আমার নোকিয়ার ক্যামেরায় তোলা প্রথম ছবি। আমাদের বাসার দুটো রাস্তা সামনেই এই রাউন্ড এ্যাবাউটটা। এটা আমার খুবই প্রিয় একটা ছবি।
অনেক তো লেখা লেখি হলো। বেশ কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম ফটোগ্রাফিতে হাত কেমন পাকাতে পারি দেখিই না পরখ করে।
কিন্তু কি যে ছাইপাশ তুল্লাম....ভাল কিছু তো পারিনি...তাই সেই ছাইপাশু গুলোই সবার সাথে শেয়ার করছি।
গাছটা কি অদ্ভুত তাইনা! এক শুক্রবার সকাল বেলায় আমাদের বাড়ীর খুব কাছের একটা জাগা থেকে তোলা।
একদিন এক কুকুর বেড়াল বৃষ্টির সময় আমাদের বারান্দা থেকে তোলা, এই ছবিটা দেখলেই কেন যেন আমার মন খারাপ হয়ে যায়।
ওয়াটসানস বে...এক সন্ধ্যাবেলায়...
মেঘ, পাহাড় আর সমুদ্রের গল্প...
মরুভূমিতে হেটেঁ যাচ্ছে এক দল মরুভূমির জাহাজ... (নেলসনস বে)
সাগরপাড়ে হেটেঁ যাচ্ছে এক দল মরুভূমির জাহাজ... (নেলসনস বে)
চারজন মানুষ আর তিনটে উটের লাইনটা আমার কাছে দারুন লাগে।
মেঘ গুড়গুড়, মেঘ গুড়গুড়!!!
আমাদের বারান্দার ফটুক!
স্বপ্নালু আলোকচ্ছটা শুকনো ডাল পালার বুক চিরে..
এই ছবিটা শীতের শেষে তোলা। তাই গাছপালার এই অবস্থা! আমাদের বাড়ীর পাশের রাস্তা থেকে তোলা। কিছু ছবি আছে, যেগুলো দেখলে মনে হয় আসলেই বিদেশে আছি। এইটা তার মধ্যে একটা।
এটাও আমার খুব প্রিয় একটা ছবি। ম্যাক্রো দিয়ে তোলা। এক্সট্রা কোন টেক্সচার ব্যবহার করা হয়নি। তবে হালকা শ্যাডো ইফেক্ট দেয়া হয়েছে।
দুকুল ছাপিয়ে উঠে একবুক হাহাকার...! আকাশটা দেখে আমার মনে হয়েছিলো একটা রংধনুকে গলিয়ে আকাশের বুকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
একদংগল পাথর-(নেলসনস বে)
ফাইন্ডিং নিমোর ছুডু ভাই। স্হানঃ সিডনী এ্যাকুইরিয়াম। দেখে মনেহয় মাছটা মুচকি মুচকি হাসছে!
প্রতি পর্বে ১৫ টি করে ছবি দেয়ার ইচ্ছে আছে।
প্রতিটি ছবিই আমার নিজের হাতে তোলা। তাই প্রতিটির কপিরাইটই আমার কাছে সংরক্ষিত।
ছবিগুলো একই সাথে ফ্লিকার এবং ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে আজ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



