ল্যাম্পপোষ্ট কোন দলীয় রাজনীতি করে কিনা- জানিনা। ল্যাম্পপোষ্টের "মূর্খ" ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে যতটুকু জানা যায়, ওরা রোদে পুড়ে বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষে করে টাকা সংগ্রহ করে, রাত জেগে স্যালাইন বানায়, ছায়ানট ভবনের জন্য তহবিল সংগ্রহে আবৃত্তি করে, টিএসসি'র দেয়ালে পা দুলিয়ে বসে গান গায়,ছাত্ররা আক্রান্ত হলে ঝাঁপিয়ে পড়ে, বস্তি পুড়ে গেলে সাহায্য নিয়ে হাজির হয়। অনেকেই যখন দোদুল্যমানতায় ভোগে, ওরা তখন মাথা গুঁজে নিজেদের কাজ করে যায়, ওদের কোন "ওপরের নির্দেশ" দরকার করে না।
উপরের লিখাটুকু প্রিয় ব্লগার মনজুরুল হক-এর একটা পোষ্ট থেকে নেওয়া।
এই হল ল্যাম্পপোষ্ট।সারা দেশে আজকে প্রতিবাদের একটা প্রতীকি রূপ হয়ে উঠেছে ল্যাম্পপোষ্ট শব্দটি।আশীষ আর প্রিন্স যেন সূর্যসেন আর প্রতীলতার নবরূপ।অন্ধকারে নিমজ্জিত দুঃসময়ে ল্যাম্প (আলো) হাতে ছুটে চলা আলোর আভিসারী এসব টগবগে তরুনেরা সংখ্যায় হয়ত নগন্য কিন্তু এরা জাতির সুর্যসন্তান।
কিন্তু সম্রাজ্যবাদী শক্তির হাতিয়ার "প্রথম আলো" নামক একটি পত্রিকা জাতীর এই বীর সন্তানদের চরমপন্থী আখ্যা দিল।কতটা নির্বোধ আর নির্লজ্জ হলে এমন সংবাদ পরিবেশন করা যায়?ছিঃ প্রথম আলো ছিঃ....তোমরা করবে দিন বদল ! হাস্যকর বটে।এই মতিউর রহমান এই প্রথম আলো এরা এদেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া ভীনদেশী দালাল।এরা মীরজাফরের প্রেতাত্মা।এদের হাতে কোনদিন এদেশের কল্যান হবেনা।এদের হাতে যুগে যুগে রক্ষিত হবে সম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ।
আসুন সবাই মিলে প্রথম আলোর দেশ বিরোধী তৎপরতা আর হলুদ সাংবাদিকতা রুখে দাড়াঁই।
আসুন সবাই মিলে প্রথম আলো বয়কট করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

