প্রতিদিনের মত, কাজের শেষে,
চলেছে রাস্তায় অতি তাড়াতাড়ি।
উদ্বেগে, চিন্তায়, ভরা মুখ, ভাঙা গাল ,
যেতে হবে বাড়ি ।
ছেলেটার জ্র , মেয়েটার কাশি-
টানাপোড়েনে স্ত্রীর মুখ যেন ঝড়া ফুল বাসি।
অনিচ্ছায় - বোঝা বয়ে নিয়ে যাওয়া বলদের মতো,
কোনদিকে নেই হুশ– চারিদিকে বিপদ যে কতো।
গাড়ি ঘোড়া পার হয়ে এসে
ওঠে ফুটপাতে,
জীবন করতে হরণ
মরণ যে ফাঁদ পাতে।
খোলা ম্যানহোলে ডুবে গেল পূর্ণ শরীর,
নেই পাশে কেউ তারে আনিতে বাহির।
দম বন্ধ হয়ে আসে, তখনো মনেতে আশা–
ছেলে, মেয়ে, বন্ধু, পরিজন, স্ত্রীর ভালবাসা।
উদ্বেগে মাখানো মুখে, অভিমানে ভরা দুটি চোখ,
প্রতীক্ষায় ভাবে — এখনো আসেনা, কি দায়িত্বহীন লোক!
সব শেষ হয়ে গেছে, আসবেনা আর,
শেষ হবে না তার ব্যর্থ প্রতীক্ষার
প্রতিদিন - “চলছে চলবে, আমাদের দাবী মানতে হবে”।
মরণমুখী ম্যানহোলের ঢাকনাটাখোলাই কি রবে?
খোলা ছিল ম্যানহোল-দোষ তাতে কার?
হয়ে গেল তছনছ একটা নির্দোষ সংসার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



