আমার প্রিয় পোস্ট

দেশটা মানুষে রক্ত দিয়ে স্বাধীন করছে কথা বলার সময় বা ফেসবুক ষ্ট্যাটাস দেবার সময় আইন অনুযায়ি চলার জন্য নয়, আঁর ষ্ট্যাটাস আঁই দিয়ুম, যেনে খুশি য়েনে দিয়ুম, আঁই কেনে ষ্ট্যাটাস দিয়ুম ইয়ান কি তুরারে কয় দন পরিবুনা !!!

শিবিরের নৃশংসতা মারুফ কি পঙ্গু হয়ে যাবে?

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

শিবির ক্যাডাররা ড্রিল মেশিন দিয়ে শরীরের হাড় ফুটো করে দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র কাজী মারুফুর রহমানকে। স্থায়ী পঙ্গুত্বের শংকা নিয়ে বর্তমানে রাজধানীর ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছাত্রলীগের এই কর্মী। তার ডান পা কেটে ফেলতে হতে পারে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা। শিবিরের এই নৃশংসতা প্রথম শুরু হয়েছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েই।
তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের মাথা ফুটো করে দেওয়া হয়েছিল সেবার। বর্তমানে তিনি অপ্রকৃতস্ট জীবনযাপন করছেন।
গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সময় শিবির ক্যাডাররা টার্গেট করে মারুফের ওপর হামলা চালায়। তার ডান পা ও বাম হাত ভেঙে দেওয়া হয়। রড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে দুই পায়ের একাধিক জায়গায় গর্ত করা হয়। ড্রিল করে ক্ষত করা হয়েছে তার দুই পায়েই। আঘাত করা হয়েছে তার মাথায়। সেখানে ৪টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ।
মারুফের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাজোটের বিজয়ের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনিই প্রথমে আবাসিক হলে ওঠেন। গত ২ জানুয়ারি মারুফ তার আবাসিক হলের (শহীদ আবদুর রব) ১১৭ নম্বর কক্ষে ওঠেন। মারুফের সাহস দেখে শিবির ক্যাডারারও তখন বিস্মিত হয়। তার ওপর হামলার উপলক্ষ খুঁজতে থাকে। গত ১৪ মে টার্গেট করে মারুফের ওপর হামলা চালায় শিবির ক্যাডারা। ছাত্রশিবিরের একক আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও হলে ওঠায় শিবির নেতাকর্মীরা মারুফকে টার্গেট করে।
এর আগে ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে শাহজালাল হলের ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদের ওপর নৃশংস হামলা চালায় শিবির। ড্রিল করা হয় তার মাথায়। ওই ঘটনায় সে সময় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তার পরিবার সহৃত্রে জানা যায়, সেই ঘটনার পর বর্তমানে আজাদ মানসিক রোগী। এছাড়া সম্প্রতি তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। আজাদের ওপর হামলার কারণও ছিল হলে ওঠা। আজাদই প্রথম কোনো নেতা, যে দলীয় কিছু নেতাকর্মী নিয়ে শাহজালাল হলে উঠেছিল।
গতকাল ট্রমা সেন্টারের ৩০২ নম্বর কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, মারুফের নিথর দেহ হাসপাতালের সাদা চাদরের ওপর পড়ে আছে। মাথার কাছেই নীরবে কাঁদছেন তার মা রওশন আরা। মারুফের পায়ের কাছে রাখা দুটি বালিশেই ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। হাত ও পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে মারুফ নিচু কণ্ঠে বলেন, ওরা (শিবির ক্যাডাররা) রুমে ঢুকেই আমার মুখে কাপড় চেপে ধরে। রুমের বাইরে কয়েকজন পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। প্রথমে আমার দু’পায়ে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। যন্ত্রণায় আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। এরপর শুরু হয় রড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে পায়ে গর্ত করা। তখন আমি প্রায় অজ্ঞান। কখন আমার মাথায় আঘাত করা হয়েছে তা মনে করতে পারছি না। মনে হচ্ছিল মৃত্যু আমাকে ডাকছে। আমার ওপর হামলার সময় ওদের কয়েকজনের হাতে ড্রিল মেশিনের মতো কিছু যন্ত্র দেখেছি।
হামলার পর মারুফকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। মেডিকেল কলেজের শিবির ক্যাডারদের প্রতিরোধের মুখে সেখানে চিকিৎসা হয়নি মারুফের। পরে তাকে চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল কোয়ালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় গত ১৭ মে তাকে ট্রমা সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। টাকা জোগাড় হওয়ার পর গত বুধবার ট্রমা সেন্টারে ৫ ঘণ্টাব্যাপী তার অস্ত্রপচার হয়। এখনও তার ডান পা দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার মা জানান, চলতি মাসেই ছেলেটার ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। টাকার জোগাড় না হওয়ায় অস্ত্রপচার করতে বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হয়। এখন পর্যন্ত আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। প্রতিদিন ৬ হাজার টাকার ইনজেকশন লাগে।
ট্রমা সেন্টারের ডাক্তার কামরুজ্জামান সমকালকে বলেন, এটি খুবই সিরিয়াস কেস। প্রাথমিকভাবে অস্ত্রপচার সফল হয়েছে। তবে এখনও সে ঝুঁকির মধ্যে আছে। তার পা কাটতে হবে কি-না এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি।
ছাত্রশিবিরের বক্তব্য : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১৪ মে মধ্যরাতে ছাত্রলীগ কর্মী মারুফের ওপর হামলাকে শিবিরের পহৃর্বপরিকল্কিপ্পত নয় বলে দাবি করেছে চবি ছাত্রশিবির। গতকাল শুত্রক্রবার শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মোঃ জাকির হোসাইন সমকালকে বলেন, কেউ যদি দেয়ালে ঘুষি মেরে হাত ফাটিয়ে দেয়ালের দোষ দেয়, তা সমর্থনযোগ্য নয়। ১৪ মে শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে ছাত্রলীগের ক্যাডাররাই। আমাদের দলীয় কর্মীরা সে হামলা প্রতিরোধ করেছে মাত্র। ১৯৯৯ সালে ছাত্রলীগ শাহজালাল হল শাখার সভাপতি আবুল কালাম আজাদের ওপর হামলার ধারাবাহিকতায় এ হামলা হলো কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে ছাত্রলীগের কোন নেতার কী হয়েছিল তা আমার জানা নাই।
ছাত্রলীগের বক্তব্য : ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন সমকালকে বলেন, মারুফ চবি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। সে রব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাকে সে রাতে অস্ত্র ঠেকিয়ে রব হলের শিবির সভাপতি নেছার ও সোহরাওয়ার্দী হলের শিবির সভাপতি মনসুরের নেতৃত্বে বহিরাগত ক্যাডাররা মারাত্বকভাবে আহত করে। এক পর্যায়ে তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। সে রব হলে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য রাজনীতি করার কারণে শিবিরের চক্ষুশহৃল হয়ে ওঠে।
সূত্র: http://www.shamokal.com/details.php?nid=114190

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিবিরের নৃশংসতাশিবিরের নৃশংসতা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৭
নর্থপোল বলেছেন: "মারুফের সাহস দেখে শিবির ক্যাডারারও তখন বিস্মিত হয়। তার ওপর হামলার উপলক্ষ খুঁজতে থাকে"...আপনার মারুফও যে ধোয়া তুলসিপাতা নন এতেই বোঝা যায়।

মারুফ, শিবির দুটোকেই মাইনাস।
২. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০১
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ৭১-এর পরাজিত সেই সব নরপশু ঘাতকদের ৩৮ বছর ধরে পয়দাকৃত বেজন্মা, এ-প্রজন্মের হিংশ্র শিবিরীয় শুকুরছানাদের কে এখনই সময় রুখে দেওয়ার.. তা না হলে দিনে আরো অনেক অনেক @ আজাদ ও @ কাজী মারুফকে তাঁদের বলি হদে হবে।


তাইতো বলি....যুদ্ধাপরাধির বিছারের সাথে সাথে শিবিরীয় শুকুরছানাদেরও একটা ব্যবস্থা করা উচিত.... যাতে এই নরপশুরা আর শাহস না পায় বাংলার কোন সন্তানের গায়ে আঘাত করতে।
৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৫
জেনন বলেছেন: নর্থপোল বলেছেন: "মারুফের সাহস দেখে শিবির ক্যাডারারও তখন বিস্মিত হয়। তার ওপর হামলার উপলক্ষ খুঁজতে থাকে"...আপনার মারুফও যে ধোয়া তুলসিপাতা নন এতেই বোঝা যায়।

মারুফ, শিবির দুটোকেই মাইনাস।

@নর্থপোল, তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন শিবিরকে তাদের কর্মকান্ড করতে বাঁধা না দিতে। শিবিরকে তাদের কর্মকান্ড থেকে প্রতিহত করতে মারুফের মতো লোকদের দরকার। কিন্তু সে একা আর কত পারবে। শিবিরকে ছড়িয়ে দিতে হবে বাংলাদেশ থেকে। তা না হলে বুঝবেন ঠেলা। যারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা তারাই বুঝে শিবিরের অপকর্ম। চট্টগ্রাম শিবিরে ভরে গেছে।
৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লিটন নামে ১৭-১৮ বছরের এক কলেজ ছাত্রের লাশ দেখেছিলাম। পাহাড়তলী কলেজের এই ছেলেটার দোষ ছিলো সে ছাত্রলীগ করতো। সারা শরীরে ড্রিল মেশিনের ফুটো নিয়ে মরেছিলো লিটন
৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৯
শওকত বলেছেন: আমি চট্টগ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা, কিন্তু তারপরও তারা (অস্থানীয় শিবির কর্মী) আমার বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়েছিলো। কি দুঃসাহস!!! আমাদের এলাকার জামাতের শ্রমিক সংগঠনের এক নেতাকে সংগঠন থেকেই বহিস্কার করা হয়েছিলো, কারণ তিনি স্থানীয় কমিশনার নির্বাচনে ছোট ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে কাজ করেছিলেন। এমনই সংগঠন- ভাইকে ভাইয়ের কাছ থেকে পৃথক করে দেয়।
৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৪
নরাধম বলেছেন:
নর্থপোল রাজাকারের বাচ্চাটাকে ব্লক করেন।


শিবির শুয়োরের বাচ্চারা যে কিরকম নৃশংস হতে পারে তা এসব কাহিনী দিয়ে বুঝা যায়। গুলি করে মেরে ফেললেও একটা কথা ছিল, এরা তা করবেনা, ড্রিল করবে সারা শরীরে। শুধুমাত্র রাজাকারের বংশদেরই এরকম বিকৃতমনের হওয়া সম্ভব।
৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৫
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: শালার ব্যাটারা প্রথমে রগকাটা শুরু করল এখন ড্রিল মেশিন, এই শালারা আর ফ্রিডম পার্টি দেশে বড় অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখায়ছিল অনেক আগে থেকে। এই জারজদের একটা একটা কইরা....
৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৬
কঁাকন বলেছেন: জামাত-শিবির বাংলাদেশের ক্যান্সার
৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৭
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন: নর্থপোল জারজটাকে লাইথাইয়া সাউথ পোল পাঠানো দরকার। কে আছেন দয়াময় ভাই পা আগান।
১০. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
আরি০০৯ বলেছেন: মার্চেন্ট অফ ড্রিম, নরাধম, আবদুর রহমান (রোমাস) এদের ভাষার ব্যবহার ই বলে দেয় এদের পরিচয়...
নরাধম এর কথা না হয় বাদ দিলাম...সে নিজেই নিজেকে মানুশ হবার অযোগ্য মনে করে ......কিন্ত বাকি গুলা ???????
এরা যেমন হিংশ্র ভাষা ব্যবহার করেছেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাতে মনে হ্য় প্রতিপক্ষের কেউ তাদের সামনে পরলে হিংশ্রতার বিশ্বরেকড গড়বে ........................এতে কোন সন্দেহ নাই ..................

আমি আশা করছি, এবং এটাই সাভাবিক তাদের দিক হতে, আমি শিবিরের পলি্টিক্স পছন্দ না করলেও তারা আমাকেও ওই একই সম্ভাসন শুরু করবে..................।
১১. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
নর্থপোল বলেছেন: আপ্নারা সবাই এত অসহনশীল কেন বুঝিনা। আমার কমেন্ট না বুঝে এত সহজে রাজাকার খেতাব দিয়ে দিলেন? আমি তো শুধু বলতে চেয়েছি আপনাদের ছাত্রলীগ ও ধোয়া তুলসিপাতা নয়। সত্যি কথা বলতে এই দেশে ছাত্র রাজনীতি করা প্রায় সবগুলাই ফাউল। সেখানে মারুফের জন্য আমার আলাদা করে কোন সমবেদনা নেই।
১২. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৭
নরাধম বলেছেন: নর্থপোল বলেছেন: আপ্নারা সবাই এত অসহনশীল কেন বুঝিনা। আমার কমেন্ট না বুঝে এত সহজে রাজাকার খেতাব দিয়ে দিলেন? আমি তো শুধু বলতে চেয়েছি আপনাদের ছাত্রলীগ ও ধোয়া তুলসিপাতা নয়। সত্যি কথা বলতে এই দেশে ছাত্র রাজনীতি করা প্রায় সবগুলাই ফাউল। সেখানে মারুফের জন্য আমার আলাদা করে কোন সমবেদনা নেই।



কেউই ছাত্রলীগকে ধোয়া তুলসীপাতা বলছেনা। কিন্তু যেখানে মারুফ নামের এক ছাত্রকে ড্রিলমেশিন দিয়ে চরম অমানবিকভাবে ড্রিল করা হয়েছে সেখানে শিবিরের নষ্টামিকে আপনি দ্ব্যর্থভাবে নিন্দা না করে মারুফকে খারাপ প্রমাণ করে শিবিরের অপরাধটাকে লাঘব করতে চেষ্টা করেছেন, যা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই নয়। অপরাধকে ডাউনপ্লে করার জন্য যার উপর অপরাধটা করা হয়েছে তার কিছু খারাপত্ব তুলে ধরাটা অনেক পুরানো টেকনিক, আপনি সেটাই প্রয়োগ করেছেন। আবার সহনশীলতার পাঠ দিচ্ছেন। সহনশীলতা মানে মেরুদন্ডহীনতা না।


আরি, আপনি শিবিরের পলিটিক্স করার কোন অধিকার নেই, জামাতেরও নেই। তারা প্রতিপক্ষ না যে তাদের বিরুদ্ধে সহনশীলতা দেখাতে হবে, তারা দেশের শত্রু, সহনশীলতা দেখানোর কোন প্রশ্নই আসেনা। যারা শিবিরের জন্য সহনশীলতার বুলি আওড়ায় তাদের কমিটমেন্ট শিবিরের প্রতি, এতে সন্দেহ নেই।
১৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২২
নর্থপোল বলেছেন: ভাইরে, আমার কমেন্টের কোন যায়গায় আমি শিবিরের প্রতি সহনশীলতা দেখালাম একটু বলবেন। আপনাদের এই এক সমস্যা, আপনাদের বিরুদ্ধে বললেই আপ্নারা রাজাকার বলে ধরে নেন। এভাবে সমস্যার সমাধান হবে না।

আমি আবারও বলছি, ছাত্রলীগ যখন শিবিরের কাছ থেকে হল দখল করে তখন আপনাদের জন্য আমার কোন সমবেদনা নেই। শিবিরের জন্য আমার ঘৃনা চিরকাল ছিল, থাকবে। কিন্তু তাই বলে আপনাদের অন্যায় আচরনও আমার কাছে অঘৃন্ন থাকবে না। সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে দেশে যে ছাত্র রাজনীতি চলছে, তাদের সবার প্রতিই আমার মাইনাস।

আর আপনি এত সহজে যেভাবে আমাকে গালি দিয়ে ফেললেন, তাতে যে যুক্তি তর্ক চলে না সেটাত মানবেন।
১৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৮
ইসানুর বলেছেন: মানুষ কিভাবে এত অমানুষ হয়? :(
১৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
দারাশিকো বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লিটন নামে ১৭-১৮ বছরের এক কলেজ ছাত্রের লাশ দেখেছিলাম। পাহাড়তলী কলেজের এই ছেলেটার দোষ ছিলো সে ছাত্রলীগ করতো। সারা শরীরে ড্রিল মেশিনের ফুটো নিয়ে মরেছিলো লিটন

পিয়াল ভাই, এই লিটন কি আগ্রাবাদ এ থাকতো?
১৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: @ নরাধম সহমত।

পাকি জারজ শিবিরকে গদাম।
১৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০১
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: নর্থপোল ভাই - আপনি বলছেন মারুফ & শিবির দুইটাইকে মাইনাস। মারুফ অন্যায় কি করেছিল হলে উথেছিল তাইতো। আপনি গালি দেন লীগকে দেন সমস্যা নাই কিন্তু একটা ছেলে হলে উঠল(হতে পারে সে লীগ করে) আর তাতেই আপনি খারাপ বলবেন। শিবিরের থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না। আপনার কমেন্টসকে ---।
লেখাটিকে +++।
১৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
রোহান বলেছেন: চট্টগ্রামে শিবির নামক ক্যান্সার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে... শিবির শুধু হত্যা করে না তারা হত্যা করে নৃশংসভাবে... তাদের এইসব হ্ত্যা কিংবা অত্যাচার এর মাঝে কিছু সাইকোলজিকাল গেম থাকে... যেমন রগ কেটে দেওয়া, ড্রিল করে ফুটো করে দেওয়া... এভাবে কত মানুষকে যে এক চট্টগ্রামেই অচল করে দেওয়া হয়েছে তার খোঁজ কি কেউ রাখে? আমরা শুধু মৃত্যুর খবর মিডিয়াতে পাই, এসব জীবন্মৃত দের খবর কি কেউ নেয়???

এই ব্লগেই তো নোমানী মরলে সবাই ওরে শহীদ মর্যাদা দেবার জন্য পোষ্টের উপর পোষ্ট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সেই সব গেলমানের দল এখন কই? আলোচনায় আসুক...

@ নর্থপোল... চট্টগ্রামে শিবিরের দখলে রাখা হলে জোর করে উঠা যে কি ভয়ংকর দু:সাহস তা যারা দেখেছে কেবল তারাই জানে... হল গুলো আর আসেপাশের মেস গুলোতে জামাত শিবিরের কি বিশাল আগ্রাসন তা বলে বোঝানো যাবে না...
২০. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
ত্রিদীব বলেছেন: আমি চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র। আমি জানি শিবির কি জিনিস। সেখানে পানি কিভাবে খাব, প্রস্রাব কিভাবে করব। ক্লাস শেষে কোন গেইট দিয়ে বের হবো, কখন কার সাথে কিভাবে কথা বলব সব তাদের নসিহত মত করতে হবে। না হলেই দেখে নেবার হুমকি দিবে।
একবার আমি তাদের মিছিলে কেন যোগ দেই নাই এই জবাব দিতে হয় তাদের রুমে গিয়ে।

আমার চাচাতো ভাইকে (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র) তারা সবার সামনে স্রেফ রড দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে রাখে রেল লাইনের ধারে। দুই নিখোজ থাকার পর তার গলিত লাশ পাওয়া যায়। ঝাউতলার কাছে।

শিবির যে কি জিনিস তা আমাদের আর জানতে বাকি নেই।

সেদিন এক জন আবার লিখলেন "নিরীহ শিবির কর্মী" আর কিছুই বলার নেই। ছাত্রলীগ ও সন্ত্রাসী তবে তারা বেজন্মা ও রাজাকারের বাচ্চা নয়। দেশ টা স্বাধীন করার সময় তাদের বুকের অনেক রক্ত ঝরেছে। তাই বলে আমি তাদের এখন কার অন্যায়কে কোন ভাবেই সমর্থন করছি না।

কিন্তু শিবির..............................
২২. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
জইন বলেছেন: রোহান ভাই ---- আজকে কেবল মন্তব্য করার সুযোগ পেলাম আর আজকেই এই লিংকটা দিলেন.........

খুব কষ্ট পেলাম......

ওরা কি মানুষ........
তাহলে কি মানুষ দুই প্রকার ১) মানুষ ২) শিবির
২৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
জইন বলেছেন: সরি মডারেটরেরা আমাকে মানা করেছেন কিন্তু আমি দুঃখিত ...... বলতে বাধ্য হচ্ছি ..... নর্থপোল একটা বেজন্মা ........ এবং তাকে ই-রাজাকারের লিস্টে নিয়ে নিলাম।

রোমাস ভাই এর পোস্টে আপডেট পাওয়া যাবে......
Click This Link
২৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২২
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: সব ভাদারা এখানে।রোমাস ভাদার মুখের ভাষা কি সুমধু, রোমাস এর ভাষা প্রয়গই বলে দেয় এর পরিচয় এর জন্ম আর এর বেরে উঠা...
চিটাগংগে ছাতুলীগ ধোয়া তুলসি পাতা তাই না লেখক? আপনার পড়া লিখা করা হয়- ওমর গণি এম ই এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। ঐ কলেজের ছাতুলীগের কোন পর্যায়ের নেতা আপনি? কোন গুরপ করেন আ জ ম নাছির গ্রুপ না মেয়র গ্রুপ?
০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: @জেনারেশন৭৫, সমস্যা কি আপনার???

২৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
জেনন বলেছেন: @ নর্থপোল, তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন শিবিরকে তাদের মতো কাজ করে যেতে!!!! মারুফ কি তাহলে শিবির করে হলে উঠে যেতো। হলে থাকার কি তার অধিকার নেই।
জানি আপনি শিবির বিরোধী......... কিন্তু তাদের সন্ত্রাসী কর্ম কান্ড চলতে দেয়া যায় না।
আপনার হলের সীট দরকার হলে, আপনি শিবির বিদ্বেষী হয়েও শিবির করতেন আপনার বিবেককে জলান্জলী দিয়ে......... এই যদি হতো সবার বিবেক তাহলে বাংলাদেশ আজকে আফগানিস্তানের পরিনতি বয়ে বেরাতো। ভাগ্যিস বাংলাদেশে এখনো প্রতিবাদী মাুখ আছে।
২৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: @ত্রিদীব আপনাদের সংগঠন ছাতুলীগে কি বাংলার মানুষ এখন হারে হারে টের পাচ্ছে।
২৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
রোহান বলেছেন: আরে ভাদা বিশেষজ্ঞ ভচ দেখি... ছাত্রলীগ তো আর ব্লগে ব্লগে নিজেগো ধোয়া তূলসী পরমান কইরা বেড়ায় না ;) মাগার নুমানী মইরলে বেবাকতে কয় ছহীদ নুমানী মইরা গেলমানগো ভোগ করতে গেছে...ছিবির নিরীহ প্রাণী, উনারা কারও সাথে কুনো ঝামেলায় নাইক্কা... নাদান পোলাডিরে নাকি মাইনসে এম্নি এম্নি পিডায়... ছিবিরের আসল রূপ দেখতে হলে চিটাগং আইসেন ভচ ;)
২৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: @জেনন চট্রগ্রামের মানুষ জানে ছাতুলীগে কি জিনিয।
২৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: @রোহান ভাদা সেকরেটরি: চিটাগং কি আর ছাতুলীগে কিতা ভালই জানি। পড়াশুনা আমার চিটাগং এ....
৩০. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
জেনন বলেছেন: @জেনারেশন৭৫, আমি ছাত্রলীগের জয়গান গাইতেছিনা। আমি শিবিরের কর্মকান্ডকে ঘৃণা করি। পারলে মন চাই লাঠি মারতে।
৩১. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
রোহান বলেছেন: জেনন বলেছেন: @জেনারেশন৭৫, আমি ছাত্রলীগের জয়গান গাইতেছিনা। আমি শিবিরের কর্মকান্ডকে ঘৃণা করি।

ভাদা ভচ না বুইঝাই ফাল পাড়তাছে... আরে ভাই ছাত্রলীগের সমালোচনা করতে হলে করেন কিন্তু শিবির রে মিথ্যা মিথ্যি ভালো দেখায়া লাভ কি??? ছাত্রলীগরে আমরা সবাই খারাপ বলি, আপনে আগে জবাব দেন শিবিরের অপকর্ম আছে কি নেই?

এইখানে তো বলা হইতাচে না ছাত্রলীগ ভালো... বলা হইতাছে শিবিরের নৃশংসতার গল্প... বলে হচ্ছে এজন্য যে শিবির কথায় কথায় বলে যে তারা দুধে ধোয়া তুলশি পাতা.. তারা নাদান মোছলমান... আহারে ড্রিল মেশিন আর একে ৪৭ হাতে নাদান মোষলমান... ৭৫ এ রক্ষী বাহিনীর ডলা খাইছেন ভালো কথা তাই বলে ৭১ এর সাপোর্টারকে ভালো বলতে হবে? দরকার হলে দুজনেরই সমালোচনা করেন, কিন্তু একজনকে সমালোচিত করতে আরেকজনকে মাথায় তোলার কি দরকার???
৩২. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
আরি০০৯ বলেছেন: অদ্ভুত, আজগুবি সব মন্তব্য.।.।.।.।.।.।.।
পড়ে মনে হয় না এরা কেউ ভাসিটি কলেজের ছাত্র.।.।.।.।.।.।.।.।
বাস্তবতা হল.।.।.।.।.।.।.।.।ক্যাম্পাস কে সব ধরনের প্রসাশনিক পক্ষপাতিত্ত থেকে মুক্ত করুন, অস্ত্রের ঝনঝনানি থেকে মুক্ত করুন, পুলিশ কে নিরপেক্ষ করুন তারপর ছাত্ররাজনীতি চলতে দিন তখন দেখা যাবে কারা বেশি দেশপ্রেমিক, সভ্য-শুশীল,কার কত বেশি সমর্থন।
সবচেয়ে মজা পেতাম যদি শিবিরের ছেলেরা এদের মত খিস্তি খেউর( এদের কাছে অবশ্য এগুলোই শুশীল কথা, কথাই ত আছে ব্রিক্ষ তুমি ফলে পরিচয়, আর বচনে তব খান্দান!! )আউরাতে পারত, কিন্ত যতদুর জানি শিবিরের ছেলেরা ইনাদের মত অতখানি সভ্য(??!!) ভাষা ব্যবহার করতে জানে না

নর্থপোল কে ধন্যবাদ.।
শিবিরের জন্য আমার যদি আমার ঘৃনা থাকা উচিত তবে অন্যদের বেলায় তা থাকবে না কেন ? অন্তত যেখানে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের হাতও অগনিত ছাত্র জনতার রক্তে রঞ্জিত। শিবির মানুষ খুন করলে ধিক্কার দিব আর ছাত্রলীগ করলে বাহবা, এমন সভ্য আপনারা হতে পারেন, দুঃখিত আমি নই ।
সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে দেশে যে ছাত্র রাজনীতি চলছে, তাদের সবার প্রতিই আমারও বিগ মাইনাস।
৩৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪১
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: নর্থপোলকে ++++। লীগকে ---- এবং শীবিরকে ------------------------

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি,ফ্যামিলি নেম-আলী, বয়সটা-এক কুড়ি চার 24,

ঠিকানা আমার-পশ্চিম গোসাইল ডাঙ্গা,
বন্দর,চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।

পড়ি- বি.এ.
পড়া হয়- ওমর গণি এম ই এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ