আপুর সঙ্গে পরিচয় তার একটা ব্লগে, যেখানে একজন প্রবাসী মা তার দেশে রেখে আসা সন্তানের মায়াময় মুখটি কল্পনা করে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছিলেন। স্বাভাবিক ভাবে অবাক হয়েছিলাম, কি করে পারে একজন মা তার সন্তানকে রেখে বিদেশে চলে যেতে, পরে জানলাম যে উনি অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ফিরে যাচ্ছেন দেশে। বিদেশে এসেছেন কয়েক সপ্তাহের একটা ট্রেনিং'এ। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেলো। আমার মত অনেকেরই নিজস্য কিছু বাধ্যবাধকতা থাকে, যা অনিচ্ছা সত্বেও মানুষকে আলাদা করে ফেলে তার সন্তানের কাছ থেকে।
ক্রমে আপুর সাথে পরিচয়টা জমে উঠতে লাগলো, বিশেষ করে যখন জানলাম আপু আর আমি একই গোয়ালের গরু
অসাধারন একটা মানুষ আমার আপু। স্বভাবজাত ভাবেই আমি তাকে "আফা" আর তুমি করে বলতে শুরু করি। বুঝতে পারি আমার আফার সাথে সব রকম দুষ্টুমী করা চলে, আফাও আমার মত ডোন্ট মাইন্ড ফ্যামিলীর মানুষ
আসলে কোন বাবা মা'ই তার সন্তানকে কম ভালবাসেন না। জাফনার কেয়ার নেয়া নিয়ে আফার সাথে ঝগড়া লাগানো আমার প্রিয় একটা কাজ
আজকে ৫ই ডিসেম্বর আমার আপুমনিটার জন্মদিন। সকালেই আপুকে মোবাইলে ম্যাসেজ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। খুব ইচ্ছে করছে আপুর বাসায় গিয়ে হাজর হয়ে না না পদের খাবারের অর্ডার দেই
আপুর জন্মদিনে আল্লাহর কাছে মিনতি করি - হে আল্লাহ, তুমি আমার আপুটার জীবনটা সুখ শান্তি আর আনন্দে ভরিয়ে দাও। তার সব কাজে স্বফলতা দাও। তাকে হাজার বছরের পরমায়ু দাও ... ( আর তার দিলে একটু রহম দেও যাতে বাচ্চাটারে বড় মানুষ না ভাবে
শুভ জন্মদিন আপুমনি ... অনেক অনেক শুভেচ্ছা ...
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


