ডি.ডস. এবং ডস - ওয়েবসাইটের সবচেয়ে বড় শত্রু
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
ডি.ডস ও ডস এক ধরনের আক্রমন ধারা একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করার জন্য। ডি.ডস অর্থাত ডিস্ট্রিবিউটেড ডেনিয়াল অব সার্ভিস এ্যাটাক ও ডস অর্থাত ডেনিয়াল অব সার্ভিস এ্যাটাক।
ডি.ডস এ্যাটাকের সময় একটি বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক একই সাথে অনেকগুলো ইন্টারনেট প্যাকেট্স বা ডাটা একটি সাইটে পাঠায় যা যখন সাইটটার সার্ভার আর সহ্য করতে পারেনা সার্ভারটি হ্যাং হয়ে যায়।
ডি.ডস ও ডস এ্যাটাক এখন হ্যাকিং-এর চেয়েও বড় অপরাধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে। ঠিক মত ডি.ডস এ্যাটাক কোন সাইটের ওপর দিতে পারলে, যাইটটি খুব কম সময়ই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আজকাল অনেক হোস্টিং কোম্পানিই বলে যে তাদের কাছে ডি.ডস এ্যাটাকের প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। একটি উদাহরন হল হোস্টগেটর। হোস্টগেটর এখন পৃথিবীর সবচেয়ে অন্যতম ওয়েব হোস্টিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি। কিন্তু আসলে, যদি কোন বিশাল নেটওয়ার্ক ডি.ডস এ্যাটাক কোন সাইটের ওপর চালায়, তাকে প্রোতিরোধ করা কোন হোস্টিং কোম্পানির আয়াত্তের বাহিরে।
বটনেট নামের কিছু প্রোগ্রাম দিয়ে একটি নেটওয়ার্কের সাহায্যে ডি.ডস এ্যারাক করা যায়।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
একাকী বালক বলেছেন:
ভাই তথ্যতো সব দিলেন না। দিলে আগা মাথা সব দেন।
ম্দু বলেছেন:
কথা ঠিক, কিন্তু এখনকার সাভার গুলোর সিকিউরিটি অনেক উন্নত, যেমন কিছু সিষ্টেম বুঝতে পারে কি পরিমান প্যাকেট,কত সময়ের ব্যাবধানে,কোন উৎস থেকে আসছে ।তো এতে মুটামুটি বড় ধরনের আঘাতও সামলানো যায়....কিন্তু বিজ্ঞাপন প্রত্যাশী সাইটগুলো অনেকটা ইচ্ছা করেই এ সুবিধা এড়িয়ে চলে....ভাল লিখেছ ,তার জন্য +
_তানজীর_ বলেছেন:
লেখার চেষ্টা করেছ, সে জন্য +, কিন্তু লেখার মানে বুঝতে অনেক কষ্ট হয়েছে। আরো লিখতে থাকো এবং পড়তে থাকো। শুভ কামনা রইল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














