আমার প্রিয় পোস্ট
- কম্যুনিজম কবলিত মধ্যএশিয়ায় নাস্তিকদের ভয়াবহ সেই শাষনামল নিয়ে তিনটি বই (উপন্যাস) - নীল-গোলাপ
- আমাদের ব্রেনওয়াশ যেভাবে করা হয় - ভালো
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- শিবির যদি ১০ লাখ গাছ লাগায়-আপনারা কি করবেন ? - ক্রসফায়ার
- ওদের উচিত পাকিস্তানে গিয়ে গাছ লাগানো - চুম্বক
- বাংলার পবিত্র মাটি শিবিরবৃক্ষের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে - কৌশিক
- ছাত্রলীগের গান
- বিবেক সত্যি
- শহীদের আম্মুরা : !!!! - স্বর্ণলতা
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাকে ভারতীয় সেলাম । - পাগলা বাবু
- আওয়ামীলীগ সাবধান হও, নতুবা পতন স্পষ্ট! - হমপগ্র
- মানুষ মেরে উল্লাস! কিছু পোষ্ট শিবিরের প্রতি মানুষকে সহানুভূতিশীল করবে - শুভ৭৭
- একজন শিবির কর্মীর কথা - হলদে ডানা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকান্ড এবং শিবির কর্মীর ধিক্কার
- ভালো
- রগকাটা শিবির - ভোরের সূর্যদয়
- আমি জানতে চাই, নাস্তিকরা কেন জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করে ? - ভালো
আর কত ছাত্রের মৃত্যু হলে ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করবেন ?
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
অবশেষে দেশের সেরা ছাত্রদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রের রক্ত ঝরালো ছাত্রলীগ ! মেরেই ফেললো !! তা-ও নিজেদের দলের সেক্রেটারীকে ! হায়রে ... আর কত .. !
ছাত্রলীগের অবিভাবক, দেশের কয়েককোটি শিক্ষার্থী ও সেই শিক্ষাথীদের বাবামায়েদের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা, আপনি কি বুঝতে পারছেন, ছাত্রলীগ আপনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ? অধ:পতনের শেষ সীমায় নিয়ে যাচ্ছে আপনাকে , আপনার সরকারকে, আপনার দেশ বাংলাদেশকে !
ডিএমসিতে আজ যে ঘটনা ঘটালো ছাত্রলীগ, মাত্র দুতিনদিন আগে একই ঘটনা ঘটে যাচ্ছিলো দেশের আরেক সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েটে । গভীর রাতে ছাত্রলীগের কর্মীরা ব্যাট-আর ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে হামলে পড়লো ছাত্রদের ওপরে । বুয়েটের ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের ঘটনা মিডিয়ায় এলোনা, ডিএমসির মত চুড়ান্ত কিছু না হওয়াতেই ! ছাত্রলীগের এসব সন্ত্রাস আর নির্যাতনের খবর মিডিয়ার জন্যও তাহলে পানসে হয়ে গেছে ?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে, মিডিয়ার সামনে বস্তায় পেচিয়ে ভারী আগ্নেয়াস্ত্র , রামদা-চাপাতি নিয়ে হামলা করে হত্যা করলো প্রতিপক্ষ ছাত্রনেতাকে । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য চালাবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ছাত্রলীগ ! খুলনা বিএলকলেজ , বরিশাল মেডিকেল , বিএম কলেজ, সিলেটে শাবিপ্রবি , ঢাকা কলেজে সীমাহীন আধিপত্যের দাপটে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হচ্চ্ছে বারবার । চলছে ভর্তিচ্ছুদের জিম্মী করে চাঁদাবাজী-লাঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষকরা পর্যন্ত ... রাজশাহীর সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ । ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক হাজার ছাত্র নির্বাসিত ছাত্রলীগের প্রাননাশের হুমকিতে । এমনকি ছাত্রী হলেও ছাত্রলীগের ছাত্রী কর্মীরা সন্ত্রাস চালাচ্ছে !
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নামাজী বা দাড়িওয়ালা ছাত্রদের তালিকা তৈরী করে শিবির স্বীকারোক্তি আদায় করে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে দিচ্ছে, ইলেকটিক অস্ত্র দিয়ে চামরা তুলে ফেলছে ! এই পৈশাচিক অপরাধের শাস্তি কি কখনো হবেনা বলে মনে হয় ? অবিভাবক হিসেবে আপনি এই অপরাধের শাস্তিপ্রদানের দায়িত্ব নেন নয়তো আল্লাহর শাস্তি খুব বেশি নির্মম আর কঠোর হবে যা এধরনের অপরাধের প্রশ্রয়দাত্রী পর্যন্ত চলে যেতে পারে ! এই জাবিতেও আপনার ছাত্রসংগঠন কয়েকবার ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়েছে নিজেরা নিজেরা ।
ক্ষমতার এই যে কুৎসিত লড়াই চালাচ্ছে ছাত্রলীগ আর কটা দিন পর ফ্রাঙ্কেনস্টাইনে পরিনত হয়ে আপনার সরকারের ধ্বংস ঘটাবে এরাই ! একথা মনে করার কারন নেই যে , আপনার সরকার বা ক্ষমতার স্থায়ীত্বের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে এতসব কথা বলা ! শুধু অনুরোধ করি, ছাত্রলীগের এই ক্ষমতার পশুত্বসুলভ কাড়াকাড়িতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে- একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হন । বন্ধ করে দিন ছাত্রলীগের রাজনীতি .............................অথবা................................... দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটা আপনার এই সংগঠনকে দিয়ে দিতে পারেন জনগনকে জানিয়ে, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অন্যছাত্রছাত্রীরা “পড়াশুনা” করুক...
...........যেন পড়াশুনা করতে আসা ছেলেগুলো অথবা বহির্বিশ্ব থেকে যারা এদেশের খবরাখবর রাখে, তারা জানতে পারে যে , এই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ পড়াশুনা (?) করে আর এই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মানব-সন্তানেরা পড়াশুনা করে !!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আল্লাহ ভরসা-? ব্যাস ! প্রধানমন্ত্রী ১৫ কোটি মানুষের প্রধানমন্ত্রী আর শেখ হাসিনা নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যক মানুষের নেত্রী । আমার আহবান প্রধানমন্ত্রীর কাছে, ব্যক্তি শেখ হাসিনার কাছে না । ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করা হোক !
লেখক বলেছেন: "মানুষ না আওয়ামীলিগ?" বাগধারার নতুন ভার্সন !
ফা্রুক হাসান বলেছেন:
প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগ সামলান...
লেখক বলেছেন: ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হোক, এছাড়া ছাত্রলীগের সন্ত্রাস আর হত্যাযজ্ঞ সামলানোর আর কোন উপায় সরকারের হাতে নেই ।
ইবনে সালাম বলেছেন:
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হাতে ছেড়ে না দেয়া পর্যন্ত এসব চলবে ।
লেখক বলেছেন: ডিএমসি বা জাবি তো ছাত্রলীগের সম্পত্তি এখন ! তাহলে কিভাবে বলেন এটা ? নিজেদের নেতাকে পর্যন্ত হত্যা করে ফেললো !! নিষিদ্ধ করা হোক এই সন্ত্রাস-খুন আর দখলদারিত্বের ছাত্ররাজনীতিকে ।
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
শুধু ছাত্রলীগ কেন, কোনো ছাত্র সংগঠন বা ছাত্র রাজনীতি চাইনা।
লেখক বলেছেন: যারা সন্ত্রাস করছে , যারা প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের মত করে মহরা দিচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, তাদেরকে নিষিদ্ধ করতে হবে । ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের খবর প্রথম আলোর মত পত্রিকায় অস্ত্রের ছবিসহ লিড নিউজ হয় । "ছাত্ররাজনীতি চাইনা" - এরকম কথা সমস্যার কোন সমাধান না ।
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
ছাত্রলীগকে মাইনাস ।
লেখক বলেছেন: ছাত্রলীগকে মাইনাস-প্লাস কিছুই না । শুন্য তথা নিস্ক্রিয় করা হোক ! নিষ্ক্রিয় করা হোক দিনে দিনে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই ফ্রাংকনস্টাইনকে !
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
কত রবি জ্বলেরে, কেইবা আখি মেলেরে?
লেখক বলেছেন: এ আগুন খুব শিঘ্রী প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার আসন পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে । তখন আখি মেলবে হয়তো..কিন্তু ততক্ষনে বাংলাদেশ ধ্বংসের সীমায় পৌছে যাবে ।
অলস ছেলে বলেছেন:
আরো এক লাখ ছাত্রের মৃত্যু হলেও কাজ হবে না।
লেখক বলেছেন: তাহলে ....... ? উপায় কি ?
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আমার খারাপ লাগছে শেখ হাসিনার জন্য। তিনি আর কত করবেন! নিজেকে অনেক শুধরে ফেলেছেন! এখন কথা-বার্তায়ও আগের চেয়ে অনেক সংযমী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কর্মীরা শেখ হাসিনার ভয়েই কিছু করতে পারছে না। কারণ, তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, তিনি কোন আশ্রয় দিবেন না। কিন্তু অন্যান্য নেতারাই ছাত্রলীগের এসব কর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়।যাই হোক, সরকার যদি এখনো হাত গুটিয়ে বসে থাকে, কঠোর পদক্ষেপ না গ্রহণ করবে- এটাই আমাদের আশা। অন্যথায়, মাত্র তো পাচঁ বছর!
আর এটাও ভুলবার নয় যে, এই ছাত্রলীগ-ই এতদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারে নি। তখন চলেছে ছাত্রদল আর শিবিরের রাজত্ব। সুতরাং শুধু ছাত্রলীগকে ঢালাওভাবে বললেই হবে না। মূলকথা হচ্ছে, আমাদের প্রচলিত ছাত্ররাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এর জন্য বেশি কিছুর দরকার নেই। শুধু নেতারা তাদের খারাপ কাজগুলোকে প্রশ্রয় না দিলেই হবে।
লেখক বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কর্মীরা শেখ হাসিনার ভয়েই কিছু করতে পারছে না..... হাস্যকর কথা বললেন একটা ! ঢাবিতে ছাত্রলীগ কি করছে না ? প্রতিপক্ষের কয়েক হাজার ছাত্রকে হলছাড়া করেছে , লক্ষ টাকার জিনিসপত্র লুট করেছে , হলের দখলদারিত্বের লড়াইয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করে পত্রিকা আর টিভির সংবাদ হয়েছে । সব হিসেব বাদ দিয়ে এই যে আভ্যন্তরিন কোন্দল করে নিজেদের আদর্শের নেতা-কর্মীকেই হত্যা করা, এর পরবর্তি পদক্ষেপ শেখ হাসিনা পর্যন্ত পৌছাতে কতক্ষন ?
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ভুল সংশোধন: যাই হোক, সরকার এখনো হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, কঠোর পদক্ষেপ নিবে- এটাই আমাদের আশা।
লেখক বলেছেন: শুধু আশা নিয়ে বসে থাকলে চলতেই থাকবে । দাবী তুলুন- দেশের একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্বানুভূতি নিয়ে দাবী তুলুন !
সাজিদস্টার বলেছেন:
+++কেউ যদি মনে করেন যে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের খোঁজ-খবর রাখেন না, তাহলে ভূল হবে, তিনি জানেন বলেই ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শান্তির পায়রা ওড়ান অথচ তার কিছুক্ষন আগেও লীগের ছেলেরা প্রোগামস্থল লন্ডভন্ড করে দেয়।
তবে টেনশনের কিছু নেই কারন
'পিপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে"
লেখক বলেছেন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছাত্রলীগ নামের এই বিষাক্ত পিপিলিকার পাখা নিয়ন্ত্রনের দাবী জানাই । ছাত্রলীগকে স্থগিত করা হোক, দেশের স্বার্থে-সরকারের নিজের স্বার্থে , শেখ হাসিনার নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে ।
কলুর বলদ বলেছেন:
ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের এইসব নোংরামি বন্ধ করা উচিত
লেখক বলেছেন: সব ধরনের নোংরামি বন্ধ করা হোক । "উচিত" বলে লাভ নাই, বলেন বন্ধ করতেই হবে ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বন্ধ হোক...
লেখক বলেছেন: শিক্ষাঙ্গনে দুষিত-নোংরা-রাজনীতি নামের সন্ত্রাস আর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হোক...
দুঃখ জনক। যারা নোমানী ভাইয়ের মৃতু্যতে খুশি হয়েছিলেন তারা এখন কি বলেন?
লেখক বলেছেন: মানুষের মৃত্যুতে যারা খুশি হয় , ওদের আপন আত্মীয়-স্বজনের কিছু হলেও ওদের কোন পরিবর্তন হয়না । কেননা মনৃষ্যত্বের একবিন্দু থাকলেও কারো পক্ষে মানুষের মৃত্যতে উল্লাস প্রকাশ করা সম্ভব না । ওরা ঠিকই এই পোষ্টের মডারেটেড কমেন্টে ওদের চরিত্রের প্রকাশ ঘটাচ্ছে ।
কমজান্তা বলেছেন:
হত্যা খুন রাহাজানি ধর্ষন চাঁদাবাজি সন্ত্রাস অস্ত্র প্রদর্শণ লুট হামলা রগকাটা (ঢাবি, নিজদল) টেন্ডারবাজি ভর্তি বাণিজ্য হুমকি ইত্যাদি যাই হোক না কেন ওদের কে কেই গ্রেফতার করে না। তাইতো বলি ছাত্রলীগ করার মজাই আলাদা।এসবই প্রধানমন্ত্রী জানেন। স্বরাষ্ট মন্ত্রীও জানেন। ছাত্রলীগ নেতারা বলেন এসব নাকি কিছু অসাধু লোক করছে এবং তাদের নাকি তদন্ত্র করে ব্যবস্থাও নেবে, হা হা হা। আসলে জনগনকে ওরা শুধু বোকা বানাচেছ মনে করছে কেউ কিছু বুঝেনা। অন্য দলের লোককে হত্যা করার সময় যদি নিয়ন্ত্রন করতো তাহলে আজ নিজেদের ছেলেরা মারা পড়তো না।
লেখক বলেছেন: আর কদিন পরে বলতে হবে, "নিজেদের ছেলেদের" হত্যা করার সময় যদি নিয়ন্ত্রন করতো, তাহলে আজ "নিজেরা" মারা পড়তো না ।
এবাদুল্লাহ বিন সিদ্দিক বলেছেন:
যথার্থই বলেছেন ভাই। ওরা আর মানুষ নেই। ছাত্রলীগ মানে এখন এক সাক্ষাত দানব। হাসিনা, সাহারা খাতুন এরা কি অন্ধ? নাকি এরা খবর রাখেনা, রাখার প্রয়োজন মনে করেনা। ফ্রান্কেস্টাইনের দানবেরা তাকেই শেষ করে দি্যেছিলো। হাসিনা, সাহারা-র অবস্থাও হতে পারে ফ্রান্কেস্টাইনের মত।
লেখক বলেছেন: শিক্ষাংগনে শিক্ষার পরিবেশ চাই, শিক্ষাংগনে ছাত্রলীগ নামের দানবকে দমন করার ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাই সরকারপ্রধানের কাছে ।
এবাদুল্লাহ বিন সিদ্দিক বলেছেন:
ওমর হাসান আল জাহিদ-কে বলছি, ছাত্রদল, ছাত্র সমাজ আর শিবির করেছে বলে ছাত্রলীগকেও করতে হবে? তাহলে আর দিন বদলের শ্লোগানের প্রয়োজন ছিল কি? শুধুই সাধারণ জনতাকে ধোঁকা দেওয়া? তুমি উত্তম ছিলেনা বলে কি আমি উত্তম হইব না??
লেখক বলেছেন: আওয়ামীলীগ তার দিনবদলের শ্লোগান বাস্তবায়নের ধারেকাছেও যেতে পারেনি, যার মূল কারন হলো ছাত্রলীগের লাগামহীন সন্ত্রাস আর দখলদারিত্বের প্রশ্রয়-আশ্রয় দেয়া ।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ভাই, আপনি নিজেই তো হাস্যকর কথা বললেন। আমি নিজে দাড়িয়ে দেখেছি, নির্বাচনে জয়ী হবার সাথে সাথে ছাত্রদল নিজেরাই হল ছেড়ে চলে যায়। তাদের গাঁয়ে ছাত্রলীগ একটি আচড়ও কাটে নি। পরবর্তীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রদলের সাধারণ ছাত্রদের ফিরিয়ে আনা হয়। তবে যারা ছাত্রদলের মোস্ট ফাউল ছিল, ওরা তো ভয়েই আসবে না হলে। কারণ, তারা যেসব কর্মকান্ড করেছে, তাতে সাধারণ ছাত্ররাও ওদেরকে পিটাবে। আর আপনি তো শিবির করেন। আপনার খারাপ লাগবেই। ২০০১ সালে ছাত্রলীগকে নীরবেও দেয়া হয় নি। তাদেরকে ঢাবির হলগুলো দিয়ে পিটিয়ে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ছাত্রলীগ প্রথম ২/৩ বছরে ক্যাম্পাসে একটি মিছিল পর্যন্ত করতে পারে নি। সে তুলনায় ঢাবির ছাত্রলীগ অনেক সংযত আচরণ করেছে। ছাত্রদল এত নাজুক অবস্থার পরও এখনি ক্যাম্পাসে আন্দোলনের হুমকি দিতে পারে, মিছিল করতে পারে। তাদেরকে তো ছাত্রলীগ কিছুই বলেনি।
আপনার জন্য দু:খের খবর হচ্ছে- শিবিরের কোন অবস্থান ঢাবিতে হবে না। তাছাড়া শিবিরের রাজনীতিও ঢাবিতে নিষিদ্ধ। সুতরাং ছাত্রদল হয়ত ঢাবিতে পূর্ণরূপে শীঘ্রই ফিরে আসতে পারবে। কিন্তু ছাত্রশিবিরের অবস্থান ঢাবিতে হবে না।
লেখক বলেছেন: একটা দল বা যেকোন ব্যক্তির জন্যই সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার কি জানেন ? তোষামোদকারী-চাটুকার সমর্থক । যারা অন্ধের মত সব ধরনের অন্যায়কে কোন না কোনভাবে যাষ্টিফাই করার চেষ্টা করে । ঢাবিতে ছাত্রলীগ কিছুই করেনি ! আচ্ছা, ভালো বলছেন !-ধন্যবাদ ! জিয়া হলে যেদিন ঢামেকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে, আপনি হয়তো সেদিন ও কোন না কোনভাবে আপনার দলের আগ্রাসী চরিত্রে পবিত্রতার প্রলেপ লাগাবেন অন্যদের সাথে তুলনা দিয়ে !
শিবিরের জন্য আপনাকে বা আমাকে দু:খ করতে হবেনা । ঢাবিতে শিবিরের অবস্থান কোথায়, তা আমি যতটা জানি, আপনাদের দলের নেতারা তার চেয়ে বেশি জানে ! এই অফটপিক ব্যাপারটা অফ-ই থাকুক ।
লেখক বলেছেন: ওনাদের চলে যায় ।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
@ডারউইনআপনার অবগতির জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনানুযায়ী সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ। আগে আপনি অজ্ঞতা থেকে বাচুঁন, তারপরকে অন্যকে অজ্ঞ বলুন।
আপনি এর উত্তরে লিখলে লিখতে পারেন। কিন্তু কাল ছাড়া যে দেখতে পারবো না। কারণ, আমার কম্পিউটার এখন বন্ধ হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: ইমলামী ছাত্রশিবির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করেনা । ৮০দশকের শুরুতেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ চাকসু জিতেছিলো শিবিরের যে প্যানেল সেখানেও নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলো, যিনি হিন্দু ছিলেন !! শিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচিত !! খোঁজ নিয়ে দেখবেন । শিবির সবসময়েই ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে সবচেয়ে বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে । ...........আর ইসলামী আন্দোলনকে যদি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নাম দিতে চান, দিতে পারেন , এসব কেয়ার করার টাইম নাই ! তর্ক করার ও টাইম নাই ।
পরিশেষে আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে , ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী "কেন্দ্রীয় সভাপতি" মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান এবং ছাত্রশিবিরের বর্তমান "কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল" শিশির মুহাম্মাদ মুনির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত পড়াশুনা করা ছাত্র ! বাকি পরিসংখ্যান আর জানার দরকার নেই ! ধন্যবাদ ।
এস্কিমো বলেছেন:
ছাত্রলীগকে আইপিসহ ব্যান করা হউক।
লেখক বলেছেন: কিছু বিরক্তিকর নিকের কমেন্ট সবসময়েই মডারেটেড ।
রোহান বলেছেন:
সকল প্রকার ছাত্ররাজনীতিই আপাতত বন্ধ রাখা জরুরী। এমনিতেই প্রকৃত অর্থে ছাত্র রাজনীতি বলে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। যা আছে তা হলো ক্ষমতা দখলের লড়াই, অর্থ আর আধিপত্যের খেলা, ধর্মান্ধতার উন্মত্ততা। গত শাসনামলে শিবির আর ছাত্রদল করেছে আর এখন করছে ছাত্রলীগ।
লেখক বলেছেন: শিবির সবসময়েই আক্রান্ত । ছাত্রশিবির কখনো কাউকে আক্রমন করেনাই ।
বর্তমান সরকারের দিন বদলের শ্লোগানের বাস্তবায়ন চাই । ছাত্রলীগের হত্যা আর সন্ত্রাসের রাজনীতি স্থগিত করে দেয়া হোক ।
ভালো বলেছেন:
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
রাতুল" বলেছেন:
আপনের প্রিয়পোস্টগুলি দেখলাম। দেইখাই বুঝা যায় আপনে কোন দলের সমর্থক। জামাত আমি ঘৃনা করি। সাথে সাথে মানুষ মারাও কোনমতে সমর্থন দিতে পারি না। হাসিনার কাছে আজকে যেটা আনন্দের মনে হচ্ছে একদিন হয়ত ঐটাই ওর জন্য বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। একেকটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে, ছেলেরা মারা যাচ্ছে, এটা এক বাংলাদেশী হিসেবে কোনভাবেই সহ্য করা সম্ভব না। যদিও বিএনপি জামাত জোটও একই কাজ করেছিল আগে, তারপরেও মানুষ আওয়ামীলীগকে ভোট দিসিল পরিবর্তনের আশায়।
আশা করে যে কতটা ভুল, তা বাংলার মানুষ বারে বারে টের পাই। একবার আমাদেরকে রাজাকার জামাতীরা সাথে থাকে বিএনপি, আরেকবার মারে মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামীলীগাররা।
নির্বাচনের পরে যে কি আশা করে পেপারটা খুলতাম, আর এখন, ভুল হয়ে গেলে রাজনীতির খবর পড়ি।
কি তফাৎ তাহলে শিবির, ছাত্রদল, ছাত্রলীগের মাঝে।
মানুষ মাইরা রক্ত নিয়া কেও হোলি খেলে, আর কেও জায় নামাজ পড়তে যাবার নাটক দেখাইতে।
লেখক বলেছেন: প্রিয়পোষ্ট না দেখে ব্লগের প্রথমপেজটা দেখলে আরো সহজ হত আপনার জন্য । যাইহোক, আমি কোন দলের সমর্থক, সেটা এই পোষ্টে গুরুত্বপূর্ণ কিছু না । গুরুত্বপূর্ণ হল, "-তারপরেও মানুষ আওয়ামীলীগকে ভোট দিসিল পরিবর্তনের আশায়-।" আপনার এই কথাটা । ছাত্রলীগের যে বেপরোয়া সন্ত্রাস আর হত্যাযজ্ঞ নিয়ন্ত্রনহীনভাবে চলছে , সেটার সমাপ্তি কাম্য ।
(আপনার মন্তব্যটা কেন এডিট করা হল, আশা করি বুঝতে পেরেছেন)
কালপুরুষ বলেছেন:
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে ঢাকা কলেজে ভর্তিকে কেন্দ্র করে কতিপয় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী শিক্ষকদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের নির্ধারিত ছাত্রকে ভর্তি করতে বাধ্য করছে। শিক্ষকেরা ভয়ে কেউ মুখ খুলতে নারাজ। এমনকি এক একজন ছাত্রের ভর্তির জন্য চলছে বিরাট অংকের টাকার লেনদেন। ডিপার্টমেন্ট বুঝে ৩০ থাকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তাই সন্ত্রাসীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে ছাত্র ভর্তির ব্যাপারে। এই ব্যাপারে কলেজ কর্তৃপক্ষের কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছেননা। ইতিমধ্যে টাকা লেনদেন ও ভর্তিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কতিপয় ছাত্র হাসপাতালেও ভর্তি রয়েছে। বাইরের কোন সাংবাদিক বা মিডিয়া রিপোর্টাররা ভয়ে সেখানে যেতে পারছেন। কেউ কেউ প্রাণ নাশের হুমকি পেয়েছেন। এমন পরিস্থিতে আ-লীগের নেতা-নেত্রী তাদের সন্ত্রাসী কর্মীদের কিভাবে নিয়ন্ত্রন করবেন সেটাই প্রশ্ন।
লেখক বলেছেন: ওপেন সিক্রেট ! আজ ও যশোর এমএম কলেজে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপে ভয়ানক সংঘর্ষের খবর আসছে ।
তারিক রিদওয়ান বলেছেন:
শুনেছি যে ছেলেটার মৃত্যু হয় সে নাকি ২টি বিয়ে করেছিল এবং কিছুদিনের মধ্যেই নাকি আরেকটা বিয়ে করার কথা। গত বছর Final Exam দিয়ে পাস করে বের হয়ে যাবার কথা ছিল
গত বছর মার্চ মাসেও নাকি এক মারামারিতে মারাত্বকভাবে আহত হয়েছিল।
অবাক হতে হয়...এই সেই আওয়ামী লীগ এর সোনার ছেলেরা। কত কষ্ট করে মা-বাবা তার সন্তানকে দেশের সেরা মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা করার জন্য পাঠিয়েছিল, আর সেই ছেলে আজ হাসিনার সোনার ছেলেদের সংগঠনের কবলে পড়ে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিল।
লেখক বলেছেন: ইহকাল-পরকাল দুটোই গেলো । সত্যি খুব আফসোস লাগে !
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
"ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: ....................... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কর্মীরা শেখ হাসিনার ভয়েই কিছু করতে পারছে না। ................"মানে ???? কোন ধারণা আছে ডি ইউ তে কি করছে তারা এ ব্যাপারে ??একটা কথা বলে দিলেইতো হলোনা !! নিজের চোখেই দেখছি কি হচ্ছে ক্যাম্পাসে! আশ্চর্য ! ...কিছু নাকি করছেনা !!!!! বায়াসড এসব কথা শুনে এখন হাসিও আসেনা ...করুণা হয়।
@ওমর হাসান আল জাহিদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার কি বলেন তা দেখার অপক্ষোয় থাকলাম। এবারও হয়তো বলবেন এইটা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলেই হয়েছে।
কোথাও কোন আশা নেই, শান্তি নেই, স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নাই। অদ্ভুদ দেশে বাস করছি আমরা।
এখন ভরসা শুধু আল্লাহর