somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভন্ডের সত্য বয়ান!

১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তের কেজি ইলিশ
তের কেজি ওজনের ইলিশ!! অসম্ভব হতেই পারেনা-আমি দেখা-শোনাতো দুরের কথা কোন বইতেও পড়ি নাই।
-হ্যা-রে ভাই, আমি নিজের চোখে দেখছি।…হাটখোলায় এক জাইল্যা পাইছিল- পত্রিকাতে আসছিল আপনে দ্যাখেন নাই?
-নারে ভাই বিশ্বাস হয়না।
তার কথায় আমার এক আত্মীয়া সমর্থন করায় আমি মানতে বাধ্য হলাম। মনে মনে ভাবছিলাম-
তের কেজি ওজনের ইলিশ -এতো বড় সড় পাঙ্গাস মাছের সমান!কিভাবে সম্ভব?আমি পদ্মার পাড়ের ছেলে হয়ে বড়জোর আড়াই তিন কেজি ওজনের ইলিশ দেখেছি, ব্যাতিক্রম হলে হয়তো পাচ ছয় কেজি হতে পারে,তাই বলে তের কেজি!
-জানেন সেইদিন আব্বার এক মুরিদ আসছিল কুয়াকাটা থেইক্যা। একদম তাজা চকচকা আধামন ইলিশ আনছিল- একেকটা কমপক্ষে দুই আড়াই কেজি।
-কি কও মিয়া! তোমার বাড়ির পাশে আমি থাকি আর তুমি দুই একখান ইলিশ আমারে পাঠাইলা না। বাজারে যখন এই সাইজ ইলিশ দেখি ১৮০০-২০০০ টাকায় তখন ভাবি একদিন একখান কিনে সাজগোজ কইরা ছবি টবি তুইলা খাব!
-হাঃ হাঃ আমি ভাবছিলাম আপনার কথা। কিন্তু আপনে যে ব্যাস্ত মানুষ আপনারে পাব কি এই ভাইবা আর দেই নাই।ওই ইলিশ দেইখ্যা আব্বা আমার ভাবিরে কইল, আম্মা কাচা মিরচ পেয়াজ দিয়া ভাল কইরা ঝোল কর।
ভাবি কইল, আব্বা এত রাইতে ইলিশ মাছ রাধার দরকার নাই- সকালে রাধি?
আব্বা শুইনা কইল কি জানেন, -‘মারে,বুড়া হইয়া গেছি-মরন কখন আসে বলা যায়না-আইজ রাইতে এই ইলিশ না খাইয়া যদি মইরা যাই তাইলে বেহেশতে গিয়াও শান্তি পাবনা।
ইলিশের প্রসঙ্গ আসলেই আমার সৈ.মু. আলীর সেই বিখ্যাত উক্তিটির কথা মনে পড়ে,
-আবার ইলিশ। সুশীল পাঠক আমাকে ক্ষমা করো।ঐ বস্তুটির প্রতি আমার মারাত্মক দুর্বলতা আছে-বেহেশতের বর্ণনাতে ইলিশের উল্লেখ নেই বলে পাচ-বখৎ নামাজ পড়ে সেথায় যাবার বাসনা আমার নেই।‘
কিংবা বাদশা সালামৎ এর সেই মাছ খেয়ে শহিদ হওয়ার গল্প;
-‘আমার মনে প্রশ্ন জাগল বাদশা সালামৎ কি মাছ খেয়ে শহিদ হলেন?’
শান ই শাহ বাদশা সালামৎ মুহম্মদ তুঘলক শাহ ইলিশে চড়েই স্বর্গে গিয়েছেন। স্বর্গে যাবেননাতে কোথায় যাবেন?ইলিশ খেয়ে যে প্রান দেয় সে তো শহীদ!
সেদিন মুর্শিদাবাদ থেকে আসা আমার এক ভারতীয় বন্ধু বাসায় সর্ষে ইলিশ খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে বলল,
-তোমরা কি তাজা ইলিশ খাও?
-তাজা ইলিশ বলতে কি জ্যান্ত নড়াচড়া করছে এইরকম ইলিশের কথা বলছ?
সে বেকুবের মত তাকিয়ে বলল, আমি জানি ইলিশ ধরার পরেই মারা যায়। বলতে চাচ্ছিলাম বরফ ছাড়া ইলিশ খেয়েছ নাকি?
-ঢাকায়তো বরফ ছাড়া ইলিশ পাওয়া যায়না। ইলিশের সিজনে দেশে গেলে খাই।
-তাই নাকি?খেতে কেমন?
-সেইরকম-স্বাদ।তাজা ইলিশ জেলেরা যখন ডালাতে সাজিয়ে রাখে-রুপ দেখে প্রান জুড়ায়।চকচকে ইলিশের দেহ জুড়ে যেন রংধনুর সাতরং এর বাহার। বরফ দিলে মাছ সোজা হয়ে যায় কিন্তু তাজা ইলিশ বাকা থাকে ঠিক পানসি নৌকার মত।
বন্ধু আমার ইলিশ সন্মন্ধে আমার এই বিশাল গিয়ানি বক্তব্যে টাসকি খাইল!
আর আমি মনে মনে আমি ফিচিক ফিচিক করে হাসলাম। তাজা ইলিশ খাওয়া যে এতবড় সৌভাগ্যের ব্যাপার এই প্রথম জানলাম।
এইটুকুতেই ও টাসকি খাইছে! যদি আমি এই তের কেজি ইলিশের কথা বলতাম তাহলে নিঃসন্দেহে হার্টফেল করত। বাদশা সালামৎ তাও ইলিশ খেয়ে শহিদ হয়েছেন আর ও শুনেই শহিদ হত!
যাহোক ইলিশ নিয়ে বহুৎ প্যাচাল হইল-এইবার পূর্ব প্রসঙ্গে ফিরে যাই;

ওর কথা বলার ধরন দেখে আমরা হাসতে হাসতে ঢলে পড়ি। কোনটা চাপা আর কোনটা সত্যি বোঝা দায়- তবুও এই মুখ ভর্তি চাপ দাড়ি জোব্বা পড়া অনেকের প্রিয় তাফসির বিদ আমার ছোট ভাইয়ের মত এক কালের দুর্দান্ত ফাজিল আর দুরন্ত সুদর্শন আলমের কথা অবিশ্বাস করতে মন চায়না।
গল্প যেটাই হোক ওর বলার ভঙ্গী দেখে হাসতে বাধ্য। সেও উৎসাহ পেয়ে সমান তালে বলে যাচ্ছে।
দক্ষিন বঙ্গের বিখ্যাত তাফসিরবিদের ছেলে সে। ছোটবেলায় ওর আব্বার ওয়াজ শুনে বিমোহিত হয়ে যেতাম। দারুন সুললিত কন্ঠের অধিকারি আমার আব্বার বন্ধু স্থানীয় সেই ভদ্রলোকের ওয়াজ শুনে মোহিত হয়ে শত শত মুসুল্লীরা কখনো জোর গলায় হেসে উঠত কখনো হাউ মাউ করে কাদত। আলেম ফাজেল পাশ করে ঢাকা ভার্সিটি থেকে মাস্টার্স কমপ্লিট করা বাগ্মী এই ছোট ছেলে বাবার পেশাটাকেই বেছে নিয়েছে।তার বৃদ্ধ বাবার মুরিদরাই এখন তাকে যথেষ্ট মান্য-গন্য করে ছোট হুজুর বলে ডাকে।
ওর বড় ভাই আমার ক্লাস মেট ছিল। ক্লাসের ফাজিল গ্রুপের অন্যতম প্রতিনিধি ছিল সে। আমরা আড়ালে তাকে বলতাম আলেমের ঘরের জালেম।বাপকে ভীষন হতাশ করে মেট্রিকের গন্ডি পার হতে না পেরে সে এখন এক মসজিদের ইমামতি করে তবে মুল পেশা তার বিয়ে পড়ানো(যাকে বলে কাজি)। চাপা বেচে যুৎ করতে না পেরে সাথে ঝাড় ফুক দিয়ে ভালই কামায়।

ঝাড় ফুকের আধুনিকি করন
আমার সেই স্কুল ফ্রেন্ডের কথা কথা জিজ্ঞেস করতেই আলম হেসে ফেলল।
-আরে ও এখনো সেই আদ্যি কালের ঝাড় ফুক নিয়ে আছে। আমি কইলাম, ভাইজান, লোকজন আর এই সবে বিশ্বাস করে না-তোমারে আরেকটু মর্ডান হইতে হবে।
ক্যামনে?
ওরে কইলাম,-পায়জামা ছাইড়া সেলাই ছাড়া সাদা লুঙ্গি পর। মাথায় একখান পাগড়ি পইরা চোখে কড়া কইরা সুরমা লাগাও। মুরিদ বা রোগী আইলে কথা কইবা কম-খালি মুখের দিকে তাকাইয়া মিটি মিটি হাসবা। ভাবখানা এমন যে তুমি তার মনের কথা পুরাডা পইড়া ফ্যালাইতেছ। শক্তি আর হামদর্দ থেইক্যা কিছু সালসা আইনা লেবেল উঠাইয়া তাক ভইরা সাজায় রাখ। রোগী আইলে রোগ বুইঝা এক বোতল সালসায় ভাল মত ঝাড় ফুক দিয়া ধরায় দিবা, বলবা অজু কইরা আইসা ডান হাতে নেন। অপবিত্র শরিরে এই বোতল ধরবেন না তাইলে অসুখ সরবে না। দেখবা রোগও সারবে তোমার দামও বাড়বে।
-আর কি কইলা?
-আরো কইলাম কিছু কিছু শিকড় বাকড় দিয়া বয়াম ভর্তি কইরা রাখ। তাবিজ পার্টি আইলে(যদি মহিলা হয় আরো ভাল) এই যেইরকম ধর বাজা, স্বামীর সাথে গন্ডগোল, সতিনের সাথে ঝামেলা এই গুলারে তাবিজ দিবা।পুরা বয়াম অনেক কইরা খুইজা একদম নীচ থেইক্যা একখান শিকড় বাইর কইরা মিটিমিটি হাসবা কিছুক্ষন। ভাবখান যে আসল জিনিস পাইয়া গেছ-এইটা ভীষন জটিল গাছের শিকড়। তার থেইকা একটু খানি কাইট্যা তাবিজে ভইরা ফু দিয়া বলবা ফজরের আজানের আগে সাফ সুরত হইয়া কোমড়ে ধারন করতে।
আমি হাসতে হাসতে জিজ্ঞস করি,-শুনে তোমার ভাই কি কইল?
কথা মনে হয় ওর মনে ধরছিল। হাসতে হাসতে আমারে কিছুক্ষন গালিগালাজ করল।
মোবাইল কাহন:
আমার মত একনিষ্ঠ শ্রোতা পেয়ে তাকে তখন কথার নেশায় পেয়ে বসেছে।ওর সাথে রাস্তা ঘাটে যখনই দেখা হয় সুযোগ পেলেই গল্পের ঝাপি খুলে বসে। আজকে রাস্তায় দেখা হলে জোর করে বাসায় ধরে নিয়ে আসলাম। আমার পাশাপাশি আরো দুয়েকজন অতি পরিচিত শ্রোতা পেয়ে সে যেন ছেলেমানুষ হয়ে গেছে।প্রসঙ্গ পাল্টাচ্ছে দ্রুত।
আচমকা আমার সেল ফোনখানা হাতে নিয়ে একটু উল্টে পাল্টে দেখে বলল, এইটা আবার কবে কিনলেন?আপনে সব সময় উরা-ধুরা সেট কিনেন!
-এইতো মাস দুয়েক আগে- এইটা তের নম্বর।
-ভাইরে আমি কয়দিন আগে স্যামসং এর নতুন মডেলের একখান সেট কিনছিলাম।বাজা থেইকা আসার সময় হারায় গ্যাছে।কি যে খারাপ লাগছিল।
-আর পাও নাই?
-নাঃ সেইটা আরেক কাহিনী।বাসায় আইসা ফোন দিলাম। ধরল এক মহিলা-জিগাইলাম, আপা এই সেটটা কি আপনার?
-মহিলা কয়-না, কুড়ায় পাইছি।
-কই পাইছেন?
-রিক্সার পাদানিতে।
-আপা এই সেটটাতো আমার।
-তাতে কি হইছে?
-আমার সেট আপনে ফিরায় দিবেননা?
-না- সেটটা আমার বড় পছন্দ হইছে।জিনিস দেখে মনে হয় আপনি বেশ পয়সা কড়ির মালিক। আরেকখান কিনে নিয়েন।
-কি মাইয়া মানুষ চিন্তা করেন?
আমি কইলাম,কি কন-তার মানে আপনি সেট দিবেননা?
-না।
-এই শুইনা আমার মেজাজ গরম হইয়া গেল। ভাবেন কি খাচ্চর মহিলা!
তারপরেও আমি হাসতে হাসতে কইলাম,
-আপা আপন জানেননা আমি কোন এলাকার মানুষ। আমরা যখন খারাপ হই তখন কিন্তু ইবলিসও ভয় পায়।
-তো আমারে ভয় দেখান নাকি? আপনার সেট দিব না- যা পারেন কইরেন।
আমি বুইঝা গেলাম এই সেট আর পাওয়া যাবে না। মাথায় তখন রক্ত চইড়া গেছে। টুপি খান মাথা থেইকা খুইলা-ওর চৌদ্দ গুস্টিরে ফানা ফানা কইরা এমন গালি দিলাম রে ভাই -আপনাদের সামনে কওয়া যাবে না। সেই মহিলা এই যে ফোন বন্ধ করছে আর খোলে নাই। ফোনের হারানোর কষ্ট গালি দিয়া উশুল করলাম।
দূর্নীতিবাজ এক বন্ধুর কথা:
-আপনার মামুনের কথা মনে আছেতো?
-হ্যা মনে থাকবেনা কেন-ও তো আমাদের দিব্য স্যারের ছেলে, আমার ক্লাস মেট।
-ও আবার চাকির ফিরা পাইছে।
-কি কও- এত বছর বাদে!
-হ্যা- তবে আমি বলছিলাম ওই চাকরিতে ফিরা না যাইতে। এখন যেইখানে আছে ভাল আছে মাসে প্রায় পয়ত্রিশ চল্লিশ হাজার বেতন পায়।ফ্যাক্টিরর মালিক ওর কলিগ ছিল। দুই জনই বড় চোর। চোরে চোরে ভালই ছিল।
-হুমম এখন ফের সেই এস আই পদেইতো যোগ দিবে নাকি? ওর অন্য কলিগরাতো অনেক আগায় গেছে। তাদেরইতো এখন স্যার বলতে হবে!
-তাতো কইতে হবেই। তবে পাচ সাত বছরে যে কামান কামাইছিল-ওই লোভেই যাইতে চায়। তারপরে সরকারি চাকরি। ভাবেন,'বসুন্ধরায় ছয় কাঠা জমি তারপরে দেশের বাড়িতে শ’খানেক বিঘা এরপর ব্যাংক ব্যালেন্স,হ্যাচারি এইসবতো আছেই।'
-চাকরি গেছিলতো ঘুষ খাইতে গিয়া ধরা পইড়া নাকি?
-হ্যা ***র কুখ্যাত এক সন্ত্রাসীর কেসে। ওর তখন ***য় পোস্টিং।
-কার কাছ থেকে ঘুষ খাচ্ছিল?
-সেই সন্ত্রাসীর এক সহযোগীরে খুনের চার্জশিট থেইকা নাম কাটানোর জন্য।
-ক্যামনে ধরা পড়ল?
-বউ বাচ্চা নিয়া এক চাইনিজ রেস্টুরেন্টে। ভাবখান এমন নিছিল যে, খালি চাইনিজ খাওয়ার জণ্য গেছে। সাংবাদিকরা পুরা হাতে নাতে প্রমান সহ ছবি ছাপায় দিছিল।
-তাই নাকি?
-ওতো কয় তারে ফাসায় দিছে। বুঝলেন তপন ভাই- এই পুলিশ জাতটাই শালার হারামী(কথাটা লেখকের না)। আমি যে বাড়ি বানাইতেছি- ওইখানে পুলিশ উকিল রাজনীতিবিদ আর মোল্লাদের ভাড়া দেব না। ওই শালারা(!) কয়দিন পরে নিজের বাড়ি বানায় নিবে।
-তুমি না মোল্লা তাইলে মোল্লাগের উপরে ক্ষাপা ক্যান?
-আমি মোল্লা দেইখাইতো মোল্লাগো ভাল কইরা চিনি।

দাবা ভোট ও ঝাড় ফুকের কেচ্ছা:

-ইলেকশনে দেশে গেছিলেন?
-না- আমিতো ঢাকার ভোটার।
-মাসুদরে চেনেন?
-কোন মাসুদ?
-ওই যে লাটা মাসুদ। সামছু কাকার ছেলে।
-মনে পড়ছে না-দেখলে মনে হয় চিনব।
-পৌনে দুই হাত লম্বা মানুষ-ওই ব্যাটা ওইবার ইলেকশনে দাড়াইছিল।ওরে কে ভোট দিবে কন? আমার আব্বা জিগাইল, ও মাসুদ-তুমি যে খাড়াইলা ভোট পাবাতো?
মাসুদ কয় কি জানেন, কাকা চিন্তা কইরেন না আমার সব দাবা ভোট।
-দাবা ভোট মানে?
-মানে দাইবা আছে-চিল্লা ফিল্লা করতেছে না। সময় মত ঠিকই ভোট দিবেনে।
-দেইখ বাবা দাবা ভোট যেন আবার ভোটের দিনও দাইবা না থাকে!
-মাসুদ পরে কয়খান ভোট পাইছে জানেন?
-কয়খান?
-মোট চৌদ্দখান। সেই নিয়া বেচারার বিরাট টেনশন!
-ক্যান?
-ওর ধারনা ছিল ও ভোট পাবে তেরখান। কারন ওর জ্ঞাতি গুস্টি তেরজনের বেশী ভোটার ছিলনা। বাকি একজন দয়াবান কে ছিল-তারে মাস খানেক খুজছে।
কথা বলেতে বলতে আচমকা গরম কফির কাপটা ওর ধবধবে সাদা পায়জামার উপর পড়ে গেল।গায়ে ছ্যাকা লাগতেই ওরে মা বইল্যা চিৎকার।কিংকর্তব্যবিমুঢ় আমি তাকে টেনে হেচড়ে বাথরুমে নিয়ে গেলাম। বেশ কিছুক্ষন পানি ঢালার পর জ্বলুনি কমলে মুছে একটু বার্নল লাগিয়ে দিলাম।
সেতো অবাক!
-‘ভাই এইটা কি লাগাইলেন? আমার পা-তো বরফের মত ঠান্ডা হইয়া গেল!এখনতো ভীষন আরাম লাগতেছে!
-তাই নাকি! আমি হেসে বললাম,’তা তোমার ঝাড় ফুকের থেকে উপকারী নাকি?’
কথা শুনে সেও হেসে ফেলল,-আরে ওইগুলাতো ভুয়ামী। কি করব কন-বেশীরভাগ মানুষ এইসব ভুয়ামীই পছন্দ করে! আমি না করলে অন্য কেউ করবে।
(লেখাটা শুধুমাত্র দু'জনের ব্যাক্তিগত আলাপচারিতার অংশ। কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নয়।স্থান কাল ও ব্যক্তি নাম তাদের পেশার স্বার্থে গোপন রাখা হয়েছে)
...তিন পর্ব একসাথে রিপোস্ট।
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×