সিং জী এখন পর্যন্ত ১২টা প্রশ্নের সঠিক জবাব দিয়েছেন। ১৩ নাম্বারটার সঠিক এন্সার দিলে উনি ২৫ লাখ রুপি জিতবেন। উনি এখন পর্যন্ত ২টা লাইফ লাইন বাঁচিয়ে রেখেছেন, সেগুলো হলো ফিফটি ফিফটি আর ফোন আ ফ্রেন্ড।
অমিতাভঃ আপ কি ১৩থ কোয়েশ্চান ২৫ লাখ কে লিয়ে,ইয়ে রাহা আপকি সামনে কম্পিউটার স্ক্রিনপার।
সর্দার জ্বী খুব টেনশিত লাগলো।
অমিতাভ বচ্চনঃ Who is the father of Abhishek Bachchan? Your options are...
অমিতাভ বচ্চনঃ সিং জী, কিয়া জাবাব হ্যায় আপকি পাস? (মুচকি মুচকি হাসতে থাকেন)
কিন্তু সর্দারজ্বীকে অত্যন্ত চিন্তিত লাগে।
অমিতাভঃ আপকে পাস আভি ভি দো লাইফ লাইন হ্যায়।
সর্দার জীঃ আই থিঙ্ক ইটস নাম্বার A। বাট আই এম নট শিঊর। ম্যায় ৫০-৫০ ইউজ কারনে চাহুঙ্গি।
অমিতাভঃ ওকে কম্পিউটার জ্বী। দো গালাত জাবাব মিটা দি জিয়ে।
কম্পিঊটার দুইটা ভুল এন্সার ডিলিট করে দিল। এবার স্ক্রীনের চেহারা হলো এই রকম।
কম্পিউটারের জবাব দেখে অমিতাভ অজ্ঞান হয়ে গেলেন।
টেকনিশিয়ান আর প্রোগ্রাম ক্রু রা মুখে পানির ছিটা দিয়ে তার জ্ঞ্যান ফিরিয়ে আনলেন।
কিন্তু সর্দারজ্বী আরো বেশি করে কনফিউজ হয়ে গেলেন এবং শেষ লাইফ লাইন ফোন এ ফ্রেন্ড ইউজ করতে চাইলেন।
অমিতাভ মুখ কালো করে জিজ্ঞেস করলেনঃ তো আপ কিসসে বাত কারনা চাহেঙ্গে?
সর্দারজ্বী জানালেন উনি জয়াবচ্চনের সাথে কথা বলতে চান। তাকে ফোন লাইনে কানেক্ট করে দেয়া হলো।
সর্দারজ়্বীঃ জয়া জ্বী। হু ইজ দ্যা ফাদার অফ অভিষেক বচ্চন?
জয়া বচ্চনের এন্সার শুনে এবারে সর্দারজ্বী অজ্ঞান হয়ে গেলেন। কারন।
জয়া বচ্চনঃ অপশন কিয়া হ্যায়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

