আমার প্রিয় পোস্ট

~ ভাষা হোক উন্মুক্ত ~

মনে কি পড়ে প্রিয়? - (১)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৪

শেয়ারঃ
0 1 0



"দোস্ত, একটা বিড়ি দে" - শুভর কথায় হালকা চমকে উঠি। সে কোনদিন আমাকে দোস্ত সম্বোধন করেনা, নাম ধরে অথবা ভাই করে বলে। কিছু না বলে সিগারেটের প্যাকেটটা বাড়িয়ে দেই ওর দিকে। সিগারেটটা ধরিয়ে আমার বিছানায় উঠে বসে সে। চুপচাপ টেনে যায় সিগারেট আর ছাই ফেলে মেঝেতে, কিন্তু কথা বলেনা। প্রমাদ গুনি আমি, কোথাও কোন ঝামেলা হয়েছে, শুভ মোটেও স্বাভাবিক আচরন করছেনা আজকে।

অনার্স ফাইনাল ইয়ার চলছে আমাদের, বছরের শুরু, তাই পড়াশোনার চাপ নেই মোটেও। আড্ডা দিয়ে দিয়ে সময় কাটাই অজপাড়াগাঁয়ে বানানো আমাদের কৃষি কলেজে। প্রতিটি ছাত্রের জন্য আলাদা চাষের জমি লাগে বলে গ্রামের অনেক ভেতরে বানানো হয়েছে এই কলেজ। রাজশাহী শহর থেকে যেখানে যেতে আসতে সময় লাগে ঘন্টা খানেক করে। যাতায়াতের বাহন বাইসাইকেল অথবা রিক্সা। কাজেই খুব বেশী শহরে যাওয়া হয়না কারই, দিনের পর দিন পাশাপাশি থাকার কারনে বন্ধুদের আচরন সম্পর্কে সবাই বেশ ভাল জানে, একটুতেই পরিবর্তনটা চোখে পরে। আমি অবস্য শুভর এই রকম পরিবর্তন আগেও দেখেছি, কিছুটা আঁচ করতে পারি সে কারনেই। প্রতিবারই যখন সে প্রেমে পরে, তখন এমন কিছু না কিছু করে :|

"নতুন একটা মেয়ে পছন্দ হইছে রে" - সিগারেট শেষ করে লম্বা শ্বাস টেনে বলে শুভ। হেসে ফেলি আমি, পাঁচ বছরের রুমমেটকে চিনতে ভুল হয়নি আমার। "কোন বাসায় কাজ করে?" বলেই এই লাফে টেবিলের অপর পাশে চলে যাই আত্মরক্ষার্থে। শুভ লাফিয়ে ওঠে বিছানা থেকে - "তরে মাইরাই ফালামু আজকে X(, বারবার কি মানুষ একই ভুল করে না কি?"। বহুদিন আগে শুভ ওদের বাসা থেকে একটু দুরে তিনতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা এক মেয়ের প্রেমে পড়েছিল, পরে জানা যায় যে মেয়েটা ছিলো ওই বাসার কাজের মেয়ে :P সুযোগ পেলে মানুষকে জ্বালানোটা আমার হবি, আমি পারতপক্ষে সেই সুযোগ হাতছাড়া করিনা, আজকেও করিনি। শুভ দৌড়ে আসে আমার দিকে, ঝাপিয়ে পড়তে চায় আমাকে মারার জন্য। আমি আস্তে করে টেবিল থেকে ছোট কাঁচের জারটা তুলে নেই, কালো জঙ্গলী একটা মাকড়শা ভরা আছে ওতে। কোন এক অজানা কারনে শুভ মাকড়শা প্রচন্ড ভয় পায়, তাই আমার রক্ষাকবচ হিসেবে জারটা হাতের কাছেই রাখি আমি। সেটা দেখতে পেয়ে যেন কাঁচের দেয়ালে ধাক্কা খায় শুভ, তারপর গজগজ করতে করতে নিজের বিছানায় গিয়ে বসে বলে "তুই কেন যে ওই জিনিসটা ফালায় দিসনা, আমার ডর লাগে জানসই তো"। হাসতে হাসতে চেয়ারে গিয়ে বসি, তারপর আরেকটা সিগারেট ছুড়ে দেই শুভর দিকে।

"এইবার সত্যি সত্যি প্রেমে পড়ছি রে, মেয়েটার চোখ দেখলে তুইও প্রেমে পইড়া যাবি" শুয়ে পরে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে বলে যায় শুভ। "প্রথমবার দেইখা আমার বেশী ভাল লাগে নাই, কিন্তু কালকে আর আজকে আমার পুরা খবর হইয়া গেছে। ভার্সিটিতে ওর মত আর কেউ নাই। কেন যে আগে বেশী বেশী ভার্সিটিতে যাই নাই। তাইলে আমার একটা প্রেম হইয়াই যাইতো এত দিনে"। মজা লাগে ওর কথা গুলো শুনতে। "এইবার কিন্তু তুই ভুলেও যাবিনা ভার্সিটিতে। তুই সাথে থাকলেই আমার প্রেম হয়না। তুই একটা জন্মের কুফা। যার লগেই কথা বলস, সেই আর আমারে পাত্তা দেয়না"। হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার অবস্থা আমার। এই কথা গুলোই প্রতিবার প্রেমে পড়ার পর বলে শুভ। কিন্তু আমি জানি ভেতরে ভেতরে মেয়েটাকে আমাকে দেখানোর জন্য ছটফট করছে শুভ। যতই বলুক, আমাকে না দেখিয়ে শান্তি পাবেনা সে B-)। "মেয়েটার চুল কত বড় রে?" - আমি জানি শুভ মেয়েদের লম্বা চুল খুব পছন্দ করে। "অনেক চুল, অনেক লম্বা, হাটু পর্যন্ত" - যেন স্বপ্নের ভেতর কথা বলছে শুভ। আমার বিশ্বাস মেয়েটার চুল কোমড় পর্যন্ত হবে, প্রেমে পড়লে মানুষ একটু বেশী বেশী বলে সব কিছু :P "শুভ, বিয়ার খাবি? মামুন দিয়ে গেছে কয়েক ক্যান" - আমি চাচ্ছি ওর কাছ থেকে আরও কিছু শুনতে। "না রে ভাই, কাইলকা সকালে বাইর হমু, ভার্সিটি যামু, ওরা না কি সকালে হাটতে বাইর হয়। প্রেম করার জন্য সকালবেলাটা খুব ভাল সময়। মানুষের মন ফ্রেস থাকে"। হাসতে হাসতে পেটে ব্যাথা হয়ে যায় আমার। বিরক্ত হয়ে একটানে আমার বিছানার চাদর মেঝেতে ফেলে দিয়ে উলটো দিকে মুখ করে শুয়ে পরে শুভ, আমিও প্র্যাক্টিকাল খাতা লেখায় মন দেই।

পরদিন সকালে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে শুভ। "আব্বা উঠো, সকাল হইছে" - খুব কোমল গলায় বলে। সকালে ঘুম থেকে ওঠা আমার হয়না কোনভাবেই, অনেকদিন সকালের ক্লাস মিস্‌ হয় আমার এই কারনে। বিরক্ত হই, ভাবি সিগারেট নেবে বোধ হয় - "বিড়ি লাগলে নিয়া যা, টেবিলের উপরেই তো আছে"। "বিড়ি নিছি দুইটা, এখন উঠ, চল ভার্সিটি যাই" - খুশী খুশী ভাব ওর গলায়। না উঠলে বিছানা থেকে টেনে নামিয়ে দেবে দেখে চোখ ডলতে ডলতে উঠে বসি। দেখি সাতসকালে পাঞ্জাবী পড়ে রিতিমত জামাই সাজ দিয়েছে শুভ। মজা লাগে খুব। ওকে মনে করিয়ে দেই গত রাতের কথা - "আমাকে না বললি ভার্সিটিতে না যেতে"। অপরাধী মুখ করে বলে - "তখন তো ফিলিঙ্গসে আছিলাম, তরে ছাড়া আমি টয়লেট ছাড়া আর কোথাও যাইনা তুই তো জানস"। ডাহা মিথ্যা কথা, বিপদে না পড়লে সে আমাকে কোথাও নিয়ে যায়না :P হাসতে হাসতে উঠে গিয়ে ফ্রেস হই, ঘরে ঢুকতে গিয়ে বুঝতে পারি ওর এত আদরের কারন। আমার বাইকটা বারান্দায় পার্ক করা আছে গতকাল থেকে, তাই সে বাইসাইকেলে না গিয়ে বাইকে করে যেতে চায়। হবু প্রেমিকার কাছে ভাব নেবার ক্ষুদ্র চেষ্টা আর কি ;)

পাশের রুমের রানাও আমাদের সঙ্গি হয় যাবার সময়। যেতে যেতে ওদের কথায় বুঝতে পারি এবারের ম্যাচ মেকার রানা। মেয়েটা রানার গার্ল ফ্রেন্ডের বান্ধবী। আমার বাইকে হাত মোটামুটি ভাল, আমি স্লো চালাতেই পারিনা। এ নিয়ে প্রথম প্রথম শুভ কমপ্লেইন করলেও এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আজ হঠাৎ করে আস্তে চালাতে বলে আমাকে। প্রেম মানুষকে আসলেও বদলে দেয়, জীবনের মায়া বাড়িয়ে দেয় অনেক। কিন্তু আমি তো প্রেমে পড়িনি, কাজেই স্পীড আরও বাড়িয়ে দেই, পেছনে বসা জুনিয়র রানার অস্তিত্ব অস্বিকার করে শুভ ক্রমাগত আমার কানের কাছে গালাগালী করতে শুরু করে। হাসতে হাসতে ক্যাম্পাসে পৌছে যাই আমরা।

তাপসী রাবেয়া হলের পাশেই বড় একটা পুকুর। তার পাশেই বাইক পার্ক করে বসে পড়ি আমরা। ছুটির দিনের এই সকাল বেলাতেও হলের সামনে, পুকুর পাড়ে বসে আছে অনেক জুটি, মৌ'য়ের স্মৃতী মনে করিয়ে দেয় আমাকে। মাঝে মাঝে এখানেও কিছু সময় কাটিয়েছি আমরা। দুসপ্তাহ আগে বিয়ে হয়ে গেছে ওর। তারপর থেকে নিজেকে ব্যাস্ত রেখেছি ইচ্ছে করেই। কষ্টটা ভোলার চেষ্টায় আছি। পারছিনা মনে হয়। কোথায় যেন, কেমন যেন একটা ব্যাথা টের পাই প্রতি মুহুর্তে।

কিছুক্ষন পরে হলের গেট দিয়ে বেড়িয়ে আসে সম্পা, সাথে একটা মেয়ে, যাকে মেয়ে না বলে কাপড় পড়ানো পেন্সিল বললেই মনে হয় বেশী মানায়। এত চিকন মানুষ হয়? ওকে কি খেতে দেয়না হলে? মনে মনে বলি - শুভর চোখে প্রব্লেম আছে, ওকে চোখার ডাক্তার দেখাতে হবে, এবং সেটা আজই। ওরা এসে বসে আমাদের সাথে, পরিচিত হই ওদের সাথে। শুভর হবু গার্ল ফ্রেন্ডের নাম তিথী। তারপর সিগারেট খাবার নাম করে সরে আসি একটু, আসলে খুব খারাপ লাগছিল আমার। একটু পরে শুনতে পাই শুভ বলছে আমার গার্ল ফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় মন খারাপ আমার। আসলে এটা ওর সেলফ ডিফেন্স। শুভর বদ্ধমুল ধারনা আমি ওর জন্য চরম কুফা, তবুও সে কেন আমাকে প্রতিবার সঙ্গে করে নিয়ে আসে সেটা আমি নিজেও জানিনা।

দুপুর বেলা সবাই একসাথে খেতে যাই ক্যান্টিনে। অপরিচিত মেয়েদের সামনে বসে আরাম করে খেতে পারিনা আমি। তখন দেখি সম্পা তিথীকে মুরগীর মাংস আর হাড় আলাদা করে দিচ্ছে। আজব কাজ কারবার। মেয়েরা কত যে ঢং জানে :P মনে মনে হাসি আর বলি - শুভ খবর আছে তোর। খাওয়া দাওয়ার পর সবাই ল' ফ্যাকাল্টির মাঠে গিয়ে বসি। রানা আর সম্পা একটু দূরে বসে মনের সুখে প্রেম করে, আমি, শুভ আর তিথী বসে থাকি। হঠাৎ নিজেকে কাবাবের হাড্ডি বলে মনে হয়, তখনই কাজ আছে বলে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসি। বাইকে উঠে মনে হয় শুভ ভুল বলেনি। তিথীর চোখে আসলেও কেমন যেন একটা মায়া খেলা করে। দিঘীর মত শান্ত চোখ বোধ হয় একেই বলে।

ক্রমশ ...

 

প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: আর কত? :| অনেক বড় হয়ে গেছে এমনিতেই :P

২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১২
ভোর বলেছেন: আহারে ভাইয়া সেই ক্যাম্পাস সেই হলের কথা আবার মনে করিয়ে দিলেন। কত বছর কাটিয়েছি এখানে। অনেক ভাল লাগছে গল্পটা। ++++++++++
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ক্যাম্পাসের কথা ভোলা যায়না আসলে। জীবনের একটা অনেক সুন্দর সময় কাটিয়ে এসেছি ক্যাম্পাসে।

ধন্যবাদ আপনাকে :)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মামনি ... :)

(আমার ভাগ্নীর সংখ্যা দিনে দিনে বাড়তেছে কেন :P)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইমন। আপনাকে আমার ব্লগে দেখে ভাল লাগছে :)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্রোহি :)

৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ভাল হচ্ছে ... চলতে থাকুক ....

সেই সাথে ঝাতি লেখক আর মৌ এর ইটিশপিটিশের কাহিনীও ঝানতে চায় :P


আগের পর্ব থামায়া দিলেন ক্যান ?
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: এইটাও নতুন বোতলে পুরান জিনিস ;)

খিক খিক ... মৌ'এর কথা লিখতে মঞ্চায়, সাহসে কুলায় না :P

আগেরটা তো অসম্পুর্ণ গল্প ... শেষ হবেনা কোনদিন :P হি হি ... ওইটা লিখা আরাম পাইতেছিলাম না, তার টেস্ট চেঞ্জ করছি :P

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই :)

ভাল থাকবেন :)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই :)

৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
শত রুপা বলেছেন: তিথিকে একটু খাওন দাওন দিয়েন।
পরের অংশে ওরে একটু মোটা দেখতে চাই। :)
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: পাট খড়িরে আর মোটা কেম্নে বানামু? :`> :`> :`>

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
পাথুরে বলেছেন:
বাইকে উঠে মনে হয় রানা ভুল বলেনি
----------------------------------------
হুনলে পিডাইব..........
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: অ্যাঁ ... কে? /:)

১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভাবছিলাম শুধু হুমায়া চলে যাবো, বাট নায়িকা হিসেবে আমার ছোটবোনের নাম চইলা আসলো যে /:)
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: অ্যাঁ ... আর নায়ক হিসাবে? খাইছে ... সেইম সাইড হইয়া গেছে :P:P

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: পইড়েন কিন্তু :)

১৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৮
শয়তান বলেছেন: Countdown begins ... 5 more to go ... then ...
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ১০০ ব্লগ হবে :P

১৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪১
লুথা বলেছেন: অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ভাল হচ্ছে ... চলতে থাকুক ....

সেই সাথে ঝাতি লেখক আর মৌ এর ইটিশপিটিশের কাহিনীও ঝানতে চায় :P


আগের পর্ব থামায়া দিলেন ক্যান ?
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ঝাতীকে সব ঝানাইতে হয় না, টুপ সিকেরেট ;) :P

পরে আবার লেখুম আগেরটা :)

১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫১
শয়তান বলেছেন: ওপস্‌ । তাইলে ভুল হৈলো ।

আমি আমার সিগনালটা দিতে আসছিলাম ।5 more to go ... then ...
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: খেক খেক ;)

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য :)

১৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: মৌ এর কাহিনী জানানোর জন্য কি ঝাতির আন্দোলন করা লাগপে নাকি ? /:)
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: না, আপনারে ফোনে বইলা দিবো ... আপনে ঝাতিরে ঝানায় দিয়েন ;) অনেক লম্ভা কাহিনী :P

১৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৬
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আপ্নে মেইলান, আমি লিখে দিতেছি ;)
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: লিখতে পারুমনা, পায়ে ব্যথা /:)

১৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৭
এন এইচ আর বলেছেন: মৌ কোন কারণে হলো অন্যের বউ???????????????' ঝাতি কে ঝানাতে হবে.................। লিখা ভালো হয়েছে............ তবে খালি পুরান দিনে ফিরায়া নেয়......।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আরে মর জ্বালা ... যেইটার গল্প কই সেইটা শুনে না, যেইটা আউট অফ সাইট - সেইটা দিয়া কি হইবো? :(

খিক খিক ... ধইন্যা ...

২০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: টিকাচে সিরিজ ভাই...আমি অকন পরের পর্বে যাই...
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা ... ছন্দ দেখি রক্তে ঢুইকা গেছে :P

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: কেমন আছো ভাতিজা ...

২২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
বড় বিলাই বলেছেন: পরেরটা পড়ে একবারে মন্তব্য দিব।

শেষবার রানা নামটা যেখানে দিয়েছেন, ওটা কি শুভ হবে? নাকি আমিই ঠিকমত বুঝিনাই।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ... আরও একটা পর্ব দেবো একটু পরেই ;)

ঠিক করছি আফা, আপনে ঠিকই ধরছেন :|

২৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ঘটনা তো প‌্যাঁচগি খাইতাছে.. প্রেম করতে চায় শুভ। সেই রমনীরে দেইখা আপনের আপনের মন উচাটন ক্যান?? /:)
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: দুইন্নাটা বড়ই আজিব রে ভাতিজা /:)

২৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
কঁাকন বলেছেন: এই কথা গুলোই প্রতিবার প্রেমে পড়ার পর বলে শুভ। কিন্তু আমি জানি ভেতরে ভেতরে মেয়েটাকে আমাকে দেখানোর জন্য ছটফট করছে (রানা)।

(রানার) বদ্ধমুল ধারনা আমি ওর জন্য চরম কুফা, তবুও সে কেন আমাকে প্রতিবার সঙ্গে করে নিয়ে আসে সেটা আমি নিজেও জানিনা।


ব্র্যাকেটের রানা দুইটা মনে হয় শুভ হবে
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: ঠিক করছি :|

ধইন্যার আঁটি (১) :)

২৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১১
ভাঙ্গন বলেছেন: ভালু লাগসে।
স্বপ্নজয় করে এগিয়ে যানগা!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধইন্যার আঁটি (১) :)

২৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চলুক ............
ব্যস্ততায় আপনার সব লেখা পড়ার সময় হচ্ছে না।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: শেষ পর্ব দিয়ে দিছি আজকে সকালে :P

২৭. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: জোশিলা জোশিলা লাগছে...:)
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: হি হি ... ধন্যবাদ। পড়তে থাকেন ;)

১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: আল্লাহ বাঁচাইছে আমারে :|:|

২৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৫
নতুন রাজা বলেছেন: আপনি কি কৃষিবিদ? রাজশাহী কৃষি কলেজ থেকে পাশ করছেন? তাহলে তো আপনি নিজাম ভাইকে চিনেন তাইনা???
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: রাজশাহীর নিজাম? ছোটখাটো, চশমা পড়ে?

৩০. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: রানা আর সম্পা ???

নাকি নামে প্যাচ খাইয়ে দিলেন?
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ওইটা আরেক সম্পা :P

৩১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
নতুন রাজা বলেছেন: হ্যা, ছোটখাট চশমা পড়ে নিজাম ভাই। উনার গালফেন্ড (পরে বউ) -ও ওখানে পড়তো। আপনি কিন্তু আমার প্রশ্নের উত্তর দেন নাই। আপনি কি কৃষিবিদ। আমিও কৃষিবিদ। আমি বাকৃবি থেকে পাশ করেছি। আমার সেশন ছিলো ১৯৯৬-৯৭। আপনার কতো???
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: উত্তরটা তো দিয়েছি রে ভাই :P :P নিজামকে যখন চিনি তখন অবস্যই আমিও একই গোহালের গরু :P :P

আপনিও কৃষিবিদ শুনে ভাল লাগলো ভাই, আমাদের সেশন ১৯৯৩~৯৪। নিজামরা আমাদের অনেক ছোট, নিজাম রিমু আমার অনেক ক্লোজ ছিলো। আপনার সাথে কথা হলে আমার কথা বলবেন, ২০৫ নম্বর রুমের সুমন হিসেবে চিনবে আমাকে।

ভাল থাকবেন ভাই ... :)

৩২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
নতুন রাজা বলেছেন: আমি আর নিজাম ভাই এখন একই ইউনিভাসিটিতে চাকরী করি। আমরা হাজী মোহাম্মদ দানেশ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী ইউনির্ভাসিটি, দিনাজপুরে আছি ২০০৫ থেকে।

আমি নিজাম ভাইকে আপনার কথা বলবো। আমি গত দুইদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে আসলাম। নিজাম ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছিলো। উনার ছেলে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। আমি উনাকে ফোন করবো, আপনার কথা বলবো।

আপনিও ভালো থাকবেন ভাই...
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: :) :)

৩৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
আহাসান বলেছেন: "নতুন একটা মেয়ে পছন্দ হইছে রে" - সিগারেট শেষ করে লম্বা শ্বাস টেনে বলে শুভ। হেসে ফেলি আমি, পাঁচ বছরের রুমমেটকে চিনতে ভুল হয়নি আমার। "কোন বাসায় কাজ করে?"


হাসতে হাসতে শেষ...

জীবনে কোন মজাই করতে পারলামনা :(

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩২৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমায় যতটা জানি,
তুমি জলে আগুন জ্বালো!
বৃস্টি খোঁজোনি তুমি,
তাই বৃস্টি তোমায় খোঁজে!
প্রতিশোধ নেবে বলে,
অভিমানে পুড়ছে নদী!
চলনা,একটু কাঁদি....চলনা একটু কাঁদি....চলনা একটু কাঁদি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ