আমার প্রিয় পোস্ট

শিক্ষা হল পরশ পাথর-রবী ঠাকুর

মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি : ৫৫ জনের বয়স একাত্তরে ছিল ১০ বছরের নিচে

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সম্প্রতি চাকরি পাওয়া ১২৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৫৫ জনেরই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বয়স ছিল ১০ বছরের নিচে। এদের মধ্যে ২ জনের বয়স ছিল ৫ বছর, ৯ জনের ৬ বছর, ১৬ জনের ৭ বছর, ১১ জনের ৮ বছর এবং ১৫ জনের ৯ বছর। এছাড়া ১০ বছর বয়সী ৯ জনও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দাবি করে প্রথম শ্রেণীর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ বাগিয়ে নিয়েছেন। ৫ বছর বয়সী শিশু কি করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিল এবং ওই দাবি মেনে নিয়ে সরকার কি করে তাদের চাকরি পাইয়ে
দিল—এটি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সচিবালয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১ নভেম্বর বরগুনার পাথরঘাটায় সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয় স্বপন কুমার দেকে। আবেদনপত্র ও সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৮ এপ্রিল ১৯৬৬। একইভাবে মাদারীপুরের আবুল হোসেন তার জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১১ নভেম্বর ১৯৬৬। তাকে মাগুরার শালিখায় সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ জন্মতারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ১৪ দিন।

১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন যেসব ৬ বছরের শিশুকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।

১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।

১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)।

মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সে সময়কার শিশুদেরই শুধু চাকরি দেয়া হয়নি, এমন ৩ জনকে চাকরি দেয়া হয়েছে যাদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে সাড়ে ৩ মাস থেকে ১ বছর। এমন একজন পটুয়াখালীর বাউফল থানার মৃত আবদুল আজিজ শিকদারের ছেলে জস্লরুল ইসলাম। তিনি ১৯৫৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স (১ নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত) ৫৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন। সরকারি চাকরির বয়সসীমা (৫৭ বছর) অনুযায়ী তিনি মাত্র সাড়ে ৩ মাস চাকরি করার সুযোগ পাবেন। ঢাকার ধামরাইয়ের জাহাঙ্গীর আলম জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ নভেম্বর ১৯৫৩ সালে। এ জন্মতারিখ হিসাবে তিনি ১ বছর ২৪ দিন চাকরি করার সুযোগ পাবেন। টাঙ্গাইলের আবুল হোসেন তার আবেদনপত্রে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৫৩ সালের ১ আগসল্ট। সে অনুযায়ী তিনি চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৯ মাস।

১ নভেম্বর যে ১২৪ জনকে সাব-রেজিসল্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৮ জন কুড়িগ্রামের, ১৩ জন বরিশালের, ১২ জন টাঙ্গাইলের, ৮ জন রংপুরের, ৭ জন কুড়িগ্রামের, ৫ জন ঢাকার, ৪ জন করে গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরগুনার, ৩ জন করে গাজীপুর, কুমিল্লা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের, ২ জন করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, রাজশাহী, নীলফামারী, লালমনিরহাট, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী ও ভোলার। মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার একজন করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব বলেন, ৫ বছরের শিশুকে কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার কোনো শিশুকে চাকরি দিয়ে থাকলে শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ভারত  বিভাগে ।

 

১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬
সুধাসদন বলেছেন: প্রথম শ্রেণীর চাকরি পেল একাত্তরের শিশু! : ভানুমতির খেল চলছে প্রশাসনে
পৌরাণিক উপাখ্যানে বর্ণিত দৈব ঘটনা ছাড়া চার-পাঁচ বছরের কোনো শিশুর রাজকার্য তথা সরকারি দায়িত্ব পালন করার নজির নেই। এ বয়সে একটি শিশু অ আ ক খ শেখার চেষ্টা শুরু করে। বড়জোর মা-বাবার হাত ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। অথচ সেই চিরায়ত জৈবিক সত্যকেও এবার পাল্টে ফেলা হয়েছে। স্বয়ং আইন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ ধরনের এক আশ্চর্য উপাখ্যানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জানা গেছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল মাত্র চার বছর সাড়ে চার মাস, তাকেও মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এই তালিকায় নাম লিখিয়ে প্রথম শ্রেণীর পদে চাকরি পেয়েছেন এমন লোক, যিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন! শৈশবে সরকারি চাকরি এবং অবিশ্বাস্য কম বয়সে ডিগ্রি অর্জন নিয়ে স্বভাবতই নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ৩৮ বছর পরও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের সরকারি তালিকা শেষ হয়নি। অর্থাত্ এখনও নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে এই তালিকায়। এদিকে এতে নাম লেখানো নিয়ে চলছে ভানুমতির খেল, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য। এর আগে তালিকাভুক্ত যে ১২৬ জনকে গত ৭ নভেম্বর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা নিয়েই দেখা দিয়েছে নানা সংশয়। এই নিয়োগের পরই বেরিয়ে এসেছে থলের বেড়াল। প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের মধ্যে এমন দুজন রয়েছেন ১৯৭১ সালে যাদের একজনের বয়স ছিল ৪ বছর সাড়ে ৪ মাস এবং অপরজনের ৫ বছর ৭ মাস ১৩ দিন। এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে এবং পদায়নের সময় ভালো জায়গায় পোসিল্টং পেতে আইন মন্ত্রণালয়ে মোটা দাগের অর্থ-স্বার্থের বিনিময় হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কেন এবার আলোচ্য তালিকা অনুযায়ী সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগে অতীতের নিয়ম-কানুন মানা হলো না। নিয়ম অনুযায়ী এ পদে যোগদান করতে হলে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। অথচ পরীক্ষা ছাড়াই ৪০ কার্যদিবস প্রশিক্ষণের রেওয়াজ ভেঙে মাত্র ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্স করিয়ে পদায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও ঘটেছে অঞ্চলপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতির ঘটনা। জানা গেছে, যে ১২৬ জন সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদান করেছেন তাদের মধ্যে ২১ জনই কুড়িগ্রাম জেলার। এর নেপথ্যে ছিলেন জনৈক কুড়িগ্রামবাসী পদস্থ কর্মকর্তা। এতসব ঘটনার পর তার ফলাফল যে উত্তম হবে না তা সহজেই বোধগম্য। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনেকে সাব-রেজিসল্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভাগীয় কাজের গতি এবং দক্ষতা কমে যাওয়ার ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে আশির দশকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে যোগদানকারীদের বেলায়ও সংশ্লিষ্ট অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হচ্ছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল চার-পাঁচ বছর সে শিশু মুজিবনগর সরকারের কোন পদে যোগ দিয়েছিল? রেজিসেল্ট্রশন অধিদফতরের জনৈক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালিকা অনুসারে তারা প্রায় সবাই চাকরি করেছেন ইনফরমার হিসেবে। এ ধরনের তথ্য দেয়ার পর আর বলার অবকাশ থাকে না যে, ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।’ এদিকে বর্তমানে সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের অনেকেই অবিশ্বাস্য রকমের কম বয়সে অর্থাত্ মাত্র ২০ বছর বয়সে কী করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পেলেন তাও রীতিমত বিস্ময়কর। এসব তথ্য থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা প্রণয়নে নীতি-নিয়মের নিকুচি করা হয়েছে। চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে তারই পুনরাবৃত্তি। প্রশাসনের রন্ব্দ্রে রন্ব্দ্রে যে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এ ঘটনা তারই আরেকটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

অর্থ-স্বার্থের বিনিময়ে এ ধরনের জাল-জালিয়াতি আমাদের দেশে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এমনকি ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজ পাল্টে ফেলার মতো ঘটনাও অহরহই ঘটছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও মিথ্যার বেসাতি কম হয়নি। আমরা মনে করি, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা ও পদায়ন নিয়ে এ ধরনের জালিয়াতি সে সময়ে যারা সেখানে আসলেই কর্মরত ছিলেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে অপদস্থ করার শামিল। এ ব্যাপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে—এটাই কাম্য।
২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০০
ধীবর বলেছেন: আরে ভাই, আওয়ামী লিগ যা করে সবই স্বাধীনতার চেতনা প্রসুত। তাই তাদের বিরোধীতা করে যুদ্ধাপরাধীরা। লেখক ভাই, খামাখো ট্যাগিং এ পড়ছেন। আঃ লিগ যাই করে, তাই হালাল মনে করে মেনে নিন।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আওয়ামী চেতনার সংজ্ঞা

৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
জর্জিস বলেছেন: ধীবর বলেছেন: আরে ভাই, আওয়ামী লিগ যা করে সবই স্বাধীনতার চেতনা প্রসুত। তাই তাদের বিরোধীতা করে যুদ্ধাপরাধীরা। লেখক ভাই, খামাখো ট্যাগিং এ পড়ছেন। আঃ লিগ যাই করে, তাই হালাল মনে করে মেনে নিন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৫৮৭৮ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ