আমার প্রিয় পোস্ট
- ~প্রিয় যাযাবরদের ভ্রমন পোস্ট সংকলন~ - রেজোওয়ানা
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- প্রবাসী ব্যাচেলরদের জন্য অতি সরল রেসিপি - আতিকুল হক
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- অনলাইনে সিনেমা দেখার অসাধারণ তিনটি সাইট - ত্রিকাল
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- উন্মাদনার যোগজীকরণ – ৬ (সাথে বোনাস কিছু গান) - আকাশ_পাগলা
- জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন?ডেনড্রাইটের কঙ্কালে সবুজ শ্যাওলা - বাঙ্গাল
- সকল ব্লগারের ব্লগের লিংক (বিষয় :বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ২০০৯) - নিলআকাশেরদুঃখ
- মনপুরা সিনেমা নয়ঃ- - জুল ভার্ন
- প্রিয় মুভির লিষ্ট - শূন্য আরণ্যক
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- Windows সফটওয়্যার এর লিনাক্স একুইভালেন্ট/অল্টারনেটিভ(৩য় কিস্তি ) - টেকনো
- দিনলিপি ৯: ঈর্ষা এবং ক্রোধ - ফারহান দাউদ
- বিদেশে কর্মানুসন্ধান: ফ্রিল্যান্সার থুক্কু শিক্ষিত কামলা যারা হতে চান - আহসান হাবিব শিমুল
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আর্ট এ্যান্ড আর্টিস্ট অব বাংলাদেশ-সিডিটির প্রকাশনা আজ - অনার্য তাপস
- রাছিং ঝর্ণা: প্রকৃত প্রকৃতি - যীশূ
- ভুল মানুষের ডেরায় ০২ - রাসেল ( ........)
- CCNA বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত ক্যাচাল - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- English Songs কালেকশন ()()()()() যারা ইংরেজী গান পছন্দ করেন তাদের জন্য.. - নতুন
- আউটসোর্সিং এর ব্যাবহার আর গ্রাম্য মেধা-১ - বিজ্ঞ পোকা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- পাকা পেপে - বিজ্ঞ পোকা
মঈপার : কাবুলীওয়ালার কথা
০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
[মঈপার!]
[একে বারে চুড়া থেকে]
জাললাবাদ শ্যামল সতেজ, এখানে নাকি অনেক বৃষ্টি বাদল হয়। এখানকার হিউমিডিটিও তাই তুলনামুলক বেশি। মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে'তে এই ভয়ঙ্কর পাহাড়ি রাস্তার কিছুটা বর্ণনা ছিল। কারন, স্থলপথে পাকিস্তান হয়ে কাবুল আসার এ-ই একপথ।
সেই ১৯৩০'য়ে যা, আজও তা'ই।
[সুরভীর পর জালালাবাদের দিকে]
এই পাহাড়েই নকি অন্য একটা রাস্তা আছে, কিন্তু মোটেও নিরাপদ না। পেশাওয়ার থেকে তোরখাম বর্ডার হয়ে জালালাবাদ শহর, তারপর মহীপার হয়ে (মাৎস পারাপার!!) কাবুল। আমাদের যেমন টাইগার পাস, এদের ফিস পাস!!
এই রাস্তা পুরুটাই বাক আর বাক, পাশেই গভীর খাঁদ। আফগানিস্তানের পাহাড়ি রাস্তাগুলোর মাঝেই এটা সবচেয়ে বিপদসংকুল। মঈপারের খাড়া পাহাড় দূর থেকে দেখলে মনে হবে একটা সিড়ি বুঝি বা। রাস্তাটা ক্রমাগত ধাপে ধাপে নেমেছে, সাপের মত প্যাচিয়ে।
মহীপারের (বা মঈপার, ফার্সি আর পশতুভাষীদের উচ্চারন মনে হয় একটু আলাদা) নাম শুনেই ভেবেছিলাম মাছের কোন ব্যপার থাকতে পারে। কিন্তু মাথায় আসল না ৮০০০/৯০০০ ফুট উচু শুকনো পাথুরে পাহাড়ে মাছ নিয়ে কি মিথ থাকতে পারে? খাড়া পাহাড়ের মাঝের খরস্রোতা এই ঝর্ণায় মাছ? পরে জানা গেল এই পাহাড়ি ঝর্ণা নকি আগে অনেক বড় ছিল, পানিও বেশি থাকত, সারা বছর। পাহাড়ি নদীর মাছ (!) নকি এই ভয়ংকর উল্টা স্রোতে উঠে যেত উপরে (এখনও যায় নিশ্চয়, কিন্তু শীতের পর যখন বরফ গলা পানি থাকে, তখন)। বিবিসির প্লানেট আর্থ সিরিজে দেখেছিলাম স্যামনরা ড়িমপাড়ার সময় এলে জাপানী উপকুলের কোন একটা স্ট্রিম ধরে উপরে চলে যেত যেখানে নিরাপদে ডিমপাড়া যাবে। এটাও নিশ্চয় এমন কিছু। মাছরা এভাবে বিশাল পাহাড় পাড়ি দেয়ায় নামই হয়ে গেছে মঈপার।
তখন খুব গরম। জালালাবদের একটু আগে দুরন্তে'র পাহাড়ে আমাদের সাইট। যাচ্ছিলাম ওখানে। মহীপার যতটা ভয়ঙ্কর ভেবেছিলাম ততটা ঘাবড়ানোর কিছু নাই আসলে। আধুনিক প্রযুক্তি ভয়ন্কর পাহাড়ি রাস্তাকে মসৃণ, নমনীয় করে দিয়েছে। যদিও ঘন্টায় ২৫/৩০ এর বেশি বেগে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিপদ হতে পারে। আর আছে কিছু বিপদজনক বাঁক, খাড়া রাস্তা। দুটো গাড়ি পাশা-পাশি সহজেই যায়। কিন্তু ৩০/৪০ টন মাল বোঝাই ২৪ চাকার বিশাল লরি বা ভ্যানগুলো যখন ইন্জিন বিকল হয়ে দাড়িয়ে থাকে, পরিস্থিতি জটিল হতে বাধ্য। আমি যতবার গিয়েছি ততবারই এই ঘটনা দেখেছি, নিত্ত্বনৈমিত্তিক ব্যপার। দেখেছি দুটো লরি অ্যাক্সিডেন্ট করে, দুমড়ে আছে। একটা আড়াআড়ি হয়ে ঝুলে আছে, সামনের অর্ধেক রাস্তা থেকে বাইরে, খাদের উপরে।
ভাল কোন ছবি তুলতে পারিনি, কারন গাড়ির বাইরে মাথা হাত বার করলেই ড্রইভার আর বিকাশ'দা চিৎকার শুরু করে। বিকাশদাও খুব ভয় পায় এই জায়গাটা!
পথে সুরভী নামে এখটা বাজার আছে। এর পর পাহাড়ি জলধারাটা আস্তে আস্তে একটা লেকে রূপ নিতে শুরু করল। মাঝেই কিছুদুর পর পর ছোট ছোট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। দূরন্ত'র টা বেশ একটু বড়।
ড্যামের ঊপর দিয়ে পাহাড়ের গভীরে আমাদের সাইট। পাথরের পাহাড়। ছোট বড় মাঝারি হরেক রকম আকার। এই পাহাড়গুলোয় ছোট ছোট পাথর আর মাটির আবরন। খুড়ে তুলেই হল। ক্রমাগত যেতে যেতে হারিয়ে গেলাম যেন। মনেহয় পথ বুঝি আর শেষ হবে না। অবশেষে দেখা গেল টাওয়ার। পাহাড়ের ফাঁকে মাথা তুলে উকি দিচ্ছে।
[এই টানেল গুলায় ঢুকলে মনে হয় আর বের হতে পারব না!]
[পিচকি পিচকি গড়ি, অনেক নিচে]
[পাশের পাহাড়ে রাস্তা]
[পাশের পাহড়ে রাস্তা]
[পিচকি পিচকি গড়ি, নিচে রাস্তা]
[অবশেষে দেখা গেল টাওয়ার। পাহাড়ের ফাঁকে মাথা তুলে উকি দিচ্ছে।]
প্রকাশ করা হয়েছে: কাবুলিওয়ালার কথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
হ্যা, এইটা সত্য কথা।
আফগানে যদি যুদ্ধ না থাকত, তাহলে বলতাম, হানিমুনের জন্যে এটা একটা ভালো জায়গা।
দহণ বলেছেন:
ভাল কোন ছবি তুলতে পারিনি, কারন গাড়ির বাইরে মাথা হাত বার করলেই ড্রইভার চিৎকার শুরু করে। আর বিকাশদাও খুব ভয় পায় এই জায়গাটাcompletly agrees with bikash da!
লেখক বলেছেন:
বিকাশ'দা এই কমেন্ট পড়ে থ্যান্কস দিবে নিশ্চিৎ!!
লেখক বলেছেন:
খুবই জটিল!
কিছুদিন আগে এই পথেই কারজাই'র ভাই না করে যেন এটাক করেছিল। বেশ ক-জন মারা গেছে।
আরও জটিল না? ![]()
সহেলী বলেছেন:
কেমন চড়াই উৎরাই ! দরকার নেই ওসব দেশে থেকে ;তবে ছবিগুলো দেয়াতে জানা গেল কিছু কিছু সেজন্য ধন্যবাদ ।
শুরুতে জালালাবাদ হবে কি ?
লেখক বলেছেন:
শুরুতে জালালাবাদ হবে, ধন্যবাদ।
দরকার নাই ওসব দেশে থেকে, ১০০% সত্য কথা।
একটু ভাল করে বাঁচব বলে আর একটু বেশি রোজগার
ছাড়লাম ঘর আমি ছাড়লাম ভালবাসা, আমার নীলচে পাহাড় ...
(অন্জন।)
দহণ বলেছেন:
একটু ভাল করে বাঁচব বলে আর একটু বেশি রোজগারছাড়লাম ঘর আমি ছাড়লাম ভালবাসা, আমার নীলচে পাহাড় ...
(অন্জন।)
বুঝলাম....... হুম
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন:
হা হা হা
সুন্দর কমেন্ট!
আনমনে বলেছেন:
খুব সুন্দর ।
লেখক বলেছেন:
আনমনে বলে দিলেন, খুব সুন্দর।
ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
বাহ বাহ বাহ!! সুন্দর!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ! ধন্যবাদ!!
কেমন আছেন?
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
আর কতদিন? চৈলা আসো না ক্যান?
লেখক বলেছেন:
সামনের মাসে আসমু।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বস।
চেষ্টা করব আরো ভাল ভাবে লেখার।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আমি মধুচন্দ্রিমা কর্তাম চাই!!!! অ:ট: মহীপালের নাম শুনছিলাম.. কিন্তু, এইখানে এসে গোলায়ে ফেল্লাম.. ক্লিয়ার করেন।
লেখক বলেছেন:
মঈপার মানে মাছ পার হয় যেখানে।
মঈ = মাছ।
খাড়া পাহাড়ি ঝর্ণা যেটা দেখা যাচ্ছে, ওটা দিয়ে মাছ নাকি উজান দিকে উঠে যায়, তাই এই নাম।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
দুটো গাড়ি পাশা-পাশি সহজেই যায়। কিন্তু ৩০/৪০ টন মাল বোঝাই ২৪ চাকার বিশাল লরি বা ভ্যানগুলো যখন ইন্জিন বিকল হয়ে দাড়িয়ে থাকে, পরিস্থিতি জটিল হতে বাধ্য। এক্কেবারে মুজতবা আলীর সময় উটগুলা ত্যাড়াব্যাকা হইয়া দাঁড়াইয়া থাকার মত অবস্থা....দারুন লাগছে, ছবি আর বর্ননা...
লেখক বলেছেন:
খাসা কথা কইছেন। তবে মুজতবা আলী যদিও এই রাস্তা দিয়া গেছেন, ওনার বর্ণনাটা ছিল খাইবার পাস নিয়া। আরো ১০০ কিমি পর।
মঈপারের পর জালালাবাদ, তারপর তোরখাম বর্ডার, তারপর খাইবার পাস। সেটা নাকি এখনও পুলসি রাতের পথ!!!
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
মুজতবা আলীর বর্ণনার মতো!
লেখক বলেছেন:
ভাই ভায়টা সেই রকমই, কিন্তু লেখাটা সেই রকম না!
এই যা পার্থক্য।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
আপনিই কি মইনুস সুলতানে নামে লেখেন? উনার লেখা ভালো লাগে।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
দারুন ছবি!
লেখক বলেছেন: না আমি না ... আমি কেবল এখানেই লিখি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















