আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলাদেশ শব্দটায় এত এলার্জি থাকলে দেশটার নামও পরিবর্তন করে দিক.... - ত্রিভুজ
- আমরা আইনের শাসন চাই না, আওয়ামী লীগের শাসন চাই..................... - আলআমীন নব্বই
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে - বদরুদ্দীন উমর - গুগল'
- এ পর্যন্ত সারা দেশে হরতাল করে আওয়ামী লীগ ৮৪ শতাংশ এবং বিএনপি ১৬ শতাংশ। - উপরঅলা
- নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়েও আওয়ামী লীগের ২৫ নেতা পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে হাত মেলান
- সাত্ত্বিক
- আমার দেশ-এর টার্নিং পয়েন্ট : প্রকাশনা নিষিদ্ধ - ইবনে সালাম
- ইতিহাসের ভুল পাঠ : কার নেতৃত্বে গঠিত হয় আওয়ামী লীগ? মাওলানা ভাসানী নাকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান? - মিরাজ
- আইন অনুযায়ী আমার দেশ বন্ধ হয়েছে ? - আশরাফ রহমান
- ডিজিটাল ফ্যাসিবাদ : ফরহাদ মজহার - শব্দরূপ
- বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জরুরী বিষয়ঃ ইউন্ডোজ ভিসতা ও ইউন্ডোজ সেভেন জেনুইন করা। - আজম মাহমুদ
- হরতাল : ২০ বছরে আ’লীগের তিন শতাধিক, বিএনপি জামায়াতের ৫৯ - সুধাসদন
- আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল রাজাকার পরিবারের সদস্য : একাত্তরে বড় ভাইয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন - তাজ উদ্দীন সুমন
- ব্রক্ষ্মপুত্র নদের তিব্বত অংশে বাঁধ নির্মাণ করবে চীন : মরুভূমিতে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ - দোয়েল_পাখি
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানীদের আস্থাভাজন এমএনএ ছিলেন সাজেদা চৌধুরীও - ইবনে সালাম
- হরতাল নিয়ে সাজেদা ও সাহারার প্রলাপোক্তি - ইবনে সালাম
- যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে শেখ মুজিব - সুধাসদন
- মা দিবস ই-বুক - "মমতাময়ী" - ~স্বপ্নজয়~
- ৭১ এ আলীগের ২৫ জন সংসদ সদস্য স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন। - বিশ্ব শান্তি
- আওয়ামী লীগেও ছিল যুদ্ধাপরাধী! সেই তালিকা তৈরি করছে জামায়াত - বিশ্ব শান্তি
- লজ্জিত নই - ফারজানা মাহবুবা
- দুই রাজাকার : নুরু মিয়া উধাও, মুসা বিন শমশের আকস্মিক 'মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক'! - ফিউশন ফাইভ
- ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ(তৃতীয় পর্ব) - আইয়ুব ০৯
- দুর্লভ ছবিঃ সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ - বরুড়া
- ৭৫ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে মেরে ফেলল যুবলীগ নেতা - হৃদয়ে বাংলাদেশ
- রাজাকারের তালিকা করে জেলায় জেলায় টাঙিয়ে দিন, জনগণ দেখবে কতজন আওয়ামী লীগের, কতজন মুসলিম লীগের, কতজন জামায়াতের ছিল ??? - ঠোঁটকাঁটা
- মুজিব বাহিনী-রক্ষীবাহিনী : বাঙালির বিচ্ছিন্নতার প্রথম ধাপ - ইবনুস সাবীল
- মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হয়েও যুদ্ধাপরাধী! (আওয়ামী বিরোধীতার ফল?) - অন্তীম
- আওয়ামী লীগ কেবল মুক্তিযোদ্ধাদের দল নয়, যুদ্ধাপরাধীদেরও ! - সুধাসদন
- প্রসংগ যুদ্ধাপরাধের বিচার ঃ বেয়াই মোশাররফ ও মুসা কি আসলেই রাজাকার ছিলেন ? - টুটুল বরকত
- শিবির সিন্ড্রোম-সৈয়দ আশরাফের কোবতে - লালসালু
- ইডেন কলেজে ছাত্রীদের দিয়ে ছাত্রলীগের রমরমা দেহ ব্যবসা: (জোরসে বল 'জয়.....') - ডান্ডা মারি ঠান্ডা করি
- Zekr : শক্তিশালী কুরআন সফটওয়্যার ও তার বাংলা এক্সটেনশন : ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি - ইঊসুফ সুলতান
- ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি - ফিউশন ফাইভ
- এবারের টার্গেট কি পুলিশ প্রতিষ্ঠান ধ্বংস? - নিউজকাস্টার
- ভাষা আন্দোলনে শেখ মুজিবের তেমন কোনো অবদান নেই : ক্ষমতাকেন্দ্রিক তত্পরতায় তিনি সক্রিয় ছিলেন - সুধাসদন
- মুজিব শাসনামলে ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধী নেতাদের ছাড়া হয়েছিল বামপন্থিদের ঠেকানোর জন্য!! - টিংটিং
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষীবাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-২) - সুধাসদন
- পীস কমিটির কনভেনর বা প্রধান কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী খাজা খায়েরুদ্দিনকে মুক্তি দিয়েছিল শেখ মুজিব!! - টিংটিং
- রাজাকারের লিস্টি, নাকি ভাওতাবাজীর অনাসৃষ্টি!! দালাল আইন (রহিতকরন) আইন,১৯৭৫ বাতিল হতে যাচ্ছে, সেই তথাকথিত ১১০০০ কে কি আটক করা হবে না!! (১৮++) - টিংটিং
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- একটি মৃত মানুষ নিয়ে অহেতুক টানা হেচড়া- বইয়ের মোড়ক উন্মোচনকালে অভিমত - শিরোনামহীন..........
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-৩ (শেষ পর্ব) - চিন্তিত দার্শনিক
- সাহসী ৫ সূর্যের উপাখ্যান - সুন্দর সমর
- আল বিরুনীঃ বিজ্ঞান যাঁর কাছ হতে পেয়েছিল গণিত ব্যবহারের হাতিয়ার - তায়েফ আহমাদ
- মূখ্যমন্ত্রী হাসিনা ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবেন নাতো বাংলাদেশের উপকার করবেন? চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ আর আমাদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সমীকরণ এবং আওয়ামীলীগ-ভারত সম্পর্ক - ইউনুস খান
- হাসিনা তনয় জয়ের mvion Inc. এবং novabd এর পতন কাহিনী!! - টিংটিং
- ভারতের তারা টিভিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পদদলিত ! সরকারের ব্যবস্থা কি ? - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ক্ষমতাসীনরা অসত্যের পাহাড় বানাচ্ছেন : বিপদ বাড়ছে গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের - নিউজকাস্টার
- আপচুচ
পুরা আ'লীগ টায় নব্য রেজাকারে ভইরা গেলো
। সত্য ঘটনা অবলম্বনে। - কৌতুহলি ব্লগার
- সরকার ও আওয়ামী লীগের বর্ষসেরা ১১ নিকৃষ্ট কাজ এবং অন্যান্য তালিকা - ফিউশন ফাইভ
- বিশ্লেষণ: যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রাজাকার মূক্ত জামাত - ওরাকল
- আল মাহমুদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে বালেগ হয়ে আসা জরুরি! - ফিউশন ফাইভ
- আওয়ামীলীগ যে কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেনা - চাষী
- এ পথ ছেড়ে দিন শেখ হাসিনা, এ পথে মারাত্মক বিপদ - অারমান
- নামকরণ-০১ নামকরণ আর নামবদলের রাজনীতি - সায়েমুজজ্জামান
- মহারাণী শেখ হাসিনার রাজ্যে বাংলাদেশ আজ 'শেখ'ময়! - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বিশাল বিনিয়োগ নিয়েও আমারব্লগের ত্রাহিদশা, সাইবার অপরাধের অভিযোগ - ফিউশন ফাইভ
- নাস্তিকের ধর্মচর্চা ও আস্তিকের মূর্খতা - ত্রিভুজ
- স্পেনের কিছু ইতিহাস, মুর মুসলিমদের সভ্যতা, উথ্থান/পতন এবং একটি পেন্ডিং এপোলজি - উম্মু আবদুল্লাহ
- ছিঃ আমাদের কি লজ্জ্বা করেনা?

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলের জীবন কাটে চায়ের দোকানের পানি টেনে - লাল সাগর
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- বাংলাদেশে বিপন্ন মানব অধিকার: শফিক রেহমান - পাকন
- আওয়ামিলীগ সরকার: of the আওয়ামিলীগার, by the বাংলাদেশী, for the ভারত ! - পাললিক মন
- র' থেকে এফবিআই : বাংলাদেশের ভেতরে সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রীয় গুণ্ডামির ধারাবিবরণী - ফিউশন ফাইভ
তৈরী করুন আপনার পছন্দের এনিমেটেড বাংলা শব্দ
- নিরব হাসি
- সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ভারতীয় আগ্রাসন কোন জুজু নয়, বাস্তব সত্য। - ধীবর
- একটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকীয়ঃ ঐতিহাসিক নবযাত্রা [১৬ আগষ্ট ১৯৭৫] - ব্রাইটসেন্ট্রাল
- দর্জি বাবার পদ্মভূষণ পুরস্কার মনে করিয়ে দিলো ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার! - হরিসূধন
- আসুন আজ আমরা "গ্রেট ব্রিটেন" এর খুন এবং ধর্ষনের পরিসংখ্যান জানি

- কঠিন চিজ
- চুক্তির দিনই ভারত বেরুবাড়ির মালিক হয়েছে- বাংলাদেশ আজও পায়নি তিন বিঘা ।১৬২ ছিটমহল মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৬ মাসের মধ্যে বিনিময়ের কথা থাকলেও ৩৫ বছরেও হয়নি - কালোজাম
- ফারাক্কা বাঁধ : ভাসানীর লংমার্চ ও ইন্দিরা সাথে পত্রালাপ - আশরাফ রহমান
- ট্রানজিটের বিরুদ্ধে কথা বলায় ভারতের ভিসা পেলেন না ডা. জাফরুল্লাহ - সুধাসদন
- ’৭২-এর সংবিধান দিয়ে আজকের বাংলাদেশ চালানো সম্ভব নয় : আ স ম রব - সুধাসদন
- ’৭১-এর সাড়ে ৪ বছরের শিশু পেল প্রথম শ্রেণীর চাকরি : আরও ২৮ জনের যোগদান প্রক্রিয়া চূড়ান্ত - নিউজকাস্টার
- থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ছে- মুজিব বিরোধী ইনু-মেননরাও শেখ হাসিনার মিত্র হয়েছেন - আবুল কালাম
- ৭২’র সংবিধানে ফিরে যাওয়ার সরকারী উদ্যোগ : কে,কী বলেন - নিউজকাস্টার
- বঙ্গবন্ধু জুমার নামাজের খুতবায়ও নাজিল হতে যাচ্ছেন !!! - নিরপেক্ষ চিন্তা
- ৯ মাসে ৩৩৮ নারী ও শিশু ধর্ষণ: ধর্ষণের পর ৫০ জন নারী ও ২২ শিশুকে হত্যা! - ফারজান কাদের
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) রিপোস্ট - সাদাত হাসান
- বীজগনিতের জনক আল খাওয়ারিজমী: জীবন যখন কর্মময় - উম্মু আবদুল্লাহ
- শেখ মুজিবকে বঙ্গশত্রু উপাধি দিয়েছিলেন মতিয়া চৌধুরী - সুধাসদন
- বঙ্গবন্ধুর নাতি-নাতনিও এসএসএফের সুরক্ষা ও বাড়ি পাচ্ছেন ! - সুধাসদন
- প্রধানমন্ত্রীর সংবিধান লংঘন: আমরা এই সব মিথ্যুকদেরই ভোট দিয়েছিলাম - আবু সাঈদ আহমেদ
-
পুরুষ মাতা, গর্ভ টু-লেট বনাম পাশ্চাত্য সভ্যতার বিকৃত অবয়ব 

- কালের শপথ
- এখনে এতো ভারত বিরোধী মন্তব্য কেন??? ভারত কি সত্যিই এতো খারাপ দেশ? - কিছুকিছু
- আ.লীগ বিএনপি'র খেলা দর্শক মাওলানা ভাসানী,বীরশ্রেষ্ঠ রহুল আমীন, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান!! - স্বপ্ন ব্যাকরণ
- ১৯৭২-৭৫ মুজিব সরকারের আমলেই যুদ্ধাপরাধীদের অনেককেই ছেড়ে দিয়ে দেশ গড়ার আহবান জানানো হয়েছিল! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- ইজরাইলকে যে কারণে ভেঙ্গে দেওয়া দরকার। বিজ্ঞানী জন হারটুঙ্গ-এর তত্ত্ব। - ইমন জুবায়ের
মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি : ৫৫ জনের বয়স একাত্তরে ছিল ১০ বছরের নিচে
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সম্প্রতি চাকরি পাওয়া ১২৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৫৫ জনেরই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বয়স ছিল ১০ বছরের নিচে। এদের মধ্যে ২ জনের বয়স ছিল ৫ বছর, ৯ জনের ৬ বছর, ১৬ জনের ৭ বছর, ১১ জনের ৮ বছর এবং ১৫ জনের ৯ বছর। এছাড়া ১০ বছর বয়সী ৯ জনও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দাবি করে প্রথম শ্রেণীর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ বাগিয়ে নিয়েছেন। ৫ বছর বয়সী শিশু কি করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিল এবং ওই দাবি মেনে নিয়ে সরকার কি করে তাদের চাকরি পাইয়ে
দিল—এটি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সচিবালয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১ নভেম্বর বরগুনার পাথরঘাটায় সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয় স্বপন কুমার দেকে। আবেদনপত্র ও সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৮ এপ্রিল ১৯৬৬। একইভাবে মাদারীপুরের আবুল হোসেন তার জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১১ নভেম্বর ১৯৬৬। তাকে মাগুরার শালিখায় সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ জন্মতারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ১৪ দিন।
১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন যেসব ৬ বছরের শিশুকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।
১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।
১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)।
মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সে সময়কার শিশুদেরই শুধু চাকরি দেয়া হয়নি, এমন ৩ জনকে চাকরি দেয়া হয়েছে যাদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে সাড়ে ৩ মাস থেকে ১ বছর। এমন একজন পটুয়াখালীর বাউফল থানার মৃত আবদুল আজিজ শিকদারের ছেলে জস্লরুল ইসলাম। তিনি ১৯৫৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স (১ নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত) ৫৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন। সরকারি চাকরির বয়সসীমা (৫৭ বছর) অনুযায়ী তিনি মাত্র সাড়ে ৩ মাস চাকরি করার সুযোগ পাবেন। ঢাকার ধামরাইয়ের জাহাঙ্গীর আলম জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ নভেম্বর ১৯৫৩ সালে। এ জন্মতারিখ হিসাবে তিনি ১ বছর ২৪ দিন চাকরি করার সুযোগ পাবেন। টাঙ্গাইলের আবুল হোসেন তার আবেদনপত্রে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৫৩ সালের ১ আগসল্ট। সে অনুযায়ী তিনি চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৯ মাস।
১ নভেম্বর যে ১২৪ জনকে সাব-রেজিসল্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৮ জন কুড়িগ্রামের, ১৩ জন বরিশালের, ১২ জন টাঙ্গাইলের, ৮ জন রংপুরের, ৭ জন কুড়িগ্রামের, ৫ জন ঢাকার, ৪ জন করে গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরগুনার, ৩ জন করে গাজীপুর, কুমিল্লা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের, ২ জন করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, রাজশাহী, নীলফামারী, লালমনিরহাট, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী ও ভোলার। মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার একজন করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব বলেন, ৫ বছরের শিশুকে কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার কোনো শিশুকে চাকরি দিয়ে থাকলে শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছে।
Click This Link
প্রকাশ করা হয়েছে: ভারত বিভাগে ।
ধীবর বলেছেন:
আরে ভাই, আওয়ামী লিগ যা করে সবই স্বাধীনতার চেতনা প্রসুত। তাই তাদের বিরোধীতা করে যুদ্ধাপরাধীরা। লেখক ভাই, খামাখো ট্যাগিং এ পড়ছেন। আঃ লিগ যাই করে, তাই হালাল মনে করে মেনে নিন।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আওয়ামী চেতনার সংজ্ঞা
জর্জিস বলেছেন:
ধীবর বলেছেন: আরে ভাই, আওয়ামী লিগ যা করে সবই স্বাধীনতার চেতনা প্রসুত। তাই তাদের বিরোধীতা করে যুদ্ধাপরাধীরা। লেখক ভাই, খামাখো ট্যাগিং এ পড়ছেন। আঃ লিগ যাই করে, তাই হালাল মনে করে মেনে নিন।
















পৌরাণিক উপাখ্যানে বর্ণিত দৈব ঘটনা ছাড়া চার-পাঁচ বছরের কোনো শিশুর রাজকার্য তথা সরকারি দায়িত্ব পালন করার নজির নেই। এ বয়সে একটি শিশু অ আ ক খ শেখার চেষ্টা শুরু করে। বড়জোর মা-বাবার হাত ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। অথচ সেই চিরায়ত জৈবিক সত্যকেও এবার পাল্টে ফেলা হয়েছে। স্বয়ং আইন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ ধরনের এক আশ্চর্য উপাখ্যানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জানা গেছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল মাত্র চার বছর সাড়ে চার মাস, তাকেও মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এই তালিকায় নাম লিখিয়ে প্রথম শ্রেণীর পদে চাকরি পেয়েছেন এমন লোক, যিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন! শৈশবে সরকারি চাকরি এবং অবিশ্বাস্য কম বয়সে ডিগ্রি অর্জন নিয়ে স্বভাবতই নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ৩৮ বছর পরও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের সরকারি তালিকা শেষ হয়নি। অর্থাত্ এখনও নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে এই তালিকায়। এদিকে এতে নাম লেখানো নিয়ে চলছে ভানুমতির খেল, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য। এর আগে তালিকাভুক্ত যে ১২৬ জনকে গত ৭ নভেম্বর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা নিয়েই দেখা দিয়েছে নানা সংশয়। এই নিয়োগের পরই বেরিয়ে এসেছে থলের বেড়াল। প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের মধ্যে এমন দুজন রয়েছেন ১৯৭১ সালে যাদের একজনের বয়স ছিল ৪ বছর সাড়ে ৪ মাস এবং অপরজনের ৫ বছর ৭ মাস ১৩ দিন। এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে এবং পদায়নের সময় ভালো জায়গায় পোসিল্টং পেতে আইন মন্ত্রণালয়ে মোটা দাগের অর্থ-স্বার্থের বিনিময় হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কেন এবার আলোচ্য তালিকা অনুযায়ী সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগে অতীতের নিয়ম-কানুন মানা হলো না। নিয়ম অনুযায়ী এ পদে যোগদান করতে হলে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। অথচ পরীক্ষা ছাড়াই ৪০ কার্যদিবস প্রশিক্ষণের রেওয়াজ ভেঙে মাত্র ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্স করিয়ে পদায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও ঘটেছে অঞ্চলপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতির ঘটনা। জানা গেছে, যে ১২৬ জন সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদান করেছেন তাদের মধ্যে ২১ জনই কুড়িগ্রাম জেলার। এর নেপথ্যে ছিলেন জনৈক কুড়িগ্রামবাসী পদস্থ কর্মকর্তা। এতসব ঘটনার পর তার ফলাফল যে উত্তম হবে না তা সহজেই বোধগম্য। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনেকে সাব-রেজিসল্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভাগীয় কাজের গতি এবং দক্ষতা কমে যাওয়ার ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে আশির দশকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে যোগদানকারীদের বেলায়ও সংশ্লিষ্ট অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হচ্ছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল চার-পাঁচ বছর সে শিশু মুজিবনগর সরকারের কোন পদে যোগ দিয়েছিল? রেজিসেল্ট্রশন অধিদফতরের জনৈক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালিকা অনুসারে তারা প্রায় সবাই চাকরি করেছেন ইনফরমার হিসেবে। এ ধরনের তথ্য দেয়ার পর আর বলার অবকাশ থাকে না যে, ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।’ এদিকে বর্তমানে সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের অনেকেই অবিশ্বাস্য রকমের কম বয়সে অর্থাত্ মাত্র ২০ বছর বয়সে কী করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পেলেন তাও রীতিমত বিস্ময়কর। এসব তথ্য থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা প্রণয়নে নীতি-নিয়মের নিকুচি করা হয়েছে। চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে তারই পুনরাবৃত্তি। প্রশাসনের রন্ব্দ্রে রন্ব্দ্রে যে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এ ঘটনা তারই আরেকটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
অর্থ-স্বার্থের বিনিময়ে এ ধরনের জাল-জালিয়াতি আমাদের দেশে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এমনকি ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজ পাল্টে ফেলার মতো ঘটনাও অহরহই ঘটছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও মিথ্যার বেসাতি কম হয়নি। আমরা মনে করি, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা ও পদায়ন নিয়ে এ ধরনের জালিয়াতি সে সময়ে যারা সেখানে আসলেই কর্মরত ছিলেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে অপদস্থ করার শামিল। এ ব্যাপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে—এটাই কাম্য।