আমার প্রিয় পোস্ট

মনের খোলা জানালয় কত আলো কত রঙ, খেলা করে চুপি সারে, আসে যায় কড়া নাড়ে ... ...

ট্রেনের ছাদে বার্থডে পার্টি

১২ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook

সাকিবের বার্থডে। আর বার্থডে মানেইত কোপ খাওয়ার দিন। সেদিন ছিল ২রা অক্টোবর' ২০০১। তারিখ মনে থাকবে না? জানে-জিগরি দোস্ত আমার! কিন্তু ৭ বছর পরও সাল নিয়ে কনফিউশন ছিলও না। ১ তারিখ ছিল জাতীয় নির্বাচন, তাই হিসাব সোজা। ওর বাসায় হেভি খানাদানার পর গেম খেলা হচ্ছে। কিছু একটা কমবেট গেম, মর্টাল কম্বেট হয়তবা। ইপা কি জানি বল্ল, মাইর খাওয়ার সময় সাইড কমেন্ট কাহাতক সহ্য হয়! দিলাম চ্যালেন্জ, বাচ্চা মেয়ে আর কি খেলবে? এর পর ৫/১০ মিনিটের মাঝে তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে গেলাম আমরা। পিচ্চিটার আনন্দ-চিৎকারে টেকা দায়। আরে দু-দশটা জিতেছিশ তাই বলে চিল্লানোর কি মনে, বড় ভাই না আমি? একটা ইজ্জতের ব্যপার আছেনা? তবে কয়টা খায়েছিলাম মনে নেই, কিন্তু আর বোধহয় জায়গা ছিল না পেটে!

চট্টগ্রাম খুব সুন্দর শহর। সেটা সে দিন আবার মনে হয়েছিল। অন্য সবাই যার যার পথে চলে গেল। রইলাম আমি, সাকিব আর ফারুখ (সানরূফ)। কোথাও ঘুরতে যাওয়া দরকার। কই যাই? হাটতে হাটতে গলির মুখে ২নং গেট। নতুন বিডি খাওয়া ধরেছি তখন, চান্স পেলেই বিডি ধরানো হচ্ছে কঠিনতম ভাবের অংশ। গলিতে টানা যায় না, বিপদ আছে! আগে এই গলিতেই আমিও ছিলাম। তাই টানতে টানতে রেল লাইন দিয়ে পলিটেকনিকের দিকে হাটা দিলাম। লাইনের দুইধারে পাহাড় আর সবুজ, মাঝারি সব গাড় সবুজ গাছ। বিকেলের মায়াবী আলোয় অপরূপ। দিন ভাল, পেট ঠান্ডা, মন ফুরফুরে। সামনে কোন কাজ নাই, নাই পরিক্ষার তাড়া। HSC'র রেজাল্ট আউট হল মাত্র। সামনে অবশ্য ভার্সিটি ভর্তি,বাট হু কেয়ারস? তুলাতলি পার হয়ে, খুলশির পেছন দিয়ে, ঝাউতলা ক্রসিং। তারও পর ঝাউতলা জাংশন।

ঘনায়মান সন্ধার আলোছায়ায়, বিশাল বিশাল আখ নিয়ে বসে গেলাম ঘাসে ঢাকা চত্তরে। প্লান হল। ভার্সিটির শেষ ট্রন ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাব, দরুন মজা হবে। আমরা কেউই আগে যাই নি। প্রায় ২৫/৩০ কিমি দূরত্ব। আসার ট্রেন না পেলে বাস ধরব। কোন সমস্যা নাই।

হালকা খাবার-পানীয় নিলাম কিছু, আর নিলাম সিগারেট। এই ফাকে ঝম ঝম করে রেল গাড়ি চলে এল। কুউউ-কুউউ ভেপুতে কান ঝালা পালা। লাফিয়ে একাট বগিতে চড়ে বসলাম সবাই। ভেতরে যা-তা অবস্থা। আলো নাই, সিট ভাঙ্গা। আর প্রত্যেক বগি আলাদা। প্যাসেজ নাই। তো কেয়া হুয়া? আমারা দরজার পাশে বসে গেলাম। পা-ঝুলিয়ে বসার জন্যে কাড়া-কাড়ি। সাকিবের বেইল নাই, তখন ওরে বহুত জ্বালাতাম। আধা জংলি ছিলাম, আমারে ওরা বেশি ঘাটাত না এইসব ব্যপারে :)। ট্রেন আমাদের হেটে যাওয়া পথেই ফেরত এল। ষোল শহর জাংশানে থামার পর নিচে নামলাম। দেখি লোকজন ওভার-ব্রিজ দিয়ে ছাদে নামছে। তিন জনের মাথায় একই সাথে বাদরামো চাগা দিয়েছিল, না কারো একার আইডিয়া ছিল মনে নাই। তবে ২ মিনিটেই আমরা ছাদে। আমার জন্য লাফ-ঝাফ সমস্যা না, অভ্যাস আছে। সমস্যা হল সাকিবরে নিয়া। আদুরে পোলা, অনেক কেয়ারিংএ থেকে অভ্যাস। ছাদে নামতে ঝমেলা হলেও ট্রেন ছাড়তে ছাড়তে আমরা বসে গেলাম ঠিক মত। তিন জন গোল হয়ে বসে, একে অপরের হাত ধরে, নিজেদের সাপোর্ট দিলাম। বলে রাখা ভাল যে, এই লাইনে বগিচ্যুতি নিয়মিত ব্যপার। ব্রিটিশ আমলের ট্রন, এমন ভাবে দুলে যেন দোলনা। ঠান্ডা বাতাস দিচ্ছিল ভালই, শীত আসি আসি করছে ভাব।

বিডি ধরানো দরকার মনে করলাম। উথাল-পাথাল বাতাসে শেষ পর্যন্ত আমার হাতেই আগুন বাগে এল। এর মাঝেই আমরা মুরাদপুর পেরিয়ে গেলাম। সন সন সরে যাওয়া গাছ, দূরে আলো জ্বলা জানালা। মনে মুক্তির ডাক। হটাৎ খেয়াল হল, আমরা কোথায় যচ্ছি? আশে পাশে ঘর বাডি নেই কেন। এত তাড়াতাড়ি শহর শেষ? আমাদের তো শহর ঘুরে যাবার কথা! কে জানে, ট্রেন লাইন হয়ত এমন ই হয়! বাম পাশে গাছ পালা, দূরে বাডি-ঘর। আর ডানে বিস্তৃত মাঠ আবছা আলো আধারে ঢাকা। হটাৎ দেখি বামের ঝোপ-ঝাড় জুডে জোনাকির মেলা। আজ কি ওদের কোন উৎসব? আব্বার চকরির সুবাদে আনেক দিন মফস্বলে ছিলাম, এত জোনাকি আমি দেখিনি কখনো। অথবা বেশি অবিভূত হয়ে গিয়েছিলাম হয়তবা!

দেখতে দেখতে অরও কিছুটা সময় গড়িয়ে গেল। দেখি দূরে আলোর মেলা। আস্তে বেগ একটু কমে এল যেন। আরে এ যে কালুরঘাট ব্রিজ! আশে পাশের লোকজনের কছে চিৎকার করে জেনে নিলাম, এটা দোহাজারির ট্রন!!! মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। দোহাজারি? হিসাব গোলমাল হয়ে গেল। অজান্তে ভুল ট্রেনে যাত্রা। আমরা অস্থির ভাবে তাই আলোচনা করছি, হটৎ লোকজনের আর্তচিৎকার। ''মাথা লামাও, নিডি য গই''!!! মাথা নামাও, শুয়ে পড়!!! দেখি জীবন্ত বিভীষিকা হয়ে এগিয়ে আসছে ব্রিজের ছাদ। লোহার বিশাল সব বার ভয়ংকর আকার নিয়ে এগিয়ে আসছিল আমাদেরকে পিশে ছুড়ে ফেলতে। প্রথম যে কথা মাথায় এল তা হল খিচে দৌড় লাগানো। ঐ কাজ করিনি, তাই আজকে লিখতে পারলাম। তিন জন জড়া-জড়ি করে শুয়ে গেলাম। নির্মম ঘাতকের মত মাথার উপর দিয়ে নিশব্দে চলে যাচ্ছিল যেন মৃত্যু। প্রতি মূহুর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি সব শেষ। কতটুকু ব্যবধান ছিল নিশ্চিৎ জানি না, তবে আমাদের শরীরের ফুট দুয়েক উপরে ছিল হয়ত, এর বেশি হবেনা। আজও মনে হলে হাত-পা পেটে ঢুকে যেতে চায়!

কালুর ঘাট পেরুনোর পরই দেখলাম লুঙ্গি পরা একলোক হাচড়ে পাচড়ে ছাদে উঠে এল। হাতে টর্চ। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, সে টিকিট চাইল! ট্রেনের ছাদে লুঙ্গি পরা টিটি! আমাদের পিছলে পড়ার দশা। পটিয়ার আগে নামা যাবে না, তাই মাথা পিছু ৭/৮ টাকা (মনে নাই) ভাড়া দিতে হল। ততক্ষনে রাত ৮টা পেরিয়ে গেছে। মাথায় খালি নিচে নামার চিন্তা। এদিকে ট্রন মাঝে মাঝে এক-আধ মিনিটর জন্য কোথাও বা থামছে, কিন্তু আমরা অশহায়।

বিপদের ষোলকলা পূর্ণকরে ঝাপিয়ে বৃষ্টি এল। ফারুকের শরীর বিশেষ ভাল না, তাই ওকে সেভ করার জন্য আমরা দুজন বৃষ্টির দিকে পেছন ফিরে ওকে আড়াল দিলাম। হু-হু বাতাস, দাতে দাত বাড়ি খাচ্ছে ঠকাঠক। অনেক কষ্টে সিগারেট ধরালাম। ভিজে যাচ্ছে যতই আড়াল করি। টানের সাথে গরম পানি, তবুও মনে হল জীবনের স্বাদ।

ট্রেন যখন থামল ততক্ষণে বৃষ্টিও ধরে এসেছে। আগে পিছের লোকজন দেখি হাওয়া। কই গেল, কখন গেল, কে জানে? হাত পা যেন জমে গেছে। আনেক কষ্টে আমি আর ফারুখ নামলাম। সাকিব নামবে না! কারন হটাৎ ভেপুর শব্দ! আমাদের জানে পানি নাই। অনেক কষ্টে ওকে নামালাম। নামতে গিয়ে সেন্ডল গেল চাকার নিচে। যাহোক, জানা গেল এটা পটিয়া। পকেটে বেশি টাকা নাই। পেট চো-চো। এদিকে নটা বাজে প্রায়।

নির্বাচনের পরের রাত, দেশের পরিস্থিতি খারাপ। অচেনা যায়গা। তিনটা সন্দেহজনক চরিত্র রাস্তা দিয়ে চলছে। দোকানের লোকজন তকিয়ে দেখছে। রাস্তা ফাকা, কোন গাড়িও দেখি নাই শহর মুখো। পটিয়া থানা পাশেই।



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমণপাগলামি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সময়ের জোড়া-তালি  বিভাগে ।

 

  • ৩৭ টি মন্তব্য
  • ৩১১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
comment by: মুহিব বলেছেন: রোমহর্ষক কিশোর থ্রিলার
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন:
ফাটাফাটি হয়ে যাবে দাদা, কাহিনী কিন্তু সত্য ।

;) :)

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
comment by: এম্নিতেই বলেছেন: চলেন লিখা (আপনি) আর পড়া (আমরা) তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলি। :)
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: লিখা শেষ :)

পাড়াও শেষ ;)

৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২০
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লাগলো...........
সুন্দর সাবলীল বর্ণনা..........
শুভকামনা আর শুভেচ্ছা।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন:
আপনাকেও আনেক আনেক শুভকামনা।

ধনে পাতা।

৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
comment by: রাতিফ বলেছেন: অনেক সাবলীল আপনার লিখা........অনেক ভালো লাগলো।


শুভেচ্ছা।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
আরও অনেক বেশি সাবলীল আপনার লিখা, আমি কালকের লেখা পড়ে ত থ!!!

৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০১
comment by: চন্দন বলেছেন: লুঙ্গি পরা টিটিকে একবার আমরা মাইর দিছিলাম হে হে :)

কি খবর ভাই দেশে কবে আসছেন ?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: চন্দন বলেছেন:
লুঙ্গি পরা টিটিকে একবার আমরা মাইর দিছিলাম হে হে....
>>>

কন কি? প্রথমে আমরা ভাবছিলাম ভোদই পায়া আমদেরকে ফ্রড করতাছে, পরে দেখি ছোট ছোট হলুদ টিকিটও আছে!!!

----
ভাই আপনে অনলাইনে আসেন না কেন???
আমার লাইন লাগাবেন কবে? আমি ১৮ তারিখ সকালে ঢাকা নামব।

১৯ তারিখ আপনের খবর আছে কইলাম, লাইন না পাইলে!!!

যা হোক, অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
comment by: চন্দন বলেছেন: একবার কয়েকবন্ধু মিলে আপনাদের মতো এডভ্যান্চার করতে সিতাকুন্ডু গিয়েছিলাম ট্রেনে করে পথে এই রকম একজন টিকিট চাইছিলো সবাই মিলে দিছিলাম মাইর :) তারপর পরের স্টেশনে নেমেই সবাই দে দৌড় :)
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন:
হা হা হা!!! ভালই !

৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
comment by: নোক্সেনডার বলেছেন: বনির বার্থডের সময় ঢাকায় ছিলাম। মিস করছি :( । ঐ ব্রিজ দিয়া অনেকবার গেছি :D কিন্তু গাড়িতে, ট্রেনে যাওয়া হয় নাই কখনও :|
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: মামা, দেওয়ান হাট ব্রিজ দিয়া গাডি যায়, আমি বলছি ষোলশহরের কথা! :)

৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০২
comment by: নোক্সেনডার বলেছেন: কোথায় দেওয়ান হাট আর কোথায় কালুরঘাট ব্রিজ। কালুরঘাটের টা দিয়া ট্রেন কক্সবাজার রুটের বাস ট্রাক টেম্পো বেবী সব যায় ;)
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা তাই ক। আমি ভাবলাম ষোলশহরের!!!

হি হি হি, র‌্যাম বাড়ান দরকার আমার।


হ, আমি জীবনে ঐ একবারই ঐ রুটে ট্রনে গেছি।

কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন থাকলে মাজা হইত না খুব?

৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: নোক্সেনডার বলেছেন: হ কোস্টাল লাইন ধইরা যদি একটা মিটারগেজ ডাবল ট্র্যাক করে সমুদ্রের পাশ দিয়া পাহাড়ের কূল ঘেঁইসা, তাইলে আসলেই একটা কাজের মত কাজ হব। প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে দেখতে সকালের ট্রেনে কক্সবাজার যাইয়া সন্ধ্যার ট্রেনে ফেরত আসা যাব। ট্যুরিস্ট বাড়ব অনেক।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন:
আহা! তাইলে ত কথা ছিল না!!!

কিন্তু মনে হয় অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশ গুলায়া ফেলছ বন্ধু!!! ১০০ বছর পর তোমার ৫ম জেনারেশন দেখলেও দেখতে পারে, তুমি না। পেপার পড়? দেশে মানুষ খাইতে পাইতাছে না। কঠিন অবস্থা!

অবশ্য ভাটিয়ারী দিয়া নাকি মেরিন ড্রাইভওয়ে হইতাছে! ঢাকা রোডে কানেক্ট করবে। কত দিনে, কে জানে?

১০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩০
comment by: স্রাফা বলেছেন: বাহ খুব মজাতো......+
১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন:

আবার জিগায়।
অনেক ধন্যবাদ।

১১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৪১
comment by: বিবর্ণ বলেছেন: দারুন ঝরঝরে লিখেছেন, ভাল লাগল।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন:

আপনার কমেন্ট পেয়ে আরও বেশি ভাল লাগছে!!!

অনেক ধন্যবাদ।

১২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৫১
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: দারুন লাগলো।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:২০
comment by: রোকন বলেছেন: মুরগী সদগা দিসিলি?
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: ha ha ha

murgite kam hobe na

১৪. ১৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০২
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: আল্লাহ বাচায়ে দিসেন! তবে সত্যি দারুন গল্প...স্মৃতিচারন!
২০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন:
হ্যা...স্মৃতিচারন!
অনেক ধন্যবাদ।

১৫. ১৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
comment by: বিজ্ঞ পোকা বলেছেন: ঐ যাত্রা আমি মিস্ দিসিলাম, কৈ আছিলাম তাও মনে নাই... সাবলীল বর্ননা, ভালা লাগছে...
২০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন:
তুই শালা খায়া দায়া (গেম-ও খাইছছ পেট পুইরা!!!) ভাগছিলি মনে হয় ... সাকিবরে জিগান লাগব ...

১৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
comment by: বিজ্ঞ পোকা বলেছেন: পুষ্টানোর আগেও কি সাকিবরে জিগাইচিলি!! হম, সবাই যুদ্দ্বে গেলে কমান্ড নেতাগিরি ফলাইবো কে!! ?? হা হা হা
২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা

১৭. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪
comment by: রোকন বলেছেন: কি রে ব্যাটা? দেশে গিয়া ডুব মারলি মনে হয়?
২৩ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: হে হে হে ...

আবার জিংগায়!!!

দৌড়ের ঊপরে আছি, মজায় আছি, নেটে বসার টাইম কই???

১৮. ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
ছোটবেলায় আমিও অনেক দুরন্ত ছিলাম। সেসময়কার কাহিনী কিছু লিখতে হবে।
১৯. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
comment by: আলো বলেছেন: তার কয় দিন পরেই ত মানে হয় শব-ই-মেরাজ/বরাত ছিল... তোরা পায়ে হেটে মদুনাঘাট আসছিলি রাত ৩.৩০ এ....আমি ত থ!!! পাগলা দিন গুলিকে খুবি মিস করি।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন:
হ, পাগলা দিন সব কই গেল?
এখন টেকা আর ক্যারিয়ারের পিছে ছুটতাছি!

 



 


ইনিজনিযারিং পডা প্রায় শেষ।
ভাবছি এই যন্ত্রণাময় শহর ছেড়ে, আইন কানুন বিধি ধর্ম ফেলে কোথাও পালানো যায় কিনা।
স্বভাবে খুব অলস...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৯৭৮