খালেদা সন্তানের চেয়ে সম্পদ ভালোবাসেন: হাসিনা
তত্ত্বাবাধয়ক সরকারের আমলে বিচারের ভয়ে, জেল-জরিমানার ভয়ে গণতন্ত্রের ডিগ্রী কন্যা শেখ হাসিনা ১/১১ কুশলীদের কথামতো বিদেশ পাড়ি দিয়েছিলো। কিন্তু তখন বার বার হুমকী-ধামকী সত্ত্বেও খালেদা জিয়া কোন অবস্থাতেই বিদেশ যায় নাই। ফলশ্রুতিতে ১/১১ কুশলীরা তার দু সন্তানকে নির্যাতনের উপর নির্যাতন করেছেন। আদালতে তারেক কোকোকে দেখে খালেদা জিয়া বারবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে। কিন্তু ওরা খালেদা জিয়াকে একবারের জন্যও নিজের সন্তানকে জড়িয়ে ধরার সুযোগ দেয় নাই। উপরুন্ত খালেদার মায়ের মৃত্যুতে মা-সন্তানকে আলাদা আলাদা সময়ে আনা হয়েছে যাতে মা-সন্তান মুখামুখি না হতে পারে।
অবশেষে তারেককে দুতলা থেকে ফেলে দিয়ে কোমর ভেঙ্গে দেওয়া হয়। মেরুদন্ডের স্পাইনাল কর্ড ভেঙ্গে যাওয়ার পর তারেক রহমান একা একা হাটতে পারতোনা। কোকোর এ্যাজমা জনিত সমস্যায় তার অবস্থাও অবনতি হয়। ফলশ্রুতিতে মাতৃত্ববোধের কাছে আপোষহীন নেত্রীর পরিচয় মুছে যায়। খালেদা জিয়া দু সন্তানকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানোর বিনিময়ে নিজেও বিদেশ যেতে রাজি হয়। কিন্তু খালেদা জিয়ার ছিলো দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা, টান। তাই মনে মনে উনি বুদ্ধি আটেঁ। তারেক-কোকোকে বিদেশ পাঠানো হলে খালেদা জিয়া বলে বসে জীবন থাকতে উনি দেশ ছেড়ে কখোনো বিদেশে নির্বাসিত হবেন না। ৯০ এর গণ অভ্যুর্থানের মূল কারিগর খালেদা জিয়ার "আপোষহীন" উপাধী পাওয়ার মর্মার্থ আবার বুঝিয়ে দেয়।
অন্যদিকে আমরা জানি ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনার কি রকম সম্পর্ক ছিলো। কি রকম সম্পর্ক ছিলো তার সন্তানদের। আজকে যারা শেখ হাসিনা এবং শেখ হাসিনার সন্তানদের নিয়ে গর্ব করেন তারা কি বাপ-বেটা বা বাপ-জির বা স্বামী-স্ত্রীর কোন নতুন ছবি দেখাতে পারবেন? ওয়াজেদ মিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে স্কয়ারে ভর্তি থাকার পরও তার সন্তানেরা একবারের জন্যও তাকে দেখতে আসেনি। মৃত্যুর ঠিক অন্তিম মুহুর্ত্তে শেখ হাসিনা উপস্থিত হয়। ওয়াজেদ সাহেবের মৃত্যুও তার সন্তানদের ওয়াজেদ সাহেবের কাছে আনতে পারেনি। অথচ রংপুরে জয়ের জন্য প্রাথমিক সদস্যপদ পূরণ হওয়ার কয়েকদিনের মাথায় নেতা-কর্মীদের প্রতি শুভেচ্ছা জানানোর জন্য উনি চলে আসলো। তার মেয়ে পুতুল একাধিকবার বাংলাদেশ সফর করলো। সুতরাং কারা ক্ষমতালোভী, ক্ষমতালিপ্সু তা নতুন করে জাতিকে বুঝিয়ে দেওয়ার দরকার নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



