বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
প্রিয় ব্লগার ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভাল আছে। সাময়িক ব্যস্ততার কারনে গত বেশ কিছুদিন ব্লগে সময় দিতে পারি নাই। আপনাদের খুবই মিস করেছি। আমি জানি আপনারাও আমাকে খুবই মিস করেছেন
গত ৫ তারিখে আমি আমার মামার সৌজন্যে একটা ছোট ঠিকাদারি কাজ পাই। সেটা নারায়নগঞ্জে আদমজী ই পি জেড এ একটা কোরিয়ান কোম্পানির ফ্যাক্টরির জেনারেটর রাখার ঘর নির্মান। সময় ১৫ দিন। প্রতিদিন সকাল ৭ টার মধ্যে সাইটে উপস্থিত থেকে কাজ করতে হত। সম্পূর্ন অপরিচিত এলাকায় কই মিস্ত্রি পাই? কই রড সিমেন্ট পাই? বালু পাথরই বা পাই কোথায়?? যাই হোক মামার বাইক থাকায় বিরাট সুবিধা হয়েছে। এক দিনেই আমি সব জোগাড় করতে পেরেছি। টানা কাজ চালিয়েছি। মাঝে কেবল ৫ দিন বৃষ্টির কারনে কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু আমি ঠিকই সাইটে উপস্থিত ছিলাম। রোদে আমার সোনার অংগ পুড়ে তামা তামা হয়ে গেছে।
আমাদের ব্লগার "গরম কফি" ওই এলাকার বাসীন্দা। তার সাথে যোগাযোগ হয়েছে। তার কথা বলতে গেলে আরেকটা পোস্ট দিতে হবে। শুধু এতটুকু বলব- তিনি ও তার পরিবার আমার প্রতি যে মমতা দেখিয়েছেন তার যোগ্য আমি না। ভাল থাকুক " গরম কফি"।
কাজ শেষ করে বিল পেলাম। হিসাব করে দেখলাম ৫৭/৫৮ হাজার টাকার মত লাভ হয়েছে। ১৭/১৮ হাজার টাকা কিছু আনুষঙ্গিক কাজে খরচ করেছি ( বিকশীস, যাতায়াত, খাবার, আড্ডা, দাওয়াত, ভুং ভাং ইত্যাদি)।
আমি এ পর্যন্ত যত আয় করেছি তা আমার বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। অবশ্য টুকটাক ধান্দা ফিকির মাঝে সাঝে হত ( যেমন - ২০০০/৫০০০/১০০০০/)। সেটা বাবাকে দিতাম না। আমিই পকেটে রেখে রেখে ভাঙ্গতাম। সেই কয়দিন অবশ্য বাবার কাছে কোন টাকা চাইতামনা।
আমি সাধারনত ১০/১১ টার আগে ঘুম থেকে উঠিনা, খুব একটা শারিরিক পরিশ্রম করিনা বা করতে হয় না। কিন্তু এই ১৫ দিনে আমি প্রচন্ড খেটেছি। আমার পুঁজি খাটাতে হয় নাই। নিয়মিত বিরতিতে ওই কোম্পানি আমাকে অগ্রীম টাকা দিত। শুধু শ্রম আর সামান্য মেধাই ছিল আমার মূল পুঁজি। আমি আমার পরিশ্রমের মূল্য পেয়েছি।
বিল পেয়ে সবার পাওনা মিটিয়ে সোজা বাসায় চলে এসেছি। চল্লিশ হাজার টাকার একটা বান্ডিল বাবার হাতে দিলাম ( আমি আগেই এক হাজার টাকা আমার পকেটে রেখে দিয়েছি
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


