(বিভিন্ন সময়ে ৬ ব্লগারের ব্লগে লিখা ৬টি খভিতা আজ প্রকাশ করলাম মাইনাচ দিয়ে অশেষ ভালবাসা হাসিল করুন। আছেন আরিফ থেকে আনা, নি:সঙ্গ, জেরী, খালাম্মা/নুশেরা আন্টি, সু-শি-সা(সুলতানা শিরিন সাজি), রাতমজুর/গালিবাজ আর রয়েছে বুনাস বিডি আইডলের প্রেমের খভিতা
আরিফ থেকে আনা
আমি কুতায় পাব তারে
এ চিন্তায় মরে তিনি
পাবে না আমি জানি
তাইতো করে কান্দাকাটি ।
পুষ্টাইছে খালি দুইডা
মনে হয় নেকানেকি পারে না।
কয়দিন আগে দিছে কিছু
পুলাপাইনের ছবি
চেহারা সোন্দর
কিন্তু বদের হাড্ডি।
নেকানেকি করবে তিনি
এই আশা করি আমি।
ভুল ত্রুটি ক্ষমা চাই
আর কিছু লেখার নাই
'পথিক তুমি দাড়িয়ে গেলে কেন,
শুনছ কি তুমি ব্যর্থ মানুষের গান।
জেনে রেখ আমি সুর্যোদয়ের মত
ঠিকই ছুয়ে যাব তোমার অনুভুতি'।
নি:সঙ্গ
কি কমু উনার নামে-উনি
একটা কান্ড জ্ঞানহীন
মূর্খ, অশিক্ষিত, আনস্মার্ট,
আনকালচার, অভদ্র, বোকা
বলদ, গাধা, আহাম্মক, বদের হাড্ডি।
প্রোফাইলে দিছে নিজের ছবি!
কি জানে ভাবে সারাদিন
গালে হাত দিয়া বইসা আছে
মনে হয় জরিণারে ভাবে।
থাকে সাউদি আরবের
খালি খেজুর গাছ কাটে
মাঝে মাঝে পানি দেয়
আর শুধু কি যেন ভাবে।
Murchona.Com (মূর্ছনা ডট কম) নামে
একটা ওয়েব সাইট খুলছে
কাম নাই কাজ নাই
হারাদিন ব্যস্ত থাকে।
নিয়মিত ব্লগার তিনি
আজাইরা পুষ্টায় তিনি
যাই করুক সাফ্যল কামনা করি
উনার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
আর কিছু মাথায় নাই
ভুল ত্রুটি ক্ষমা চাই
জেরী
টম এন্ড জেরী'র
সেই জেরী সামুতে।
নিজের ব্যাপারে পরে বলবে
এখন মাথায় কিছু নাই।
পৃথিবীর সব ভাল-মন্দের ভীড়ে---এই আমি--জেরী
কথা ঠিক কইছেন।
প্রোফাইলে ছবি দেখে আমি মুগ্ধ
তার সেন্স দেখে আমি আবার মুগ্ধ।
নিয়মিত ব্লগার তিনি
অনিয়মিত পুষ্টায় তিনি।
ইমোটিকন দেয় বেশি
মাঝে মাঝে হেডিং দেখে তা
বুঝাই মুশকিল।
ইদানীং বেশ গরীব তিনি
গামছা কাইটা জামা বানায় তিনি।
সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন
গামছার বদলে জামা কিনে দিন।
ছোট একটা জীবন উনার
ভাল-মন্দ সব কিছু সহজ ভাবে নেন তিনি
তাইতো উনার জীবনটা
এতো সাবলীল ও সুন্দর । (জেরী)
আর কিছু মাথায় নাই
ভুল ত্রুটি ক্ষমা চাই
খালাম্মা(নুশেরা আন্টি!)
সুন্দরী নুশেরা আপা যিনি,ভালো ভালো পুষ্টায় তিনি
সভ্য এ পৃথিবীর অসভ্য দংশন ছিঁড়ে ফেলে আমাদের এবং আমায়-নুশেরা
তাইতো তিনি পরিবর্তনে বিশ্বাসী
জীবনের স্মৃতি চারণে পাকা তিনি
তাইতো সুযোগ পেলে শেয়ার করেন তিনি
সম্প্রতি লিখেছেন ব্লগীয় ছড়া, পেয়েছেন ব্যাপক সাড়া
সম্প্রতি ছবি চেন্জ করেছে, এখন মেয়ে নিয়ে দাড়িয়ে আছে
নিয়মিত ব্লগার তিনি, সময় পেলে ব্লগায় তিনি
সবাই তারে ভালা ফায়, উনিও সবাইরে ভালা ফায়
ঘুরে আসুন http://nushera.com/, লিখেছেন মনের নানা কথা
আমি মুগ্ধ পুলকিত!
সুস্থ জীবন কামনা করি, সারা জীবন যেন ব্লগায় তিনি
আর কিছু মাথায় নাই, ভুল ত্রুটি ক্ষমা চাই।
সু-শি-সা(সুলতানা শিরিন সাজি)
সামুর একজন বলিষ্ট কবি
নাম তাঁর সু-শি-সা(সুলতানা শিরিন সাজি)
সম্প্রতি লিখেছেন একখানা চিঠি
যা পড়ে সবাই খেয়েছি উওম ঝাজি(ঝাজা।)
উনার কাছে বেচে থাকাটা দারুণ ব্যাপার
প্রোফাইলের ছবি দেখে একটু খাইছি টাসকি
নামের সাথে মিল নাই
শুধু লেখা আছে সাজি।
নিয়মিত ব্লগার তিনি
কবিতা দিয়ে সবার মন
জয় করেছেন তিনি
উনার কবিতায় আছে প্রাণ
এ যেন জীবনের স্বচ্ছ টান।
নিয়মিত পুষ্টায় তিনি
বৈদেশ থেকে ব্লগায় তিনি
উনার কবিতা প্রায়ই পড়ি
পড়ার পর ও আবার পড়ি।
বই পড়ার পাগল তিনি
নামী দামী বই পড়েছেন তিনি।
মনের সকল আশা পুরণ হোক
এই কামনা করি।
পরিবার নিয়ে সুখে থাক
এই কামনা করি।
আর কিছু বলার নাই
ভুল ক্রুটি ক্ষমা চাই।
'আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ।
খেলে যায় রৌদ্র ছায়া,বর্ষা আসে বসন্ত।
কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে,
খুশী রই আপন মনে-বাতাস বহে সুমন্দ।
সারাদিন আঁখি মেলে দুয়ারে রব একা,
শুভক্ষণ হঠাৎ এলে তখনি পাব দেখা।
ততক্ষন ক্ষণে ক্ষণে হাসি গাই আপন-মনে,
ততক্ষন রহি রহি ভেসে আসে সুগন্ধ'- সু-শি-সা(সুলতানা শিরিন সাজি)
রাতমজুর(গালিবাজ)
চারপাশের শিক্ষিতদের ভীড়ে
উনি এক সার্টিফায়েড অশিক্ষিত
ভালোই আছেন
আপাতত গালিগালাজ করেন উনি।
হাল্কা দৌড়ের উপরে আছে
সম্প্রতি নিলাম বিজ্ঞপ্তি দিছে
"রাতমজুর"রে নিলাম করছে।
কি কি জানি পুস্টায় তিনি
জামাত শিবির দেখতে পারেনা তিনি।
নিয়মিত ব্লগার তিনি
বৈদেশ থেকে ব্লগায় তিনি(মনে হয়)।
বিশিষ্ট গালিবাজ তিনি!
কোচিং সেন্টারের হেডমাস্টর তিনি
উনার মেলা ছাত্র আছে
সবাইরে গালিবাজি শিক্ষা দেয়
আমি গেছিলাম শিখতে গালি
২০২০ সালের এ্যাপয়েন্টমেন্ট কইরা আইছি।
আর কিছু বলার নাই
প্রশ্ন, মেইলে উত্তর দিবো উনি।
(বোনাস)
বিডি আইডলের প্রেমের খভিতা
কবিতার সুবিধার্থে দুটি নাম দেয়া হলো
শ্যামল (বিডি আইডল)
রত্না (ভাবীর নাম)
সময়কাল: ১৯৯৭-২০০৪
প্রেম নাই এ দুনিয়ায় প্রেম নাই
এই ভেবে শ্যামল বাসে করে যাচ্ছিল
হঠাৎ করে দেখে এক রুপসী রাস্তার ওপাশে
ওমনি শ্যামলের কলিজা চিরে ডাক আসলো।
কি আর করা চলতি বাস থামাবে কে
শ্যামল শুধু চেয়ে আছে কিছুদুর যেতে
সুন্দরী হারিয়ে গেছে।
হাহাকার নিয়ে শ্যামল ঘুরে দিশেহারা
হঠাৎ করে পায় আবার সুন্দরীর দেখা
পিছু নেয় এবার অনেক কষ্টে সে হাসি দেয়
সুন্দরী একটুও চান্স না দেয়
এই দেখে শ্যামল ঝাজা পায়
শ্যামল নাছোড়বান্দা প্রেম সে করবেই
সুন্দরী তো ভাব মারবেই
পিছু নিয়ে শ্যামল সুন্দরীর বাসা চেনে
বাসাটা তিন তলা
সম্মুখে তার বারান্দা।
প্রতিদিন শ্যামল সুন্দরীর বাসার সামনে আসে
অবাক নয়নে বারান্দার দিকে চেয়ে থাকে
সুন্দরী তো আসে না
শ্যামল ও হাল ছাড়ে না।
হঠাৎ একদিন বাদলা দিনে
শ্যামল পাশের ওই চায়ের দোকানে
বৃষ্টি দেখতে আসে সুন্দরী
এই বুঝি শ্যামল হয় কবি
কি সুন্দর তার রুপ।
সুন্দরী প্রথম দেখে শ্যামলকে
মনে হয় তার মনে প্রেম জাগে
চোখে চোখে কথা হয়
এই বুঝি প্রেম হয়।
হঠাৎ পাড়ার গুন্ডারা দাদাগিরি দেখায়
শ্যামল আচ্ছামত মার খেয়ে তাগড়া
আশিক হয়।
হাল ছাড়ে না শ্যামল
চিঠি লিখে সুন্দরীকে
বলে তার হৃদয়ের বেদন।
এই প্রথম সুন্দরী হাতে চিঠি পায়
নিচে শ্যামলের নামটি দেখতে পায়
সুন্দরী পাল্টা জবাব দেয়
তার মনের আশা তারে কয়
শ্যামল চিঠি পায়
সুন্দরীর নাম রত্না জানা হয়।
রত্না তাঁরে বাসার ফোন নাম্বার দেয়
দুপুরে তার ফোন করতে কয়
শ্যামল তাঁরে ফোন দেয়
ভীরু ভীরু গলায় দুজনে
কথা কয়।
এ ভাবে চলে চার মাস
তাদের প্রেম গাঢ় হয়
হঠাৎ একদিন শ্যামল রত্নার স্কুলে গিয়ে হাজির
রত্না অবাক হয় মনে মনে খুশি হয়
শ্যামল হাতে নিয়ে গোলাপ
জানায় তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
এই দেখে রত্না আবেগপ্লুত হয়।
না না এভাবে আর কদিন
দেখা না হলে মন ভরে কথা না হলে
কাটেনা দিবা স্বপন
তাই ঠিক হলো স্কুল ফাকি দিয়ে রত্না
আসবে পার্কে, মন ভরে দুজনে বাদাম খাবে।
ঠিক তাই হলো দুজনে দেখা হলো
এই প্রথম হাতে হাত চোখে চোখ
অনেকটা সময় হলো কথা
মাঝে মাঝে এদিক সেদিক চাওয়া।
এর পর চললো সাঁই সাঁই প্রেম
দুজন শুধু দুজনার
প্রেমে কি শুধু মধু
জ্বালাও থাকে
কি নিয়ে যেনো ঝগড়া বাধলো
এর পর কথা কাটাকাটি হলো
কিছু দিন কথা বন্ধ
বিরহে শ্যামল বিরহে রত্না
ইন্টারমিশন আইলো।
কেমনে কেমনে জানি সর্ম্পক ঠিক হইলো
আবার দুজনে মিললো
মাঝে মাঝে শ্যামল খভিতা লিখতো
রত্না পইরা হাসতো।
আইলো মোবাইলের যুগ
সর্ম্পক আরো সহজ হইলো।
অনেক বছর পার হইলো
রত্নার বিয়ের চাপ আইলো
শ্যামল তখনো বেকার
হয়নি তার আকার
দুজনেই চিন্তিত কি হবে না হবে
এই ভেবে আশাহত।
হঠাৎ শ্যামল ডিসিশান নিলো
পালিয়ে যাবে রত্নাকে নিয়ে
যা হবে কপালে
পরে দেখা যাবে।
বান্ধবীর বাসার নাম করে রত্না পালালো
শ্যামল তাঁর জন্য বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষারত।
দুজনে বাসে করে পালালো
শ্যামল তার বন্ধুর বাসায় উঠলো
তাঁরা শুভবিবাহ সেরে
ঝামলোমুক্ত হলো।
তিনমাস হলো রত্নার বাসার
সবাই পাগল হ্ইলো
শ্যামলের মা শয্যাশায়ী
শ্যামলের বন্ধুরা বকা খাইলো।
বন্ধু মারফত খবর পাইয়া শ্যামল বাড়ি আইলো
বাপের হাতে কিছু উত্তম মাধ্যম খাইলো
মেনে নেয় না তারা এ বিয়ে
দুলাভাই এসে ঝামেলা চুকালো।
ওদিকে মেয়ের ঘরে সবাই কান্দে
শ্যামলের দুলাভাই তাঁদের
শ্যামলের ঘরে আনে।
কার জানি রহমত
সবাই এ বিয়া মাইনা নিলো।
ওদিকে শ্যামল চাকরী খুজে
হন্য হইয়া জুতা ছিড়ে
কিছুতেই হয়না কিছু
সবার পেরেশানি বাড়ে
কি রহমত! কি রহমত
দুলাভাই ভিসা আনে
ভিসা পাইয়া শ্যামল রত্নার কাছ থেকে
বিদায় নিয়া বিদেশ গেলো।
বিদেশ তার ভালো লাগে না
রত্নারে মিস করে এই কথা কইতেও পারে না
কি আর করা সবই কপাল
তাই মাঝে মাঝে স্বদেশে পলায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

