গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যাবস্হায় আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে হরতালের রাজনীতি শুরু করেছিলো। ১৯৯৪ সালে টানা ৩ মাসের হরতালের মাধ্যমে দেশে একটি বিভিষীকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলো আওয়ামীলীগ। বাসে, ট্রেনে, প্রাইভেটকারে, দোকানপাট, কল কারখানায় হামলার মাধ্যমে রাষ্ট্রের এবং দেশের জনগণের অপরিসীম ক্ষতি সাধন করে আওয়ামীলীগ।
১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে লাশের রাজনীতি শুরু হলো। চট্রগ্রামের এক জনসভায় আওয়ামীলীগ নেত্রী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললো একটা লাশ পড়লে আরো দশটা লাশ পড়বে। শুরু আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তান্ডব দেশ জুড়ে।
বাঁশখালিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সংখ্যালগু হিন্দু সম্প্রদায়ের ১১ জনকে পুড়িয়ে মারে।
২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না আসতেই আওয়ামীলীগ হরতাল শুরু করলো। আন্দোলনের ইস্যু তৈরী করতে হোটের সোনারগাঁ সামনে বাসের মধ্যে মানুষ পুড়িয়ে মারা হলো। যা শেখ সেলিমের জবানবন্দিতে প্রমাণিত সত্য।
২৮ শে অক্টোবরের লগি-বৈঠার তান্ডব দেখে বিশ্ববাসী স্তব্দ হয়ে গিয়েছিলো। আইনবহির্ভূত, বিচারবহির্ভূত এমন তান্ডব আর কেউ দেখাতে পারেনি।
সুতরাং আওয়ামীলীগের কাছে রাষ্ট্র্বের অপরিণাম ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

