আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

এডভেঞ্চার পুবের পাহাড়-তাজিনডং এর গোড়ায়।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0


থাইক্ষ্যাং ঝিরি। তামলো পাড়ার ৩ মুখা ঝর্না সম্ভবত এর উৎস। ঘুরে ফিরে এটাই রেমাক্রি হিসাবে আরো অনেক ঝিরিকে নিয়ে বড় মদকে গিয়ে সাঙ্গুতে পড়েছে। নদীর ভিতরে নদী। ছবিঃ আলম ভাই।

আগের পর্বঃ
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চুড়া- মদক মোয়াল/তল্যাং ময়/সাকা হাফং

এডভেঞ্চার পুবের পাহাড় বোর্ডিং পাড়ার পথে
বোর্ডিং হেডম্যান পাড়া। ম্রো-দের গ্রাম। রাতটা খুব একটা সুবিধার কাটেনি। সারারাত লোকজন বদ্ধ মাতাল হয়ে হৈ হল্লা করে ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিলো। প্রচন্ড ধকল গেছে। আর দলে মোটে ২জন। দেরী দেখে তাড়া দেবারও কেউ নেই। ঘুম ভাংলো অনেক দেরীতে। শীতের দিন চারিদিকে কেমন একটা কুয়াশার আমেজ।
সকালে বাথরুমের খোঁজে বের হয়ে দেখি বিশাল বিপত্তি। গ্রামে ঢোকার মুখে একটা টিন ঘেরা স্যানিটারী টয়লেট দেখে রাতের বেলা খুশী হয়েছিলাম। এখন দেখি তালা মারা। ম্রো-দের বাংলা জ্ঞান কম। কিছু বললেই বলে বাংলী ন-জানে। একজন বাঙ্গালী গয়াল ব্যাবসায়ীকে পেয়ে জিজ্ঞেস করতে জানলাম এই বাথরুমটা আসলে শো। একটা এনজিও তৈরি করে গেছে। বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ডোনারদের লোকেরা যখন পরিদর্শনে আসে তখন তালা খুলে দেখানো হয় ঝকঝকে তকতকে বাথরুম। অগ্যতা জঙ্গলে যাবার জন্যে পা বাড়াতেই গ্রামের সবগুলো শুকরের পাল পিছু নিল। ওদের তাড়াতে ঝিরি পেরিয়ে জঙ্গলের ভিতরে উচু একটা টিলায় ঢুকতে হলো। বাথরুম করতে এত কষ্ট ভাবতেই মনটা বিষিয়ে উঠলো।


শেরকর পাড়ার এক বৃদ্ধা। শীতের সকালে আকীজ বিড়িতে সুখটান।
ফিরে গিয়ে দেখি আলম ভাই মোটামুটি রেডী। অনেক চেষ্টাতেও গাইড যোগার করা সম্ভব হলো না। জুম্মের ফসল উঠে গেছে। কিছুদিন পরেই ক্রিসমাস। সবার হাতেই টাকা পয়সা। গ্রামে প্রতিরাতেই উৎসব। এতসব ফেলে খামোখা তাজিংডং ডিঙ্গাতে কেউ আগ্রহী হলো না। পাহাড়িরা খুব চা খায়। দুধ-চিনি ছাড়া ভয়ঙ্কর লিকার। ঘর গরম রাখতে চুলা সারাক্ষনই জ্বলে আর তার মাঝে কেতলীতে সবসময় চায়ের লিকার টগবগ করছে। যখন যার ইচ্ছে কাপে ঢেলে দু-ফোটা নুন ঢেলে খেয়ে নেয়। সেটা খেয়েই বেড়িয়ে পড়লাম। ঝিরি পেড়িয়ে টানা উঠা। পিঠের ব্যাক-প্যাকটা মনে হচ্ছে পাথর ঠাশা। আর বেলা করে বেড়িয়েছি। দ্রুতই সুর্য লাফিয়ে একদম মাথার উপরে উঠে গেল।

পাহাড়ের চুড়ায় শেরকর পাড়া। গ্রামের বালিকা বা কিশোরীরা পানি আনতে যায় একদম নিচে। ভরা তইয়া (পানির পাত্র) নিয়ে আবার এই বিশাল পাহাড় বেয়ে গ্রামে ফিরে।

বান্দারবানের থানছির এই অংশটা ভয়ঙ্কর দুর্গম। রাস্তা খালি উঠা নামা। পথে পানি প্রাপ্তিও খুব কম। উচু একটা পাহাড় থেকে নেমে আরেকটাতে উঠার সময় আমরা একদম কাহিল হয়ে গেলাম। পানির শেষ বিন্দুটাও শেষ হয়ে গেছে অনেক আগে। ভয়ঙ্কর তৃষ্ণায় করুন অবস্থায় পরে যখন একটা বড় গাছের ছায়ায় বসে জিরাচ্ছি তখন দূরে একটা জুম ঘর চোখে পড়লো। গাট্টি বোঁচকা রেখে কাটা ঝোঁপের জঙ্গল পেড়িয়ে পাশের পাহাড়ের জুম ঘরে গেলাম। জুম ঘরে কৃষকেরা বড় বড় তইয়াতে পানি রাখে। গিয়ে পানি পেলাম। কিন্তু তাতে একটা বোতলের আদ্ধেকখানির একটু বেশী ভরলো। এর পরে আবার উঠা। শ-খানেক ফুট উঠে খাড়া বিপদজনক নামা। বাংলাদেশের পাহাড়গুলোর একটা সাধারন বৈশিষ্ট্য এরা পশ্চিম থেকে পুবে আস্তে আস্তে উঠেছে কিন্তু পুব থেকে পশ্চিমে খাড়া ঢাল বেয়ে নেমে গেছে। এ জায়গাটা খোলা প্রান্তর কিন্তু পাহাড়ের দেয়ালের মতো মাথা সারাক্ষন সূর্যের আলো থেকে আড়াল করে রেখেছে তাই মধ্য দুপুরেও শিশিরে ভেজা পথ। আরো ঘন্টাখানেক ওঠা নামা করার পরে একটা ঘাস ঝোপে ঢুকে গেলাম। চারিদিকে উচু উচু ঘাসের জঙ্গল। কিছুটা সমতলের মতো পাহাড়ের ধার ঘেসে আঁকা বাঁকা ট্রেইল। অনেকদুর হাঁটার পরে একটা মৃতপ্রায় ঝিরি পেলাম একদম পথের উপরেই। দুর্বল একটা পানির ধারা পিছের ঝর্না থেকে গড়িয়ে আসছে। বোতল পুরোটা ডোবানো যায়না এরকম অগভীর। কোনরকমে সবগুলো পানির পাত্র ভরে নিয়ে ভালো করে মাথায় ঘারে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিলাম। আরো কিছুক্ষন হাঁটার পরে সূর্যের আলো ম্লান হয়ে এলো। পথে একজন বম মহিলার দেখা পেয়েছিলাম উলটোপথে আসছিলেন। পথের হদিশ জিজ্ঞেস করেছিলাম, ভাষা সমস্যার কারনে কিছুই বুঝতে পারা গেলনা। কিন্তু অল্পক্ষন যেতেই খাড়া একটা ঢালের শেষমাথায় দাড়াতেই সামনে অরন্যের গায়ে সারি বাধা অনেকগুলো কুঁড়ে ঘর চোখে পড়লো। বমদের গ্রাম- শেরকর পাড়া। বিপদজনক খাড়া পথ বেয়ে অনেকখানি নেমে একটা ভয়ঙ্কর সুন্দর ঝিরিতে এসে পৌছালাম। ঝিরির হিম শিতল পানিতে পা রাখতেই গা জুড়িয়ে এল। বাঁশ দিয়ে একটু উচু জায়গায় পানি এনে দেশীয় প্রযুক্তির কোল্ড শাওয়ার। আয়েশ করে গোসল করতে করতে সূর্যের শেষ আলো উঁকি মারা শুরু করে দিল। ঝিরির গা বেয়ে একদম খাড়া উপরে উঠা। উঠতে উঠতে গোসলের বারোটা বেজে গেল দুজনেরই।


ট্রেইলের মাঝে কোথাও আমি। ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড। ছবিঃ আলম ভাই।
একটা পাক দিতেই চোখে পড়লো চমতকার একটা ভ্যালির উপরে স্বর্গীয় সুন্দর গ্রাম শেরকর পাড়া। গ্রামের লোকেরা সন্ধ্যা বেলায় সবাই যার যার পরিবার নিয়ে দাওয়ায় বসে গল্প গুজবে মেতেছেন। প্রথম বাড়ীর কর্তার নাম ‘লাল-সিয়াম বম’। আমাদের দেখে দাওয়া থেকে নেমে এসে হাত ধরে ঘরে নিয়ে গেলেন। বমরা দারুন অতিথীপরায়ন আর বন্ধু বাতসল। রামসিয়াম দাদার বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই। কিন্তু আশ্চর্য সুঠাম স্বাস্থ্য। বাড়িতে পা রাখতেই দূরে পাহাড়ের ওপাশে সূর্যি মামা ডুবে গেলেন। টর্চ লাইট জ্বেলে আমরা তৃতীয় রাতের প্রস্তুতী শুরু করলাম। আগামী কাল কাটবে তাজিনডং এর চুড়াতে।



প্রথম বড় ঢাল। পাহাড়টা পুরোটাই সলিড রকের। বেয়ে নামছি। ছবিঃ আলম ভাই।


শীতের সকালে পরিপাটি বম পল্লী শেরকর পাড়া।


শীতে যে যার পরিবার নিয়ে দাওয়ায় বসে আগুন পোহানো। আমরা সামিল হলাম রামসিয়াম বমের পরিবারের সাথে।


কটু কুটু কুটু :P


বমদের গৃহস্থালী।


তৃষ্ণায় যখন মরতে বসেছিলাম, এই জুম ঘরের পানি প্রানে বাঁচিয়েছিলো। :|


আকাশে হেলান দিয়ে তাজিনডং ঘুমায় ওই। তাজিনডং এর প্রমিনেন্ট অংশ, চিঞ্চিরময় পাহাড়।


আলম ভাই ইন একশান।


পাহাড়ের ভাঁজে এই অংশে রৌদ্র ঢোকেনা। তাই রাতের শিশির কখনোই শুকোয়না।


শেরকর পাড়ার ট্রেইল।


পাহাড় আর অরন্যের ঘোমটায় লুকিয়ে থাকা শেরকর পাড়া।


শেরকর পাড়ায় পানির সরবারহ।







শেরকর পাড়ার এক বৃদ্ধা। শীতের সকালে আকীজ বিড়িতে সুখটান।


পাহাড়ের চুড়ায় শেরকর পাড়া। গ্রামের বালিকা বা কিশোরীরা পানি আনতে যায় একদম নিচে। ভরা তইয়া (পানির পাত্র) নিয়ে আবার এই বিশাল পাহাড় বেয়ে গ্রামে ফিরে।


ট্রেইলের মাঝে কোথাও আমি। ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড। ছবিঃ আলম ভাই।


প্রথম বড় ঢাল। পাহাড়টা পুরোটাই সলিড রকের। বেয়ে নামছি। ছবিঃ আলম ভাই।


শীতের সকালে পরিপাটি বম পল্লী শেরকর পাড়া।


শীতে যে যার পরিবার নিয়ে দাওয়ায় বসে আগুন পোহানো। আমরা সামিল হলাম রামসিয়াম বমের পরিবারের সাথে।


কটু কুটু কুটু :P


বমদের গৃহস্থালী।


তৃষ্ণায় যখন মরতে বসেছিলাম, এই জুম ঘরের পানি প্রানে বাঁচিয়েছিলো। :|


আকাশে হেলান দিয়ে তাজিনডং ঘুমায় ওই। তাজিনডং এর প্রমিনেন্ট অংশ, চিঞ্চিরময় পাহাড়।


আলম ভাই ইন একশান।


পাহাড়ের ভাঁজে এই অংশে রৌদ্র ঢোকেনা। তাই রাতের শিশির কখনোই শুকোয়না।


শেরকর পাড়ার ট্রেইল।


পাহাড় আর অরন্যের ঘোমটায় লুকিয়ে থাকা শেরকর পাড়া।


শেরকর পাড়ায় পানির সরবারহ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ট্রেকিংমদক মোয়ালসাকা হাফংতল্যাং ময়বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চুড়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা।  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: শীতের সকালে আকীজ বিড়িতে সুখটান। ;)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: সাকা হাফং/ তল্যাং ময় বা মদক মোয়াল নামের নির্দিষ্ট পাহাড়টার বেজে গিয়ে বেনসন লাইটের সংগ্রহে টান পড়ে। আকিজ বিড়ি এক প্যাকেট কিনছিলাম। খারাপ না জিনিসটা।

২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: কথা দিয়ে কথা না রাখায় আপনার লেখা পাঠ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: ২/৩ দিনের মইধ্যেই একটা মেইল পাবেন বস। আসেন না একদিন মোহাম্মদপুরে, মোস্তাকিমের কাবাব খেয়ে যান।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। গাই অব গিসবর্ন রবিনহুডের এক ভিলেনের নাম না?

৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: না ভাই, আমি গরুর বা মুরগীর কাবাব খাই...মানুষের(মোস্তাকিমের) কাবাব খাইবো না...
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: ২/৩দিনের মাঝেই দিয়ে দেব ইনশাল্লাহ!।

৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২
দ্যা ডক্টর বলেছেন: ঐখানে মন্তব্য লিখে প্রকাশ করতেই দেখি পুরা বলগটাই নাই হয়া গেল.......

যথারীতি সৌম্য স্পেসাল, থ্যাংকস :)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সৌরভ।

৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৬
শ।মসীর বলেছেন: সৌম্য ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য, তোমার চোখে দেখে নিলাম....।


কাবাব খাইতে মন চাই....
৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
অগ্নির বলেছেন: পরের পর্বটা কবে পাচ্ছি ?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: ল্যাপটপে আছে। যেইদিন চাবা সেইদিনই দেখাইতে পারবো।

৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৯
রাগ ইমন বলেছেন: আপনার ভ্রমণ কাহিনী গুলা মন্ত্রমুগ্ধের মতন পড়ি।

জাদু আছে ছবিতে , লেখায় । অনেক ধন্যবাদ আমাদেরকে একটু হলেও বাংলাদেশের স্বাদ দেওয়ার জন্য।
২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

১০. ০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
অ্যামাটার বলেছেন: বস, মনে আছে কি? মার্চ কিন্তু চলে আসল। আমি রেডি হইতেছি:)
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আমার বোন আসছে ৪ বছর পরে। ওর যাবার কথা ছিল কিন্তু ডেট পিছাচ্ছে রেগুলার। নেক্সটে যাবার আগে অবশ্যই আপনাকে জানাবো

১১. ২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৫
তারার হাসি বলেছেন:
ভ্রমন কাহিনীর সাথে ছবিগুলি দেখতেই বেশি ভাল লাগছিল।
আপনার অনেক মজা ...
২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আপনার সাথে বইমেলায় দেখা হইছিলো। অরন্য আর রুবেল ছিলো আমার ব্লগের স্টলে। মনে আছে?

১২. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৪
কাঊসার রুশো বলেছেন: ভাই আপনি নেক্সটে গেলে আমারে একটু আওয়াজ দিয়েন।

আপনার বাসা কী মোহাম্মদপুর??হলে কোথায়?
আমিও মোহাম্মদপুরে।
০৯ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: আমি থাকি তাজমহল রোডের শেষ মাথায়। শিয়া মসজিদের ওদিকে। মেইলে মোবাইল নাম্বারটা দিয়েন। দেখা হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ