somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার অফিসে আগুন লাগছে। দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার অফিসে আগুন লাগছে। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29538539 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29538539 2012-02-10 19:37:37 ঢাকায় বর্তমানে ২০ শতাংশ পানি খাওয়া ও রান্নার কাজে এবং ৮০ শতাংশ পানি গোসল, কাপড় ধোয়া এবং টয়লেট পরিস্কারের...
২০২৫ সালের মধ্যে এ শহর দুই কোটি মানুষের আবাসে পরিণত হবে। ফলে পানি চাহিদা অনেক বাড়বে। ঢাকায় বর্তমানে ২০ শতাংশ পানি খাওয়া ও রান্নার কাজে এবং ৮০ শতাংশ পানি গোসল, কাপড় ধোয়া এবং টয়লেট পরিস্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়। স্বাভাবিকভাবে ৮০% পানযোগ্য পানি বর্জ্যে পরিনত হয়। পানি পূন:প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ বিপুল পারিমান পানি পূণর্ব্যবহার নিশ্চিত করে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমানো সম্ভব।

পানি পূন:প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে কৃষি সেচকার্যে, শিল্পকারখানায়, টয়লেট পরিস্কারকরণে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নীতকরণে কার্যকর পানি ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। মূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে পানি প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহৃত পানি পূনপরিশোধন করে পূণর্ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী। পূন:প্রক্রিয়াজাত পানি ব্যবহারে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী উপাদান হ্রাস ও ব্যবহারযোগ্য পানির নতুন উৎস পাওয়া যায়। অতএব, সাশ্রয়ী, উপযুক্ত ও স্থায়ী প্রযুক্তি ব্যবহারে ব্যবহৃত পানি পূণর্ব্যবহার প্রক্রিয়ার উন্নয়ন এবং বাস্তবায়ন জরুরী।

আমাদের পানির উৎস অনেক হলেও সুপেয় পানির পরিমাণ কম। পানির প্রায় ৮৭ভাগ ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। বিপরীত দিকে ঢাকার জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি কিংবা ভূ-উপরিভাগের পানি ভূগর্ভে যেতে পারছে না। অর্থাৎ ভূগর্ভের পানি যে রিচার্জ হবার কথা, সেটি হচ্ছে না। যে কারণে ভূগর্ভের পানি প্রতি বছর নীচে নেমে যাচ্ছে।

ঢাকায় পানির ব্যবহার আর ঢাকার বাইরে পানির ব্যবহারের চিত্র এক নয়। ঢাকার বাইরে পানি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কৃষিকাজে। এক্ষেত্রে কিভাবে উপরিভাগের পানি বেশি ব্যবহার করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। এজন্য পানির উৎসগুলোকে সংরণ করতে হবে সর্বাগ্রে। নতুন নতুন আবাসন প্রকল্পে পানি রিচার্জ করা ও পানির পূণর্ব্যবহারের সুযোগ রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তবেই আগামী দিনের পানি সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

ঢাকা ওয়াসা সীমাবদ্ধতার মাঝেও ঢাকাবাসীকে পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে। ওয়াসার পানি পানযোগ্যও। কিন্তু সরবরাহ করা পাইপলাইনের দুর্বলতার কারণে অনেক সময় মানসম্মত পানি পাওয়া যায় না। আশার কথা, ঢাকা ওয়াসা পাইপ লাইনের দুর্বলতা দূর করারও উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকা প্রয়োজন অনুযায়ী পানির চাহিদা আগামীতে আরও বাড়বে। তাই আমাদের এখনি পানির পূণর্ব্যবহারের দিকে এগুতে হবে। বিশেষ করে, নগরে বাগান-নার্সারি বা কৃষিকাজ, রাস্তাঘাট পরিস্কার, টয়লেট ফ্যাশ এর মতো কাজে একবার ব্যবহার করা পানি কিভাবে ব্যবহার করা যায় সে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29532201 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29532201 2012-01-30 21:06:21
পানি নিয়ে পানি ওয়ালাদের নানা তথ্য মানুষের জীবন পানির সাথে একসূত্রে গাঁথা। এই ভূ-পৃষ্ঠের যেমন ৭০ ভাগই পানিতে ঢাকা, তেমন আমাদের শরীরেরও প্রায় ৭০ ভাগ পানি। শুধু আমাদের জীবনই নয়, পৃথিবীর সব জীব-জন্তু, কীট-পতঙ্গ, গাছপালা সবকিছুর জীবনই এই পানির ওপর নির্ভরশীল।

বিশ্বব্যাপী পানির হাহাকার
১. বিশ্বের প্রায় ৮০ টি দেশে নিরাপদ পানির সমস্যা রয়েছে;
২. পৃথিবীর প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ পানির জন্য সংগ্রাম করছে;
৩. জাতিসংঘ তথ্য অনুসারে আগামী ২০ বছরের কম সময়ের মধ্যে বিশুদ্ধ পানির চাহিদা ৫০% বৃদ্ধি পাবে;
৪. ভূ-গর্ভের চার ভাগের ১/৩ পানিতে পরিপূর্ণ হলেও মানুষের ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র ১ ভাগ;


বাংলাদেশেও সুপেয় পানি হ্রাস পাচ্ছে
১. বাংলাদেশে বেশিরভাগ ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা হচ্ছে;
২. শিল্প কারাখানায় পানি বেশি ব্যবহার ও দুষণ করছে;
৩. পানির আধার (নদী, খাল, বিল, পুকুর) দখল ও দূষণের শিকার;
৪. ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে;
৫. শহরাঞ্চলে টয়লেটের বর্জ্য পরিস্কারের জন্য প্রতিবারে ১০/১২ লিটার পানি ব্যবহার করছে;
৬. দরিদ্র মানুষ বসবাস করে এমন এলাকায় প্রতিজনে প্রতিদিন ২০/৩০ লিটার পানি খরচ হয়। ধনী এলাকার মানুষের মধ্যে পানি ব্যবহারর হার দৈনিক ১০০ লিটার এর বেশি;
৭. এছাড়া দৈনন্দিন ব্যবহৃত পানির এক তৃতীয়াংশ টয়লেট ব্যবহারে অপচয় করছি;


পানির পূণর্ব্যবহার
দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত পানি একবার ব্যবহারের পর তা পরিত্যক্ত পানি হয়ে যায়। এই পরিত্যক্ত পানি কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ব্লাক ওয়াটার (মল-ম্ত্রূযুক্ত টয়লেটে ব্যবহৃত পানি) এবং গ্রে-ওয়াটার ( রান্না-বান্না, কাপড় ধোয়া পানি, গোসলসহ ইত্যাদি পানি)। গ্রে-ওয়াটার (রান্না-বান্না, কাপড় ধোয়া পানি, গোসলসহ ইত্যাদি পানি) প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে টয়লেটের বর্জ্য পরিস্কার এবং বাড়ীর আশেপাশের বাগানে পূণর্ব্যবহার করা হয়। এতে করে যেমন পানির অপচয় কমানো যায় আবার ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার অনেককাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।



পানির উৎস রক্ষায়
১. নদী, খাল, পুকুর, ডোবা ভরাট এবং শিল্প ও পয়ঃবর্জ্য ফেলা কার্যকরভাবে বন্ধ করা;
২. নগর ও পৌর এলাকায় ভবনে বৃষ্টির পানি সংরনের ব্যবস্থা করা;
৩. বৃষ্টির পানির ভূ-গর্ভে রিজার্ভ করার জন্য ব্যবস্থা করা;
৪. ভূ-গর্ভস্থ পানির উত্তোলন হ্রাস করা;
৫. জলাধারকে পিছন দিয়ে অবকাঠামো নির্মাণ নিষিদ্ধ করা;
৬. জীববৈচিত্র রায় জলাধারের চারপাশ দিয়ে কংক্রিট বাঁধাই না করা;
৭. ভরাট হওয়া নদী, নালা, খাল, বিল, পুকুর উদ্ধারের পরিকল্পনা ও বাজটে প্রণয়ন করা;
৮. জলাধার দখল ও দুষণের দৃষ্টান্তমূলক ফৌজদারী এবং আর্থিক দন্ডের বিধান করা;

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29532120 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29532120 2012-01-30 18:30:21
আচ্ছা দোস্ত, বল তো I LOVE YOU কে আবিস্কার করেছিলো?
তা তো বলতে পারব না তবে এটা নিশ্চিত যে একটা "চায়না" কোম্পানি আবিস্কার করেছিলো।

তোর এইরকম মনে হবার কারণটা জানতে পারি?
...
কারণটা হল এটা টিকলে সারাজীবন, কিন্তু না টিকলে ২ দিনও যায় না।




১০০% কপি করে আনা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29531113 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29531113 2012-01-29 00:57:13
সন্ধ্যার পর থেকে আমি আমার ফেইসবুকের কারো ওয়ালে মন্তব্য করতে পারছি না http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29525878 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29525878 2012-01-20 21:33:58 রেল মন্ত্রণালয় ও জনগণের প্রত্যাশ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29524464 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29524464 2012-01-18 15:37:53 এবি+ রক্তের প্রয়োজন পুঙ্গ হাসপাতালের একজন দুস্থ রোগীর জন্য এবি+ রক্তের প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন । 01817048723 ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29511773 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29511773 2011-12-28 21:30:55 ঢাকার পথে

পারাপার

যান্ত্রিক অযান্ত্রিক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29505938 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29505938 2011-12-19 17:45:39
প্রিয় ঢাকা যেন গুটি কয়েক মানুষের দখলে চলে না যায়
আবাসন

গুলশান, বনানী এবং বারিধারা এলাকায় একটি বিশেষ শ্রেণীকে সুবিধা দিতে জনঘনত্ব প্রতি একরে ২৩৫ জন ধরা হয়েছে। উল্লেখিত এলাকায় প্রতি একরে অবশ্যই আরো বেশি মানুষ থাকার সুযোগ রাখতে হবে। তা না হলে ঢাকার অন্যান্য এলাকার জনঘনত্ব অধিক হওয়ায় বাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রতি একরে গড়ে ৪০১ জন মানুষ বাস করে। ঢাকায় ভবিষ্যতে প্রায় ৩ কোটি মানুষ বাস করবে। সুতরাং সে অনুপাতে জনঘনত্ব কি রকম হবে তা সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে।

অধিক আয় করে এরকম ৪৪লক্ষ মানুষের আবাসনের জন্য ৩৪ শতাংশ জায়গা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৪৫লক্ষ স্বল্প আয়ের মানুষ বিশেষ করে যারা দারিদ্রসীমার নীচে তাদের জন্য ০.৩ শতাংশ জায়গা রাখার কথা বলা হয়েছে। এখনই যে সকল বস্তি রয়েছে সেগুলি অত্যন্ত জনাকীর্ণ। আর যে পরিমাণ জায়গা তাদের জন্য রাখা হয়েছে তাতে প্রতি একরে ৬,০৪০ মানুষকে থাকতে হবে। যা একেবারেই অসম্ভব ব্যাপার।

আবাসনের জন্য মাত্র ৫ শতাংশ উচ্চ আয়ের মানুষের জন্য নিম্ন আয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের চেয়ে ২০ গুন বেশি জায়গা রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য খোদ রাজউক কর্তৃক উচ্চ আয়ের মানুষের জন্য প্লট উন্নয়ন ও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। অথচ একটি সভ্য রাষ্ট্র ব্যবস্থায় গরীব অসহায়দের আবসন সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেবে সেটিই কাম্য। বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে পাঁচটি মৌলিক সুবিধার মধ্যে বাসস্থান অন্যতম।

বস্তিবাসীকে স্থানান্তর করার কথা বলা হয়েছে। তাদের নতুন আবাসন কোথায় হবে তার জন্য সুনির্দ্দিষ্ট জায়গা চিহ্নিত করা হয় নি। তবে শহরের বাইরে তাদের পাঠানো হবে এটুকু উল্লেখ আছে। কোন একটি শ্রেণী নয় প্রতিটি এলাকায় সব পেশার মানুষকে মিশ্রভাবে বাস করার সুযোগ থাকতে হবে। রাষ্ট্র যখন পরিকল্পনা করবে তখন সব শ্রেণী পেশার মানুষের সুযোগ সুবিধা দেখতে হবে। নিম্ন আয়ের মানুষ প্রতিদিন শহরের বাইরে থেকে কোনভাবেই সময় এবং অর্থ খরচে করে ভিতরে এস কাজ করবে এটি অসম্ভব ব্যাপার। নীতি নির্ধারকদের যারা এরকম পরিকল্পনা তৈরি করেন এরাতো তাদেরকেই বিভিন্ন ধরনের সেবা দিতে ব্যস্ত।

নিম্ন আয়ের মানুষকেও অন্যান্যদের সঙ্গে একসঙ্গে বাস করার সুবিধা থাকতে হবে। যাতে তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে অন্য যে কারো সঙ্গে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সমাজ তথা রাষ্ট্রের জন্য অবদান রাখতে পারে। (চলবে)

ড.মাহবুবুল বারীর ড্যাপ রিভিউর সংক্ষিপ্ত অনুবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29505582 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29505582 2011-12-19 00:07:53
কচ্ছপ বেচা কেনার হাট ঢাকা শহরে একাধিক স্থানে কাছিম বিক্রির জন্য হাট বসে। ঢাকার শাঁখারীবাজার,তাঁতীবাজার, টঙ্গী, ফার্মগেটে কচ্ছপ ও কচ্ছপের মাংস বিক্রি করা হয়ে থাকে। এসব হাট-বাজারে প্রতিদিন অসংখ্য কাছিম বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি শুক্রবার তাতীবাজারে চলে কচ্ছপ বিক্রির হাট। সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেকে এইসব বন্য কচ্ছ আনা হয়। বিশেষ করে বড় বড় কচ্ছপগুলো আনা হয় মেঘনা নদী থেকে। প্রতিবছর হাজার হাজার কচ্ছপ নিধন করা হয়, যার ফলে দেশ হতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রৰায় কাছিমের গুরুত্ব ব্যাপক। ইদানীং বিদেশেও কচ্ছপ পাচার হয়ে যাচ্ছে ।

বছরের কার্ত্তিক মাস থেকে বৈশাখ পর্যন্ত কচ্ছপ শিকার মৌসুম। এ সময় খাল-বিলে পানি কমে যাওয়ায় কচ্ছপ ধরা পড়ে বেশি। কচ্ছপ শিকারের জন্য এক শ্রেণীর পেশাজীবীও রয়েছে। তারা ১-৩ ফুট পানির নিচ থেকে সড়কি বা কোচ জাতীয় বিশেষ এক ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে কচ্ছপ শিকার করে।

বাংলাদেশে প্রায় ২০ প্রজাতির স্বাদু পানির কচ্ছপ রয়েছে। কিন্তু এদের অধিকাংশই আজ হুমকির সম্মুখীন। বাসস্থলের অভাব, খাদ্য হিসেবে এদের ব্যবহার প্রভৃতি কারনে আজ বিলুপ্ত হতে চলেছে এদের অস্তিত্ব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29474119 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29474119 2011-10-29 02:12:59
প্রস্তাবিত পানি আইন: নিছক ব্যবসায়ের জন্য নয়, প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় হোক শুধু মানুষই নয়, পানি সকল প্রাণ ও প্রকৃতির অধিকার। পানি ছাড়া কোন প্রাণীই বাঁচতে পারে না। পানি প্রকৃতির দান,এটা কেউ তৈরি করেনি। তাই পানিকে কোনভাবেই বানিজ্যিক পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। পানি বিষয়ক আইন ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকেই নয়, প্রাণ ও প্রকৃতির স্বার্থ-অধিকারকে প্রাধান্য দিয়েই হতে হবে।


শুধুমাত্র পানির উৎস ব্যবস্থাপনা কিংবা সরবারহের প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রণীত নীতি ও আইনের মাধ্যমে পানির সংকট মোকাবেলা সম্ভব নয়। পরিবেশের অন্যতম এই উপাদানটি রক্ষায় পুরো পানি চক্রটিকে প্রাধান্য দিয়েই পানি নীতি ও আইন তৈরি করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ তাদের প্রয়োজন, ভৌগলিক অবস্থান,সামাজিক অবস্থা, রীতিনীতি ঐতিহ্য ও জনগণের আশা-আকাঙ্খা এবং স্বার্থের দিকে লক্ষ্য রেখে আইন তৈরি করেছে । ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থেই গুরুত্বপূর্ণ এই প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ সদ্ব্যবহার এবং সংরক্ষণ দরকার ।

প্রস্তাবিত খসড়া পানি আইন: সরকারের ক্ষমতা ও জনগনের স্বার্থ

ঋণপ্রদানকারী সংস্থা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-র অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে খসড়া পানি আইন। আইনটি সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করার প্রক্রিয়া চলছে।। প্রস্তাবিত এ আইনের খসড়ায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের প্রস্তাব এনে বিকেন্দ্রিকরণ নীতির আড়ালে পানি ও পানির উৎসসমূহকে বেসরকারি খাতে সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত পানি আইনে লাইসেন্সের বিধানের মাধ্যমে জনগণের অধিকারকে বাণিজ্যিক মোড়কে রূপান্তর করে আইনসিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। লাইসেন্সের এ বিধান পানি শুধু ব্যবস্থাপনা নয়,নিয়ন্ত্রণকে আইনসিদ্ধ করার প্রচেষ্টা। এর ফলে আইনে প্রাণ ও প্রকৃতির অধিকার উপেক্ষিত হয়েছে। পানি জনগণেরই সম্পদ। এ আইনের মূলনীতিতে সেই পানিতে জনগণের অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে, যা সংবিধান ও মানবাধিকার পরিপন্থী।

পানিকে বাণিজ্যিক পণ্য এবং রাজস্ব আয়ের উপকরণ হিসেবে না দেখে জননিরাপত্তা ও জনস্বার্থে ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে আইনে পানিকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। লিজিংয়ের মাধ্যমে পানিকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে না নিয়ে আইন ও নীতির মাধ্যমে পানির উপর মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ দরকার। ব্যবসায়িক খাতের নিয়ন্ত্রণাধীন পন্যগুলোর বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সরকার হিমসিম খেতে হচ্ছে। সেখানে পানির মতো একটি মৌলিক প্রয়োজনীয় পন্যের বানিজ্যিকিকরণ সরকারের ক্ষমতাকে সংকুচিত করবে এবং জনগনের অধিকারকে ক্ষুন্ন করবে।

প্রস্তাবিত খসড়ায় পানি অধিকার যেভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে:
১. পানিকে নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়নি। প্রতিটি নাগরিকের নিকট প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানি পৌছে দেয়ার বাধ্যবাধ্কতা প্রদান করা হয়নি।
২. পানির উপর প্রকৃতির অধিকার অর্থাৎ অন্যান্য প্রানীর অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়নি।
৩. পানির উপর বেসরকারি কোম্পানির ক্ষমতা ও অধিকারকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
৪. পানিকে সরকারের সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে,জনগনের নয়।
৫. হাওর ও সুন্দরবনের মতো প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকায় পানি ও জীববৈচিত্র্যকে আইনে সংরক্ষিত করা হয়নি।
৬. প্রাকৃতিক পানির আধারগুলোর উপর বেসরকারি কোম্পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ উম্মুক্ত করা হয়েছে।
৭. আইনটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে নগরের কথা বিবেচনা করে প্রণীত। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবন আচারের কথা বিবেচনা করা হয়নি।
৮. খাল-বিল,নদী-নালা এমনকি ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুর বা জলাশয় থেকেও সাধারণ গৃহস্থালীর কাজের অতিরিক্ত (ঘর ধোয়া) পানি ব্যবহার করলে লাইসেন্স নেয়ার কথা বলা হয়েছে। যা জনগনের অধিকারকে ক্ষুন্ন করবে।

পানির উপর বেসরকারি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা
এ আইনের ফলে পানি সরবারহ,পানি উৎস ও পানি ব্যবস্থাপনাসহ সকল ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। কোম্পানিকে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে পানির সংরক্ষণের বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যার ফলে পানির দাম বৃদ্ধি,কৃত্রিম সংকটসহ নিয়ন্ত্রণ কোম্পানির হাতে চলে যাবে এবং পানি বাণিজ্যিক রূপ ধারন করবে। নাগরিকের নূন্যতম পানি সরবারহের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা না থাকা কিংবা বিনামূল্যে বস্তিবাসী, সুবিধা বঞ্চিত মানুষ পানি অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। পানি সরবারহে কোম্পানির সুযোগ বৃদ্ধি করার ফলে রাষ্ট্রীয় সরবারহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আওতা সীমিত হয়ে পড়েবে। পানির উপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাবে। কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করতে চাইলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্টি অংকের ফি জমা দিয়ে পানি সম্পদ কাউন্সিলের নির্বাহি কমিটিতে আপিল করতে হবে।

সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম কর্তব্য গণ্য করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকারের (Right to life) কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিশুদ্ধ পানি ছাড়া জীবনধারণ অসম্ভব। তাই জীবনের অধিকার বলবৎ করতে চাইলে অবশ্য বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশুদ্ধ ও জীবাণুমুক্ত পানি পাওয়ার অধিকারকে তাই পরোক্ষভাবে বলা যায়, জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। সে অধিকার বাস্তবায়নে সরকার সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা দেখাবে এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ নিবে এটাই এখন জনগণের প্রত্যাশা।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পানি-পরিস্থিতি
কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়। একেক জনকে দিনে ৫ ঘণ্টা এই কাজে ব্যয় করতে হয়। ইনডিয়া, পাকিস্তানে বহু অঞ্চল আছে যেখানে একটি জলাশয় বা কূপ থেকে পানি সংগ্রহের জন্য দূর-দুরান্ত থেকে মানুষ আসে,এর কোন বিকল্প নেই। সৌদি আরব,সংযুক্ত আরব আমিরাত এখন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ দূর করে সুপেয় পানির যোগান দিচ্ছে। একই দেশের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন প্রদেশ বা রাজ্যের মধ্যে পানি নিয়ে বিরোধের নজির রয়েছে। ইনডিয়ার কর্নাটক এবং তামিলনাড়– রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধে বড় ধরনের দাঙ্গা পর্যন্ত সংগঠিত হয়েছিল।

পানি বেসরকারিকরণের অভিজ্ঞতা
পানি বেসরকারিকরনের ফলে বিশ্বে পানি ব্যবসার পেছনে ১০টি কোম্পানীর বিনিয়োগ ৪০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১০টি কোম্পানির সবই ব্রিটেন,ফ্রান্স,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জর্মানির। ইনডিয়া,বলিভিয়া,চিলি,আর্জেন্টিনা, মালয়েশিয়া,অস্ট্রেলিয়া,যুক্তরাজ্য,দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশে বিভিন্ন শহরে পানি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেসরকানি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। রকেটে গতিতে পানির দাম বৃদ্ধির ফলে অনেক দেশে মানুষ রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে।

১৯৯০ সালের শুরু থেকে বিভিন্ন দেশে পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পালা শুরু হয়। আর এর পিছনের শক্তি হিসেবে কাজ করে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ। বিভিন্ন দেশে লোন সহায়তা,উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে তারা রাষ্ট্রীয় পানি সেবা ব্যবস্থাপনাকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ২০০০ সালে আইএমএফ বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা আইএফসি’র মাধ্যমে ৪০টি লোন রিলিজ করে। এর মধ্যে ১২টি লোন প্রকল্পের শর্ত ছিল আংশিক বা পুরোপুরিভাবে পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া। বিশ্বব্যাংকের চাপে পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া এবং পানি নিয়ে গণ-আন্দোলনের উদাহরন বলিভিয়া। বলিভিয়ার কোচবাম্বা এলাকাটি মরূপ্রধান । পানি সেখানে খুব দুস্প্রাপ্য ও দুর্মূল্য। কোচবাম্বা পৌর এলাকার পানি সরবাহকারী সংস্থা সেনিয়াপাকে বেসরকারি করার জন্য চাপ দেয় বিশ্বব্যাংক। ব্যাংক কর্মকর্তারা সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেন,যদি কোচাম্বার পানি সরবারহ সংস্থাকে বেসরকারিকরন না করা হয় তাহরে ৬০ কোটি ডলারের ঋণ তুলে নেয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের চাপে বলিভিয়া ১৯৯৯ সালে পানি আইন পাস করে। পানি আইনে পানি খাতকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং পৌর এলাকার পানিতে সরকারি ভর্তুকি প্রদানও বন্ধ করা হয়। কোচাম্বার পানি সরবারহের দাযিত্ব পায় য়ুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর কোম্পানি বেচটেল। বেসরকারি মার্কিন সংস্থার কাছে পানি সরবারহের দেয়ার সাথে সাথে মাসে পানির বিল ২০ ডলারে পৌছে যায়- যেখানে সাধারন মানুষের মাসিক নুন্যতম বেতন ছিল মাত্র ১০০ ডলার। পানির এই অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে নগরবাসি রাজপথে নামে ২০০০ সালে। কোচাম্বার দোকান-পাট চারদিন বন্ধ রাখা হয়। এরপর ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয় এবং সব যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করে দেয়া হয়। পিপসার্ত উত্তাল জনতার রোষ মোকাবেলায় সরকার সামরিক আইন জারি করে এপ্রিল মাসে। গুলিতে ৬জন নিহত হয়। শত শত আন্দোলন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। অবশেষে বেচটেল বলিভিয়া থেকে পলায়ন করে।

বিশ্বের ১৪০টি দেশে বেচটেলের ১৯ হাজার প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ২০০টিই পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত। ভারতের বিশ্বনাথ নদী ছত্রিশগড় শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন এবং পানি পরিশোধন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এর ফলে রেল কলোনির লোকদের দিনে মাত্র ৪ লিটার পানি দেয়া হতো এবং প্রতি লিটারের জন্য ১২ রুপি ৬০ পয়সা দিতে হতো। জনসাধারনকে নদীতে গোসল এবং মাছ ধরার অনুমতিও দেয়া হতো না।

পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পর যুক্তরাজ্যে পানির দাম ৪৫০গুন বেড়ে যায়,বেসরকারি পানি সরবারহ কোম্পানির লাভ বাড়ে ৬৯২গুন। আর ওই কোম্পানি নির্বাহী কর্মকর্তার বেতন বাড়ে ৭০৮গুন। ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসেসিয়েশন বেসরকারি খাতে পানি সরবারহের দায়িত্ব প্রদানকে নিন্দা জানিয়ে বলেছে,এর ফলে মানুষের আমাশয় আক্রান্ত হওয়ার হার ছয়গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফ্রান্সে পানি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পর পানির ফি ১৫০ শতাংশ বেড়ে যায়,অন্যদিকে কমতে থাকে পানির মান। সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,৫২ লাখ মানুষ দূষিত পানি পেয়েছে কোম্পানি থেকে।

অস্ট্রেলিয়ায় সুয়েজ লিওনাইজ নামে ফ্রান্সের একটি কোম্পানির হাতে পানির দায়িত্ব দেয়ার পর দূষিত পানি সরবারহ ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। আর্জেন্টিনায়ও সুয়েজ লিওনাইজের হাতে পানির দায়িত্ব দেয়ার পর পানির দাম দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। নিউজিল্যান্ডে পানি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পর জনতা রাজপথে বিক্ষোভ করতে বাধ্য হয়।

রাজনৈতিক ডট কমে প্রকাশিত ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29467603 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29467603 2011-10-17 01:43:38
বি + রক্তের প্রয়োজন। একজন রোগীর জন্য বি+ রক্তের প্রয়োজন, অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন ০১৬৭০২৬৩১১৭ গ্রীনরোড, গ্রীন লাইফ হাসপাতাল।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29422817 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29422817 2011-07-30 19:24:16 কোম্পানীর স্বার্থে নয় পানি আইন হোক প্রাণ ও প্রকৃতির অধিকার রক্ষায়। শুধু মানুষই নয় পানি সকল প্রাণ ও প্রকৃতির অধিকার। এটি প্রকৃতির অংশ, এটা কেউ তৈরি করেনি। তাই পানি আইন ও নীতিমালা প্রণয়নের েেত্র ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকেই নয় প্রাণ ও প্রকৃতির স্বার্থ-অধিকারকে প্রাধান্য দিয়েই হতে হবে। শুধুমাত্র পানি উৎস ব্যবস্থাপনা কিংবা সরবারহের প্রতি ল্য রেখে প্রণীত নীতি ও আইন মাধ্যমে আসন্ন পানির সংকট মোকাবেলা সম্ভব নয়। পরিবেশের অন্যতম এই উপাদানটির রায় পুরো পানি চক্রটিকে প্রাধান্য দিয়েই পানি নীতি ও আইন তৈরি করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনার েেত্র বিভিন্ন দেশের আইনগুলো তৈরি করা হয় সে দেশের প্রয়োজন, ভৌগলিক অবস্থান, সামাজিক অবস্থা, রীতিনীতি ঐতিহ্য ও জনগণের আশা-আকাঙ্া এবং নিজ স্বার্র্থের দিকে ল্য রেখে। গুরুত্বপুর্ণ এ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থেই এর যথাযথ সদ্ব্যবহার এবং সংরণ দরকার ।

দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপার ল্েয বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে তৈরি খসড়া পানি আইন আগামী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপিত করা হবে। প্রস্তাবিত এ আইনের খসড়ায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের প্রস্তাব এনে বিকেন্দ্রীকরণের নীতির আড়ালে পানি ও পানির উৎসসমূহগুলোকে বেসরকারি খাতে সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত পানি আইনের লাইসেসিংয়ের বিধানের মাধ্যমে জনগণের অধিকারকে বাণিজ্যিক মোড়কে রূপান্তর করে আইনসিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। লাইসেসিংয়ের এ বিধান পানি ব্যবস্থাপনা নয়, নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আইনসিদ্ধ করার প্রচেষ্টা। এর ফলে আইনে প্রাণ ও প্রকৃতির অধিকার উপেতি হয়েছে। এ আইনের মূল নীতিতে জনগণের সম্পদ পানিতে জনগণের অধিকার অস্বীকার করে সংবিধান ও মানবাধিকারের পরিপন্থী কাজ করা হয়েছে। লিজিংয়ের মাধ্যমে পানিকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে না নিয়ে এ পানি আইন ও নীতির মাধ্যমে পানির উপর মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকারের দৃঢ় পদপে দরকার। পানিকে বাণিজ্যিক পণ্য এবং রাজস্ব আয়ের উপকরণ হিসেবে না দেখে জননিরাপত্তা ও জনস্বার্থে ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে আইনে পানিকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

সরকার সময়ে সময়ে বিভিন্ন কর্তৃপকে এক অথবা একাধিক সমন্বিতভাবে পানি সরবরাহ, উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, সংরণ, উত্তোলন, পানি নিষ্কাষণের জন্য শুল্ক ধার্য ও আদায়ের মতা অর্পণ করতে পারবে। শুল্ক ধার্য ও আদায়কারী কর্তৃপ এ আইনের মাধ্যমে এই ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। ব্যবহারের ওপর মূল্য পরিশোধের জন্য মূল্যনীতি ধার্য করতে পারবে। পানির ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহারে ভিন্ন ভিন্ন মূল্য ধার্য করা হবে। পানির বন্টনও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমিতিও কাজ করবে । পানি আইনে পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি কর্তৃক মূল্য আদায় করার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার যে কোন এলাকায় যে কোন সমিতিকে পানি ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মূল্য আদায়ের জন্য আদেশ দিতে পারবে। এ কারণে সেই সমিতিকে কমিশন দেয়া হবে। পানি শুদুমাত্র মানুষের সম্পদই নয় প্রকৃতির শৃঙ্খল রায় এর ভূমিকা অন্যতম তাই এ সম্পদের চাহিদা ব্যবস্থাপনা কেবল মার্কেট কিয়ারিং প্রাইস ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এর ফলে প্রকৃতির পানি অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এবং সমাজের নিম্ন আয় ও হত-দরিদ্র যে শ্রেণীটি পানির মূল্য পরিশোধ করতে পারবে না তারা এই মৌলিক সম্পদ থেকে বঞ্চিত হবে। কোম্পানীর পরিবর্তে স্থানীয় জনগণকে সমপিক্ত করতে হবে। পানি মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার এবং বেচে থাকার জন্য অন্যতম অব্যশিক উপাদান হওয়ার পরও খসড়া আইনটিতে কর্তব্য ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্য বাধ্যকতা করা হয়নি পানি সরবারহে। খসড়া আইনে সাধারন কাজের সংজ্ঞায় রান্না, খাওয়া, থালা-বাসন, কাপড় ধোয়া, গোসলসহ দৈনন্দিন কর্মকান্ড নিদিষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু শহর এলাকার বাইরে সাধারণ কাজের পরিধি বিস্তৃণ হওয়া প্রয়োজন। খসড়া আইনে পানিকে জীববৈচিত্র্য রার অন্যতম উপদানা স্বীকার ও গুরুত্ব প্রদান করা হলেও দেশের জীববৈচিত্র্যে অন্যতম আধার সুন্দরবন, হাওরঞ্চলের পানির নির্ভর জীববৈচিত্র্য রার বিষয়টি নিয়ে সুস্পষ্ট ধারানা নেই।
পানির দাম নির্ধারণের েেত্র ব্যবহাকারীদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে নির্ণয়ে কথা বলা হয়েছে। যার ফলে অভিজাত এলাকায় গরীব মানুষের পানির বেশি দামে কিনতে হবে। পানির দাম নিধারণের দায়িত্ব ব্যবস্থাপনা এলাকার জন্য প্রাপ্ত মতাবলে ধার্য করা কথা বলা হয়েছে। ফলে দায়িত্ব প্রাপ্ত কোম্পানী বিভিন্ন অযুহাতে পানির দাম বাড়াবে।


পানি সরবারহ, পানি উৎস ও পানি ব্যবস্থাপনাসহ সকল েেত্র বেসরকারী বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। কোম্পানীকে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে পানির সংরণের বিশেষ মতা প্রদান করা হয়েছে যার ফলে পানির দাম বৃদ্ধি, কৃমিত্র সংকটসহ নিয়ন্ত্রণ কোম্পানীর হাতে চলে যাবে এবং পানি বাণিজ্যিক রূপ ধারন করবে। নাগরিকের নূন্যতম পানি সরবারহের েেত্র বাধ্যবাধকতায় না থাকায় কিংবা বিনামূল্যে বস্তিবাসী, সুবিধা বঞ্চিত মানুষ পানি অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। পানি সরবারহে কোম্পানীর সুযোগ বৃদ্ধি করা ফলে রাষ্ট্রীয় সরবারহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আওতা সীমিত হয়ে পড়েবে। পানির উপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাবে। কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করতে চাইলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্টি অংকের ফি জমা দিয়ে পানি সম্পদ কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটিতে আপিল করতে হবে। এর ফলে আপিল করার সুযোগ হারাবে।



পূর্বানুমতি ছাড়া বিনোদন কাজে ব্যবহার করার উপর নিষেধসহ বেশ কিছু বিধি নিষেধ এই আইনে অন্তভূক্ত করা হয়েছে। পানি আইনের নামে আবহমানকাল থেকেই এদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত পানির উপর মানুষের যে দাবি তা কোনমতেই খর্ব করা যাবে না। কারণ দৈনন্দিন জীবনে নদী-নালা, খাল-বিল থেকে বাংলার মানুষ পানি ব্যবহার করে আসছে। দৈনন্দিন জীবনের পানির এ ব্যবহারে কোনো সঙ্কট সৃষ্টি করেনি। এরকম অসংখ্য জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত আর ত্রুটি নিয়ে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন, ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও সংরণের ল্েয পানি আইন হচ্ছে। পানি আইনে বারোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে। উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও এ আইনে পানি নিয়ন্ত্রণ, সংরণ, আর্থিক অনুবিধি, পানি ব্যবহারকারী সমিতি, নদ-নদী প্লাবন, জলাধার সংরণ ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পানি ব্যবহারে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আইনি কাঠামো গড়ে তুলে পানির বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করতে হবে এবং জোরদার করতে হবে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ও তদারকি। এর বদলে পানিকে বাণিজ্যিকীকরণ করা হলে তা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।

পৃথিবীর যত পানি তার শতকরা প্রায় ৯৭.৫ ভাগই সমুদ্রের নোনা। এই পানি ধারণ করে আছে জানা-অজানা অনেক সম্পদ। বাকি শতকরা ২.৫ ভাগের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি জমে আছে বরফ হয়ে, যা জলবায়ুর ভারসাম্য রায় গুরুত্বপূর্ণ। বাকি পানির তিন-চতুর্থাংশই ভূগর্ভস্থ পানি, যা এই পৃথিবীকে শুধু বাঁচিয়ে রাখেনি, তাকে অবিরাম সৃজনশীল রেখেছে। বাকি অর্থাৎ শতকরা মাত্র ০.৩ ভাগ পানি আছে নদী, খালবিল, জলাশয় ইত্যাদিতে। অতএব পৃথিবীর মোট পানির শতকরা ১ ভাগেরও কম পানযোগ্য। এই সামান্য পরিমাণ ব্যবহার উপযোগী পানিকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলা হচ্ছে৷

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পানির অবস্থা

কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়। একেক জনকে দিনে ৫ ঘণ্টা এই কাজে ব্যয় করতে হয়। ভারত-পাকিস্তানে বহু অঞ্চল আছে যেখানে একটি জলাশয় বা কূপ থেকে পানি সংগ্রহের জন্য দূর-দুরান্ত থেকে মানুষ আসে, এর কোন বিকল্প নেই। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এখন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ দূর করে সুপেয় পানির যোগান দিচ্ছে। একই দেশের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন প্রদেশ বা রাজ্যের মধ্যে পানি নিয়ে বিরোধের নজির রয়েছে৷ কর্নাটক এবং তামিলনাড়– রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধে বড় ধরনের দাঙ্গা পর্যন্ত সংগঠিত হয়েছিল।

সুপেয় পানির যখন এরকম সংকট, তখন তা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে উন্নয়ন নামের আগ্রাসী তৎপরতার কারণে। পানির প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে পানি-মাটি অতঃপর প্রকৃতি বিপর্যস্ত হচ্ছে। পানি দূষণ ও অপব্যবহারের সৃষ্ট সংকটের সুযোগ নিয়ে মানুষের পানি দখলে নিচ্ছে কোম্পানি। আশির দশকের শুরু থেকেই উন্নয়নের নামে জগতের সবকিছু ব্যক্তিমালিকানা, বাণিজ্য আর মুনাফার কর্তৃত্বে আন বার উন্মাদনা সৃষ্টি করা হয়। সড়ক, রেলপথ, বিমান বন্দর, চিকিৎসা, বিদ্যুৎসহ পানিও এই আগ্রাসনের অধীনস্ত হয়। এই কাজে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ অন্যান্য েেত্রর মতো পানির বাণিজ্যিকীকরণে সবচাইতে অগ্রণী। বাংলাদেশের এডিবির ভূমিকাও সক্রিয়।

পানি বেসরকারীকরণের অভিজ্ঞতা

পৃথিবীব্যাপী যেখানেই পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে,সেখানেই পানির দাম বেড়ে গেছে কয়েকশ গুন। ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পালা শুরু হয়। আর এর পিছনে মদদদাতা হিসেবে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ। বিভিন্ন দেশে ঋণ সহায়তা এবং উন্নয়ন সহায়তার আড়ালে তারা রাস্ট্রীয় পানি সেবা ব্যবস্থাপনাকে বেসরকারি খাত ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ সৃস্টি করে। আফৃকায় এ সমস্যাটি রীতিমত ভয়াবহ৷ সেখানে পানি যেন দুর্লভ৷ সেখানকার কোনো কোনো দেশে প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত পানিও জনগণকে কিনে পান করতে হচ্ছে৷ আর এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে বিশ্ব দাপিয়ে বেড়ানো আর্থিক সংগঠনগুলো৷ শর্তসাপে ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে ঘানা সরকার দেশের হতদরিদ্র মানুষের কাছে তাদের নিজস্ব উৎসের প্রাপ্ত বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের ওপরও ট্যাক্স বসিয়েছিল৷



বিশ্বব্যাংকের ঋণের শর্তানুযায়ী বলিভিয়া নববই দশকের শেষেই পানি বাণিজ্যিকীকরণ করবার নীতি গ্রহণ করে। সেই মোতাবেক মার্কিন কোম্পানি বেখটেল বলিভিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কোচাবাম্বার সব পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কর্তৃত্ব লাভ করে। এমনকি বৃষ্টির পানিও তাদের কর্তৃত্বের আওতায় আসে। পানির দাম পরিশোধে ব্যর্থ হলে নাগরিকদের ঘরবাড়ি বাজেয়াপ্ত করারও অধিকার দেওয়া হয় এই মার্কিন কোম্পানিকে। রাস্তায় প্রতিরোধ তৈরি করে। ক্রমে পানি-গ্যাসসম্পদ রার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বলিভিয়ায় বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনই সংঘটিত হয়। পানির ওপর সবার অধিকার, গ্যাস সম্পদের ওপর জনগণের মালিকানা এখন স্বীকৃত।


অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পানির ওপর বিখ্যাত পানি কোম্পানী সুয়েজের নিয়ন্ত্রণ স্থাপনের পরই পানিদূষণ বৃদ্ধি পায়। কানাডার অন্টারিওতে পানিদূষণে কমপে ৭ জন মৃত্যুবরণ করে, কেননা তাদের প্লান্ট ও টেস্ট প্রক্রিয়া তারা গোপন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি হিসেবে গোপন রেখেছিল। মরক্কোর মানুষ কাসাব্লাঙ্কায় পানির দাম তিনগুণ বৃদ্ধির মধ্যেই বাণিজ্যিকীকরণের মর্ম বুঝতে পেরেছিলেন। আর্জেন্টিনার পানির কর্তৃত্বও পেয়েছিল সুয়েজ। এর ফলে পানির দাম দ্বিগুণ হয়েছিল কিন্তু এর গুণগত মানের অবনতি হয়েছিল। মানুষের প্রতিবাদে, বিল পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোয় পরে কোম্পানি দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। একই কারণে ব্রিটেনেও পানির দাম বেড়ে যায়। পানির বাণিজ্যিকীকরণের প্রতিবাদে নিউজিল্যান্ডের মানুষকেও রাস্তায় নামতে হয়। দণি আফ্রিকাতেও পানি বাণিজ্যিকীকরণে সুয়েজ কর্তৃত্ব পেয়েছিল। কিছুদিনের মধ্যেই পানি এমন বিষাক্ত হয়েছিল যে, কলেরা মহামারির আকার নেওয়ায় পানি সংযোগ অনেকদিন বিচ্ছিন্ন থাকে। ইরাক ধ্বংসযজ্ঞের পর বেখটেল ও এসব কোম্পানির জন্য সোনায় সোহাগা হয়। ঘানা এবং উরুগুয়েও এই পথে গিয়েছিল, পরে তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে জনবিােভ তৈরি হয়। ২০০৪ সালে গণভোটের মাধ্যমে এই দুই দেশে পানির ব্যক্তি বাণিজ্যিকীকরণ নিষিদ্ধ হয়। নেদারল্যান্ডও একই বছর গণপানি সরবরাহ ব্যক্তিকরণ নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে।


আর বিপুল আধারের মধ্যে থেকেও বাংলাদেশের মানুষের প্রাকৃতিক পানি াওয়া অধিকার ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। যতদিন যাচ্ছে তত পানিদূষণ বাড়ছে, বোতল পানির বাজারও সম্প্রসারিত হচ্ছে। পানি সরবরাহ, ব্যবস্থাপনার নানা প্রকল্পের মধ্য দিয়ে বিদেশী কোম্পানির আগ্রাসন ল্য করা যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভিওলিয়া, সুয়েজ মত লুন্ঠনকারী পানি কোম্পানী ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছে এদেশে। দেশবাসীকে সুপেয় পানি দিতে হলে এবং ভূ-পৃষ্ঠের উপরি ভাগের পানি ব্যবহারের জন্য জলাধার সুরা করতে হলে জনমানুষের মতামতের ভিত্তিতেই খসড়া পানি আইন করে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হবে।


‘সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম কর্তব্য গণ্য করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকারের (জরমযঃ ঃড় ষরভব) কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিশুদ্ধ পানি ছাড়া জীবনধারণ অসম্ভব। তাই জীবনের অধিকার বলবৎ করতে চাইলে অবশ্য বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশুদ্ধ ও জীবাণুমুক্ত পানি পাওয়ার অধিকারকে তাই পরোভাবে বলা যায়, জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। সে অধিকার বাস্তবায়নে সরকার সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা দেখাবে এবং উপযুক্ত পদপে নিবে এটাই এখন জনগণের প্রত্যাশা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29378332 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29378332 2011-05-09 22:30:32
শব্দদূষণ বর্তমান অবস্থা এবং করণীয়
দিন দিন মানুষের ব্যস্ততা বহুগুণ বেড়ে চলছে। মানুষ পুরোমাত্রায় যান্ত্রিক যানবাহনের উপর নির্ভর হয়ে সামান্য পথও পায়ে হেটে চলার অভ্যাস হারিয়ে ফেলেছে। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্য স্থলে পৌঁছানোর তাগিদে মানুষ যানবাহন নির্ভর হয়ে পড়েছে। একটি থেকে আরেকটি দ্রুত পৌঁছানোর জন্য অযথা হর্ন দিয়ে চলছে এছাড়া ট্রাফিক সিগন্যালে ও যানজটে গাড়ি চালকরা হর্নের ব্যবহার যথেচ্ছাভাবে করছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২০০৬ সালে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা পাস করে। বিধিমালা পাসের তিন বছর পার হলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিতে হবে বিধিমালা বাস্তবায়নে কঠোর পদপে।

শব্দদূষণ এর উৎস
শব্দদূষণ হলো মানুষের তৈরি সমস্যা। মানুষ দৈনন্দিন কিছু কার্যকলাপের কারণে শব্দদূষণ সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ গাড়ির হর্ন। এছাড়া ইটভাঙ্গার মেশিনের শব্দ ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির শব্দ, জেনারেটরের শব্দ, কলকারখানার সৃষ্ট শব্দ, মিউজিক বা মাইকের শব্দ, ট্রেনের হুইসেলের শব্দ, বিমান উড়ার শব্দসহ নানাধরণের বিকট শব্দের দ্বারা এই শব্দদূষণ তৈরি হচ্ছে।

গাড়ির হর্ন
কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে শব্দদূষণ এর প্রধান উৎস হলো গাড়ির হর্ন। গাড়ি বলতে এখানে বাস, ট্রকি, প্রাইভেট কার মাইক্রো, মটর সাইকেল এবং সিএনজি চালিত অটোরিক্সাকে বোঝানো হয়েছে। স¤প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রাইভেট কার এর হর্ন শব্দদূষণের অন্যতম উৎস।


ইটভাঙ্গার মেশিন
আধুনিকায়নের সাথে সাথে কলকারখানা বাড়ছে, বাড়ছে ইমারত সেই সাথে বাড়ছে আনুসঙ্গিক সরঞ্জাম। ঢাকাসহ সারাদেশে শহর বা গ্রামে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ভবন ও আধুনিক মার্কেট। ইমারত নির্মাণের কিছু সরঞ্জামের অপব্যবহার এর কারণে সৃষ্টি করছে শব্দদূষণের। বর্তমানে ভবন নির্মাণের েেত্র অপরিহার্য হয়ে পড়েছে ইট ভাঙ্গা মেশিন, মিকচার মেশিন, টাইলস্ কাটা মেশিন। এসব মেশিন ব্যবহার এর ফলে আবাসিক, নীরবসহ সকল এলাকায় শব্দের মাত্রা বেড়ে চলছে।




জেনারটের শব্দ
বিদ্যুৎ সমস্যা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। লোডশেডিং হয় না এমন কোন আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্প এলাকা নেই। বিদ্যুত ঘাটতি পুরনের জন্য লোডশেডিং এর সাথে সাথে চালু হচ্ছে হাজার হাজার জেনারেটর। নাগরিক জীবনের একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে জেনারেটরের শব্দ। বহুতল ভবন, শপিং মল এমনকি ছোট ছোট দোকানে আজকাল ব্যবহৃত হচ্ছে জেনারেটর। বহুতল ভবন ও শপিং মলের লিফট ও বিদ্যুত সরবরাহের জন্য জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে। জেনারেটর ব্যবহার এর কারণে শব্দদূষণ এবং বায়ুদূূষণ মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেনারেটর এর পরিবর্তে আমরা সৌর শক্তিকে কাজে লাগাতে পারি এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারি।

শব্দদূষণ এর ফলে স্বাস্থ্যগত তি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব ব্যাংকের একাধিক গবেষণা ও সমীা থেকে জানা যায় যে, দেশে ৩০ টি কঠিন রোগের কারণ ১২ রকম পরিবেশ দূষণ। শব্দদূষণ যার মধ্যে অন্যতম। মানুষের স্বাস্থ্যের উপর শব্দদূষণের প্রভাব নির্ভর করে তার বি¯তৃতি, স্থায়ীত্ব এবং পুনঃপুন আক্রান্ত হওয়ার মাত্রার উপর। শব্দদূষণের কারণে ণস্থায়ী বা স্থায়ী উভয় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারনতঃ যে ধরনের সমস্যা হতে পারে তা হল কানে কম শোনা; যা থেকে সৃষ্টি হয় মানসিক ভারসাম্যহীনতা, উৎকন্ঠা, মানসিক ভীতি এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। এছাড়া অস্থিরতা, স্নায়ুচাপ, ণস্থায়ী রক্তচাপ বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, , রক্ত সরবরাহ গত সমস্যা এবং এক ধরনের শব্দভীতি তৈরী হয় (যে কোন ধরণের ইলেক্ট্রোনিক যন্ত্র যেমন-মোবাইল ফোন, পেজার, ইলেক্ট্রোনিক গেম ইত্যাদি শব্দ হলেই ভয় পাওয়া)।

শব্দদূষণ এর তিগ্রস্থ
শব্দদূষণ আমাদের জনজীবনের চলার গতিকে ব্যহত করে চলছে। শব্দদূষণের কারণে যারা তিগ্রস্থ হচ্ছে তারা হলেন- ট্রাফিক পুলিশ, গাড়ি চালক, শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা এছাড়া সাধারণ মানুষ যাদের প্রয়োজনের তাগিদে প্রত্যহ বাসা থেকে বাইরে বের হতে হচ্ছে।

ট্রাফিক পুলিশ
শব্দদূষণের অন্যতম শিকার হলো ট্রাফিক পুলিশ। স¤প্রতি ভারতের পুনা শহরে এক গবেষণায় দেখা যায় সেখানকার ৮০% ট্রাফিক পুলিশ শব্দদূষণ এর কারণে শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে। আবার ব্যাংকক শহরের এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে, সেখানকার এক তৃতীয়াংশ পুলিশ শ্রবণ শক্তির সমস্যায় ভুগছেন। দিনদিন আক্রান্ত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দশ বছরের উপরে কর্মরত প্রায় সব পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যেই এই সমস্যা বিদ্যামান। আমাদের দেশে এর কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। কিন্তু সহজেই অনুমান করা যেতে পারে, ট্রাফিক পুলিশের শ্রবণযন্ত্র কি অবস্থায় আছে।

গাড়ি চালক
যানবাহনে ব্যবহৃত উচ্চশব্দের হর্ন যেহেতু শব্দদূষণ এর প্রধানতম কারণ। যানবাহনের চালকরাই উচ্চশব্দে হর্ন বাজিয়ে শব্দদূষণ তৈরি করে এবং মানুষের শ্রবণেন্দ্রিয়তে আঘাত করে। কিন্তু এতে শুধুমাত্র জনসাধারণই তিগ্রস্থ হচ্ছে তা নয়, গাড়ি চালকরাও মারাতœকভাবে তিগ্রস্থ হচ্ছে।






শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা প্রণয়নের আগে ও পরের ঢাকা কয়েকটি স্থানে শব্দের মানমাত্রা

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি পৃথক আইন প্রণয়নের জন্য দাবী তোলা হয় ২০০২ সালে। ২০০২ সালে শব্দদূষণ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা জানার ল্েয ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট কর্তৃক একটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। গবেষণায় দেখা যায় ৮৬% সাধারণ জনগণ এর কাছে শব্দদূষণ একটি বড় ধরনের সমস্যা। একটি বড় অংশ জানে না শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কোন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কিনা। আবার ৯৪% সাধারণ মানুষ, ৮৫% গাড়ির চালক মনে করে যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়ন করা জরুরী। ২০০৪ সালে সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করে এবং ২০০৬ সালে খসড়া বিধিমালাটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। ২০০৪ সালে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এবং এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভারসিটি ঢাকা শহরের ২০ টি এলাকার শব্দের মাত্রা পরিমাপ করে। ২০০৪ সালে পরিচালিত গবেষণার কিছু এলাকার শব্দের মানমাত্রা দেওয়া হলো:

এলাকার নাম শব্দের মাত্রা (ডেসিবেল) এলাকার নাম শব্দের মাত্রা (ডেসিবেল)
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ১১০ গুলিস্থান ১০০
বাংলা মটর ১০৪ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা ৯৬
ফার্মগেইট ১০৩ সদরঘাট ৯৮
মহাখালী ক্রসিং ৯৯ বারডেম হসপিটাল ৮৬
মগবাজার ৯৭ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা ৯৬
মৌচাক ১০১ কল্যাণপুর ৯৬
তেজগাঁও শিল্প এলাকা ৯৭ ভিকারুননিসা নুন স্কুল ১০২

এখানে নীরব, আবাসিক, মিশ্র, বাণিজ্যিক এবং শিল্প প্রতিটি এলাকা ধরে ঢাকা শহরের কয়েকটি অঞ্চলে শব্দের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। কিন্তু শব্দের মাত্রা পরিমাপ দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটি নীরব আর কোনটি শিল্প এলাকা শব্দের মাত্রা।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থান ভেদে শব্দের স্থানীয় মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে যা নিচের ছকের সাহায্যে দেখানো হল ঃ

ক্রমিক নং এলাকার শ্রেণী ডেসিবেল এককে ধার্যকৃত সীমা
দিবা (৬ টা-রাত ৯টা) রাত্র (রাত ৯-ভোর ৬টা)
ক নীরব এলাকা ৫০ ৪০
খ আবাসিক এলাকা ৫৫ ৪৫
গ মিশ্র এলাকা ৬০ ৫০
ঘ বাণিজ্যিক এলাকা ৭০ ৬০
ঙ শিল্প এলাকা ৭৫ ৭০
ব্যাখ্যাঃ (ক) ভোর ৬টা হইতে রাত্রি ৯টা পর্যন্ত ব্যাপ্ত সময় দিবাকালীন সময় হিসাবে চিহ্নিত। (খ) রাত্রি ৯টা হইতে ভোর ৬টা পর্যন্ত ব্যাপ্ত সময় রাত্রিকালীন সময় হিসাবে চিহ্নিত।




২০০৬ সালে বিধিমালা প্রণয়নের পর ২০০৭ সালে পুনারায় একটি গবেষনা করা হয়। ২০০৭ সালের গবেষণা চিত্র তুলে ধরা হলো:

এলাকার নাম শব্দের মাত্রা (ডেসিবেল) এলাকার নাম শব্দের মাত্রা (ডেসিবেল)
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ১০২ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা ৯৩
বাংলামটর ৯২ সদরঘাট ৮৮
ফার্মগেইট ৯৩ বারডেম হসপিটাল ৮৬
মহাখালী ক্রসিং ৯৪ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা ১০১
তেজগাঁও শিল্প এলাকা ৯৫ কল্যাণপুর ৯৫
গুলিস্থান ৯২ ভিকারুননিসা নুন স্কুল ৮২
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (ধানমন্ডি) ১০২

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়নের আগে ও পরের অবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্রতিটি এলাকা শব্দের মাত্রা কমেছে ৮ থেকে ১০ ডেসিবেল এর মতো। এথেকে বোঝা যায় ঢাকা শহরের শব্দদূষণ বিধিমালা প্রণয়নের আগে যা ছিল পরবর্তীতেও একই রয়েছে। শুধু বিধিমালা প্রণয়ন করলে হবে না এজন্য বিধিমালা বাস্তবায়ন জরুরী।
স¤প্রতি ঢাকা শহরের কয়েকটি এলাকায় শব্দের মাত্রা পরিমাপ করে দেখা গেছে মতিঝিল এলাকায় সর্বোচ্চ ৯৫ এবং সর্বনিম্ন ৯০ ডেসিবেল। শাহবাগ এলাকায় সর্বোচ্চ ১০০ এবং সর্বনিম্ন ৯৬ ডেসিবেল। ধানমন্ডি অক্সফোর্ড স্কুলের সামনে সর্বোচ্চ ৯৮ এবং সর্বনিম্ন ৮০ ডেসিবেল। মালিবাগ এলাকায় সর্বোচ্চ ৯৫ এবং সর্বনিম্ন ৮০ ডেসিবেল। পান্থপথ স্কয়ার হাসপাতাল এলাকায় সর্বোচ্চ ১০৪ এবং সর্বনিম্ন ৭১। ফার্মগেইট এলাকায় সর্বোচ্চ ১০৫ এবং সর্বনিম্ন ৮১ ডেসিবেল।

সুপারিশমালা:

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের ল্েয কয়েকটি সুপারিশ দেওয়া হলো:
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে মতা প্রদান।
ক্স শহরের প্রত্যেকটি সড়কে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী জরিমানা আদায় করা।

ক্স গাড়ী চালকদের প্রশিণ মডিউলে শব্দদূষণ বিষয়টি অর্ন্তভুক্ত করা।
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা।
ক্স জনগণকে শব্দদূষণ সৃষ্টিকারী গাড়ীর বিরুদ্ধে সার্জেট বা ট্রাফিক পুলিশের নিকট অভিযোগ প্রদানের উৎসাহী করা।
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনগণের সচেতনতা বাড়ানো কার্যক্রম গ্রহণ করা।
ক্স যানবাহন চালকদের এ আইন সম্পর্কে অবহিত করা ও শব্দদূষণ বন্ধে কার্যকর পদপে গ্রহণ করা।
ক্স বিধিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা। হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ সাইনবোর্ড স্থাপন করা।
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এবং উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী যানবাহনকে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা।


শব্দদূষণের ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবন ধারণ ব্যহত হচ্ছে। শব্দদূষণের ফলে মানুষসহ পরিবেশের সুস্থ অগ্রগতি ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনগণের মাঝে ব্যপকভাবে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে গড়ে তোলার জন্য শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা অতীব জরুরী।


আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস
১৯৯৬ সাল থেকে আমেরিকার একটি সংগঠন সেন্টার ফর হিয়ারিং এন্ড কমিউনিকেশন (যার নতুন নাম লীগ ফর দা হার্ড অফ হেয়ারিং) এর উদ্যোগে এপ্রিলের যে কোন বুধবার বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে। এবার ২৭ এপ্রিল এই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। চৎড়ঃবপঃ ঞযবরৎ ঐবধৎরহম, চৎড়ঃবপঃ ঞযবরৎ ঐবধষঃয এই স্লোগানকে ধরে প্রতিবছর শব্দ সচেতনতা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। যার বাংলা করা হয়েছে সুস্বাস্থের জন্য শ্রবণশক্তি রা কর । এ দিবসটি পালন উপল্েয লীগ ফর দা হার্ড অফ হেয়ারিং বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে। তারা এ দিনে একমিনিট নিঃশব্দে থাকে। এছাড়া বিনামূল্যে কানের পরীা এবং শোনার যন্ত্রটি দিয়ে থাকে। বিভিন্ন কমিউনিটির সাথে শব্দদূষণ সম্পর্কে মতবিনিময় করে। বাংলাদেশে এ দিবসটি ২০০৩ সাল থেকে বেসকারিভাবে পালিত হয়ে আসছে। প্রতিবারের মতো এবার এদিবসটি উদযাপন উপলে অবস্থান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
নাজনীন কবীর, প্রকল্প কর্মকর্তা
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29369795 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29369795 2011-04-26 16:32:22
গুলি কইরা মানুষ মারার আমিও একটা লাইসেন্স চাই। কোন বাজারে লাইসেন্স পাওয়া যায়?? চরম নিষ্ঠুরতা । গতকাল রাতে ব্যাব এর একটি বিজ্ঞাপন দেখ ছিলাম টিভিতে, তারা কি কি করছে দেশে ও জনতার জন্য। আর আজ প্রথম আলোর নিউজ চরম নিষ্ঠুরতা টিভি নামক বেচাবিক্রির বক্সটা আমার দুই চোখের বিষ। তার উপর আবার rab এর বিজ্ঞাপন দেইখা ভাবছিলাম এরা আবার কি ইমেজ সংকটে পড়ল?? সকালের খবরটা লাইন দুই পড়ে মনে হল মানুষ মারার একটা লাইসেন্স পাইলে মন্দ হয় না। শাসক গোষ্ঠীর মদদে বিনা বিচারে মানুষ হত্যার যে লাইসেন্স নিরাপত্তার নিয়োজিত বাহিনীময় পেয়েছে তাকে আম জনতার পক্ষে আমারও একটা লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছা হয়। পযায় ক্রমে এই লাইসেন্স দেশের সর্বস্তরে মানুষকে দিয়ে দেওয়া ব্যবস্থা করতে হবে। যে যেখানেই সমস্যা দেখবে সাথে সাথে ক্রসফায়ার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29357918 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29357918 2011-04-06 09:27:19
এই খালটি দখল করে তৈরি করা হয়েছে সিএনজি পাম্প। যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তৈরি হয়েছে এই স্থাপনা এটি সিএনজি পাম্প... এই খালটি দখল করে তৈরি করা হয়েছে সিএনজি পাম্প। যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তৈরি হয়েছে এই স্থাপনা এটি সিএনজি পাম্প মালিক পক্ষের দাবী ।পাশের বক্স কালর্ভাটটি শুধু সাক্ষী হয়ে আছে একদিন এখানে একটি জলাধার ছিল।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29354266 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29354266 2011-03-31 12:26:07 এই খালটি দখল করে তৈরি করা হয়েছে সিএনজি পাম্প। যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তৈরি হয়েছে এই স্থাপনা এটি সিএনজি পাম্প... এই খালটি দখল করে তৈরি করা হয়েছে সিএনজি পাম্প। যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তৈরি হয়েছে এই স্থাপনা এটি সিএনজি পাম্প মালিক পক্ষের দাবী ।পাশের বক্স কালর্ভাটটি শুধু সাক্ষী হয়ে আছে একদিন এখানে একটি জলাধার ছিল।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29353686 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29353686 2011-03-30 12:50:53 কতটা গতির দরকার? কতটা গতিতে চললে রিকশা ঢাকায় চলতে পারবে? যানজট একটি আমাদের সবার জন্য সমস্যা আর এই সমস্যাকে পুজিঁ করে দেশি বিদেশি ব্যবসায়ীক শ্রেনী নেমে পড়েছে ব্যবসায়। জনগণকে জিম্মি করে তারা বছরের পর বছর ঢাকায় জনগণের টাকায় কিংবা ঋণের টাকায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু যানজট কমেনি। শুধু প্রকল্পের বৃদ্ধিই ঘটছে ধারাবাহিক ভাবে। এই রকম অনেক প্রকল্প নিয়েই সুনিদিষ্ট তথ্যসহ তাদের ব্যবসার কথা জনগন ইতিমধ্যে জেনেছে।

গতকাল ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থার সাথে জড়িত একটি বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তার কথা আজ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। তিনি রিকশা নিয়ে কথা বলছেন রিকশা ধীর গতি সম্পন্ন যান। আর তাই মহাসড়কে রিকশা উচ্ছেদ করতে হবে। কিন্তু অতীতেও বিভিন্ন রাস্তা থেকে রিকশা উচ্ছেদ করা হয়েছে ফলাফল শুভ হয়নি। যাত্রীদের যাতায়াত সময়-ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ, যানজট বৃদ্ধি, পরিবহণ কোম্পানীগুলোর পরিবহণ পরিচালনার ব্যয় বেড়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত একটি পোস্ট দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু পোস্টটি বড় হয়ে যাবে ভেবে কয়েকটি পোস্ট দিব ঠিক করলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের পোস্ট " রিকসা কি আসলেই ধীর গতি সম্পন্ন যান‍"আজ এই ফোরামে এই বিষয়টি নিয়ে লিখছি আমাদের সবার যাতে রিকসা ধীর গতি সম্পন্ন যান এই সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পরিবর্তন ঘটে। রিকশা উচ্ছেদের অন্য কোন কারণ থাকতে পারে কিন্তু ধীর গতি সম্পন্ন যান তা উচ্ছেদের যুক্তি সই কারণ নয়।


রিকসা কি আসলেই ধীর গতি সম্পন্ন যান?
যখন অধিকাংশ যান্ত্রিক যানবাহন অযান্ত্রিক যানবাহন অপেক্ষা গতিশীল, তখন গতি আসলেই বিবেচ্য একটি বিষয়। কিন্তু জনবহুল শহরের প্রেক্ষিতে গতির বিষয়টি একটু ব্যতিক্রম। ঢাকা শহরের বৈশিষ্ট হচ্ছে এখানে স্বল্প পরিমান জায়গায় অনেক লোক চলাচল করে থাকে, ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সৃষ্টি হয় যানজটের। ঢাকার মতো বিশ্বের অন্য শহরগুলোতেও এই সমস্যা বিরাজমান। অযান্ত্রিক যান না থাকা এবং ব্যয়বহুল রাস্তা নির্মাণের পরও বিশ্বের অধিকাংশ শহর থেকে এ সমস্যার সমাধান করা যাচ্ছে না।

মধ্য লন্ডনে গাড়ির গতিবেগ ঘন্টায় ৮ কিঃ মিঃ যা ১৮৮০ সালে ঘোড়ার গাড়ির সমপরিমান। কখনো কখনো এ গতি সাইকেল থেকেও ধীর এবং কখনো কখনো পায়ে হেটে চলাচলের সমপরিমান হয়। বাইসাইকেলে ঘন্টায় ১০-১৫ কিঃমিঃ বা তার চেয়েও বেশি যাওয়া যায়। ঢাকা যে সকল রাস্তায় অনেক আগেই অযান্ত্রিক যান নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেখানে এখন অসহনীয় যানজট বিরাজ করছে এবং সার্বিক যাতায়াতের সময়সীমাও বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় যান্ত্রিক যানবাহনে শহরের দূরবর্তী এলাকায় যেতে রিকসা/বাইসাইকেলের প্রায় সমান সময় প্রয়োজন হয়। সেখানে রাস্তায় যেহেতু কোন অযান্ত্রিক যানবাহন নেই সেহেতু সেখানকার রাস্তার গতিহীনতার জন্য অযান্ত্রিক যানবাহনকে দায়ী করা যাবে না। অর্থাৎ যান্তিক যান নিষিদ্ধ করেও ভাল কোন সুফল পাওয়া যাবে না। বরং অধিক যান্ত্রিক যানের কারণে এই রাস্তাগুলোতে অত্যাধিক হারে বায়ুদূষণ ঘটছে এবং যাতায়াতের অনুপোযোগি হয়ে পড়ছে।

মিরপুর রোড, ভিআইপি রোড থেকে রিকশা উচ্ছেদ করা হয়েছে কিন্তু যানজট আগের চেয়ে বেড়েছে। তাহলে রিকশার সাথে যানজটের বিষয়টি আমাদের কাছে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে? সমস্যা অন্য জায়গায় একটু লক্ষ্য করুন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, ফিলিপাই, ইন্দোনেশিয়া যানজটপূর্ণ শহরগুলোর কথা। তাদেরই বিভিন্ন পরামর্শ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে শহরগুলো যানজটের শীর্ষস্থান অধিকারী শহর হিসেবে নাম লিখাতে পেরেছে। তারা সেখানেও একই ভাবে রিকশা উচ্ছেদ করেছে। ওখানে ব্যর্থ যানজট সমাধানে কাল্পনিক চেষ্টায় এখন যানজট আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ব্যবসা বেড়েছে তাদে কয়েক গুণ। আমাদের দেশেও একই র্ফমুলা প্রয়োগ করা হচ্ছে।

আমাদের এখনই সোচ্চার হতে হবে নয়তো আমাদের প্রিয় ঢাকা ব্যাংককের মত যানজটপূর্ণ শহর হবে। ব্যাংককে মোট্রে রেল, স্কাইরেল, ফ্লাইওভার, নৌপথ সবই আছে। সাথে আছে প্রচন্ড যানজট। পাশপাশি ওদের ব্যবসা কিন্ত প্রতিবছরই বাড়ছে। আসুন চিনে নেই তাদের নয়তো আমাদেরও যানজট আর যানজট শব্দের ফাঁদে ফেলবে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করবে। কিন্তু যানজট থেকে মুক্তির স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নই থাকবে।

ছবিটি যানজট নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রিকশা উচ্ছেদের জন্য একটি ঋণবাণিজ্যিক সংস্থা আমাদের দেশের নীতি নির্ধারনী সংস্থাদের সরবারহ করেছেন। আর কর্তারা যানজট নিরসনের কোন যুতসই কাজ না করে শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানের সরবারহকৃত ম্যাপের বাস্তবায়নে উঠে পড়ে লেগেছেন। যা বাস্তবায়ন হলে ঢাকায় যানজট বৃদ্ধি পাবে তা তাদেরই গবেষণায় সুস্পষ্ট। আমরা কোন পথে যাব তা আমাদের নির্ধারণ করতে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29352843 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29352843 2011-03-28 21:29:33
বি-নেগেটিভ রক্ত চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29343180 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29343180 2011-03-12 18:03:31 বি- রক্ত চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29343179 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29343179 2011-03-12 18:02:16 নীলক্ষেত গাউছুল আযম মার্কেটে আগুন লাগছে । নীলক্ষেত গাউছুল আযম মার্কেটে আগুন লাগছে । ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি আইসা পড়ছে। কার কার দোকান আছে সাবধানে নিভাইতে আসেন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29341468 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29341468 2011-03-09 23:32:57 নগরের অধিবাসী, নাগরিক জীবন নগরের অধিবাসী, নাগরিক জীবন]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29340637 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29340637 2011-03-08 18:23:03 দখলের রাজনীতি চলছে চলবেই। তবে বিষয়টা ইতিবাচক ভাবে দেখতে হবে !!!! দুই দলের মতের অমিল থাকলেও বিএনপির ছাগল উন্নয়ন প্রকল্প আওয়ামী লীগের বাস্তবায়ন এর কাজ চলছেএই কার্যক্রম নিশ্চয় দেশে বেকার সমস্যা সমাধানে ব্যাপক ভূমিকা নিবে কারণদখলদারীত্ব বুঝে পেলে এই ছাগলের খামারে একদিন পাচ তলা বিল্ডিং হবে উন্নতি কামনায়।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29336216 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29336216 2011-03-01 15:44:20 দখলের রাজনীতি চলছে চলবেই। তবে বিষয়টা ইতিবাচক ভাবে দেখতে হবে !!!! দুই দলের মতের অমিল থাকলেও বিএনপির ছাগল উন্নয়ন প্রকল্প আওয়ামী লীগের বাস্তবায়ন এর কাজ চলছেএই কার্যক্রম নিশ্চয় দেশে বেকার সমস্যা সমাধানে ব্যাপক ভূমিকা নিবে কারণদখলদারীত্ব বুঝে পেলে এই ছাগলের খামারে একদিন পাচ তলা বিল্ডিং হবে উন্নতি কামনায়।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29335752 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29335752 2011-02-28 18:00:15 রাইফেল, বুলেট আজ রূপসী শীলার যৌবন মাখা নরম ঠোট রূপে হাজির হয়েছে আমার কাছে। ডেসটিনির দুইদিনর পর পর এই নাচ-গান উৎসব নিশ্চয় দেশের বিনোদন জগতে ভিন্ন মাত্র যোগ করবে। আমরা আশাকরি অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ডেসটিনির কোট টাই পুলাপাইনগুলা এখন থেইকা প্রতিমাসে সুস্থ বিনোদনের জন্য শীলা-মীলা-টীলা নাচের টিকেট পাইব। আর আমাদের পুলা পাইনগুলা হিন্দি শিখব মায়েরা হিন্দি সিরিয়াল দেইখা সিরিয়ালের মত সংসার চালাইব। সংস্কৃতির সুন্দর আদান প্রদান।

বহু বছর আগে একদল লোক রাইফেল, বুলেট আর বুটের উপর ভর করে এই ভাবেই ঝাপিয়ে পরে ছিল আমাদের ভাষা আর সংস্কৃতি ধংসে । ৫৯বছর আগে মায়ের ভাষার নিরাপত্তা আর সংস্কৃতির আগ্রাসন রুখতে এই মাসে লক্ষ তরুণের রক্তে জ্বলে উঠে ছিল প্রতিবাদের জোয়ার। আর আজ এই মাসে আমাদের লক্ষ তরুনের দেহে মনে শীলার যৌবন জ্বলে ওঠছে। রাইফেল, বুলেটদারী সেই জানোয়ারগুলো এই জানোয়ারগুলোর মধ্যে হয়ত অনেকই আকাশ পাতাল তফাৎ খুজে পাবেন। সময় সাথে সাথে আগ্রাসনের রূপ পরিবর্তন করে রাইফেল, বুলেট আজ রূপসী শীলার শীলার যৌবন মাখা নরম ঠোট রূপে হাজির হয়েছে আমার কাছে। একটা কামড় শরীরে সমস্ত শক্তি দিয়ে একটা চুম্বন।
না প্রতিবাদ মায়ের ভাষার মাসে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29333486 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29333486 2011-02-24 23:40:04
ঢাকা শহরের যানজট নিরসনের জন্য আরো নতুর নতুন রাস্তা নির্মাণ করার চিন্তা করা হচ্ছে। সেটিও কি আসলে কোন ভাল সমাধান...


এ সমস্ত গাড়ি রাস্তায় আবার যানজট বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ এ চক্র কোন সময় নিঃশেষ হয় না। আমরা যে শুধু এটা বলছি তা নয়, অধিকাংশ শহরের অভিজ্ঞতা থেকে তা প্রতীয়মান হয়েছে।

আমেরিকার মধ্যে লসএঞ্জেল্স সবচেয়ে বেশি গাড়ি নির্ভর শহর এবং এখানেই দেশের সবচেয়ে বেশি যানজট লেগে থাকে। লসএঞ্জেল্স এ যে সমস্ত যাত্রীরা গাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করে তাদের প্রায় প্রত্যেকেরই বছরে প্রায় ৯৩ কর্মঘন্টা যানজটে নষ্ট হয়। আমেরিকার দুটি গ্ররুত্বপূর্ণ শহর লসএঞ্জেল্স এবং হিস্টনে ৭০% জায়গা গাড়ি চলাচল এবং পার্কিং এর জন্য ব্যয় হচ্ছে।
অর্থাৎ এখানকার মাত্র ৩০% জায়গা মানুষ অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারছে। এখন প্রশ্ন হলো ইতোমধ্যে ঢাকা শহরের কি পরিমান জায়গা আমরা গাড়ির জন্য ব্যয় করেছি এবং আরো কতো জায়গা গাড়ির জন্য বরাদ্ধ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে চায়?

ব্যাংকক শহরে প্রতিদিন যানজটে গাড়ি দাড়িয়ে থাকার জন্য ১.৪ মিলিয়ন সমমূল্যের তেল অপচয় হচ্ছে। এ ছাড়াও আরো বেশি আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের ঠিকমত মালামাল দিতে না পারার জন্য এবং চাকুরিজীবিরা কর্মক্ষেত্রে সময় মত পৌঁছে তার নির্ধারিত কাজ করতে না পারার কারণে।
ব্যাংকক শহরে রিকসা নিষেধ করা হয়েছে ১৯৬০ সালে এবং বলা যায় রাস্তায় কোন প্রকার অযান্ত্রিক যানবাহন নেই। তারপরও এখানে যানজটের কারণে মানুষের ৪৪ কর্মদিবস নষ্ট হয়।


ঢাকা শহরের যানজট নিরসন করার জন্য আরো নতুর নতুন করে রাস্তা নির্মাণ করার চিন্তা করা হচ্ছে। সেটিও আসলে কোন ভাল সমাধান নয়।
এই দিনগুলি নষ্ট না হলে দেশের সামগ্রিক জাতীয় আয় (জিএমপি) আরো ১০ ভাগ বৃদ্ধি পেত। এরপর ব্যাংকক শহরের নতুন রাস্তা তৈরি করার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হচ্ছেরাস্তায় সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে প্রাইভেট গাড়ি।
যদিও এই গাড়িতে কম যাত্রী যাতায়াত করে। ১৯৮০ সালে কাছাকাছি সময়ে ব্যাংকক শহরের রাস্তা সমূহে ৭০% জায়গা দখল করেছে গাড়ি। কিন্তু সেখানে মাত্র ২৮ ভাগ যাত্রী গাড়িতে যাতায়াত করতে পেরেছে। ১৯৮০ সালে ম্যানিলা শহরের রাস্তাগুলোতে চলাচলকারী গাড়ি সমূহের মধ্যে ৭০-৯০ ভাগ ছিল প্রাইভেট গাড়ি এবং তাতে মাত্র ২৮-৪০ ভাগ যাত্রী যাতায়াত করতে পেরেছে।

দিল্লী ১৯৭২ সালে প্রায় ম্যালিনা শহরের মত অবস্থায় ছিল। এই তিনটি শহরের কমপক্ষে ৬৩% ভাগ যাত্রী পাবলিক বাসে যাতায়াত করেছে। সেখানে বাস রাস্তায় জায়গা দখল করেছে মাত্র ১২-১৯ ভাগ।

যদি আমরা চিন্তা করি ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা খুব খারাপ অবস্থায় আছে তাহলে অযান্ত্রিক যানমুক্ত শহরগুলি কি অবস্থায় আছে তা দেখতে হবে। লন্ডন শহরে ১৯৮৭-৮৮ সালের সন্ধ্যাকালিন সময়ে গড়ে গতিবেগ ছিল ১১.৬ এমপিএইচ, জাকার্তায় মাত্র ৯.৩ এমপিএইচ। বর্তমানে সেখানকার বাস্তব অবস্থা আরো বেশি ভিন্ন । সেখানে সাইকেলে গাড়ির চেয়ে দ্রুত যাওয়া যায়।

যদি প্রাইভেট গাড়ি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তাহলে সরকার যত বেশি রাস্তা তৈরির জন্য অর্থ ব্যয় করুক না কেন রাস্তার সংকট কখনো দুর হবে না। দুঃখজনক বিষয় হলো প্রাইভেট গাড়ি যখন বাড়তে থাকে তখন আরো কম সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করতে পারে। লন্ডনে ১৯৫৬ সালে ব্যস্ততম সময়ে ৪,০৪,০০০ মানুষ হাইওয়েতে যাতায়াত করতে পেরেছে।

তার ৪০ বছর পরে অর্থাৎ ১৯৯৬ সালে হাইওয়েতে মাত্র ২,৫১,০০০ মানুষ যাতায়াত করতে পেরেছে সেখানকার রাস্তায় গাড়ি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে। কারণ আগে পাবলিক বাস বেশি থাকায় বেশি মানুষ গাড়িতে যাতায়াত করতে পারতো। বর্তমানে সেখানে প্রাইভেট গাড়ি বৃদ্ধি পাওয়ায় কম মানুষ যাতায়াত করতে পারছে।

প্রাইভেট গাড়ি যে শুধুমাত্র যাতায়াত করার জন্য জায়গা দখল করছে তা নয় পার্কিং এর জন্যও প্রচুর জায়গা নেয়। আমেরিকার একটি পরিসংখ্যান রয়েছে যে একটি গাড়ির পার্কিং এর জন্য ৮টি স্থান প্রয়োজন হয়। যেমন বাসা, বাজার, কর্মস্থল, স্কুল হোটেল দোকানসহ বিভিন্ন জায়গায়।

যখন একটি গাড়ি বাড়িতে না থাকে তখন সেই গাড়িটি হয় রাস্তায় চলাচল করছে না হয় অন্য কোথাও পার্কিং করা আছে। অথবা যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ফাঁকা গাড়ি নিয়ে শুধুমাত্র চালক নিজে রাস্তার জায়গা দখল করে বাসায় ফিরছে। যখন একটি গাড়ি রাস্তায় চলাচল করছে বা এক জায়গায় পার্কিং করছে তখন ওই জায়গা অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারছে না। অর্থাৎ এই জায়গা শুধু একজন যাত্রী ব্যবহার করছে। রিকসা রাস্তায় আরো কম জায়গা দখল করে, এক জায়গায় বেশিক্ষণ অপেক্ষা করে না এবং সাধারণত খালি অবস্থায় কম যাতায়াত করে।
শহরে যদি রাস্তা বৃদ্ধি পায় তাহলে ট্রাফিক অবস্থা আরো খারাপ হয়। কারণ রাস্তা বেশি থাকলে মানুষ আরো বেশি দুরে যায় এবং আরো মানুষ গাড়ি কেনে। এটি আমরা ব্যাংকক লসএঞ্জেলস, জাকার্তা, লন্ডনসহ আরো অনেক গাড়ি নির্ভর শহরগুলো অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে বুঝতে পারি।

নতুন রাস্তা নির্মাণ কী যানজট সমস্যা সমাধান কতটুকু ভূমিকা রাখে?


আমরা যখন গাড়ির জন্য বেশি জায়গা এবং অর্থ ব্যয় করি তখন গাছ, পার্ক এবং বিকল্প পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ এবং জায়গা থাকে না। আসলে ঢাকা শহরকে আমরা কেমন দেখতে চায়? শহরের কোথাও কোথাও গাছ, পার্ক থাকবে সেটা না গাড়ির জন্য পার্কিং?

ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থা : বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29333364 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29333364 2011-02-24 20:31:57
সুন্দরবন এলাকার ভোদর দিয়ে মাছ ধরা নিয়ে তথ্য চাই ব্লগারদের সাহায্যে আমি এই বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। কিন্তু তথ্যগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানের। আমার প্রয়োজন সুন্দরবন এলাকার ভোদর দিয়ে মাছ ধরে কোন গ্রামের ঠিকানা।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29320778 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29320778 2011-02-05 17:18:22 ভোদর দিয়ে মাছ ধরার তথ্য চাই। একবন্ধুর শখ হল ভোদর মাছ ধরা নিয়ে একটা প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে। গরীবের ঘোড়া রোগের মত অনেকটা। বেকার বন্ধুর শখ পূরণে আমরা কয়েকজন এগিয়ে আসতে চাই। এক একজন একটা দায়িত্ব নিলাম। আমি গরীব বিনামূল্যে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব নিলাম আর এই রাতদুপুরে সবজানা সামুর কাছে সাহায্য চাই। কোথায় এটা দেখতে পাওয়া যাবে এই বিষয়ে একটু আওয়াজ দেন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29319322 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29319322 2011-02-03 00:29:23 শব্দদূষণ নীরব ঘাতক, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসুন
শব্দদূষণ হলো মানষ সৃষ্ট সমস্যা। শব্দদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ গাড়ির হর্ন। এছাড়া ইটভাঙ্গার মেশিনের শব্দ ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির শব্দ, জেনারেটরের শব্দ, কলকারখানার সৃষ্ট শব্দ, মিউজিক বা মাইকের শব্দ, ট্রেনের হুইসেলের শব্দ, বিমান উড্ডয়নের শব্দসহ নানাধরণের বিকট শব্দের দ্বারা এই শব্দদূষণ তৈরি হচ্ছে।

শব্দদূষণ আমাদের জনজীবনের চলার গতিকে ব্যহত করে। শব্দদূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে- ট্রাফিক পুলিশ, গাড়ি চালক, শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা। এছাড়া সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে প্রত্যহ বাসা থেকে বাইরে বের হচ্ছে।

স¤প্রতি ভারতের পুনা শহরে এক গবেষণায় দেখা যায় ৮০% ট্রাফিক পুলিশ শব্দদূষণ এর কারণে স্বাভাবিক শ্রবণশক্তি লোপ পেয়েছে। আবার ব্যাংকক শহরের এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে, ‘এক তৃতীয়াংশ পুলিশ শ্রবণ শক্তির সমস্যায় ভুগছেন। দিনদিন আক্রান্ত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দশ বছরের উপরে কর্মরত প্রায় সব পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যেই এই সমস্যা বিদ্যমান।’ আমাদের দেশে এর কোন সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও সহজেই অনুমান করা যেতে পারে এদেশের শিশু ও পথচারীসহ আপামর জনসাধারণের শ্রবণক্ষমতা কি অবস্থায় আছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি সুপারিশ:
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতা প্রদান এবং জনগণকে শব্দদূষণ সৃষ্টিকারী গাড়ীর বিরুদ্ধে সার্জেট বা ট্রাফিক পুলিশের নিকট অভিযোগ প্রদানে উৎসাহী করা।
ক্স শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রত্যেকটি সড়কে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা ও বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ক্স গাড়ী চালকদের প্রশিক্ষণ মডিউলে শব্দদূষণ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা।
ক্স গাড়ি চালক ও গাড়ির মালিকগণকে শব্দদূষণের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবহিতকরণসহ জনসচেতনতা সৃষ্টি।
ক্স ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার নিষিদ্ধকরন সংক্রান্ত বিধান এবং শব্দদূষণ বিধিমালার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ।

আমাদের সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ শব্দদূষণকে একটি নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে নিয়ে আসবে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29270261 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29270261 2010-11-11 13:00:28
রিকশা উল্টানের নায়কটা কই আছে ? বলতে পারলে ৫০০ টাকা ........ রিকশা উল্টানের নায়কটা কই আছে ? বলতে পারলে ৫০০ টাকা..................








..................


.................

......
নিমু ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29267759 http://www.somewhereinblog.net/blog/shovan1209/29267759 2010-11-06 18:29:38