ধা...
জলে রাখিনি বৈঠার দাগ
কিন্তু গিয়েছি দীপান্তরে
একথা সত্যি...
একথা বিশ্বাস করা চলে, আমরা চলেছি শুণ্য গন্তব্যে। ধোঁয়াটে অবিশ্বাস যদিও মৃত হাড়ের মত চামড়ার গভীরে দুবির্নীত অসুখ থাকে জীইয়ে। আর আড়ম্বর বলে অন্য কথা যেন। কখনো প্রভাত পাখীর গান চেনা লাগে। শন্ শন্ কলাপাতা ছোঁয়া বাতাস লাগে চেনা। সন্ধ্যার আলো লেগে থাকে জীবাশ্মের একাগ্রতায়। মনে জাগে এই আর কোথা যাব। চিনি এই আলো, চিনি গোধূলী, চিনি বিষন্ন বিবর এই, অবসর, পুঁথি পাঠ। আর যাওয়া চলে কোথা?
অথচ প্রস্থান সত্য একমাত্র। দিন ঘনালে আমরা পাখি হতে চাই, পাখী হয়ে উড়ে যেতে চাই ভোরের দিকে। এবং তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করিয়া রাখা হইয়াছে বৃত্ত। শীঘ্রই তোমরা তাহা উপলদ্ধি করিবে। আমাদের তো যাত্রা শুরু দিবসের প্রথম শুণ্য ঘন্টায়। না আলো, না আঁধার। না সূর্যের অহমিকা, না চাঁদের নান্দীপাঠ। বোধে ছিলো না এ যাত্রা অন্য শুণ্য ঘন্টায়। বিহ্বল কাঁটা ঝোপে পা বেঁধানো ইতি কথা স্মৃতিতে যদিও, আমরা তেপান্তর মাঠের অলৌকিকতায় বিভোর। আমাদের ইকারুস এবং কবন্ধ বৃষ্টিভেজা জোৎস্নাকাল ভাটিতে নোঙরে রেখে , আমরা নিরন্তর ডুব সাঁতারে মেতে যাই। আজ । কাল । পরশু। কিন্তু জানা থাকে, হয়ে যায় জানা সংসকোচে, আমরা শুণ্যপুরের যাত্রী।
জানা যদি হয় এ সত্য, তবেই কি পথে নামে নিস্তব্ধতা, বিবশ পেশীর আড়মোড়া? তবু কি তৃণে পা ছুঁইয়ে নিতে চাইনা শিশির অনুভব? এক্কা দোক্কার তান তবু কি দোলেনা্ ধমনী-শিরায়-কুহক-কৃচ্ছতায়?
থাক কিছু কান্না থাক,
থাক কিছু অমোঘ যাত্রা-
অনন্ত কুয়াশা যদিও, তবু দু'পায়ে বিশ্বাস যোগাক কিছু আলো-
এ পারে
ও পারে...
(পরবর্তী পর্ব: নি...
(ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত ...Lascaux cave...)
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা ,প্রথম পর্ব : সা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , দ্বিতীয় পর্ব : রে..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , তৃতীয় পর্ব : গা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , চতূর্থ পর্ব : মা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , পঞ্চম পর্ব : পা..." এখানে
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


