somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সাম্প্রতীক সময়ে চরম আলোচিত এবং সমালোচিত ব্লগীয় একটি নাটকের ব্যবচ্ছেদীকরনঃ (১ম পর্ব ) প্রারম্ভীকাঃ

গত শনিবার সন্ধ্যার ফ্লাইটে নিউ জিল্যান্ডের বিখ্যাত শহর অকল্যান্ড বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে দিন পাচেঁক থেকে গত বৃহঃবার রাতে সিডনী ফিরেছি। প্রচন্ড ক্লান্ত থাকায় রাতে নেটে না বসে ঘুমিয়ে পড়েছি, পরদিন সকালে আবার অফিস ছিলো। শুক্রবার অফিস থেকে ফিরেই বিছানায়। প্রচন্ড জ্বর! শনিবার সারাদিন বাসায় বসে বিশ্রাম নিতে হয়েছে। একটু আগে ঘুম থেকে উঠে পিসি খুলে নেটে লগিন করলাম। গায়ে এখনও জ্বর আছে কিছুটা। মনিটরের দিকে তাকাতে পারছি না। চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আর সেই সাথে প্রচন্ড মাথা ব্যথা তো আছেই!




এখন আসল কথায় আসি, এইকথা আমি সেদিনই বহুবার বলেছি, এখনও বলছি, টিয়া নামের কোন নারী বা পুরুষের সাথে আমার কখনো কোথাও চ্যাট হয়নি। ব্লগের টিয়া নামের একজন নারী নিকের ব্লগার আমার পোস্টে প্রায়ই এসে টুকটাক কমেন্ট করে যেত। তার সাথে কথা বার্তার সীমানা ঐটুকুতেই সীমাবদ্ধ ছিলো। ব্লগের বাইরে এই নিকটির সাথে কখনোই আমার কোনরুপ যোগাযোগ হয়নি।

আমার ইয়াহু আই ডি দিয়ে যে কনভারসেশন দেখানো হয়েছে, সেগুলোর একটা বর্ণও আমার লেখা নয়। যে ব্যক্তির ছবি এবং ভিডিও দেখানো হয়েছে সেই ব্যক্তিটিও আমি নই। গতবছরে আমার নিক নিয়ে যেভাবে একটা নাটক সাজানো হয়েছিলো, এটা স্রেফ সেইরকমই একটা নাটক বৈ আর কিছু নয়।

একটা মজার ব্যাপার লক্ষ্য করেছিলাম, একজন নতুন, অপরিচিত এবং খুবই অনিমিয়মিত একজন ব্লগার নারী নিকে কিছু স্ক্রীনশট আর ছবি নিয়ে পোস্ট দিলো আর তাতেই পুরো ব্লগের সবাই সেটা নিয়ে মেতে উঠল! সেটা নিয়ে একের পর এক মুখরোচক পোস্ট দিতে লাগল, কমেন্ট করতে লাগল! (আমার এই পোস্টা দেয়ার পরেও এই ব্যাপারটি ব্লগের সবাই আবারো দেখতে পাবে। আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে।<img src=" style="border:0;" />) একটি নারী নিকে বোকা বানানো কতটা সোজা, সেটাও দেখা হয়ে গেল।

প্রায় ১৪ মাস ধরে এই ব্লগে ব্লগিং করছি। এই দীর্ঘ সময়টাতে বহু মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে এখানে। কিন্তু, কোন মেয়ের ব্লগে গিয়ে কোন বাজে বা অশ্লীল কথা বলেছি, অথবা আমার কোন পোস্টে কোন মেয়ের কমেন্টের রিপ্লাই বাজে বা অশ্লীলভাবে দিয়েছি. এমন কথা কেউ বলতে পারবেনা। বরং অনেক মহিলা ব্লগার তার পোস্ট বা কমেন্টে আজে বাজে বা কটু ভাষা ব্যবহার করেছেন, আমি সেগুলো দেখামাত্র সেটার প্রতিবাদ করেছি। এমনকি গত ১৪ মাসে আমি একটা ১৮+ পোস্টও দেইনি। আমার কোন লেখায়ও কেউ কোনদিন বিন্দুমাত্র অশ্লীলতাও খুজেঁ বের করতে পারেনি। ইয়াহু বা এম এস এন ম্যাসেনজারেও আমার অনেকের সাথে কথা হয়। তাদের সাথেও কখনো কোনদিন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছি বা "ভিডিও ভালবাসা বাসির" প্রস্তাব দিয়েছি, এমনটাও কেউ বলতে পারবে না। আমি যদি টিয়া নামক ব্লগারটির দাবীতে সত্য হতাম, তাহলে আমার সেই রুপটা ব্লগে বা ম্যাসেনজারে গত ১৪ মাসে একটিবারের জন্য হলেও প্রকাশ পেত। কিন্তু কখনো পায়নি। কারন আমি তেমন নই। কখনো ছিলামও না।

সেই আমাকেই যদি এহেন লজ্জাকর এবং ঘৃণ্য অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেটা নিতান্তই হয়রানিমূলক বৈকি!

শুধু তাই না, আমি নাকি আবার তাকে কিসব বলে হুমকিও দেখিয়েছি। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার!!! একজন ব্লগার আমাকে জানিয়েছিলো, টিয়া নামক ব্লগারটি নাকি সেদিন রাতেই ২য় পোস্ট দিয়েছিলো আরো স্ক্রীনশট নিয়ে। কিন্তু আপসোস, সেদিন আমি ততক্ষনে লগাউট করে ফেলিছিলাম। তাই আমি তাকে আরো কি কি বলেছিলাম, সেটা আর আমার জানা হলো না!

টাইটেল পোস্ট ঃ যেভাবে নাটকের স্ক্রীপ্টটা লেখা হয়েছিলোঃ

এটা বলার আগে অনেক পুরনো একটা বাংলা সিনেমার ঘটনা বলি সংক্ষেপে। মুভির নামটা ভুলে গিয়েছি। বাকীটুকু মনে আছে। নায়ক সালমান শাহ গ্রামের অত্যাচারী আর নারীলোলুপ চেয়ারম্যান হুমায়ূন ফরীদির বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। বাংলা মুভির নায়কদের যে যে গুন থাকার কথা সবই সালমানের ছিলো যার ফলে গ্রামের সবাই তাকে ভাল পায়। ভালবাসে। একিদন গ্রামের এক মেয়েকে অপহরন করার সময় নায়ক হাতে নাতে ভিলেনকে ধরে ফেলে। সেটা জানা জানি হয়ে যায় পুরো এলাকায়। সবাই ছি ছি করতে থাকে। কারন ভিলেন হলেও সমাজে একটা ভালো মানুষের মুখোশ ছিলো ফরীদির। সেটা সালমান শাহ খুলে ফেলে। সেই থেকে ফরীদি সালমান শাহের পেছনে উঠে পড়ে লেগে যায়। একদিন সুযোগ বুঝে তাকে এক নারী কেলেংকারীতে ফাসিঁয়ে দেয়া হয়। সালমান শাহকে গ্রামের সবার সামনে প্রকাশ্যে কোমড়ে দড়ি বেধেঁ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আর সবাই তাকেই এবার ছি ছি করতে থাকে। এতে ফরীদির দুইটা লাভ হলো। এক. পথের কাটা দূর। এখন সে ইচ্ছেমত লম্পটগিরি করতে পারবে। দুই. তার কাধেঁর অপবাদটা এখন তার শত্রুর ঘাড়ে। তাই সমাজে তার হারানো ইমেজটা সে আবার ফিরে পায়।

ঠিক এই স্ক্রীপ্ট দিয়েই আমাকে নিয়ে করা নাটকটি লেখা হয়েছে।

তবে এইখানে কে নায়ক আর কে ভিলেন, সেইটা পুরান এবং সচেতন ব্লগাররা ভালোই বুঝতে পেরেছেন বলে আমার মনেহয়! নিজের কাঁধের বোঝা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে আমার মুখে চুনকালি মেখে ব্লগছাড়া করার যে নীল নকশাটা আকাঁ হয়েছিলো, সেটা নীলই থেকে থেকে গেল!!! বাস্তব হলো না!

আমার ডিফেন্সঃ আমি গত শুক্রবার রাতে ইয়াহুতে মেইল করে জানিয়েছি যে আমার আই ডিটি হ্যাক করা হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নিতে। তারা ফিরতি মেইলে জানতে চেয়েছে যে আই ডি টি যে আমারই সেটার প্রমান দিতে। আমি রিপ্লাই দেবার পর তারা জানিয়েছি যে একাউন্টটি সাময়িকভাবে ফ্রিজ করে দেয়া হয়েছে এবং এটাকে কেউ লগিন করার চেষ্টা করলে তারা সেই আই পির উপর নজরদারী করবে। আমি নিশ্চিত হয়ে অকল্যান্ড চলে গিয়েছি। বাসায় ফিরে এসে আমি সরাসরি "ইয়াহু সেভেন" (ইয়াহু অস্ট্রেলিয়াকে এখানে একনামে 'ইয়াহু সেভেন' বলা হয়।)-টিমের সাথে সরাসরি ফোনে আলাপ করে জানতে পেরেছি কিছু মূল্যবান তথ্য। বাংলাদেশের দুইটি আই পি থেকে আমার একাউন্টে গত প্রায় তিন মাস যাবৎ বেশ কয়েকবার ঢোকা হয়েছে। (এমনকি, সোমবার রাতেও তারই একটা আই পি থেকে আমার একাউন্টে আবার প্রবেশ করার চেষ্টা করা হয়েছিলো বলে তারা জানায়। অথচ সোমবার রাতে আমি নিউ জিল্যান্ডে ছিলাম। এবং যতদিন নিউজিল্যান্ড ছিলাম, একবারের জন্যও ইয়াহুতে ঢোকা হয়নি। শুধু মোবাইল থেকে উইন্ডোজ লাইভ ম্যাসেনজার ব্যবহার করা হয়েছিলো। ঠিক একই সময়ে আমার ব্লগের এ্যাকাউন্টেও প্রবেশ করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাসওয়ার্ড রিসেট করতে চেয়ে আমার অন্য একটি মেইল সার্ভিস প্রোভাইডারে একটি মেইল এসেছে। কিন্তু ঢুকতে পারেনি। ইয়াহুর চেয়ে সামু ব্লগের সাইট সিকিউরিটি কি তাহলে বেশী হয়ে গেল নাকি! আমি যখন নিউ জিল্যান্ডে, তাহলে তখন কে বারবার আমার ব্লগে আর ইয়াহুর এ্যাকাউন্টে অবৈধ প্রবেশ করার চেষ্টা করছিলো?) আই পি দুটো হচ্ছে -- 193.167.45.194 ??? 113.27.107.129 (এবার তো ইয়াহু আমাকে হেল্প করেছিলো বলে অন্তত আই পিটা জানতে পেরেছি। এইরকম হেল্প যদি আমাকে সামু মডারেটরা গতবার করতেন, তাহলে তখনও আমার নিকগুলার আই পি জানতে পারতাম।)
এখন, টিয়ার আই পির সাথে এর কোন একটি মিলে যায় কিনা, সেটাই বিবেচ্য। এর আগেও আমার নিক নিয়ে ঝামেলার সময় আমি ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে আই পি চেক করার আবেদন জানিয়েছিলাম। তারা কর্ণপাত করেনি।এবার করে কিনা, কে জানে! এখন, এ্যকাউন্টি যদি ফ্রিজ করে না দেয়া হতো, তাহলে হয়তো আরো কিছু মজাদার স্ক্রীনশট দেখতে পেতো ব্লগাররা!! আর আমার পিসির সামনে বেশ কিছুদিন না থাকার সুযোগটিও যে নেয়া হবে, এটা সহজেই অনুমেয়।

হ্যাক হবার বিষয়টি আমার প্রথমেই মাথায় এসেছিলো। কিন্তু লোকাল ফাইভের পোস্টে সেটা বেমালুম চেপে গেছি। ফটোশপে স্ক্রিনশট বানানোর মত আবল তাবল বকে নাট্যকারকে তৃপ্ত থাকার সুযোগ দিয়েছি। পরে প্রমান সমেত পোস্ট দেয়াই মুখ্য উদ্দেশ্য ছিলো। তাছাড়া, তখন হ্যাকের কথা বল্লে হয়ত অনেকেই বলতো- প্রলয় খালি একই গান গায়। ওর নিকই খালি হ্যাক হয়! কিন্তু বাজনা যদি একই হয়, তবে গানও একই গাইতে হয় বইকি! গতবার করা হয়েছে ব্লগের নিক, এবার করা হলো ইয়াহুর নিক, ঘটনা বেশ পরিস্কার।

সে সময়গুলোতে ঢোকা হয়েছে বা ঢোকার চেষ্টা করা হয়েছে, সে সময়টাতে হয় আমি অফিসে, নাহয় ঘুমাচ্ছি। মোটকথা পিসির সামনে নেই। তবু মাঝে মাঝে লগড ইন থাকা অবস্থায়েও হয়ত ঢোকা হয়েছে। তাই হয়তো আমি সিডনীতে বসে ইয়াহু থেকে বারবার অটো সাইনাউট হয়ে যাচ্ছিলাম। তখন ব্যাপারটাকে পাত্তা দেইনি। ভেবেছি আমার পিসি বা নেটের প্রবলেম! এখন বুঝতে পারছি ঘটনা আসলে কি ঘটেছিলো।

এখন আমি যদি বলি, বাংলাদেশ থেকে আমার আই ডি দিয়ে ইয়াহু ম্যাসেজারে প্রবেশ করে টিয়া নামক একটি বানানো আই ডিতে চ্যাট করে সেটার কনভারসেশন আর্কাইভে রাখা হয়েছে এবং সেটারই স্ক্রীনশট সবাইকে দেখানে হয়েছে, তাহলে কতটুকু অবান্তর চিন্তা করা হবে? ঘটনা খুব সম্ভবত এটাই ঘটানো হয়েছে এবং বলা বাহুল্য সবাই সেটা একবাক্যে বিশ্বাস করেছে!

এক্ষেত্রে কিন্তু দোষ সেটা নয়। কারনটা হলো, একবিংশ শতাব্দির এই ভার্চুয়াল জীবনে একটা নিক বা একটা আই ডির অনেক ক্ষমতা! সেটা যেই ব্যবহার করুক না কেন, সেটা দিয়ে করা সমস্ত কাজের দায় সেই নিকের মালিকের ঘাড়ে বর্তানো খুবই সোজা। এবং তারচাইতেও দুঃখজনক এবং ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, সবাই তাকেই প্রকৃত অপরাধী ভাববে!

সেইসাথে অনেকে তখন বলতে লাগল, আমার নির্লিপ্ততাই ঘটনার সত্যতা প্রমান করে। কিন্তু এই ব্যাপারটিও ভ্রান্ত। আমি নির্লিপ্ত কখন ছিলাম? আমি চুপ ছিলাম না। আমি গত শুক্রবার বিকেলে পোস্ট দেখার সাথে সাথে টিয়া এবং ফিউশন টকের পোস্টে প্রচুর কমেন্ট করি। সেই রাতেও করি, প্রচন্ড ক্লান্ত থাকা সত্ত্বেও! তবু যখন এই কথা বলা হল, তখন বুঝেছিলাম ব্লগের কিছু কিছূ মানুষ আছে, যাদের কথাকে খুব একটা পাত্তা দেয়ার কিছু নেই। সেখানে আমাকে যথেষ্ঠ প্রশ্নবানে বিদ্ধ করা হয়। সবারই জবাব ঠান্ডা মাথায় দেবার চেষ্টা করেছি। ব্লগে এর আগে কখনো এত মাথা ঠান্ডা রাখেনি। আর সে পরিস্থিতে হয়ত খূব বেশী একটা লোকের তেমনটা পারার কথা নয়। যাইহোক, তারা সেগুলো দেখেনি এবং আমি ক্লান্ত বলে চলে যাবার পরও আজ দেখলাম সেখানে অনেক কথাই বলা হয়েছে! কিছু কিছু ব্যাপার খুব হাস্যকর এবং কিছু খুবই বিরক্তিকর! আর ঘটনা যদি সত্যি হয়, তাহলে অবশ্যই আমি অপরাধী। আর একজন অপরাধীকে তার অপরাধের কথা নিজের আসল নিকে জিজ্ঞেস করার সাহসটুকুও অনেক ব্লগারের সেদিন ছিলো না!! আনকোড়া নতুন, এককথায় "আগাছা" টাইপ কিছূ নিকের সাহায্যে বলতে হয়েছিলো। সেসব নিকে এসে আমার সাথে কথা বলছিলো। আপসোস!! তখন বুঝতে পারলাম যে, সেদিন যারা চেচামেচিঁ করেছিলো, তার সিংহভাগ ব্লগাররই কবুতরের কলিজাধারী। একটা ফালতু হুজুগ নিয়ে ফালতু ক্যাচালের সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই তাদের।

আর আমি পোস্ট তখন কেন দেই নি সেটাও বহুবার বলেছিলাম। তারপরও এটা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। একই প্রশ্নের উত্তর একই জাগায় অযথা বারবার দিতে ভালো লাগার কথা নয়। আবার অনেকেই বলেছেন আমি নাকি এটেনশন সীকার। কথাটা দেখে খুব হাসি পেয়েছিলো সেদিন। না চাইতেই যে পরিমান এটেনশন পেয়েছি, "সীকার" হলে যে কি হতো!!!!

প্রথমে সবারই এক বক্তব্য ছিলো, আমি যে কাজটা করেছি, সেটা ভালোয় ভালোয় স্বীকার করে নেই। যেন, আমি কাজটা না করলেও জোর করে আমাকে দিয়ে স্বীকার করিয়ে ছাড়বে। কিন্তু আমার কথা হলো, যে কাজ আমি করিনি, সেটা আমি কেন স্বীকার করবো?


এবার আমার ছবির ব্যাপারে বলি। ব্লগের কোথাও হয়তো আমি বলেছিলাম যে আমার শ্মশ্রু রয়েছে। যার ফলেই হয়ত একজন শ্মশ্রু ওয়ালা ব্যক্তির ছবিকে আমার ছবি বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আপসুস, আমার যে ফ্রেন্চ কাট শ্মশ্রু !

আমার ছবি ব্লগের কোথাও কখনো দিবোনা, এটাই আমার দৃঢ় ইচ্ছা ছিল। একটি ভাচুর্য়াল চরিত্রের মজা পুরোপরি নেয়ার জন্যই এমনটা ভেবেছিলাম। তাছাড়া গর্ডন ফ্রিম্যানকে আমি আমার আইকন বানিয়ে ফেলেছি ব্লগে। আর আমার কি এই বিবেচনাবোধটুকু নাই যে, যেখানে ব্লগের কোথাও কোন ছবি নাই আমার সেইখানে ব্লগেরই একটা মেয়েকে দুইদিনের পরিচয়ে আমার ছবি দিয়ে দেব! শুধু তাই না, আবার ভিডিও চ্যটও করব!! ব্যাপারটা কারো কাছেই অস্বাভাবিক লাগেনি!

গত সপ্তাহে কিছু ব্লগার আমার ছবি দেখতে চেয়েছেন। এসব কারনে সংগত কারনেই আমি রাজি হইনি। ভেবেছিলাম খুব বেশী বাধ্য না হলে আমার ছবি দেখাবো না। এখন এটাকে জরুরী মনে করছি।

আমার ছবি যারা দেখতে চেয়েছেন, তাদের ভেতর যাদেরকে বিশ্বাস করি যে তারা আমার অনুরোধ রাখবেন, তাদের কাছে আমি মেইল করে আমার ছবি পাঠিয়ে দিবো। তার সেটা দেখে ব্লগে এসে বলুক যে ঐ লোকটার সাথে আমার চেহারার বিন্দুমাত্রও মিল রয়েছে কিনা।

হাসিব ভাই আর সাঝবাতির রুপকথা ওরফে অমিত, এই দুইজন ব্লগার ইচ্ছে করলে তাদের মেইল ঠিকানা কমেন্টর ঘরে দিতে পারেন। ফিরতি মেইলে আমার ছবি তাদের কাছে চলে যাবে। সেইসাথে আমি তাদেরকে অনুরোধ করছি, আমার ছবিটি যেন কোন অবস্থাতেই ব্লগে প্রকাশ করা না হয়। কারন গত সপ্তাহে টিয়ার দেয়া ছবিটিকে অনেক ব্লগার অনেকভাবে হেয় ও লান্চিত করেছে। ছবিটি সবার পোস্টে পোস্টে গিয়ে দেয়া হয়েছে। এমনকি সেই ছবিটি দিয়ে একটি উদ্দেশ্যমূলক নিকও খোলা হয়েছিলো। আমি চাই না আমার ছবি দিয়ে এইরকম কিছু হোক। আশাকরি, হাসিব ভাই আর সাঝু ভাই আমার অনুরোধ রাখবেন, এই বিশ্বাসেই তাদেরকে আমার ছবি দিবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আমার যা বলার ছিলো বলে দিলাম। বিশ্বাস-অবিশ্বাস বা গ্রহনযোগ্যতার প্রশ্নের ব্যাপারটা পুরোটাই আপেক্ষিক। তবে গতবারের নিক স্ক্যান্ডালের মত আমি অতটা অসহায় নই। কে কিভাবে আমার কথাগুলোকে নিলো সেটা ভেবে আমি অস্থির হবো না আর আগের মত। স্ব বক্তব্য পেশ করার পরও এই সাজানো স্ক্যান্ডালটাকে যদি লোকে গুরুত্বের সাথে নেয়, অন্তঃত আমার তাতে বিচলিত হবার কোন কারন খুজেঁ পাইনা। কিন্তু আমার কাছের মানুষেরা যদি আামকে ভুল বুঝে, তাহলে সেটা অতি অবশ্যই আমার জন্য মন খারাপের একটা কারন হবে। আমি সেটা কিছুতেই চাই না।

নাটকের যে অংকগুলোতে নাট্যকার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেঃ

নাটকের কিছু কিছু অংক বেশ দারুন হয়েছে। যেমনঃ

১. জাগা মত স্ক্রিনশট নিয়ে সেটা আবার পিপিতে বসিয়ে দেয়া হয়েছে ডিটিইলড ইমেজ পাবার জন্য।

২. সরাসরি ব্লগে কোন তথ্য প্রমান দেয়া হয়নি। থার্ড পার্টি সাইটের সাহায্য নেয়া হয়েছে।

৩. পোস্ট ছাড়া হয়েছে বৃহঃবার রাতে। অথচ শেষ কনভারসেশন দেখানো হয়েছে তারো তিন-চারদিন আগে। তাহলে পোস্টা দিতে কেন এতদিন দেরী করা হলো? তার কারন হচ্ছে পরদিন ছুটি বলে ব্লগে বৃহঃবার রাতে বেশী ব্লগার থাকেন। নাট্যকার ব্লগের এই ম্যাস ট্রাফিকটাকে টার্গেট করেছেন।

৪. পুরানো দুজন ব্লগার দম্পতি, প্রতিফলন এবং বরুনাকে কৌশলে জড়িয়ে নাটকের অংক সাজানো হয়েছে, যাতে করে তারা প্রয়োজনের সময় এসে ঘটনার সত্যতার স্বাক্ষ্য দেন। নাটকের এই অংকটিকে সত্যি করার জন্য ইয়াহুর টিয়া নিক দিয়ে তাদের সাথে সত্যি সত্যিই যোগাযোগ করা হয়েছে।

৫. তথ্য প্রমান হিসেবে স্ক্রীটশট এবং ছবির ব্যবহার।

৬. পাবলিক সাপোর্ট পেতে একটি নারী নিকের ব্যবহার।

নাটকের যে যে অংকে ভুল ছিলোঃ

নাটকের কিছু অংকে যে ভুল ছিলো সেটা আমি সেদিনই বলেছিলাম। এখানে আরো কিছু দিলামঃ

১. খুব সম্ভবত টিয়া নিকটি বানানোই হয়েছিলো আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করার উদ্দেশ্য নিয়ে। সেক্ষেত্রে নাটকের প্রথম ভুলটি হয়েছে নিক হিসেবে টিয়াকে ব্লগে ঠিকমত হাইলাইট না করতে পারা। অনেকে খেয়াল করে থাকবেন যে, এই নিকটির কমেন্টগুলো স্বাভাবিক ছিল না। আমার পোস্টেও সে এমন সব কমেন্ট করেছে যে যেগুলো দেখলে যে কেউ-ই ভাববে আমাদের ভেতর গভীরতর সম্পর্ক রয়েছে। অথচ, সেই কমেন্টের আগে সে জীবনেও আমার ব্লগে কমেন্ট করেনি, আমিও তার ব্লগে করিনি, আর ব্লগের বাইরে যে কোন যোগাযোগ ছিল না সেটা তো আগেই বলেছি। (ব্লগার "আমিই রুপকের" পোস্টে তার এইরকম আরো কমেন্ট দেখা যাবে।) তাছাড়া, ব্লগে এসেই সবাইকে তুমি করে বলা, ন্যাকামো করা, ব্লগের মাথায় মেইল ঠিকানা টাঙ্গিয়ে রাখা, ইত্যাদিও আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি। এইরকম সন্দেহজনক এবং আনকোড়া নতুন এবং অনিয়মিত একটা নিককে দিয়ে পোস্ট দেয়াটা ছিল নাট্যকারের বিরাট ভুল।

২. প্লটের দুর্বলতাঃ

পোস্টে একাধিকবার উল্লেখ ছিলো আমার প্রতারনার বিষয়টি। কিন্তু কৃত্রিম চ্যাট আর্কাইভ আর অন্যলোকের ছবি দিয়ে কিভাবে আমার সাথে তার প্রতারনার অভিযোগটি প্রমান করার চেষ্টা করতে চেয়েছে সেটা আমার বোধগম্য নয়। পুরো ঘটনাকে যদি সত্য হিসেবে ধরে নেয়া হয়, তাহলে কিভাবে এখানে আমি তার সাথে প্রতারনা করলাম? আমার ছবি এবং চ্যাট আর্কাইভ ব্লগে প্রকাশ করে দিয়ে উল্টো সেই-ই তো আমার সাথে প্রতারনা করল। বরং, ব্যাপারটা যদি এমন দেখানো হতো যে, তার সাথে আমি ভালবাসার কথা বলছি, আরেকটি মেয়ের সাথে আমি ঠিক একইভাবে ভালবাসার কথা বলছি, তাহলে দুই মেয়ের সাথে কথপকথনের হিস্টরি পাশাপাশি স্ক্রীনশট দিয়ে দেখালে সবাই সহজেই বুঝতে পারত যে আমি টিয়া নামক ব্লগারটির সাথে প্রতারনা করেছি। কারন, এইরকম ভালবাসার কথা আমি সব মেয়েকেই বলে বেড়াই। কিন্তু স্ক্রীনশট বলছে যে, আমি তার সাথে শুধু ভালবাসা বা প্রাপ্তবয়স্ক কথাই বলেছি, এটা কিভাবে আমার "প্রতারনাকে" প্রমান করে? একটা ছেলে তো একটা মেয়েকে এমন কথা বলতেই পারে। এটা প্রতারনা হবে কেন? সুতরাং, এটাকে আমরা আলোচ্য নাট্যাংশের একটা বড় রকমের ফাকঁ বলতে পারি।

৩. আমার হুমকির স্ক্রীনশটটা না দেখানো। এখন, টিয়া নামক ব্লগারের ভাষ্যমতে, যদি এমন দাবী করা হয় যে, আমি তার ছবি ব্লাকমেইল করার হুমকি দিয়েছি। এক্ষেত্রে কিছুটা প্রতারনার অভিযোগের সত্যটা প্রমান করা হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, অভিযোগকারী এত এত প্রমান নিয়ে স্ক্রীন শট দেখালো, যেগুলোর কোনটাই তার অভিযোগের সত্যটা প্রমান করে না। অথচ যেটা তার অভিযোগ প্রমান করে, মানে হচ্ছে আমি যে তাকে হুমকি দিয়েছি, সেটার কোন স্ক্রীনশট সে দেখাতে পারেনি। যতদূর মনে পড়ে, টিয়া তার পোস্টের একেবারে শেষের লাইনে এ কথাটি বলেছে। এখন কথা হচ্ছে, যদি আসলেই তেমনটা হয়ে থাকত, তাহলে তার তো উচিৎ ছিলো এ কথা পোস্টের প্রথমে বলা এবং তারচাইতেও গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হচ্ছে, "হুমকি দেবার" একটা স্ক্রীনশটও মিডিয়া ফায়ারে আপলোড করা। যেটা আমার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশী কাজ করত। কারন ইন্টারনেটে হুমকি প্রদান করা সাইবার আইনে একটি দন্ডনীয় অপরাধ। সুতরাং, সেই স্ক্রীনশটটি দিলে আমাকে আরো ভালভাবে ফাসানোঁ যেত। কিন্তু টিয়ার প্রথম পোস্টে তো নয়ই, এমনকি ২য় পোস্টেও এমন কোন স্ক্রীনশট ছিল না বলে জানা গেছে। কিন্তু এটা না দেয়ার কারটা কি ছিলো তাহলে?
ক. হতে পারে নাট্যকার হুমকির স্ক্রীনশটটা তৈরী করতে ভুলে গেছেন।(পরে আবার মনে পরেছিলো হয়ত। যার ফলশ্রুতিতে গত সোমবার রাতে আরেকবার চেষ্টা করা হয়েছে আমার ইয়াহু আই ডি তে প্রবেশ করতে। যাতে করে ভুলে যাওয়া সেই স্ক্রীনশটটা আমার আই ডি দিয়ে করিয়ে নিয়ে ৩নং পোস্টটা দেয়া যায়।)
খ. এটা একটা সাজানো নাটক, এটা তারই প্রমান।


এই আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হলো যে, "প্রলয় আমার সাথে প্রতারনার করেছে, আর কেউ যেন এইরকম প্রতারনার ফাদেঁ না পড়ে সেইজন্য পোস্ট দিলাম" বলে যে কারনটি বলা হয়েছিলো পোস্টে, এই কথাটার মূলত কোন ভিত্তি নাই। আর এটা যে পুরোটাই একটা পরিকল্পিত নাটক এবং সেই কথাটা ছিলো সেই নাটকটাকেই মন্চস্থ করার একটা দুর্বল অযুহাত মাত্র, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা এটাকে প্রকৃতপক্ষে নাটকেরই একটা দুর্বলতা হিসেবে ভাবতে পারি। অন্ততঃ পোস্ট অবতীর্ন করার অযুহাতটা নাটকে আরেকটু শক্তভাবে তুলে ধরা যেত।

৪. সব তথ্যপ্রমান একবারে দিয়ে দেওয়াঃ
এটা না করে একটু একটু করে তথ্য দিয়ে কিছুদিন পর হঠাৎ একদিন ছবি আর চ্যাট হিস্টরি দিয়ে দিলে নাটকটা আরেকটু জমতো। সব একবারে দেবার ফলে অনেকেই নাটকটাকে সেটাপ বলতে পারছে।

৫. চ্যাট হিস্টরির লেখাগুলো যে আমার নয়, এবং সেখানে কি কি ভুল ছিলো সেটা আগেই বলেছি। আর কিছু কিছু অংশ ছিলো খুবই আপত্তিকর, সেটা যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে, সেটা যে কেউ দেখলেই বুঝবে। সামুর ব্লগাররা কেন বুঝে নাই, এইটাই আমি বুঝতে পারছি না। চ্যাটের লেখাগুলো ভালকরে পড়ে বুঝলাম যে, কিছু কিছু জাগায় বেশ ভাল করে বুঝিয়ে দেবার চেষ্টা করা হয়েছে যে, সেগুলো আমারি লেখা। যেমনঃ এক জাগায় আমার নিক দিয়ে বলানো হয়েছে আমার ২০ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকার ব্যাপারটি। এটা আমি প্রায়ই ব্লগে বলি। প্রথম বলেছিলাম ফিউশন টকের সেই নিকের প্রথমদিকের একটা পোস্টে, জানাপুকে উদ্দেশ্য করে। এই ব্যাপারটি নাট্যকার খেয়াল করেছেন এবং তার নাটকে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু তিনি এখানেও তিনি একটা ভুল করেছেন। সেটা হচ্ছে, আমি সেদিন আসলে তাকে বলেছিলাম - ২০ হাজার মাইল। কিলো মিটার নয়। দুটার মাঝে পার্থক্য আছে।

৬. বস্তাপচাঁ বাংলা সিনেমার ডায়ালোগঃ-
নাট্যকার খুব সম্ভবত বাংলা সিনেমার ভক্ত। কারন তার স্ক্রীপ্ট এবং ডায়ালোগ মেকিংয়ে তার প্রমান পাওয়া যায়। যেমনঃ আলাপ চারিতায় রোমান্টিকতা দেখানো হয়েছে, মান -অভিমান দেখানে হয়েছে। নাট্যকার রসিক ছিলেন বটে! কিন্তু বাংলায় লেখা লাইনগুলো পড়ে সত্যিই ভীষন হতাশ হয়েছে। এইরকম বস্তাপচাঁ সিনেমার ডায়ালোগ দিয়ে আমি একটা মেয়েকে তো প্রপোজ করার কথা ঘুমের ঘোরেও ভাবতে পারি না। বোঝা গেল, নাট্যকারের সাহিত্যবোধের বেশ ঘাটতি রয়েছে। সেই কথাগুলো আমার নিক দিয়ে আরো সুন্দর করে বলানো যেত।
তাছাড়া চ্যাটের ভেতর খুব ঘন ঘন আদি রসাত্নক বিষয়গুলো এসেছে। ন্যাচারাল চ্যাট হলে এটা এত ঘন ঘন আসার কথা ছিল না।

৭. টিয়ার কোন পোস্ট বা কমেন্টে অশুদ্ধ ভাষা যেমন “খাইছি - গেছি” এইসব লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু সেদিনের পোস্টে অনেকেই এ ভাষার ব্যবহার লক্ষ্য করেছেন। যারফলে অনেকে তাকে ছেলে ভেবেছেন। (আমিও ভেবেছি, কিন্তু এখন এই প্রশ্নটাকে বির্তকের উর্ধে রাখলাম)। নাট্যকারের উচিৎ ছিলো আরেকটু গুছিয়ে সুন্দর এবং সাবলীল ভাষায় নাটকটি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা।

৮. টিয়া নামক ব্লগারটির পোস্ট দিয়েই উধাও হয়ে যাবার ব্যাপারটিও অনেকে খেয়াল করেছেন। এ ব্যাপারটি রীতিমত সন্দেহজনক। পোস্ট দিয়ে পালিয়ে যাবার মানে কি এই নয় যে সে সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন অথবা তার ষড়যন্ত্রের নকশা সবার সামনে প্রকাশ হয়ে যাবার আশংকায় সে শংকিত? এমনকি সে তার পোস্টের কোন কমেন্টরও রিপ্লাই দেয়নি। তার লিংগ নিয়ে প্রশ্নও তোলা হয়েছিলো, তখনও সে সম্পূর্ন নিশ্চুপ থেকেছে!

৯. কিছু সূক্ষ ব্যাপার নাট্যকারের চোখ এড়িয়ে গেছে। যেমন আমার ইংরেজি বানান করে বাংলা লেখার ধরন বা পোস্টে যে ব্যক্তিগত তথ্যগুলো উল্লেখ করা হয়েছে, সেসবই আমি ব্লগে আমার কোন না কোন কেমেন্টে বলেছি। নাট্যকারের উচিৎ ছিলো এমন কোন তথ্য প্রকাশ করা যেটা আমি ব্লগের কোথাও কখনো বলিনি।

১০. অনেকেই প্রথমদিনেই নাটকটি সাজানো বলে সন্দেহ করেছে। যদিও পুরো ব্যাপারটিই খুব ঠান্ডা মাথায় বাস্তব সম্মত ভাবে সাজানো হয়েছে। আমাকে অপরাধী প্রমানের জন্য চেষ্টার কোন ক্রুটি ছিল না। তবু যদি সেটাকে অনেকে সেটাপ বলে ভাবে সেটা তাহলে নাটকেরই ব্যর্থতা!!

নাটকের সার্থকতাঃ

নাটকের বেশ কিছু অংশ দুর্বল হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে নাটক সফল হয়েছে। যেমনঃ একজন নতুন এবং নিয়মিত ব্লগারের সাথে আমার খুব ঘনিষ্ট যোগাযোগ হয়ে গিয়েছিলো। আমরা পরস্সপরকে লিংকসেও রেখে দিয়েছিলাম। কাল তার ব্লগে গিয়ে দেখি আমার লিংকসটি কে মুছে ফেলা হয়েছে। তার একটা পোস্ট থেকে আমার নামটাও মুছে ফেলা হয়েছে। আরেকজন নতুন এবং নিয়মিত ব্লগারের সাথে ঘনিষ্ঠতা না হলেও তার একটা পোস্টে আমার কিছু কমেন্ট ছিলো, কাল তার ব্লগেও গিয়ে দেখি সেখান থেকে মাত্র দুটি কমেন্ট রেখে বাকী গুলা মুছে ফেলা হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, মুছে ফেলা কমেন্টগুলো থেকে সব শেষের কমেন্টটি তার কাছে এতভাল লেগেছিলো যে, সে আমাকে রিপ্লাইতে বলেছিলো যে পোস্ট প্রিয়তে রাখার মত করে কমেন্টও প্রিয়তে রাখা গেলে সে আমার সেই কমেন্টটাকে প্রিয়তে রেখে দিত। আর সেখানে এ ঘটনার পর এই দুইজন ব্লগার এত ভয় পেয়েছে যে আমার চিহ্নও তাদের ব্লগে রাখতে সাহস পায়নি। হা হা। অন্য একটা সোশ্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটেও তাকে কমেন্ট করেছি, কিন্তু এখনো কোন রিপ্লাই পাইনি। আরো না জানি কত ব্লগারের এমনটা হয়েছে!! এটা স্বাভাবিক। তাদেরকে দোষ দিচ্ছি না। নিজেকে কেই বা চায় ঝামেলায় জড়াতে? আর আামার ইমেজ যে কিছূটা হলেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেটা এটুকুতেই বোঝা গেছে।

আরেকজন ব্লগারের মুখে শুনলাম, আমার খুব প্রিয় একজন ব্লগার, কিছুদিন আগে ব্লগে প্রকাশ্যে আমাকে পারভার্ট টারভার্ট বলে অস্থির!! এইটাও নাটকের সার্থকতা। তার কাছ থেকে যেটা আমি কখনোই আশা করিনি। বেশ চমকপ্রদ হয়েছিলাম খবরটা শুনে, নাটক মন্চস্থ করে অসম্ভবকে যে কতটুকু সম্ভব করা যায়, সেটা ভেবে।


এত লোক থাকতে আমাকেই কেন বারবার বেছে নেয়া হচ্ছে?

এই প্রশ্নটা অনেকের মত আমারো। এই প্রশ্নটা সেদিন টিয়া নামক ব্লগারের পোস্টেও করেছিলাম। কোন জবাব পাইনি। আমি কি এমন পাকা ধানে মই দিলাম, যে নাট্যকার বারবার আমাকে নিয়েই নাটকের অংক রচনা করছেন! এর কিছু কারন হতে পারে যে, আমি তথাকথিত সুশীল নই। মুখের উপর রাজাকার, ছাগু, লুলদের লাথি দিয়ে বসি। আমার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতার পোস্টেও যদি একটা ছাগু আসে, আমার কবিতার গাম্ভীর্য নষ্ট হওয়া সত্ত্বেও তাকে গদাম লাথি মারতে দ্বিধা করিনা। কোন লুল এসে ছ্যাবলামি করলেও তাকে ছেড়ে কথা বলিনা। তাছাড়া, আমি বিশেষ কোন গ্রুপের সাথেও যুক্ত নই। ব্লগে যখন এসেছি তখন এটিম তাদের কাজ প্রায় গুছিয়ে এনেছে। আর রাশু ভাই বিমা ভাই মানু ভাইদের যে গ্রুপটা আছে, সেখানে একে অপরের বিপদে একজন এগিয়ে আসে। রাশুদাকে কেউ বকা দিলে বিমা ভাই আসবেই। বিমা ভাইকে কেউ কিছূ বল্লে গুলাবি ছুটে আসবেই। রাশু ভাইর সাথে দুরত্ব বাড়ার কারনে তাদের পুরো গ্রুপটার সাথেই দুরত্ব বেড়ে যায়। যদিও এই ব্যাপারটা মিটমাট হয়ে গেছে, তবুও অনেকে ভুলতে পারেনি। আর নতুন ব্লগারদের মধ্যে চাংকু, কাকঁন, সাঝু এদের যে একটা গ্রুপ আছে, সেটাতেও আমি একদমই নিয়মিত না। এইগ্রুপগুলো থেকে বিছিন্ন থাকার ফলে আমাকে স্বভাবতই দুর্বল ভাবা হয়েছে। আর দলবদ্ধ হরিনকে তো আর বাঘ শিকার করে না। দলছুট হরিনকেই করে। প্রয়োজন পড়লে দলছাড়া করে তারপর ঘাড় মটকায়!

ব্লগে অনেকেই আছেন যারা খুব ভাল লেখেন এবং এইসব ক্যাচাল সযত্নে এড়িয়ে চলেন। তারা পারতপক্ষে ব্লগের কোন ঝামেলায় জড়ান না। আমি তেমনটা নই। জামাতীদের লাথি মারায় বা লুল তাড়ানোর ব্যাপারটা আমার লেখালেখিতে আগে খানিকটা বিঘ্ন সৃস্টি করতো। কিন্তু এখন একটুও করে না। অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আবার কিছু লোক আছেন, যারা নিয়মিত ছাগু তাড়ায়, তাদের গালাগাল করে। কিন্তু লেখালেখিতে খুব একটা ভাল নয়। তাদেরকে সবাই এমনিতেই গালিবাজ হিসেবে জানে। সুতরাং, আলাদা করে আর তাদের ইমেজ নষ্ট করার কিছু নেই। কিন্তু এই দুইটার কোনটাই আমার জন্য প্রযোজ্য নয়। তারউপর থাকি একা একা, ছন্নছাড়া। সুতরাং, আক্রমন আসলে সেটা যে আমার উপরই সবার আগে আসবে, সেটা তো অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর আগেই তো বলেছি.....কিভাবে কিভাবে যেন ব্লগের খুব বড় একটা শত্রু আমাকে পেয়ে বসেছে।

আমার মত লোকাল্ভাইও কোন গ্রুপের নয়। ছাগু, তিনকুনা আর লুলের বিরুদ্ধে সে কম ক্যাম্পেইন করে নাই ব্লগে। যার ফলে তার নিকও দেদারছে ব্যান খেয়েছে। এখন বেচারা খানিকটা থিতু হয়েছেন। একটা নিকেই নিয়মিত লেখালেখি করে যাচ্ছে। সুশীল টাইপ পোস্ট বা কমেন্ট করে যাচ্ছে। তার আলোচিত নিক গুলোও এখন চুপচাপ। আর তাকে এখন আর আগের মত সেইসব নিয়ে ক্যাম্পেইনও করতে দেখা যায় না। তার বদলে জাতীয় বা সামাজিক জীবনের সমস্যা নিয়ে পোস্টান। এখন আর তার নিকও ব্যান হয় না। মাঝে মাঝে এইসব দেখি আর হাসি। এটা বলার মানে হলো, একা একা বেশীদিন এটা কন্টিনিউ করা টাফ। কিছুদিন পর রণে ভংগ দিয়ে তার মত সুশীল হয়ে যেতে হবে। সে আগে হয়েছে। এখন হয়ত আমার পালা।

আগেও খেয়াল করে দেখেছি যে, ব্লগের একটা গ্রুপ আমার পেছনে লেগে আছে সেই প্রথম থেকেই। তারাই শয়ে শয়ে নিক নিয়ে মাঠে নামে। আমি বুঝতেও পারি কার নিক কোনটা। কিন্তু কিছু বলি না। আর তাদের কর্মকান্ডে একটা জিনিসই ফুটে উঠে, তারা আমাকে চিরতরে ব্লগ ছাড়া করতে চায়। লাভ তো একটা অবশ্যই আছে!

অরপি ভাইকে নিয়ে কিছুদিন আগে যে বাক-বাতন্ডার সৃষ্টি হয়েছেলো, তখনও দেখেছি কিছু এই রকম আগাছা টাইপ নিকগুলোর সক্রিয়তা। তারা পোস্টের পর পোস্ট দিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট তাদের ফেভারে আনার চেষ্টা করেছে এবং কিছূটা সফলও হয়েছে। কেউ কেউ তো অরপি ভাইকে ব্যান করার দাবীও তুলেছে। এখন কথা হলো, ব্লগের একেকটা ক্যাচালে এইরকম নিকগুলা কোথা থেকে উদয় হয়? এমনিতে তো দেখা যায় না। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোকে এইরকম একটা একটা করে টার্গেট করার মানে কি?

সেলিব্রেটিদের নিয়ে কদিন পর পর স্ক্যান্ডাল ছড়ায়। আমি তো আর তা নই। তাহলে আমাকে নিয়ে কেন স্ক্যান্ডাল কেন?


কিছু আস্ফালনঃ
---------------------
পুরো নাটকটি ব্লগে মন্চন্থ হবার সময় আগাছা টাইপ গুটিকয়েক নিকের আস্ফালন চোখে পড়েছে বেশ। আমি কেন পোস্ট দিচ্ছি না- বলে ব্লগারদের কান ঝালা পালা করেছে এই আগাছাগুলা। সবাইকে অধৈর্য করতে পোস্টও কম ছাড়েনি। আর আমাকে নিয়ে করা পোস্ট গুলো গোনায় না ধরলে এই সব নিকগুলার কোন অস্তিত্তই থাকে না ব্লগে। হতে পারে নিকগুলো একই ব্যক্তির। আবার হতে পারে একটা গ্রুপের কিছু লোকের। আবার স্বাতন্ত্র নিকও হতে পারে। আবার এমনটাও হতে পারে যে, সে নিকগুলোর বেশীর ভাগই ছিলো নাট্যকারেরই বিভিন্ন নিক। এমন ধারনাও উড়িয়ে দিতে পারছি না। সুতরাং নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছে না আপাততঃ।
আবার নাট্যকার স্বয়ং আস্ফালনকারীদের ভেতর আত্নগোপন করে থাকতে পারেন। কিছুই বলা যায় না। তবে নাটকের প্রথম অংক মন্চন্থ করবার সাথে সাথে কিছু কিছু ব্যক্তি বা একই ব্যক্তি বিভিন্ন নিক নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। যেমনঃ কালপুরুষ (আমার সবচেয়ে পুরনো এবং প্রিয় শত্রু। শুক্রবার ঈদ হলে সবাই যেমন ডবল খুশী হয়, আমার এই স্ক্যান্ডালের ঘটনায় সে এইরকম ডাবল খুশী হয়েছেন বলে দুর্জনেরা তখন ব্লগে বলে বেড়াচ্ছিল!), বহ্নি শিখা, (এটি একটি হিজড়া নিক, এই নিক দিয়ে পর্যায়ক্রমে একজন মেয়ে এবং একজন ছেলে ব্লগিং করেছে বলে জানা গেছে), ড্রাকুলা (আমাকে ভালো চোখে দেখে না, আমার বিরুদ্ধে দেদারছে কুৎসা রটিয়ে বেড়ায় চান্স পেলেই), ঘনাদা ওরফে আরিফুর রহমান ওরফে নিতাই ভট্টাচার্য, (একটা পোস্টে আমি আর নারু একে ইচ্ছেমত পিছন মেরেছিলাম, সেটার ঘা এখনও শুকায়নি বোধহয়, তাই মাঝে মাঝে আহা উহু করে), তুই রাজাকার (এইটা আমাকে এতদিন তুই করে বলে ব্যান খাবার ঠিক আগে আপনি সম্বোধন করে মিনমিন করে কমেন্ট করে গেছে আমার আগে পোস্টে) এবং বিডি আইডল। (বি এন পি ধ্যান ধারনার এই লোকটি যে একসময় রগরগে চটি লিখত বলে সে নিজের মুখে স্বীকার করেছে, সেই লোক যে কি ভাবে আবার আরেকজনের স্ক্যান্ডাল নিয়ে মেতে উঠতে পারে বুঝিনা।) এই চারজনের ব্যাপারটাই ছিলো স্রেফ প্রতিশোধমূলক। কারন, গর্তে পড়লেও চামচিকাও হাতিকে লাথি মারে।

এখনও আঃ খালেক নিকটি দিয়ে আমাকে হ্যারাস করার চেষ্টা করা হয়। এই নিকটি এখন যে পরিচালনা করছে যে হয়ত জানে না যে তার নিকের বয়সটিই তার প্রধান শত্রু। কারন পুরনো ব্লগাররা সবাই জানেন যে, আড়াই বছর আগে রেজিঃ করা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28911440 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28911440 2009-02-15 06:55:14
আমার ছবির ফুলেরা
দুর্বিষহ গরম শেষে সিডনীতে ফাগুন তাশরীফ আনছে! এই উপলক্ষ্যে ছবিটি তোলা।



আপনার কাছে কেমন লাগছে জানি না, তবে এটা আমার তোলা অন্যতম সেরা একটা ফুলের ছবি।


অচিন দেশের অচিন ফুল! <img src=" style="border:0;" />

লগোটা আমি করেছি। কেমন হয়েছে বলুন তো!! একটা ভিনটেজ ফ্লেভার দেবার ব্যর্থ চেষ্টা করেছি!:``>> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28905555 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28905555 2009-02-02 06:09:30
@মাহবুব সুমন।
রাজাকার ভাতিজী সন্ধ্যাবতী উরফে সাদিয়ার সাথে আপনার সুসম্পর্কের কথা ব্লগে প্রকাশ করে দিয়েছি, এইটা নিয়ে আপনার সাথে বিরোধ চলছিলো, এটাই কি আমার অপরাধ?


অস্ট্রেলিয়ান টাইম রাত সোয়া দুইটায় আপনাকে অনলাইনে দেখে প্রশ্নটা মনে আসলো আর কি। আর কিছু না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28905534 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28905534 2009-02-02 02:49:23
@গেওর্গেয়াব্বাস

আপনার কাছে বিনীত নিবেদন জনাব, আপনি আমার কমেন্টা মুছে আমাকে ব্লক করলেন কেন জান্তে পারি কি দয়াকরে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28904241 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28904241 2009-01-30 01:29:12
নিউ জিল্যান্ডের কোন বাসিন্দা আছেন কি এই ব্লগে?














অস্ট্রেলিয়া ডে উপলক্ষ্যে অফিস থেকে সরকারী ছুটি পেয়েছি ৪ দিনের। গতবার গিয়েছিলাম নেলসনস বে। এবার সব বন্ধুরা মিলে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে নিকটবর্তী দেশ, এবং ৫ টি অস্কার জেতা বিশ্বখ্যাত মুভি লর্ড অফ দ্য রিংসের শূটিংস্পট নিউ জিল্যান্ডে ছুটির ৪ টা দিন কাটাবো ভাবছি। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম সেখান থেকে ঘুরে আসব। কিন্তু সময় সুযোগের অভাবে হচ্ছিল না। আজ বিকেলে হুট করেই প্ল্যান সেট করে টিকেট বুকিং দিয়ে ফেল্লাম। পরশু বিকেলে সিডনী এয়ারপোর্ট থেকে সন্ধ্যা ৭ টায় ফ্লাইট। অকল্যান্ড এয়ারপোর্টে পৌছবঁ রাত ১১টায়। সিডনীতে ফিরব সোমবার বিকেল ৫ টার ফ্লাইটে।


অকল্যান্ড, ক্রিস্টচার্চ বা ওয়েলিংটন শহরে বসবাস করেন এমন কোন ব্লগার আছেন কি ছামোয়ারিনে? থাকলে তার কাছে থেকে আনঅফিসিয়াল কিছু টিপস বা ইনফো নেয়া যেত। এখনও কোন হোটেল বুকিং দেইনি। কোন হোটেলে তুলনামূলক সার্ভিস ভাল, সেসবও জেনে নেয়া দরকার। তাছাড়া, কোন দেশে যাবার আগে সেখানে বাঙ্গালী কারো ঠিকানা যোগাড় করে রাখা আমার পুরনো অভ্যাস।


সিডনীতে অসম্ভব গরম পড়েছে। সবার ত্রাহি মধূসূদন অবস্থা!! এই ফাকেঁ সিডনীর নরক থেকে বের হয়ে কিছু দিনের জন্য নিউজিল্যান্ডের বরফের উপর গড়াগড়িও খেয়ে নেয়া যাবে।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28900566 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28900566 2009-01-21 21:30:47
ব্লগের সবচেয়ে জনপ্রিয় হরর লেখকের কাছে একটি করুন আর্তি! (" style="border:0;" />


আরে!!! ঘর অন্ধকার হয়ে গেল কেন হঠাৎ!! কোথেকে যেন হাসির শব্দ আসছে,,আমার ভীষন ভয় করছে!!! কে যেন আমার দিকে এগিয়ে আসছে.... !!!!!!
আমার খুব ভয় করছে...!!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28900117 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28900117 2009-01-20 22:30:47
আর্জেন্ট সাহায্য চাই পুস্ট ফটোশপ সি এস টুর সিরিয়াল কি দরকার। গুগলে অনেক সার্চ কইরাও পাইলাম না। মানে যেগুলা পাইছি সেইগুলা কাজ করতেছে না! <img src=(" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28898089 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28898089 2009-01-16 01:45:33 আমার বর্ষপূর্তি!
আমার বাংলা টাইপ শেখা হয়েছিলো মূলত আমার খালামনির থিসেসগুলো কম্পোজ করে দেবার জন্য। খালামনি তাঁর পি এইচ ডির জন্য ঢাবিতে পেপার জমা দিবে। কমেন্পাজ করার জন্য একটা লোক দরকার। নিলয়কে ধরল খালামনি। কিন্তু নিলয়ের সামনে মিড টার্ম। তুলনামূলক ভাবে আমিই ফ্রি ছিলাম। দুদিনে নিলয়ের কাছ থেকে শিখে খালামনির কাজে লেগে গেলাম।

খালামনি কলমে লিখত। আর আমি টাইপ করে যেতাম। বিজয়ে আমি প্রথম বাংলা শিখি। এখনও, বিজয় ছাড়া আর কোন কি বোর্ডে আমি টাইপ করে আরাম পাই না। প্রথম প্রথম বিজয়ের কি বোর্ড লে আউটটা মিনিমাইজ করে রেখে দিতাম এম এস অফিস ইউন্ডোর পাশে। একটু পর পর দেখতাম। একসময় দেখা গেল আমার আর দেখতে হচ্ছে না। এমনিতেই পারছি। কয়েকদিন পর দেখলাম আমার টাইপের গতিও বেড়েছে। খালামনির থিসিসের কাজ যখন শেষ হলো, তখন খেয়াল করে দেখলাম, ইংরেজি কম্পোজ করার চাইতে বাংলা কম্পোজ বেশ ভাল, দ্রুত এবং নিখুতঁভাবে পারি। প্রুফ রিডিংয়ের সময় আমার টাইপরে ভুলও অনেক কম ধরা পড়ল। নিজের পারফরমেন্সে আমি নিজেই অবাক!

এরপর প্রায়ই টুকটাক টাইপ করতে হতো। টাইপ করার কিছু না থাকলে আমি নিজেই বসে বসে আমার ছোট বেলায় গল্প কবিতা গুলো টাইপ করতাম। সেগুলোও একসময় টাইপ করা শেষ হয়ে গেল। এরপর দেখা গেল, শুধু মাত্র বাংলা টাইপ করার জন্যই আমি বিভিন্ন গল্প বা কবিতা লেখার চেষ্টা করতাম। এই যে এখন টুকটাক লেখা লেখি করি, এর পেছনে আসলে মোট তিনজনের অবদান। এক. আমার আম্মু। ২. বিজয় সফটওয়্যারটা আর ৩. এই ব্লগ।

কিছুদিন ইংরেজী আর্টিকেল বাংলায় অনুবাদ করে টাইপ করা শুরু করলাম। তারপর হাবিজাবি টাইপ করতাম বসে বসে। মোট কথা, কিছু না কিছু নিয়মিতই টাইপ করতাম। ইন্টারমিডিয়েট ক্লাস পর্যন্ত অব্যাহত ছিলো সে চর্চা।

অষ্ট্রেলিয়া চলে আসার পর সেই চর্চাটা আর হয়ে উঠল না। একদিন দুদিন করে কেটে গেলো দুটো বছর। একসময় কর্ণফুলী নামক একটা অনলাইন ম্যাগাজিন বের করা হলো সিডনী থেকে। অস্ট্রেলিয়ায় প্রবসী বিখ্যাত রাজনীতিবিদ, উকিল, কলাম লেখক এবং ধন্যাঢ্য ব্যক্তি চিটাগাংয়ের বনি আমিন ভাই ছিলেন সেই ম্যাগাজিনের সম্পাদক। আমাকে নিজে ফোন করে বল্লেন প্রলয়, আমার ম্যাগাজিনটি আগামী মাসে লন্চ করছে। আমি তোমার একটা লেখা চাই।" আমি অবাক। বাংলাদেশে থাকতে তার সাথে আমার কোন পরিচয় ছিলো না। সে কিভাবে জানল আমি লেখালেখি করি। তাকে জিজ্ঞেস করেও তেমন কোন উত্তর পেলাম না। আমি বল্লাম আমার বিজয় লাগবে। উনি বিজয়ের একটা কপি রাইট করে মেইলে করে আমার বাসার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলেন। দেশে থাকতে বিজয় ইনসটল করার সময় সিরিয়ার কি'র জাগায় অনেকগুলো ১১১১১১১ এভাবে দিতাম। এখানে সেটা করা লাগল না। কারন, উনি মোস্তফা জব্বারের কাছ থেকে অরিজিনাল ভার্সনটা কিনেছেন।

ইনসটল করার পর দেখা গেল আমি টাইপ করতে পারছি না। খুব বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম, আমি বাংলা টাইপ বেমালুম ভুলে গেছি!

মন খারাপ করে বনি ভাইকে ফোন করে বললাম সে কথা। সে সব শুনে বল্ল- চর্চা না থাকলে ভুলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। তুমি ট্রাই করো কিছুদিন।
আমি বল্লাম- সেটও পারব না। কিছু দিন পর আামার সেমিস্টার ফাইনাল। ট্রাই করার সময় নেই। উনি বল্লেন - কোন সমস্যা নেই। তুমি কাগজে লিখে পাঠিয়ে দাও। আমাদের লোক আছে টাইপ করার। তার কথামত কাজ করলাম। আমার লেখাটা ছাপাও হলো তার ম্যাগে। ওটাই প্রথম ওটাই শেষ। এরপর আর পাঠাইনি। পার্টটাইম চাকরী আর পড়াশোনার চাপে লেখালেখির সময় পেতাম না। তাছাড়, তার ম্যাগে রাজনীতিমূলক প্রবন্ধ বেশী ছাপা হতো বলে আমি তাকে লেখা দেবার আগ্রহও হারিয়ে ফেলি। অনেক অনুরোধ করার পর আমি তাকে কোন লেখা দিতে পারিনি। এ নিয়ে তিনি হয়ত এখনও আমার উপর অসন্তুষ্ট।


এরপর কেটে গেছে একটি বছর। গ্রাজুয়েশন শেষ করে জবের জন্য এ্যাপ্লাই করছি বিভিন্ন জাগায়। তখন ২০০৭ এর মাঝামাঝি। পড়াশোনা না থাকাতে রাতে হাতে প্রচুর সময় থাকত। সে সময়টাতে প্রুচর নেট সার্ফিং করতাম। কতরকম সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে যে রেজিঃ করেছি, তার কোন ইয়ত্তা নেই। একসময় পোলাপাইন.কমে ঢুকলাম। কিছুদিনের ভেতরই খুব ভাল লেগে গেল। মিউজিক পাগল একদংগল বাংগালী ছেলে মেয়ের আসরে জমজমাট হয়ে থাকত আমেরিকান এই সাইটের পুরোটা অংশ। সেখানে মডারেটর টিমের বাইশ বছরের একটি মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। জর্জিয়া থাকে। এই মেয়েটিকে আমি খুবই পছন্দ করতে থাকি। তার সুন্দর বাচন ভংগির জন্য নয়। তার দেশ প্রেমের জন্য নয়। মিউজিকবোদ্ধা হবার জন্যে নয়। পছন্দ করি তার অসাধারন সেন্স অব হিউমারের জন্য। কারন আমি জান্তাম মেয়েদের এই জিনিসটা সাধারনত খুব কম থাকে।


২০০৭ এর শেষের দিকে কিভাবে কিভাবে যেন এই ব্লগের দেখা যাই। পত্রিকায় পড়ে নয়ত গুগলে সার্চ করে। যাই হোক, তখন রাগ ইমন আপুর আর আরিফ জেবতিক ভাইয়ের লেখা পড়া হতো টুকটাক। আরিফ ভাই তখন ভ্যালেরিকে নিয়ে করা তার পোস্টগুলোর জন্য জনপ্রিয়তার তুংগে। তার সে পোস্টগুলো ছিলো খুবই "পয়া" পোস্ট। কারন, এই ব্লগের অনেক সেলিব্রেটি ব্লগার এই ব্লগে প্রথম পদার্পন করেছে তার সেসব পোস্ট পড়ে। মনেহয় এইতো সেদিনের কথা। অথচ কিভাবে দেখতে দেখতে একবছর হয়ে গেল!

রাগুদির কবিতা আমি খুব একটা বুঝতাম না। এক একটা লাইন কি যে কঠিন মনে হতো। হাল ছেড়ে না দিয়ে বোঝার চেষ্টা করতাম। যখন বুঝতে পারতাম তখন অবাক হয়ে যেতাম তার লেখনী দেখে। একটা কমেন্ট করার জন্য হাত নিশ পিশ করত। কিন্তু কয়েকবার ট্রাই করেও রেজিঃ করতে পারিনি।
গত একবছরে এই ব্লগের এমন কোন নিয়মিত ব্লগারকে খুজেঁ পেলাম না যে বা যারা, আমার ব্লগে কোনদিন কোন কমেন্ট করেনি। এমনকি যার বা যাদের সাথে ব্লগে আমার প্রচন্ড রেষারেষি চলেছে, সে বা তারাও একসময় আমার কোন না কোন পোস্টে হাসিমুখে কমেন্ট করেছে।

কাল রাতে অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, রাগুদির কোন কমেন্ট আমার কোন ব্লগে নেই। আমার কোন নিকের কোন পোস্টেই নেই। কোথাও খুজেঁ পেলাম না। যার লেখা ব্লগে রেজিঃ করার আগে থেকেই পড়তাম, তার একটা কমেন্টও এই একবছরে পাওয়া হলো না, বাস্তবতাটাকে চিন্তা করে খুব মজা পেলাম! তবে এটুকু মনে আছে যে, উনি প্রায়ই আমার ব্লগ থেকে ঘুরে যেত। কোন কমেন্ট বা রেটিং করত না। সেটা দেখে ভাবতাম, হয়ত আমার লেখাটাই তার কমেন্ট পাবার যোগ্যতা রাখে না। তাই কোনদিন তাকে বলিনিও আমার ব্লগে আসতে। অমি রহমান পিয়াল ভাই, ডটু রাসেল, আবাল সুশীল মামো উরফে মাহবুব মোর্শেদ, (আমি যখনকার কথা বলছি তখন মামো খুব ফর্মে ছিলো) আরিফ জেবতিকদা এরাও করেনি। সেলিব্রেটিদের সবার ব্লগে কমেন্ট করতে হয় না। এই কথাটা এদেরকে দেখলেই মনে পড়ে যায়!
ব্লগের যে দুই সেলিব্রেটিকে নিয়ে আমার যাত্রা শুরু, তাদের কেউ-ই আমার ব্লগে কখনো কেমেন্ট করেনি। এ নিয়ে আমার কখনো কোন ক্ষোভ ছিল না। এখনো নেই। এখানে বলার কারন হলো, তারা যে তথাকথিত সেলিব্রেটির খোলস থেকে এখনো বেরুতে পারেনি, পোস্টা লেখার সময় বারবার শুধু সেটাই মনে হচ্ছিল।

আমি তাদের কারো ব্লগেই কখনো কমেন্ট করিনি। করলেও গত একবছরে হাতে গোনা একটি দুটির বেশী হবে না। তবে রাগুদির ব্লগ বাদে। সে আমার ব্লগে আসে না কিন্তু আমি তার ব্লগে নিয়মিত যাবার চেষ্টা করি। আমার কমেন্টের রিপ্লাই না দিয়ে বাকী সবারটা দিলেও আমি যাই, একটা ভাল লাগা থেকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব স্মৃতিপ্রবন মানুষ। তার ব্লগটা দেখলে আমার ব্লগে আসার আগের সময়টুকুকে মনে পড়ে। তখন কেমন যেন ভোতাঁ একটা বেদনাদায়ক সুখ হয়। এই সুখ পাবার লোভে যাই। মাঝখানে অভিমান করে সব পোস্ট ড্রাফট করে ফেলেছিলো একবার। তখন খুব খারাপ লেগেছিলো। কিন্তু সেটাও কখনো বলিনি তাকে।

আরিফ ভাইয়ের সেই বিখ্যাত পোস্ট পড়া হয়েছিলো। শুধুমাত্র চেইন ই-মেইলের মাধ্যমে সে ভ্যালেরিকে কথাকে ছড়িয়ে দিতে চায় বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে। সেটা দেখে বুঝতে পেরেছিলাম মানুষটার আত্নবিশ্বাসের কোন অভাব নাই।

রেজিঃ করার পর পরই পড়া শুর করলাম ব্লগের একসময়কার কুখ্যাত চরিত্র সন্ধ্যাবাতি ওরফে আস্তমেয়ের লেখা। ও খুবই ভাল লেখত সন্দেহ নেই। একটা মানুষকে তাবদা খাইয়ে দেবার মত লেখা ও লেখতে পারত। বিশেষ করে ওর "টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান। " এই টাইপের একটা শিরোনামের পোস্টার কথা কখনও ভুলতে পারব না।
দুবোন একসাথে ব্লগিং করত। "এই আমি মীরা" ছিল ওর ছোট বোন। ও-ও ভাল লিখত। এ বছরের জানুয়ারীতে ওরা সহ আরো কিছু জামাতী ব্লগার (আমি তখনও জান্তাম না যে এরা জামাত করে) হুমায়ূন আজাদের "নারী" বইটির ব্যাপক সমালোচনা করে একটার পর একটা পোস্ট দেয়। বেশ কয়েকদিন ফ্রন্টপেজ ভরে ছিলো সেসব পোস্ট। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি পোস্ট পড়েছি। সারারাত, সারা সকাল ধরে পড়েছি। পড়ার পর নিজেই দ্বীধায় ভুগেছি অনেক। আমি কাকে সাপোর্ট করব? যখন সন্ধ্যাবাতির পোস্ট পড়ি, তখন মনে হত আজাদ সাহেব বইটি লিখে খুব অন্যায় করেছেন। আবার যখন সাইদ শেরিফ বা মনিরউদ্দিন শামীমপোস্ট দিতো তখন মনে হত "নারী" বাংলা সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি! ছাগুচিফ জনাব তৃনভুজও "নারীকে" সাপোর্ট দিয়ে হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা শিরোনামে পোস্ট দিয়েছিলো।
যাইহোক, সাদিয়ার লেখা ভাল লাগত বলেই যেতাম। অবাক হয়ে খেয়াল করতাম, এত ভাল লিখেও পোস্টে প্রচুর মাইনাস পড়তো। সমস্যাটা কোথায়? ব্লগারদের উপর রাগ হতো। আমার সাথে ওর খুব ভাল সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিলো। ঘটনাক্রমে জানতে পারি আমার এক সিনিয়র ভাইয়ের ইউনির বন্ধুর ছোটবোনও। পুরা ফ্যামিলি জামাত করে। তবে ওর বাবা-মা নাকি খুবই ভাল এবং অতিথিপরায়ন। আর ইমরানও খুব লাজুক। মাঝখান দিয়ে এই দুইবোন যে কিকরে এরকম অহংকারী আর বেয়াদব হয়েছে, খোদাই জানে।
সাদিয়া একদিন আমার কোন এক পোস্টে এসে বলে সিডনীর বাংগালি পাড়ায় যেতে নাকি তার লজ্জা করে!! শুনে মাথায় রক্ত উঠে গিয়েছিলো। নতুন এসেছি বলে কিছু বলিনি সেদিন। গুন্ডু আবার সেটার স্ক্রীনশট রেখে দিছিলো।

ব্লগে গন্ডু, হাসিব ভাই, আইজুদা, বিমাদা, নেমুদা, নারুসহ আরো অনেক ব্লগার ছিলো, যারা ওকে কম পচাঁয় নাই। শেষতক, গণধর্ষনের অভিযোগ তুলে ব্লগে ছেড়ে পালিয়ে গেল। তবে মীরাকে দেখি প্রায়ই টুকটাক লিখতে।

আমি মূলত ব্লগে এসেছিলাম লেখালেখির জন্য। বাক বিতন্ডা কখনোই আমার ভাল লাগেনি। তাইতো, প্রথম থেকেই যখন জামাতীদের দৌরাত্ন এবং প্রতিনিয়ত এটিমের বাশঁডলা দেখছিলাম, তখনও নিজেকে সযত্নে সেসব থেকে নিরাপদ রেখেছি। রাশুদা, বিমাদা, মানুদা এদের সাথে তখন আমি খুবই ঘনিষ্ঠ। রাশুদার বালিকা প্রিতীর কথা এই ব্লগের পুরনোদের কে না জানে। বালিকা নিয়ে একটা সিরিয়াস টাইপ পোস্ট করে বেচারা যে ধরা খেয়েছিলো!! সে কথা মনে পড়লে আজও হাসি পায়! তো, রাশুদার বালিকাকে নিয়ে একদিন আমি একটা ছ্ন্দ মিলিয়ে কবিতা লিখি। ছন্দ মেলানো কবিতা আমি জীবনে ২/৩টির বেশী লিখিনি।এর মধ্যে ঐ কবিতাটি একটি। সেদিন এটা পোস্ট করে মজা করার জন্য ওয়েট করছিলাম কিন্তু দেখি সবাই কেমন যেন অস্থির। খোজ নিয়ে দেখি আরেক জামাতি ছাগি ফারজানা মাহবুবা জামাতীদে পক্ষে আবোল তাবোল লিখে একটা পোস্ট দিয়েছে। তাতেই এই উত্তেজনা। ওর পোস্ট পড়ে গোবেচারা এই আমিও আর স্থির থাকতে পারিনি। এই পোস্টি লিখি তখন।
Click This Link
সেই থেকে শুরু। তারপর থেকে জামাতি ছাগুদের ুন্দানো আজো থামাইনি। থামাবোনা কখনো। নিয়মিত তাদের পশ্চাৎদেশ সবাই ব্যস্ত রেখে যাচ্ছে।<img src=" style="border:0;" />

ব্লগের কিছু মজার চরিত্র, যাদের কখনোই ভূলবার নয়। যেমন, নুরে আলম, (ইনি এখন নেই, কিন্তু তার ফ্যান ক্লাব এখনো আছে), কবিগুরু মাইকেল মেহেদী, সৈয়দ আমির সাব- এরা তিনজনই প্রয়াত। কোথাও যে গেছে কেউ জানে না। অবশ্য নুরা ভাই বৃত্ত নিকে মাঝে মাঝে উদয় হন। আর ব্লগের স্মরনকালের সবচেয়ে বেশী আলোচিত এবং সমালোচিত মজার চরিত্র হচ্ছে ব্লগার ত্রিভুজ। এর কথা আর কি বলবো, তার নামের আগে এত বিশেষন, আমার মনেহয় ব্লগের ইতিহাসে আর কোন ব্লগারের নামের আগে কখনো এত বিশেষন যোগ করা হয়নি। আমি মনে করি, তৃনভুজ এই সামু ব্লগের অমূল্য একটা বিনোদনীয় উপাদান। একে যথাযথ সংরক্ষন করা প্রয়োজন।


বয়োবৃদ্ধ ব্লগার কালপুরুষের প্রতি ব্লগের প্রথম জীবনে আমার অনেক শ্রদ্ধা ছিলো। শুধু মেয়েদের ব্লগে নয়, ছেলেদের ব্লগেও সমান কমেন্ট করার জন্য বলে অনেক বুঝেয়েও লাভ হয়নি। ইরাপুর ব্লগে প্রচুর লোলামি করা সত্ত্বেও কিছু বলিনি। তার প্রতি প্রথম অসন্তোষ আসে, আউলার পোস্টে আমাকে আর ইরাপুকে নিয়ে করা একটা বাজে কমেন্টে। তার পর শুনি ব্লগার মনিটরদার মাকে নিয়ে অশ্লীল গালাগাল। কে যেন বলেছিলো আমার নিক হ্যাক হবার পেছনে তারও হাত আছে। এইসব জানার পর এই বয়োবৃদ্ধ লোকটির প্রতি আমার ছিটেফোটা শ্রদ্ধা বোধও থাকেনা। এখন তিনি হচ্ছেন ব্লগে আমার সবচে পুরনো এবং প্রিয় শত্রু!
এবার আসি ব্লগের মানিকজোড় এবং নিরন্তর ভাবনার খোরাকী ফারহান দাউন আর মেহরাব শাহরিয়ারের কথায়। ব্যাক্তিগতভাবে এদের সাথে আমার বিরোধ কখনোই ছিল না। দুজনেই খুব ভাল ছাত্র। লেখার হাতও বেশ ভাল। তারা নিয়মিত আমার কতবত নিকে কমেন্ট করত। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। হঠাৎ কালপুরুষের একটা পোস্টে কথা নাই বার্তা নাই, ফারহান দাউদ আমার বিরুদ্ধে আজে বাজে কথা বলা শুরু করে। আমি ওকে কখনোও কোন বাজে কথা বলিনি। সেদিন তাহলে ও কি মনে করে আমাকে বাজে কথা বল্ল, আজো বুঝলাম না। হয়ত, তার নিরন্তর ভাবনার খোরাকে যোগানেওয়ালী আস্তাবাতীকে দেখতে না পারাদের দলে ভীড়েছিলাম বলেই... <img src=" style="border:0;" /> যাইহোক, সেই থেকে আমিও ওকে দেখতে পারি না এখন।
বেশকিছুদিন ধরে আবার কিছূ খুচরা ব্লগারদের অস্তিত্ব ব্লগে লক্ষ্য করছি। এদের কাজ হলো একটু সুযোগ পেলেই আমার বিরুদ্ধে আমব্লগারদের উসকায়ে দেয়া। আমার বিরুদ্ধে ফ্রন্ট পেজে কোন পোস্ট আসলেই টপাটপ প্লাস পড়ে। যাদেরকে চিনি না, যে নিকগুলোকে ব্লগে আগে কখনো দেখিনি, তারাই একে একে আমার দুর্নাম গেয়ে যায়। আমার বিরুদ্ধে পোস্ট আসার সাথে সাথে তাদের উদয় ঘটে। ব্যাপারটা আমি খুব উপভোগ করি। এমনিতে তাদের দেখা পাওয়া ভার। আমার ধারনা, আমার খুব কাছের এক বা একাধিক মানুষের বিভিন্ন নিকও তার ভেতর থাকে।এমনকি এই নিরীহ পোস্টাও নির্ঘাত তাদের হাত থেকে রেহাই পাবে না।
এই পোস্টে আমার অনেক শত্রুর নাম এবং শত্রুতা পয়দা হবার কাহিনী বল্লাম। তাদের ভেতর অনেকেই হয়ত শত্রুর শত্রু বন্ধু নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে থাকতে পারেন। সুতরাং, এই পোস্টের পর যদি দেখি আমার শত্ররা সব এক জোট হয়ে আমার পেছনে লাগার চেষ্টা করছে, মোটওে অবাক হবোনা। কম তো দেখলাম না এই একটা বছরে!




আউলা ছিল আমার প্রিয় ব্লগারদের একজন। কারন ওর পোস্ট-কমেন্ট সবই ছিলো ওর নিকের মত আউলা। আর ছিলো পোস্টে ব্যাপক ইমোর ব্যবহার। এইজন্য মজা পেতাম। মাঝখানে আউলার সাথে ছোট্ট একটি ভুল বোঝাবোঝির দরুন রাশুদা, বিমাদা, মানুদা এদের সাথে কিছুটা দুরত্ব সৃষ্টি হয়। বিমাদা আমাকে বিশাল একটা মেইল করে। তার জবাবে আমি তাকে তারচাইতেও বিশাল একটা মেইল করি সব বুঝিয়ে, ভেবেছিলাম সে অন্তত বুঝবে! কিন্তু সেই মেইলের রিপ্লাই আজো পাইনি।

এই ঘটনার পর অবাক হয়ে দেখি চিকনা মিয়া আমার পোস্টে চুপচাপ মাইনাস দিয়ে চলে যায়। ওর সাথে তো কখনো কিছু হয়নি। তার পোস্টে গিয়ে বল্লাম। দেখি আমার কমেন্ট মডারেশন করা। মেজাজ গেলো আরো খারাপ হয়ে। অথচ এই চিকুর ব্লগের প্রথম পোস্টের প্রথম কমেন্ট আমার ছিলো। আমি কমেন্ট করে প্রথম পাতায় এনে দেবার পর এক এক করে কমেন্ট পড়তে থাকে পোস্টে। নতুন ব্লগারদের ভেতর জেরী, তানজু এরাও আমার ব্লগে আসে না। আসলেও চুপচাপ চলে যায়। আমি দেখি আর হাসি। <img src=" style="border:0;" /> অথচ এদের সাথেও কখনো কিছু হয়নি। দুয়ে দুয়ে চার মেলাতে সমস্যা হয় না। তবু আমি নিজে যেচে কিছুদিন তাদের ব্লগে গিয়েও লাভ হয়নি।
এই ঘটনার মাসদেড়েক পর আমার নিক হ্যাকের ঘটনাটি ঘটে। আমার নিক হ্যাক হবার পর সবার ধারনা হয়ে যায় যে, ইরাবতী নাকি আমারই একটি নিক। প্রথম প্রথম এই ব্যাপারটিতে মজা পেলেও পরে প্রচন্ড বিরক্ত হওয়া শুরু করি। আমার নিক হ্যাক হয়েছে এটা কেউ বিশ্বাস করলা না, সবাই বিশ্বাস করল ইরাপুর নিকটা নাকি আমার। অথচ সত্য হলো উল্টোটা। রাগুদি তার কিছুদিন আগে "মানুষ সত্যকেই সবচে বেশী সন্দেহ করে" শিরোনামেএকটি পোস্ট লিখে। আপুকে আমি সব খুলেও বলি। অথচ এই রাগুদিই সেদিন আমাকে "ইরাবতী ধরনের সমস্যা হতে পারে" বলে খোচা দেয়!! তারমানে সত্যকে সে নিজেও সন্দেহ করে!! রাগুদির রাগটা আসলে কোথায় আমি জানি। দোষটা আসলে আমরই। আপুর একটা অনুরোধ আমি রাখতে পারিনি সেদিন।
আলম ভাই'র দোষ শুধু শুধু দিয়েছিলাম। ওটা ছিল জাস্ট একটা কো ইন্সিডেন্স! ছামোয়ারিন ছেড়ে আমু ব্লগে পড়ে ছিল কিছু দিন। এখন সেইখানেও তাকে দেখিনা অনেকদিন থেকে। নিক হ্যাক হবার বিষয়টি এখন আর নতুন বা অবিশ্বাস্য বা হাস্যকর নয়। আমার আগে ব্লগার চতুর্ভুজসহ অনেকের নিক হ্যাক হয়েছিলো। আমার পরে হ্যাক হয় লুলুপাগলা, নিপা সহ আরো অনেকের । ছাগুচিফের একটা পোস্টও আছে এটা নিয়ে। নিপার ঘটনা তো এই তো সেদিনের। আরিলের এ বিষয়ে একটা পোস্ট কিছুদিন আগে স্টিকিও হয়েছিলো। তবুও পাবলিক এখনো বিশ্বাস করে না আমার নিক হ্যাক হবার ঘটনা।!! ঘটনার দিন স্বপ্ন জিটকে ছিলো। সাথে সাথে ওকে সব খুলে বলি। আর কেউ করুক আর না করুক, আমার স্বপ্ন জানে যে তাকে আমি সত্য বলেছি।


এই ব্লগ বাংগালীকে ব্লগিং শিখিয়েছে বল্লেও বেশী বলা হবে না হয়ত। কিছুদিন আগে দেখলাম, গ্রাম থেকে শহরে পড়তে আসা একটা ছেলেও এখন ব্লগিংয়ের সংজ্ঞা লিখে পোস্ট দেয়। পড়ে মজা পাই। প্রতিদিন অনেক নতুন ব্লগার রেজিস্ট্রেশন করছে। আগে দেখতাম পিক আওয়ারেও বড়জোড় ৫০/৬০ জন লগড ইন। গত রমযান মাস থেকে দেখছি অফপিকেও এই সংখ্যা। আর পিকে তো ইলেকশানের দিন ১৫৩ ছাড়িয়ে গিয়েছিলো।খুব আফসোস হয় ঐসব পোস্টগুলোর জন্য, যেসব আমার দৃষ্টির বাইরেই থেকে গেলো, পড়া হলো না। আমার সব নিকের ব্লগের শোকেসেই অনেক পোস্ট রেখে দিয়েছি পড়ার জন্য। কবে যে সময় পাবো জানিনা, কারেন্টগুলো পড়েই তো কুল পাই না!

এই ব্লগের কাছে আমি অনেক ঋনী। অনেক।
আমার লেখালেখি বোধ ভোতাঁ হয়ে গিয়েছিলো। ব্লগ সেটাকে ধার দিয়ে দিয়েছে। দিয়েছে একগাদা আত্নার বন্ধু্। যাদেরকে কখনো দেখিনি, সামনা সামনি দেখলেও হয়ত চিনব না, অথচ প্রোফাইল ছবি দেখার সাথে সাথেই মনে হয় যেন কতদিনের আপন। দিয়েছে আমার স্বপ্নকে। স্বপ্নের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় এই ব্লগেই। সোশ্যাল নেট্ওয়াকিং একটা ওয়েবসাইট কত শক্তিশালি হতে পারে, এই ব্লগটা না দেখলে বুঝতামইনা। তাছাড়া, নবিন লেখকদের সাথে সাথে প্রচুর স্বনামধন্য লেখক ও কবিদের সৃষ্টি টাটকা টাটকা পড়তে পারছি।
ব্লগ দিয়েছে স্কুলের বন্ধুকেও! নেমুদার কাছ থেকে প্রথম শুনি যে তামিম ইরফান উরফে গুলাপি আমাদের স্কুলের সেই কালো করে লম্বা নাক চোখা ছেলেটি। তামিম, আমি আর উপল একসাথে যে কত আড্ডা দিতাম, কত গেইমস খেলতাম দোকানে গিয়ে!!! খুব অবাক হয়েছিলাম এখানে তামিমকে পেয়ে।
তবে এই ব্লগের শুধু একটা জিনিস ভাল লাগে না। সেটা হলো, ছাগুচিফ, বুবস, আব্দুল্লার মা সহ আরো অনেক জামাতী ছাগুর স্বদম্ভ পদাচারনা এই ব্লগ বন্ধ করতে পারেনি। অথচ এরা সবাই অনেক পুরনো ব্লগার। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই প্রথম পাতায় অসংখ্য ব্লগারের অসংখ্য পোস্ট অসংখ্যবার এসেছে। কিন্তু মডুরা কখনোই সেসব গা করেনি।
ব্লগে আমার কিছু বদ্যাভাস হয়ে গেছে।

১. স্টিকি পোস্টে সাধারনত কোন কমেন্ট করি না।
২. পুরান পোস্ট ফ্রন্ট পেজে তুলে আনতে ভাল লাগে।
৩. কমেন্ট রিপ্লাইয়ে টেনকু বলি।
৪. ধর্ম আ রাজনীতি নিয়ে ক্যাতা পোস্ট-কমেন্ট এড়িয়ে চলি।
৫. ছাগু আর লুলদের চান্স পেলেই খোচাইঁ।
৬. উন্নত সাহিত্যমান সম্পন্ন পোস্টগুলোকে ফেলে মাঝে মাঝে মজাদার এবং কৌতুহলোদ্দীপক পোস্টগুলো পড়ে ফেলি।
৭. কোন ব্লগারের নতুন পোস্টের খোজেঁ তার ব্লগে যাই না। তা সে আমার যত পেয়ারের ব্লগারই হোক না কেন।

এই বদ্যাভাসগুলো সংশোধনের চেষ্টায় আছি।
এই ব্লগ আমার জন্য এক সর্বনেশে নেশা।। কতদিন না খেয়ে, না ঘুমিয়ে, না গোসল করে এমনকি অফিস কামাই দিয়েও একদিন ব্লগিং করেছি। কতবার যে প্রতিজ্ঞা করেছি ব্লগ ছেড়ে দেব! প্রতিদিনই পোস্ট পড়া হয়, কমেন্ট করা হয়, সেটুকু না হলেও অন্ততঃ লগিন করে বসে থাকি। কেমন যেন ঘোর লেগে যায়।

ঝুমী নামের একজন পরিচিত নারী ব্লগার আছেন আমাদের মাঝে। প্রথম দিকে একটা মজাদার পোস্টের কারনে ব্লগের সবাই তাকে পুরুষ ভাবা শুরু করে দিলো। আমার ব্লগে যাতায়াত শুরু করার পর খুব ভাল করে তাকে অবজার্ভ করার পর মনে হলো ব্লগাররা আসলে ভুল সন্দেহ করছেন। সে সময় আমরা একে অপরের ব্লগে নিয়মিত কমেন্ট করতাম। তখন অনেক কে বলেছি যে ঝুমী নিকটা আসলেই একটি মেয়ের। কেউ কর্ণপাত করেনি। ইদানিং সেসব ব্লগারদের অনেকেই তার ব্লগে গিয়ে কুশলাদি জিগেস করেন, যেসব ব্লগাররা একসময় তাকে পুরুষ অপবাদ দিয়ে আজে বাজে কথা বলত। আমি এই ব্যাপারটিতেও খুব মজা পাই। <img src=" style="border:0;" />
রাশেদ ভাই এবং ঝুমী গত একবছরে আমার ব্লগে সবচেয়ে বেশী কমেন্ট করেছে। যথাক্রমে 257 এবং ১23 টি কমেন্ট করেছে এরা। আজ থেকে প্রায় একবছর আগে আমার "কতবতবকতকত" নিকের ব্লগে করা রাশেদ ভাই'র প্রথম কমেন্ট ছিলো ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬ রাশেদ বলেছেন: ভাল লাগল। আপনার নিকের এই করুন দশা!

২য় কমেন্টা ছিল আরো মজার - ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৭ রাশেদ বলেছেন: হায় হায়! আপনাকে মেয়ে মনে করেছিলাম। এখন দেখি নাম প্রলয়! হি হি!

পুরো ব্লগের সবচে বেশী সংখ্যক স্বাতন্ত্র ব্লগারের ব্লগ যদি কেউ ভিজিট করে থাকে সেটা রাশুদা ছাড়া আর কেউ নয়। দেড় বছরের ব্লগ জীবনের কমেন্ট সংখ্যাও তারচে বেশী কারো নয়। প্রায় চল্লির হাজার কমেন্ট!!! অনেক নামী দামী ব্লগারের হিটও হবে না চল্লির হাজার !
রাশুদার বিখ্যাত এবং কমন কমেন্ট "চলুক, হুমম, ভাল্লাগছে, হা হা! ঠা ঠা!" এইসব খুব মজা লাগত প্রথম থেকেই!
রাশুদা আমার ব্লগের নাম দিয়েছিলো কতবেল। উচ্চারনের সুবিধার জন্য মনেহয়! সেই থেকে আামর নামই হয়ে গেল কতবেল। মনে আছে, রাশুদা, নরাধম , নিলা সবাই মিলে আমাকে কতবেল বলে কত যে ক্ষেপাত! আমি তাদের নাম দিয়েছিলাম ছ্যাকুঢ়শু, নারু আর জ্যামীম্যাম। জ্যামীম্যাম বল্লে নীলা খুব ক্ষেপত। খুব অভিমানী আর আবেগী মেয়ে ছিলো। কদিন আগে ব্লগ ট্গ মুছে কই যে গেল! আর নারু আমার আরেকজন খুব প্রিয় ব্লগার। আমেরিকা প্রবাসী প্রচন্ড মেধাবী এই সুর্দশন তরুন, জামাতী ছাগি সাদিয়াকে ইংরেজীতে এমন একটা কথা বলেছিলো, মনে পড়লে হাসতে হাসতে এখনও গড়াগড়ি খাই। আমি, গুলাবি, নারু, জেমীম্যাম, রাশুদা, আজহার ফরহাদ ভাই, আমার প্রলয় হাসান নিকের প্রথম পোস্টে কত যে মজা করেছি সবাই মিলে একসাথে...! পুরনো সেই কমেন্টগুলা দেখে আজ অনেকদিন পর স্মৃতির রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম।

ব্লগের শুরুর দিকে প্রিতী সোনিয়াকে দেখতাম মেয়েটা শুধু ইংরেজী রাইম পোস্টাত। অনেক তাগাদা দেবার পর সে নিজের থেকে লিখতে শুরু করে। একসময় দেখি নিয়মিত প্রচুর লিখতে থাকে। এই মেয়েটা আগে কেন এরকম লেখেনি, সেটাই বিস্ময়! আমার ধারাবাহিক উপন্যাসেরর নিয়মিত পাঠিকা ছিল ও। ইদানিং ওকে দেখি না খুব একটা।

ব্লগে আমার প্রথম মৌলিক পোস্ট দেই ব্লগার প্রিয়তির একটা পোস্ট পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ ওর কাছে। কিন্তু ওকেও কখনো ব্লগে নিয়মিত দেখিনি। হুটহুাট এসে চলে যেত। কিছু দিন আগে ব্লগার শেষ বিকেলের মেয়েকেও দেখেও খুব ভাল লাগে। আমার পোস্টের নিয়মিত পাঠিকা ছিল ও। অনেকদিন পর পুরনো কোন ব্লগারের দেখা পেলে ভাল লাগায় মন ভরে উঠে।

এটা এই ব্লগে আমার লেখা প্রথম পোস্ট

আমার ব্লগ জীবনের প্রথম কমেন্টা পেয়েছি গন্ডুর কাছে থেকে। আমার নিকটাকেই কপি করে পেস্ট করে দিয়েছিলো। প্রথম পূর্নাঙ্গ কমেন্ট পাই ব্লগার উন্মনা রহমানের কাছ থেকে। দুইজনের কেউ-ই এখন আর ব্লগে নিয়মিত নয়। নতুন ব্লগাররা হয়ত চিনবেনও না।

ভাল লাগত অচিনদা (অচেনা বাঙ্গালী) আর মরিটরদার ফানি ফানি পোস্ট আর কমেন্ট!
বিহংদা আর নাদান ভাইয়ের লেখাও খুব মিস করি। এই চারজনের মধ্যে অচুদা ছাড়া বাকী তিনজন ব্লগে এখন খুবই অনিয়মিত। দেখা যায় না বল্লেই চলে। অচিনদাও অনেকদিন গ্যাপের পর ইদানিং আবার নিয়মিত হতে শুরু করেছেন।


কতবতবকতকত নিকে যারা যারা কমেন্ট করেছেনঃ

গন্ডার, উন্মনাপু, রাশুদা, নারু, রামুদা (ধ্রুব নিকে), মুন্নে (তাজুল ইসলাম মুন্না) , স্বপ্নজয়, মানবী আপু, প্রিটী সোনিয়া (মোট ৪৫টি কমেন্ট), ফারহান দাউদ, অমিত আহমেদ, প্রিয়তি, মিরাজ, মানুদা (মানুষ), বায়েজিদ, ষড়যন্ত্রকারীদের যম, মেহরাব শাহরিয়ার, ইকরাম, হাসান, (কালপুরুষ ১১টা কমেন্ট), নিলা (৮৭টি কমেন্ট), ঝড়কন্যা, স্বাপ্নিক, মুহিব, বৃষ্টির ছায়া, রুবেল শাহ, শফিকুল, কৈলাশ, কাবিল কৈতর, ভাসমান, টংকেশ্বরী, কবির, প্রান চানাচুর, জোনাকি, অদিপ্ত, স্রোত, নয়ন, চিকনমিয়া (৯টি), খুশবু, ভাঙ্গা পেন্সিল, সন্ধ্যাবাতি, রোগায়া (রোডায়া), শর্মী, বিমাদা (বিষাক্ত মানুষ; প্রথম কমেন্ট-করছেন কি! পড়তে পারুম না এত্তবড় লেখা!), মাথামোটা, সাইফুর, শেষ বিকেলের মেয়ে (২৭ টি কমেন্ট), রন্টি চৌধুরী, হৃদয়ছায়া, পদ্মপুকুর, শফিকুল আলম ইমন, জেনারেল, মাহবুবা আখতার, অচুদা, মনিটরদা, চিটিপু, নাদুভাই (নাদান), মাশুক, জেবীন, ভোরের তারা, থার্ড আই, দুরন্ত, কলা, মুকুট, চিরসবুজ, মামুন বাংলা, নিরাবাধা (নিশীথ রাতের বাদল ধারা; আগের নিক ছিলো জাতীয় মেয়ে), ধূসরিত স্বপ্নগুলো, বিহংদা, জনারন্যে নিঃসঙ্গ পথিক, বর্তমান বাংলা, নীভাপু (নীভা নামের এই মেয়েটি স্বপরিবারে হল্যান্ড থাকে, বয়সে আমার চে ছোট, অথচ খুব শখ সে আমার মুখ থেকে আপু ডাক শোনার!), নেমুদা, স্বাক্ষর শতাব্দ, বালুকা বেলা, উধাও ভাবুক, (এইটা লুহিব আর লইথূর মতই একটা লুল, এখন দেখি না খুব একটা), নিবেদীতাপু, ভাঙ্গা চাদঁ, পুস্প, ঝুমী, আহমেদ মুজতাবা, (এই পুংটা ছেলেটাকে খুব মিস করি) টিটো, শারফু (শারফুদ্দীন), হাসিব ভাই, মাহবুব সুমন ভাই (একই স্টেটে থাকি আমরা, আগে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতাম, সন্ধ্যাবাতির হয়ে আমার উপর গোয়েন্দাগিরির পর থেকে আর ফোন দিইনি কখনো), আরণ্যক যাযাবর, আরিফুর রহমান, বাবলি, এস শোভন, লুলুপাগলা, রাগিব ভাই, মইথুনান্দ, বহুরুপী মহাজন, শাব্বির আহমেদ, নাজিরুল হক, কিংকতব্যবিমূঢ় (খুব ভাল লিখত, এখন উধাও!),সাজিপু (সুলতানা শিরিন সাজি,রাকিব, ছন্নছাড়ার পেন্সিল, রেজওয়ানুল আহসান, প্রিয়তমা, মুকুলভাই, ফেলুদা, সবাক, পুসকি (উচ্চশিক্ষিত বাবা মার একমাত্র আদরের সন্তান কিন্তু অসম্ভব লক্ষী একটা মেয়ে) , ত্যাদর, কোবরেজ, মনচিলা (তানজিলা), সেলিম তাহের, কোবরা, ইর্য়কার, কাজ করে খাই, এ্যালন,উৎস, সুপ্তিক, দস্যু বনহুর, আকাশচুরি (এই পাবলিক ব্লগের একটা এ্যাসেট!) , কালবেলা, রিফাত হাসান, মেহেদী হাসান নাসিম, শওকত হোসেন মাসুম, বাপড়া, আরাশি বদ্দা, গিফার, ঈশিতা, মৃণাল, মেন্টাল, ঐক্যতান, ময়ূরাক্ষী, অক্ষর (আমার সবচে নিকটতম প্রতিবেশী), এস্কিমোদা, মাহমুদ রহমান, গুলাবি (তামিম ইরফান), পুতুল, আলম ভাই,(জিহবা, আসন এই সব বিষয়ে মহা এক্সপার্ট ছিলো আর মডুরা ঘুমিয়ে গেলে ভোর রাতে এই সব পোস্ট ছাড়ত!), আজহার ফরহাদ, কে এস আমিন, বাংলা ভাষী, নিবিড় অভ্র, ঝড়ো হাওয়া, অদিতি, হনুলুলু (তাবদা খাইয়ে দেবার মত কবিতা লিখতে পারে এই ছেলেটা, কিন্তু ব্লগে কালে ভদ্রে আসেন এখন), অগাণিতিক (মাঝখানে একবার পোস্ট দিয়ে হুলস্তুল বাধিয়েঁ এখন লাপাত্তা!), যূথীঁ, এ্যামাটার (রাশুদার ছবি যে প্রথম ব্লগে দিয়েছিলো তার বিনা পারমিশেনে), তুষার, আারিজ আফসার খান, রাতুল, রিয়াজ শাহেদ ভাই, ইরতেজা, ব্লুজ, পজিটিভ, নীল ঢেউসহ আরো অনেকে।

এ সমস্ত ব্লগাররা ছাড়াও নতুন যারা কমেন্ট করেছেন প্রলয় হাসান নিকেঃ

শ্রাবনী, সুনীল সমুদ্র, ঐক্যতান, রনদীপম বসু, প্রচেত্য, তারার হাসি আপু, কৈলাশ, উত্তরাধিকার, অবকাশ, আরিফ থেকে আনা, বোঘদাদি হাকিম, মিতু, সৈয়দ আমির সাব, দুঃখ বিলাস, হুদা, রেটিং, ভাইরাস, বিবো (বির্বতনবাদী), নিঃসঙ্গ, নিহন, মেঘা (মেঘাচ্ছন্ন), শিরোনামহীন (আমার খুব লক্ষী টাইপ একটা ছোট আপু), অনন্ত দিগন্ত, বৃস্টি ভেজা সকাল, নুরূল ফকির, কাকঁন, কাকশংখচিল, মিয়াভাই, অরন্য আনাম, সত্যান্বেষী, কখনও মানক কখনও দানব,
চাংকু, চ্যাট রিজবী, রুপক (ফাটাফাটি টেকি একটি ছেলে), নাফিস ইফতেখার (ব্লগের উঠতি সেলিব্রেটি!), তানজু রহমান, বুলবুল আহমেদ পান্না, জেরী, রাতের বৃস্টির শব্দ, নিরক্ষর, নিবিড়, অপসরাপু,আশরাফ মাহমুদ, বকলম, আখসানুল, ইউনুস খান, শিবলি, ড্রাকুলা, রুবেল শাহ, পীর সাহেব, আমিই রুপক, বরুনা ও প্রতিফলন (সূর্যপুত্র ও চাদঁ কন্যা, কবিতা দিয়ে এদের জবাব-পাল্টা জবাব দেয়ার খেলাটা রিয়েলি ব্রিলিয়ান্ট!), আলোর অভিলাসী, পারভেজ, কাঙ্গাল মামা, শেখ রহিম, নুশেরাপু, টিয়া, কে এম আরিফুর ইসলাম, আকাশনীল, ভূবন, লাবনি, নির্ঝর নৈঃশব্দ, জাতে মাতাল, নূহান, নোক্সেনদার (নোক্সদা, মেলবোর্নিয়ান এই ব্লগারের সাথে প্রায় প্রতিদিনই কথা হয়), কমেন্টবাজ, জেমিনি, (লগোর জন্য কৃতজ্ঞ এই ব্লগারের কাছে), মাছরাঙ্গা, চানক্য, ঘটোৎকচ, নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা, জানাপু, ফালতু মিয়া, সোহান বাশার, ভেংচুক, অদৃশ্য, অচন্দ্রচেতন, চিলে কোঠার সেপাই, মৃন্ময়ী, লুনা ফিরোজ, রুমানা বৈশাখী, নরকের পাপী, রুখসানা তাজিনাপু, মেহবুবা,নাঈম, সুহেল রাজ, নকীবুর বারী, সুশান্তদা (আমার ব্লগ.কমের এডমিন), নষ্ট মাথার দুষ্টু বালিকা, একাকী একজন, অরন্যচারী, কাকভুষুন্ডী, সাইফুর আকবার খান, সারিকা, তাসনিম,শিবলী, মফিজুল কে, আশফাক সজন, জেনারিলিসামো, আরিফুল হোসেন তুহিন, মেঘে ঢাকা তারা, ওয়ার হিরো, ফেরারী পাখি আপু (আমার অন্যতম একজন প্রিয় ব্লগার), নীল অরন্য, দিগন্ত রেখা, আন্দালীব, লীনা দিলরুবা, অকৃতকার্য, আলমগীর কুমকুম, মফিজুল হক, নারকেল জিনজিরা, নিঃসঙ্গ, নম্রতা,মুড়ির টিন, ব্রাইট,রিকো ক-খ-গ ,ফালু, গোলাপী, মনির হাসান, ...অসমাপ্তসহ আরো অনেকে।

এরা ছাড়াও নতুন যারা "একজন ব্লগার" নিকে কমেন্ট করেছেনঃ

বিডি আইডল, এরশাদ বাদশাহ, পলাশ রহমান, পথিক মানিক, দুষ্টু রোমান্টিক (মালয়শিয়া অধ্যয়নরত আমার আপন ছোটখালার আপন দেবর), সম্রাজ্ঞী, মাজুল হাসান, পলাশমিয়া, অদ্ভুত আধারঁ এক, বিটলা, অর্নগল, লংকার রাজা, মনকষা, ঝড়োহাওয়া, গংগারাম, আবুসালেহ, টক্স, দ্রগবা, তৌফিক বিষাদ, নুর হাসান মোঃ তানভীর, কর্মী, বুমবুম, প্রান্ত জাকির, মিয়া ভাই সিলটি, আশিকুর রহমান, আসিফ, শব্দ, আশাবাদী, নামহীন মানব, রাইডার, রক্তাক্ত যোদ্ধা, দূরের পাখি,পাগল রাজা, সুহেল রাজা, হাসানুল, রানাম ফুলমন্টি, জরিনা, আনমোনা, কোপা শামসু, বইদেশী, নাফে মোঃএনাম, সিহাব চৌধুরী, জামাল iiuc, লেকাজোকা শামীম, এম্নিতেই, লাল পিপড়াঁ, উদাসী স্বপ্ন, k-79cr345, মোঃ তারিক মাহমুদ, কাপালিক, কাল্পনিক, দুস্টুছেলে, তুর্য্য, নতুন, হংস মিথুন,স্কিস স্ট্রিং, ঘাসফুল, শামীম দ্য রক, প্রান্ত জাকির, আব্দুল্লাহ বিন মাহবুব, আহসান হাবিব শিমুল, কে আমি, লিপিকার, বদরুল খান, প্রশান্ত শিমুল, গরীব মানুষ, সিটিজিবি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28893419 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28893419 2009-01-05 21:41:36
সবাইকে হাপ্পি ন্যু ইয়্যে এন্ড এ্যান ইন্ডি-চাংকু ভাব কাহানী <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> " style="border:0;" />


স্টুডিও ছাড়াও আরও নিয়েছি এক বোতল ফলের রস, এক বাক্স বিফ বিরিয়ানি (টেকাওয়ে), একটা বিছানার চাদর আর পোর্টেবল ডিভিডি প্লেয়ার।

এত কিছু নেবার কারন আছে। আমাকে একটানা পুরো ৯ ঘন্টা সেখানে থাকতে হয়েছে। সেখানে মানে সিডনী হারবারব্রিজ/অপেরা হাউস প্রাঙ্গনে। তাই আগে ভাগে সেরকম প্রস্তুতিই নিয়ে গিয়েছিলাম। (যেটা নিতে পারিনি সেটার জন্য পরে খেসারত দিতে হয়েছে অবশ্য /<img src=" style="border:0;" />)

বাসা থেকে বেরিয়েছি বিকাল সাড়ে তিনটায়। গিয়ে পৌছলাম সাড়ে চারটায়। প্রচন্ড গরম। তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জিনস আর টি শার্ট পরতেই আমার গরমে হাস ফাস অবস্থা। আর অজি মেয়েদের তো দেখলাম.... থাক! আর কি বলবো? সে বিষয়ে এখানে কিছু না বলাই ভাল। বেশী কিছু বল্লে আবার ১৮+ কনটেন্টের জন্য মডু কর্তৃক ব্যান খাবার আশংকা আছে।<img src=" style="border:0;" />

যাই হোক, প্রথম শো শুরু হবার প্রায় ৫ ঘন্টা আগে গিয়েই দেখি হুলস্থুল কান্ড। মানুষ গিজ গিজ করছে । পা ফেলার জাগা নেই। এর মধ্যে দেখি, এক বাংগালি মেয়ে তার বয় ফ্রেন্ডকে সাথে করে এনেছে। ছেলেটাকে বলছে - তুমি আমার সাথে থাকো। আমি সাথে থাকলে তোমাকে কেউ ধাক্কাবে না।" একটু পর দেখি বয়ফ্রেন্ডর হাত ধরে টেনে মেয়েটা একাই সবাইকে ধাক্কিয়ে ভীড় ঠেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আমার সাথে বিশাল ব্যাগ থাকায় আমি খুব একটা সুবিধা করতে পারলাম না তো না-ই উল্টো মেয়েটার ধাক্কায় আরেকটু হলেই হুমড়ি খেয়ে পড়তাম। মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। কিন্তু কিছু বল্লাম না। হাজার হোক, নিজের দেশের লোক বলে কথা। কিন্তু একটু পর দেখি এক অজি ছেলে মেয়েটাকে উদ্দেশ্য করে একটা এফ ওয়ার্ড যুক্ত গালি দিল। এরপর দেখলাম মেয়েটা আস্তে আস্তে ভদ্রভাবে এগোতে লাগল। ভাবলাম একবার তাকে গিয়ে বলি - "আপা, প্রথম থেকেই এমন করে চল্লে গালিটা খেতেন না। সবাই আগে যেতে চায়, তাই বলে কি এভাবে গরুর মত গুতিয়ে যেতে হবে নাকি?" কিন্তু এবারও কিছু বল্লাম না।

শালার আমি এমন এক জাগায় পড়লাম, সামনে গোবদা গোবদা কয়েকটা ফেন্স। ব্রিজ বা অপেরা হাউস কোনটাই ঠিকমত দেখা যায় না। কোনমতে এক জাগায় চাদর বিছিয়ে বসে ব্যাগ থেকে ট্রাইপড বের করে সেট করলাম ব্রিজ আর অপেরার মাঝামাঝি। কয়েকটা টেস্টিং শট নিলাম। এরপর একটু ফলের রস খেয়ে প্লেয়ারটা বের করে ফ্যানটাসটিক ফোর দেখতে লাগলাম সময় কাটানোর জন্য।
আমার পাশে কিছু ইন্ডিয়ান ছেলে পেলে এসে বিকট চেচামেচিঁ শুরু করল। একটু পর কিছু নিগ্রো এসে ওদের সাথে যোগ দিল। চেচামেচিতেঁ কান পাতা দায়। আমি দু হাত দিয়ে ইয়ার ফোন চেপে ধরলাম।
এর মধ্যে দেখি এক ভারতীয় ছেলে এক চাইনিজ মেয়ের সাথে ভাব জমিয়ে ফেলেছে। তাস খেলার ছল করে ছেলেটা যে মেয়েটার সাথে ঢলাঢলি করল, কি আর বলবো। ঢলতে ঢলতে পারলে আমার কোলের উপর এসে পড়ে। একটু পর কান থেকে ইয়ার ফোন খুলতেই দেখলাম ইন্ডিয়ান ছেলেটা চাইনিজ মেয়েটাকে বলছে -

-তুমি তো কখনও যাওনি ভারতে, তাই না?
-হ্যাঁ, তবে যাবার খুব ইচ্ছে আছে।
- আমি যাচ্ছি বেড়াতে, আগামী মাসে, তুমি চাইলে আমার সাথে যেতে পারো। (দাতঁ কেলিয়ে হেসে বলছে ছেলেটা<img src=" style="border:0;" />, আমি তো আতঁকে উঠলাম।:-*)
- আসলে আমার পড়াশুনা শেষ করে চায়নায় ফেরৎ যাবার ইচ্ছে আছে।
- জানো আমাদের গ্রামের বাড়ি খুব সুন্দর। এখানে আমাদের বাড়ী, এখানে সমুদ্র, এখানে বাগান। (ছেলেটা তাসের কার্ড দিয়ে বাড়ী, সমুদ্র এসব দেখাতে লাগল। মেয়েটাকে এত চেষ্টা করেও কনভিন্স করতে পারলো না! আহারে বেচারা!<img src=" style="border:0;" />)
- তারপর যেন মেয়েটা কি বল্ল, ভীড়ের শব্দে শুনতে পারলাম না।

একটু পর দেখি ছেলেটা তার ক্যামেরা দিয়ে আমাকে বলছে - তাদের ডুয়েট ছবি তুলতে। মেয়েটাও ছেলেটার পাশে দাতঁ কেলিয়ে গিয়ে বসল। এই চাংকুরা (চাইনিজদের চাংকু বলাহয় এইখানে) কত চামবাজ হতে পারে সেটা নিজের চোখে দেখলাম। এইটা কোন চাইনিজ মেয়ে না হয়ে কোন অজি বা লেবু মেয়ে হলে, ঐ ছেলের আজ হাসপাতালে থাকার কথা ছিল।

যাইহোক, ছবি তোলার পর দেখলাম দুজন দুজনের ফোন নাম্বার নিল। মনে মনে ছেলেটিকে বল্লাম- "যাক, আজ রাতে ভালই কামিয়ে গেলে। তোমার নিউ ইয়ারটা ভালই যাবে মনে হচ্ছে! <img src=" style="border:0;" />)"

শো শুরু হলো সাড়ে নয়টায়। আকাশ ছেয়ে গেল আতশবাজীতে। আর সে শব্দে বাতাস ভারী হয়ে গেল। একেকবার পুরো আকাশ দিনের বেলার মত আলোকিত হয়ে যাচ্ছিল। এরপর সব ধোয়া। আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। ভিডিও করবো নাকি ছবি তুলবো। শেষে দুটোকেই কোনমতে ধরে নিলাম কিছু শট। পরে পিসিতে দেখি খারাপ আসেনি।<img src=" style="border:0;" />

কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী চারিদিকে। একটু পর এক গার্ড এসে বল্ল- "প্রায় দুই মিলিয়ন লোক হয়েছে। আমাদের খুব হার্ড টাইম যাচ্ছে।'' মনে মনে বলি, এই ভীড় সামাল দিতেই এ অবস্থা। এস্তমার ময়দানে মোনাজাতে দিনের ভীড় দেখলে তো হার্ট ফেলই করত।
তবে এটা অস্ট্রিলিয়ার বিগেস্ট গেদারিং। সারাবছর ধরে সিটি কাউন্সিল অনেক প্ল্যান প্রোগাম করে এই নিউ ইয়ার ইভকে ঘিরে। সিডনীর জন্য এটা একটা উৎসব। অসংখ্য পর্যটক আসে। বাইরের দেশ থেকে তো বটেই, অন্য স্টেট থেকেও আসে।

কয়েকঘন্টা পর, রাত ঠিক ১২টায় শুরু হলো ২য় এবং শেষ শো। কি আর বলবো, যারা নিজের চোখে না দেখেছে, বা ঐ সময় যারা সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত না ছিলো, তাদেরকে বলে বোঝানো শক্ত যে কতটা এমেইজিং ছিল সে শো। বনার্লি আলোর বিচ্ছুনরে চারিদিক ঝলসে উঠছিলো ক্ষনে ক্ষনে। সেই সাথে ডলবির সাররাউন্ড মিউজিক। হারবার ব্রিজ, তারপেছনে, অপেরা হাউসের উপরে, সারকুলা কি হারবার পয়েন্ট, স্টেশন আর সিটির বিল্ডিংসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে একযোগে আতশবাজির উৎসব চল্ল টানা ১৫ মিনিট।

শো এর পর দেশ বিদেশের ৪৫ জনকে একযোগে নিউ ইয়ারের উইশ জানিয়ে এসেমেস করলাম। এর মধ্যে ১২ টি সেন্ড ফেইল! <img src=" style="border:0;" />

ফেরার পথে টয়লেটেও দেখলাম প্রচন্ড ভীড়। লাইনে দাড়ালাঁম। সেই এগারোটা থেকে ছোটটা চেপেছে। এখন বাজে রাত একটা। দুই ঘন্টা!!!! এত কিছূ আনলাম,আর বিপদে কাজ চালাবার মত একটা প্লাস্টিক ব্যাগ আনলাম না।! /<img src=" style="border:0;" />


তলপেট হালকা করে ভীড় ঠেলে বাসায় আসলাম রাত আড়াইটায়। সারাদেহ অবশ লাগছিলো। <img src=" style="border:0;" />


বাসায় এসে দেখি আমার সাধের ক্যামেরার রিমোটটা হারিয়ে এসেছি! আতি পাতি খুজেঁও কোথাও পেলাম না।<img src=(" style="border:0;" />

লস্ট এন্ড ফাউন্ড প্রপার্টিতে ফোন করেও কোন আশাব্যন্জক উত্তর পেলাম না। নতুন বছরের শুরুটা এমন হলো বলে আরো মন খারাপ!<img src=" style="border:0;" />



ছবির মূল লগোটার জন্য ব্লগার জেমিনির কাছে কৃতজ্ঞ।





সন্ধ্যা নামছে সিডনী সিটিতে, পেছনে ২০০৮ সালের শেষ সূর্যটা অস্ত যাচ্ছে!








দুটো ছবি সবচে ভাল এসেছে। এটি তার ভেতর ২য় টি।






মনে হচ্ছে যেন ব্রিজের উপর আগুন ধরে গেছে!


দুটো ছবি সবচে ভাল এসেছে। এটি তার ভেতর ১ম টি।















উৎসবের পর রাতের সিডনী শহর


ঝলমলে হারবার ব্রিজের ফুল ভিউ!





সবশেষে আমার করা ১০ মিনিটের একটি ছো্ট্ট ভিডিও ক্লিপ!




অজি কান্ট্রি সাইডারদের একসেন্টে পোস্টের শিরোনাম লিখলাম। <img src=" style="border:0;" />

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। নতুন বছর হোক আরো হাসি আর আনন্দময়।


হ্যাপি নিউ ইয়ার। ২০০৯ । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28891859 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28891859 2009-01-01 23:26:54
ছাগুদের ুটকি রাখিব ব্যস্ত! http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28890552 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28890552 2008-12-30 19:53:44 আওয়ামী লিগকে অভিনন্দন! ১৪ কোটি মানুষের স্বপ্ন এখন তাদের হাতে।
সারা রাত ফলাফলের খরব নিয়ে সকালে গেলাম ঘুমাতে। বিডি টাইম রাত দুটোয়। একটু আগে ঘুম থেকে উঠেই পিসি ছাড়লাম কি অবস্থা জানার জন্য। গত বারের মত পাশার দান শেষ মূহুর্তে এসে চেন্জ হয়ে যায়নি দেখে ভাল লাগছে। অভিনন্দন আওয়ামীলিগকে।


কাল রাতে আম্মু নিজে দেশ থেকে আমার মোবাইলে ফোন করে বল্লেনঃ "আমরা জিততে যাচ্ছি বাবা।" আম্মুকে জীবনে খুব কম সময়েই এত খুশী দেখেছি। বল্লেন - "সব ওয়েবসাইট গুলোর নিয়মিত আপডেট দেখতে।" আম্মুকে কনগ্রেচুলেশন জানালাম। বল্লাম আম্মু, "আমাদের এখন একটাই দাবী। সবার আগে যুদ্ধাপরাধীর বিচার। আম্মু বল্লো- ইনশাল্লাহ অবশ্যই হবে বাবা। তোমরা আমাদের পাশে থেকো।"

আমি বল্লাম - "হাসিনা আন্টিকে কি এখন ফোনে পাওয়া যাবে?" আম্মু বল্লেন - আপাকে এখন ফোন দিয়ে লাভ নেই। কথা বলতে পারবে না। পরে ট্রাই করো।"

আন্টির সাথে কত যে স্মৃতি জড়িয়ে আছে। খুব কাছ থেকে দেখেছি এই নিরহংকার মানুষটাকে। আম্মুর সাথে যতবারই সুধা সদনে গিয়েছি ততবারই খুবই সাদামাটা বেশে দেখেছি। হাতে ছিলো তজবি, নাহলে জায়নামাযে বসা। নতুবা কোরআন শরীফ পড়ছেন।
আমাকে দেখলেই মজা করে একটা কথা বলতেন। আমাকে নাম ধরে খুব সময়ই ডেকেছেন। বেশীর ভাগ সময় "বাবা" বলে ডাকতেন।


পোস্টের শিরোনাম দিবো ভেবেছিলাম "মহাজোটকে অভিনন্দন।" কিন্তু পরে দেখলাম ২৯৮ টি আসনের ভেতর মহাজোটের দখলে ২৬৩ টি আসন। তার ভেতর আওয়ামীলিগ একাই পেয়েছে ২৩০ টি আসন। সেখানে চারদলীয় জোট মাত্র ৩১ টি। এরকম বিশাল ব্যবধানে জেততে পারাটা, আসলেই এটা আওয়ামীলিগের ব্যাপক বিজয়।



কিন্তু আম্মু যেটা বল্ল সেটা হবে কি? সত্যিই হবে। কাল রাতে মাহবুব সুমন ভাইয়ের একটা পোস্টে রাশুদার একটা কমেন্ট পড়ে খুব মন খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। রাশুদার কথা সত্যি না হোক মনে প্রানে এই কামনা করি।

কালরাতে প্রথমালোতে জাফর ইকবাল স্যারেরও একটা বিশাল আর্টিকেল পড়লাম। স্যার এই দেশ নিয়ে সব সময়ই ভীষন আশাবাদী। তার লেখাটা সেটাই শুধু ফুটে উঠে। পত্রিকায় তার লেখা পেলেই গোগ্রাসে গিলি। উনি বলেছেন-
রাজনীতিবিদরা যেন মনে না করে তাদেরকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা হয়েছে দেশের ক্ষমতায় যাবার জন্য। তাদের এটা মনে করিয়ে দেয়া উচিৎ যে তারা আসলে একটা দেশের সার্বময় দায়িত্ব নিয়েছে। ক্ষমতা নয়। উনি কামনা করেছিলেন , যে দলই আসুক না কেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করুক। উপযুক্ত সাজা দিক, দেশকে দারিদ্রতা মুক্ত একটা আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক।

আমার খুব বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় যে, আওয়ামীলিগ স্যারের স্বপ্নটা বাস্তবায়ন করতে পারবে। কারন, এ যে ১৪ কোটি মানুষের স্বপ্ন!



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28890443 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28890443 2008-12-30 15:19:42
ব্লগ আড্ডার লাইভ রেডিওকাস্টের অডিও ক্লিপ ডাউনলোড করুন " style="border:0;" />)

ব্লগ আড্ডার লাইভ রেডিও ক্লিপ (স্ট্রিমিং)


এখান থেকে এখনও দিব্যি শোনা যাচ্ছে পুরো অনুষ্ঠানটা। ইচ্ছে করলে মোবাইল বা ভয়েস রেকর্ডার দিয়ে যে কেউ এখান থেকে রেকর্ডও করে রাখতে পারবেন।

আমার ৫৩ এম বি ব্যান্ডউইথ বাচায়ঁ দেবার জন্য তাকেঁ অসংখ্য টেনকু !! <img src=" style="border:0;" />


ব্লগটকরেডিও - এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

http://www.blogtalkradio.com/

একটা ফাইল আপলোড করলাম। এইখানে একঘন্টা আছে চিল্লাচিল্লি। - ৫৪ এম বি।
Click This Link


আর এটা ব্লগার নাজমুলের লিংক - ২৭ এম বি। এইখানে চিল্লাচিল্লি পুরোটাই আছে।
http://www.mediafire.com/?m5zhyzodycn]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28889071 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28889071 2008-12-28 10:28:38
প্রথমালুর গেইম রিভিউ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" /> " style="border:0;" />






<img src=" style="border:0;" />






Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28888394 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28888394 2008-12-26 21:34:26
ফটো ধাঁধাঁ


নীচের ছবি দুটোর মধ্যে কোন কোন জাগায় মিল খুজেঁ পাচ্ছেন? সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে লটারী করে মোট তিনজন বিজয়ী ঘোষনা করা হবে।




প্রথম পুরস্কারঃ নুঢ়া চশমিশ ক্লাবের পক্ষ থেকে একটা নুঢ়ানী চশমা।
২য় পুরস্কারঃ ছাগুর ল্যাপটপ।
৩য় পুরস্কারঃ ছাগু আর নুড়ার হেডপুন।
স্বান্তনা পুরস্কারঃ এক প্লেট খাসির তেহারি।







VS

ছবি সূত্রঃ তৃনভুজ - এর ফ্লিকর এ্যাকাউন্ট।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28885822 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28885822 2008-12-21 19:19:48
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> (" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28885408 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28885408 2008-12-20 21:20:43 অরু আর আমার এক জোড়া কবুতর চারিদিকে সোনাঝরা রোদ,
বাইরে পাড়ার ছোট ছোট ছেলে পেলেরা দলবেধেঁ খেলছে...
হই হুল্লোড়েরর শব্দ কানের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে...
আমার সামনে দিয়ে একটা কবুতরের সাদা কালো পালক খুব ধীরে ধীরে হেলে দুলে উড়ে এসে পড়ল।


পালকটি দেখে আজ অনেকগুলো বছর পর অরুর কথা মনে পড়ে গেল।

অরুর সাথে ছয়টি বছর হেসে খেলে বেড়িয়েছি।
শ্যামলা বরন মেয়েটার কালচে ঠোটেঁ এক চিলতে হাসি সব সময়ই লেগে থাকত। সেবার বইকুন্ঠের মাঠে দুর্গাপূজোর মেলা বসেছিলো বিরাট। বুবুর কাছে বায়না ধরেছিলাম এক জোড়া কবুতর কিনবো বলে। বুবু আমাকে দশটাকা দিয়ে বল্ল - "দেখে শুনে রাখিস কিন্তু।" আমি বল্লাম- "সে আর তোমাকে বলতে হবে না।"
আমি অরুকে সাথে নিয়ে মেলায় চলে গেলাম কবুতর কিনতে। অনেক দেখে শুনে অরুই আমাকে দুটো কবুতর পছন্দ করে দিলো। গিরিবাজ না কি যেন জাতের ছিলো ওটা। ছাতার এত বছর পর কি আর মনে থাকে?

বাড়ী ফিরলাম দুজনে নাচতে নাচতে। কবুতর হলো আমার! আর অরু আল্হাদে বাচেঁ না! "জানিস দাদা, কবতুর না এটা খায় বেশী, ওটা একদমই পছন্দ করে না। আর এই ছোট্ট খাচায়ঁ তোর কবুতর তো দম বন্ধ হয়েই মারা যাবে। খুব বড় দেখে একটা খোপ বানাবি, বুঝলি? আর প্রথম ডিমটা কিন্তু তুই আমায় দিবি, আমি শো কেসে সাজিয়ে রাখব, মনে থাকবে তো?" আরো কত কথা। সারা রাস্তা আমার কান ঝালাপালা।

ও আমার হাত থেকে নিয়ে খাচাঁটা বারবার উল্টে পাল্টে দেখে। একসময় মন খারাপ করে বলে - জানিস, বাবাকে বলেছিলাম এরকম দুটো কবুতর কিনে দিতে, মেলা শেষ হয়ে গেলে এত সস্তায় আর পাওয়া যাবে বল?
- তা জেঠা মশাই দিলেন না কেন?
- দেবে কোথা থেকে? ঘরে খাবার চালই তো নেই! দশটাকা দিয়ে তিন দিন পেট পুরে খেতে পারি আমরা !" বিষন্ন হয়ে গেল অরুর হাসি খুশী মুখটা।

- ও।

বাড়ী এসে বুবুকে দেখালাম। বুবু খুব খুশী হলো। আমি এক গাল হেসে বুবুকে বল্লাম, "বুবু, অরুকে নাকি প্রথম ডিমটা দিতে হবে। ও নাকি শোকেসে সাজিয়ে রাখবে। কবুতরের জ্যান্ত ডিম কেউ কখনো শো কেসে সাজিয়ে রাখে বলো?"

বুবু হেসে ওকে বল্ল- "কিরে বোকা মেয়ে? সত্যিই কি তাই বলোছিস?"

ও খুব লজ্জা পেল! মাথা নিচু করে ফেলল।

কয়েকদিন পর মাঠে ফুটবল খেলছিলাম। হঠাৎ অরু এসে আমাকে ডাক দিয়ে নিয়ে গেল। বল্ল সে নাকি কি বাজে একটা স্বপ্ন দেখেছে আমার কবুতর দুটোকে নিয়ে। বাসায় এসে খোপের ভেতর থেকে ও দুটোকে বের করে বুকে জড়িয়ে ধরল অরু। কবুতর দুটোর নামও দিয়েছিলো ও। ভুলে গেছি। হঠাৎ আমায় বল্ল - "তোর কবুতর দুটোকে কি আমায় দিবি দাদা? আমি তোকে আস্তে আস্তে দশটাকা শোধ করে দেবো।"

আমি মাথা ঝাকালাম। বল্লাম - আচ্ছা।

তারপর কতদিন কেটে গেল। কতগুলো বছর। আমি বিলেত চলে গেলাম পড়তে। যাবার আগে অরু আচলে মুখ চাপা দিয়ে বল্ল - "চিঠি দিবিনে?"

- হুমম, দিবো।
- বিলেতি মেম দেখে আমায় ভুলবি না তো?
- না, ভুলব না।
- ঠিক মনে রাখবি তো?
- হুমম, রাখব।

বাবা চেয়েছিলো ব্যারিস্টারি পড়াতে। বাবার ইচ্ছা পূরনে এমন জোরে সোরে লাগলাম যে দেশে চিঠি লিখার ফুসরৎ টুকুও পেতাম না।
একদিন হঠাৎ অরুর চিঠি পেলাম। ঠিকানা কোথায় পেয়েছে কে জানে। মনে হয় বুবুর কাছ থেকে নিয়েছে।
গোটা গোটা মেয়েলি অক্ষরে লিখা। সারমর্ম হচ্ছে যে - সে আমাকে নিয়ে খুবই চিন্তিত, আমি কবে না যেন এক বিলেতি মেম বিয়ে করে দেশে এসে হাজির হই। আর কবে আমি দেশে আসবো? আমার কথা খুব নাকি মনে পড়ে।

চিঠি পড়ে খুব একচোট হাসলাম। সাথে সাথে জবাব লিখতে বসে গেলাম। লিখলাম- "অরু, তুই এখনো ছোট্টটিই আছিস। তাই বিলেতি মেম না, তোর জন্য বরং একজোড়া বিলেতি কবুতর নিয়ে আসবোখন।"

চিঠি তো লিখলাম ঠিকই, কিন্তু পড়াশুনার চাপে সেটাকে আর পোস্ট আপিসে দিয়ে আসার সুযোগ পেলাম না। পড়ার টেবিলেই খামে বন্দী হয়ে পড়ে রইল কয়েকটা মাস।
এর ভেতর একদিন দেশ থেকে বাবার চিঠি। মা বেশ অসুস্থ্য। আমাকে দেখতে চান। অথচ দুমাস পরেই ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা। ভাবলাম, মা আগে। মার কিছু হয়ে গেলে কি হবে এত লেখাপড়া করে? তাই এক সপ্তাহের ভেতরই মার সামনে গিয়ে হাজির হলাম। মা আমাকে দেখেই যেন অর্ধেক ভাল হয়ে গেলেন। আমাকে জড়িয়ে ধরে গালে কপালে কত চুমু! একমাত্র ছেলে বলে কথা!

এক ফাকেঁ বুবুকে বল্লাম - "বুবু, অরু কোথায়? ওকে দেখছি না যে!"
- কেন, তুই কিছু জানিস না নাকি?
- কই? না তো?
- অরুর বিয়ে হয়ে গেছে।
- ও... কবে হয়ে গেল?
- তা প্রায় মাস চারেক তো হবেই।

আমি চুপ করে বসে রইলাম দাওয়ায়। বুবু আমাকে এসে আনমনে বল্ল- খুব কেঁদেছিলো মেয়েটা। বাবাও নিষেধ করেছিলো জ্যাঠা মশাইকে। শুনলো না কারো বারন। তার ই বা দোষ কি? অভাবের সংসার! একটা মুখ কমলেই অনেক!

আমি কিছু বল্লাম না। চুপ করে শুনে গেলাম। এক সময় উঠে আমার কবুতরটির খোপের কাছে গেলাম। জাগাটা শূন্য ছিলো। অরুকে খোপসহ দিয়ে দিয়েছিলাম। বেচারীর তো কবুতর কেনারই সার্মথ্য ছিলো না। খোপ আবার কই পাবে? তাছাড়া আমার কবুতর না থাকলে আমিই বা খোপ দিয়ে কি করব? সাথ পাছ ভেবে দুটোই ওকে দিয়ে দিয়েছিলাম।

রাস্তায় একটা হাড় জির জিরে মেয়েকে দেখলাম উঠোনে বসে চালের খুত বাছছে। আমার দিকে তাকিয়ে লাফিয়ে উঠল। দাদা বলে চেচিয়েঁ উঠে আমায় বুকে জড়িয়ে ধরল! আমি তো হতভম্ব!! এই মেয়েটা যে আমাদের অরু, সেটা বুঝতে খানিকটা সময় লাগল। আমায় বল্ল- তুই তো অনেক শুকিয়ে গেছিস রে দাদা!
- আর তুই বুঝি খুব গাট্টা গোট্টা হয়েছিস তাই না?
- "তা তোর বিলেতি মেম কই?" অরুর চোখে দুষ্টুমির হাসি।
- হ্যাঁ, বিলেতী মেমদের তো আর খেয়ে দেয়ে কাজ নেই! আমার সাথে আসার জন্য তৈরী হয়ে বসে আছে, তাই না?
- "তাহলে আমার বিলেতী কবুতর?" অভিমানি মেয়ের মত আবদার করল।
- আমি তো পড়া শেষ করে আসিনি রে! মাকে দেখতে এসেছিলাম। তাড়া না থাকলে তোর জন্য একটা কিছু আন্তে পারতাম।
- লাগবে না আমার কিছু্। তুই যে এসেছিস, এতেই আমি ঢের খুশী!

অরু মৃদু হাসল। চেয়ে দেখলাম, চোখের নীচে কালি পড়ে গেছে। কত রাত ঘুমায় না, কে জানে!

- অরু, তুই কেমন আছিস?

অরু অনেকক্ষন চুপ করে রইল। তারপর বল্ল, "ভেতরে আয়। মুড়ি আর গুড় এনে দিচ্ছি! বসে বসে খা। বিলেতী ছাইপাশ খেয়ে শরীরের যা হাল করেছিস!"

এমন সময় ভেতর থেকে এক মহিলা এসে কড়া গলায় ধকম দিলো ওকে - "বিলেত থেকে চাচাত ভাই আসলেই বুঝি অমন আদিখ্যেলেপনা দেখিয়ে বুকের উপর ঝাপিয়েঁ পড়তে হবে? বলি, আমরা কি স্বামীর ঘর করিনি? কলি কাল কি এত জলদি জলদিই এসে পড়ল নাকি রে বাপু!! ছি ছি ছি!! লজ্জায় মরে যাই। এই দেখার আগে আমার মরন হলো না কেন?"

অরুকে দেখলাম ওর মুখ শুকিয়ে গেছে ভয়ে! আমি বল্লাম- অরু, আজ থাক, আরেকদিন আসবখন। "

- "বিলেত থেকে আসলেই বুঝি চাচাত বোনের সাথে অমন রং ঢং করতে হয় বুঝি? বিয়ে হতেই এই অবস্থা। বিয়ে না হলে যে কি হতো, মাবুদ জানে।

আমার মাথায় রক্ত চড়ে গেল। কিন্তু অরুর কথা ভেবে আমি আর কথা বাড়ালাম না। ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেমন আছে? ও উত্তর না দিলেও উত্তরটা পেয়ে গেছি আমি।

আরো সপ্তাহ খানেক থেকে ফিরে গেলাম বিলেত। পড়াশুনার চাপে আবার সব কিছু ভুলে গেলাম। পড়া শেষ করে দেশে এলাম মাস ছয়েক পর। অরুর নাকি ততদিনে ফুটফুটে একটা মেয়ে হয়েছে। অরুকে বল্লাম- "তুই দিনে দিনে এত শুকাচ্ছিস কেন? খাস না কিছু?"

আবার সেই হাসি। কোন কথা বল্ল না। ওর মেয়েটাকে কোলে নিলাম। আদর করে দিলাম। ওর দজ্জাল শাশুড়িরর কথা ভেবে অরুর জন্য কিছু আনিনি বিলেত থেকে। পকেট থেকে তিনটা পাচশঁ টাকার নোট বের করে ওর মেয়েটার হাতে গুঁজে দিলাম। অরু বল্ল- কি করছিস? আমি বল্লাম - "ভাল মন্দ কিছু রেধেঁ খাস। আর ভাল দেখে একটা শাড়ী কিনে নিবি। তালি দিয়ে দিয়ে আর কয়দিন চলবি?"

চলে এলাম ওর কাছ থেকে। চলে এলাম না বলে পালিয়ে এলাম বলাই ভাল হয়ত। শহরে এসে একটা দপ্তর খুলে বসলাম। দুদিনেই রীতিমত পসার জমে উঠল। চারিদিকে বেশ নাম ডাক আমার। ঢাকায় এসেছি তখন বেশ কবছর হয়ে গেছে। মা বাবা নাকি আমার জন্য পাত্রী খোজাঁ শুরু করেছে। প্রায় প্রতিদিনই একটা না একটা টেলিগ্রাম পাঠান মা, সেই সাথে কোন না কোন মেয়ের ছবি। সে এক যন্ত্রনা বটে!

এরি মধ্যে হঠাৎ গ্রাম থেকে একদিন বুবুর টেলিগ্রাম। অবাক হলাম। ভাবলাম, বুবুও বুঝি আমার পেছনে লেগেছে। কিন্তু টেলিগ্রাম পড়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম।

অরু আর নেই!

সব কিছু ফেলে সেদিনই ছুটে গেলাম বাড়ীতে। লাশ দাফন করা হয়ে গেছে ততক্ষনে। অরুকে শেষ দেখাটাও দেখতে পারলাম না। এটা যখন ভাবি, তখনই বুক ফেটে কান্না আসে।

অরু আত্নহত্যা করেছিলো। স্বামী আর শাশুড়ীর অত্যাচার সইতে না পেরে। যৌতুকের জন্যই নাকি প্রায়ই ওকে ভীষন মার ধোর করত। সেসব কথা কোনদিনও মুখ ফুটে আমায় বলেনি ও। সারাজীবনেও এই মেয়েটা এতটুকু সুখ পায়নি। এতটুকু আনন্দও ওর কপালে জোটেনি।

বাড়ি ফিরে দেখি সেই খোপটা পড়ে আছে উঠোনের এক কোনায়। বুবু বল্ল- গতকাল সকালে এসে অরু নাকি এটা দিয়ে গেছে বুবুকে। আমি হাটুঁ গেড়ে বসলাম খোপটার সামনে। চোখ ফেটে কান্না আসছিলো। ওর মায়া মায়া মুখটা বারবার ভেসে আসছিলো! যেন বলছিলো - "তুই আর আমাকে বিলেতী কবুতরজোড়া কিনে দিলিনা দাদা?"





ক্লাস এইটে বঙ্কিমচন্দ্র - শরৎচন্দ্র পড়া হতো খুব বেশী। গল্পটায় তাই হয়ত তাঁদের লেখার গন্ধ পাবেন অনেকেই। আট বছর আগের স্মৃতি থেকে লিখা। কারন, যেখানে লিখেছিলাম, সে ডায়রিটা হারিয়ে গিয়েছিলো বাসা মুভ করার সময়। ৭০ এর দশকের থিমে লিখেছি। এটা ছিলো মূলত আমার একটা পরীক্ষামূলক চর্চা। তৎকালীন কলকাতার লেখকদের স্টাইলে আমি কোন লেখা লিখতে পারি কিনা সেই পরীক্ষা। লেখার পরে বুঝলাম এইটাও যথারীতি একটা ছাইপাশ হয়েছে। প্রথম পাঠক ছিলেন আমার গৃহ শিক্ষক। পড়ার পর সে হতাশ হয়ে মাথা নাড়িয়েছে! লেখার চরিত্র কাল্পনিক হলেও সামাজিক প্রেক্ষপটে ঘটনা সত্য তবে জীবিত বা মৃত কারো সাথে ঘটনা মিলে গেলে আমি দায়ী থাকব না।


ছবি সূত্রঃ http://collectingtokens.wordpress.com/
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28884339 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28884339 2008-12-18 15:01:52
শেষতক সে আমার হইল - ২ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />

নিকনের একটা ডি এস এল আর কিনলাম গত সপ্তাহে। নিকন ডি ৮০। কেনার আগে নেটে প্রচুর খোজঁ খবর নিয়ে দেখলাম যে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের কাছে খুবই পপুলার এই ক্যামেরাটা!

বেশ কয়েকমাস ধরে এটা কেনার ভূত মাথায় চেপে ছিলো। এইবার নেমেছে সে ভূত।<img src=" style="border:0;" />

কিন্তু ফকির হয়ে গেছি আমি।<img src=(" style="border:0;" />


বডি, লেন্স, রিমোট কন্ট্রোল আর মেমরি কার্ডসহ টোটাল ১৩০০ ডলারের ধাক্কা!!<img src=" style="border:0;" />






আমার কাছে এটা সেই ১০টা ছবির ভেতর সবচে সেরা ছবি বলে মনে হয়েছে।


http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/

এখানকার প্রথম ১০টা ছবি এ ক্যামেরাটা দিয়ে তুলেছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28881247 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28881247 2008-12-12 00:11:32
সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার প্রানঢালা শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />









ইউটিউব ঘাইটা কিছু ভিডু বাইর করলাম। প্রবাসীরা হয়ত অনেক হারানো স্মৃতি খুজেঁ পাবেন।<img src=" style="border:0;" />

দেশে থাকলে এখন পাড়ার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কত মজা করতাম। আর এখন ২০ হাজার মাইল দূরে পিসির সামনে বসে আছি।<img src=" style="border:0;" />

ব্লগে কাল রাতের একটা আলোচিত ফটুক দিলাম।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28880254 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28880254 2008-12-08 21:31:33
এইবার ঘুলাভির উইকেট পরলো!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />)


কয়দিনাগে রিয়াজ ভাইয়ের উইকেট পরলো। কাল রাতে ঘুলাভির।

আমার কি হবে!!! <img src=" style="border:0;" />

আমি বনবাসে চলে যাব। ধুর, ভাল্লাগে না কিছু। মনটা বড়ই উদাস....

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28878563 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28878563 2008-12-05 10:50:41
পরামর্শ চাই পুস্ট (একই সাথে সামুয়িক পুস্ট)
দুটো প্যাকেজ আছে। একটা টুইন কিট লেনস। মানে বডি আর সাথে ২টা লেন্স ফ্রি। একটা ১৮-৫৫ এম এম। (মেড ইন থাইল্যান্ড)
আরেকটা ৭০-৩০০ এম এম। (এইটা মেড ইন চায়না!<img src=" style="border:0;" />) দামঃ ১১৫০ অজি ডলার।

২য় প্যাকেজঃ ১৮-১৩৫ এম এম ল্যান্স। পৃথিবীর প্রথম ক্যামেরা যেটাতে এই ম্যাজারমেন্টের রেজুল্যাশন আছে। ফ্যাকটরি ডিফল্ট ল্যান্স এইটা। দাম ১৩০০ অজি ডলার। এখন কোনটা কিনব? কোনটা বেশী ভাল? ফটোগ্রাফার বা অভিজ্ঞ ব্লগারদের ফরামর্শ চাই।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28878373 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28878373 2008-12-04 23:13:44
রেসিপি পোস্টঃ সবজি খিচুড়ি + গরুর গোশত ভূনা (সাথে সালাদ ফাউ)<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

ভীষন মন খারাপ। একটু পর মেজাজটাও খারাপ হয়ে গেল যখন কিচেনের ক্যাবিনেটে ঝোলানো রোস্টারে দেখলাম আজ রবিবার, তারমানে আজকে আমার রান্নার দিন।<img src=(" style="border:0;" />

এইবার খাবার না থাকার রহস্য বুঝলাম। কি আর করা! পেটে প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়েই রাধতেঁ বসে গেলাম।<img src=" style="border:0;" />

শিরোনামহীন সবজি খিচুড়ী রান্না করার বুদ্ধি দিল। আমি বল্লাম সেই সাথে থাকুক ভূনা গোশত। ও সায় দিয়ে বল্ল পারলে সাথে সালাদও করো।<img src=" style="border:0;" />



ফ্রিজে সবজি বলতে যা পেয়েছি, জেদ করে সব এনে জড়ো করে রাখলাম কিচেন ডেস্কে


ফ্রিজ থেকে গোশত বের করে কুসুম পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম।


চপিং বোর্ড আর চাকু (এইটাকে চাকু না বলে চাপাতি বলাই ভাল)


সব সবজি থেকে একটু করে কেটে একটা প্লেটে গুছিয়ে রাখলাম। এখানে আছে, ফুলকপি; বেগুন; কুমড়ো; গাজর; লাল আর সবুজ ক্যাপসিকাম; মরিচ।


সালাদের ইনগ্রেডিয়েন্টঃ টমেটো, শসা, গাজর, মরিচ, পেয়াঁজ আর ধনেপাতা কুচি। শসাগুলো ইটালিয়ান স্টাইলে কাটা। সাথে অলিভ থাকলে ১৬ কলা পূর্ন হতো অবশ্য। সাথে এক টুকরো লেবু আর মাঝে খানিকটা সরিষার তেল। সালাদে এ দুটো জিনিস মিশিয়ে দিলে সালাদের স্বাদ দ্বিগুন বেড়ে যায়। বিশ্বাস না হলে পরখ করেই দেখুন না!


আলু, ডাইস করে কাটা। ভূনা গোশতে আলু দিতে হয় না, কিন্তু আলু আমাদের বাসার সবার খুবই ফেবারিট। প্রতিদিনের কোন না কোন মেনুতে আমরা আলু রাখার চেষ্টা করি।



চারটে বড় সাইজের পেয়াঁজ কুচি, সাথে ৫টা মরিচ। খিচুড়ী আর গোশত উভয়ের জন্য।


৪ কাপ ধোয়া চাল; খিচুড়ীর জন্য


দেড় কাপ ধোয়া মসুর ডাল; খিচুড়ীর জন্য


গোশতের জন্য গরম মসলা


দু চা চামচ হলুদ, খিচুড়ীর জন্য


ছয় চা চামচ রাধুনিঁ গোশতের মসলা


২০০ গ্রাম পাম তেল,


১০০ গ্রাম আয়োডিনযুক্ত নুন



চালের উপর কাটা সবজিগুলোকে ছড়িয়ে দিয়েছি।



সবজি, চাল, তেল, নুন , পেয়াজ আর হলুদের মিক্সার
পানিঃ পরিমান মত



গোশতের উপর আদা-রসুন বাটা (দেড় চা চামচ করে), গরম মসলা মরিচ আর পেয়াজঁ।



এরপর রাধুঁনি মসলা, তেল আর নুন মিশিয়ে সোজা ঘুটা। (ব্যাচেলর অথবা এক্সপ্রেস পদ্ধতি)



আলু মেশানোর পর

এরপর চুলায় বসিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক পর হালকা নেড়ে দিয়ে পরিমানমত পানি দিয়ে ঢেকে দিন।



রাইস কুকারে খিচুড়ি হয়ে বসে আছে। সময় লেগেছে ২৭ মিনিট।



গোশতও হয়ে গেছে, (সময় খেয়াল করি নাই। চড়িয়ে দিয়ে ছবি আপলোড করতে বসে গিয়েছিলাম! একটু পর গিয়ে দেখি প্রায় হয়ে গেছে!)

শিরোনামকে বলেছিলাম ১০ মিনিট পর আমাকে গোশত নেড়ে দেবার কথা মনে করিয়ে দিতে, সে দেয়নি। <img src=" style="border:0;" /> এইজন্য গোশতের নীচ দিয়ে হালকা লেগে গিয়েছিলো। সময় মত যাওয়াতে রক্ষা।



এই ছিলো আমার গত রবিবার রাতে নিজ হাতে রান্না করা ডিনার।


ছবিগুলো আম্মুকে দেখালাম। আম্মু তো বিশ্বাসই করতে পারছে না! করবে কিভাবে? দেশে থাকতে যে ছেলেকে এক গ্লাস পানিও আম্মুকে ঢেলে দিতে হয়েছে, সে ছেলে এমন দাবী করলে বিশ্বাস করাটা কষ্টই বৈকি!


এই পোস্টা দেয়ার কথা ছিলো তিন দিন আগে। রান্না করে ছবি তুলে রিসাইজ করে অর্ধেক আপলোড করার পর পিসির যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে পোস্টাতে পারিনি। পোস্টানো তো দূরের কথা, তিন দিন নেটেই ঢুকতে পারিনি। তাই টাটকা টাটকা ছবি দিয়ে এই বাসি পোস্ট।<img src=" style="border:0;" />

বিলিভ ইট অর নট, জীবনে প্রথম এই আইটেম রান্না করলাম। রান্না শেষে শুধু খাবারের ঘ্রান শুকেঁই রুমমেট দুইজন ১০ মুখে প্রশংসা করল। খাবার সময় তারা কোন কথা বলেনি। শুধু গোগ্রাসে গিলেছে। পরে দেখি আমার ভাগের অংশ নিয়েই প্রায় টানাটানি পরে যাবার মত অবস্থা! তাই সুযোগ বুঝে আমিও তাদের সাথে প্লেট নিয়ে বসে পড়ি।<img src=" style="border:0;" />

এরপর ভাবলাম, পেট পূজো তো জম্পেশ হলো, এইবার এইটা দিয়ে একটা পোস্ট লিখে ফেলি। তাছাড়া, শিরোকে যখন খাবারের ডেসক্রিপশন দিচ্ছিলাম, তখন নাকি ওর জীভ জলে টইটুম্বুর! তাই ভাবলাম, রেসিপি দিয়ে সচিত্র একটা পোস্ট দিই। বেচারী দুধের (খিচুড়ী+গোশত) স্বাদ ঘোলে (ছবিতে) মেটাক!<img src=" style="border:0;" />


উল্লেখ্য, এরাগে ব্লগে এইরকম প্রতিটি প্রসেস পয়েন্টে ছবি দিয়ে আর কেউ রেসিপি পোস্টাইনি। আমিই প্রথম।<img src=" style="border:0;" />


সেফঃ প্রলয় হাসান
ছবিঃ প্রলয় হাসান
মেন্যু আইডিয়াঃ ব্লগার শিরোনামহীন + প্রলয় হাসান


এটা হলো আমার ব্লগ জীবনের ২য় রেসিপি। প্রথম রেসিপির লিংক নীচে দেয়া হলো। এটাও ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলো।

Click This Link


ব্লগার পুসকিকেও একটা টেনকু দিয়ে রাখি এই ফাকেঁ, কারন ওর দেয়া ওরে পিয়া (আজা নাচলে) গানটা পোস্ট লিখার পুরোটা সময় শুনেছি। গানটা ভীষন ভাল লেগেছে। বিকেল থেকে শুনছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28877897 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28877897 2008-12-03 22:45:32
বাংলায় করুন আপনার ফেসবুক

কোন ভূমিকায় না যেয়ে আসল কথা দিয়েই শুরু করলামঃ-

সেটিংস>এ্যাকাউন্ট সেটিংস>ল্যাংগুয়েজ (সবার ডান পাশের ট্যাবটা)>এর পর দেখুন প্রাইমারি ল্যাংগুয়েজের ড্রপ ডাউন মেনু তে বাংলা আছে কিনা। (থাকার কথা না।) যদি থাকে, তাহলে ওটা সিলেক্ট করলেই হয়ে যাবে আপনার বাংলা এ্যাকাউন্ট।

যদি না থাকে, তাহলে ট্রান্সলেট ফেসবুক থেকে ট্রান্সলেসনস এ্যাপ্লিকেশন এ ক্লিক করুন। এ্যাকসেস এ্যালো করুন।

এবার সেট ইউর ল্যাংগুয়েজ থেকে বাংলা খুজেঁ বের করুন। এটাও ড্রপ ড্রাউন মেনু। সবার নীচের দিকে বাংলাতে লেখা বাংলা নামক একটি শব্দ পাবেন। ওটা ক্লিক করলেই ব্যাস, আপনার নাম, বিজ্ঞাপন আর ফেসবুকের লগো ছাড়া সবকিছুই বাংলাতে দেখাবে।


ছবিঃ আমার ফেসবুকের স্ক্রিনশট। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28875223 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28875223 2008-11-28 03:25:41
@ডারাকুলা (সামুয়িক পুস্ট)

তর্কে না পেরে কাউকে ব্লক করাটা কাপুরুষের পরিচয়।


বাই দা ওয়ে, তোমারেও ব্লক করলাম। গুডবাই।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28874256 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28874256 2008-11-26 02:28:55
একটি শোক বার্তা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> (" style="border:0;" />





























অতি সম্প্রতী তিনি বিবাহ করিয়াছেন। ইকটুয়াগে আমাকে জিমেইলে ঘটনাটি স্বয়ং জানাইলেন।<img src=" style="border:0;" />


ইন্নালিললাহে ওয়া ইন্না লিললাহে রাজিউন... <img src=(" style="border:0;" />


আমরা... বিশেষ করে আমি যারপর নাই শোকাহত!<img src=" style="border:0;" />

সবার গতি হয়ে যাচ্ছে....খোদা খালি আমার দিকে মুখ তুলে তাকায় না।<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

এইখানে গিয়া সমবদনা জানায় আসতে পারেন




অভিনন্দন রিয়াজ ভাই।

...তাইতো বলি...ব্লগে এত কম দেখি কেন!!!


দাম্পত্য জীবন সুখের হোক এই কামনা করি। ভাবীকেও পারলে ব্লগে নিয়ে আইসো। তাতে করে তুমি সেইফ থাকতে পারবে।



তাহার কাছে এক দফা ৫ দাবীঃ

১. কাউকে না জানাইয়া চুপিচুপি কাজ সারার জন্য একটি গনক্ষমা চাহিয়া পত্র (পোস্ট)

২. কিভাবে চিন-পরিচয়, কিভাবে পরিনয়, কিভাবে শুভস্য, বিস্তারিত জানাইয়া আরেকটি পোস্ট।

৩. সেই পোস্টে বিবাহের ফটুকের ফেসবুক বা ফ্লিকারের লিংক থাকিতে হইবে। সেগুলা না থাকিলে ব্লগে ছবি আপলোড করিয়া হইলেও দিতে হইবে।

৪. ভাবীর জন্য আলাদা একটি ব্লগের ব্যবস্থা করিয়া দিতে হইবে। সে উহাতে লেখুক বা না লেখুক তাহাতে কিছু যায় আসে না।

৫. ব্লগের অবিবাহিত ছোট ভাই এবং বোনদের বিবাহ দিবার জন্য কিছুটা হইলেও চিন্তা ফিকির করিতে হইবে।


দাবীসমূহ না মানিয়া লওয়া হইলে তাহার ব্লগ চিরতরে বর্জন ঘোষনা করা হইবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28873338 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28873338 2008-11-24 01:37:42
গ্রান্ড থেফট অটো - চার (১৮+ )


(সাময়িক পোস্ট)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28872821 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28872821 2008-11-23 00:25:59
ওআপ্রিন ও আপ্রিন, তুমি কুতায়?<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

শালার আহাম্মক দেখছি, কিন্তু এমন আহাম্মক দেখি নাই। এইটা একটা দুর্লভ প্রজাতির আহাম্মক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871952 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871952 2008-11-21 00:53:41
@রুবাইয়াত আফরিন
আর কারো কমেন্ট মডারেশনে রাখলা না। আমারটা কেন রাখলা?<img src=" style="border:0;" />


নীচের কমেন্টা করলাম ওর পোস্টে। প্রকাশ হইলো না।<img src=" style="border:0;" />


আহাম্মক এইটা আমার লিখা। ডঃ জাকির হোসেনের না। তুই জং বাহাদুরের আরেকটা নিক তাই না?


গর্দভটা পোস্ট দিছে, কিন্তু সরাসরি কমেন্ট নেয়ার সাহস নাই। আহাম্মক কুনহানকার। আর ভুয়া নাম যেহেতু দিছস, একজন ভাল কবির নামই দিতি। ডঃ জাকির হোসেন নামে যে কোন কবি আছে দেশে, এইটাইতো কেউ জানে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871918 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871918 2008-11-20 23:56:14
ইকড়ি মিকড়ি ফটুক গিকড়ি (২) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" />
এটা আমার এস এল আরে তোলা প্রথম ম্যাকরো ইমেজ। আমাদের বাসার ঠিক সামনে তোলা। এক্সপেরিমেন্টালি। রাস্তায় পড়ে থাকা একটা পাথর দিয়ে কাজ সেরেছি।




অস্ট্রেলিয়ার লাস ভেগাস নামে খ্যাত গোলকোস্ট সিটির একটা ব্যস্ত চত্বরের ছবি। ফুপি বাড়ি ব্রিসবেন ভ্রমনের সময় তোলা হয়েছে।




গোলকোস্টে সারফারস প্যারাডাইস নামে একটা সী বিচ আছে। এই ছবিটা তোলা হয়েছে সেটার আশপাশ থেকে। সেদিন সন্ধ্যাবেলায়।মনে হচ্ছে যেন গাছের ডালে রেডিয়াম লাইটের কৃত্রিম ফুল ফুটে আছে।




মিনিয়েচার ম্যানগ্রোভ বন। গতবার কোরবানি ঈদের জন্য অজি ভেড়া জবাই করতে গিয়েছিলাম গসফোর্ড নামক দূরবর্তী একটা খামারে। এই ছবিটি সেখানকার একটা জাগার।




জেলী ফিস এবং তার পরিবার-পরিজন। সিডনী এ্যাকুইরিয়াম থেকে গতবছর এই ছবিটি তোলা হয়।




ব্রাইটন লি স্যান্ডস। আমাদের বাসা থেকে সবচে কাছের সী বিচ। ছবিটি সেখান থেকে তোলা। আমার হাতের মুঠোয় প্রচন্ড শক্তিশালী খোলসওয়ালা একটা সুদৃশ্য শামুক।




দেড় বছর আগে রুমমেটদের নিয়ে ঘুরতে যাই "ওয়াটসনস বে।" সমুদ্রের কিনারে বালিয়াড়িতে এইসব হাবিজাবিগুলো পড়ে ছিলো। ছবি তোলার সময় মনে হয়েছে - "ধুর, কিসব তুলছি।" অথচ ছবি তোলাম পর কিন্তু খারাপ লাগেনি আমার কাছে।




এই ছবিটিকে নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই। সেই মন খারাপ করা ছবিটা শুধু তখনকার মত মেঘের ঘনঘটায় তোলা হয়নি। হয়েছে ঝলমলে বৃষ্টির সময়। দেশে একে খেক শিয়ালের বৃষ্টি না কি যেন বলে!




অস্ট্রেলিয়ান কাচা মরিচ! বিলিভ ইট অর নট, এইটা নাকি মাঝারি আকৃতির! আমাদের পাড়ার এক লেবানিজ ফ্রুট শপের সামনে থেকে তোলা। মরিচটিও ঐ দোকানেরি।





হে হে। আন্ডে ভাজার সময় হঠাৎ ফটুক তোলার একটা খায়েশ হইছিলো একদিন।





ল্যাম্বোরগিনি এক্স সিক্স জিরো। বাজারে নতুন আসছে। দাম হইলো হাফ মিলিয়ন অজি ডলার। মানে প্রায় তিন কোটি টাকা। প্রথম দর্শনেই এইটার প্রেমে পইড়া যাই। কিন্তু এই জনমে কিন্তে পার্বো বইলা মনে হয় না। পরজমনে খোদার কাছে একটা ফরিয়াদ কইরা দেখা যাইতে পারে!






ডান পাশের মেয়েটার নাম ন্যাটালি। কার শো তে দেখা আমার চোখে সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে। আমার মতে, অজি মেয়েরা এমনিতে খুব একটা সুন্দরী না। কিন্তু যেগুলা সুন্দরী, সেগুলা হার্টবিট মিস হয়ে যাবার মত সুন্দরী। আপসোসের কথা হলো, বাস্তবে ন্যাটকে যতটা সুন্দর দেখেছিলাম, ছবিটাতে ওকে তেমন সুন্দর দেখাচ্ছে না। ....ন্যাটালির সমুদ্রের মত গভীর নীল চোখ দুটো কি ছবিতে বোঝা যাচ্ছে...?





ভয় নাই। এইটা সিডনী সিটি মিউজিয়ামের একটা কমার্সিয়াল। টাউন হল আন্ডারগ্রাউন্ড রেল স্টেশন থেকে তোলা।





আমার দুইটা আংগুল। ম্যাক্সিমাম ম্যাক্রো জুম করে ছবিটি তুলেছি। যার ফলে হাতের রেখা পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এই ছবিটিও ছিলো এক্সপেরিমেন্টাল।





এই বুড়িটা আমার ফুপাতো বোন রাহমী। ব্রিসবেনে থাকে। তার প্রধান কাজ হলো দুষ্টুমী করে করে ফুফুর মাথা আউলায়া দেয়া।





এক সপ্তাহ পর ২য় পর্ব দিচ্ছি। দেয়ার ইচ্ছা ছিলো আরো আগে।
প্রায় ১০ হাজার ছবি থেকে ১৫টি ছবি সিলেক্ট করে সেগুলোকে এসিডিসিতে এডিট করে, শার্পনেস, কালার ইফেক্ট, নয়েস, এক্সপোজার, রিসাইজিং, লোগো সেটিংস ইত্যাদি করে তারপর একে একে আপলোডিং, সব মিলিয়ে বি-শা-ল এক হ্যাপা!!! এর পর আবার প্রতিটা ছবির জন্য আলাদা আলাদা করে ক্যাপশন লিখা, পরে সেগুলো সঠিক জাগামত সেট করা। এইটা আরেক হ্যাপা। তার উপর আবার ব্লগের অনেক ফিচার এখনো ঠিকমত কাজ করে না।
অনেক সময় দিতে হচ্ছে একেকটা পর্বের পোস্টে। <img src=" style="border:0;" />

কানে ধরছি। ব্লগে ছবি পোস্টানোর শখ আমার মিট্টা গ্যাছে! <img src=(" style="border:0;" />


প্রতিটি ছবির সাথে আমার কপিরাইট লোগো দিয়ে দিয়েছি। খুব তাড়াহুড়া করে বানানো তাই কোনমতে কাজ চালানোর মত করে একটা বানিয়েছি। ৩য় বা ৪র্থ পর্বে প্রফেশনাল লোগো দেয়ার ইচ্ছা আছে।



























]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871860 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28871860 2008-11-20 21:43:09
ইকড়ি মিকড়ি ফটুক গিকড়ি (১) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_62.gif" width="23" height="22" alt="B:-/" style="border:0;" />
আমার নোকিয়ার ক্যামেরায় তোলা প্রথম ছবি। আমাদের বাসার দুটো রাস্তা সামনেই এই রাউন্ড এ্যাবাউটটা। এটা আমার খুবই প্রিয় একটা ছবি।


অনেক তো লেখা লেখি হলো। বেশ কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম ফটোগ্রাফিতে হাত কেমন পাকাতে পারি দেখিই না পরখ করে।

কিন্তু কি যে ছাইপাশ তুল্লাম....ভাল কিছু তো পারিনি...তাই সেই ছাইপাশু গুলোই সবার সাথে শেয়ার করছি।<img src=" style="border:0;" />


গাছটা কি অদ্ভুত তাইনা! এক শুক্রবার সকাল বেলায় আমাদের বাড়ীর খুব কাছের একটা জাগা থেকে তোলা।


একদিন এক কুকুর বেড়াল বৃষ্টির সময় আমাদের বারান্দা থেকে তোলা, এই ছবিটা দেখলেই কেন যেন আমার মন খারাপ হয়ে যায়।


ওয়াটসানস বে...এক সন্ধ্যাবেলায়...


মেঘ, পাহাড় আর সমুদ্রের গল্প...


মরুভূমিতে হেটেঁ যাচ্ছে এক দল মরুভূমির জাহাজ... (নেলসনস বে)


সাগরপাড়ে হেটেঁ যাচ্ছে এক দল মরুভূমির জাহাজ... (নেলসনস বে) চারজন মানুষ আর তিনটে উটের লাইনটা আমার কাছে দারুন লাগে।


মেঘ গুড়গুড়, মেঘ গুড়গুড়!!!


আমাদের বারান্দার ফটুক!


স্বপ্নালু আলোকচ্ছটা শুকনো ডাল পালার বুক চিরে..


এই ছবিটা শীতের শেষে তোলা। তাই গাছপালার এই অবস্থা! আমাদের বাড়ীর পাশের রাস্তা থেকে তোলা। কিছু ছবি আছে, যেগুলো দেখলে মনে হয় আসলেই বিদেশে আছি। এইটা তার মধ্যে একটা।


এটাও আমার খুব প্রিয় একটা ছবি। ম্যাক্রো দিয়ে তোলা। এক্সট্রা কোন টেক্সচার ব্যবহার করা হয়নি। তবে হালকা শ্যাডো ইফেক্ট দেয়া হয়েছে।


দুকুল ছাপিয়ে উঠে একবুক হাহাকার...! আকাশটা দেখে আমার মনে হয়েছিলো একটা রংধনুকে গলিয়ে আকাশের বুকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।


একদংগল পাথর-(নেলসনস বে)


ফাইন্ডিং নিমোর ছুডু ভাই। স্হানঃ সিডনী এ্যাকুইরিয়াম। দেখে মনেহয় মাছটা মুচকি মুচকি হাসছে!

প্রতি পর্বে ১৫ টি করে ছবি দেয়ার ইচ্ছে আছে।

প্রতিটি ছবিই আমার নিজের হাতে তোলা। তাই প্রতিটির কপিরাইটই আমার কাছে সংরক্ষিত।

ছবিগুলো একই সাথে ফ্লিকার এবং ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে আজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28868742 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28868742 2008-11-13 21:03:41
এক অন্জলী আনন্দাশ্রু
আনন্দের সাথে প্রথম দেখাটা হুট করেই হয়েছিলো। ও একদিন আমাকে দেখে ওদের জানালার শিক ধরে আমার দিকে অনেক্ষন তাকিয়ে ছিলো। আমার গা শির শির করছিলো। কি আশ্চর্য! অনুভূতিটা এখনও মনে আছে দিব্যি।

ও আসলে আমাকে প্রথম দেখাতে ঠিক ঠাহর করতে পারেনি। যখন পারল তখন দেখল আমিও ওর দিকে তাকিয়ে আছি কঠিন চোখে। সেটা বুঝার পর সাথে সাথেই সরে গিয়েছিলো জানালার সামনে থেকে। কতদিন আগের কথা, অথচ মনে হচ্ছে এই তো সেদিন!

এরপর অনেকদিন কেটে গেল। ও মাঝে মাঝে সাহস করে ইশারা করে আমাকে, আমি ইচ্ছে হলে রিপ্লাই দিতাম, না হলে দিতাম না। তবে এক সময় ব্যাপারটাতে বেশ মজা পেয়ে গেলাম।
আমাদের নিজেদের অনেক গুলো সাইন ল্যাংগুয়েজ ছিলো। দুই হাতের তর্জনী এক করে পুরো ৯০ ডিগ্রি বৃত্তাকারে ঘুরে আবার দুই হাতের তর্জনীতে শেষ করে ডান হাতের তালু উল্টানোর মানে ছিলো- "সারাদিন কোথায় ছিলে? দেখিনি কেন?"
আমি দুহাতের কড়জোড় এক করে কাধের উপর দিয়ে নিয়ে দুহাতই লম্বা করে দিতাম, মানে হল "সারাদিন কলেজে ছিলাম, তাই দেখোনি।"

মাঝে আমার দু ভাগ্নি এসব হা করে দেখতো, একদিন খুব সাহস করে ওদের একজনকে দিয়ে আনন্দের কাছে প্রথম চিঠি লিখলাম। সাদা কাগজ, সবুজ কালি। আমার পরিচয় খুব সংক্ষেপে লিখে ওরটা জানতে চাইলাম। দুরু দুরু বুক। কি জানি কি হয়! ঠিকমত পৌছঁবে কিনা, পৌছলেও কি জবাব পাই!

দুদিন পর আনন্দের প্রতুত্তর পেলাম। ওর হাতের লিখা আর কথার মালা গাঁথার ক্ষমতা দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আনন্দ খুবই সুন্দর করে কথা বলতে পারত। যেমন ছিলো তার কথা বলার ভংগি তেমনি তার বাক্য বিন্যাস। আমি অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকতাম। ক্লাস শেষে ওকে নিয়ে টিএসসিতে বসে থাকতাম, নীলক্ষেতের হোটেলে বসে গরম গরম তেহারী খেতাম।
বেশীরভাগ সময়ই ও খুব চুপচাপ থাকতো। কত খুচিঁয়েছি ওকে এটা নিয়ে। পরে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো। ওর মৌনতা আমার কাছে এত ভালো লাগত! মাঝে মাঝে ভীষন দার্শনিক টাইপ কথা বলে আমার মন খারাপ করে দিতো।
ওর কবিতাগুলো ছিলো আমার পৃথিবীর প্রথম এবং শেষ আশ্চর্য। আমাকে নিয়ে লেখা ওর কবিতাগুলো পড়ে আমার গায়ের রোমকূপ এখনও জেগে ওঠে। কি অসম্ভব আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে সেগুলো লেখা ছিল।কতদিনই না কেদেছি সেসব পড়ে। কতদিন বুকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়েছি। আমার সারা জীবনের সন্চিত গুপ্তধন ছিলো সেগুলো। আনন্দ জনকন্ঠের সাহিত্য সাময়িকীতে লেখালেখি করত। ওর ছদ্মনামটা বল্লে হয়ত অনেকেই চিনবেন।
ও চিঠিতে আনন্দ নামেই লিখতো। ভেবেছিলাম এটা বুঝি ওর মুখোশে নাম। তাই প্রথম যেদিন ওর সাথে দেখা হলো, জিজ্ঞেস করলাম- আপনার নামটা তো এখনও জানা হল না।
-কেন, আনন্দ!" ও অবাক হয়ে বল্ল।
-না মানে, আপনার আসল নামটা জানতে চাচ্ছিলাম।
-আরে আমার আসল নামই তো ওটা।
-কি বলছেন?" এবার আমি অবাক।
-হ্যাঁ, আমার ডাক নাম। পুরো নাম "মোঃ আনন্দ মুতমাঈন।" আমার এক চাচা এই নাম রেখেছিলেন।

আমি তো রীতিমত থ'! এমন তরো কারো নাম হতে পারে?

মাঝে মাঝে ও খুব পাগলামি করত। একদিন আমি আমার পড়ার টেবিলে বসে বসে পড়ছি। বাইরে প্রচন্ডা বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ দেখি সে তাদের বাসার ছাদে উঠে খালি গায়ে ভিজছে। আমার দিকে পিঠ দেয়া ছিলো ওর। গায়ে একটা তোয়ালে চাপানোর আগে আমার দিকে ফেরেনি। ইশারায় বলেছিলো- "আজ আমার বৃষ্টি বার।" সব বৃষ্টিতে ও ভিজত না, বিশেষ বিশেষ দিনে ভিজতো। সেই দিনটা হতো ওর বৃষ্টিবার।
আমি ইশারায় বল্লাম- "আমি ছেলে হলে আজ আমিও ছাদে উঠে ভিজতাম।"

তবে আমিও একটা পাগলামি করেছিলাম। বিরাট পাগলামি। আমাদের বাসার খুব কাছেই একটা প্রেস ছিলো। ওখান থেকে বেশকিছু বিশাল সাইজের কাগজ কিনে এনে প্রতিটার একপিঠে লিখলাম- "আনন্দ, আমি তোমাকে ভালবাসি"। প্রায় ৫০০ টাকা খরচ করে টানা ৯ দিন ধরে ২৫ টা শিটে সর্বমোট ১৭,৩৮৫ বার ঐ বাক্যটা লিখেছিলাম। পরে ওগুলো একটার সাথে আরেকটা জোড়া লাগিয়ে বিশাল এক নকশী কাথাঁ বানিয়ে খুব সুন্দর করে প্যাকেট করে ওর ২৫ তম জন্মদিনে উপহার দিয়েছিলাম। সেই কবেকার কথা। সেইসব পাগলামীর কথা মনে হলে এখনও হাসি পায়।

আমরা দুজন দুজনকে অনেক কিছু দিতাম। বই, কার্ড, পারফিউম, জামা, জুতা, ফুল, গানের ক্যাসেট, চকলেট কোন কিছুই বাদ যেত না। আমার বড় ভাগিনার সাথে ওর খুব ভাব হয়ে গিয়েছিলো। আনন্দ মামা বলতে অজ্ঞান ছিলো। ও তখন ক্লাস সেভেনে না যেন এইটে পড়ত। পিচ্চিটা এখন কত বড় হয়ে গিয়েছে! এবছর ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে। আমাদের কথা ও ছাড়া আর কেউ জানত না। তাই ওকে যখন দেখি, তখন প্রায়ই অদ্ভুত এক স্মৃতিকাতরতা আমাকে আবিষ্ট করে রাখে। তাই এখনও ওকে একা পেলে যখন জিজ্ঞেস করি, "এ্যাই গাধা, তোর আনন্দ মামার কথা মনে আছে?" ও একটা লাজুক হাসি দিয়ে বলে- "আছে।" আমার দেখতে এত ভালো লাগে!

আমি যে স্যারের কাছে ব্যাচে পড়তাম, আনন্দ ছিলো তার দূর সর্ম্পকের ভাগ্নে। স্যার আমাদের কথা জেনে ফেল্লে আমাকে ব্ল্যাক মেইল করা শুরু করল। টেস্টে রেজাল্ট খারাপ করলেই বলত "দাঁড়াও, তোমাদের পীরিতি আমি ঘুচাচ্ছি।"
'পিরীতি' ঘুচানোর ভয়ে রেজাল্ট ভালো করতে হত। আমার মেজর ছিলো "চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড নিউট্রেশন"। ফাইনাল সেমিস্টারে কিভাবে কিভাবে যেন পুরো ব্যাচের ভিতর আমি হায়েস্ট নাম্বার পেয়ে গেলাম। স্যারের খুশী দেখে কে! আনন্দ মওকা বুঝে গদগদ কন্ঠে বল্ল- "মামা, এবার আমাদের একটা পরিনতি করে দেও না।" স্যার সেদিন খুব হেসেছিলেন সেদিন।

আনন্দ তুখোড় মেধাবী ছাত্র ছিলো। ঢাবি থেকে ম্যানজেমেন্টে মাস্টার্স র্ফাস্ট ক্লাস র্ফাস্ট। চাকরীর অভাব হয়নি, কিন্তু করপোরেট পরিবেশ ওর কাছে গুমোট লাগতো। দু দুটো চাকরি ছেড়েছে। আর তাছাড়া, ছাত্রজীবন থেকে হঠাৎ করে কর্মজীবনে ঢোকার ব্যাপারটিকে ও কিছুতেই এ্যাডোপ্ট করতে পারেনি। কলেজ-ভার্সিটিতে পড়াকালীন সময়ে খুব কষ্ট করে টিউশনি আর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করে পড়ার খরচ চালাতো। আর ঐ বাসাটা ছিলো ওর দূর সম্পর্কের এক বড় ভাইয়ের বন্ধুর।
স্যার বল্লেন এভাবে তো হবে না আনু। তোমার সেইভিংস আর আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়ে তুমি এ্যাপটেক থেকে একটা কোর্স করো। দেখো সেটার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারো কিনা। বাংলাদেশে তখন "এ্যাপটেক কম্পিউটার এডুকেশন" নতুন এসেছে। অনেক ইয়াং ছেলে মেয়ে সেখানে ভর্তি হচ্ছিল।
স্যারের উপকার আমরা জীবনেও ভুলব না। তিনি সেঁধে ওকে ত্রিশহাজার টাকা দিয়েছিলেন।
ও নেটওর্য়াকিং-এ এত ভাল একটা রেজাল্ট করল যে এ্যাপটকে ওকে নিজেদের টিউটর হিসেবে রেখে দিলো। বেতন মাসে দশহাজার টাকা। তখন এটাই অনেক ছিলো। আমাকে যখন ও চাকরির খবরটা প্রথম দেয় আমি এক জোরে চেঁচিয়ে উঠেছিলাম, রাস্তার সবাই নাকি আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো।

আমার আকাশে তখন ছিলো দিনের বেলা ঝকঝকে সূর্যের বিভাবরী আর রাতে ছিলো জোসনার ছড়াছড়ি। আজ আমার আকাশে কেন এত মেঘের আনাগোনা? কেন এত দীর্ঘশ্বাস???

প্রলয়ের "মায়াবতী" পোস্টটা পড়ে অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম, আমার আনন্দকে নিয়েও এরকম কিছু একটা লিখবো। কিন্তু পরীক্ষার জন্য পারছিলাম না। আমি ওর মত ভাল লেখতে পারিনা। আমার নিজেরই তো এটা পড়তে বোর লাগছে।



(এই গল্পটার মূল লেখক ছিলেন আমার কাজিন ইরাবতী। ইরাপুর ব্লগ থেকে তার নিজের হাতে টাইপ করা সবগুলো পোস্টই সম্পূর্নরুপে মুছে ফেলা হয়। সেগুলোর মধ্যে এই লেখাটিও ছিলো। আমার কাছে এটার একটা পিডিএফ ভার্সন ছিলো। সেটাকে .ডক ফাইল টাইপে কনভার্ট করে এখানে কপি পেস্ট করলাম। কিন্তু সেই পোস্টের শিরোনামটা যতদূর মনে পড়ে এটাই ছিলো। বা কাছাকাছি কিছু একটা। আপু সেই পোস্টের কোন কমেন্টের রিপ্লাই দিবেন না বলে পোস্টেই সেটার ঘোষনা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি রিপ্লাই দিবো। তবে তার মত আমিও একটা ঘোষনা দিবো। আপু আর আমাকে জড়িয়ে কোন আজে বাজে কথা বলা হলে কমেন্ট মুছে ফেলব। বেশী ঝামেলা করা হলে ব্লক করে দেব। আমি এই ঘোষনা দিলাম। )


ছবি কৃতজ্ঞতাঃ নিলয় হাসান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28867402 http://www.somewhereinblog.net/blog/shopnoduarblog/28867402 2008-11-10 22:38:07