যেহেতু এটি একটি ধারাবাহিক পোষ্ট, সংগত কারনেই প্রথম পর্ব যারা পড়েননি, তাদের পড়তে খাপছাড়া লাগবে। তাই প্রথম পর্বের প্রাথমিক বর্ননা অংশটি আবারো দিয়ে দিলাম এবং সাথে প্রথম পর্বের লিংক
ডিসক্লেইমার: এটি একটি সম্পূর্ণ শিশুতোষ রচনা। মূল উদ্দেশ্য এনিমেশান করার উপযোগী একটা শিশুতোষ ছড়া-কাহিনী লিখা। মনে সাধ, ডিজনীর মতো বাংলাদেশেও শিশু-কিশোরদের জন্য একদিন নিটোল বিনোদনের এনিমেশান জেনারের মুভি তৈরী হবে। তবে এটাকে অন্য মাধ্যমে রূপদান করা যাবে বলেও মনে হয়। পড়ার সুবিধার্থে বনর্ণা যতদূর সম্ভব পরিহার করার চেষ্টা করেছি। শুধু যেটুকু নাহলেই নয়, তাই যোগ করা হয়েছে। লিখেছি চিত্রনাট্য লিখার ভঙ্গিতে। তাই পড়তে যে কষ্ট, তা স্বীকার করে নেবার বিনীত অনুরোধ জানাই। দৈর্ঘ্যে বড় বলে কয়েক খন্ডে ধারাবাহিক ভাবে দিতে হবে। লিখাটি লিখার সময় যে অকল্পনীয় আনন্দ আমি পেয়েছি, যদি তার সিকি ভাগও পড়তে গিয়ে পাঠক পান, কৃতার্থ হবো ভীষন।।
.....................তিথিমনির বনরাজ্যে সবার নিমন্ত্রন................................
প্রথম দৃশ্য:
দৃশ্য বনর্ণা: কোন এক বন। বড় বড় গাছ , লতা-পাতায় ঘেরা বনের মাঝখানে একটু খালি জায়গা জুড়ে একটা খাট। খাটে ঘুমিয়ে আছে ফুলের মতো ছোট্ট মেয়ে। নাম তিথি। তিথিমনির খাট ঘিরে বনের সব পশু-পাখীর জটলা।
ঘটনা বর্ণনা: বনে কোন রাজা বা রানী নেই বহুদিন ধরে। কিন্তু রাজা-রানী ছাড়া কি আর বনরাজ্য হয়। আজ হঠাৎ বনের মাঝখানে তিথি এসে পড়েছে, কিভাবে সেটা থাক আপাতত, বনের পন্ডিত শেয়াল এটাকে ঐশ্বরিক বলতে চাচ্ছে। সে বলছে , তার শাস্ত্রে লিখা আছে, এমন একজন মানুষ আসবে তাদের দেশের রানী হবার জন্য। সে বিভিন্ন শাস্ত্র উদ্ধৃতি দিয়ে বনের সহজ পশু-পাখীদের কে সে কথাই বুঝাচ্ছে। বিভিন্ন পশুরা সন্দেহ প্রকাশ করছে, আবার পন্ডিতের কথা ফেলেও দিতে পারছেনা। এই নিয়েই কথা বার্তা বাদানুবাদ হচ্ছে এ পর্বে এবং শেষ পর্যন্ত তারা তিথিমনিকে বনের রানী হিসেবে মেনে নেয়।।
চরিত্র সমূহ:
তিথি (ছোট্ট মেয়ে, একমাত্র মানুষ চরিত্র),
শেয়াল ( বনের পন্ডিত, চশমা চোখে, পুঁথি বগলে)
দুই ইঁদুর ( আরো অনেক ইঁদুরের ভীড়ে এই দুজনের চরিত্র প্রধান, তারা শেয়াল পন্ডিতের ছাত্র এবং চামচা)
বানর ( আরো অনেক বানরের ভীড়ে তাকেই কথা বলতে দেখা যাবে। একটু খুঁতখুঁতে খুঁটিয়ে দেখার অভ্যাস, সব কথায় বাগড়া দেবার অভ্যাস)
ভালুক ( ভোলাভোলা টাইপ)
সিংহ ( বনের মুরুব্বী)
হরিণ (লাজুক, সহজ সরল)
হাতি ( গম্ভীর প্রকৃতির)
বাঘ ( বনের মুরুব্বী, বয়স্ক)
ময়ূর ( সুন্দরী, সাজুগুজু করা টাইপ)
এছাড়া আছে আরো নানাবিধ প্রাণী, উপরোক্তদের মুখে সংলাপ শোনা যাবে বলে তাদেরকে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম দৃশ্যের প্রথম অংশ ( এ পোষ্টের প্রথম পর্বটি ) এখানে
হাতি।। আচ্ছা, তা বেশ বোঝা গেল, ইনিই হলেন রানী
শাস্ত্রমতে, শ্লোকের সনে , ইহাই ছিলো বানী।
এবার তবে, প্রমাণ সহ করিয়া যতন
কোথায় কোথায় মিল আছে তা, করহ বর্ণন।
শি.প ।। বিশ্বাসেতে মুরগী মিলায়, তর্কে থাকে খোঁয়াড়
চারিপাশে জুটলো যত অবিশ্বাসী গোয়াঁর।
দোলন চাঁপা মুখটা হবে দু'বেনীতে ঘিরে
কোমল বাতাস ঘিরবে তাহার ছোট্ট দেহটিরে।
কাজল কালো চোখের পরে নামবে গভীর ঘুম
নানান রংঙা প্রজাপতির কপাল পরে চুম।
পায়ের পাতায় ফুলের রেনুর সোহাগ লাগা রং
ঘিরবে তাকে অবিশ্বাসী বিটকেলে সব সং । ( বাক্যটি অন্য সব প্রানীকে কটাক্ষ করে)
চাঁদের মতো মুখটা পরে থাকবে ছোট্ট তিল
চিনে তাকে নিতেই হবে, এমনিতর মিল।
দুই ইঁদুর ।। বাজনা বাজাও, কুর্নিশ কর, পেলেম দেশের রানী
শাস্ত্র বাক্য নির্ভুল অতি, শুদ্ধ তাহার বানী।
( বনের পশুপাখীরা তিথিমনিকে ঘিরে আনন্দ করতে থাকবে, বিভিন্ন বাজনা বাজাবে, গাছের ডালে, পাতায়, বিভিন্ন বনজ উপকরন যোগে বাদ্য বাজানো হবে।)
বানর।। থাম, থাম, বললেই হলো, সব হয়েছে মিল
শাস্ত্র বাক্য তিল বলেছে, কোথায় মুখে তিল?
( সকলে এবার সাগ্রহে তিথিমনিকে দেখতে থাকে)
সকলে।। তাইতো, তাইতো, ঠিক বলেছে, হয়েছে অমিল
শাস্ত্র বাক্য তিল বলেছে, কোথায় মুখে তিল?
তাইতো, তাইতো, ঠিক বলেছে, হয়েছে অমিল
শাস্ত্র বাক্য তিল বলেছে, কোথায় মুখে তিল?
( শেয়াল ঝট করে এসে পকেট থেকে কলম বের করে তিথিমনির গালে একটা তিল এঁকে দেয়)
শি.প।। বানরং বাদরামিনং
গোলমালের কারনং।
কে বলেছে , কে দেখেছে, এইতো দেখ তিল
শাস্ত্র বাক্যের এমনি জোর, গজিয়ে যায় মিল।
( সবাই আবার খুশীতে চিৎকার করে উঠে। বানর কি সব বোঝাতে যায়, কিন্তু কেউ এবার তার কথায় কর্নপাত করেনা)
সকলে।। বাজনা বাজাও, কর কুর্নিশ, পেলেম দেশের রানী
শাস্ত্র বাক্য নির্ভুল অতি, শুদ্ধ তাহার বানী।।
দুই ইদুঁর।। ( গানের সুরে গাইবে, দ্রুত লয়ে একজনের সংলাপের পর আরেকজন বলবে)
আরে এলো এলো রে
এলো দেশের রানী
ঢোলক বাজাও বাদ্যি বাজাও
হোক না জানাজানি।
( পশু পাখীদের তালে তালে নাচানাচি, বিভিন্ন বাদ্য বাজানো, রানীকে ঘিরে নাচ আর তার উপর ফুল ছড়ানো)
বাঘ ।। আহা! বাজাও দেখি ঢোল,
সিংহ।। হায় হায়! বাড়বে গন্ডগোল। ( ঢোল বাজবে)
হাতি।। বাজাও দেখি বাঁশী ( গানে গানে , বানরকে উদ্দেশ্যে করে)
বানর।। আংকেল, আমার একটু কাশী ( খক খক করে কাশে, গানে গানে)
হাতি।। এই দেখোনা কেমন করে বাশী বেজে উঠে
বাঁশীর সুরে পাত্র মিত্র পারিষদ জোটে।
( হাতি তার শুঁড় উঁচিয়ে রানী অভিষেকের বাঁশী বাজাবে, সংগে সংগে সব প্রাণীরা গাছের পাতায় লতায় সাজানো টুপি পোশাক পরে সাজাতে শুরু করবে চারপাশ, ইত্যাদি । এই সব আওয়াজে তিথিমনি একটু খানি জেগে উঠবে, আড়মোড়া ভেঙে খানিক চোখ পিট পিট করে তাকাবে, পশুপাখীরা খানিক ভয় এবং সম্ভ্রমে পিছিয়ে যাবে, তিথিমনির পাশ ফিরে আবার ঘুমিয়ে পড়বে )
ময়ূর।। ধুত্তোরি ছাই! ভাল্লাগেনা , এমন ধারা হলে
ঘুমিয় থাকবে দেশের রানী, রাজ্য কি আর চলে।
মহিষ।। ঠিক বলেছেন ম্যাডাম ময়ূর, এটাতে নাই সন্দ
দুর্নীতি আর অনাচারে বনের গতিক মন্দ।
বানর।। হায় হায় হায়, বনের নাড়ী বইছে ভীষন ক্ষীন
এলোমেলো হচ্ছে সবই , অবস্থা সংগীন।
বাঘ।। তা ভাগ্নে , এই কি ছিল শাস্ত্রে সঠিক লেখা
ঘুমিয়ে থাকবে দেশের রানী, যাবে শুধু দেখা?
বানর।। বললেই হলো রানী তিনি, বানী কোথায় তবে?
ভাষন ছাড়া রানীর কোন কাজ কি আছে ভবে?
সকলে।। ঠিক বলেছে, ঠিক বলেছে, বানী কোথায় তবে?
ভাষন ছাড়া রানীর কোন কাজ কি আছে ভবে?
দুই ইঁদুর।। (শেয়ালকে উদ্দেশ্য করে)
পন্ডিত মশায়, ব্যবস্থা নেন, জাগতে রানীর হবে
রানীর ভাষন শুনবে বলে উদগ্রীব দেখুন সবে।
শি.প।। এই হলো সব মুর্খ আর বন্য হবার ফল
বনের কথাই ভাবছেন রানী, ঘুমিয়ে থাকা ছল।
( সবাই সমঝদারের মতো মাথা নাড়ে)
সকলে।। ঠিক বলেছে, ঠিক বলেছে, এই পেয়েছি বল
বনের কথাই ভাবছেন রানী, ঘুমিয়ে থাকা ছল। ( ২ বার)
( সবাই নাচে, হৈ হুল্লোড়, বাজনা বাজানো, রানীকে ঘিরে ফুল ছড়ানো আর ঘুরে ঘুরো নাচে। তিথিমনি আস্তে আস্তে চোখ মেলে তাকাবে, কোনরকম অবাক হয়না, যেন বনের মাঝখানে ঘুমিয়ে থাকা, তাকে ঘিরে পশুপাখীদের নাচা খুবই স্বাভাবিক। চোখ মেলে সে উঠে বসে। চোখ কচলাতে কচলাতে বলে)
তিথিমনি।। এ্যই এত চেঁচাচ্ছ কেন? আমি ঘুমোচ্ছি না?
( এই কথায় সবাই একেবারে নিশ্চুপ আর হতবাক হয়ে যাবে। হতবাক হয়ে পরস্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে, কেননা বনের রানী কথা বলায় কোন ছন্দ ব্যবহার করছেনা। সবার হতবাক অবস্থার মাঝখানে সর্বপ্রথম কথা বলে উঠে বানর)
বানর।। এ্যা ছি ছি ছি , কি লজ্জা, ছন্দ ছাড়া কথা
কেমন রানী কেমন রানী , কাটা গেল মাথা।
শি.প।। এত্ত সাহস, রানীর সামনে এত্ত বড়ো কথা
শুনলে তিনি , বুঝতে পেলে , ভীষন পাবে ব্যথা।
দুই ইঁদুর।। হঠাও একে, দূর করে দাও, রানীর অসম্মান
সইবোনাকো একটুকুও থাকতে দেহে প্রাণ।
সকলে।। হঠাও একে, দূর করে দাও, রানীর অসম্মান
সইবোনাকো একটুকুও থাকতে দেহে প্রাণ।
( সবাই মিলে বানরকে চ্যাংদোলা করে জটলার বাইরে রেখে আসে)
তিথিমনি।। আবারও হৈ চৈ করছো কেন তোমরা। বলেছি না আমি ঘুমুতে পারছিনা?
( এবারেও সবাই অবাক হয়ে চুপ করে যাবে। কেননা রানী ছন্দ ছাড়া কথা বলছে)
( সিংহ আস্তে আস্তে শেয়াল পন্ডিতের কানে কানে এসে বলে)
সিংহ।। দেখবে নাকি, ও পন্ডিত , শাস্ত্র ভালো করে
এমনি কি লিখা আছে চিকেনামৃতের পরে?
রানীর বুঝি ছন্দ ছাড়াই কথা বলা রীতি
প্রজার জন্য একটা নিয়ম, রানীর অন্য নীতি?
শি.প।। ( একটা পুঁথি হাতে নিয়ে)
এই যে দেখ চিকেন বধের মুরগী ঝোলের শ্লোকে
পষ্ট করে লেখা আছে, থাকবে রানী সুখে।
তুষ্ট তারে করতে হবে আচার উপাচারে
ছন্দ কিংবা ছন্দ ছাড়াই বলতে তিনি পারে।
রানীর কথায় বুঝতে হবে অর্ন্তনিহিত ছন্দ
এই নিয়ে বাদানুবাদ এক্কেবারে বন্ধ।
দুই ইঁদুর।। চিকেনাবধের কথা চকলেটের সমান
শিয়াল পন্ডিতে ভনে, শুনে পূন্যবান।
তিথিমনি।। ও মাগো, কি সুন্দর ছন্দে ছন্দে কথা বলছে। এই পুঁচকে ইঁদুর, কাছে এসো তো , আদর করে দেই।
( দুই ইঁদুর চুপ করে ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায়। শিয়াল পন্ডিত এগিয়ে আসে)
শি.প।। ইয়ে মানে, আপনি হলেন বনের রানী, এরাতো সব প্রজা
হতে পারে যোগ্য আদর যখন তখন সাজা।
তিথিমনি।। ওমা কি মজা, আমি বুঝি এ বনের রানী?
শি.প।। হতেই হবে হতেই হবে, এমনি ছিলো বানী।
এই যে দেখুন সকল প্রজা দাঁড়িয়ে আছে ঘিরে
সকল আদেশ বিনা বাক্যে পেতে নিবে শিরে।
রানীই স্বর্গ রানীই নরক রানীই সবার গুরু
অনুমতি দেন যদিতো অভিষেকের শুরু।
তিথিমনি।। ( হাত তালি দেয় খুশীতে, উঠে দাঁড়িয়ে দু'পাক নেচে উঠে)
কি মজা, কি মজা আমি বনের রানী
থাকবে আমার হাজার প্রজা বনের যত প্রানী।
অভিষেকের হোক শুরু হোক , কিসের তবে দেরী?
( রানীর ছন্দ কথা বলা দেখে আবার সবাই এক মুহুর্ত হতবাক হয়ে যায়, পরক্ষনে খুশীতে নেচে উঠে)
শি.প।। নাচ গাও বাদ্য বাজাও , রানীর আসন ঘেরী
নেই দেরী নেই, নেই দেরী নেই, কিসের আবার দেরী?
সকলে।। নেই দেরী নেই, নেই দেরী নেই, কিসের আবার দেরী?
নাচ গাও বাদ্য বাজাও , রানীর আসন ঘেরী ।
(সকলে গাইতে গাইতে ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। কয়েকটা প্রানী মিলে গাছের পাতা ডাল ফুল দিয়ে সিংহাসন তৈরী করে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে আসে। মাথার মুকুট তৈরী করে ফুল লতা দিয়ে, কেউ বানিয়ে আনে রানীর জুতা, জামা। জামার মধ্যে হাজারো লতার কাজ। জামা জুতো মুকুট এবং সিংহাসনে অনেক জোনাক পোকা বসে জ্বলছে আর নিভছে, ফলে ঝলমল করছে সারা বন)
শি.প।। থাম থামা একটু শোন শাস্ত্র বাক্য তরে
রানীর আসন থাকবে সদা হাতির পিঠের পরে।
( হাতি এসে শুঁড় দিয়ে আসনটি উঠিয়ে নেয় নিজের পিঠে, ময়ূর এসে রানীর গলায় মালা পরিয়ে দেয়। জোনাক জ্বলা জামা পরিয়ে দেয়। জোনাক জ্বলা জুতো পরিয়ে দেয়। শেয়াল এসে পরিয়ে দেয় রাজ মুকুট। সবশেষে হাতি রানীকে পিঠে নিয়ে শুঁড় দিয়ে সজোরে ভেঁপু বাজায়। সংগে সংগে সকল প্রানীরা হাততালি দিয়ে নাচতে নাচতে গাইতে থাকে)
সকলে।। আরে এলো এলো রে
এলো বনের রানী।
ঢোলক বাজাও বাদ্য বাজাও
হোক না জানাজানি। (একাধিক বার)
( সব প্রাণীর হৈ চৈ আর গানে গানে রানী অভিষেকের আনন্দ চলতে থাকে পুরো বন জুড়ে)
------------------------------প্রথম দৃশ্য শেষ--------------------------------------
ছবি: গুগল হতে , Characters © Disney
Art © Tru
কৃতজ্ঞতা: ব্লগের সেসব বন্ধুদের যারা দ্বিতীয় পর্ব পোষ্ট দেবার জন্য তাড়া লাগিয়েছেন প্রকাশ্যে কিংবা কিঞ্চিত হলেও মনে মনে অপেক্ষায় থেকেছেন। অপেক্ষায় রাখার জন্য সত্যিই দুঃখিত।।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


