আমার প্রিয় পোস্ট
- সত্যজিতের 'ফেলুদা' সমগ্র : এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সকল সিনেমা, ইবুক,কমিকস্, অডিও নাটক এর মেগা কালেকশন - মানব সন্তান
- আসুন, জেনে নেই কিছু মার্মা ভাষা: পর্ব-১ - পয়গম্বর
- সামহয়্যার এর বইয়েরা - আদ্রিতা
- Photo Editing এর সাতকাহন - ইভা লুসি সেন
- ইলেকট্রনিক সার্কিট বানানোর নানা ধরনের বোর্ড এবং সল্ডারিং নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা !!! (স্পেশালি ইলেক্ট্রনিকস এর নতুন হবিস্ট ভাইদের জন্য

) - জাওয়াদ তাহমিদ
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- আমার বুকমার্ককৃত মুভি ডাউনলোড করার সাইটগুলো শেয়ার করলাম
- পুশকিন
- বিনামূল্যে ফটোশপ শিখুন(ইহা কোন বিজ্ঞাপনধর্মী পোস্ট নয়)..........

- কূপমন্ডুক
- আকাশ কাঁপানো বিস্মৃত কয়েক জন বাঙ্গালী বীর - Neelpoddo
- তৈরী করুন নিজের অনলাইন টি.ভি. চ্যানেল। - সুইট
- রঘু রাইয়ের সঙ্গে এক দিন - হাসান বিপুল
- পিশিং এর মাধ্যমে হ্যাকিং করুন বাঘা বাঘা সব ইউজারদের ফেসবুক একাউন্ট।সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল।হ্যাকিং পর্ব-২ - সজীব রহমান
- এখন ইয়াহু থেকে কল করবো ফ্রী তে - আবিল (দ্যা লিরিক বয়)
- সত্যজিত রায়ের অসাধারন কিছু সিনেমা মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক সহ - ক্যারাটে কিড
- ওরে তোরা সব জয়োধ্বনি কর.-------বাংলার কৌতুকরাজ জাফরল্লাহ শারাফত চৌধুরির ধারাভাষ্য - নিশাচর বাদুড়
- বাংলাদেশের পাখি... ১ - (অ)ভদ্র ছেলে
- অল্প সময়ে ফেসবুক, ফ্লিকার, ইমেজসহ্যাক সহ ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার, সামহোয়্যারইন ব্লগ, টেকটিউনস ইত্যাদিতে একসাথে অনেকগুলো ছবি আপলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই - আরিফ বল্গ
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - আপেল মাহমুদ তপু
- 'অটার ফিশিং' দেখতে গহীন গায়ে......... - অর্ফিয়াস
- চট্টগ্রাম সেনা বিদ্রোহের ২৯ বছর পর ফিরে দেখা। পর্ব-৬ - ত্রিশোনকু
- নিজের একটা ব্লগ সাইট করুন ডমেইন হোস্টিং সহ সবই ফ্রী। - নিঃসঙ্গ
- আধ ঘন্টায় প্রেম, অতঃপর বিয়ে... - ড়ৎশড়
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- ওয়ার্ডপ্রেস শিখুন খুব সহজে !!! ( পর্ব - ১ ) - ডিজিটাল ম্যান
- গেম ডাউনলোড : AVATAR : The Game - এ.কে.এম. ওবায়েদ-উল হক
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- কুমীরের খামার - ক্রোকোডাইল ফ্যাক্টরী !!!! - শ।মসীর
- কলিগ খালি এডাল্ট সাইট ভিজিট করে - ডট কম ০০৯
- মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার - অমি রহমান পিয়াল
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- জন্মযুদ্ধ '৭১ : আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও! - অমি রহমান পিয়াল
- আদিবাসী সুর, আদিবাসী গান - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ওর্য়াডপ্রেস ব্লগ ইনস্টল এবং অত:পর - হাসান
- আমার ঈদ শপিং - শওকত হোসেন মাসুম
- প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)
- অরণ্যচারী
- দুইন্যার হগ্গল পদের ভিডিও চালান ♫♫♫উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারে♫♫♫!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- পারু-থাকসান মন্দিরের পথের বাঁকে-বাঁকে এবং নিঃসঙ্গ প্রকৃতি উপভোগ - ধূসর মানচিত্র
- বঙ্গ দেশের প্রথম বাঙ্গালীর মহাকাশ অভিযানের বিবরণী - আনোয়ারুল আলম
- 2টা অসাধারন রেপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট - স্স্পরসের বাহিরে
- বান্দরবান-থানচি, তিন্দুর, বড়পাথরের বাকে- বাকে - ধূসর মানচিত্র
- 2টা Rapidshare Premium Account সবার জন্য - স্স্পরসের বাহিরে
- খুব অল্প খরচে বেড়িয়ে আসুন মিয়ানমারের মংডু শহরঃ- - জুল ভার্ন
- আসেন ক্যাতা করি
- নাফিস ইফতেখার
- আমি বন্দী কারাগারে,আছি মা গো বিপদে - ফারহান দাউদ
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (২৭): Utopian ! - ম্যাভেরিক
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- জুমলা টিউটোরিয়াল ৮: সাইট মেন্যু - গৌতম রায়
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- ওয়েবের টাইমমেশিন, ঘুরে আসুন অতীত থেকে!!!
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী । - জেড ইসলাম
- নতুন ব্লগাররা ওয়েবসাইটের দিকে নজর দিন ~ পাঠককে ওয়েবসাইটকে ধরে রাখুন - হাসান
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- ফ্রি মুভি ডাউনলোড - দুঃখবিলাস
- আপনি কিভাবে ঘুমান
- ডেলফ
- ৭০০মেগাবাইটের যেকোন মুভি ডাওনলোড করুন মাত্র ৩০০ মেগাবাইটে। একই মান অত্যাধিক সুবিধা সহ - টাক্কা
- মুভি ডাউনলোডের কোন সাইট আছে? - হমপগ্র
- ভাবতেছি জিনিসখান আপনাদের সাথে শেয়ার করবো নাকি - মইন
- টেকনিক্যাল ক্যাতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- নোকিয়ার জন্য ফোন ট্র্যাকার(চুরি রোধের উপায়) - রহস্য
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- আসুন আমরা Rapidshare থেকে Resume Support সহ Super Speed এ File Download করি... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- Rapidshare থেকে সহজে ডাউনলোড করার উপায় - ঐক্যতান
- ফটোগ্রাফি বিষয়ে কাজে লাগার মতো পাঁচটি সাইট - মিসকল মফিজ
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের টাইটেলবারে নিজের নাম যোগ করা - মশিউর রহমান মেহেদী
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! সাথে মুভী ডাউনলোডের ইউনিভার্সাল সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- টপটেন-০০১! - মুকুট
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- বিষয় যখন গান - সায়েন্স জোন
গাঙ্গারিডাই এর পথে
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
উয়ারী থেকে ফেরার পথে সুর্যি মামা বললেন টা টা।
শিরোনাম যাই হোক না কেন। উয়ারী-বটেশ্বরই যে প্রাচীন রহস্যময় গাঙ্গারিডাই রাজ্য, এর কোন সুনিদৃষ্ট প্রমান পাওয়া যায় নি। ইতিহাসবীদরা উয়ারী-বটেশ্বর (তিন-সাড়ে তিন হাজার বছর পুরাতন) সভ্যতাকে সময়ের সাথে সামঞ্জস্য দেখে গাঙ্গারিডাই বলে ভাবছেন। আর এই পোস্টটাকে ইতিহাস বিষয়ক কিছু ভাববেন না কেউ। ইতিহাসের ব্যাপারে আমি জানি কাঁচকলা। এখানে অনেক ভুল ভ্রান্তি আছে। সেগুলো নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
উয়ারী-বটেশ্বর যাবার জন্যে প্রথমে সঙ্গি খুজে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু যখন মহাখালী থেকে বাসে রওনা হলাম আমরা ৫জন হয়ে গেছি। আমি, শরীফ, শরীফের পাড়াতুতো ছোট ভাই, ব্লগার নিরব ভাই আর ব্লগের পাঠক ফয়সাল ভাই (উনি খালি পড়েন। আজ পর্যন্ত একটা ব্লগও লিখে শেষ করে ফেলতে পারেন নি তাই এখনো কিছু পোস্ট করা হয়নি)। নির্বাসিত নিশাচর ভাই তার ভাইকে নিয়ে জয়েন করবেন নরসিংদি থেকে আর আমাদের ভোড়ের পাখি কামাল ভাই (সাদা মনের মানুষ) নরসিংদির লোক জানি কিন্তু জানতাম না ভাবী বটেশ্বর গ্রামের মেয়ে।
ঢাকা থেকে ৭টায় বেড়ুনোর কথা। বাসে উঠেছি ৯টায়। টঙ্গিতে বিশাল জ্যামে ধরা খাইছি। এদিকে নিশাচর ভাই বার বার ফোন করছেন কত দূর কত দূর। শেষে বিরক্ত হয়ে উনি বাইক নিয়ে রওনা হয়ে গেলেন নরসিংদি থেকে। মরজালে গিয়ে আমাদের সাথে জয়েন করবেন। কিছুদিন আগে সামহোয়ার ইন ব্লগে বৃত্তবন্দি কাউয়া ভাই এখান থেকে ঘুরে এসে জটিল একখান পোস্ট দিছিলেন। কাউয়া ভাইএর সাথে কথা বলে জেনেছিলাম ওখানে খাবার দাবারের খুব সমস্যা। তাই মরজাল থেকে যেন খেয়ে বের হই। মরজালে বাস থেকে নামলাম ১২টার আগে আগে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে একটা বাজার। আগে কখনো মার্কই করি নাই। নিতান্তই গ্রাম। খুজে পেতে একটা দোকান বের করে সবাই নাকে মুখে কিছু গুজে দিয়েই বের হলাম সম্রাট আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের আতঙ্ক বাংলার রহস্যময় মীথ গাঙ্গারিডাই (সংস্কৃতিতে গঙ্গাঋদ্ধি) এর পথে।
কাউয়া ভাইয়ের ব্লগে জেনেছিলাম রিক্সার ব্যাপারে। আর শুভ্র ভাই সামহোয়ার ইনের ব্লগার। উনি খনন কার্যে যুক্ত প্রত্নতাত্তিকদের একজন এইমুহুর্তে বটেশ্বর গ্রামে। তাকে ফোন দিয়ে জানলাম উয়ারী মরজাল থেকে ৮কিলো। চট করে হিসাব করে দেখলাম আড়াই ঘন্টা লাগবে হেটে যেতে। গ্রামটা এত সুন্দর আর এত গাছপালায় হুলুস্থুল রুপসী যে হেটে যাওয়াই সিদ্ধান্ত হলো। চারপাশে সবুজ গাছের দল এর মধ্যে লজ্বায় জরোসরো ছবির মতো রাস্তাটা যেন ভির ঠেলে একে বেকে দৌড়াচ্ছে। গ্রামের লোক সংখ্যা তুলনামুলক বেশ কম। মানুষ কম গাছ বেশী। রাস্তাতেও লোকজন খুব কম। মরজাল বাজারের সবাই হেটে যেতে না করলো। কিন্তু সবচেয়ে বোকামী হলো এক গ্রাম্য কিশোরের কথায় শর্ট কাট মারতে গিয়ে ভুল পথে গিয়ে উলটা হাটতে হলো কিছুক্ষন। পথ চিনি না। তাই আমরা আবার মরজাল ফিরে এলাম। এবারে রিক্সা নিতেই হলো।
গ্রামটা অসাধারন। প্রত্নত্বত্ত কিংবা প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর রহস্যময়তা নিয়ে কারো আগ্রহ নাও থাকতে পারে। কিন্তু গ্রাম দুটো এতই অসাধারন সুন্দর, যে কাউকে মোহিত করবে। প্রথমত গ্রাম গুলো অসম্ভব রকমের পরিচ্ছন্ন। লোকসংখ্যা অনেক কম আর সে অভাব পুশিয়ে দিয়েছে গাছ। চারপাশে গাছ পালায় ভরা, আর সব গুলো ফলের গাছ। আম, জাম, লিচু, কলা, কাঠাল ,লটকন কি নেই। আর ফলের ভারে সবগাছ যেন নুয়ে আছে। আমরা গাছগুলোর ওজন কমাতে আন্তরিক ছিলাম।
![]()
থ্রি ইন ওয়ানঃ একটু খেয়াল করুন তো। গাছটাতে বড় বড় কাঠাল ধরেছে। কিন্তু কান্ডটা বটের। পাশে কিছু বট পাতা। আবার লম্বা লম্বা যতো পাতা দেখা যাচ্ছে সবগুলোই তো আমের পাতা।
পথে নজরে আসলো একটা অদ্ভুত গাছ। গাছটার কান্ডটা কাঠালের, জায়গার জায়গায় বড় বড় কাঠাল ধরেছে, আবার উপরের দিকে কিছু ডালে আমের লম্বা লম্বা পাতা যদিও আম কিংবা মুকুল চোখে পড়লো না। আবার সাইডে বটের পাতা সহ কিছু ডালও আছে। থ্রি ইন ওয়ান। রিক্সাওয়ালা জানালো এটাতে এবারে নাকি কাঠাল ধরেছে আম ধরেনি। অন্যবার আম ধরলে কাঠাল আসবে না। প্রকৃতি আসলেই রসিক।
গাছ পালার ফাঁক দিয়ে দিয়ে মাঝে মধ্যেই গ্রাম্য যত্নে নিখুত পরিপাটি ঘরবাড়ি চোখে পড়লো । গ্রামের লোকেরা ধনি না হলেও একদম দরিদ্র নয়। সবখানেই যত্ন লালিত্য স্পষ্ট।
আকা বাকা পথ ঘুরে আমরা বটেশ্বর আসলাম। কামাল ভাই কয়েকবার ফোন দিলেন। বললাম সরাসরি উয়ারী চলে যাব, খনন ক্ষেত্র। ওখানে গিয়ে দেখি বৃষ্টি আর রোদের খপ্পর থেকে রক্ষায় অধিকাংশ জিনিসই তিরপল ঢেকে আরাল করা। শুভ্র ভাইয়ের সাথে পরিচয় হলো। লম্বা ঝাকড়া চুলের হাসি খুশি একজন।
শুভ্র ভাই খুব আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে রোমান এবং গ্রীক সম্রাজ্যের সাথে উয়ারী-বটেশ্বরের বানিজ্যিক সম্পর্ক ব্রিফ করছেন।
বৃষ্টির ভয়ে সবুজ আবরন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে রহস্যময় এই পুরাকীর্তীটা। এটা কি ধরনের স্থাপত্য সেই সমাধান এখনো বের করা যায় নি।
টেরাকোটার অলঙ্কার। পাঠান স্যারের প্রতিষ্ঠিত সংগ্রহশালা থেকে।
গ্রীকদের উপকথায় গাঙ্গারিডাই (কিংবা গঙ্গাঋদ্ধি) সভ্যতার কথা মিলে যিশুখ্রিষ্টের জন্মেরও ৩০০বছর আগে। ইংরেজ আমলে লিখিত ইতিহাস বইগুলো অনুসারে পুন্ড্রবর্ধন, ময়নামতী এগুলোই আমাদের সবচেয়ে প্রাচিন ইতিহাস। তারা দাবী করেছিলো বাংলাদেশ আসলে একটা দ্বীপ। গঙ্গার অববাহিকায় পলি জমে জমে জন্ম নেয়া এই মাটির বয়স বেশী দিন নয় তাই এতে অতিপ্রাচিন সভ্যতার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব না। কিন্তু http://en.wikipedia.org/wiki/Gangaridai পড়লে অন্যকথা পাওয়া যায়। পরিষ্কার ভাবে লিখা আছে যীশুর জন্মের ৩০০বছর আগে মেগাস্থিনাস নামের গ্রীক এক্সপ্লোরার এবং লেখক তার INDICA বইতে লিখে রেখেছেন ভারতীয় উপমহাদেশে সামরিক শক্তিতে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সভ্যতা গাঙ্গারিডাই যারা গঙ্গানদীর অববাহিকায় একদম সমতল অঞ্চলে বাস করে।
আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের ভারত অভিযান অত্যন্ত রহস্যময়তার আরালে চলে গেছে। সিন্ধু অববাহিকার সম্রাট পুরুর সাথে লড়াই হয়েছিল আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের। আমাদের লোককথার সেকেন্দার বাদশাহএর গল্প আছে। ইতিহাসবীদরা সেকেন্দার বাদশাহকেই আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট ভাবেন। যুদ্ধে পুরু পরাজিত হন। আলেকজান্ডারের হাতে বন্দী পুরুর একজন রাজপুরুষ জানায় পুরু পালিয়ে গেছেন। এখান থেকে বারো দিন হাটলে একটা মরুভুমী। এর পরে আরো পুবে গেলে বিশাল নদী। যার নাম গঙ্গা। দৈর্ঘ ৩২স্টেডিয়া (গ্রীক দৈর্ঘের হিসাব)। ভারত বর্ষে এরচেয়ে বড় বা গভীর আর কোন নদী নেই। এই নদী ধরে ভাটিতে গেলে বঙ্গোপসাগরের উত্তরে ভয়ঙ্কর গাঙ্গারিডাই রাজ্য। সেখানে পরাজিত রাজা আশ্রয় নিয়েছেন গাঙ্গারিডাই সম্রাটের কাছে। ইউরোপ থেকে আগত সম্রাট আলেকজান্ডারের প্রতি গাঙ্গারিডাই সম্রাট Xandrammes ক্ষুদ্ধ। এবং উনি সহসাই আক্রমন করতে পারেন। উনার সেনাবাহিনীতে ২০,০০০ অশ্বারোহি, ২০০,০০০পদাতিক, ২০০০ যুদ্ধ রথ এবং ৪০০০ সুপ্রশিক্ষিত হস্তিবাহিনী আছে। গ্রীকরা ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করে। প্রাচ্যদেশে এসে তারা প্রথম দেখলো হাতিকে যুদ্ধে ব্যাবহার করা যায়। বিশালদেহী এই সুশিক্ষিত হাতিগুলোর আচরন আজকালকার ট্যাঙ্ক এর মতো। সামনে যা পায় লন্ডভন্ড করে দেয়। গাঙ্গারিডাই এর হাতিবাহিনীর আতঙ্ক পুরো উপমহাদেশে। আর তারা আলেকজান্ডারকে রুখতে চারহাজার হাতি রেডি করেছেন। স্বভাবতই গ্রিক সৈন্যরা আর সামনে এগুতে রাজি ছিল না। আলেকজান্ডার কলিঙ্গের মৌর্য সম্রাটের সাথে সন্ধি করে ফেরত গেলেন।
![]()
সামরিক দিক দিয়ে গাঙ্গারিডাই ছিল ভয়ঙ্কর শক্তিশালী। পাঠান স্যারের সংগ্রহশালায় উয়ারীতে প্রাপ্ত কিছু ধাতব যুদ্ধাস্ত্র।
![]()
পাঠান স্যারের সংগ্রহশালা থেকে কিছু অলঙ্কার। উয়ারী-বটেশ্বরের অভিজাত রুপসীরা যীশুর জন্মের শতাব্দি আগে এগুলো পড়তেন।
![]()
উয়ারী বটেশ্বর গ্রামের স্কুল শিক্ষক হাবিবুল্লাহ পাঠান এবং হানিফ পাঠান। বাবা এবং ছেলে। গত ৭০বছর ধরে নিরবে প্রথাগত প্রত্নত্বত্ত বিদ্যার বাইরে থেকেও কি বিরাট কাজ করে যাচ্ছেন।
দার্শনিক টলেমি আলেকজান্দ্রিয়া নগরীতে সারাবিশ্বের আনাচে কানাচে থেকে আগত নাবিকদের সাথে মেলামেশা করতেন। এদের কাছ থেকে বিশ্বের অজানা প্রান্তরের কথা জানা যেত। সেখানে তিনি গাঙ্গারিডাই এর নাবিকদেরও কথা শুনেছিলেন। আজকের উয়ারী-বটেশ্বরের খুব কাছ দিয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী বইতো। এই নদী দিয়ে মেঘনা হয়ে বঙ্গোপাসগর এরপরে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া নগরী। ব্যাপারটা বেশ ঘোড়ালো। সহজে মানতে মন চায় না। কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত মুদ্রাগুলোতে প্রাচীন রোম আর গ্রীক সভ্যতার অনেক প্রতীক দেখা যায়। আবার থাইল্যান্ডে মঙ্গোলয়েড সভ্যতা প্রবেশের আগেই চম্পা রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত ছিল। বোর্ণিও, সুমাত্রার অনেক জঙ্গলে হাজার হাজার বছর পুরাতন হিন্দু দেবদেবীর মুর্তি পাওয়া যায়। সেখানে প্রাপ্ত তাবিজ়ে (ধর্মিয় চিহ্ন যেগুলো গলায় পরে লকেটের মতো, আজকালকার তাবিজের মতো ব্যাবহার না, এগুলো শুধুই ধর্মিয় প্রতিক) ছুটন্ত বাঘের চিহ্ন খুব জনপ্রিয় ছিল। একই ধরনের ধর্মিয় লকেট এখানেও পাওয়া যাচ্ছে। আর যুবরাজ বিজয় বাংলাদেশ থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে শ্রীলঙ্কায় বসতী স্থাপন করেছিলেন (আধুনিক লঙ্কানদের গঠন গত চেহারা বাংলাদেশের প্রাচীন জাতী যেমন সাওতালদের সাথে মিলে ভারতের মুল ভুখন্ডের তামিলরা অন্যরকম) । উপমহাদেশের আর কোন অঞ্চল এত পানিবহুল না। তাই এখানকার লোকেরাই যে সবচেয়ে ভালো নাবিক ছিল সেটাই স্বাভাবিক।
টলেমি তার GEOGRAPHICA বইতে লিখেছিলেন গাঙ্গা রিডাই এর অবস্থান গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ভাটি অঞ্চলে গঙ্গার ৫টি শাখা নদীর মুখে গাঙ্গারিডাই রাজত্ব। আধুনিক ইতিহাসবীদরা আজকে চুয়াডাঙ্গা জেলার আশে পাশে একে খুজছেন। পেরিপ্লাস, প্লিনি, স্ট্রাবো, আরিয়ান, সবাই ইন্ডিকার ম্যাপে গঙ্গার ভাটিতে ডেল্টা আইল্যান্ড দেখিয়েছেন। এখানেই গাঙ্গারিডাই আছে।
মজার ব্যাপার উয়ারী-বটেশ্বরে পাওয়া যাচ্ছে স্যান্ডউইচ কাঁচের পুতি। এই পুতিগুলোতে একটা কাঁচের ভেতরে আরেকটা কাঁচের স্তর থাকতো। এটা ছিল রোমান সভ্যতার স্পেশালিটি। আর কেউ বানাতে পারতো না। যেমন আমাদের মসলীন। কাপাশিয়া অঞ্চলে বিশেষ ধরনের কার্পাস তুলো হতো। এই প্রজাতীটাই এখন বিলুপ্ত (সুত্রঃ জেমস টেলরের কোম্পানী আমলের ঢাকা)। এই বিশেষ ধরনের কার্পাস থেকেই মসলীন হতো তাই পৃথিবীর আর কোথাও তা তৈরি সম্ভব ছিল না। স্যান্ডউইচ পুতিগুলো ভারতবর্ষে তৈরি এটা বিজ্ঞানীরা মানতে নারাজ। এটা রোমান সভ্যতা থেকে আমদানী হতো হয়তো অভিজাতদের জন্যে। তাই যীশুখ্রিষ্টের জন্মের কয়েকশতাব্দী আগে এই উয়ারী-বটেশ্বরের সাথে রোমানদের বানিজ্যিক সংযোগ ছিল।
উয়ারী বটেশ্বরে গর্তবাস ছিল। মাটির তলে গর্ত করে উপরে ছাউনি দেয়া হতো। যেটা নাকি খুব অস্বাভাবিক। শুভ্রভাই উত্তেজিত হয়ে বুঝাচ্ছিলেন, আমি কিছুই বুঝি নাই। তবে প্রাচীন এই নগরী থেকে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের দিকে একটা বড় রাস্তা আবিষ্কার হয়েছে। যেটা নগর ধারনাকেই প্রমান করে। নগরীর চারিদিকে দুর্গের মতো প্রাচীর আর প্রাচীরের বাইরে পরিখা। সামরিক শক্তির আরো পরিচয় হিসাবে অসংখ্য অদ্ভুত যুদ্ধাস্ত্র মাটি খুড়ে বের করা হচ্ছে।
স্বাধীনতার অনেক আগে এই গ্রামের শিক্ষক হাবিবুল্লাহ পাঠান স্যার এখানে প্রাচীন সভ্যতার অনেক নিদর্শন খুজে পান। স্থানীয় কৃষকরা মাটি খুড়তে প্রায়ই রুপার মুদ্রা ও অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন পেত। উনি এগুলো সংগ্রহ করে নিজের বাড়িতে মিউজিয়াম করতেন। উনি পরে পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে লিখা লিখি করতে থাকেন। পরে জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নত্বত্ত বিভাগ খনন কাজ শুরু করে সম্পুর্ন নিজের উদ্যেগে। কোন ধরনের রিটার্ন ছারা ছাত্র শিক্ষক সবাই নিরবে খুজে বের করছে প্রাচীন রহস্যময় গাঙ্গারিডাইকে।
আগ্রহীরা উইকিপিডার লিখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়লে ব্যাপক মজা পাবেন। এছাড়া Click This Link ম্যাভারিক ভাইয়ের পোস্ট, http://www.sachalayatan.com/juthochari/17109 সচলাতয়নের এই পোস্ট, পড়তে পারেন। কিংবা গুগলে গিয়ে গাঙ্গারিডাই অথবা উয়ারী-বটেশ্বর নিয়ে সার্চ দিতে পারেন। উয়ারী-বটেশ্বর আর গাঙ্গারিডাই নিয়ে খোজা খুজি করতে গিয়ে আমি নিজে অনেক আনন্দ পেয়েছি।
![]()
ব্যাং এর ছাতা
![]()
উয়ারী থেকে বটেশ্বর গ্রামে যাবার পথে। গভীর চিন্তায় নিমগ্ন একজন শিশু দার্শনিক।
![]()
![]()
ফিরতে গিয়ে রাত হয়ে গেল নির্জন জঙ্গুলে এলাকায়। ছবিটা নাইট ভিশনে তোলা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উয়ারী বটেশ্বর, গাঙ্গারিডি, গাঙ্গারিডাই। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা। বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কাল সকালে উঠে মহাখালীতে চলনবীল বাসে উঠে বসেন। মরজালে নামবেন। রিক্সা নিয়া সোজা উয়ারী-বটেশ্বর খনন এলাকা।
লেখক বলেছেন: বাড়িতে বিয়ার কথাও বলে না।
রাতমজুর বলেছেন:
কাউয়ারে ধর্তেছি খাড়ান, গাইডেন্সের লাইগ্যা।
লেখক বলেছেন: কাউয়া ভাই আমারেও হেল্প করছেন অনেক। তবে খুব একটা এডভাইসের দরকার নাই। প্রথম কমেন্টের রিপ্লাইটা পড়েন। তাইলেই হবে।
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
ভাই গাঙ্গারিডাই এর উইকি লিঙ্ক এ কিছু নাই। লিঙ্কটা একটু ঠিক করে দিলে ভালো হয়।
লেখক বলেছেন: http://en.wikipedia.org/wiki/Gangaridai
এইবার দেখেন।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়েছি। ভাল লেগেছে। ছবিগুলো সুন্দর।
লেখক বলেছেন: জ্বী কালপুরুষ দা। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বউরে নিয়া সাকা হাফং এর চুড়ায় বইসা থাকবো। কাছের শহর ৩দিনের হাটা। পালানো চান্স পাবে না। খিক খিক।
লেখক বলেছেন: যান যান। ঘুরে আসেন। খুব কাছেই তো।
লেখক বলেছেন: কাউয়া ভাই। আসলেই। আপনার পোষ্ট পড়ে ভাবলাম মিস করছেন। আসার সময় হেটে ফিরলাম। আস্তে আস্তে ঘন গাছপালার মাঝে সুর্য ডুবলো। গ্রামের নির্জন রাস্তা। চারপাশে ঝি ঝি পোকা আর জোনাক। মরজালে ফিরার পরে টিমের সবাই কয় মাত্র ৮কিমি? দুরত্ব আরেকটু বেশী হইলে ভালো হইতো।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
আর আমি বেলাবো থিকা মুক্তরে লৈয়া হাইটা যাওনের কথা কৈতেই মুক্ত বেচারা হাফসায়া গেলো আপ্নেরে বহুত মিস্কর্ছি ঐদিন।
লেখক বলেছেন: শুক্রবার ২৯শে মে। ছবির হাটে ভ্রমন বাংলাদেশ মাউন্ট এভারেস্ট ডে পালন করবে। আইসেন। সব হন্টন প্রিয় ব্যাক্তিদের গনজমায়েত।
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। অনেক অজানা তথ্য জানা গেলো। অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এই ব্লগের পুরানো কিন্তু খুব বিখ্যাত এক পোস্টের লিংক দিয়ে গেলাম। অচেনা বাঙ্গালির বাঙাল গরব সিরিজের তিন নম্বর পোস্ট। Click This Link
লেখক বলেছেন: জ্বী ওটা পড়েছি। ব্লগে আমার ফেভারিট পোস্ট গুলোকে পিডিএফএ কনভার্ট করে পিসিতে সেভ করে রাখি। এটাকেও পিডিএফ বানাইছি।
সোজা কথা বলেছেন:
প্রিয়তে সরাসরি
লেখক বলেছেন: সিরিয়াল দিলাম।
লেখক বলেছেন: গুরু পড়ছি। অনেক গুছিয়ে লিখেন আপনি।
লেখক বলেছেন: কবে শালমহুয়া, দোলন চাঁপার
মালা দেব তাহারে
আহারে আহারে আহারে আহারে।
লেখক বলেছেন: হে হে হে হে।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
জটিল জিনিস।
লেখক বলেছেন: উয়ারী থেকে ঘুরে আসেন। তাইলে তরল মনে হবে।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
দেশে এবার এলে উয়ারী যেতেই হবে। অসাধারণ বর্ণনা, সাথে অদ্ভুত সুন্দর ছবি।ভালো থাকবেন সৌম্য ভাই।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাবেন। খুবই সুন্দর জায়গা।
পড়ার জন্যে ধন্যেবাদ।
লেখক বলেছেন: তারা তারি দিয়েন। ওয়েট করতেছি।
সুবিদ্ বলেছেন:
বরাবরের মতোই দারুণ........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবিদ ভাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















++++++
(Bangla asche na !!!)