আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

গ্রামের নাম উয়ারী এবং বটেশ্বর।

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১২

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রাচিন তম সভ্যতা গুলোর একটি, আমাদের দেশের গাঙ্গারিডাই
এর ধ্বংসাবশেষ দেখতে উয়ারী-বটেশ্বর গ্রামে গিয়েছিলাম ক-দিন আগে। সাথে ছিলেন ব্লগার কামাল ভাই (সাদা মনের মানুষ), নির্বাসিত নিশাচর, ক্যাকটাস (ফয়সাল ভাই), তারেক ভাই (নিকঃনিরব), আমার একবন্ধু আর তার ছোট ভাই।

ইতিহাসের কচকচানি করতে আর চাইনা। ওটা গত পর্বেই (Click This Link) শেষ করেছি। গ্রামটা অসাধারন রুপসী। উয়ারী-বটেশ্বরের কিছু ছবি শেয়ার করলাম এখানে। ছবি গুলোতে অসাধারন কোন প্রাকৃতিক দৃশ্য নেই। পাহাড়, অরণ্য, ঝর্না জাতীয় কিছু নাই। ছবি তুলে মজা পেয়েছি কারন এগুলো শুধুই সহজ সরল শান্ত একটা গ্রাম আর গ্রামীন মানুষের ছবি। মনে হচ্ছিলো জসিমউদ্দিনের কবিতার বই ফুড়ে সবাই জীবন্ত।

যাদের নেট স্পিড আমার মতো স্লো, তাদের কাছে এডভান্স ক্ষমা প্রার্থি।





এই খেলাটার নাম গাড়ি গাড়ি খেলা। লম্বা একটা লাঠির উপরে সবাই বসে অনেকটা হ্যারি পটারের ম্যাজিক স্টিকের মতো। হাতের থালাটা হয় স্টিয়ারিং। তার পরে মুখ দিয়ে ইঞ্জিনের সাউন্ড আর হর্ন দিতে দিতে ছুটে এসে একজন আরেকজনকে ধাক্কা দিতে হয়।


পিতা-পুত্র। ছবি তুলার সময় পিচ্চির মা হাসবেন্ডকে বকা দিচ্ছিলেন, নিজেও খালি গায়ে থাহো, বাচ্চারেও খালি গায়ে নিয়া ছবি তুলতেছ। মান-ইজ্জত কি ধুইয়া দিছ?




ইয়া ঢিশুম ঢিশুম


ছোট্ট মাথা কিন্তু কতোই না চিন্তায় অস্থির। একজন শিশু দার্শনিক


পবিত্র বিস্ময় !


আমাদের আড্ডা।


রাশি রাশি ভারা ভারা, ধান কাটা হলো সারা।


প্রকৃতির রেখাচিত্র।


সূর্য গেল পাটে।


গোধুলী।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উয়ারীবটেশ্বর। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা।  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: সেরম কি রকম?

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: খাইয়ালামু কিন্তুক! গররর

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিক ভাই। :)
গ্রামের ছবি এমনিতেই সুন্দর। শাটার টিপলেই হয়।

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ দা। :)

৫. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন: পিচ্চি কালে আমি দেখতে অনেকটা এমন ছিলাম
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? আমি অনেক ভোটকা ছিলাম। কোলে নিতে নাকি কষ্ট হইতো। আমিও হাটা হাটি করতে চাইতাম না, খালি এর কোলে ওর কোলে ঘুরে বেড়াইতাম। :P

৬. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
প্রাকৃত বলেছেন: দেখার চোখ থাকলে এইসব পবিত্র চেহারাতেই খোঁজে পাওয়া যাবে ঝর্ণা,পাহাড় কিংবা বৃষ্টি অপরূপ সুন্দর ছবি।

খুব ভাল লাগলো আপনার এই ছবিব্লগ।
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আমার বাড়ি যাইও ভ্রমর
বসতে দেব পিড়ে
জলপান যে করতে দেব
শার্লি ধানের চিড়ে

গ্রামটা মনে হয় জসীমউদ্দিনের কবিতার বই থেকে উঠে আসছে।

৭. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:
গাড়ি গাড়ি খেলা আমার মনে পড়ে আমরাও খেলতাম ছোটবেলায়, খেজুরের ডাল দিয়া জম্‌ত ভালো। জব্বর সব ছবিগ্রাফ, আরো চাই।
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আরেকটা খেলা আছে। সুপারীর বাকল কিংবা পাতা দিয়ে। একজন বসে, আরেকজন পাতার সামনের অংশ নিয়া হির হির করে টেনে নিয়া যায়। ঐটাও অনেক মজার খেলা।

৮. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
নাজনীন১ বলেছেন: গৌধুলীর ছবিটা অসাধারণ!!!

তবে খুব ভাল লেগেছে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী বাচ্চাগুলোকে দেখে, গ্রামের হলেও অপুষ্টিতে ভুগছে না।
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: দুটো গ্রামই বিশাল। গ্রামের লোকেরাও তুলনামুলক ভাবে বেশ স্বচ্ছল। গ্রামে স্যানিটেশন ব্যাবস্থা এ ক্লাস। কোথাও ময়লা আবর্জনা নাই। গ্রাম ভর্তি খালি গাছ। অসম্ভব বেশী সংখ্যক গাছ। আর সবই ফলের গাছ। আম জাম, লিচু, কাঠাল, লটকন... মনে হয় ফলের ওজনে গাছ ভেঙ্গে পড়বে।

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধইন্যপাতা।

১০. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২১
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: চমৎকার!!!

তবে, উয়ারি-বটেশ্বরের নাম দেখে আমি ভেবেছিলাম ছবিগুলো প্রত্নতত্ত্ব রিলেটেড হবে। গত পর্বের মতো ঐরকম কিছু নাই?
১১ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: পাঠান স্যারের মিউজিয়াম আর খনন এলাকা থেকে কিছু ফটো তুলছি। কিন্তু গ্রাম্য ছবির অন্য মজা!

১১. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২২
লুলুপাগলা বলেছেন: অনেকেই হয়তো জানেন না যে, উয়ারী-বটেশ্বর এবং তার আশে পাশের এলাকা বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহত শাক-সব্জি ও ফল উৎপাদনকারী এলাকা।
১১ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাগলা ভাই। এই ইনফর্মেশানটা জানা ছিল না। এলাকার মাটি অত্যন্ত উর্বর এটা দেখলেই বুঝা যায়।

১২. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
অরণ্য আনাম বলেছেন: অসাধারণ সব ছবি।

চমতকার পোষ্ট..অভিনন্দন
১১ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্য ভাই। অনেক দিন পরে ব্লগে আইলেন? ভাবছিলাম বান মারছে বুঝি। আপনারে দেখে ভালো লাগলো।

১৩. ১১ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
পান্থ বিহোস বলেছেন: ২০০৫-এ উয়ারি-বটেশ্বর গিয়েছিলাম পত্রিকার ফিচার তৈরি করার জন্য। সত্যিই অসাধারণ সুন্দর ঐ এলাকাটা। বিশেষ করে নরসিংদীর বেলাব থেকে উয়ারী-বটেশ্বর পর্যন্ত রিক্সার রাস্তাটুকুও কম সুন্দর নয়।
১১ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: এত সুন্দর রাস্তাতে রিক্সায় জার্নি করলে মনে হয় লস। আমরা হাঁটছি। সেইরকম আনন্দ পাইছি।

১১ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: যীশু ভাই। আপনার ফটোগ্রাফির বড় ফ্যান আমি। আপনার প্রসংসা অনেক বড় কিছু।

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু চ্যাঙ্কু। :P

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: dhonno bad saleh vai.........monttobbo

১৭. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫১
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আরিব্বাস। বেশ ছবি তুলছেন-ত।

আছেন কেমুন
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। কেমন আছেন শুভ্র ভাই।কবে ফিরলেন?

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ২০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭
ম্যাভেরিক বলেছেন: বাংলার বতুতা সৌম্যের মনটাও চির সৌম্য, চির সবুজ, ছাপ রয়েছে পোস্টের পরতে পরতে।
২০. ২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আপনার ছবি তোলার হাত দেখে আমার হিংসে হয় !
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: কামাল ভাই, আপনার ছবি তোলার হাত দেখে আমার ও হিংসে হয় !

২১. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুবই সুন্দর সৌম্য...........
ছবিগুলো অসাধারন।

শুভেচ্ছা থাকলো।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজিপা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ