জুনিয়ার ক্লাস ফ্রেন্ডের মাধ্যমে প্রথম আমন্ত্রনটা এসেছিল।ভাইয়া,ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংস খেয়েছেন ?খেয়ে দেখবেন ...জোশ।
তারপর ঠাটারি বাজার কসাই খানায় ব্ল্যাক বেঙল কিনতে আসি।তার মুখ আর শিং দেখার আগেই চোখ চলে যায় তার পাছা'র দিকে। বড়োই নাদুস নুদুস ।তবে যে কোন সময় ইজ্জত হানীর আশংকা আছে।
তারপর মজা করে ছাগমাংস খেতে থাকি।টুটির মাংস খেয়ে অদ্ভুত মজা পাই।
মাংস যে এমন টেস্টী হতে পারে সেটা আগে ভাবিই নি কখনো।
মাথা খুলে মগজ ভাজা খেতে গিয়ে দেখি সেখানে ঘিলুর ছিটেফোটাও নেই।ব্যস আর কিছুই বাকি থাকে না বুঝতে ...।
দুয়েকদিনের মাঝে আরেকটা বিষয় ক্লিয়ার হয়ে যায়।পশু প্রজাতির ইতিহাসে
প্রত্যেকটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর প্রানীকে যে অবস্থার শিকার হতে হয়েছে,যতো ক্ষুদ্র অবস্থাতেই হোক না কেন এই ছাগলটিকেও সেই একই সমস্যা ফেস করতে হয়েছে।
এই প্রজাতি দ্রুতই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।দেশের মানুষ এই ছাগলকে ভক্ষন করে শেষ করে ফেলছে।
টিকে থাকার জন্য এই ছাগলকে তাই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরনাপন্ন হতে হয়েছে।সেখানে তার পেছনে শুক্রানু ঢুকিয়ে এর বংশ বিস্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
××××এই দেশ থেকে গাধা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল,কিন্তু পরে সেই গাধাকেই আদর করে এনে চিড়িয়াখানায় রাখতে হয়েছিল।××××
-------------------------------------------
ছাগলের এই বংশ বিস্তারের আনন্দে দৈনিক সংগ্রাম একটি বিশাল নিউজ করেছে ।সেখানে এই ছাগলের যৌনতা নিয়ে যে গবেষনা চালানো হচ্ছে সেই খবর পাইবেন। ।লিংক দিলাম এইখানে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



