আমার প্রিয় পোস্ট

সীমানার প্রাচীর টপকাতে হবে

৭ নভেম্বরের ব্যবচ্ছেদঃ কি পেলাম কি হারালাম

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭

শেয়ারঃ
0 2 0

ছোটবেলাতে ৭ নভেম্বর আসলেই স্কুল ছুটি থাকত। কিন্তু কেন এই ছুটি এই দিনটির কি মাহাত্ম কিছুই জানতাম না। স্কুলের ক্যালেন্ডারের শুধু লিখা থাকত “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস”। গুরুজনদের জিজ্ঞেস করতাম, কেন এই ছুটি। খুব সদুত্তর পাওয়া যেত না। চারপাশের মানুষজনকে জিজ্ঞেস করতাম। উত্তর পেতাম খুব ভাসা ভাসা। এই দিন নাকি একটা বিপ্লব হয়েছিল। সিপাহী ও জনতা মিলে বিপ্লব করেছিল। সেই বিপ্লবের মাধ্যমে নাকি দেশ রক্ষা পায়। নিউজপেপারেও এই রকম কথাবার্তা থাকত। কিভাবে কি ঘটেছিল, ঘটনার পটভূমি কি সবকিছু ছিল ধোয়াটে। ছোট ছিলাম বলে এই নিয়ে আর বেশি মাথা ঘামাতাম না। স্কুল ছুটি পাওয়া গিয়েছে তাতেই খুব খুশি। সারাদিন মজা করার মত সুযোগ পাওয়া গেল।

ইতিহাস আমাকে খুব টানে। এবং সেটা খুব ছোটবেলা থেকেই। ইতিহাসের মধ্যে কোন রকম ফাঁকফোকরের মধ্যে আমি নেই। তাই ৭ নভেম্বরের এই জোড়াতালি আমি শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে পারিনি। কিন্তু সমস্যা হল প্রকৃত ইতিহাস জানাটাও কিন্তু সহজ না। কারন ইতিহাস একেক দলের কাছে একেক রকম। নিরপেক্ষ কোন ইতিহাস নেই। তাই আমাকে উলটা কৌশল নিতে হল। ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং-এর একটা ব্যাপার আছে। কোন একটি স্থাপনাকে যদি তিন ডাইমেনশন থেকে প্রজেক্ট করা যায়, তাহলে ঐ স্থাপনার মূল আর্কিটেকচার ঠিকই বের করে নিয়ে আসা যায়। তাই একেক দলের একেক ইতিহাসকে যদি এক করে নিয়ে আসি তাহলে পুরোটা না হলেও অনেকখানি নির্ভরযোগ্য একটা ইতিহাস ঠিকই বের হয়ে আসবে।

এই দিনটি বিএনপির কাছে বিশেষ কিছু। কারন জিয়াউর রহমান এই দিন ক্ষমতায় আসীন হন। আওয়ামী লীগের জন্য এই দিন ভাল-মন্দ কোন দিক থেকেই বিশেষ কিছু না। কিন্তু তারপরেও বিএনপির বিরুদ্ধে থাকার জন্য তারা এই দিনকে দেখে মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস হিসেবে। এইদিনে বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা মারা যান কোন সন্দেহ নেই তাতে। জাসদের কাছে অবশ্য এই দিনটি বিশেষ কিছু। কারন ঐ দিন তারা বিজয়ী ছিল। কিন্তু অল্পকিছুদিনের মধ্যেই এই বিজয় ধুলোয় মিশে যায় কর্নেল তাহেরের মৃত্যুর সাথে সাথে। এবার আমি আমার পর্যালোচনায় আসি।

এই দিন বিএনপির জন্য বিশেষ দিন দেশের জন্য না

এই দিন ব্যাপক রক্তক্ষয়ের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। এবং সেটা দেশের জন্য কোন শুভকর রক্তক্ষয় ছিল না। খালেদ মোশাররফ সহ বেশ কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যান। তাই এই দিনে দেশের কি লাভ হল? শুরুমাত্র ক্ষমতার বদল হল। ক্ষমতার লড়াইয়ের বিজয়ী বিএনপি তাই দলীয়ভাবে এই দিন উদযাপন করতেই পারে। কিন্তু জাতীয় ছুটি দেয়ার কি মানে? এটা তো জাতীয় কোন বিজয় না।

আসলেই কি সিপাহী-জনতা বিপ্লব?

এই দিনকে যেভাবে নামকরন করা হয়েছে তাতে সিপাহী এবং জনতাই যেন মূল নায়ক। তারা যেন এক মহান উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে। কিন্তু আসলেই কি তাই? কোন রেফারেন্সে পাওয়া যায় না যে এতে জনতার কোন অংশগ্রহন ছিল। সিপাহীর অবশ্যই অংশগ্রহন ছিল, কিন্তু সেটা সেনা অফিসারদের নেতৃত্বে। কি এমন মোটিভেশন সিপাহী-জনতাকে উস্কে দিল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করার জন্য তার কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। জিয়াউর রহমান ঐ সময় এমন কোন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন না যে সিপাহী-জনতা স্বতস্ফুর্তভাবে তাকে মুক্ত করার জন্য এগিয়ে আসবে। তার মানে আসলে সিপাহী-জনতার নাম দিয়ে এই দিনকে মহান বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আদতে এটা বানোয়াট ছাড়া আর কিছু না।

খালেদ মোশাররফের প্রতি আওয়ামী লীগের এত সহানুভূতি কেন?

রাজনীতিতে একটা ট্যাকটিকস কাজ করে। সেটা শুধু যে আমাদের দেশের রাজনীতিতে তা না, যেকোন দেশের রাজনীতিতে। এমনকি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও। ট্যাকটিকসটা হল, শত্রুর শত্রু হল আমার বন্ধু। শুরুমাত্র এই লজিকের কারনেই কিন্তু আওয়ামী লীগ খালেদ মোশাররফের গুনকীর্তন করে যাচ্ছে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু ১৫ আগস্টে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্যতম হত্যাকান্ড যখন ঘটে তখন তিনি কোথায় ছিলেন? তিনি শেখ মুজিবের খুব পছন্দের পাত্র ছিলেন তার কোন প্রমান পাওয়া যায় না। দেশের নড়বড়ে অবস্থায় ক্ষমতালিপ্সা থেকেই তিনি সেনা অভ্যুত্থান ঘটান। যা পরে কিনা অন্যান্য সেনা অফিসাররাও করেন। খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানকে আওয়ামী লীগ সাপোর্ট করে আসলে বিএনপির বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য। ৩ নভেম্বর আর ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের মধ্যে তো আসলে কোন পার্থক্য নেই। দুইটাই ক্ষমতালিপ্তার অভ্যুত্থান। ঐ অভ্যুত্থানে যদি শেষ পর্যন্ত খালেদ মোশাররফ জয়ী হতেন তাহলে আমরা জিয়াউর রহমানের পরিবর্তে খালেদ মোশাররফের সেনা শাসন পেতাম। তাতে গনতন্ত্রের জন্য কি বা এমন ভাল হত।

কর্নেল তাহের কতখানি মহান নায়ক?

আওয়ামী লীগকে দেখা যায় কর্নেল তাহেরের ব্যাপক গুনকীর্তন করতে। এটাও আসলে একটা রাজনৈতিক চাল ছাড়া আর কিছু না। আমাদের দেশের রাজনীতিবীদেরা কতখানি নিচ তার একটা প্রমান পাওয়া যায় কর্নেল তাহেরের পক্ষে আওয়ামী লীগের গুনকীর্তনে। কিন্তু কেন? কারন মনে রাখতে হবে ৭ নভেম্বরের সেই অভ্যুত্থানে কর্নেল তাহের কিন্তু জিয়াউর রহমানের পক্ষের শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। এবং তিনিই কিন্তু জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ এমন একজনের গুনকীর্তন করে যিনি জিয়াউর রহমানের পক্ষে কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান পথের কাটা দূর করবার জন্য কর্নেল তাহেরকে হত্যা করেন সেটা অন্য বিষয়। সেটা তাদের নিজেদের ক্ষমতার লড়াই। সেই লড়াইয়ে কর্নেল তাহেরও জয়ী হতে পারতেন এবং জিয়াউর রহমান মারা যেতে পারতেন। তখন তো মনে হয় কর্নেল তাহের আওয়ামী লীগের খলনায়ক হতেন আর জিয়াউর রহমান হতেন মহান নায়ক। আওয়ামী লীগকে তখন দেখা যেত জিয়াউর রহমানের গুনকীর্তনে ব্যস্ত হতে। ক্ষমতায় কর্নেল তাহের আসলে হয়ত জামায়াত রাজাকারগুষ্ঠির পুনর্বাসন হত না। কারন তিনি বামপন্থী ছিলেন। এই কারনেই জাসদ তাকে ব্যাকআপ দেয়। বাম দলগুলো আজ আওয়ামী লীগের মিত্র হলেও তখন কিন্তু তারা ছিল মূল বিরোধী দল। বামপন্থীদের একটা অংশ কিন্তু চরমপন্থী সর্বহারা ছিল। এই সর্বহারাদের অত্যাচার কিন্তু এই দেশকে দীর্ঘদিন অনেক ভুগিয়েছে। বর্তমানের আমরা সেটা হয়ত ভুলে গিয়েছি। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে বামপন্থীদের অভ্যুত্থান তাই দেশের জন্য এমন কোন সুখকর হত না।

আবারও সেই ভারতীয় জুজু

৭ নভেম্বর না ঘটলে নাকি ভারতীয় দাদারা এই দেশ শাসন করত। খুবই হাস্যকর ব্যাপার যে, বিএনপি সেই ৭৫ সাল থেকে শুরু করে আজও একই ভারতীয় জুজুর ভয় দেখিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই জুজুর ভয় যে আজ হাস্যকর ব্যাপারে দাড়িয়েছে সেটা কি তারা বুঝতে পারে না? ৯১ এর নির্বাচনে ঐ জুজু অনেকখানি কাজে দিয়েছিল কোন সন্দেহ নাই। জুজু দেখিয়ে তারা ভোট ব্যাংক হাতাতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে সেই জুজুর ভয় যে কতখানি ফাপা একটা বিষয় সেটা কিন্তু দেশের মানুষ ঠিকই বুঝতে পেরেছে। গ্রামের কিছু সহজ-সরল মানুষ ছাড়া মনে হয় কেউ আর ভারতীয় জুজুর কথায় প্রভাবিত হয় না। বাংলাদেশ দখল করার ইচ্ছা থাকলে ভারত তো সেই ৭১ এই দখল করতে পারত। ঐ যুদ্ধবস্থায় এমন ঘটনাতে বিশ্বশক্তিগুলোর তেমন মাথাব্যাথাও থাকত না। এমনকি এখনো ভারতের পক্ষে সামরিকভাবে বাংলাদেশকে দখল করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার না, সেটা সবাই বুঝে। কিন্তু ভারতের তাতে কি স্বার্থ? এই দেশের ১৫ কোটি মানুষের দায়িত্বভার নেয়ার কি এমন স্বার্থ তাদের আছে? এই দেশের রিসোর্সও কি খুব বেশি, যার জন্য ভারত লোভাতুর হয়ে থাকবে? বরং এই দেশের প্রতি বড় লোভ হচ্ছে এই দেশের মার্কেট। আর সেটা তো ভারত এমনিতেই দখল করে রেখেছে। তার জন্য সামরিক অভিযানের তো কোন দরকার নেই। তাই ৭ নভেম্বর এই দেশের সিপাহী-জনতা ভারতীয় দাদাদের শাসন থেকে রক্ষা করেছে এটা খুব হাস্যকর একটা কথা।

সর্বশেষ কথা এই যে, ৭ নভেম্বর আমাদের জনগনের জন্য বিশেষ কোন দিন না। এই দিন থাকা বা না থাকাতে আমাদের বিশেষ কোন আসে যায় না। সেনাদের ক্ষমতার লড়াইয়ে কে জিতল আর কে হারল তাতে আমাদের কি? আমরা ঘুরে ফিরে সেই সেনা শাসনই পেতাম। আর গনতন্ত্রের জন্য ধুকতাম।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৫
না বলা কথা বলেছেন: একেবারে নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ যোগায়।

৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: চমৎকার একটা ভিউ।দিন টি নিয়ে জাস্ট রাজনৈতিক খেলা চলছে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ পাপী ভাই। আসলেই এই দিনটি নিয়ে স্রেফ রাজনৈতিক খেলা চলছে। যেখানে আমরা জনগনই বলির পাঠা।

৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
ত্রিশোনকু বলেছেন: নিরপেক্ষ লেখনএর জন্য++++++
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগিং করতে উদ্দীপনা জাগায়।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লেখার উৎসাহ জোগায়।

৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
শয়তান বলেছেন:
সেনাদের ক্ষমতার লড়াইয়ে কে জিতল আর কে হারল তাতে আমাদের কি?

--জটিল বলছেন ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শয়তান ভাই। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ জোগায়।

৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
Favourite post.
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মানিক ভাই। আপনার ব্লগের একনিষ্ঠ পাঠক আমি। আপনার কমেন্ট পাওয়া সত্যি আমার জন্য বিশাল পাওয়া। এই বিষয়ে আপনার পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পন্ডিত ভাই। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ যোগায়।

৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬
মন মানে না বলেছেন: ++++++++++++++++===শোকেজে ! B-)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুপারম্যান ভাই। আপনি প্রথম এবং সম্ভবত একমাত্র আমার লেখা শোকেজে নিলেন। নিজেকে খুব ধন্য মনে হচ্ছে। ভাল থাকবেন।

১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০২
চন্দন বলেছেন: নিরপেক্ষ আওয়ামী পোস্ট ;)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট আপনি করতেই পারেন। আমি কিন্তু ভাই আমার সহজ-সরল দৃষ্টিকোন থেকেই লেখাটা লিখেছি। আমি আওয়ামী লীগকে কোনদিন ভোট দেই নাই। তাই আওয়ামী লীগের প্রতি আমার বায়াসনেস থাকার কোন কারন নাই। কিন্তু ইতিহাস তো ধ্রুব সত্য। সেটা কারো বিরুদ্ধে গেলে আমি কি বা করার আছে?

১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালো লিখছেন, এইদিন সিপাহীদের পাশাপাশি কয়েকট্রাক টুপি পড়া লোকও কিন্তু মিছিল বাইর করছিলো। আল্টিমেটলি এই সাত নভেম্বর হইলো স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিষ্ঠার বিপ্লব। পনেরো আগস্টের ফিনিশিং টাচ। বহুত বড় গেম ছিলো এইটা, যা পুরাটাই এক্সপ্লয়েট করছেন জিয়াউর রহমান
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। আমি আপনার ব্লগের একনিষ্ঠ পাঠক। আপনার মত চমৎকার লেখক, বিশ্লেষক ও গবেষক আমার ব্লগে এসে কমেন্ট করলেন এটা সত্যি আমার জন্য বিশাল পাওয়া। এই বিষয়ে আপনার ব্লগের প্রতীক্ষায় থাকলাম।

১২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
বিদগ্ধজন বলেছেন: বহু পুরান একটা ছাগু এর মধ্যে আওয়ামী গন্ধ পাইছে।

ঠিক কি কারণে কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়, একটু বিস্তারিত বলেন।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য। কমেন্ট না করে চুপি চুপি কয়েকজন মাইনাস দিয়ে গেছেন। কারা সেটা দিয়েছেন সেটা আমি ভাল মতই অবজার্ভ করেছি। কর্নেল তাহেরের ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করছি। আশা করি ঐ বিষয়ে আলাদা একটা পোস্ট দিতে পারব।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ যোগায়।

১৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: রাজনৈতিক দিক থেকে নিরপেক্ষ পোস্ট। আমাদের স্বাধীনতার পরের ইতিহাস অনেকটাই ধোয়াশে,খুব বেশি কিছু বলা নেই কোথাও। জিয়ার শাসনামলে অনেক সামরিক মুক্তিযোদ্ধাপন্থী অফিসার মারা যাওয়ার কথা যায়, কিন্তু তাও আড়ালে-আব্দালে। বঙ্গবন্ধু আমলের রক্ষীবাহিনীর কথা শোনা যায়, যায় জাসদের চরমপন্থা তাও কেমন জানি ধোয়া-ধোয়া। আমার এক মরহুম আত্নীয় কথা জানি, যিনি অনেক বড় সিভিলিয়ান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আমাদের এলাকার। আমার নানু মুখে শোনা স্বাধীনতার পরে উনি নিজে সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে থানা থেকে অস্ত্রলুট করেছিলেন। তারপর আবার জিয়া আমলে উনি ছয় মাস ক্যান্টনম্যান্টে আটক ছিলেন। পরবর্তীতে উনি ছাড়া পেলেন এবং ছাড়া পেয়ে উনি বিপ্লবি বাম থেকে অনেকটা ডানপন্থী বিএনপিপন্থী হয়ে যান। মূলতঃ মুক্তিযোদ্ধাদের অনৈক্য এবং আমাদের বাঙ্গালীদের কম ধৈ্য্য জন্য এত অস্থিতীশীল পরিস্থিতীর সৃস্টি, যার জন্য রাজাকাররা আজ দেশের ফ্ল্যাগ লাগিয়ে পাজেরো হাকাতে পেরেছে।
চমৎকার একটি পোস্টের জন্য +++।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। ৭২ থেকে ৯০ পর্যন্ত সত্যি অনেক ধোয়াটে ইতিহাস আমরা পেয়েছি। ঐ সময় নিউজপেপার এখনকার মত স্বাধীন ছিল না। সরকারের সরাসরি সেন্সরশিপ ছিল। ঐ ধোয়াটে ইতিহাসগুলোই কিন্তু দেশকে বৃত্তবন্দী করে রেখেছে। আমরা আজো হতাশার বেড়াজালে বৃত্তবন্দী।

১৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: কারন মনে রাখতে হবে ৭ নভেম্বরের সেই অভ্যুত্থানে কর্নেল তাহের কিন্তু জিয়াউর রহমানের পক্ষের শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। এবং তিনিই কিন্তু জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ এমন একজনের গুনকীর্তন করে যিনি জিয়াউর রহমানের পক্ষে কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান পথের কাটা দূর করবার জন্য কর্নেল তাহেরকে হত্যা করেন সেটা অন্য বিষয়।

হাঁ তা ঠিক ।
জিয়া বলেছিল , দেশ সমাজতান্ত্রিক ধারায় চালাবে। জিয়া বলেছিল ,
গণতন্ত্র , সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ সমুন্নত রাখবে।
তাই জাসদের অনেক মূলকথারা সাথে মিলে গিয়েছিল।

পরে জিয়া হাত মিলায় রাজাকরদের সাথে ।

তাই একটা পার্থক্য তো থাকছেই ।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আমার ব্লগে কমেন্ট করবার জন্য। জিয়া এবং তাহের একসাথে কাজ করলেও নীতিগত পার্থক্য ছিল। একমত। আমি ব্লগে অবশ্য লিখেছি যে, তাহের জয়ী হলে জিয়ার মত রাজাকারদের পুনর্বাসন ঘটত না। কিন্তু বামপন্থী সর্বহারাদের অত্যাচার বেড়ে যেত। জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সর্বনাশ করেন রাজাকারদের পুনর্বাসন করে।

১৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: অনেকদিন কোন নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা নিবন্ধ পড়ি না। তবে একটি বাক্য, "এই দিন থাকা বা না থাকাতে আমাদের বিশেষ কোন আসে যায় না।" -এর সাথে দ্বিমত। দিনটি আমাদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, যদিও এটি ঠিক যে যে-ই জিতুক ফল হত যে আমরা সাধারণ জনগণ গণতন্ত্রের জন্য ধুঁকতাম।

'+' ও প্রিয়তে

আশা করি ভবিষ্যতে এমন আরও ভাল লেখা পড়ার সৌভাগ্য আমাদের হবে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তওসিফ ভাই। ৭ নভেম্বর অবশ্যই গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু সেটা ক্ষমতার পালাবদলের কারনে। মহান কোন কারনে না। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ যোগায়?

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রুপা আপা। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ জোগায়।

১৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: সব ঠিক আছে।কিন্তু ৭ তারিখ কিছু হুজুগে জনতা মিছিল করেছে এটার অথেন্টিক প্রমান আছে। ধন্যবাদ
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি। এমন কোন রেফারেন্স অনেক দিন ধরে খুজছি। জানা থাকলে প্লিজ শেয়ার করবেন। কমেন্ট করবার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: ব্লগে আসবার জন্য এবং কমেন্ট করাবার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখবার উৎসাহ যোগায়।

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাশেদ ভাই ব্লগে আসবার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখবার উৎসাহ যোগায়।

২১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
শয়তান বলেছেন: কর্নেল তাহেরের পোষ্টটা তারাতারি দিয়েন । আজকে সন্ধায় এক আড্ডায় নতুন প্রজন্মের মাঝে লক্ষ্য করলাম এসব দিবস টিবস নিয়ে খুবই নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী সবার মধ্যে । তবে তাহেরকে নিয়ে গোপন একটা ক্রেজ রয়ে গেছে অজ্ঞানতার কারনে ।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: শয়তান ভাই, এই মুহুর্তে একটু দৌড়ের উপরে আছি। তবে নিয়ত যেহেতু আছে লিখব অবশ্যই। :D

২২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
শয়তান বলেছেন: ওক্কি । অপেক্ষায় রৈলাম :)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ধইন্যা... :)

২৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: অনেকদিন পর এত সুন্দর একটা পোস্ট পড়ে মন ভরে গেল। অসংখ্য ধন্যবাদ আর শুভকামনা থাকলো।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লাইলী আপু। আপনার কমেন্ট পড়ে আমারও মন ভরে গেল। আপনার জন্যেও অনেক অনেক শুভকামনা।

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে দুরন্ত ভাই ব্লগে আসবার জন্য। আপনাদের অনুপ্রেরনাই ব্লগ লিখতে উৎসাহ যোগায়।

২৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
যীশূ বলেছেন: বামপন্থীদের একটা অংশ কিন্তু চরমপন্থী সর্বহারা ছিল। এই সর্বহারাদের অত্যাচার কিন্তু এই দেশকে দীর্ঘদিন অনেক ভুগিয়েছে। বর্তমানের আমরা সেটা হয়ত ভুলে গিয়েছি। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে বামপন্থীদের অভ্যুত্থান তাই দেশের জন্য এমন কোন সুখকর হত না।
---------------------------------------------------------------------------------

বাম দল আর চরমপন্থী সর্বহারা এক জিনিস না। তাই এই একটা লাইনের কারনেই এই পোস্টে মাইনাচ দিলাম।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস বিষয় না। সত্য জানাটাই বিষয়। জামায়াতের একটা অংশ যেমন চরমপন্থী হয়ে জঙ্গি হয়ে গেছে, তেমনি সর্বহারাদের উৎপত্তিও কিন্তু বামপন্থীদের থেকেই। যদিও তাদের উপরে বামপন্থীদের শেষ পর্যন্ত খুব কমই নিয়ন্ত্রন ছিল।

২৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
অরণ্যচারী বলেছেন: বাম দল আর চরমপন্থী সর্বহারা এক জিনিস না। এটকু ছাড়া বিশ্লেষণ ভালোই লেগেছে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু বাম দল আর চরমপন্থী সর্বহারাকে এক বলি নাই কোথাও। কিন্তু সর্বহারাদের উৎপত্তি কিন্তু বাম ঘরানাদের থেকেই। আজকে যদি জামায়াত কোনভাবে ক্ষমতায় আসে, তাহলে জঙ্গিদের দাপট কতখানি গড়াবে? সেই হিসেবে বাম দল তখন ক্ষমতায় আসলে সর্বহারাদের দাপটও বেড়ে যেত। এবং বাম দল তাদের বিরুদ্ধে একশন নিত না কাছাকাছি নীতিমালার সংগঠন বলে। মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
স্বপ্নরাজ বলেছেন: পোস্টের সাথে প্রায় একমত.... শুধু ভারতের জুজুর ব্যপারটা ছাড়া... বিএনপি হয়তো ভারতের ভয় দেখায় রাজনৈতিক ফায়দা লাভের জন্য কিন্তু আপনার কি মনে হয় ভারতের ভয় কি আসলেই নেই??...
সীমান্তে গিয়েছেন কখনও... আমি অনেক সীমান্ত এলাকায় গিয়েছি...বিএসএফ এর আতংকে ভোগে প্রায় প্রতিটা মানুষ... মারা যাচ্ছে তারা প্রায়ই,,,, অধিকাংশ সময়ই বিনা উস্কানিতে...

ট্রানজিট চাচ্ছে ভারত... ভাল করে দেখেছেন আসলে কেমন ট্রানজিট চাচ্ছে তারা?.... দিনমজুরের পোস্ট দেখেন..... টিপাইমুখ বাঁধ, পদ্মা ব্যরেজ.....

বাংলাবান্ধা গিয়েছেন কখনও?... নেপাল থেকে মাত্র ১৫ কিলো দুরত্ব... ভারত এইটুকুই ট্রানজিট দিতে রাজী হয়না....

অব্যহত চাপের মুখে মানুষ একসময় ভেংগে পড়ে..মেনে নেয় অনেক কিছু. .....সিকিম আর নেপালের ইতিহাস পড়েন... বিশেষকরে সিকিমের... যে বাঘ আপনার প্রতিবাশীকে খেয়ে ফেলেছে.... সে আপনাকেও খেতে পারে এইটা কি জুজুর ভয়????

ভাল থাকবেন।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, আমি বিষয়টা ক্লিয়ার করি, ভারতীয় জুজু বলতে বুঝাচ্ছি, ভারত এসে বাংলাদেশ দখল করে ফেলবে এই বিষয়টা। ভারত বাংলাদেশের জন্য সব সময় একটা আতংক, এটা আমরা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছি। সীমান্ত সমস্যা, ট্রানজিট, টিপাইমুখ বাঁধ ছাড়াও আরো অসংখ্য ব্যাপারে ভারত বাংলাদেশকে অসহায় অবস্থায় ফেলছে এবং ফেলতে চাইছে, আমি এই ব্যাপারে একমত। কিন্তু ভারতের পক্ষে সামরিকভাবে বাংলাদেশ দখল করার সুবর্ন সুযোগ ছিল ৭১ এ। তখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে কিন্তু নতুন বাংলাদেশ হওয়া আর এটা ভারতের ভূমিতে পরিনত হওয়াটা একই ব্যাপার ছিল। ঐ সুযোগ তারা নিতেই পারত। কিন্তু তখন যেহেতু নেয় নাই, আর নেয়ার সম্ভাবনাও নেই। খালেদ মোশাররফ ভারতের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন, এমন কোন রেফারেন্স কি আছে? আপনিও ভাল থাকবেন। আশা করি, এ ধরনের ডিসকাশনের মাধ্যমে আমরা ঠিকই সত্যি উদঘাটন করতে পারব।

২৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫
বাংলার দাদা বলেছেন: খুব ভাল পোষ্ট হয়েছে। লেখককে অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু সমস্যা হল আমরা সবাই অন্ধ, অনেককিছু বুঝতে চাই না। বুঝার চেষ্টাও করি না।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়বার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
তাজা কলম বলেছেন: সর্বশেষ কথা এই যে, ৭ নভেম্বর আমাদের জনগনের জন্য বিশেষ কোন দিন না। এই দিন থাকা বা না থাকাতে আমাদের বিশেষ কোন আসে যায় না। সেনাদের ক্ষমতার লড়াইয়ে কে জিতল আর কে হারল তাতে আমাদের কি? আমরা ঘুরে ফিরে সেই সেনা শাসনই পেতাম। আর গনতন্ত্রের জন্য ধুকতাম।[/sb

সহমত।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাজা কলম ভাই। আমি কিন্তু আপনার লেখার একজন মুগ্ধ পাঠক। আপনার মন্তব্য পাওয়া তাই আমার জন্য বিশেষ কিছু। :)

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। :)

৩১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
অদৃশ্য বলেছেন: আপনার লিখাটি পাঠ করলাম.....



শুভকামনা........
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: বাচ্চাদের রাজনীতির লেখা পড়তে হয় না :D

৩৩. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০০
ঘুমঘুম বলেছেন: পড়ছি......ধন্যবাদ জানবেন।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৩৪. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
দিনমজুর বলেছেন:
নুরুজ্জামান মানিকের কমেন্ট এ একটু অবাক হলাম।

পোস্ট আমার ভালো লাগেনি, বেশী সরলীকরণ হয়েছে এবং তথাকথিত নিরপেক্ষতাবাদের প্রতি আমার কোন আস্থা নাই।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি ৭ নভেম্বরের ব্যাপারে এক্সপার্ট নয় বরং সাধারন মানুষের ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। নিরপেক্ষতার অভাবের কারনেই কিন্তু ৭ নভেম্বর একেকজনের কাছে একেক রকম। এটা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। পোস্ট পড়ার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৭
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: নিরপেক্ষ ইতিহাস বলে আসলে কিছু নাই । ইতিহাস অবশ্যই কোনো না কোনো পক্ষে যাবে । আপনি বলতে পারেন সত্য ইতিহাস । 'ইতিহাস আমাকে খুব টানে' বলে শুরু করে শেষটা হলো অতিসরলীকৃত বিশ্লেষণ করে হতাশাজনকভাবে '৭ নভেম্বর আমাদের জনগনের জন্য বিশেষ কোন দিন না' বলে ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: ইতিহাস কোন না কোন পক্ষে যাবে, এটা কি আসলেই তাই? ইতিহাস তো কোন পক্ষ বিপক্ষ বিচার করে না। ইতিহাস সত্যি ঘটনা তুলে ধরে। সেটা সবার পক্ষে যেতে পারে, সবার বিপক্ষেও যেতে পারে। যেকোন রকম হতে পারে। আমি যা বিশ্লেষন করেছি তার মধ্যে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো যথার্থ হয়নি জানতে পারলে হয়ত আমি কিছু ব্যাখ্যা করতে পারতাম। তবে শেষ কথাটি যেহেতু উল্লেখ করেছেন, তাই বলি, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কি অবদান রেখেছে যে জনগন এই দিনকে স্মরনীয় করে রাখবে, এটাই আপনার কাছে জিজ্ঞাসা। আমার পোস্টটি পড়বার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।

৩৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
কুতুব্ বলেছেন: যতদূর বুঝতে পারছি নিরপেক্খ বিশ্লেশণ। এই বিষয়ে আরো আলোচোনা হওয়া উচিত। কুয়াশা কাটিয়ে সত্য বেরিয়ে আশা উচিত..........
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন কুতুব ভাই। ব্লগে আসবার জন্য এবং কমেন্ট করবার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই।

৩৭. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৬
পথের মানুষ বলেছেন: আপনার মত আমারও এ বিষয়ে ধোয়া ধোয়া একটা ধারনা ছিল। পরিষ্কার একটি ধারনা দেবার জন্য ধন্যবাদ। আসলে ইতিহাস এতটাই কুয়াশাচ্ছন্ন যে আজও অনেকেই মনে করেন 'জয় বাংলা' আওয়ামীলীগের শ্লোগান। হয়তো এভাবেই প্রতিটি কুয়াশাচ্ছন্ন সত্য সূর্যের আলো দেখবে। ততদিন অপেক্ষায় থাকি।
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। জয় বাংলা তো আমাদের জাতীয় শ্লোগান হতে পারত। সবকিছু নিয়ে রাজনীতি করতে করতে আমাদের নিজস্ব বলতে কিছু নেই। সব কিছু যেন আওয়ামী লীগ অথবা বি এন পি -র প্রোপার্টি হয়ে গেছে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এখন না। পরে বলবো।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই