আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

আকাশ ছোঁবার গল্প

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0




আগের পর্বের পরে
রাতে ঘুমিয়েছিলাম সিয়াম দিদির বাগান বাড়িতে। বাগান বাড়ি শুনলেই মনে হয় বাংলা সিনেমার আড্ডা, যেখানে নায়িকা সহ সুন্দরী মেয়েদের ধরে আনা হয় এরপরে নানা কান্ডকলাপ করতে হয়। তবে সিয়াম দিদির বাগান বাড়ি হচ্ছে বাগান বিলাসের জঙ্গলের মধ্যে একটা বাড়ি, সোলার ইলেক্ট্রিসিটি আছে, কাঠের চৌকি আর একটা করে টেবিল আছে। দরজা খুলে রাখলে বগা লেক থেকে চমতকার ঝিরি ঝিরি হাওয়া আসে, অবশ্য টক্কে, গিরগিটি আর লারামের শুকর গুলোও ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ে।

বগালেকে এটা আমার চতুর্থবার। প্রতিবারই খুব ভোড়ে অন্ধকার থাকতে কেওকারাডং এর দিকে রওনা হয়েছি। ডিজিটাল টাইম সকাল ৬টায় চারদিকে ঘুরঘুট্টি আধার থাকে। কিন্তু এবারে উঠলাম সাড়ে সাতটার দিকে। অবশ্য উঠে দেখি কারো মধ্যে কোন গা নেই। সবাই আয়েশ করে নাস্তা করছে। টুটু ভাই অবশ্য কয়েকবার ধাওয়া দিলেন তারাতারি করার জন্যে, কিন্তু উনি নিজে যাচ্ছেননা, বগা লেকে থেকে যাচ্ছেন দুপুরের খাওয়ার আয়োজনে। নিরব ভাই আর মিজান ভাই উঠেছেন অনেক ভোড়ে, বগা লেক এবং নিচের রাস্তার কিছু অকল্পনীয় সুন্দর ছবি তুলেছেন।

রাস্তা কর্দমাক্ত। খুব সাবধানে পাহাড় বাওয়া শুরু হলো। পরিচিত রাস্তা। কিন্তু বৃষ্টির পড়ে আসে পাশের জঙ্গল যেন ট্রেইলটাকে কাঁচা খেয়ে ফেলার চেষ্টা শুরু করেছে। আমরা সাবধানে পা ফেলে হাঁটা শুরু করলাম। সময় বেশী লাগলো অনেককটা। তবে মেঘলা দিন রোদের ঝামেলা নেই। প্রচন্ডে জোড়ে পানি নেমে আসায় রাস্তায় জায়গা জায়গা গর্ত হয়ে গেছে। অদ্ভুত ভাবে জোঁকের উতপাতও কম। পথে আরিফ আর মিজান ভাইকে ২টো জোক ধরলো। ঝর্না আর ঝিরি গুলোতে পানি অনেক বেশী। চিংড়ি ঝর্নার মুখে অনেকক্ষন বসে রইলাম। পানি পড়ার দারুন শব্দ আসছিলো। ভুল করেছিলাম একটু এগিয়ে ঝর্নাটা দেখা হয়নি দেখে। বাঁশের সাঁকোতে এসে পুরা হিন্দি মুভী স্টাইলে নিচের একটা নরম বাঁশ খুলে গেল আর শিমুল ভাইয়ের একটা পা গেল তাতে আটকে।

চারপাশে শুধুই মেঘ। বড় বড় ঘাসের ট্রেইলে দাঁড়িয়ে মেঘের মাঝ দিয়ে হাটতে হাটতে সবারই সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। আগে সব সময় ঘামে ভিজেছি, নইলে বৃষ্টিতে। মেঘের মধ্যে দিয়ে ভিজতে ভিজতে উঠতে অন্যরকম লাগছিলো। আকাশ ছোবার বাসনা সবার। সেই আকাশের মধ্যে দিয়ে হাটতে পারা স্বর্গিয় অনুভতি। দূরে চিম্বুকের দেয়ালের মতো রেঞ্জটা মেঘের আরাল থেকে বার বার মাথা গলাচ্ছে। হঠাত দু সারী পাহাড়ের মাঝ থেকে আমাদের হাইটে কালো এক পশলা মেঘ আসাতে তারাতারি পা চালালাম সবাই বৃষ্টি আসলে খবর আছে।

দার্জিলিং পাড়ায় পৌছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগলো। চারপাশে নির্জন। মাঝে মাঝে গভীরে বন থেকে পাখির ডাক ভেসে আসছে। অরণ্যের নিজের কিছু শব্দ থাকে। দার্জিলিং পাড়াতে চা-এর বিরতী। পিছের পার্টি অনেক পিছিয়ে গেছিলো। ওদের জন্যে অপেক্ষার পাশাপাশি দির্ঘসময় জিরালাম। আড্ডাফাইংও কম হলো না। একটা হরীনের চামড়া চোখে পড়লো। ইদানিং এ অঞ্চলে হরীন দেখা প্রায় অসম্ভব। এ বছরের শুরুতে থানছির চ্যামাখাল দিয়ে কেওকারাডং ট্রেকে পূর্ণিমা রাতে হরীনের ডাক শুনেছিলাম। ক-বার রাতের অন্ধকারে জ্বলজ্বলে চোখও নজরে পড়লো। হরীনের চামড়াটা ভালো করে দেখতে গিয়ে নজরে পড়লো গলার কাছে গুলির চিহ্ন। গুলিটা এফোড় ওফোড় করে চলে গেছে। দোকানী ছেলেটা জানালো তার বাবা ৪/৫দিন আগে জঙ্গলে গিয়ে এটা মেরে এনেছে। পথে অবশ্য আরেকদল বম শিকারী চোখে পড়েছিলো। কৌতুহলী হয়ে তাদের ব্যাগে উকি মেরে অনেকগুলো পাখি দেখেছি।

দার্জিলিং পাড়া থেকে কেওকারাডং চুড়া দেখা যায়। দুরত্ব মাত্র আধাঘন্টার। কিন্তু আমাদের প্রায় একঘন্টার মতো লাগলো। পিছিয়ে পড়া পার্টি নজরে আসতেই আমরা গ্রাম থেকে বেড়িয়ে গেলাম। আমাদের দলটাই আগে। কিন্তু আস্তে আস্তে আমি পিছিয়ে পড়তে লাগলাম। কাল রাত থেকে জ্বর। খারাপ লাগছিলো। আর পাহাড়ে জ্বর,খুব ভয় পাই ম্যালেরিয়াকে। সৌরভ আমাকে সঙ্গ দিচ্ছিলো ভালোমতো। কেওকারাডং এর সিড়িতে আসতেই উতসাহে সে দৌরে দৌরে উঠে গেল। বকর ভাই ধার্মিক মানুষ। গতবারের মতো উঠেই শোকরানা নামায পড়ে ফেলেছেন। অনেকদিন টুরিস্টের অত্যাচার নাই। কেওকারাডং তাই যৌবন ফিরে পেয়েছে। লাল পিলারটা পেলাম না। প্রথম কালো পিলারটাই স্বগর্বে ঘোষনা করছে* বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অবস্থান। চারদিকে বড় বড় ঘাস আগাছার জঙ্গল। বেশ কয়েকটা জোঁক বের হলো ক-জনার গা থেকে। ছাউনির সামনে অর্ধনির্মিত একটা চালা ঘর দেখলাম এবার। মনে হয় টুরিস্ট মৌসুমে দোকান টোকান করার ভয়ঙ্কর চিন্তা।

নিচে থাক থাক পাহাড় ওদিকে ছবির মতো সুন্দর কিছু গ্রামের চালা ঘর মাঝে মাঝে ঝিলিক দিচ্ছে, রুমানা পাড়া, সুংসাং পাড়া... হঠাত ডানের পাহাড় থেকে এক খন্ড মেঘ আসলো আমাদের একটু নিচ দিয়ে। ঘন মেঘ। বৃষ্টি হয়ে সুংসাং পাড়ার উপরে পড়ার অপেক্ষা। বাঙ্গালীর ছেলে বৃষ্টি ভালো বাসে না হতেই পারেনা। কিন্তু মেঘের উপরে বসে নিচে বৃষ্টি দেখতে পাওয়া... সে অন্যরকম কিছু।

গ্রুপ ছবি তোলা হলো। হাউ কাউ করা হলো। লাফা লাফি চিল্লা চিল্লিও হলো। এবার ফেরার পালা। মেঘের ফাঁক গলে আমরা ফিরতি পথ ধরলাম। দার্জিলিং পাড়াতে এক মুরং দাদার সাথে আলাপ হলো। কথা বলে জানলাম তার ঘোরার নেশা প্রচুর। এই ব্লকের দুর্গল এলাকা গুলো সব দেখেছেন। রাং তল্যাং (উচ্চারন RANG TLANG), বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চুড়া ক্ল্যান ময়, রাইখান লেক, রাইখাং ঝর্না, তিনমাথা... আমি স্বপ্নের দেশের কথা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনলাম।

নামার সময় তারা তারি হয়। আমরা একটার মধ্যেই বগা লেকে হাজির। ব্যাগপেকটা রেখে এক লাফে বগা লেকে। গলা পানিতে ডুবে রইলাম সবাই। ছোট ছোট মাছের পোনা আলতো কামড়ে গা ম্যসাজ করে দেয়। খুব আরাম লাগে।

সন্ধ্যায় চা এর আসর বসলো লারামের চাতালে। আসার আগের রাতে ‘আমরা একটা সিনেমা বানাবো’ গ্রুপের শিশির দা এসেছেন সদলবলে। ওরা উঠেছে লারামের ঘরে। লারামের গিটার নিয়ে গানের আড্ডা বসিয়েছে। আমি আর ইশতি গেলাম উপরে বগা লেক পাড়ায়। প্রতিবার বগালেকে এসে লারাম, সিয়াম দিদি, গীর্জা, স্কুল এর বেশী কিছু দেখা হয়না। দাদুকে (লারামের দাদা) খুজে বের করলাম। দাদু অনেক গল্প জানেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মিজো গেরীলা, শান্তিবাহিনী, উনিশশো একাত্তর। সমস্যা গল্প শুরু করলে উতসাহে বাংলা, বম, আরাকানী মিশ্র ভাষা বলতে থাকেন। দারুন মজার মানুষ। দাদু দেখি আমাকে চিনতেই পারলো না। গতবার ত্রিভুজ তাকে সানগ্লাস গিফট করেছিলো। সানগ্লাসের গল্প বলতেই আবার জগাখিচুড়ি ভাষার তুবরি ছোটালো।

রাতের বেলা গা শির শির করতে লাগলো। বুঝলাম জর আসছে।

ছবিঃ (অনেকগুলা, লোড হইতে সময় লাগবে, তাই যারা পড়বেন তাদের কাছে অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থনা)


কেওকারাডং এর চুড়ায় আমাদের ভিজিয়ে মেঘদল যাচ্ছে সামনে। নিচের সুংসাং পাড়া/রুমানা পাড়াকে ভিজাতে ব্যাস্ত।


মেঘে ঢাকা দার্জিলিং পাড়ার ট্রেক। দুরের আবছা কালো দেয়ালটা চিম্বুক রেঞ্জ।




সাদা ধোয়া ধোয়া গুলো মেঘ। পুরো ট্রেইলটাকেই ভিজে চুপশে দিয়েছে।


চ্যামাখাল (থানছির) আদিগন্ত প্রান্তর


আর বেশি কাঁদালে উড়াল দেব আকাশে। কিন্তু আকাশ তো আমার নিচে।


বোঝা যায় না এমন ফিনফিনে বৃষ্টি, চারদিকে অন্ধকার। আসলে আমরা বৃষ্টির উৎসে দাঁড়িয়ে, চারপাশে কালো মেঘ।


খুব পছন্দের একজন প্রবাসী ব্লগার সৌরভকে পেলাম এবারে সঙ্গি হিসাবে।


আমি আকাশ ছুয়েছি।


মেঘের দেশে পথ চলা।




সুংসাং পাড়ার জুম ক্ষেত।


বাবুটা দার্জিলিং পাড়ার আর দিদি বগালেক পাড়ার। কি কাজে দিদি যাচ্ছিলেন টের পেলেন বম পাড়ায় এই বাবু কাঁদছে, মা গেছে জুম ক্ষেতে। বাবুটাকে কোলে করে হাটা হাটি করে কান্না থামিয়ে আবার আগের পথে চলে গেলেন। উনি বাবুটার মা-বাবাকে চিনেনও না। বমদের কালচার আমাদের কাছে একটু অদ্ভুত।


জুম ক্ষেত।


পাখির চোখে দার্জিলিং পাড়া।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বর্ষায় কেওকারাডং ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা।  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
সৌম্য বলেছেন: বিরক্ত লাগতেছে।
একটা বানান ভুল ছিল। এডিট করলেই দেখি পোস্ট হারায় যাইতেছে।
২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
জটিল বলেছেন: প্রথম পাতাতেই তো দেখা যাচ্ছে ভ্রাতা ...
সব কিছুই ঠিক আছে
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ডিলিট মাইরা আবার দিছি।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: দস্য ভাই, ঠিক নাই।

৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: সৌম্য ভাই, আর ডিলিট কইরেন না। সারপোকায় এড করবো।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: সারপোকা মানে কি?

৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপক ছবি আর ব্যাপক লেখা।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস।

৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: সারপোকা হল সামহোয়্যার পোষ্ট কালেক্টরস। সারপোকা সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম। বুঝলাম

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: আইচ্চা

৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৫
জুল ভার্ন বলেছেন: লেখা অনেক সুন্দর। আরো বেশী সুন্দর ছবিগুলো! +
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুলভার্ন দা।
এবারেই প্রথম জিপিএস সহ কেওকারাডং যাওয়া হলো, Click This Link জিপিএস ম্যাপ

৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
ঘাসফুল বলেছেন:

আবারো চমৎকার বর্ননা... খুব ভালো লাগলো ছবি গুলো... বমদের কালচার আসলেই অদ্ভুত লাগলো...
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ঘাস।

১০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২
সেতূ বলেছেন: @ঘাসফুল বলেছেন:

আবারো চমৎকার বর্ননা... খুব ভালো লাগলো ছবি গুলো... বমদের কালচার আসলেই অদ্ভুত লাগলো...

সহমত সত্যই ইহা মানব ধর্ম / মাতৃত্ব.....

+++
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সেতু ভাই।

১১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
জেরী বলেছেন: cobi gulo sundor asche..........vaia mukh emn ragi ragi vab kore rekhecen keno??
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: সবসময় ভেংচি কাটতে ভাল্লাগে না।

১২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০
আকাশ অম্বর বলেছেন:

ঘুরে এলাম কেওকারাডং!
দারুন বর্ণনা আর ফটোগ্রাফী, বস্‌!

ভালো থাকেন।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আকাশ ভাই।
ভালো থাকবেন।

১৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
প্রথম যখন ব্লগে আসছিলেন , আপ্নারে একবার ফোন দিছিলাম। কিন্তু যাওয়া হয় নাই পাব্লিক লাইব্রেরীতে। গেলে আপনেরে দেখে যদি কপালটা ফিরত।:(

মনে মনে পুরা উরাধুরা ঘুরতে চাই, কিন্তু চাইরদিকে বান্ধা। এই ট্রাভেলগগুলো পড়েই অপ্রাপ্তির শান্তি আর আক্ষেপ বাড়িয়ে তোলা। পেদা টিং টিং এ সূর্যাস্ত দেখা নিয়ে একটা পোষ্ট লিখছিলাম (স্থবির দিনগুলোতে জাবর কাটা আর কি :( ); আপনার পোষ্ট দেখলাম।


পোষ্টে প্লাস। ছবিগুলোর জন্য কি দিবো? আবার প্লাস।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: জ্বী। মনে আছে। মাউন্টেনিয়ার সজল খালেদ মুভী বানাইছিলেন মুক্তিযুদ্ধের উপরে ডকুমেন্টারী। ঐটার প্রিমিয়ার। ছবিটা খুবই ভালো, সবারই দেখা উচিত। প্রিমিয়ার শো নিয়া পোস্ট দিছিলাম। নকিবুল বারী আসছিলো। আপনার আসার কথা ছিল।
সজল ভাই তো ঘোষনা দিছেন ২০১০এর মধ্যে মাউন্ট এভারেস্টে পা দিবেন। আর একবছর মাত্র আছে। উনি সামুতে একাউন্ট খুলছিলেন। ফার্স্ট পেজে এক্সেস পাবার জন্যে ওয়েট করতে করতে ছাইরা দিছেন। আরেকজন লাইনে আছেন। মুসা ইব্রাহিম। সাংবাদিক কাম মাউন্টেনিয়ার। ২০১১এর মধ্যে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করার ঘোষনা দিছেন। উনি সামুতে কয়েকটা পোস্ট দিছিলেন এভারেস্ট নিয়া।

১৪. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
তারার হাসি বলেছেন:
বাবু আর দিদির ছবিটা আকাশ ছোঁয়ার সুন্দর মুহূর্ত গুলিকে আরো সুন্দর করেছে।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: বাবুটা কিন্তু এই দিদির না। দিদিকে জিজ্ঞেস করলাম ওর নাম কি? বলে জানি না। আমি বগালেক পাড়ায় থাকি, মাচাং পাড়ায় যাচ্ছিলাম কাজে। দেখি দার্জিলিং পাড়ায় এ কাঁদছে। বাবা মা নাই আশে পাশে তাই আমি কিছুক্ষন কোলে নিয়া ঠান্ডা করছি। আমার পথের আধাঘন্টা দেরী হবে, আর তো কোন সমস্যা নাই। বাচ্চাকে ঠান্ডা করে আবার জায়গা মতো রেখে দিদি চলে গেলেন।

১৫. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
মুসা ইব্রাহীম আর ভাবি (ওনার স্ত্রী) আমার অনেক বন্ধুদের ভালো বন্ধু।
সজল খালেদ এর ব্লগে আসতে না পারাটা শুনে খারাপ লাগছে। আমরা হয়ত আরো কিছু দুর্দান্ত ট্রাভেলগ পেতাম আপনার মত।

দেখা হয়ে যাবে, ঘোরে হবে একদিন :)
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: Click This Link মুনতাসির ভাইয়ের সামু ব্লগ।

ইনার নাম মুনতাসীর ইমরান। বাংলাদেশে মাউন্টেনিয়ারিং/ট্রেকিং বা এডভেঞ্চার স্পোর্টসের পায়োনিয়ারদের একজন। সর্বপ্রথম বাংলাদেশী নাগরিক হিসাবে এভারেস্ট বেইজ ক্যাম্প ট্রেক করেছিলেন। স্কুবা করেন। এখন বাইকিং করছেন। মাউন্টেন বাইকিং ইন বাংলাদেশ নামে ইউটিউবে একটা ভিডিও পাবেন। কিছুদিন আগে হিলারী রাইড (সিলেটের শেষ মাথা থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত বাইকিং) করলেন। আগামী মাসে মনে হয় বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়া হয়ে ভুটান ঢুকবেন বাই সাইকেল নিয়ে।


Click This Link এটা সাঈদ ভাইয়ের ব্লগ। আমরা সবাই তার ছিড়া বলি। সাইকেল চালাতে জানেন না। জুলভার্ণের বই পড়ে মাথা খারাপ হয়ে গেল। একদিন সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়লেন। চালাতে চালাতে শিখে গেলেন। বাংলাদেশের ৬৪জেলা কাভার করে ঘরে ফিরলেন। মাসখানেকের মাঝেই বেরুচ্ছেন বাইসাইকেলে সবগুলো উপজেলা ঘুরতে। ২বছরের প্ল্যান।

১৬. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
দ্যা ডক্টর বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন, আর কিছু বলছিনা......ধন্যবাদ :)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: :P

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চাচ্চু।

১৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
অ্যামাটার বলেছেন: off topic: aapnar profile logo ta dhar korlam.
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: আমিও ধার করছি।

১৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব সুন্দর লেখা সৌম্য।
ছবিগুলো ভালো লাগলো............
আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছা আমার ও হলো।

শুভকামনা।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজিপু।
আকাশ ছুঁতে নেই মানা।

২০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
সুমিন শাওন বলেছেন: ইচ্ছে করে আকাশ ছুঁয়ে দেখি!
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: চলেন যাই।

২১. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ইদানীংকালে আর কোথাও যাইবেন্নি??
আমার ছুটি.. একটু আওয়াজ দিয়েন।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ঈদের পরের দিন আমাদের ক্লাব থিকা ক্যাম্পিং এ যাচ্ছে সোনাদিয়া। আমি যাচ্ছি না। তবে ২০/২৫জন যাবে। তবে ঈদের সপ্তাহখানেক পরে নিঝুম দ্বীপ যাইতে পারি।

২২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: নিঝুম দ্বীপে আপনে গেলে আমিও যামু। এক্টু ফুনাইয়েন। কবে যাইবেন, কয়দিন থাক্বেন??
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: এখনো কিছু ঠিক নাইরে ভাই। কিছু পরিকল্পনার কথা বললাম। রেমা-কালেঙ্গা ফরেস্ট, রেমাক্রি মদকে অনেক সাইট এখনো বাঙ্গালীদের পা পরে নি, সেখানে এনাম তালুকদার আন্ডার গ্রাউন্ড রিভার দেখেছেন, তিনমুখা, কাইখাং ঝিরি/ কেওকারাডং টু তাজিনডং ট্রেক, কত কি যে প্ল্যান করি। কিচ্ছু করতে পারি না।
বাসাতে কিছু সিরিয়াস গেঞ্জাম বাধাইছি। ঘুরাঘুরি বন কইরা দিছে।

২৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: সুন্দর লেখা। সুন্দর ছবি।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকে সুন্দর ধন্যবাদ।

২৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
নির্ঝরিনী বলেছেন: কি দারুন আকাশ ছোবার গল্প....

ছবিগুলো দেখে মন ভরে গেলো...

+++++++
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।

২৫. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
নির্ঝরিনী বলেছেন: বিশেষ করে জুম ক্ষেতের ছবি দুইটা অসাধারন...
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন:
আমার এটা খুব ভালো লাগছে।

২৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: লেখা+ ছবি দুটোই চমৎকার। বাবুটা বেশি কিউট। আপনি তো ঘুরাঘরির ওস্তাদ। ঘুরতে আমার চরম ভালো লাগে। চান্স পাইলেই কোথাও ঘুরে আসি। তারপরও দেশি মানুষ হয়ে এখনো দেশটাই পুরোপুরি দেখা হলো না। আফসুস! দেশে গেলে আপনাকে খুঁজে বের করবোই।:)
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: নেটে বাংলায় বা ইংরেজীতে ভ্রমণ বাংলাদেশ লিখে সার্চ দিলেই আমাদের ক্লাবের ওয়েবসাইট, ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ফ্যান ক্লাব, ট্রাভেলগ ফোরাম পেয়ে যাবেন। বিশেষ করে ট্রাভেলগ ফোরাম টা খুব কাজের।

২৮. ১১ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২৬
কাঊসার রুশো বলেছেন: ভাই এতোবার কিওকারাডং গিয়ে কী মজা পান??

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ