গত কয়েকদিন যাবত ঝাড়ির উর্পে আছি। কারণ কি? ট্রাকের তলে পরছিলাম, সেই জন্য ফোরামে, ফেইসবুকে, সামুতে, ফোনে - না না জনে না না ভাবে ঝাড়ি দিয়া যাইতেছে। একে তো ছেচা খাইয়া শরীর কানা, তারপরে খোঁচা খাইয়া জীবন কানা হওনের যোগার হইছে আমার
প্যাচাল বাদ - কাহিনী ইষ্টাট - তখন রাইত বাজে ৯টা ১৫ যখন আমি কাজ থেকে বের হই। সারাদিন ঝিরঝিরে বৃষ্টি থাকায় পুরা এলাকা নিস্তব্ধ, মাঝে মাঝে বাতাসের শন শন শব্দ (এই খানে সবার কিন্তু ভয় পাইতে হইবে - নাইলে খেলুম না
সেমি ট্রাকের মাথা আমার ৩/৪ ফূট দূর দিয়া গেলেও শেষের ট্রেইলারটা মোড় ঘুরার কারনে যে রাস্তার কোণায় অনেকটা চাইপা আসপে - তা "এসো নিজে করি" ষ্টাইলে আমি উপলব্ধি করিলাম। যাহা হোক - কাদা পানিতে মাখামাখি হইয়া উঠিয়া দাড়াইতে গিয়া দেখি ডান পায়ে ভর দিতে পারিনা, তাই ফুটপাথে বসিয়া পরিলাম, তখন এক দয়াদ্র হৃদয় পরমা সুন্দরী তাহার রেড লাইটে থামিয়া থাকা গাড়ী হইতে এই ঝুম বৃষ্টির মধ্যে বাইরাইয়া আসিয়া আমাকে সাহায্য করিলেন। কুন্ঠিত ভাবে তাহার গাড়ীর সামনের সিট কাদা মিশ্রিত পানিতে ভিজাইয়া দিয়া আমি বাসায় আসিলাম।
গোসল করিয়া নিজেকে পরিচ্ছন্য করিতে গিয়া দেখি যে মাথার ডান সাইডে ও গালে খানিকটা চির ধরিয়াছে, উহা হইতে টমেটো সসের ন্যায় রক্ত নির্গত হইতেছে, কনুই থিকা হাতের তালু পর্যন্ত দপ দপ করিতেছে কারন খানিকটা ত্বক ওই ট্রাইলারের সাথেই রহিয়া গিয়াছে, পায়ে যদিও কাটে কুটে নাই, কিন্তু ব্যাথা করিতেছে।
ঘরে আসিয়া মাথায় কইষা ব্যান্ডেজ বাঁধিয়া ফেলিলাম। পরদিন সকালে ডাক্তারাংকেলের কাছে গিয়া অসুধ নিয়া আসিলাম।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আমি মরি নাই
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



