত্তম), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমানউল্ক্নাহ আমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, জিয়াউল হক জিয়া, লুৎফুজ্জামান বাবর, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাবেক সাংসদদের মধ্যে মোসাদ্দেক আলী ফালু, আলী আসগার লবী, ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, রশিদুজ্জামান মিল্ক্নাত, হাফিজ ইব্রাহিম, আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, সাবেক অর্থমন্পী এম সাইফুর রহমানের ছেলে এম নাসের রহমান, খালেদা জিয়ার ভাগ্গেু ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন। এছাড়া এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে সল্ফ্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, বিএম বাকির হোসেনেরও সাজা হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ট্লদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ মোহাল্ফ্মদ নাসিম, আবুল হাসানাত আবদুল্ক্নাহ, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কাজী জাফরুল্ক্নাহ, মোঃ মহিউদ্দিন, শেখ হেলাল, ডা. এইচবিএম ইকবাল, এফএম মোস্ট্লফা রশিদী সুজা, হাজী মোহাল্ফ্মদ সেলিম, হাজী মকবুল আহমেদ, শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারী, পগ্ধকজ দেবনাথ প্রমুখ রয়েছেন।
এছাড়া জেপির চেয়ারম্যান সাবেক যোগাযোগমন্পী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও তার স্ট্পী সাবেক সাংসদ তাসমীমা হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি শহিদুল ইসলামের সাজা হওয়ায় তারা নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন।
সাজাপ্রাপ্ট্ল ব্যক্তিরা ছাড়াও দেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক ভাবমহৃর্তি রয়েছে এমন ব্যক্তিরা হলেন তারেক রহমান, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মজিবর রহমান সরোয়ার, জয়নাল আবেদীন ফারুক, ইলিয়াস আলী, নাসিরউদ্দিন আহল্ফ্মেদ পিন্টু, ডেমরার সালাহউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের কামাল আহমেদ মজুমদার, আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ, শাহজাহান খান, জামায়াতে ইসলামীর ডা. আবদুল্ক্নাহ মোহাল্ফ্মদ তাহের, জাতীয় পার্টির গোলাম ফারুক অভিসহ অনেকে।
এসব ব্যক্তির বিরুদেব্দ দুর্নীতিসহ একাধিক মামলা থাকলেও অনেক মামলার কার্যত্রক্রম স্ট্থগিত রয়েছে। তাদের বিরুদেব্দ দায়ের করা মামলায় আগামী নির্বাচনের আগে বিচার প্রত্রিক্রয়া শেষ না হলেও তাদের প্রার্থিতা থেকে দহৃরে রাখতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলকে রাজি করাতে সরকার কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার আগেই সরকারের পক্ষ থেকে রাজনীতিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের একটি করে তালিকা নিজ নিজ দলের চেয়ারপারসনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতে পারে বলে একাধিক সহৃত্রে জানা গেছে। গোয়েন্দা সংস্ট্থাগুলো ইতিমধ্যেই খসড়া তালিকা তৈরি করেছে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844230 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844230 2008-09-17 03:18:41
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সূত্র: ইত্তেফাক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844219 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844219 2008-09-17 02:25:48
বিদ্রোহীদের জন্য বিসিবির দরজা এখনো খোলা তাদের আসার কথা ছিল দুপুর ২টায়। জানাই ছিল, আসবেন না। তারপরও অপেক্ষা। এক-দুই মিনিট করে ঝাড়া দুই ঘন্টা। নিষ্ফল অপেক্ষার পালা শেষে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির সভা। যার স্থায়িত্ব মাত্র ১০ মিনিট। সেখানে সিদ্ধান্তণ্ড ছয় ক্রিকেটারের অবসরের চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) জরুরি সভায় এ নিয়ে আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে বিসিবি ফেরার দরজাটা খেলা রেখেছে ‘বিদ্রোহী’দের জন্য। এখনো!

বিসিবি তাদের কাজ করেছে। তবে তাতে খুব একটা লাভ হবে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে না। আইসিএল-এ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সাক্ষর করতে দু’দিন আগেই ভারত গেছেন হাবিবুল বাশার-ধীমান ঘোষ। গতকাল গেলেন শাহরিয়ার নাফিস ও অলক কাপালি। এর মধ্যে শেষজন ছাড়া বাকিরা বিসিবির চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটার। তাদের সঙ্গী আফতাব আহমেদ, ফরহাদ রেজা ও মোশাররফ হোসেন রুবেল এখনো দেশ ছাড়েননি। কিন্তু বিসিবির আহবানে সাড়াও তো দেননি। উপরন্তু অনুমিতভাবেই গতকাল অবসরের মিছিলে যোগ দিয়েছেন নাজিমুদ্দিন। এদের কারো অবসরের চিঠিই গ্রহণ করেনি বিসিবি। কেন? কারণটা জানিয়েছেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, ‘আমাদের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি রয়েছে, সেটি ভঙ্গ করে তারা একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া তারা সবাই অবসরের চিঠিতে বলেছেন যে ব্যক্তিগত কারণে এই সিদ্ধান্ত। আবার মিডিয়ায় বলছেন ভিন্ন কথা। অর্থাৎ জাতীয় স্বার্থের কথা না ভেবে তারা নিজেদের কথাই কেবল ভাবছেন। এসব বিবেচনায় এনে আমরা এটা গ্রহণ করছি না।’

সেটা না হয় নাই করলেন। কিন্তু তাতেও কি বিপর্যয় ঠেকানো যাবে? কক্ষপথে ফেরানো যাবে বিদ্রোহীদের? জল বহুদূর গড়িয়ে যাবার পরও আশাবাদী শোনালো গাজী আশরাফের কণ্ঠ, ‘আমরা আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব। নির্দিষ্ট দু-একজনকে নয়, আমরা সবাইকেই ফেরাতে চাই। কারণ এদের আমাদের প্রয়োজন। এখনকার জন্য, ভবিষ্যতের জন্যও। বর্তমানে খেলোয়াড় হিসেবে তাদের প্রয়োজনীয়তা আছে। ভবিষ্যতে কোচ, আম্পায়ার, সংগঠক হিসেবে তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত তাই তাদের ফিরে আসার আহবানই জানাব।’ আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবার পর বা আইসিএল-এ চুক্তি করার পর কেউ যদি ফিরে আসতে চায়? তাদের জন্যও বিসিবির দরজা খোলা বলে জানিয়েছেন গাজী আশরাফ, আমাদের হাত বাড়ানোই থাকবে। অন্য কেউ সেই হাত ধরতে চাইলে আমরা সবসময় স্বাগত জানাব।’

বিসিবির আজকের জরুরি সভায় ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি পুরো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করবে বোর্ডের সামনে। আইসিএল বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দিকনির্দেশনা জানাবে তারা। এই নিষিদ্ধ ক্রিকেট লিগে খেললে যেসব পদক্ষেপ নেবার সুপারিশ রয়েছে, সে সবই অবহিত করা হবে বোর্ডকে। আর তার সূত্র ধরেই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

আইসিএল-উদ্ভূত এই সমস্যা যে এ বছরই শেষ হচ্ছে না, বিসিবি সেটা ভালোই বোঝে। এই প্রেক্ষিতে কি করা যায়, সেটি বিস্তৃত পরিসরে ভেবে দেখছে তারা। ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান দুটি পদক্ষেপ নেবার কথা তাৎক্ষণিকভাবেই জানালেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেট লিগে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক আরো বাড়ানোর কথা ভাবছি আমরা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও পারফরম্যান্স-ভিত্তিক পারিশ্রমিক বাড়ানো হবে।’ তিনি অবশ্য তথ্যপ্রমাণ দিয়ে দেখালেন যে, জাতীয় দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া এইসব ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে কতোটা সচ্ছল ছিলেন। হাবিবুল বাশার, শাহরিয়ার নাফিস, আফতাব আহমেদণ্ডএরা প্রত্যেকেই গত তিন বছরে পারিশ্রমিক হিসেবে বিসিবি থেকে এক কোটি টাকারও বেশি পেয়েছেন! তারপরও তারা আর্থিক অনিশ্চয়তার কথা বলায় বিস্মিতই হয়েছেন গাজী আশরাফ।

আইসিএল-এর সঙ্গে বাংলাদেশের অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের সম্পৃক্ততার খবরে অবশ্য তিনি বিস্মিত হননি। কারণ এই সংবাদটা ¯^qs আশরাফুলই নাকি জানিয়েছিলেন তাকে। ‘আশরাফুল এটা আমাকে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবার আগেই জানিয়েছিলেন। যাদের কাছে প্রস্তাব এসেছিল, তার মধ্যে আশরাফুলের প্রস্তাবটাই তো আর্থিকভাবে সবচেয়ে লাভজনক ছিল। কিন্তু তিনি সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। অনেকে বলছেন আশরাফুল যে অন্য খেলোয়াড়দের প্রভাবিত করেছেন, পুরো প্রক্রিয়া যে তার হাত দিয়েই হয়েছিলণ্ডসে প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। আমরা আহবান করব সেটা আমাদের কাছে হাজির করতে’ণ্ডবলেছেন গাজী আশরাফ । পুরো বিষয়টির একটি সুষ্ঠু তদন্ত করারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সূত্র: ইত্তেফাক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844217 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844217 2008-09-17 02:18:16
একটি অতি প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট ই-সিটিজেন সার্ভিসপ্রচেষ্টার অংশ বিশেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সরকারী ফরম সমুহ ওয়েবসাইট ও সিডি-রম মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বসাধারণের ব্যাবহার উপযোগী করে ডিজিটাল পদ্ধতীতে প্রকাশ করার উদ্দ্যেগ গ্রহন করেছে।এই ওয়েবসাইটের আওতায় প্রাপ্তব্য সরকারী ফরমগুলো ডাইনলোড করে ইলেকট্রিক মিডিয়ার মাধ্যমে পুরণ করা ও ছাপানো যাবে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন


http://www.forms.gov.bd/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844203 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844203 2008-09-17 01:41:55
সাহায্য চাই পরের পাতা লেখাতে অনেকবার ক্লিক করে যেতে হয়। যা খুবই বিরক্তিকর]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844199 http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal76/28844199 2008-09-17 01:22:06 রোমাঞ্চের সময়-অসময় • রিচার্ড স্মিথ, ৫৪, গেটিং ইভেন উপন্যাসের লেখক।

রাতে ডিনারের পরে। এই সময়ে মিলন ভালো না হলেও অন্যান্য আনুষঙ্গিক যেমন- কফি, ব্র্যান্ডি প্রভৃতিতে পুষিয়ে যায়।

* মিজ এলিজাবেথ শারবনু, ২৬, কমেডি অভিনেত্রী।
যখন আমি জেগে থাকি। ঘুমন্ত অবস্থায় মিলন হলে আমি তো জানবোই না।
* রবার্ট বাথহাস্ট, ৩৬, কমেডি অভিনেতা।
সোম, বুধ ও শুক্রবারে সন্ধ্যা ৫টার পর থেকে। অন্যান্য দিনে আমার ফেভারিট টিভি প্রোগ্রামগুলো থাকে।
* জেসন কেপওয়েল, ২২, স্টারলাইট এক্সপ্রেস নামে মিউজিক শোর গায়ক।
সকালবেলায় প্রথম কাজ এটাই। অন্যান্য যে কোনো এক্সারসাইজ, যেমন- মর্নিংওয়াকের মতো মর্নিং সেক্স আপনি করেন, তাহলে সারা দিন ফিট থাকবেন।
* জেফ্রি রবিনসন, ৪৯, ঔপন্যাসিক।
সকাল পৌনে ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে। পৌনে ৯টার আগে ছেলেমেয়েরা সব স্কুলে চলে যায়। আর সাড়ে ৯টার পর ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলো খোলে, তখন আমার বউ শপিংয়ে যায়।
* ডাবলিউ এ হার্বিসন, ৫৩, সায়েন্স লেখক।
সকালবেলায় সবচেয়ে প্রথমে। কারণ তখনো আমার ঘুম ঘুম ভাব থাকে। আমি ভুলে যাই যে, কাজটি করার জন্য আমার বয়স বেশি হয়ে গেছে।
* মিজ জিলি হলিডে, ৩০, টিভি উপস্থাপিকা।
আমি কখনোই এটা সকালে করতে পারবো না। আমি মর্নিং পার্সন নই। আমি এটা পছন্দ করি রাতে এবং সম্ভব হলে সারা রাত ধরে।
* অ্যানড্রু ব্যানফিল্ড, ৩০, কণ্ঠশিল্পী ও মিউজিশিয়ান।
এর কোনো উপযুক্ত সময় নেই। যদি দুই পার্টনারই এটা তীব্রভাবে চায় তাহলে হতে পারে দিনে কিংবা রাতে।
* মিজ লিন কারডি, ৪৭, সম্পাদক প্রিমা ম্যাগাজিন।
লাঞ্চ টাইমে। যেহেতু আমি বিবাহিত এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে যার ডিউটি রাতের বেলায় - আর এডিটর হিসেবে আমার মূল ডিউটি সকালবেলায়। সুতরাং শুধু মাঝখানে লাঞ্চ টাইমটাই আমরা পাই।
* মিরটো কাটলার, ৩৯, পাবলিক রিলেশন্স একজিকিউটিভ।
বিকালে। কারণ তখন আমার এনার্জি বেশি থাকে এবং সময়টা অসাধারণ।
* মিজ হেলেন, ৩৮, কমেডি অভিনেত্রী।
বিকাল ৩টার সময়। কারণ তখন সবাই আফটারনুন টি খেতে ব্যস্ত থাকে। আমরা সবার অজ্ঞাতে কাজটা সেরে ফেলতে পারি।
* মিজ ডায়ান মোরান, ৫৫, চিকিৎসা বিষয়ক লেখিকা।
বিকালে। কারণ ইতিমধ্যে গতানুগতিক সাংসারিক অথবা ব্যবসায়িক কাজগুলো শেষ হয়ে যায়। আমি তখনো টায়ার্ড হই না। যথেষ্ট এনার্জি থাকে। এটা হতে পারে বাড়িতে অথবা অন্য কোথাও। সন্ধ্যার পর সামাজিক কাজ থাকে, পার্টি থাকে। আর রাতে ঘুমানোর দরকার। সুতরাং বিকালটাই উপযুক্ত সময়।
* বয় জর্জ, ৩৩, পপ মিউজিশিয়ান।
যে কোনো সময়ে। তবে বিকালটাই গর্জিয়াস।
* মিজ কারেন মলাইন, লেখিকা।
সকালে ঘুম থেকে জেগে ওঠার পরপরই। তখন শরীরটা গরম থাকে এবং সারা দিনের কাজগুলো সম্পর্কে চিন্তা কম থাকে।
* সাইমন হোয়াইট, ১৮, মেন্স ওয়্যার পপ ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট।
অনেকের কাছে শুনেছি লাঞ্চের পরেই নাকি শ্রেষ্ঠ সময়। আমি সেটা বিশ্বাস করি না। লাঞ্চে খাওয়ার পর মানুষের ঘুম আসে।
* মিজ প্যাট শার্প, ৩৩, রেডিও উপস্থাপিকা।
যখন আমি জেগে থাকি। কারণ আমি তখন বুঝি আমি কি করছি।
* স্ক্রিমিং লর্ড সাচ, ৩৩, সেলিব্রেটি।
যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমি সব সময়ই করতে চাইতাম, সকাল, দুপুর, সন্ধ্যায়। তারপর এখনো সেই অবস্থাতেই আছি। কিছুই বদলায়নি।
* মিজ এলিজাবেথ ন্যাশ, ৪০, লেখিকা।
যখনই এটা এতো আর্জেন্ট যে আপনি আর অপেক্ষা করতে পারছেন না।
* পল হোমস, ১৭, ডান্সার সিঙ্গার।
সকালে। তখন আমার এনার্জি সবচেয়ে বেশি থাকে।
* মিজ ফেলিস এরিনা, ২৬, অভিনেত্রী ও লেখিকা।
যে কোনো সময়ে - যদি মুড থাকে।
* ডেভ