আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

বিডিআর

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৪

শেয়ারঃ
0 5 0

দুপুরবেলা মেগা সিটি বাস প্রায় খালি যায়। পছন্দ মতো সীট পেতে সমস্যা হয় না। বাস টানেও বেশ তাড়াতাড়ি। ধানমন্ডিতে এসে অবস্থা খারাপ। রাস্তা পুরা স্থবির। বাস সামনেও আগায় না পিছেও না। অনেকক্ষন পরে টের পেলাম। ওদিক থেকে মিছিল আসছে। বিডিআর সৈনিকরা যাচ্ছে আবাহনী মাঠে। বয়স্ক দাড়ি ওয়ালা একজন আবার সদ্য কৈশোর উর্ত্তীন্ন আরেকজন। কারো পায়ে স্যান্ডেল গায়ে টি-শার্ট আবার কারো গায়ে শার্ট-প্যান্ট। চুলের কাটিং আর হাঁটার স্টাইলই না, পেশাদার সৈনিকের চেহারার মধ্যেই লেখা থাকে সৈনিক। লুকানো যায় না। ইনফেন্ট্রির বইতে একটা কথা পড়েছিলাম। যখন প্রচন্ড প্রতিকুল পরিবেশে দেখবে এক লোক হাতে রাইফেল কাধে বিশাল বোঝার ভারে নুয়ে পড়েছে কিন্তু তার মাথা গর্বিত ভঙ্গিতে উড্ডিন, বুঝে নেবে সে একজন ইনফ্যান্ট্রি।
পরাজিত মানুষ দেখতে খুব খারাপ লাগে। পরাজিত সৈনিকের মাঝে এমন একটা জিনিস থাকে যেটা লুকানো যায় না। বিডিআরের সৈনিকদের অবশ্য পরাজিত সৈনিক বলা যায় না। আমার গত পোস্টটা দিয়েছিলাম বিদ্রোহের রাতে। কথাটা একটু নির্মম ছিল। যতোই যা হোক একজন সামরিক বাহিনীর লোক নির্বিচারে মানুষ হত্যা করছে কিংবা মিউটিনির সাথে জড়িত হচ্ছে এটা মানা যায় না। বিডিআর উচ্ছৃঙ্খল সদস্যরা সে সময় বেশ ইমোশান আদায় করে ফেলেছিল। ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম অনেকে প্রোফাইল পিকচারে বিডিআরের লোগো ব্যাবহার করছে। গন হারে গালি খেয়েছিলাম। বিদ্রোহ অবসানের পরে নারকীয় বর্বরতা প্রকাশ পেল, যারা বিডিআরের লোগো ব্যাবহার করছিলো তারাই দেখলাম কালো ব্যাজ ধারন করলো। বর্বরতার ঘটনা প্রকাশ পেল তখন। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় মনে হলো মুল ঘটনা শুরু করেছিল অল্প কিছু সৈনিক। হয়তো এক সেকশান বা দুই সেকশান খুব বেশী হলে এক প্ল্যাটুন। বাইরের হাত থাকার কথাও জোরে শোরে শোনা যাচ্ছে। আবার বিডিআরে দূর্নীতি হয় না কিংবা সৈনিকরা বঞ্চিত হয় না একথাও ভুল না। একই ভাবে সঠিক কথা হচ্ছে মুষ্টিমেয় সৈনিক এই ন্যাক্কারের সাথে জড়িত। উস্কানী আর ঘটনার ঘটার পরে প্যানিক থেকে আরো শ-খানেক সৈনিক জড়িয়ে গেছে।
আবাহনী মাঠের সামনে যেই স্রোতটাকে দেখলাম এরা সবাই ইউনিফর্ম ছাড়া সৈনিক। রিপোর্ট করতে আসছে। তাদের চোখে ভয়, শঙ্কা আর আতঙ্ক। কিন্তু তাদের পরিবারের চেহারা আরো করুন। আবাহনী মাঠের দেয়ালের ওপাশ থেকে সৈনিকেরা উকি ঝুকি দিচ্ছে। ইউ আই ইউ ইউনিভার্সিটির সামনের টং দোকানে ভয়ার্ত চেহারা নিয়ে সিগারেট টানছে। এটা অবশ্য গতকালের চেহারা। আজকের এরা অনেক শান্ত। এক ২০/২২ বছরের সৈনিকের সাথে করে আসছেন এক বৃদ্ধা। সম্ভবত মা। বেচারার বোরখার ঢাকনি টাকনি সব এলোমেলো। কেঁদে হুলুস্থুল। লোকজন ভীর করে দেখছে। রাইফেলস স্কয়ারের সামনে এক বাচ্চা বয়সী সেকেন্ড লেফট্যান্টকে দেখে মনে হলো পুরো ব্যাপারটায় সে বিব্রত। আর্মির কম্ব্যাট গ্রীন ড্রেসে মানাচ্ছে না। রাইফেলস স্কয়ারের সামনে ইউনিফর্ম পড়া জওয়ানরা। লোকজন গ্রীলের ওপাশ থেকে দেখছে। ব্যাপারটা খারাপ লাগলো খুব।
ক্যাপ্টেন মৌসুমীর হাজব্যান্ড মেজর গাজ্জালী। ক্যাপ্টেন মৌসুমী মিলিটারী একাডেমীতে আমার সিনিয়র ছিলেন (৪৭ লং কোর্স)। মজার ব্যাপার তাঁর সাথে তেমন পরিচয় না থাকলেও মেজর গাজ্জালীকে খুব ভালো করে চিনতাম। খুব হাসি খুশি প্রান উচ্ছল মানুষ। তিন বছরের একটা বাচ্চা আছে তাদের। খুব গল্প করতেন। মেজর গাজ্জালীর মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে না। ক্যাপ্টেন মৌসুমী কাপড়ে মুখ ঢেকে লাশ খুজছে। সব পত্রিকায় ছবিটা দেখলাম ।
বছর খানেক আগে জনৈক মেজর সাহেবের সাথে পরিচয় হয়েছিল। প্রতিভাবান অফিসার। তার বিকৃত লাশটা টিভির খবরে দেখলাম।

বাসে এক লোক উত্তেজিত বক্তৃতা দিচ্ছে। বিডিআরের সৈনিকদের দেখিয়ে বললেন এরা সব ট্রেইটর। এদের ইয়ে দিয়ে বন্দুকের নল ঢুকিয়ে ফায়ার করা উচিত। বর্বরতার বর্ননা সহ বলতে থাকেন কি কি শাস্তি দেয়া উচিত। বিডিআর জিনিসটাই উঠিয়ে দেয়া উচিত। আর্মি আর পুলিশ মিলে বর্ডার পাহারা দেব এরকম থিওরী গলার জোরে বলছিল। কথা শুনেই বুঝলাম সামরিক বাহিনী সম্পর্কে তার কোন ধারনাই নেই। কয়েকদিন আগে দেখেছিলাম একজনের ব্লগে আর্মি উঠিয়ে দেবার দাবী। আমার গন্তব্য ছিল মতিঝিল। ভদ্রলোকের বকবকানী সহ্য করতে না পেরে সায়েন্স ল্যাবে বাস থেকে নেমে গেলাম। আজকে শুনলাম বিডিআর উঠিয়ে দেবার দাবী। কোন ইউনিটে বিদ্রোহ হলে সেই ইউনিট ভেঙ্গে দেয়া হয়। নেভীতে শীপটাকে ডি-কমিশান করে দেয়া হয়। বিডিআরে কি হবে জানি না। নিরপরাধ জওয়ানরা যেন ভালো থাকে। বাংলাদেশ আর্মির উপরে অনেক আস্থা আছে আমার।

ইউ-আই-ইউ ইউনিভার্সিটির সামনে গন মিছিল যাচ্ছিল। অসংখ্য সৈনিক তাদের পরিজন নিয়ে লাইন ধরে যাচ্ছে রিপোর্ট করতে। একটা দৃশ্য চোখে লাগলো। একজন সৈনিক হেটে যাচ্ছে। তার একটা হাত শক্ত হাতে আকড়ে ধরেছে তার অল্প বয়সী গ্রাম্য স্ত্রী। সৈনিকের কাধে একটা শিশু। বড় বড় চোখে চার পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছে বাবার সাথে। বিভুতীভুষনের অপুর সংসার দেখে যারা মুগ্ধ হন তাদের বলি, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কথার কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৯
দেশী পোলা বলেছেন: ভাল লিখেছেন, দেশের জন্য প্রার্থনা করেন, এখন দুঃসময়
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: যার যার অবস্থান থেকে নিজের কাজটা করে যাওয়া উচিত। আমি ঘোরাঘুরির মধ্যেই আছি।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৪
রাজর্ষী বলেছেন: এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে। .... এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: জ্বী।

৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৫
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
হ মৃত্যুর আশংকা সবার মনে, দৃশ্য টা কেমন হতে পারে ভাবছি।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: দেখতে খুব খারাপ লাগে।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নাই। কেমন আছে দাউদ ভাই?

৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৯
মাবরুকা তোয়াহা বলেছেন: অন্যায় না করে যেন সাজা না পায় ... এই টাই আশা ...
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: সহমত। বিডিআর পুনর্গঠিত হলেও যেন অধিনায়কেরা সতর্ক থাকে। চেইন অফ কমান্ড যেন কখনো ফল না করে।

১০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২০
অদ্ভুত শূন্যতা বলেছেন: চমৎকার লেখা। ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনেও মঙ্গলে থাকেন।

১২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৭
এখনই সময় বলেছেন: একটা কথা মনে রাখা দরকার সেনা আফিসারদের বাচাতে গিয়ে কিছু বিডিআর জোয়ান মারা গেছে বিদ্রোহীদের কাছে, হয়তো তাদের সংখ্যা নগন্য। তাদের কথাও স্মরন রাখা উচিৎ।

কৃতঙ্ঘতা বোধ বলে কিছু থাকা দরকার।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগ সৈনিকই কিন্তু অধিনায়ককে শ্রদ্ধা করে। এটাই চেইন অফ কমান্ড।

১৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫০
'লেনিন' বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটি।

"লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগ সৈনিকই কিন্তু অধিনায়ককে শ্রদ্ধা করে। এটাই চেইন অফ কমান্ড। "

অবাক লেগেছে শুনে জেসিও ২০০০জনের মতো নাকি আক্রমণের শুরুতেই হল ত্যাগ করে, কাহিনী হয়তো আমরা সব জানবো না কখনোই।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: সন্ত্রাসীরা হাতে অস্ত্র পেলে গুলি করা সুযোগ খোঁজে। আর পেশাদার সৈনিকেরা সতর্ক হয়। মিলিটারী ট্রেনিং এ ব্রেইন ওয়াশ করে পাকা পাকি করে মাথায় ঢোকানো হয় এমুনিশান থাক না থাক হাতিয়ার কারো দিকে তাগ ভুলক্রমে হলেও ভয়ঙ্কর শাস্তি।

১৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ!
১৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ভালো হয়েছে লেখাটি। আমিও গতকাল লিখেছিলাম একটা। খারাপই লাগছে নির্দোষ লোকগুলোর জন্য।

ক্যাপ্টেন মৌসুমী মানে কি ফাহমিদা মহসিন? ৪৭ ব্যাচের?
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: এএসসি কোরের। পুরা নাম তো জানি না।

১৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০০
শিলু বলেছেন: সঠিক তদন্ত হোক, নিরপরাধরা যেন শাস্তি না পায়।


মজা পেলাম। প্রিয়তে নিলাম। +
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: আবেগ দিয়ে যেন তদন্ত না হয়।

তবে ব্লগের অনেকেই মনে হয় নিজেরাই তদন্ত করে ফল বের করে ফেলেছে। একজন জানালেন ইন্ডিয়ার চক্রান্ত আরেকজন জানালেন বি-এন-পি করেছে। আসল অপরাধী কে এইটা নিয়ে চিন্তাযুক্ত আছি।

১৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৬
রাগিব বলেছেন: ভালো লাগলো।

আহ, আপনার পোস্টের শেষে বর্ণিত সেই শিশুটির বিষ্মিত মনটা যেন অমনই থাকে। অপরাধী সবার বিচার চাই, নিরপরাধ সবাই থাকুক নিরাপদে।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই বিক্রমপুর নিয়া একটা ড্রাফট বানাইছি। যখন তখন পোস্ট দিয়া দিব। ছবি তুলছি অনেক কাজে লাগলে ব্যাবহার করতে পারেন।

২০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৬
দেবদারু বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন, আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টটি দেয়ার জন্য.... ++
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেবদারু ভাই। ভালো থাকবেন।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই।

২২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৫
মনির হাসান বলেছেন: অসাধারন ... সৌম্য ... অসাধারন ।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: মনির ভাই। ধন্যবাদ। আপনি ভ্যানিশ হইছেন?

২৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৮
নকীবুল বারী বলেছেন: আসল সত্য বেরিয়ে আসুক এটাই চাই। প্রতিহিংসার খাতিরে বিডিআরদের প্রতি যেন অবিচার করা না হয়।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: আশা নিয়েই বেচে থাকা।
নকীবুল ভাই। চাকরী শুরু করছেন বললেন। মিষ্টি পাই নাইক্ক্যা

২৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৬
বিদঘুটে বলেছেন: ভাল লাগলো পড়ে....সৌম্য....।

দূর্যোগের এই মেঘ কেটে যাবে, এই আশাই আমাদের সবার।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: আশা নিয়ে স্বপ্ন দেখা ছাড়া সাধারন মানুষ কি আর করতে পারি। গুজব ছড়ানো কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ছাড়া।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: আসেন দেখি।

২৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৬
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: লেখাটি খুব ভালো লাগলো। অসাধারণ। আশা করি এই বারুদের গন্ধ কেটে যাবে। আমরা বাঙ্গালি হলাম অসম্ভব রকমের ঘুরে দাঁড়াবার ক্ষমতা সম্পন্ন এক জাতি। সময় কি হয়নি আমাদের ঘুরে দাঁড়াবার?
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা খুব ভালো লেগেছে সাদাত ভাই। আশার জন্ম দেয়, পজেটিভ বানায়। ধন্যবাদ।

২৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৭
ইয়ামিন বলেছেন: আসলে সময় এসেছে আমাদের এসব নিরপরাধ বিডিআর দের পাশে দাড়ানোর। শহীদ আর্মি অফিসারদের জন্য সরকার ব্যাবস্হা নিবে। কিন্তু একটা শহীদ বিডিআর জোয়ান যেন বাদ না যায় সরকারের দৃস্টি থেকে সাহায্য পাবার। এমনিতেই এসব সাধারন জোয়ানরা অনেক গরীব, তার মধ্যে গণহারে তাদের সবাইকে দায়ি করা মোটেও ঠিক হবে না। আসুন আমরা সবাই মিলে হত্যাকারিদের বিচার চাই এবং এই শহীদ বীরদের (সেনা কর্মকর্তা ও বিডিআর জোয়ানদের) সঠিক সম্মাননা জানাই। এবং এটাও নিশ্চিত করি যেন একটিও নিরপরাধ প্রাণ যেন ঝড়ে পড়ে আমাদের কাছ থেকে, নইলে আমরা কেউ বিবেকের কাছ থেকে রেহাই পাব না।
২৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৬
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বিধাতা এই শোক সইবার ক্ষমতা দিন.....

খুব ভালা লিখেছেন।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাদশা ভাই।

৩০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: শান্তি চাই,শাস্তি চাই,স্বস্তি চাই।অসাধারণ লিখেছেন।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: শান্তি আর ভাতৃত্ববোধ

৩১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৫
আবূসামীহা বলেছেন: কী যে বলব বুঝিনা। আশা করি আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে নিরাপত্তাহীনতায় ঠেলে দেবেনা রাজনীতিকরা।
লেখাটা অসাধারণ হয়েছে।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: সাধারন জনগনও কম না। ব্লগেই দেখেন অনেকেই ঘটনার নেপথ্যে কারা আছে সেই রহস্য সমাধান করে ফেলেছেন।

৩২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫১
সোনার বাংলা বলেছেন:

সেনাবাহিনীর প্রতি মিড়িয়ার বিদ্বেষী আচরণ এবং বিডিআরের বিদ্রোহীদের কে স্যালুট
মারা মিড়িয়া যে কি করতে পারে মানুষের এবার একটু বুঝা উচিত। তথ্য সন্ত্রাস যে
কি? যদি এবার বুঝে....
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আবার আর্মির অফিসারেরা ধোওয়া তুলসী পাতা এমনও না।

৩৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
সোনার বাংলা বলেছেন:
তা যে না সবাই জানে। তবে মিড়িয়া কি কোন ব্যক্তি বিশেষ কে নিয়া মত্ত হইছিলো
নাকি পুরা সেনাবাহিনী কে নিয়া? পৃথিবীর কোন দেশের মিড়িয়া মনে হয় তাদের
সেনাবাহিনীর প্রতি এভাবে বিদ্বেষী ভাব প্রকাশ করে না। ভারত আমেরিকান আর্মিতে
ও দুর্নীতি হয়। এই কিছু দিন আগেই প্রকাশ পেয়েছে যে ইরাক যুদ্ধের সময় এবং পরে
আমেরিকান আর্মির কর্মকর্তারা প্রচুর লুটপাট করেছে। এমন কি এক আর্মি কর্মকর্তা
ডলারের বস্তার সারিতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছে! কিন্তু সে দেশের মিড়িয়া পুরা বাহিনী কে
ধোলাই করে নাই। এবং মিড়িয়াজীবিরা সেনাবাহিনী কে নিয়ে হাসি তামাশা করে নাই।
সেনাবাহিনীর বাজেট ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কমাইতে কয় নাই!

এ পৃথিবীতে তুলসী পাতায় ধোয়া একমাত্র আমাদের রাজনীতিবিদেরা যারা সংসদে
সেনাবাহিনী কে ভালো করে ধুইয়ে ছিলো।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন: সহমত।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: পিকনিক-এ নাম যুক্ত করেছি।

৩৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৪০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমার চোখে জল এসে গেল...........
৩৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
অিপ্রয় সত্য বলেছেন: "নিরপরাধ জওয়ানরা যেন ভালো থাকে। বাংলাদেশ আর্মির উপরে অনেক আস্থা আছে আমার।"

প্লাস
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আমারো আছে। আজকে টিভির খবরে দেখলাম বাংলাদেশের ওয়ান এন্ড অনলি রাজাকার সাংসদ সাকাচৌ বলেছে বিডিআর বিদ্রোহে নিহত কিছু প্রানী।
এরা কোন টাইপের প্রানী?

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
আহমেদ রাকিব বলেছেন: জানিনা আসলেই এটা হবে কিনা। অন্যায় না করে যেন কেউ সাজা না পায়। যদি তাই হয় তবে একি ঘটনার পূনরাবৃতি হবে।

লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ। কয়েকদিন ধরে মাথায় যেই কথা গুলো ঘুরছিল অসম্ভব সুন্দর করে তা লেখার জন্য।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: বর্ডার রক্ষীদের সারাজীবন দরকার হবে যেমন দরকার সেনাবাহিনীকে। ব্যাপারটা যেন সরকার আর উচ্চ মহল এমন ভাবে হ্যান্ডেল করে যাতে ক্ষোভ চাপা পরে না থাকে। ভবিষ্যতে জাতীয় ঐক্যে যেন ফাটল না ধরে।

৩৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
শঅন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগল।ভাল থাকবেন।।
৪০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
দোষীদের শাস্তি হোক ।

কিন্তু কোন নিরপরাধ বিডিআর যেন শাস্তি না পায় । কোন নিরপরাধ জওয়ান এর স্ত্রী যেন স্বামী না হারায়, কোন নিরপরাধ জওয়ান এর মা যেন তার সন্তান না হারায়, কোন নিরপরাধ জওয়ান এর সন্তান যেন তার পিতা না হারায় এই কামনা করছি বিধাতার কাছে ।
৪১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
লবঙ্গ বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো। শেষের লাইনগুলোতে চমৎকার ভাবাবেগ ফুটে উঠেছে। সবার মত আমার ও দাবী অপরাধীরা শাস্তি পাক আর প্রার্থনা করি নিরপরাধীরা নিরাপদে থাকুক।
৪২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
সালমা শহীদ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। নিরাপরাধ মানুষ যেন ক্ষিতগ্রস্ত না হয়। যারা দায়িত্বশীল তাদের এ বিষয়ে বেশী সচেতন থাকা উচিত।
৪৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার একটা মতামত জানতে চাই:

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যারা ষড়যন্ত্র, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটে জড়িত ছিলো তাদের শাস্তি হবে।

১. উপরের অপরাধগুলো মানে ষড়যন্ত্র, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটে জড়িতদের সংখ্যা তেমন বেশী না বলে উল্লেখ করেছেন।
আপনার মতামতটা আরেকটু পরিস্কার করে জানতে চাচ্ছি।

ক. ষড়যন্ত্র আর হত্যায় কতজন যুক্ত থাকতে পারে?
খ. লুটপাট/অগ্নিসংযোগে কতজন?

২.
ষড়যন্ত্র আর হত্যায় জড়িতদের মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড হওয়া উচিত সন্দেহ নেই (হয়তো বিশেষ ট্রাইবুনালে শেষমেষ ফায়ারিং স্কোয়াডেই পাঠাবে), কিন্তু অগ্নিসংযোগ/লুটপাটে অংশ নেয়াদের কি ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানো বা মৃত্যদন্ড দেয়া যুক্তিযুক্ত হবে?


৩.
তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আগেই যে "অপারেশন রেবেল হান্ট" নামে সেনাবাহিনী মাঠে নেমে গেল, সারা দেশে ছড়িয়েও পড়লো -- এটাতে কি সেনাবাহিনীর উপর "অনেক আস্থা" রাখতে পারছেন?
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: ১। বিদ্রোহটা অর্গানাইজ মনে হয় নি। সৈনিকেরা আকাশে গুলি করছে, সিভিলিয়ানদের গুলি করছে। কিন্তু বাঙ্কার খুড়ে ডিফেন্স নেয়নি। বালুর বস্তা দিয়ে বানানো মেশিনগান পোস্ট আশা করেছিলাম। তাও নেই। ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি বাইরের ষড়যন্ত্র হলেও এটা ১/২ সেকশান অথবা ১ প্ল্যাটুন খুব বেশী হলে ৫০/৬০জন সৈন্য শুরু করেছিল যারা রহস্যময় ভাবে অস্ত্রাগার লুঠের আগেই অস্ত্র পেয়ছিল। বাকিদের খুব স্বার্থকতার সাথে উত্তেজিত করে লুঠপাট হত্যায় ইনভল্ভ করে। ম্যাসাকার চালিয়ে সাধারন সৈনিকেরা বুঝতে পারে তারা কি করে ফেলেছে। প্রথম ১ঘন্টায় যা করেছে তা ঝোকের মাথায় হুজুগে। করেই প্যানিকড হয়ে গেছে হয়তো। বাকীটা প্যানিক থেকে। আমার এমন ধারনা।

২। আর্মি/নেভী/ এয়ারের বিচারের জন্যে নিজস্ব একটা বই আছে। এমবিএমএল (ম্যানুয়াল বুক অফ বাংলাদেশ ফর মার্শাল ল)। বিডিআরেরও বিচার এর নিজস্ব ব্যাবস্থা আর আইন আছে। আর্মড মিউটিনির বিচার সিভিল কোর্টে করার উপায় নেই। মার্শাল কোর্টেই হবার কথা। সমস্যা এখানেই যারা সুযোগ বুঝে লুঠপাটে অংশ নিয়েছে তারাও কিন্তু মিউটিনির অংশ। হত্যা আর লুঠ-পাট সিভিল কোর্টে আলাদা গুরুত্বের অপরাধ। কিন্তু মার্শাল কোর্টে মিউটিনি সবচেয়ে বড় অপরাধ। সামরিক আইন গুলো হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্য, অভিজ্ঞতা থেকে আসছে। এগুলো নিয়ে মন্তব্য করার মতো প্রজ্ঞা আমার নেই। তাই এটুকুই বলতে পারি।

৩। হ্যা, আস্থা আছে। রেবেল হান্টের দরকার আছে। পালিয়ে যাওয়া সদস্যদের এখন খুব দরকার। তারা ভয়ে আসছে না। কিন্তু তদন্তের জন্যে তাদের খুব দরকার। রেবেল হান্ট নামটা শূনতে হয়তো খারাপ লাগে। কিন্তু বাস্তবতা অনুযায়ী সব অভিযানের নামই এরকম হয়। যেমন আশির দশকে বিখ্যাত অপারেশন টাইগার পাঞ্চ। যেটা পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধার। সেখানে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল টাইগারকে পাঞ্চ করা না। সেভাবেই রেবেল হান্ট এটা ঐতিহ্যগত ভাবে উত্তেজক একটা নাম শুধু মাত্র।

৪৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
েভােরর স্বপ্‌ন বলেছেন: বিডিআরের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। মনে হয় বর্তমান সবাইকে ছ্যাক করবো। নিরঅপরাধীদের শাস্তি ছ্যাক পর্যন্ত বাকিদেরটা আচ করতে পারছি না।

আনসারদের মতো সবাইকে যেন জেলে পুরা না হয়। নিরাপরাধিকে শাস্তি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে আরো ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে।

অং শান্তি অং। সবাই ভালো থাকুন।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: নাম পরিবর্তন করাটাই স্বাভাবিক। তবে স্যাক করবে এই তথ্য কই পেলেন? স্যাক করলে বর্ডার পাহারা দেবে কে? রাতারাতি এত বিশাল সংখ্যক অভিজ্ঞ বর্ডার রক্ষী কই থেকে আসবে?

শফিপুর আনসার বিদ্রোহ সম্পর্কে মন্তব্যঃ সামরিক আইন আর সিভিল আইনকে একচোখে দেখলে বার বার হোচট খাবেন। সামরিক আইন সামরিক বাহিনীর জন্যে ঠিক আছে। আর তাতে মিউটিনি সবচেয়ে বড় অপরাধ। চেইন অফ কমান্ড ঠিক রাখতেই তা প্রয়োজন। কমান্ড ফেইল করলে কি হতে পারে এবার তা সবাই দেখলো।

৪৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০
জেরী বলেছেন: যারা নিরাপরাধ তারা যেন শাস্তি না পায়........।
৪৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০
আকাশচুরি বলেছেন: এই সুন্দর দৃশ্যগুলো রক্ষা করার দায়বদ্ধতা আমাদের সবার
৪৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০
প্রচেত্য বলেছেন:
"একজন সৈনিক হেটে যাচ্ছে। তার একটা হাত শক্ত হাতে আকড়ে ধরেছে তার অল্প বয়সী গ্রাম্য স্ত্রী। সৈনিকের কাধে একটা শিশু। বড় বড় চোখে চার পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছে বাবার সাথে।" - এ কটা লাইন পড়তে গিয়ে বারবার আটকে গেছি - কি বলব ?

এ ক'দিন পোষ্টগুলোতে কমেন্ট করতে গিয়ে একই বাক্য বারবার ব্যবহার করেছি "কি বলব ? " যখন আমার বিবেক আমাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে
৪৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০২
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
এই ছবি দুইটাই অনেক কথা বলে দেয়।
যেসব সুশীল গরম কফির মগ সামনে নিয়া প্রলেতারিয়েত বিপ্লবের গান গায়, তাগো পুছি না। আমার কাছে মানুষ বড়। সমষ্টির চাইতে ইনডিভিজ্যুয়াল আমার কাছে বড়।

রিপোর্ট করতে আসা বিডিআর দের সাথে থাকা স্বজন





বনানীতে বাবার কবরের উপরে আছড়ে পড়া মেয়ে




০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম। ছবি গুলো অনেক শক্তিশালি নির্বাক ভাই।

বিডিআর নাকি আর্মি? জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী বলো ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মা'র।

তবে সামরিক আইন আর সিভিল আইনে অনেক ফারাক। সামরিক লোক আর্মড রিভোল্টের কেস। সিভিল কোর্টে বিচারের কোন উপায় আছে কি?

৫০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক, কোন নিরপরাধী বা নিরীহ কোন ব্যক্তি যেন সাজা না পায় সেটাই আমাদের কাম্য। ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন।
৫১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
ল্যাটিচুড বলেছেন: চলমান ঘটনার চমতকার পর্যবেক্ষন সেই সাথে হিদয় ছুয়ে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

যারা নিরাপরাধ তারা ও তাদের পরিবার গুলো যেন বিপদে না পড়ে সেদিকে কতৃপক্ষের বিশেষ নজর রাখা দরকার।
৫২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
সপ্ন বলেছেন: কি বলব? সেই ঘটনার পর শুধু ব্লগ দেখেই গেছি মন্তব্য বা লেখার ভাষা খুজে পাইনি। আহ্ বাঙালি আর কত? আর কত বক্ত চাও তোমরা।
৫৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
শেখ জলিল বলেছেন: ভালো লিখেছেন। মানবিক আবেদনে ভরপুর লেখা।
..বিডিআর ঘটনার অন্তরালের ও প্রকাশ্যের প্রকৃত অপরাধী চিহ্ণিত হোক ও তাদের বিচার হোক- এটাই কাম্য।
৫৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
আন্দোলন বলেছেন: ইউ-আই-ইউ ইউনিভার্সিটির সামনে গন মিছিল যাচ্ছিল। অসংখ্য সৈনিক তাদের পরিজন নিয়ে লাইন ধরে যাচ্ছে রিপোর্ট করতে। একটা দৃশ্য চোখে লাগলো। একজন সৈনিক হেটে যাচ্ছে। তার একটা হাত শক্ত হাতে আকড়ে ধরেছে তার অল্প বয়সী গ্রাম্য স্ত্রী। সৈনিকের কাধে একটা শিশু। বড় বড় চোখে চার পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছে বাবার সাথে। বিভুতীভুষনের অপুর সংসার দেখে যারা মুগ্ধ হন তাদের বলি, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে।
৫৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
অারমান বলেছেন:
প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক, কোন নিরপরাধী বা নিরীহ কোন ব্যক্তি যেন সাজা না পায় সেটাই আমাদের কাম্য। চমৎকার লিখেছেন।আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।


Click This Link
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: আরমান ভাই। আপনার লেখার সাথে কোনভাবেই একমত হতে পারলাম না। দেশের সঙ্কটাময় পরিস্থিতি সবার উচিত যার যার অবস্থানে থেকে কাজ করে যাওয়া।
সাধারন মানুষ হিসাবে আমাদের উচিত গুজবে কান না দেয়া কিংবা বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকা।

অপারেশন রেবল হান্ট দরকার। এই মুহুর্তে যেই সদস্যরা ভয়ে পালিয়ে আছে কিন্তু তাদেরকে খুব বেশী দরকার। আর কিছু সদস্য যারা সরাসরি বিদ্রোহে অংশ নিয়েছে এবং গনহত্যা চালিয়ে জনসাধারনের সাথে মিশে গেছে..., হয়তো অনেকেই সরকারী অস্ত্র নিয়েই পালিয়েছে। ব্যাপারটা বিপদজনক। আল্লাহ না করুক এই অস্ত্র যদি জেএমবির হাতে যায়, কিংবা আজকে পাকিস্তানে যা হলো এরকম আন্তর্জাতিক কোন সন্ত্রাসী কোন বিদেশী রাষ্ট্রে সন্ত্রাস করলো এবং তাতে বাংলাদেশ অর্ড্যান্যান্স ফ্যাক্টরীর চিহ্ন সহ সরকারী গুলির খোসা পাওয়া গেল তখন কি হবে?

৫৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
পাপী বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। পুরোটা একটানে পড়ে ফেললাম।
৫৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
নারিকেল-জিন্জিরা বলেছেন: "বিভুতীভুষনের অপুর সংসার দেখে যারা মুগ্ধ হন তাদের বলি, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে। "
অনেক অনেক ভাল লিখেছেন। সত্যই খুবই ভাল লাগল। কাউকে এই ভাবে নিজের মত করে ভাবতে দেখলে আসলেই খুব ভাল লাগে।
হে খোদা! আমাদের সাহায্য করুন ধর্য্য ধরার। আমাদের এই বিভক্তি যেন অচিরেই দূর হ্য়। আল্লাহ সবার সহায় হউন।

৫৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০২
উধাও ভাবুক বলেছেন: কি লিখবো ভেবে পাচ্ছিনা। পুরো বিষয়টা ভিজুয়ালইজ করলে, এতগুলো অফিসারের করুন মৃত্যু !! তাদের পরিবার - পরিজনের আহাজারি !!! নির্দোষ বিডিআর আর তাদের পরিবারের মাঝে একটা ভীতি !!! সব মিলিয়ে হযবরল অবস্থা বিরাজ করছে চারপাশে আর বিবেকবান মানুষদের অন্তরে।

আর সবকিছুর আঁড়ালেই থেকে যাচ্ছে সত্য !!!
শুধু সমবেদনা আর দীর্ঘশ্বাস... !!!

সৌম্য ভাই নিরপেক্ষ পোস্টটার জন্য অবশ্যই আপনি সাধুবাদের দ্বাবীদার।
শুভকামনা রইল।
৫৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
নীরজন বলেছেন: নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়...দিনরাত এই প্রার্থনাই করছি সৃষ্টিকর্তার কাছে।
৬২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
মাঈনুদ্দীন বলেছেন: নিরপরাধ বিডিআর ভাইয়েরা যেন শাস্তি না পায়।
৬৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
নীল মানব বলেছেন: মৌনতা !!! ভালো পোস্ট এবং প্রাণবন্ত পোস্ট !!
৬৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আর ভালো লাগে না!
অনুভূতির সব তার ছিঁড়ে যাচ্ছে একে একে।
এখুনি শুনলাম, পাকিস্তানে শ্রীলংকান ক্রিকেটারদের উপর জংগী হামলা হয়েছে।
কী হচ্ছেটা কী ? সারা পৃথিবী জুড়ে? বেঁচে থাকবার কি নূণ্যতম কোন ভরসা ও আমরা পাব না?!
৬৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: @সোনার বাংলা- আপনার মন্তব্যের সূত্র ধরেই বলছি; বাংলাদেশেরে প্রধান শক্র হচ্ছে হাভাইত্যা বুদ্ধিজীবিরা...

টকশোতে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে সমালোচনা করা যতোটুকু সহজ, তার চে ঢের বেশি কঠিন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করা।

বুঝে নিন, কি বলতে চেয়েছি।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: হাসি পায় যখন সামরিক অভিযান দরকার ছিল কি ছিল না এই ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আলোচনা করেন। একজন জেনারেল সাহেব যদি সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করতে যায় ব্যাপারটা যেমন হবে।

সামরিক বিদ্যা একটা সাবজেক্ট। একটা আইন। অনেক পড়াশুনা, অনেক অভিজ্ঞতা লাগে এটাতে অভিজ্ঞ হতে।

৬৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
চারপাশে এত উত্তেজনাপূর্ণ লেখার মাঝে আপনার শান্ত সাবলীল লেখা খুব ভালো লেগেছে ।

আপনার কি মনে হয় ষড়যন্ত্র, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটে জড়িতদের কে সত্যিই বের করতে পারবে ? যারা এত বড় একটা ঘটনা ঘটার আগে কিছুই টের পায়নি , তারা তদন্ত করে কোন কিছু উদ্ধার করতে পারবে এমনটা আশা করতে পারছি না । মাঝ খান থেকে হয়তো কিছু নিরপরাধ মানুষ শাস্তি পাবে , চাকরি হারাবে। এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ৯/১১ এর পরেও এফবিআই কে কাঠগড়াতে দাড় হতে হয়েছিল। ডিজিএফ আই ভুল করতেই পারে। কিন্তু দোষ ঢাকার সুযোগ নেই। ডিজিএফআই আর এন এস আই দুটোকেই ঢেলে সাজানো দরকার। যাতে এরা পলিটিক্যাল খামছা খামছি বাদ দিয়ে সত্যিকার অর্থে জাতীয় নিরাপত্তায় কাজ করে।

দোষীরা শাস্তি পাবেই। মনে প্রানে বিশ্বাস করি। যেমন করি একাত্তুরের ঘাতক দালাল দের বিচার হবেই হবে। নিরপরাধ কিছু মানুষ শাস্তি পাবে এই আশঙ্কা আমারো। কিন্তু মনে প্রানে আশা করি এমন হবে না।

৬৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: আর কত পুড়লে তবে স্বর্ণ খাটি হবে......
৬৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
রবিনহুড বলেছেন: মৃত সেনা অফিসারদের জন্য ঢাকায় দামী ফ্লাট আর কোটি টাকার ক্ষতিপূরন দেবার কথা সেনারা দাবীকরছেন, অথচ রাস্তার যে নিরীহ মানুষগুলো মারা গেলো তাদের কথা কেউ বলে না।

সেনারাতো জীবন বাজি রেখেই বাহিনীতে যোগ দেয়, কিন্তু নিরীহ মানুষগুলো তো কোন জীবন বাজি রাখে নি? তাদের ক্ষতি পূরন তো সবার আাগে হওয়া উচিৎ।

সেনা অফিসারের সন্তানের কাছে পিতৃহারা বেদনা আর রাস্তার সাধারন মানুষের সন্তানের পিতৃহারা বেদনার কি কোনো পার্থক্য আছে?

কই আমাদের বিবেক তো সেখানে কাদে না..... বিবেক তো দেখি এখানে এসে ভিন্ন দৃষ্টিতে কথা বলে.... ধিক আমাদের বিচার বিবেচনা.... ধিক আমাদের ভন্ড মানবতা....
৬৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
মদন বলেছেন: +

প্রার্থনা একটাই। আল্লাহ, দেশটাকে সকল ষড়যন্ত্রীদের হাত থেকে রক্ষা কর।
৭০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
তর্পন বলেছেন: কাল পত্রিকায় দেখেছি পুলিশ (এমন কি সেনা-সমৃদ্ধ র‍্যাবের) ক্ষমতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আর্মী নিজেই বিডিআর সৈনিকদের ধরে আনতে বের হয়েছে । এর নাম দিয়েছে "বিদ্রোহী শিকার" অভিযান ।

ব্যক্তিগত ভাবে শিকার বা হান্টিং একটু কানে বাজে । বুনো বাঘ হরিণ কে শিকার করে । শিকারী বাঘ কে শিকার করে, পাখী শিকার করে । বন্য নিয়মে সবল প্রাণী দুর্বল প্রাণী শিকার করে ক্ষুধা নিবারণের জন্য । কিছু মানুষ করে চিত্ত বিনোদনের জন্য । শিকার করার জন্য জবাব দিহিতার বিষয়টি মুখ্য নয় । ক্যান্টনমেন্ট থেকে বলা হয়েছে ২৫ শে ফেব্রুয়ারীর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য তাদের এই অপারেশন ।

আমরাও চাই অবিলম্বে মেধাবী অফিসারদের পৈশাচিক ভাবে হত্যা কারী এবং সহযোগিদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে শাস্তি দেয়া হোক । কিন্তু তদন্ত সম্পন্ন হবার আগে, হত্যার কারণ এবং দোষী সনাক্ত হবার আগে এই রেবেল হান্টিং কী ঘোড়ার আগে গাড়ী জুড়ে দেবার মত ঘটনা নয়?
৭১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
সজ্ঞয়মিঠৃ বলেছেন: সৌম্যভাই ভাল লিখেছেন।
৭৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
alam বলেছেন: দেখেন শেষ কোথায় হয়.
৭৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
ইকরাম বলেছেন: খুব ভাল লাগলো লেখাটা..................
৭৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
সোনা১ বলেছেন: কেন যে রাজাকারদের বিচার জঙ্গীদের বিচার কইয়া কইয়া গলা ফাডাইলাম আমরা বেক্তে, আহা রে
৭৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
তর্পন বলেছেন: [img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/torpon_1236066900_1-del_bichar.png
প্রথম আলোর দিন সেরা উদ্ধৃতি
৭৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
তর্পন বলেছেন: প্রথম আলোর দিন সেরা উদ্ধৃতি
৭৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২
আহসানুল কবীর তুহিন বলেছেন: মন ছুয়ে গেল। একটি বর্বরতা ঢাকতে যেয়ে আমরা যেন আবার বর্বর না হয়। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ডের নিন্দা জানানর ভাষা নেই। তবু আশা করি, সারা দেশের বিষন্ন নিরীহ বিডিআর পরিবারের মুখে আবার হাসি ফুটবে। আর যেন কোন সন্তান তার বাবাকে না হারায়---------------------
৮০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১২
মরুবিজয় বলেছেন: জঙ্গী দমন - গুলজার দের উপর মনে হয় বেশি ক্ষোভ ছিল - দেশের সেরা সন্তানদের উপর মনের ঝাল মেটানোর কারণ কি - ভেবে দেখা প্রয়োজন
৮১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
আশ্রাফ বলেছেন: ভাইজান খুব ভাল লেকসেন।আপনারে ধন্যবাদ।
৮২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
বাবুআনা বলেছেন:

সঠিক তদন্ত হোক,
আমারও সহমত নিরপরাধরা যেন শাস্তি না পায়।
৮৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
হারিয়ে যাইনি তবু বলেছেন: অনেক অনেক সুন্দর করে লিখেছেন।
এত আবেগময় সময়ে অনুভূতির সুন্দর দিকগুলো আমাদের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করুক.. আর কোন নিরাপরাধের রক্ত বা দীর্ঘশ্বাসের ভার দেশটাকে বহন করতে না হোক .. স্রষ্টার কাছে এটাই প্রার্থনা।
৮৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২২
রোহান বলেছেন: কি যে হচ্ছে চারপাশে বুঝে উঠা যায় না। এসব ঘটনা যারা ঘটায় তারা কিন্তু ধরাছোয়ার বাইরে ই থাকে। মাঝখান থেকে বিপদে পড়ে কিছু নিরীহ সাধারণ মানুষ :-(
৮৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
মেঘলা মানুষ বলেছেন: সঠিক তদন্ত হোক, নিরপরাধরা যেন শাস্তি না পায়।
৮৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
বোতল কুমার বলেছেন: Tuesday, March 3, 2009
Some seizures puzzle army
Several Rifles Security Unit men suspected involved in carnage
Kailash Sarkar and Shaheen Mollah

Click This Link

Seizure of various firearms and equipment on BDR Headquarters premises yesterday confused the army personnel and other investigators of the assassination of military officers.

Besides, it is suspected that some members of the Rifles Security Unit (RSU) were also involved in the carnage, sources inform.

The sources say the personnel from various agencies including army, navy and fire service yesterday recovered several grenades, huge number of firearms, ammunition and other equipment including binoculars, walky-talkies and slings of SMGs.

Recovery of two binoculars and the belts of SMGs confuses the army and others investigators as these are used neither by the Bangladesh Army and BDR nor by any other government agencies.

Lt Ashiquzzaman of Bangladesh Navy told The Daily Star navy personnel recovered an LMG, five SMGs, two rifles, one pistol, 30 loaded magazines, and 2,000 bullets.

Other recovered explosives, arms and ammunition include 24 grenades, 16 walky-talkies, several thousand bullets of various guns, huge number of uniforms and shoes of the soldiers and their credit cards.

Earlier, about 10,000 bullets and several firearms and grenades were recovered from the BDR Headquarters. Some other arms and explosives were also recovered from neighbouring areas.

Sources say these arms, ammunition and explosives were left behind by the soldiers.

After recovering the arms and equipment, army officials exhibited those to the media at the hall room of Rifle Paribar Kalyan Samity (Ripoks) and the arsenal of BDR.

They also let journalists observe all the places and recovered arms and ammunition and also answered their queries.

Maj Awal said, "The two binoculars recovered in a search really confused us as these are used by neither the army, BDR and police nor any other government agencies in the country."

He suspects other parties imported these binoculars from outside.

"The SMGs recovered are used by BDR but the belts are not, which is another mystery to us," Maj Awal added.

He also said they recovered some walky-talkies which are used by RSU.

"We suspect some field-level RSU members might have been involved in the carnage and they did not make aware their senior officials," Maj Awal said. "If they informed the blueprint of the conspirators, the incident could not have been so brutal."

Sources say a huge number of arms were found under the beds and pillows of the sepoys.

Besides, most of the doors to the arsenal and the office of RSU and all the boxes of the firearms were found broken.

Some of the army officials said they suspect the culprits might have left behind various other materials in the ponds. If the ponds are thoroughly searched it could be helpful in unfolding the mystery, they added.

Apart from this, personnel from the army and fire service dug out huge ashes from a hole at a place in between Ripoks and Darbar Hall.

Maj Awal said the hole was dug out with the suspicion that it was a mass grave but no body was found there.

"But this huge quantity of ashes hidden into the hole confused us," he said. "The CID investigation team would probe it whether the culprits have burned something important and later hid those in the hole."

Moreover, another mystery over the presence of two foreign nationals, a female and a male, inside the BDR headquarters was yet to be unfolded.

Witnesses say foreign nationals Tang Yunpeng, 30, and Xang Zhaoua, 28, came out of the BDR Headquarters in the afternoon on February 26.

Sources say the reason behind their stay at the BDR HQ could not be known and they also did not make any comment on the condition during the hostage period.
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: Witnesses say foreign nationals Tang Yunpeng, 30, and Xang Zhaoua, 28, came out of the BDR Headquarters in the afternoon on February 26.

অদ্ভুত !!!

৮৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
বোতল কুমার বলেছেন: Imperialism vs. Sinicization at the danger point.
৮৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট...ভাল বলেছেন
৮৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬
ওসমানজি২ বলেছেন: আমার সারা জীবনের ভাল কাজের বিনিময়ে প্রার্থণা করি, কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পায়। সাথে সাথে দাবী করি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন সাজা দেওয়া হোক।
৯০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬
পাগলা আইজু বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট...ভাল বলেছেন
৯১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
ইসানুর বলেছেন: নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়...দিনরাত এই প্রার্থনাই করছি সৃষ্টিকর্তার কাছে।
৯২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
শীরফুল কবীর রািকব বলেছেন: দায়িত্বশীল পরিচয় দিয়েছেন । ধন্যবাদ
৯৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
পথিক মানিক বলেছেন: নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়..এই কামনা

৯৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
মো. বাকীবিল্লাহ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। অত্যন্ত পড়তে গিয়ে আবেগাপ্লুত হতে হয়।
ধন্যবাদ অসংখ্য।
৯৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
জয়িতা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটা।কিছুসংখ্যক উচ্ছৃঙ্খল বিডিআর এর ভয়াবহ বর্বরতায় যেমন আঁতকে উঠি বারবার, মনের ভিতর অস্থিরতা, স্বজনদের আহাজারিতে চোখ ভিজে যায়........দুদিন ধরে অফিস যাওয়া-আসার পথে সহস্র মানুষ...বি ডি আর,তাদের স্বজন, স্ত্রী-বাচ্চাদের উৎকিন্ঠত চেহারা দেখেও মন খু্ব অস্থির লাগে।সৃিষ্টকর্তা যেন িনরপরাধদের নিরাপদ রাখেন্।
৯৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
তর্পন বলেছেন: "বিদ্রোহী শিকার" অভিযান, নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়..এই কামনা

Click This Link
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আপনার লিখার সম্পর্কে মোটেও একমত নই।

সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করা। এমন কোন মতবাদ ছড়ানো খুব খারাপ হবে যেটা জনমতকে বিভ্রান্ত করে।

আমি আশাবাদী। আপনার পোস্টে মন্তব্য করছি।

৯৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
মুকুট বলেছেন: নিরাপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়, আসল অপরাধীদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দরকার।
৯৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
সমুদ্রদেব বলেছেন: "একজন সৈনিক হেটে যাচ্ছে। তার একটা হাত শক্ত হাতে আকড়ে ধরেছে তার অল্প বয়সী গ্রাম্য স্ত্রী। সৈনিকের কাধে একটা শিশু। বড় বড় চোখে চার পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছে বাবার সাথে। বিভুতীভুষনের অপুর সংসার দেখে যারা মুগ্ধ হন তাদের বলি, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে। "

হুমায়ুন আহমেদ তার অনেক ব্ই এ লিখেছেন, "পৃথিবীতে সবচেয়ে সুন্দর হল মানুষের বিস্মিত চোখ। আর আল্লাহ যাকে শাস্তি দিতে চান, তার বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নেন।"

দোয়া করি, কোন ভুল পদক্ষেপ যেন আমাদের বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা কেড়ে না নেয়।

লেখকে আন্তরিক ধন্যবাদ সুন্দর এই লেখাটার জন্য।

১০০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
গুপী গায়েন বলেছেন: কষে মাইনাস............. X(( X(( X((

এত মর্মশ্পর্শী লেখা লেখার কি দরকার ছিল? অশ্রু সংবরণ করা সম্ভব হচ্ছেনা যে কোন ভাবেই!

"বিভুতীভুষনের অপুর সংসার দেখে যারা মুগ্ধ হন তাদের বলি, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আশে পাশে প্রতিদিন ঘটে।"

কল্পনার মানসপটে শিশুটির মুখ বারবার ভাসছে আর চোখ ভিজে যাচ্ছে সবকিছুর কথা ভেবে।

নির্বাক সুশীলের দেয়া ছবি মনকে আরও ভারাক্রান্ত করে দিল, আমিও যে এতটুকু এক মেয়েরই বাবা!
------------------------

ওসমানজি২ বলেছেন: আমার সারা জীবনের ভাল কাজের বিনিময়ে প্রার্থণা করি, কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পায়। সাথে সাথে দাবী করি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন সাজা দেওয়া হোক।

হাজারবার সহমত।
১০১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
ফ্রুডো বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। তবে আমরা মনে হয় কোন দিন আসল সত্য জানতে পারব না। মনে প্রানে দোয়া করি নিরপরাধরা যাতে শাস্তি না পায়...

এছাড়া আর কি বা করার আছে??????
১০২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
নীড় সন্ধানি বলেছেন: আপনার লেখাটা অসাধারন প্রানছোয়া হয়েছে। বারবার পড়তে ইচ্ছে হয়। ষ্টিকি না করলে পড়া হতো না হয়তো। প্রিয়তে নিলাম।

টিভিতে বিডিআর পরিবারের অসহায় মুখগুলো দেখে খুব কষ্ট লেগেছে। এরকম কিছু পরিবারের নিরীহ নিরপরাধ বিডিআর যদি শাস্তি পায়, পাবেই। কারন একটা দুষ্টকে ধরতে দশজন নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

যারা এই হত্যাকান্ডটা করলো, তারা সেনাবাহিনীর অপুরনীয় ক্ষতি করেছে, সেনা পরিবারের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে, বিডিআর পরিবারদের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে, সমগ্র বাংলাদেশের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে। অভিশাপ!!! অভিশাপ সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে!!!!!
১০৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
সহেলী বলেছেন: কদিনের ঘটনা -দুর্ঘটনার পরে অনেকের লেখায় পক্ষপাতিত্ব দেখে দেখে আরো পেরেশান হয়ে গেছি ; তার মধ্যে আপনার এমন একটি অতি সাদা মাটা অথচ সাধারনের মতামত তুলে ধরা লেখা --মনে রাখার মত ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ।
১০৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। অনেক ভাল লাগল পড়ে।
১০৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: সোনার বাংলা বলেছেন:
তা যে না সবাই জানে। তবে মিড়িয়া কি কোন ব্যক্তি বিশেষ কে নিয়া মত্ত হইছিলো
নাকি পুরা সেনাবাহিনী কে নিয়া? পৃথিবীর কোন দেশের মিড়িয়া মনে হয় তাদের
সেনাবাহিনীর প্রতি এভাবে বিদ্বেষী ভাব প্রকাশ করে না। ভারত আমেরিকান আর্মিতে
ও দুর্নীতি হয়। এই কিছু দিন আগেই প্রকাশ পেয়েছে যে ইরাক যুদ্ধের সময় এবং পরে
আমেরিকান আর্মির কর্মকর্তারা প্রচুর লুটপাট করেছে। এমন কি এক আর্মি কর্মকর্তা
ডলারের বস্তার সারিতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছে! কিন্তু সে দেশের মিড়িয়া পুরা বাহিনী কে
ধোলাই করে নাই। এবং মিড়িয়াজীবিরা সেনাবাহিনী কে নিয়ে হাসি তামাশা করে নাই।
সেনাবাহিনীর বাজেট ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কমাইতে কয় নাই!

এ পৃথিবীতে তুলসী পাতায় ধোয়া একমাত্র আমাদের রাজনীতিবিদেরা যারা সংসদে
সেনাবাহিনী কে ভালো করে ধুইয়ে ছিলো।



সহমত। লেখক ভাল লিখেছেন।+++
১০৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
তাপস ঘোষ বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন...! আসলে এই বিডিআরদের উস্কানির মূলে কে বা কারা ইন্ধন যোগিয়েছিল তাদের খুঁজে বের করা খুব জরুরী এবং তাদের কে এমন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে এধরনের কাজ করতে কেউ সাহস না পায়..............। আর দোয়া এবং প্রার্থনা করি যাতে নিরপরাধ বিডিআরদের কিছু না হয়...........!
১০৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
জানজাবিদ বলেছেন: ২৫ তারিখ রাতে একটা সাময়িক পোস্ট দিয়া আপনারে খুঁজছিলাম, কই ছিলেন?
১১০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
গণ্ড মূর্খ বলেছেন: রবিনহুড বলেছেন: মৃত সেনা অফিসারদের জন্য ঢাকায় দামী ফ্লাট আর কোটি টাকার ক্ষতিপূরন দেবার কথা সেনারা দাবীকরছেন, অথচ রাস্তার যে নিরীহ মানুষগুলো মারা গেলো তাদের কথা কেউ বলে না।

সেনারাতো জীবন বাজি রেখেই বাহিনীতে যোগ দেয়, কিন্তু নিরীহ মানুষগুলো তো কোন জীবন বাজি রাখে নি? তাদের ক্ষতি পূরন তো সবার আাগে হওয়া উচিৎ।

সেনা অফিসারের সন্তানের কাছে পিতৃহারা বেদনা আর রাস্তার সাধারন মানুষের সন্তানের পিতৃহারা বেদনার কি কোনো পার্থক্য আছে?

কই আমাদের বিবেক তো সেখানে কাদে না..... বিবেক তো দেখি এখানে এসে ভিন্ন দৃষ্টিতে কথা বলে.... ধিক আমাদের বিচার বিবেচনা.... ধিক আমাদের ভন্ড মানবতা....
১১১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
কার্ল মার্কস বলেছেন: বিডিআর সেনাবাহিনী দেশের সম্পদ, এখানে কারো পক্ষ নিতে পারি না। খারাপ লাগছে... ভাষায় প্রকাশ করারর মত না...
গরিবের জন্ম শুধূ লাথি খাওয়ার জন্য...
অনেক নিরিহ জোওয়ান শেষ হয়ে যাবে, যাদের পরিবারে হয়তো সে একজনই আয় করে , পরিবার জানতেই পারবেনা কখন তাদের প্রিয় মানুষটি নাই হয়ে যাবে, নাই নাই শুধূ নাই...
দেশ হারালো অনেক কিছু...
১১২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সাজিল বলেছেন: আবেগতারিত হলাম কিছুটা। আসলে একটা ব্যপার কি জানেন? আমাদের সবার দেশপ্রেমটা বাড়াতে হবে সবার আগে। দেশকে ভালবাসতে হবে। ভালবাসতে হবে দেশের মানুষকে। এই বোধটা আকজন সৈনিক থেকে একজন সাধারন মানুষ সবার ভিতরে থাকা উচিত। না জেনে না বুজ়ে কিছু বলা উচিত না। এই পরিস্থিতিতে সবার ভিতরে সহনশীল মনোভাব থাকা উচিত।

"মানুষ কি জাগে নাই অন্ধকার তাড়ানিয়া সূর্যের মতন,
মানুষ কি জাগে নাই তুফানের প্রছন্দ গতিতে,
জীবন কি জাগে নাই মরনের আবরন ভেংগে,
জীবন কি জাগে নাই বারুদের বিষ্ফোরন ঠেলে?" {আনিসুল হক}
১১৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০১
রাতমজুর বলেছেন: সৌম্য
দারুন লিখেছেন ভাই।

আর যাই হোক, এটুকু আশা করি, আর্মি আমাদের চাপাসর্বস্ব মানুষদের মতবাদ মতো বিডিআর জওয়ানদের দেখিবা মাত্র মারতে ছুটবে না। এটা আমিও জানি, আপনিও।

ভালো থাকুন।
১১৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৫
সৌমিত্রমজুমদার বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। নিরাপরাধ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যারা দায়িত্বশীল তাদের এ বিষয়ে বেশী সচেতন থাকা উচিত।
১১৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫০
তানজীর আহ্‌মাদ তুহিন বলেছেন: Valo liksen.....dhonnobad.....amra asa korbo sundor ak Bangladesh jano agamite pate pari...
১১৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৭
রাফা বলেছেন: অপরাধী /খুনী /সন্ত্রাসী /যুদ্ধাপরাধীরা অপরাধ ও অপকর্ম করে নিরাপদে থাকে আর ভুক্তভোগি বলির পাঠা হয় নিরিহ কিছু মানুষ। যা আমরা বিগত সরকারের সাশনামলে অবলোকন করেছি।আশা করি বর্তমান সরকার সতর্ক দৃষ্টি রাখবে ; যাতে কোন নিরপরাধী হয়রানি ও নির্যাতনের স্বিকার না হয়।বাংলার নিপিরীত ও নিগৃহিত মানুষগুলো ভালো থাকুক।ধন্যবাদ
১১৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৭
আরেফিন জিটি বলেছেন: সুন্দর একটি পোস্ট, আপনার সাথে আমি পুরোপুরি একমত, নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায় তা অবস্যই মাথায় রাখতে হবে।
ভাল থাকবেন। পোস্ট টি স্টিকি করার জন্য মডুকেও ধন্যবাদ।
১১৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আপনার অন্য লেখাগুলোর মত এটিও ভালো লাগলো। ঘটনার সূত্রপাত যেদিন সেদিন এক সহব্লগার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা পোষ্টের কল্যাণে জানতে পারি আপনি সেনাবাহিনীতে আছেন। এবং আর সবার মত আমারও একি প্রার্থনা ছিল যেন আপনি নিরাপদে থাকেন।

এরপরে আপনার "অগুনিত মেহেরের গল্প" পরে আপনার লেখার একজন নিবিষ্ট পাথক বনে যায়।

শুভ কামনা রইলো।
১২০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
রুহুল্লাহ বলেছেন: লেট আস হোপ ফর দ্যা বেষ্ট।
১২১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২
টেকনো বলেছেন: শুভ কামনা বাংলাদেশ। শুভ কামনা জাতির সেরা সন্তানদের জন্য।

হে বীর সৈনিক আমরা অমাদের প্রতিদান এর কথা ভুলবো না কখনও।
রক্ত দিয়ে তোমরা আবার প্রমান করলে, জাতির দুরদিনে জাতি যদি বিভক্ত থাকে তাহলে কত ক্ষতি হতে পারে।

১২২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
বোতল কুমার বলেছেন:
Check 0:00-1:05 min portion of this clip - The guy who was trying to cover his face with a hand grenade...Look at his hair style and gestures.

Look at the interviewee - that HOW DISRESPECTFUL these illiterate barbarians can be... Sarcasm?

http://www.youtube.com/watch?v=MNPsf5WuTDQ

'BDR er Foreign agent, stunt men'

Look at these rebel guys - they are talking as if its a big joke.
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: বোতল ভাই, ভিডিওটা দেখলাম। হেয়ার কাটিং কিংবা আচরন দেখে সৈনিক কি না নির্ধারন করাটা কঠিন। লম্বা ছুটি থেকে ফিরলে অধিকাংশ সৈনিকের চুল কিংবা আচার আচরন সৈনিক সুলভ থাকে না।

আপনার নেক্সট কমেন্টে বললেন প্রত্যক্ষদর্শির কথা। এই প্রত্যক্ষদর্শিরা কি সত্যি দেখছে? বলতে চাচ্ছি দেখতে চাইলে রশির বান্ডিলে সাপ চোখে পড়ে। চাইনিজ নাকি উপজাতি?

যাই হোক মন্তব্য করতে পারছি না এই ইস্যুতে।

১২৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
বোতল কুমার বলেছেন: লেখক বলেছেন: Witnesses say foreign nationals Tang Yunpeng, 30, and Xang Zhaoua, 28, came out of the BDR Headquarters in the afternoon on February 26.

I guess- these guys were trying to warn them prior to the incident / were trying to promote some sort of secret information. China is the sole arms and intelligence partner of Bangladesh arms forces.
১২৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৩
মুক্ত বয়ান বলেছেন: একটাই কথা: নিরপরাধীরা যেন সাজা না পায়। বিডিআর সাধারণ সেনাদের সবার পরিবার এখন এই বিষযেই উৎকন্ঠিত।
তবে, সকল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।

[অফটপিক: আপনি কি কোনভাবে বাহিনী জড়িত??]
১২৫. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৫
বোতল কুমার বলেছেন: 1.
Every year, Bangaldesh Rifles invites Indian counterpart / Indian officials, BSF to join in the BDR week. This year was not an exception. Indian officials join in with them in all previous years - except this one.

This year, Indian officials rejected their invitation to join in BDR week.
---
2. When I was in Peelkhana (I studied in BDR's Munshi Abdur Rouf Rifles school..and College for 8 years 1995-2003) - I often saw Korean / Chinese / Some sort of 'chaptaaa' roaming around the BDR premises. Mostly, around the Rose garden and the mini zoo.
---
3. I often saw the arms storages / ammunition storages' doors wide open - when passing by the places.
---
4. I remember once a BDR D.G went for a forced retirement for ill manner and irresponsible attitudes (Rezakhul Haidar?).
---
5. BDR families are usually poor. Most of my BDR classmates were impoverished and underprivileged.
---
6. Before, anyone can enter in BDR area - just saying that - I wanna go to the school / college / meet someone at school.
১২৬. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০০
বোতল কুমার বলেছেন: Click This Link

"February Massacre in Bangladesh - Wrong man chosen as IO"
by-
Salah Uddin Shoaib Choudhury

I wonder that how come this PUNK wanna be a Jew mugshot survives years after years publishing garbages worldwide against Bangladesh. Why don't the government boot this scoundrel to his beloved 'Zionisthan.'

If he knows/ understands that much - why don't the intelligence detain this donkey and take out the information?
১২৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১২
বোতল কুমার বলেছেন: *ULFA / JMB, Hiji?...Separatists kinda mugshots were behind?...arms smuggling/ India's North East states?

Another alternatives:

* India wants to check illegal immigrants from Bangladesh.....besides their state ID/ our National ID tricks [ Indian government will soon have Assamese, Tripura ID cards..and so on..and Bangladesh got National ID..Those who'll be missing these will be humiliated/ God Knows!] Kinda U.S-MEXICO situation.

* I'm 100% sure..someone needs to remove each of the heads.......Fresh brain - No record / evidence/ set policy

**** Both way it's benefiting someone. AL is the most favorable gov. So, it'll cement the base for the party.

or, Successful spark of a civil war/ clash can leave a room for them to deploy Indian/ International alliance soldiers (under the banner of 'Support to protect Bangladeshis')

** India is in opposite side to China (since the 1962 border war) - Currently, they are practicing ACCESS DENIAL strategy in Bay of Bengal and Burma....China to Bangladesh is only 29 miles (through their territory). Ask India - that what happens! India (with the help of British and U.S mugshots - is trying to divert Burma from SINICIZATION. however, it's too late - China made Burma their 25th PROVINCE. Mandalay is full of them (entire NORTH BURMA)

** What's LOOK EAST POLICY? Why hasn't the government pursue Bangladesh-Burma-China road up till now?

**Who's the biggest source for Bangladesh Intelligence for the global perspective?

** Do you know about Western Mugshot's future conflict zone projection? Is Bangladesh in it / in the map as a Strategic Military Buffer?
--

Pakistan is already in a deep trouble with the UK-US turncoat act against them > the recent Mumbai incident. I'm 100% sure their ISI-FIA will not do such a nonsense, foolish act to destroy their own country image / last chance to survive. Pakis will not execute such an act whereas international mugshots are pointing fingers to them for Mumbai.

Burma is in full control of China - China's 25th province......AMEN!

both way - Strong AL will benefit them(!) - to use the popularity in the future for cementing their interests (with public mandate + weak opposition)

Weak AL is also good for them ..They can achieve the concurrent regional supremacy + SINICIZATION checking goals...
--------------------------------------
but I don't blame India
--------------------------------------
India is afraid of the Chinese aggression in their business interests and cultural boundary (Southeast Asia) + West was able to make India understand that all of its neighbors are possible threat to them (in terms of ideology and potential threats)

India is perfectly raised and kept to give a PROXY for the West against the China's ASIAN SUPREMACY. India started with Tibet and North Eastern frontiers after the 1962. On the other hand, China doesn't offense by the 1st hand. It waits and approach slowly to the food.

Bangladesh is a hugeeeee market of over 180 millions. It's India's next door low freight cost market. India has all sense for a closer regional trade. India may not exploit it.

Pakistan on the other hand is morally corrupt. They have turned into victims since the Cold war game in Afghanistan (USSR vs. Western Alliance). They were over and over slain in hostile dramas and fake STUNT MEN ACTIONS....interestingly, their extremism has reached the EXTREME! ..They live with a strange SUPERIOR COMPLEXITY (though, they are lower than a typical inferior race).
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: বোতল ভাই। কে করছে এটা বড় রহস্য। এখনই গেস করে কিছু বলার সামর্থ রাখে অল্প ক জন। ন্যাশনাল আইডি কার্ড ইস্যুতে একটা কথা বলি, এটা ব্যাবহার সবার শিখতে হবে। এটা ভোটার আইডি কার্ড না। জাতীয় পরিচয় পত্র।
আমি যখন পাহাড়ে ট্রেকিং এ যাই সব সময় সাথে রাখি। ঢাকা শহরে কোন ফাইভ স্টার হোটেলে চেক ইন করতে বিদেশীদের পাসপোর্ট দেখাতে হয় আর বাংলাদেশীদের এই কার্ড দেখাতে হয়।

১২৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৪
তর্পন বলেছেন: সৌম্য বলেছেন: আপনার লিখার ("বিদ্রোহী শিকার" অভিযান: Click This Link ) সম্পর্কে মোটেও একমত নই।

>সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করা। ‌‌এমন কোন মতবাদ ছড়ানো খুব খারাপ হবে যেটা জনমতকে বিভ্রান্ত করে।আমি আশাবাদী। আপনার পোস্টে মন্তব্য করছি।


@সৌম্য, আপনি যদিও বলছেন আমি বিভ্রান্তি ছড়িয়েছি আমার লেখাতে আপনার মন্তব্যে লেখাটিকে বলেছেন সুচিন্তিত !

মন্তব্যটিতে দুটি যুক্তিতে "রেবেল হান্ট"কে সাপোর্ট করেছেন, এক, জেএমবি ধরার সময় সেনা বাহিনী ছিল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে সেনাবাহিনী নেমে এসেছে । সুতরাং এখন সমস্যা কোথায়? দ্বিতীয়ত: অস্ত্রাগারের লুণ্ঠিত অস্ত্র গণনা, উদ্ধারকার্যে পুলিশের পক্ষে হয়তো সামাল দেয়া সম্ভব না।

আপনি যদি আমার লেখাটি খেয়াল করেন দেখবেন । আমি আর্মীর অস্ত্র উদ্ধারকে স্বাগত জানিয়েছ । আমি পুরো একমত রসদ উদ্ধারে সরকারের অনুরোধে যদি সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অধীনের র‍্যাবের কাঠামোতে সেনা কর্মকর্তার অবস্হান স্বাগতম।

আপনি আপনার মতামত দিয়েছেন বলে ধন্যবাদ জানিয়েছি!

>মুক্ত বয়ান বলেছেন: [অফটপিক: আপনি কি কোনভাবে বাহিনী জড়িত??],





০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: তর্পন ভাই। আসলে একদম কনফার্ম আসলে কেউই না। সবাই নিজের নিজের মতামত দিচ্ছে। অনেক থিওরী পেলাম যেগুলো হাস্যকর লাগছে। একজন দেখলাম ব্লগে পোস্ট দিছেন, বিডিআরের কি নাম হইতে পারে সেইটা নিয়ে আলোচনা পোস্ট।
আসলে আমি ক্ষুদ্র মানুষ। দোষীরা শাস্তি পাক, নির্বিরোধিরা ভালো থাক, আর এরকম ঘটনা যেন না হয় কোন দিন। আর্মি সম্পর্কে সাধারন মানুষের ভুল ধারনা কাটুক, আর সাধারন মানুষ সম্পর্কে আর্মির ভুল ধারনা কাটুক। দেশ ঐক্য নিয়ে এগিয়ে যাক সামনে। এই শুভকামনা করা ছাড়া কিছুই করতে পারি না।

১২৯. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:০৮
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: আপনার লেখা দেখে লগইন করলাম। অনেক সুন্দর লিখেছেন। সাবলীল। গত কদিনে এমন অবস্থা হইছে দেশের মানুষ দুভাগে বিভক্ত। তারা এইটা চিন্তা করতেছে না এ ধরণের নৈরাজ্য দেশের জন্য কোনভাবেই ভালো হতে পারেনা। অনেক মানুষই আর্মিদের অপছন্দ করে। কেউ একজন অপছন্দ করতেই পারেন। কিন্তু কেউ কেউ বিদ্রোহকে হাততালি দিয়ে যাচ্ছিলেন। একবারও ভাবলেন না কতগুলো মানুষ মারা যাচ্ছে এবং যাবে। আমার কাছে কে আর্মি কে বিডিআর সেটার চেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন মানুষ। আমার মতই। সবাই কখনো একই মানসিকতার হতে পারে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক সেনাদের চিনি। আমার মামার বন্ধু। পিচ্চি থাকতে মামার সাথে আর্মিদের কোয়ার্টারে প্রচুর যেতাম। আমাকে অনেকে আদর করত। এমনকি ক্যান্ট পাবলিক স্কুলে পড়েছি বলে বেশিরভাগ বন্ধুদের বাবা আর্মিতে। সো ভাটিয়ারীতে প্রচুর গিয়েছি। বিডিআরদের যেসব দাবীর কথা পড়েছি সবই নৈতিক মনে হয়েছে কোন সন্দেহ নেই। তবে, বিদ্রোহের নাম দিয়ে ম্যাসাকারকে কখনো ভেটো দিতে পারিনা। এখন যদিও সবাই বুঝতেছে 'দেয়ার ওয়াজ সামথিং এলস'। দেশের বাইরের যে হাত আছে এটা পুরা শিউর।
এনিওয়ে সৌম্য ভাই অনেক কথা বলে ফেললাম। আপনাকে এখনো মেইল করা হয়নি। আপনার ঘুরাঘুরি ভালোই যাচ্ছে বুঝি।:)
ভালো থাকুন।
১৩০. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১৫
সুমন অহেমদ বলেছেন: সৌম্য ভাই, খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ঘটনাগুলোকে.....

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ