এই হাসিমুখ ছবিটি বাস্তবায়নে যারা নিরলস কাজ করেছেন তাদের কাছে আমি, আক্তার এবং আক্তারের পরিবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এই হাসিটা আমাদের।
আজ সকালে আক্তারকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী তাকে ১লক্ষ টাকা দেন এবং তার পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় বহনের আশ্বাস দেন।
মাঝে মাঝে আক্তারের মায়ে সাথে কথা হয় আমার সাথে।
প্রায়দিনই পানি খেয়ে রোজা রাখি বাপ পানি দিয়ে রোজা ভাঙ্গি। তবুও দুঃখ নাই পোলাডার চিকিৎসা করতে চাই। আল্লাহ আমার পোলাডার দিকে যেন একটু চায়।
একটু আগে আক্তারকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। মাস কয়েকের হতাশা কাটিয়ে আজ ঈদ করতে যাচ্ছে। আক্তারের মা-ভাই-বোন অপেক্ষায় আছে। আমি জানি আজ রাতটা আক্তারের মা-বোন-ভাইদের জন্য অন্যরকম হবে। সারারাত অপেক্ষার পর কাল যে ভোর আসবে সেই ভোর নিশ্চয় অন্যদিনগুলোর ভোর থেকে কিছুটা অন্যরকম হবে।
একমাত্র উপার্জনক্ষম ভাইয়ের জন্য এর আগের বছরগুলোতে যে প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষায় থাকত আক্তারের ভাই-বোন আজও তেমনই। আজ আক্তার অক্ষমতা মুছে দিয়েছে আমাদের কিছু ব্লগারের আন্তরিক সহযোগিতায়। এবারও ঈদ হবে, এবারও আক্তার মায়ের জন্য শাড়ি নিয়ে যাচ্ছে। একটা ছেলের কিংবা ভাইয়ের অক্ষমতা জয় করতে আজ পাশে দাড়িয়েছে বেশ কয়েকটা ছেলে/ভাই ।
এবার হাসো মা তুমি। আক্তার আসছে। ভয়াল তেতুলিয়া নদীর. ভাঙ্গন-গর্জন কিছুই তোমার ঈদকে ম্লান করতে পারবে না।
সকল ব্রগার, দেশি-বিদেশি বন্ধুরা, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সকল কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের সংশ্লিষ্ট্ বিভাগের কর্মকর্তা, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, এডাব, পেপার বিক্রেতা ইয়াকুব, দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়াদিগন্ত, দৈনিক বাংলাদেশ সময়, দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক সুরমা(ইউরোপ থেকে প্রকাশিত), সামহোয়ারইনের, ঢাকা মেডিক্যালে কলেজ।
বিশেষ ধন্যবাদ তাদের যারা বিভিন্ন সময় ভয় দেখিয়েছেন আড়াল থেকে এবং আপনাদের যারা ভয় জয়ের জন্য অকুন্ঠ সমর্থন দিয়েছেন। জানা , সাংবাদিক হাছান, মুন্না, জাহিদ, মঞ্জু ভাই, আরাফাত, বিপ্লবী জহির আপনারা সকলের কাছে বিশেষভাবে কৃতঞ্জতা প্রকাশ করছি।
সবাইকে ঈদ মোবারক।
বিশেষ ধন্যবাদ হাছান ভাইকে যার একান্ত প্রচেষ্টায় এই কাজটি সফল হয়েছে এবং এই কাজের একটির সফলতার মূল দাবীদার।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


