somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সমসাময়িক - তেজস্ক্রিয়তা ও জাপানের সর্বশেষ পরিস্থিতি

১৯ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তেজস্ক্রিয়তা কি? *
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজষ্ক্রিয়তা বলে।


তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ: **
১) স্বল্পমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হওয়ার সাধারণ লক্ষণ হলো ঘণ্টা খানেকের মধ্যে চরম বিতৃষ্ণা বোধ ও বমি শুরু হবে। এরপর আস্তে আস্তে ডায়রিয়া, মাথাব্যথা ও জ্বর আসবে। প্রাথমিক লক্ষণগুলো কেটে যাওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ মনে হতে পারে অসুস্থতা আর নেই। কিন্তু এরপর আবার নানা লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

২) উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হলে আগের লক্ষণগুলোই প্রাথমিকভাবে দেখা যাবে, কিন্তু এ ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো দীর্ঘস্থায়ী আকার নেবে। সেক্ষেত্রে জ্বর ও রক্তবমি হবে। পরবর্তী সময়ে মাথার চুল পড়ে যাওয়া, শরীরে ক্ষত সৃষ্টি এবং ক্ষত সহজে সারবে না। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে। তবে সব কিছু নির্ভর করে আক্রান্ত ব্যক্তি কতক্ষণ ও কী মাত্রার তেজস্ক্রিয়তার মধ্যে ছিলেন তার ওপর। তেজস্ক্রিয়তা দীর্ঘস্থায়ীভাবে পাকস্থলী ও অস্থিমজ্জার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এ ছাড়া সাধারণভাবে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা ৫০ থেকে ১০০ মিলিসিভার্ট হলে রক্তের রসায়নে পরিবর্তন, ৫০০ মিলিসিভার্টে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিরাগবোধ, ৭০০ মিলিসিভার্টে বমি, ৭৫০ মিলিসিভার্টে দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে চুল পড়ে যাওয়া, ৯০০ মিলিসিভার্টে ডায়রিয়া, এক হাজার মিলিসিভার্টে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, চার হাজার মিলিসিভার্টে চিকিৎসা না হলে দুই মাসের মধ্যে মৃত্যু, ১০ হাজার মিলিসিভার্টে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যু এবং ২০ হাজার মিলিসিভার্টের বেশি হলে কয়েক মিনিটের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়বে এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যেতে পারে।

এ ছাড়া তেজস্ক্রিয়তায় শিশুদের ক্ষতি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর আশপাশের এলাকার শিশুরা ব্যাপক মাত্রায় গলগ্রন্থির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিল।

তেজস্ক্রিয়তার প্রাথমিক চিকিৎসা**
তেজস্ক্রিয়তার প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে আরও বেশি তেজস্ক্রিয়তা থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত জামা-কাপড় ও জুতা পরিবর্তন করতে হবে। এরপর সাবান ও পানি দিয়ে শরীর ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।



ফুকুশিমা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে কি হয়েছিলো



রিঅ্যাক্টরের ভেতর তেজস্ক্রিয় ফুয়েল রডগুলো পানির ভেতর ডুবানো থাকে, যা স্বাভাবিক ভাবে ২৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাজ করে। কিন্তু কোন কারণে পানির স্তর নীচে নেমে গেলে ফুয়েল রড গুলোর তাপমাত্রা ১২০০ ডিগ্রীতে পৌছাতে পারে, যা ফুয়েল রডগুলোকে গলিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট। একে মেল্ট ডাউন বলে। এর ফলে রিঅ্যাক্টরের ভেতর অনিয়ন্ত্রিত ভাবে পারমানবিক বিক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ফলে প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন হবে, এবং ফলাফল - প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ও রিঅ্যাক্টরের মেঝে গলে ফিয়ে প্রকৃতিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়া।

১) ১১ই মার্চ ভূমিকম্পের পর পরই মেল্ট ডাউন রোধের প্রথম প্রক্রিয়া চালু হয়ে যায়। রিঅ্যাক্টরের ভেতর বিক্রিয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে নিউট্রন শোষক পদার্থের তৈরি কন্ট্রোল রড প্রবেশ করানো হয়। এর ফলে রিঅ্যাক্টরের স্বাভাবিক কার্যকলাপ থেমে যায়। কিন্তু ফুয়েল রড গুলো তখনও গরম হয়েই ছিল। সেগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য রিএক্টরের ভেতর পানির সচল প্রবাহ কাজ করার কথা। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ভূকম্পনের পর পরই বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটি কাজ করেনি।

২) এরপর মেল্ট ডাউন রোধের দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি চালু হয়। এ সময় ডিজেল জেনারেটরের সাহায্যে উত্তপ্ত ফুয়েল রডগুলোর ওপর পানির স্প্রে করা হয়। কিন্তু ঘণ্টা খানেক পর ডিজেল জেনারেটর হঠাত করে বন্ধ হয়ে যায়। এ সময়ে প্রায় ১০ মিটার উঁচু সুনামির ঢেউ পাওয়ার প্ল্যান্টে আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এই কারণেই জেনারেটর বন্ধ হয়ে যায়।

৩) এর পর তৃতীয় আরেকটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হয়ে যায়। এই ব্যবস্থায় বাষ্পকে তরলে পরিণত করে রিএক্টরের ভেতর প্রবাহিত করা হয়। কিন্তু সে সময় রিএক্টরের পানির পরিমাণ এত নীচে নেমে যায় সে এই প্রক্রিয়াটিও কাজ করেনি। ফলে তাপমাত্রা ক্রমাগত ভাবে বাড়তে থাকে। একের পর এক তিনটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পরে।

প্রফেসর আকিদো ওমোতো, যিনি এই রিঅ্যাক্টরের ডিজাইনের সঙ্গে জড়িত, মনে করেন যে কোন ভাবে রিএক্টরের ভেতর তরল রিএক্টর থেকে বাইরে বেড়িয়ে পড়ে ও ভূমিকম্প এবং সুনামির ক্ষয়ক্ষতি রোধে নেয়া সকল ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। তখন রিঅ্যাক্টরের ভেতর সাগরের পানি প্রবেশ করানো হয়, যা রিঅ্যাক্টরটিকে নষ্ট করে ফেলবে, কিন্তু এর ফলে তেজস্ক্রিয়তার বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। কিন্তু ফুয়েল রডগুলো তখনও এত গরম ছিল যে রিঅ্যাক্টরের ভেতরের পানি বাষ্প হয়ে গিয়ে বাতাসের হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সাথে মিলে বিস্ফোরক তৈরি করে।

এর পরেই ঘটে বিস্ফোরণ ও বাতাসে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে।


ছবি: বাতাসের সাথে সাথে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাব্য এলাকা।

জাপানের সর্বশেষ পরিস্থিতি:



১৭ই মার্চ জাপান সরকার ফুকোশিমার আশে পাশে নিরাপত্তা এলাকা বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করেছে। সেখানে অবস্থানরত সকল লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। বিদেশীদের এই এলাকা থেকে দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে অথবা নিজ দেশে ফেরত যাবার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেবার জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেছে। বিস্ফোরণের স্থান থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে টোকিওতেও রেডিয়েশনের প্রভাব দেখা গেছে।


ছবিঃ টোকিওর সিবুইয়া ট্রেন স্টেশন থেকে ১৫ই মার্চ তারিখে প্রাপ্ত রিডিং


ছবিঃ ১৭ই মার্চ তারিখে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয়তার রিডিং

কিছু তথ্য:

১) মেল্ট ডাউনের আগে ফুয়েল রডের তাপমাত্রা ৩০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল।

২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ বাতাসে ভেসে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে, যা পরে বৃষ্টি ও তুষারের আকারে মাটিতে নেমে এসে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে।

৩) স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী তিন ধরনের তেজস্ক্রিয় পদার্থ হচ্ছে আয়োডিন ১৩১ (থাইরয়েড গ্রন্থিকে আক্রান্ত করে), ক্যাসিয়াম ১৩৭ (সফট টিস্যুকে আক্রান্ত করে), স্টোনটিয়াম ৯০ (দাঁত ও হাড় আক্রান্ত করে)।

৪) আয়োডিনের হাফ লাইফ হচ্ছে ৮ দিন, মানে তেজস্ক্রিয় আয়োডিনে ৮ দিন পরে অর্ধেক মাত্রার তেজস্ক্রিয়তা দেখা যায়।

৫) ক্যাসিয়াম এবং স্টোনটিয়ামের হাফ লাইফ হচ্ছে যথাক্রমে ২৯ ও ৩০ বছর।

৬) তেজস্ক্রিয়তার মূল ঝুঁকি তাৎক্ষনিক নয়, বরং বছরের পর বছর এর ক্ষতিকর প্রভাব চলতে থাকে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চাষাবাদ সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

৭) চেরনোবিল দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ছিল ৫০০ বর্গ কিলোমিটার, কিন্তু উন্নত ডিজাইন ও কর্ম পদ্ধতির ফলে ফুকিশিমার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ অনেক কম হবে।

ফুকুশিমা দাই-ইচি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের রিঅ্যাক্টর গুলোর তথ্য:

১) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ১ = কিছু ফুয়েল রডের মেল্ট ডাউনের ফলে শনিবার ১২ই মার্চ বিস্ফোরণ ঘটে। এখনও আরও মেল্ট ডাউন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

২) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ২ = ১৫ই মার্চ তারিখে বিস্ফোরণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে এর ভেতরে রিএক্টরের দেয়াল ভেঙ্গে পড়েছে।

৩) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ৩ = সোমবার ১৪ই মার্চ তারিখে বিস্ফোরণ ঘটে ও রিএক্টর বিল্ডিং ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে তেজস্ক্রিয় পানি ও বাষ্প বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।

৪) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ৪ = ১৫ই মার্চ এই রিএক্টরে আগুন ধরে যায় ও বিস্ফোরণ ঘটে।

৫) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ৫ = পানিতে নিমজ্জিত ফুয়েল রড গুলোর তাপমাত্রা ১৪৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট (স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৭৭ ডিগ্রী ফারেনহাইট)।

৬) রিঅ্যাক্টর নাম্বার ৬ = পানিতে নিমজ্জিত ফুয়েল রড গুলোর তাপমাত্রা ১৪০ ডিগ্রী ফারেনহাইট (স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৭৭ ডিগ্রী ফারেনহাইট)।



বাংলাদেশে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব:

গুজব - "বাতাসের ভেসে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে তেজস্ক্রিয় মেঘ, যে কোন সময় এসিড বৃষ্টি হতে পারে"



ছবিতে দেখুন, বাতাসের বেগ বাংলাদেশের দিকে নয়, চলে গিয়েছে উত্তর আমেরিকার দিকে। আতঙ্কিত হবার মত এখনও তেমন কিছু ঘটেনি। বাতাসের গতিপথ পরিবর্তিত হলে অস্ট্রেলিয়ার দিকে তেজস্ক্রিয়তা বাহী মেঘ চলে আসতে পারে। কিন্তু কোন ভাবেই বাংলাদেশের দিকে নয়।

তবে জাপান থেকে খাদ্য সামগ্রী আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যেতে পারে, যেহেতু তেজস্ক্রিয়তা পরবর্তী প্রভাবের আশঙ্কা রয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের কয়েকটি দেশ এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। গুজব ছড়াবেন না, গুজবে কান দেবেন না। সূত্র যাই হোক না কেন, পরখ করে নিন। একটি নয়, কয়েকটি সূত্র থেকে খবর নিন।



বাংলাদেশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা:



IRIS Seismic Monitor - Recent Earthquakes থেকে পাওয়া সর্বশেষ চিত্র। ছবিতে দেখুন গত ৫ দিনে বাংলাদেশে ও আশেপাশে অনেকগুলো ভূকম্পনই হয়েছে, যা কোন ক্ষতির কারণ হয়নি এখন পর্যন্ত। জাপান তিনটি টেকটনিক প্লেটের (ইউরেশিয়ান প্লেট, ফিলিপাইন প্লেট ও প্যাসিফিক প্লেট) ওপরে রয়েছে, ফলে এ অঞ্চলে ভূকম্পন মারাত্মক ভাবে ও বেশী হয়। তিনটি প্লেটের সংঘর্ষ স্থলটিকে রিং অফ ফায়ার বলে, কারণ এই অঞ্চলে ভূকম্পন ও সিসমিক এক্টিভিটি (লাভার স্রোত ও প্লেটের ঘর্ষণ) অত্যন্ত বেশী।



বাংলাদেশ এই রিং অফ ফায়ারের বাইরে রয়েছে। কিন্তু তবুও বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ একটি অঞ্চল। প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরীর (বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট) মতে, ঢাকায় একটি ৭.৫ মাত্রার ভূকম্পনে ৮৮০০০ মানুষের মৃত্যু ও ৭২০০০ বাড়িঘর ধ্বংস হবে, আরও ৮৬০০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চট্টগ্রামে এই মাত্রার ভূকম্পনে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

পরিভাষা:

টেকটনিক প্লেট: পৃথিবীর উপরিতল একাধিক শক্ত স্তরে বিভক্ত। এগুলিকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। কোটি কোটি বছর ধরে এগুলি পৃথিবীর উপরিতলে এসে জমা হয়েছে। টেকটনিক প্লেট মূলত পাথরের তৈরি, এর উপরিভাগ মাটি, বালি ও জীবাশ্ম দিয়ে তৈরি। টেকটনিক প্লেট ১৫ কিলো মিটার থেকে ২০০ কিলোমিটার পুরু হতে পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে থাকা গলিত ম্যাগমা বা লাভার ওপর এগুলোর অবস্থান।



পারমানবিল রিঅ্যাক্টর কিভাবে কাজ করে জানতে পড়ুন: জাপানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ - কারণ অণুসন্ধান ও কিছু তথ্য

তথ্যসুত্রঃ
১) * = উইকিপিডিয়া
২) ** = দৈনিক প্রথম আলো
৩) ডেইলি টেলিগ্রাফ; ১৮ই মার্চ ২০১১
৪) নিউ ইয়র্ক টাইমস; ১৮ই মার্চ ২০১১
৫) এম এক্স নিউজ পেপার; ১৮ই মার্চ ২০১১
৬) গুগল ডট কম
৭) ব্লগার মুকুট ভাই
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৪৮
২৪টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×