১. উদার হয়ো কিন্তু অপচয়কারী হয়ো না; মিতব্যায়ী হয়ো কিন্তু কৃপণ হয়ো না ।
২. আকাংখা পরিত্যাগ করাই সর্বোতকৃষ্ট সম্পদ ।
৩. যে আকাংখাকে প্রসারিত করে সে নিজের আমল ধ্বংস করে ।
৪. প্রয়োজনাতিরিক্ত ইবাদত আল্লাহর নৈকট্য দিতে পারে না, যদি তা আবশ্যক ইবাদতের ব্যাঘাত ঘটায় ।
৪. মূর্খের হৃদয় মুখে আর জ্ঞানীর জিহ্ববা হৃদয়ে ।
৫. নিশ্চয়ই মহামান্বিত আল্লাহ তার বান্দাদের মধ্য থেকে হৃদয়ের নিয়তের সততা ও পবিত্রতার গুণে যাকে ইচ্ছা বেহেশ্তে প্রবেশের আনুমতি দিবেন ।
৬.যে ব্যাক্তি পরকালের কথা মনে রেখে ও জবাবদিহি করতে হবে মনে রেখে কাজ করে এবং যা আছে তাতে তৃপ্ত থেকে আল্লাহতে সন্তুষ্ট থাকে , সেই ব্যাক্তি সবচাইতে আর্শীবাদপুষ্ট ।
৭. আমার এ তরবারি দ্বারা কোন ঈমানদারের নাকে যদি আমি আঘাত করি তবু সে আমাকে ঘৃণা করবেনা । আবার আমাকে ভালোবাসার জন্য যদি আমি মোনাফেকের সামনে দুনিয়ার সকল সম্পদ স্তুপীকৃত করে দেই তবুও সে আমাকে ভালোবাসবেনা । এর কারণ হলো পরম প্রিয় রাসূল (সা.) তার নিজ মূখে বলেছেন :
' হে আলী, ঈমানদার কখনো তোমাকে ঘৃণা করবে না এবং মোনাফেক কখনো তোমাকে ভালোবাসবে না ।' (তিরমিযি, নাসাঈ)
৮. সাহস অনুসারে মানুষের মূল্যায়ন হয়, মেজাজের ভারসাম্য অনুসারে সত্যবাদিতা মূল্যায়ন হয়, আত্নসম্মানবোধ অনুসারে শৌর্য এবং লজ্জ্বাবোধ অনুসারে সততার মূল্যায়ন হয় ।
৯. সংকল্পের ফলে বিজয়, বিচারবুদ্ধির ফলে সংকল্প এবং গোপনীয়তা রক্ষায় বিচারবুদ্ধি গড়ে ওঠে ।
১০. প্রজ্ঞার মতো সম্পদ নেই , অজ্ঞতার মতো দুরাবস্হা নেই, বিশোধনের মতো উত্তরাধিকারত্ব নেই এবং আলোচনার মতো খুটি নেই ।
সূত্র: নাহজ আল-বালাঘা । হযরত আলী (রা.) । সংকলন -আশ-শরীফ আর-রাজী ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


