somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ২৮ অক্টোবর : সংঘর্ষের দুটো পক্ষ : কি তাদের বৈশিষ্ট্য !
২৮ অক্টোবর ২০০৬ ! স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম এর চেয়ে ভয়াল হিংস্রতার দিন আর একটিও দেখেনি । হয়তোবা এদেশে এরকম দিন এসেছে আরো..এবং ২০০৬ এর পরেও হয়তোবা এসেছে.. কিন্তু সেদিনের বিভৎস নারকীয়তার টিভি চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার মানুষের হায়েনাত্বকে নতুন মাত্রা দিয়েছিলো ।

মানুষ সৃষ্টির পরিকল্পনা করার সময়ে মহান আল্লাহর কাছে ফেরেসেতাদের সেই আশঙ্কা ..এরা তো পৃথিবীতে রক্তপাত - হানাহানিতে লিপ্ত হবে !... ফেরেশতারা সেদিন আশ্বস্ত হয়েছিলো এমন জবাবে , যুগে যুগে এই মানুষেরা আল্লাহর নিকট হতে জীবন বিধান পাবে , পাবে নবী ও রাসুলগণকে যারা শিখিয়ে দেবেন জীবনের প্রতিটি কর্মকান্ড ও চিন্তাধারা ঠিক কিভাবে হলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করা যাবে ...

শয়তান তার কিছুকাল পরে অহংকারের সুরে বলেছিলো, হে আল্লাহ, যেই আদমের জন্য আমাকে তোমার আশ্রয় হতে বিতারিত হতে হলো সেই আদম ও তার সন্তানদের অধিকাংশকেই তুমি তোমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হিসেবে পাবে !

কঠোর সতর্কবানী ছিলো মহান স্রষ্টার..সেই সময়ে... .."তুমি ও তোমার অনুসারীদেরকে দিয়ে আমি জাহান্নাম পূর্ণ করবো"..

নবুওয়্যাতের ধারার সমাপ্তকারী , রাসুল মুহাম্মাদ সা: এর মাধ্যমে আল্লাহ তার ওয়াদা পূর্ণ করলেন । মানুষের জন্য এলো সবশেষ ও পূর্বে আগত সকল আসমানী বইয়ের পরিপূর্ণতা দানকারী বই , আল-কুরআনুল কারীম । যে বইটি এসেছিলো পৃথিবীর শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত পৃথিবী তথা মহাবিশ্ব ও মানবজাতিকে সব ধরনের অন্ধতা, অজ্ঞতা ও অন্ধকার হতে মুক্তি দিয়ে শান্তিময় জীবনব্যবস্থার পরিপূর্ণ ফর্মুলা নিয়ে ।

শেষ নবীর মৃত্যুর পরে, তার অনুসারীগন পেলেন এক অনন্য মর্যাদা । যে মর্যাদা পান নি মানবজাতির আর কোন সময়ে বিচরণকারী সদস্যগণ । যে সুমহান দায়িত্ব অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশাবলী জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে মানবজাতি ও সৃষ্টিকে সু-শৃংখল রাখার কাজ...যা এতদিন ধরে করতেন শুধুমাত্র আল্লাহর নবী ও রাসুলগণ... সেই দায়িত্বের দায়িত্বশীল হলেন একেবারে সাধারণ মানুষেরা - যারা মুহাম্মদ সা: এর উম্মাত ! কেননা, আর কোন নবী আসবেন না...


এককালের মর্যাদাশীল জ্বীন-জাতি সদস্য ইবলিশ, যে তার অহমের আতিশয্যে বিদ্রোহী হয়ে গিয়ে চিড় অভিশপ্ত হয়ে গেলো , তাকে সুষ্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছিলো, এই মানবজাতির জন্য এক চিড়ন্তন পরীক্ষা হিসেবে । মানবজাতি যখন ই আল্লাহর বিধি-বিধানকে প্রতিস্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানেই বাগড়া দিয়েছে ইবলিশ.. আল্লাহর ই দেয়া কিছু বিশেষ গুণাবলী ব্যবহার করে সে যুগে যুগে তার অনুসারী বানিয়ে নিয়েছে স্বাধীন চেতনা ও বিবেকের অধিকারী অথচ অজ্ঞ কিছু মানুষকে । কাজে লাগিয়েছে তাদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে... বাঁধা দিয়েছে, বিঘ্নিত করেছে আল্লাহর নির্দেশাবলী মেনে চলা ও সবাইকে মেনে নেবার আহবানকারী সম্মানিত মানুষদেরকে !

ইসলামী আন্দোলনের এর কন্টকময় পথচলার , এই প্রাগৈতিহাসিক রক্তাক্ত ঘটনাপন্জীর , আল্লাহর নির্দেশাবলীকে সবচেয়ে সুউচ্চে তুলে রাখার জীবনবাজী প্রতিজ্ঞার চিড়ায়ত ধারাবাহিকতার একটিমাত্র দিন হলো ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৬ ইশায়ী সন । এ দিনটি নতুন কিছু না.. এ দিনের আত্মত্যাগ আর শাহাদাতের নজরানার ঘটনাও বিচ্ছিন্ন কোন ঐকিকতার পরিচায়ক না !

কিছু সহজ কথা ....

১. ওরা প্রত্যেকে ছিলো শিক্ষিত.. ২. ওদের আচরণ ছিলো ভদ্রতা, নম্রতা আর সম্ভ্রমে পূর্ণ.. ৩. ওরা ভালোবাসতো ওদের সহপাঠীদের , ওদের সহপাঠীরা ভালোবাসতো ওদেরকে.. ৪. ওদেরকে কোন ব্যাপারে দোষারোপ করতে পারতো না পরিচিত কেউ ! ৫. ওরা অন্যায় করতো না এবং কাউকে করতে দেখলেও নিষেধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতো.. ৬. ওরা মিথ্যা কথা বলতো না..ওরা নোংরা-বাজে কথা বলতো না.. শুনতো ও না.. ৭. ওদের পোশাক থাকতো পরিচ্ছন্ন আর মার্জিত.. ৮. ওরা ছিলো নামাজী .. ফজরের ওয়াক্তে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম এদেশের যে ১৫ থেকে ২০ ভাগ তরুন শুনতে পায়, ওরা তাদের অন্তর্ভক্ত ছিলো.. ৯. ওরা কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতো শুদ্ধভাবে , কুরআনের অর্থ পড়তো..এবং বিস্তারিত তাফসীর ও পড়তো.. ১০. ওরা জানতো.. নবীদের জীবনী, মুহাম্মাদ সা: এর জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত, সাহাবীগণের অসাধারণ জীবনগাঁথা.. ১১. ওরা পড়তো ওদের পাঠ্যবই, আরো পড়তো শতশত বই যা ইশকুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীতে ছিলোনা.. অথচ পৃথিবীকে গড়তে হলে যেগুলো পড়া খুব বেশি দরকার ! ১২. ওরা সঙ্ঘবদ্ধ আর সুশৃংখল জীবনে অভ্যস্থ ছিলো, কেননা আল্লাহ বলেছেন এটা করতে.. ১৩. ওরা রাতের গভীরে একত্রিত হয়ে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে চোখের পানি ফেলতো.. ১৪. ওরা চাইতো মনে প্রাণে, চারপাশে একজন ও অভাবী মানুষ না থাকে.. না থাকে একজন ও বঞ্চিত অসহায়.. ১৫. ওদের আত্মীয়-স্বজন, বাবা মা, ভাই-বোন ও বন্ধুদের কাছে ওরা খুব প্রিয় ছিলো..


আরো কিছু সহজ কথা..

(..অধিকাংশ অথবা কেউকেউ..)

১. এরা ছিলো কেউ শিক্ষিত, কেউ অশিক্ষিত.. বেশিরভাগ ই ছিলো প্রায় মুর্খ.. ২. এরা বেশিরভাগ সময়েই থাকে উগ্র ও বদমেজাজী অবস্থায়.. ৩. এরা সিগারেট খায়, নেশা করে, মাদকের রাজ্যে নিয়মিত বিচরণকারী.. ৪. এরা গালি দেয়, গালি শুনে এমনকি সাধারণ আড্ডাতেও নোংরা কথা বলা ও শোনাতে এদের যাবতীয় আনন্দ.. ৫. এরা নামাজী নয় , নামাজী হলেও নিয়মিত নামাজী নয়.. ৬. এদের পরিবারের সদস্যরা ও আত্মীয় স্বজনেরাও বেশিরভাগ সময়ে এদেরকে অভিযুক্ত করে নানান ধরনের অপছন্দনীয় অনিয়মের কারনে.. ৭. এরা জানেনা বিধাতার দেয়া কুরআন শরীফ কিভাবে পড়তে হয়.. জানেনা ঐ কুরআনে কি লেখা আছে.. ৮. এরা মিথ্যাচার করে , মানুষকে ঠকানোর সামান্যতম সুযোগ ও ছেড়ে দেয়না.. ৯. এরা জানেনা, আল্লাহর দেয়া বিধান ও নির্দেশনা না মানলে কি কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে মৃত্যুর পরে এমনকি অশান্তিময় এই পার্থব জীবনেও.. ১০. এরা ধর্মনিরপেক্ষতা নামের জীবনব্যবস্থার সমর্থণ করে বসে, যা আল্লাহর দেয়া একমাত্র গ্রহণযোগ্য আদর্শ ইসলামের সাথে বিদ্রোহের সামিল.. ১১. এরা কখনো পড়েনি এমন একটা বা দুটা বই, যাতে লেখা আছে মুহাম্মাদ সা: এর জীবনেতিহাস, লেখা আছে সাহাবাগনের কাজের বর্ণনা.. অজ্ঞতার অন্ধকার-মাদকে বেহুশ জীবনযাপন করে.. ১২. এরা অত্যাচারী ও পেশীশক্তির অহংকারে অহংকারী.. চাঁদাবাজী আর হুমকি ধমকি দিয়ে এরা একেকটা দিন পার করে.. ১৩. এদের নিজস্ব বিবেক-বুদ্ধি, বিচার-বিবেচনার কোনই অবশিষ্ট নেই । সব বিকিয়ে দিয়েছে অনেক ধরনের প্রভুর প্রভুত্বের কাছে.. ১৪. এরা সংকীর্ণ মানসিকতা আর খুব ক্ষীণ দৃষ্টি নিয়ে পৃথিবীকে দেখে.. ইসলামী জীবনব্যবস্থার মহাবিশ্বব্যাপী প্রশস্ততা এদের ধারনাতেও নেই.. ১৫. ইসলামী জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হোক, তা এরা কিছুতেই চায়না, যার সহজতম অর্থ হলো, আল্লাহর নির্দেশ- ইসলাম তথা তার আদেশ নির্দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামের এরা স্পষ্ট বিরোধীপক্ষ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/29033551 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/29033551 2009-10-28 18:20:36
আর কত ছাত্রের মৃত্যু হলে ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করবেন ?
অবশেষে দেশের সেরা ছাত্রদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রের রক্ত ঝরালো ছাত্রলীগ ! মেরেই ফেললো !! তা-ও নিজেদের দলের সেক্রেটারীকে ! হায়রে ... আর কত .. !

ছাত্রলীগের অবিভাবক, দেশের কয়েককোটি শিক্ষার্থী ও সেই শিক্ষাথীদের বাবামায়েদের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা, আপনি কি বুঝতে পারছেন, ছাত্রলীগ আপনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ? অধ:পতনের শেষ সীমায় নিয়ে যাচ্ছে আপনাকে , আপনার সরকারকে, আপনার দেশ বাংলাদেশকে !

ডিএমসিতে আজ যে ঘটনা ঘটালো ছাত্রলীগ, মাত্র দুতিনদিন আগে একই ঘটনা ঘটে যাচ্ছিলো দেশের আরেক সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েটে । গভীর রাতে ছাত্রলীগের কর্মীরা ব্যাট-আর ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে হামলে পড়লো ছাত্রদের ওপরে । বুয়েটের ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের ঘটনা মিডিয়ায় এলোনা, ডিএমসির মত চুড়ান্ত কিছু না হওয়াতেই ! ছাত্রলীগের এসব সন্ত্রাস আর নির্যাতনের খবর মিডিয়ার জন্যও তাহলে পানসে হয়ে গেছে ?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে, মিডিয়ার সামনে বস্তায় পেচিয়ে ভারী আগ্নেয়াস্ত্র , রামদা-চাপাতি নিয়ে হামলা করে হত্যা করলো প্রতিপক্ষ ছাত্রনেতাকে । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য চালাবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ছাত্রলীগ ! খুলনা বিএলকলেজ , বরিশাল মেডিকেল , বিএম কলেজ, সিলেটে শাবিপ্রবি , ঢাকা কলেজে সীমাহীন আধিপত্যের দাপটে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হচ্চ্ছে বারবার । চলছে ভর্তিচ্ছুদের জিম্মী করে চাঁদাবাজী-লাঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষকরা পর্যন্ত ... রাজশাহীর সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ । ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক হাজার ছাত্র নির্বাসিত ছাত্রলীগের প্রাননাশের হুমকিতে । এমনকি ছাত্রী হলেও ছাত্রলীগের ছাত্রী কর্মীরা সন্ত্রাস চালাচ্ছে !

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নামাজী বা দাড়িওয়ালা ছাত্রদের তালিকা তৈরী করে শিবির স্বীকারোক্তি আদায় করে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে দিচ্ছে, ইলেকটিক অস্ত্র দিয়ে চামরা তুলে ফেলছে ! এই পৈশাচিক অপরাধের শাস্তি কি কখনো হবেনা বলে মনে হয় ? অবিভাবক হিসেবে আপনি এই অপরাধের শাস্তিপ্রদানের দায়িত্ব নেন নয়তো আল্লাহর শাস্তি খুব বেশি নির্মম আর কঠোর হবে যা এধরনের অপরাধের প্রশ্রয়দাত্রী পর্যন্ত চলে যেতে পারে ! এই জাবিতেও আপনার ছাত্রসংগঠন কয়েকবার ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়েছে নিজেরা নিজেরা ।

ক্ষমতার এই যে কুৎসিত লড়াই চালাচ্ছে ছাত্রলীগ আর কটা দিন পর ফ্রাঙ্কেনস্টাইনে পরিনত হয়ে আপনার সরকারের ধ্বংস ঘটাবে এরাই ! একথা মনে করার কারন নেই যে , আপনার সরকার বা ক্ষমতার স্থায়ীত্বের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে এতসব কথা বলা ! শুধু অনুরোধ করি, ছাত্রলীগের এই ক্ষমতার পশুত্বসুলভ কাড়াকাড়িতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে- একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হন । বন্ধ করে দিন ছাত্রলীগের রাজনীতি .............................অথবা................................... দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটা আপনার এই সংগঠনকে দিয়ে দিতে পারেন জনগনকে জানিয়ে, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অন্যছাত্রছাত্রীরা “পড়াশুনা” করুক...

...........যেন পড়াশুনা করতে আসা ছেলেগুলো অথবা বহির্বিশ্ব থেকে যারা এদেশের খবরাখবর রাখে, তারা জানতে পারে যে , এই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ পড়াশুনা (?) করে আর এই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মানব-সন্তানেরা পড়াশুনা করে !!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28931867 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28931867 2009-03-31 19:21:51
এই আমার প্রিয় ভাই, শহীদ নোমানী ভাই ! আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ছুটি চলছে । সব সাথী-কর্মীরা নিজ নিজ বাড়িতে । এমন সময় শিশির ভাই সদস্য বৈঠকে বললেন , দেশের কয়েকটি এলাকায় দায়িত্বশীলেরা সফরে যাবেন । এতে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারনে যে দূরত্বটুকু তৈরী হয়েছে তা ঘুচে যাবে । সেই হিসেবে তখনকার সভাপতি যুবায়ের ভাইয়ের সাথে আমিও গেলাম রাজশাহীতে ।

রাজশাহীতে যাব, ভেবেই অদ্ভূত আনন্দ লাগছিলো । আমার সাংগঠনিক জীবনের প্রথম আলোড়ন তুলেছিলো রাবি শিবিরের রক্তাক্ত মতিহার বইটি । রক্তাক্ত মতিহারের প্রতিটি শিবির কর্মীর শাহাদাতের ইতিহাস সেই যে স্কুল জীবনে মনের গভীরে গেঁথে গেছে আর মুছতে পারিনি ।

রাতে কলাবাগান থেকে গাড়িতে উঠলাম । খুব ভোরে যেখানে নামলাম, যায়গাটা আমার অতি অতি পরিচিত বিনোদপুর । কত যে শুনেছি এর নাম !

ঘোরের মধ্যে তখন অনেকটা । কে যে আমাদের এগিয়ে নিতে এসেছিলেন, এখন মনে পড়ছেনা । যতদূর মনে হয় , নোমানী ভাই আর ফরহাদ আলম ভাই । আমরা ......(কি নামের যেন একটা স্কলার ফাউন্ডেশন আছে) এসে পৌছুলাম ২ মিনিটেই । যুবায়ের ভাই বললেন বিশ্রাম নিতে । আমি বাসে ঘুমিয়েছি , ঘুমাতে ইচ্ছা করছিলোনা, তবুও ঘুমিয়ে পড়লাম ।

৯ টার দিকে ফ্রেশ হয়ে রেডী হতেই বুঝতে পারলাম , সেক্রেটারী নোমানী ভাই যুবায়ের ভাইকে সঙ্গ দেবেন আর তখনকার বায়তুলমা'ল সম্পাদক ফরহাদ ভাই আমাকে নিয়ে শহরে ঘুরবেন বলে সাইদী ভাই ঠিক করে দিয়েছেন ।

আমরা সবাই মিলে প্রথমে গেলাম কোর্টে । সেদিন মিথ্যা মামলার আসামী সালেহী ভাইকে কোর্টে হাজির করা হবে । সালেহী ভাইকে দেখলাম কোর্টে গিয়ে । কোর্ট থেকে ফেরার পথে গেলাম হারিয়ে । যাই হোক, ফরহাদ ভাই আমাকে খুজে বের করলেন ।

এরপর রাজশাহী মহানগরী অফিসে । দুপুরের খাওয়া আমাদের এক সাথী সোহেলদের বাসায় । আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার রাজশাহী এলাকার প্রায় সবাই এসেছে ।

বিকেলবেলায় আমরা নিজেরা নিজেরা গেলাম পদ্মার তীরে ।

সন্ধ্যার পর শুরু হলো রাবি ক্যাম্পাস ভ্রমণ ।

হ্যা...................................

নোমানী ভাইয়ের শরীরের ঘ্রান এ নাকে এসেছিলো তখন । হোন্ডায় আমরা তিনজন পুরো ক্যাম্পাস ঘুরলাম । নোমানী ভাই একে একে পরিচয় করিয়ে দিলেন ছাত্রশিবিরের রক্তাক্ত ইতিহাসের সাথে জড়িত ঐতিহাসিক স্থানগুলো । একে একে কয়েকটা হলে গিয়ে হলের ভাইয়াদের সাথে পরিচিত হলাম ।

নোমানী ভাই যেখানেই যাচ্ছেন , হলের দারোয়ান নোমানী ভাইকে এগিয়ে দিচ্ছেন সঙ্গে করে । আর গর্বভরে আমাদের দুজনকে শুনানোর চেষ্টা করছেন রাবি শিবিরের প্রতি তাদের আস্থা আর ভালোবাসার কথা । কে কত বছর ধরে এখানে শিবির দেখে আসছেন, সেই ফিরিস্তিও দিচ্ছেন কেউ কেউ ।

বেশ কয়েকজন ভাইয়া লিচু খাওয়ালেন । জানলাম , এখানের লিচু পেড়ে সমান ভাগ করে প্রতিটি ছাত্রদেরকে দেয়া হয় ।

আমরা ফিরলাম রাত নটার দিকে । হল থেকে বেরিয়ে নোমানী ভাই হোন্ডায় স্ট্যার্ট দিয়ে ঘুরাতেই তিনজনই পড়ে গেলাম । মাত্র স্টার্ট হয়েছে তাই তেমন কিছু হলোনা । নোমানীভাই নীচে, তার গায়ের ওপরে হোন্ডা । বোকা আমি হোন্ডাটা সরিয়ে দিলেই উনি উঠতে পারেন । তা না করে নোমানী ভাইয়ের দুহাত ধরে টানতে লাগলাম । আহা ... ঘন দাড়িওয়ালা আমার প্রিয় ভাইয়াটা । তুমি শহীদ হয়ে গেছো !

ঢাকার মেহমানদের জন্য স্কলারস ফাউন্ডেশনে ব্যাপক খাবারের আয়োজন । আমি , যুবায়ের ভাই, ফরহাদ ভাই , নোমানী ভাই , সাইদী ভাই ..খেলাম । এরপর পাশের রুমে বসে নানা গল্প করতে করতে সাড়ে এগারোটার মত বেজে গেলো । নোমানী ভাই ই ফোন করে টিকেটের ব্যবস্থা করে রেখেছেন । রাত ১২ টার দিকে আমাদেরকে বিনোদপুর বাস স্টেশনে নিয়ে এলেন নোমানী ভাই । দুমিনিটের মধ্যে বাস চলে এলো ।

আমার চোখের সামনে ভাসছে এখনো নোমানী ভাইয়ের সাথে সেই সময়টা । বাস সামনে সাঁই করে চলে গেলো আর উনি তাকিয়ে রইলেন আমাদের গতির দিকে ....

শহীদ নোমানী ভাইয়া , আল্লাহর কসম , জান্নাতের সিঁড়িতে বসে তুমি খুব শিঘ্রী দেখতে পাবে, তোমার রক্তের সুগন্ধি কত দ্রুত এই বাংলার ছাত্রদেরকে ইসলামের আলোকিত রাজপথে তুলে নিয়ে আসছে পরম মমতায় .....! তোমার প্রতিফোঁটা রক্তের বদলায় বাংলার সবুজ জমীনে তোমার সাথীরা আরো দৃঢ় পদক্ষেপে দ্বীন কায়েমের পথে এগিয়ে যাবে নির্ভিকভাবে ! ...










ভিডিও : চেতনার সেনানী (শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী) Part-1
ভিডিও : চেতনার সেনানী (শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী) Part-2
ভিডিও : Speech of C.P before Janajah Of Shaheed Shorifuzzaman Nomani



যেমন ছিলেন তিনি.....সহকর্মীদের ভাষ্যে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28923950 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28923950 2009-03-14 00:00:51
শাহাদাতের মিছিলে নতুন পথিক : শহীদ হাফেজ রমজান আলী
হাফেজ রমজান আসরের নামাজের পরে অফিস থেকে সবে বেরিয়েছেন । কিছুক্ষণের মধ্যে সরকারী দলের ছাত্রসংগঠনের কিলিং গ্রুপ তাকে ঘিরে ফেলেছে বিনা উষ্কানীতে । উদ্দেশ্য একে হত্যা করা হবে আজ ! আজ আল্লাহর এক বান্দার অন্তিম মুহুর্ত উপস্থিত হয়েছে !

হয়তো তখন ফেরেশতারাও ফিসফিসিয়ে বলতেছিলো, একজন কুরআনের হাফেজ- যে কিনা শুধু কুরআন মুখস্ত করেনি , যে কিনা কুরআন থেকে শিখে নিয়েছে

- আমি একনিষ্ঠ হয়ে সেই মহান সার্বভৌম মালিকের দিকেই আমার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি যিনি এই আসমানসমূহ এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন , আমি মুশরিকদের দলভূক্ত নই ! - তুমি বলো আমার নামাজ , আমার কুরবানী , আমার জীবন আমার মৃত্যু সব কিছুই সারা জাহানের মালিক আল্লাহর জন্য ! -তার চেয়ে উত্তম কথা আর কোন ব্যক্তির হতে পারে , যে মানুষদদেরকে আল্লাহর দিকে ডাকে , নেক কাজ করে এবঙ বলে , আমি মুসলমানদের অন্তর্ভূক্ত ! -তোমরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রজ্জুকে ধারন করো এবঙ পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়োনা ! - নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের জান ও মা’ল কিনে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে !

...........................যে কিনা নিজেকে আল্লাহর রঙে রাঙিয়ে আল্লার জমীনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে কাজ করছিলেন !


ঘাতকরা হাফেজ রমজানকে চুড়ান্ত ঘোষণা শুনিয়ে দিলো , “আজ তোমার জীবনের শেষ দিন , কাউকে কিছু বলার থাকলে দোকান থেকে ফোন করতে পারো” .. ওরা দোকানের চারিদিক ঘিরে দাড়ালো ! ... কি অদ্ভূত মিল ............ এ যেন ঠিক আসহাবে রাসুল খুবাইব ইবনে আদী রা: এর ঘটনা যাকে কুরাইশ কাফেরেরা হত্যা-মঞ্চে উঠিয়ে শেষবারের মত দুরাকাত নামাজের সময় দিয়েছিলো , হযরত খুবাইব রা: মুনাজাতে বলেছিলেন, , হে আল্লাহ, আমার সালাম তোমার রাসুলের কাছে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করো !


হাফেজ রমজান !! আল্লাহর এই নির্ভিক বান্দা - যিনি শিখেছেন আল্লাহ ছাড়া আর কারো সামনে মাথা নোয়ানো যায় না , মৃত্যুর ফায়সালা হয় আসমানে , জমীনে না ............. ৫ জায়গায় ফোন করেছেন , সবাইকে বলেছেন শুধু এটুকু , “ভাই , সম্ভবত আজ আমার জীবনের শেষ দিন , আমার জন্য দোয়া করবেন !”

কথা শেষে দোকানদার মোবাইল মালিককে বলেছে , "...আমার জীবনের আজ শেষ দিন, .... ভাই, আমার কাছে কোন টাকা নাই , মোবাইলের বিলটা আমার থানা সেক্রেটারী দিয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ ! “ ............কেন্দ্রীয় সভাপতির থেকে এই কথা আজ শুনে মুক্তাঙ্গনে একজনও ছিলোনা , যার চোখ ছলছল করে ওঠেনি !


হায়!! এমন পরিকল্পিত ভাবে -----এমন ঠান্ডা মাথায় একজন হাফেজকে হত্যা করা সম্ভব !!

হাফেজ রমজান আলীর শরীরের একটা অংশও ছিলোনা যেখানে বর্বর খুনীদের ধারালো অস্ত্রের ঘা ছিলোনা ! নির্মম অত্যাচার চালিয়ে শহীদের মৃত শরীরটা ওরা নিয়ে ছেড়ে দিলো চলন্ত ট্রেনের নীচে ! ! !

এক হাফেজে কুরানকে হত্যা করে ওদের কি লাভ হলো ? ওরা কি জানতে পেরেছে , একজন শহীদ হাফেজ রমজানের রক্তের উষ্ণতা থেকে শহীদের কত লক্ষ সাথীরা খোদার দ্বীনকে বিজয়ী করার আন্দোলনে আরো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবার শপথ নিলো !

___________________
___________________
update :

শহীদ হাফেজ রমজান আলীর বায়োডাটা

নাম : হাফেজ রমজান আলী পিতার নাম : কে.এম মঈনুদ্দিন মাতার নাম : আনোয়ারা বেগম ভাই-বোন : ৮ভাই ৩বোন (সে সপ্তম) ইউনিয়ন : বাহাদুরাবাদ গ্রাম : নাজির পুর থানা : দেওয়ানগঞ্জ জেলা : জামালপুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : দেওয়ানগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা। শ্রেনী : আলিম ১ম বর্ষ (দাখিলে এ প্লাস) সাংগঠনিক মান : সাথী সর্বশেষ দায়িত্ব : দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সাথী শাখার সভাপতি শহীদ হওয়ার তারিখ : ০৯/০৩/০৯ (সন্ধা ০৭.০০টায়) আক্রান্ত হওয়ার স্থান : দিঘল কান্দি (বেলতৈল রেল ষ্টেশন)

_________________
_________________

মুজিব বাদী ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণকারী মেধাবী ছাত্র ও শিবির নেতা শহীদ হাফেজ রমজান আলীর খুনীদের ফাঁসির দাবিতে ইসলামী ছাত্রশিবির জামালপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগন,
আসসলামু আ’লাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আজ আমরা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গভীর দু:খ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সামনে হজির হয়েছি। আপনারা নিশ্চই জানেন গত ০৯/০৩/২০০৯ তারিখে সোমবার প্রতি দিনের ন্যায় জামালপুরে জেলা ও থানা শহর গুলোতে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা অতিবাহিত হচ্ছিল। হঠাৎ ৯ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার সময় খবর এল ইসলামী ছাত্রশিবির দেওয়ানগঞ্জ থানা সভাপতি মেধাবী ছাত্র নেতা হাফেজ রমজান আলী ভাইকে খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা। তাৎনিক বিভিন্ন জায়গায় খুজাখুজি হল। এরপর দিঘল কান্দি রেললাইনের পার্শে আহত আবস্থায় একজন পড়ে আছে এ মর্মে খবর পাওয়া গেল। তৎনাৎ স্থানীয় শিবির নেতৃবৃন্দসহ প্রতিবেশীরা ঐ জায়গায় ছুটে যাচ্ছিলেন। নির্দিষ্ট জায়গায় পৌছার পূর্বেই স্থানীয় লোকজন এম্বুলেন্স এ তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌছার পরই কর্তব্যরত ডাক্তারগন তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না.....................রাজিউন)। উল্লেখ্য এ ঘটনার আনুমানিক আধা ঘন্টা পর ছাত্রশিবিরের থানা অফিস কাম আবাসিক বাসায় ছাত্রলীগ নেতা সজল পিতা-কামাল চৌধুরী, সাং চিকাজানী, নারু পিতা-জিতু বাবু সাং দেওয়ানগঞ্জ বাজার, রিপন পিতা-ইউসুফ আলী, কলেজ রোড়, দেওয়ানগঞ্জ, ইমরান পিতা-অজ্ঞাত প্রমূখ এর নেতৃত্বে বিভিন্ন অস্ত্র-সস্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে অফিসে রক্ষিত ২ টি মোটর সাইকেল, আসবাব পত্র, কোরআন-হাদিস, বই-পুস্তক তছনছ করে ফেলে যায়, সেখানে অবস্থানরত শিবিরের নেতাকর্মীদেরকে মারপিট খুন জখমের ভয় দেখায়, বাসাবাড়ী ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিদেয়। এ ঘটনায় প্রমান করে ছাত্রলীগের দ্বারাই এ নির্মম হত্যা কান্ড সংগঠিত হয়েছে। ঘটনার ২ দিন পূর্বে হাফেজ রমজান এর বড় ভাইকে অজ্ঞাত মোবাইল ফোন হইতে হুমকি দিয়ে জানায় যে তোর ভাই বেড়ে গিয়েছে বড় নেতা হয়ে গেছে, তাকে থামাবি নইলে খবর আছে।


উল্লেখ্য ঘটনার দিন সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মোবাইল ০১৯১২৪৭০৫০০ নং হইতে শিবির এর দেওয়ানগঞ্জ থানা সেক্রেটারী সবুজ কে জানায় যে রমজান আলী নামে একজন লোক দিঘলকান্দী রের লাইনের পার্শ্বে পড়ে আছে, তাকে নিয়ে যা। একথা বলেই মোবাইল লাইন কেটে দেয়। উক্ত নম্বরটি এখন পর্যন্ত বন্ধ আছে।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনাদের মাধ্যমে, গোটা জাতির কাছে জিজ্ঞাসা কি অপরাধ ছিল হাফেজ রমজান আলীর ? কেন এই মেধাবী ছাত্রকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো ? যিনি ছোট্ট বয়সে ৩০ পারা কোরআন কে বুকে ধারন করে রেখেছিলেন। হাফেজ রমজান আলী গত বৎসর অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ+ পেয়ে ছাত্র সমাজের মাঝে মেধার স্বার রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন দেওয়ানগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসায় আলিম শ্রেনী ১ম বর্ষের ছাত্র।

জাতীর জাগ্রত বিবেক সন্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা,

মানুষ এত নিষ্ঠূর হতে পারে তা ভাবতেও বুক কেঁপে উঠে। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে তাকে নির্মম ভাবে হত্যাকরেই ক্ষান্ত হয়নি, খুনিরা হত্যাকান্ডকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার মন্দ অভিপ্রায়ে হাফেজ রমজান আলীকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় রেললাইনে উপর ফেলে রাখে, যাতে খুনীরা নিজেদেরকে আডাল করতে পারে। তাৎনিক আসা এক ট্রেন হাফেজ রমজান আলীর দেহের উপর দিয়ে গিয়ে তার দুটি পা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সন্ত্রাষী খুনিরা হাফেজ রমজান আলীকে ধারালো অস্র দিয়ে আঘাতকরে হত্যা করে, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রহিয়াছে, যার ছবি আমাদের কাছে আছে।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

এ মিথ্যাচারের শেষ কোথায় একজন নিরাপরাধ হাফেজ এ কোরআন ও মেধাবী ছাত্রকে হত্যা করার পর এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও ধামা চাপা দেওয়ার জন্য ঘটনাকে অপমৃত্যু বলে চালানোর ব্যার্থ চেষ্টা করা হয়েছে। যা আবারও ৭২-৭৪ সালের রী বাহিনীর বর্বরতাকে স্বরন করিয়ে দেয়। আমরা এ জাতীয় কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ জাতীয় নিকৃষ্ট হত্যাকান্ডের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত খুনীদের দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তির দাবী করছি। সেই সাথে খুনিদের ফাসির দাবীতে নিম্নোক্ত কর্মসূচী ঘোষণা করছি।

০১। (ক) আজ ১১.০৩.২০০৯ সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা।
(খ) বিকাল ৫ টায় জামালপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল।

০২। আগামী ১৩.০৩.২০০৯ শুক্রবার শহীদ হাফেজ রমজান আলীর বাড়ীতে কোরআনখানি ও জেলার সকল মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান।

০৩। আগামী ১৫.০৩.২০০৯ মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্বারক লিপি প্রদান।

আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরিস্কার জানিয়ে দিতে চাই, প্রশাসন যদি ঘটনার সঠিক তদন্ত না করেন, খুনীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা না করেন, জনগন কখনই তাদেরকে ক্ষমা করতে পারেনা। আমরা আশা করি কারো চাপের কাছে মাথা নত না করে প্রশাসন তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28922985 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28922985 2009-03-11 20:40:01
আজকে তাহার জন্মদিনে - কী-ই বা করি সিজদা বিনে !

'তোমাদের মাঝে এমন একটি দল থাকবে যারা মানুষকে কল্যানের পথে ডাকবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে'-আল-কুরআন

মানব সভ্যতার এই এক চিড়ন্তন ইতিহাস । যেখানেই জমাটবাধা ঘনঘোর অন্ধকার সেখানেই প্রোজ্জ্বল আলোর মশাল নিয়ে উপস্থিত হন মহান স্রষ্টার দুত । অন্যায়, অনাচার, পাপাচার, অসত্য, অপরাধ, অশ্লীলতা, অধর্ম, অশিক্ষা, দুর্নীতি, দুরাচার, পঙ্কিলতা যখনই এই সুন্দর ধরনীকে কলুষিত-বিষাক্ত করার চেষ্টা করেছে- তখনই মহামহিম অসীম দয়ালু আল্লাহর অপার করুনার রহম-বারি বর্ষিত হয়েছে ধ্বংসন্মুখ জাতির ওপর ।

জান্নাতের সেই রহমতের ঝর্নাধারায় সিক্ত এক আলোক-কাফেলা হতাশার মহাসমুদ্রে নিমজ্জিত বাংলাদেশের জনগনকে দেখিয়েছিল সান্তনার সবুজ দ্বীপের ঠিকানা । ছাত্রসমাজকে জাহান্নামের পার্শ্বদেশ থেকে সরিয়ে এনে কুরআনের কুহকে আবদ্ধ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলো সেদিন এ জান্নাতী সংগঠন ।

উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার শেষ্ঠ অঙ্গন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে আল্লাহু-আকবর ধ্বনির প্রথম সাহসী স্বাধীন উচ্চারণ হয়েছিল এ দিনটিতে ।


১৯৭৭ সালের ৬-ই ফেব্রুয়ারী ।

সভ্যতা-জ্ঞান-প্রগতির কথিত সূতিকাগার যখন বালা-বর্ম পরিহিত বিভ্রান্ত তরুনদের বিষাক্ত ছোবলে ক্ষত-বিক্ষত ছিল, সমাজতন্ত্র-পুঁজিবাদ , ধর্মনিরপেক্ষতা আর সর্বহারার মতবাদ যখন কুড়ে-কুড়ে খাচ্ছিলো কোমলমতি জ্ঞানতাপস ছাত্রসমাজের মেধা-মনন কে, ছিলনা শান্তি, স্বস্তি আর স্বকীয়তা।

অর্থনৈতিক শোষণ-রাজনৈতিক নিপীড়ন আর সাংস্কৃতিক গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করার সকল আয়োজন যখন সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে তখনই হেরার রশ্মীর প্রতিফলনে ঝকঝকে সাদা আকাশ নিয়ে আবির্ভাব এ পবিত্র সংগঠনের।

প্রতিষ্ঠার ৩২ বছরে ১৩১ শহীদের রক্তের নজরানায় আজ এ সংগঠন এদেশে ছাত্রসমাজের সবচেয়ে আপন-সবচেয়ে প্রিয়-সবচেয়ে নিরাপদ সংগঠনে পরিনত হয়েছে । শৃঙ্খলা-মেধা-চরিত্রের প্রভায় প্রভাবিত আজ গোটা দেশ ।


হাজারো জুলুম নির্যাতন- মিথ্যা অপপ্রচার-মিডিয়া সন্ত্রাস এর অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারেনি এতোটুকু বরং উল্টো মানুষের কাছে প্রমানিত করেছে প্রিয় রাসুল সাঃ এর আন্দোলন ও কর্মপদ্ধতির সাথে সাদৃশ্য । আল্লাহর রাসুল সাঃ কে যেধরনের অপপ্রচার - বিরোধিতা -নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়েছে একেও একই মাত্রার জুলুম-নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে ।



হ্যাঁ... ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়ে আজ ৪ মিলিয়ন ছাত্রের প্রাণের স্পন্দন এক-ই ফ্রিকোয়েন্সিতে স্পন্দিত হচ্ছে !

ভিশন ?- সুনিদৃষ্ট... !!!!
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরীর অঙ্গীকার]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28907500 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28907500 2009-02-06 15:09:18
মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) আল কোরআনের তাফসীর - তাফহীমুল কুরআন
বাংলা ভার্সন
ইংরেজী ভার্সন

মাওলানার লিখিত বই :
ইসলাম পরিচিতি
ইসলামের জীবন পদ্ধতি
ইসলামের হাকীকত
ইমানের হাকীকত
হজ্জ্বের হাকীকত
জিহাদের হাকীকত
কোরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা
ইসলামী আন্দোলন : সাফল্যের শর্তাবলী
ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি
ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি
ইসলামী বিপ্লবের পথ
ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন
সত্যের স্বাক্ষ্য
ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ
ভাঙ্গা ও গড়া

মাওলানা মওদুদী র: এর লেখা আরো অসংখ্য অসাধারন সব বই রয়েছে । বাংলাভাষায় অনুদিত বইগুলো ধীরে ধীরে নেটে আপলোড করা হচ্ছে ।

মাওলানার জীবন সম্পর্কে যদি চানতে চান :

মওদূদী (রহ: ) : ইসলামের আলোয় আলোকিত এক নেতা
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : জন্ম ও শৈশব
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : শিক্ষা জীবন
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : কর্মমুখর জীবন
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : লেখালেখিতে হাতেখড়ি
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : রাজনৈতিক ময়দানে পদচারণা
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : শুভ পরিণয়
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : সংবিধান প্রনয়ণ আন্দোলনে
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ: ) : কাদিয়ানী সমস্যা
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহঃ) : ডাইরেক্ট একশন
আলোকিত নেতা মওদূদী (রহঃ): ফাঁসির আদেশ

______________________________

বহুরূপী মহাজন যেসকল বিষয় তুলে ধরেছেন , এর প্রতিটা কথা মাওলানা মওদূদী সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্যবিভ্রাট - আংশিক কোটেশন এবং মাওলানার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা । আলাদা করে প্রতিটা কথার জবাব দেয়ার কোন অর্থ নাই । এসম্পর্কিত একটি বইয়ের খোঁজ দিচ্ছি ।

বইয়ের নাম : মাওলানা মওদুদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তাত্বিক পর্যালোচনা
লেখক : মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ উইসুফ

সত্যি-ই যদি কেউ সততার সাথে বিষয়গুলো যাচাই করতে চান , বইটির পাতা উল্টিয়ে দেখতে পারেন । তবে প্রকৃতপক্ষে বিবেকবিবেচনা ও বুদ্ধি খাটিয়ে যারা ভাবতে পারেন, তাদেরকে এসকল হালকা অপপ্রচার বিভ্রান্ত করতে পারেনা । মাওলানা মওদুদীর হাতে গড়া ইসলামের এত শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী একটা আন্দোলন বিশ্বব্যাপী এভাবে ছড়িয়ে পড়া , আল্লাহর অশেষ রহমত ও দয়ার কারনেই সম্ভব হয়েছে । ইসলামী জীবনব্যবস্থার তিনটি মৌলিক বিষয়, ১. ইসলামী অর্থব্যবস্থা (ইসলামী ব্যাঙ্কিং ধারনার বিশ্বায়ন) ২. ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা (উদাহরন: মদীনা ইউনিভার্সিটির -! প্রাথমিক পরিকল্পনাবিদ মাওলানা)ও ৩. ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কিত যুগোপযোগী চিন্তা ধারনার প্রাথিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন যেই ব্যক্তি, তার সম্পর্কে যদি বলা হয় তিনি ওজু করতে ভুল করেছেন , নিয়্যত করতে ব্যকরনগত ভুল করেছেন, অমুকের ব্যাপারে কুৎসা রটিয়েছেন, সেটা হাস্যকর অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই না !
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28886878 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28886878 2008-12-23 20:57:43
আমার একটি স্বপ্ন আছে - সমৃদ্ধ নৈতিক বাংলাদেশের (Youth Summit- 2008) আমার সোনার বাংলা । আমি তোমায় ভালোবাসি । সামনের সারিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দাঁড়িয়ে গলা মেলাচ্ছেন । এটা সর্বশেষ আইটেম পার্লামেন্টারী ডিবেট শুরুর সময়টা ! শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামুলক করা হোক - বিলের পক্ষ বিপক্ষ যেই কথা বললো, শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে হাততালিতে অডিটোরিয়াম কাঁপাতে লাগলো ।

এল.জি.ই.ডি অডিটরিয়ামে সারাদিনব্যাপী ৫০০ ছাত্রকে শেখানো হলো, আই হ্যাভ আ ড্রিম । হোয়াট ইজ চেইন্জ মেকার-হাউ টু মেইক চেইন্জ । হু ওয়্যার দ্যা ন্যাশন বিল্ডার্স - হাউ টু বিল্ড আ ন্যাশন । উদাহরণ হিসেবে এলো, মার্টিন লুথার কিং এর বিখ্যাত উক্তি- আই হ্যাভ আ ড্রিম - এলো- এ.পি.জে কালাম- নেলসন ম্যান্ডেলা - মাহাথীর মুহাম্মদদের কথা । দিনব্যাপী অন্ত:ত তিনবার উচ্চকণ্ঠে মেন্টরর্সদের সাথে শপথ নিলো পার্টিসিপেন্টরা । এলাহী কান্ড বললে কম ই হয় । হবেই বা না কেন ? দেশসেরা ৫০০ ছাত্রের মনজগতে যে স্বপ্নের বীজ বপন করতে সক্ষম হল, খুবই নিশ্চিত, এদের মধ্য থেকে অবশ্যই কোন না কোন মাহাথীর মুহাম্মদ পাচ্ছে বাংলাদেশ ।

জিউস জাতি প্রশংসাই পেলো বক্তাদের বক্তব্য থেকে । ষষ্ষ্ঠ শতাব্দী থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের অসাধারন বিজয়গাঁথা - একে একে কিভাবে থেমে গেলো , জানা গেলো সে ইতিহাস । গণিত-রসায়ন-চিকিৎসাবিদ্যার জনকদের পরিচয় ও পাওয়া গেলো । জাতির পূর্বপুরুষ আভিসীনা- আল জাবেরদের প্রতি শ্রদ্ধা জাগানিয়া কথাগুলো নতুন করে শোনা গেলো । এক শিক্ষিত ইহুদী জাতি সংখ্যায় খুব নগন্য হয়েও কিভাবে আমেরিকার প্রতিটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রভাবক হয়- পরিষ্কার করা হলো সেটাও ।

প্রতিটি স্পিচের সাথে স্মার্ট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন । ফাঁকে ফাঁকে সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠির অনন্য সব দেশের গান । সারাদিনব্যাপী শিক্ষামুলক একটা প্রোগ্রাম এমন বিরক্তিহীনভাবে কাটানোটাও এক নতুন অভিজ্ঞতা ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট আর ঢাকা ম্যাডিকেলের ছাত্ররা এদেরকে শেখালো এইচ. এস. সি.তে আবার এ+ পেতে হলে কিভাবে পড়তে হবে এবং এইচ.এস.সির পরে ভর্তি পরীক্ষার জন্যই বা কিভাবে পড়তে হবে । সরাসরি প্রশ্ন করে জেনে নেয়া গেলো দেশের বাইরে স্কলারশীপ নিয়েই বা কিভাবে পড়তে যাওয়া যায় ।

মাত্র ১০ মিনিটের "স্মার্ট স্পীকার" এ ইংরেজীতে কথা বলানোটা এমনভাবেই শিখিয়ে দিলেন- এমনই মনকাড়া বক্তব্যে- হাততালির শব্দ থামতেও অনেকটা সময় চলে গেলো !!

সবশেষে CP যা বলছেন, একটা কথাই মনে গেঁথে নিলো ৫০০ এ+ ধারী ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র । CP র বক্তব্য- একজন পুলিশ অফিসার হবেন- সংগঠনের কাউকে ফেভার করার জন্য না - যদি সেটা হয় আপনার উদ্দেশ্য আপনি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন - একজন ম্যাজিষ্ট্রেট হবেন - সাধারন মানুষগুলোর ন্যায় বিচারের অধিকার দেয়ার জন্য- সংগঠনের কোন কেস কে ফেভার করার জন্য না - যদি সেটা করেন, আপনি সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন । সংগঠনকে ফেভার করার জন্য আপনাকে কখনই কিছু হতে হবে না । আপনি প্রিয় বাংলাদেশের জন্য - দেশের মানুষগুলির জন্য অনেক বড় হন - সেটাই আপনার থেকে আপনার সংগঠনের একমাত্র কাম্য ।

চমৎকার একটি কুইজপ্রতিযোগিতা ও হয়ে গেলো - কিছু নমুনা তুলে দিলাম ।

১. ইসলামী শিক্ষা দিবস কবে পালিত হলো ?

ক. ১ লা শ্রাবণ
খ. ১ লা আশ্বিন
গ. ১ লা ভাদ্র
ঘ. ১ লা কার্তিক


২. মাগরিবের ফরজ নামাজে আপনি যখন জামায়াতে সামিল হলেন , ইমামসাহেব তখন দ্বিতীয় রাকায়াতের প্রথম সিজদা দিয়ে - বসেছেন... ওই নামাজে আপনাকে মোট কয়টি সিজদা দিতে হবে... ? কতবার আত্ত্যাহিয়্যাতু পড়তে হবে... ?

ক. ৬-৩ খ. ৬-৪ গ. ৭-৪ ঘ. ৭-৩

৩. নিচের কোন সমাবেশে অসামন্জস্যতা রয়েছে...

ক. তীতুমীর - মজনু শাহ - ক্ষুদিরাম - শরীয়তউল্লাহ
খ. তীতুমীর - মজনু শাহ - মোহনচাঁদ - শরীয়তউল্লাহ
গ. রবীন্দ্রনাথ - ক্ষুদিরাম - সোহরাওয়ার্দী - বঙ্কিমচন্দ্র
ঘ. তিনটিতেই



৪. ৩০০ % মুনাফা করতে হলে ১ লক্ষ টাকা দামের একখন্ড পান্না কত টাকায় বিক্রি করতে হবে.. .. ?

ক.২০০০০০ খ.৩০০০০০ গ.৪০০০০০ ঘ.সম্ভব না


৫. কোনটির গুরুত্ব সবচেয়ে কম... ?

ক. পড় তোমার প্রভুর নামে…
খ. জ্ঞানার্জনের জন্য প্রয়োজনে সূদুর চীনে যাও…
গ. প্রতিটি মুসলিম নরনারীর উপর ই ইলম শিক্ষা করা ফরয…
ঘ. যারা জানে আর যারা জানেনা, তারা কি সমান হতে পারে....


ব্যাস্ত এ দিনটিকে স্মরণ করবে ভবিষ্যত এক প্রজন্ম । প্রচন্ড উচ্ছ্বসিত একঝাঁক সর্বোচ্চ মেধাবীর মধ্য থেকে ইনশাআল্লাহ- অবশ্যই বেরিয়ে আসবে কোন না কোন চেইন্জ মেকার - কোন না কোন ন্যাশন বিল্ডার । কোন না কোন সোনালী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দক্ষ কারিগর । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28836451 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28836451 2008-08-29 22:47:51
ইসলামী শিক্ষা দিবসের কিছুটা ইতিহাস
১৫ আগষ্ট শেখমুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতি যথাপ্রাপ্য শ্রদ্ধা জানাচ্ছি । সে ইতিহাস সম্পর্কে কমবেশি সবাই জানে, অসংখ্য পোষ্ট ও আসবে সারাদিন ধরে, তাই এখন শোনাবো ১৫ আগষ্ট-১৯৬৯ এর এক ইতিহাস - যা জানার কৌতুহল অনেকের ই রয়েছে ।

শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্র ইসলামী ছাত্রশিবির এই দিনটিকে ইসলামী শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করে ।

অসাধারণ মেধাবী আব্দুল মালেকের আলোকোজ্জল শিক্ষাজীবন ছিলো এরকম,

-তিনি জুনিয়র স্কলারশীপ লাভ করেন।
-এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে মেধা তালিকায় একাদশ স্খান অর্জন করেন।-এইচএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ৪র্থ স্খান নিয়ে পাস করেন।
-এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন।
-শাহাদাত বরণ কালে তিনি ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
-তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ১২২ নং রুমে থাকতেন।

১৫ আগষ্ট। ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রসেনানী আব্দুল মালেকের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী। ইসলামী শিক্ষার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের হাতে গুরুতর আহত হওয়ার ৩ দিন পর ১৯৬৯ সালের এই দিনে তিনি শহীদী মৃত্যুর অমিয়সুধা পান করেন।

পাকিস্তান আমলে সর্বশেষ শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয় ১৯৬৯ সালে । এতে শিক্ষা ব্যবস্থার আদর্শিক ভিত্তি কি হবে, তা নিয়ে জনমত জরিপের আয়োজন করা হয় । এর অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৬৯ সালের ২ আগষ্ট এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় । এই সময়ে বামপন্থী ও ইসলামবিরোধী সংগঠনসমূহ এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ।

এই আলোচনা সভায় বামপন্থীদের বিরোধীতামুলক বক্তব্যের মধ্যে শহীদ আব্দুল মালেক মাত্র ৫ মিনিট বক্তব্য রাখার সুযোগ পান । অসাধারন মেধাবী বাগ্মী আব্দুল মালেকের সেই ৫ মিনিটের যৌক্তিক বক্তব্যে সভার মোটিভ পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে যায় । উপস্থিত শ্রোতারা আব্দুল মালেকের বক্তব্যের সাথে ঐক্যমত্য পোষণ করে । আব্দুল মালেকের ত্বত্ত্ব ও যুক্তিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ক্ষিপ্ত করে দেয় ইতোপূর্বে বক্তব্য রাখা ইসলাম বিরোধী বক্তাদের ।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামী শিক্ষার পক্ষের জনমতকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে টি.এস.সি. তে ১২ আগষ্ট আয়োজন করা হয় আরেকটি আলোচনা সভার । বামপন্থী শিক্ষকরা এখানে শহীদ আব্দুল মালেক ও তার সংগীদের আসতে বাধার সৃষ্টি করে । কিন্তু যেভাবেই হোক আব্দুল মালেক সভায় উপস্থিত হন । ডাকসুর সভায় সাধারন ছাত্রের কথা বলার অধিকার আছে । শহীদ আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলার আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয় ।


একচেটিয়া বক্তব্যমঞ্চ দখল করে ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা বক্তব্যের ভাষা ধীরে ধীরে ইসলামকে আক্রমণ করে দেয়া শুরু করে । এসময় মস্কোপন্থী এক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ইসলাম সম্পর্কে চরম আপত্তিকর বক্তব্য রাখতে শুরু করলে অনুষ্ঠানের উপস্থিত ইসলামপ্রেমী ছাত্ররা প্রতিবাদ জানায় । যুক্তি ও বান্তবতার লড়াইয়ে পরাজিত বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠী ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমন চালায় ছাত্রদের ওপর ।

সকল সংগীকে নিরাপদে বিদায় দিয়ে শহীদ আব্দুল মালেক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশ দিয়ে যাবার পথে লোহার রড-হকিষ্টিক নিয়ে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে পিশাচ বাহিনী ধর্মনিরপেক্ষ ও বাম সন্ত্রাসীরা । রক্তাক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ছাত্র আব্দুল মালেক । তিনদিন পর ১৫ আগষ্টে শাহাদাত বরন করেন ইসলামের এই মহান বক্তা ।


আব্দুল মালেকের জন্ম ১৯৪৭ সালের মে মাসে। জন্ম স্খান বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার খোকসাবাড়ী গ্রামে।

শহীদ আব্দুল মালেকের মধ্যে বিস্ময়করভাবে অনুকরণীয় সব গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী, নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত।

ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রথম শহীদ , শহীদ আব্দুল মালেক ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মীর মনে চিরদিন ভাস্বর হয়ে থাকবেন প্রেরনার এক সুউজ্জ্বল বাতিঘর হয়ে ।

(এই পোষ্টের কমেন্ট প্রকাশ করা হয় নি । Click This Link )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28831125 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28831125 2008-08-15 12:13:35
আপনারা কতখানি ভাবতে পারেন ? আমাদের গন্তব্য তারও চেয়ে বহুদূরে.. .. .. আমি এ প্রস্তাব শুনে অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হচ্ছি যে , মযলুমকে জালিমের নিকট ক্ষমার আবেদন জানাতে বলা হচ্ছে । আল্লাহর কসম ! ক্ষমা প্রার্থনার কয়েকটি শব্দ আমাকে ফাঁসি থেকেও রেহাই দিতে পারে , তবু আমি এরূপ শব্দ উচ্চারন করতে রাযী না। আমি আল্লাহর দরবারে এমন অবস্থায় হাযির হতে চাই, যে, আমি তার প্রতি এবং তিনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট

"আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ" - ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত মিশরে ইখওয়ান নেতা সাইয়্যেদ কুতুব শহীদের এ ছিলো এক মহাঐতিহাসিক উচ্চারণ ।

মিশরে ইসলামী আন্দোলনের বিদ্যুতগতি-জনপ্রিয়তায় ভীত সন্ত্রস্ত মিশররাজ কর্ণেল নাসেরর কুকর্মের কারনে আজো সে ঘৃণিত-নিন্দিত এক ফেরাউনের উপাধি নিয়ে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে পড়ে আছে ।

এই কি শুরু আর এই কি শেষ ? কখনও না !!।

ইসলামী আন্দোলনের রাসুলযুগের মহান সাহাবাগন যে সর্বোচ্চ ত্যাগের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, যুগ যুগ,যুগ.. .. ধরে সে ধারা বয়ে চলেছেন প্রতিটি যুগের মুয়াজ্জিনেরা ।

"আপনারা মনে রাখবেন যে , আমি কোন অপরাধ করিনি । আমি তাদের কাছে কিছুতেই প্রানভিক্ষা চাইবোনা ।"

বইয়ের নাম কাদীয়ানি সমস্যা । যে বই আজ অবধি কেউ নিষিদ্ধ করার ধৃষ্টতা দেখাতে সাহস করেনি , সেই বই লেখার অপরাধে শতাব্দীর আরেক মুজাদ্দিদ সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী (রঃ) কে শেষতক ফাসির দন্ডই দিয়ে ফেলল বেকুব রাজপ্রসাশন ।

সরকার জানিয়েছিলো, প্রান ভিক্ষা চাওয়ার সুযোগ রয়েছ।
যার আরেক ঐতিহাসিক জবাব ইতিহাস স্বরণ করবে যুগ যুগান্তর ধরে ,

".. .. .. .. এমনকি আমার পক্ষ থেকে অন্য কেউ যেন প্রান ভিক্ষা না চায়-না আমার মা-না আমার ভাই-না আমার স্ত্রী-পুত্র-পরিজন । জামায়াতের লোকদের কাছেও আমারএই নিবেদন । "

ফাসিরমঞ্চে একজনের কাছ থেকে আত্মহত্যা সংক্রান্ত তথ্য জানতে পেরে সেদিন তিনি মৃদু হেসে বলেছিলেন, "যে প্রানভরে শাহাদাতের সুধা পান করতে যাচ্ছে, সে কি এমনই নির্বোধ যে আত্মহত্যা করে জাহান্নামে যাবে । "

দেশব্যাপী নয় কেবল, পুরো পৃথিবীব্যাপী বিক্ষোভের মুখে সরকার সে যাত্রায় ফাসির দন্ড সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ।

৬৩ সালে সম্মেলনে বক্তব্য দেয়াকালীন সন্ত্রাসীরা মওদুদী রঃ কে লক্ষ করে গুলি চালাল , চারদিক থেকে চিৎকার করে তাকে বসে পড়তে বলা হলো। ।
মাওলানা অবিচল দাড়িয়ে থেকেই সেদিন বললেন, "আমি যদি বসে পড়ি, তাহলে দাড়িয়ে থাকবে কে ?


ইসলামের এ ইতিহাস, ইসলামী আন্দোলনের এ ইতিহাস- ধ্রুব সত্যের ইতিহাস । পৃথিবীর কোন পরিস্থিতি ইসলামের এ বিপ্লবী আন্দোলনকে দমন করতে পারেনা, পরেনি, পারবেও না ।

ভোগবাদী প্রতিপক্ষের সীমাব্দ্ধ জীবনচিন্তা মৃত্যুর মুহুর্ত পর্যন্ত গিয়ে থেমে যায় । আর যারা বিশ্বাস করে নিয়েছে, "মুমিনদের জান ও মাল আল্লাহ কিনে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে" তাদেরকে পরাজিত করবে, হা হা... সে বড় হাস্যকর চিন্তা ভাবনা !!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28800893 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28800893 2008-05-21 14:51:16
.. .. ..কামড় দিয়েছে পা এ
আপনারা ভুলে গেছেন মানুষের পরিচয় ! আপনারা ভুলে গেছেন মনুষ্যত্বের পরিচয় । নিজেদের মত করে দেখছেন সবাইকে , অন্যকে দেখছেন নিজের আয়নায় । নিজেকে পশুর স্তরে নামিয়ে নিয়ে যা খুশি করে ভাবছেন, সবাই খুব বাহবা দিয়ে মজা লুটছে ।

বড় ভুল আপনদের ধারনা ! মনুষ্যত্ব যাদের অনু পরিমান বেচে আছে তারাও বুঝবে এ কত বড় স্পষ্ট ফারাক ।

জামায়াতের বিরোধিতা করবেন আপনারা- করুন
ছাত্রশিবিরের বিরোধিতা করবেন আপনারা-করুন
ইসলামের বিরোধিতা করবেন বা ইসলামি মুভমেন্টের বিরোধিতা করবেন-করুন

কিন্তু যে পদ্ধতিতে আপনারা এই বিরুদ্ধতার প্রকাশ ঘটাচ্ছেন, তা খুব খুব বেশি নোংরা, খুব বেশি কুৎসিত । নিজেদের নোংরা-হীন-ক্লেদাক্ত চরিত্রের প্রকাশ ঘটছে আপনাদের প্রতিটা বাক্য-প্রতিটা শব্দে ।

এই যদি হয় আপনাদের কর্মপদ্ধতি- এই যদি হয় আপনাদের আচরন-এই যদি হয় আপনাদের মানসিকতা, তবে তার প্রতি অনন্তকাল ধরে ঘৃণা !

যারা আমার ব্রেনওয়াশ করেই ফেলেছে , তারা সেটা করেছে সৌন্দর্য-স্বচ্ছতা-সৌকর্য-ফুলের সৌরভ দিয়ে । তাদের অসাধারন চারিত্রিক দীপ্তী হাজারটা পর্দার নিচে চাপা দিয়েছে তাদের অতীত-বর্তমান নিয়ে তুলে ধরা কুৎসা আর অপপ্রচার ।

তাদের সীমাহীন ভদ্রতা - মননশীলতার সামনে আপনাদের এইসব কুৎসিততম গালাগালি আর অসভ্যতা যখন মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করে ক্লাশ ফোর-ফাইভ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ শ্রেনীর ছাত্রটি, তারা আমার মতই হতচকিত হয়ে পড়ে ।

অতএব সাবধান ।

এতটা শক্ত আক্রমন, এতগুলো মানুষের জীবন কেড়ে নেয়া, এতটা জুলুম নির্যাতন, এতটা তথ্য সন্ত্রাস করার পরেও মহান রাব্বুল আলামীন এখনও আমাদেরকে এদেশের শিক্ষাপ্রতিস্ঠানগুলোতে শ্রেষ্ঠ অবস্থানে রেখেছেন ।

তার কারন আপনারা শত চেষ্টা করেও কখনও কুল করে উঠতে পারেন না । কিন্তু একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে আমরা এসব নিয়ে ভাবি-এমন কি রীতিমত গবেষণা করি ।

মনুষ্যত্বের সাথে পশুত্ব পারবে কিভাবে ? এটা কি সম্ভব ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28799884 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28799884 2008-05-19 17:04:40
আজ রাতে আমরা যা করবো
কিছুক্ষন আগে এস.এম.এস পেয়েছি ।

Honorable ameere jamayat may be arrested tonight for GATCO Scam case . We should pray for him , Islamic movement and also for our country
ইংলিশ না বুঝলে বাংলা বলে দেই, আমাদেরকে কি করতে বলা হয়েছে । দোয়া করতে বলা হয়েছে , শুধুমাত্র আমীরে জামায়াতের জন্য নয়, ইসলামী আন্দোলন এবং প্রিয় মাতৃভূমির জন্য ।

এসএমএস পেয়ে কল ব্যাক বিস্তারিত জানতে চাইলাম করনীয় সম্পর্কে । ফোনে বেশি কিছু বলার নেই ।পরবর্তী আরেকটি এস.এম.এস এলো ।

Try to pray tahazzud salah tonight and pray for the leader of Islamic movement and our country
ব্যাস !

এসংগঠন সন্ত্রাসনির্ভর আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ না । এ সংগঠন বাম- ফ্রন্ট- ইউনিয়নের মত গোপনেও সন্ত্রাস চালানোতে অভ্যস্থ না ।

বর্তমান সেক্রেটারী জেনারেল রেজাউল করীম ভাইকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনাদেরকে সবাই ভয় পায় কেন ? উত্তর ছিলো একটা হাদীসের রেফারেন্স ।

যারা আল্লাহকে ভয় করে দুনিয়ার সব অপশক্তি তাদেরকে ভয় করে আর যারা আল্লাহকে ভয় করেনা দুনিয়ার সকলকিছু তাদেরকে ভয় দেখায় ।

ইনশাআল্লাহ, পৃথিবীর কঠিনতম কোন পরিস্থিতিও আমাদেরকে লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে ভীত করে পিছপা করতে পারবে না কখন ও ।

আমরা সকল পরিস্থিতির জন্য একমাত্র মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর ওপরই পরিপূর্ন ভাবে নির্ভর করবো ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28797734 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28797734 2008-05-14 00:25:12
আজ কুরআন দিবস (১১ মে , ১৯৮৫) কুরআনের সকল আরবী কপি ও অনুবাদ বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়ে একটি রীট আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ১২ই এপ্রিল’৮৫ বিচারপতি তিন সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ভারতসহ সারা বিশ্ব প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের মুসলিম জনতাও এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে থাকে মিছিল সমাবেশের মাধ্যমে ।

-বাংলাদেশে কুরআন দিবসের মূল প্রেক্ষাপট চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা । সেদিন (১১ই মে) বিকাল ৩ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঈদগাহ ময়দানে এক প্রতিবাদী জনসভার আয়োজন করা হয়।

-ঐ দিন সকালের দিকে প্রতিবাদ কমিটিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেকে চাপ দিয়ে সভা স্থগিতের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। প্রশাসন নিজ উদ্যোগে সভা স্থগিত করা হয়েছে মর্মে সভা শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে থেকে মাইকিং করা শুরু করে। কিন্ত সাধিরন জনগন ও ছাত্ররা প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হতে থাকে। উচ্ছসিত জনতার মিছিল শ্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

-এ সময় কুখ্যাত ম্যাজিস্ট্রেট ওহেদুজ্জামান মোল্লা ক্ষিপ্ত হয়ে জনতাকে গালি গালাজ করতে থাকে এবং কোনভাবেই এখানে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না বলে জানায়। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা ইসারুল হক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শুধুমাত্র মুনাজাত করেই সভা শেষ করে চলে যাওয়ার অনুমতি চান। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ওহেদুজ্জামান মোল্লা এ আবেদন প্রত্যাখান করে ।

- এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠি চার্জ শুরু করলে জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ম্যাজিস্ট্রেট নিরস্ত্র জনতার ওপর গুলি চালাতে নির্দেশ দিলে ঘটনা স্থলেই এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে ৮ জন মৃত্যু বরন করে।

-পুলিশের নিশৃংসতা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, গুরুতর আহতদের নিয়ে রাজশাহী হাসপাতালের উদ্দেশ্যে যখন থানার সামনে দিয়ে একটি বাস যাচ্ছিল তখন সেই বাসেও তারা হামলা চালায় এবং গুলি করে একজনকে হত্যা করে এবং হেলপারসহ অনেককে আহত করে

-এই দিনে এদেশের ইসলাম প্রিয় জনতা প্রমাণ করে ইসলামের বিরুদ্ধে যেকোন ষড়যন্ত্র নিজের জীবন দিয়ে হলেও তারা প্রতিরোধ করবে ইনশাল্লাহ্‌ ।

- বিশ্ব মুসলিমের প্রতিবাদের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ মামলাটি খারিজের জন্য এটর্নী জেনারেলকে নির্দেশ দেয়। ১৩ই মে কলিকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বি. সি. বসাকের আদালতে স্থানান্তরিত হলে মামলাটি তিনি খারিজ করে দেন।

সেদিন যারা শাহীদ হলেন কোরআনকে ভালোবাসার অপরাধে _


১.শহীদ আব্দুল মতিন-১০ ম শ্রেণী (ছাত্র) ২.শহীদ রাশিদুল হক-১০ ম শ্রেনী (ছাত্র) ৩.শহীদ শীষ মোহাম্মদ- ৯ম শ্রেণী (ছাত্র) ৪.শহীদ সেলিম-৮ম শ্রেণী (ছাত্র) ৫.শহীদ শাহাবুদ্দিন-৬ ষ্ঠ শ্রেণী (ছাত্র) ৬.শহীদ আলতাফুর রহমান - কৃষক ৭.শহীদ মোক্তার হোসেন - রিক্সাচালক ৮.শহীদ নজরুল ইসলাম - রেল শ্রমিক

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28796728 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28796728 2008-05-11 23:13:38
পার্বত্য চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকান্ড এবং শিবির কর্মীর ধিক্কার <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> সময়কাল ২০০৯ সন, ০৫ ই মার্চ
অবিভক্ত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রদেশের একচ্ছত নেতা পাহাড়ী বন্ধু .. .. .. .. . . এক প্রাগৈতিহাসিক ভাষণে চট্টলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন

মহান নেতা তার ভাষণে বলেন,
আজ দুঃখ-ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি. . . .আজ পাহাড়ের মানুষ মুক্তি চায়-তারা বাঁচতে চায়।. .. ..আশা ছিল আমরা শাসনতন্ত্র তৈরী করবো এবং আমাদের শাসনতন্ত্রে পাহাড়ী মানুষ তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি লাভ করবে।. .. ..
কিন্তু ৩৭ বছরের ইতিহাস পাহাড়ী মানুষের মুমুর্ষু আর্তনাদের ইতিহাস.. নির্যাতিত মানুষের কান্নার ইতিহাস

আমরা রক্ত দিয়েছি।......আমার বহু ভাইকে হত্যা করা হলো। ১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগ সরকার এলেন। তারা শান্তিচুক্তি করলেন, তারা বললেন, পাহাড়ী জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবেন, আমরা মেনে নিলাম।
তার পরের ঘটনা সকলেই জানেন.....

.. .. বলা হলো আমার অনমনীয় মনোভাবের জন্যই কিছু হয়নি।
এরপর পাহাড়ের মানুষ প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠলো। আমি শান্তিপূর্ণ সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য হরতাল ডাকলাম। পাহাড়ের জনগণ আপন ইচ্ছায় পথে নেমে এলো।

কিন্তু কি পেলাম আমরা? ......যখন ই আমরা শাসনভার গ্রহণ করতে চেয়েছি, তখনই ষড়যন্ত্র চলেছে-আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

.. রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো। তবু পাহাড়ের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ।
এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম..


উল্লেখ্য যে এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার ধোয়া তুলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির । এই বিশ্বাসঘাতক দল (<img src=(" style="border:0;" />)অতীতের মত আবার-ও তাদের অপরিবর্তনীয় স্বাধীনতাযুদ্ধবিরোধী চেহারার প্রকাশ ঘটিয়েছে । তারা তাদের সব স্তরের জনশক্তিকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য

অথচ এদের উচিত ছিল চট্টগ্রাম আওয়ামীলিগের মত বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সাফল্যের উদ্দেশ্যে এবং ভারতের কাছে পার্বত্য অঞ্চল বিকিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা ! তা না করে এরা পাহাড়ী জনগনের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধের শক্তি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা করছে । <img src=" style="border:0;" />

পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাধীনতাবিরোধী চট্টগ্রাম জামায়াত-ছাত্র শিবির, ধিক তোদের , শতধিক !‍ পাহাড়ের জনগন তোদের চিড়দিন ঘৃণা করবে !!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28796484 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28796484 2008-05-11 11:22:30
কতদিন পর প্রানভরে নারায়ে তাকবীরের শ্লোগান তুল্লাম <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
বুক ফাটিয়ে ঢাকার আকাশ বাতাস কাঁপালাম অনেক দিন পরে । একেকজন সঙগীর চোখে মুখে সে কি দ্বীপ্তি <img src=" style="border:0;" /> ছাত্রশিবার জিন্দাবাদ বলার চান্স পাইনি । ইসলামের শত্রুরা -হুশিয়ার সাবধান- শ্লোগান তুলতেও মানা ছিলো । তবুও চামে বলিনি এমন নয় । শেষ দিকে তো আল্লাহর আইন চাই-সৎ লোকের শাষন চাই এর শ্লোগান ও ধ্বনিত হলো <img src=" style="border:0;" />

নাড়ায়ে তাকবীর- আল্লাহু আকবর
বাংলাদেশের প্রান্ত হতে-রাসুল তোমায় জানাই সালাম
তোমার নেতা আমার নেতা-বিশ্বনবী মোস্তফা
আজ রাসুলের জন্মদিন-আজকে মোদের খুশির দিন

আল কোরানের অপমান - সইবে নারে মুসল মান
রাসুলের অপমান - সইবে নারে মুসলমান

ঠেলেঠুলে সামনের দিকে ই চলে গেছিলাম র্যালী শুরু হবার আগেই । কারন শুরু হয়ে গেলে আর ঠেলাঠেলি করা যাবেনা <img src=" style="border:0;" /> তাতে শৃঙ্খলার সমস্যা । আমাদের ঐতিহ্যের পরিপন্থী <img src=" style="border:0;" />

ফকিরাপুল-দৈনিকবাংলা ঘুরে আমরা যখন পল্টনমোড় ও ছাড়িয়ে গেলাম, তখনও মিছিলের শেষমাথা কাকড়াইলে :-*

ঢাকাবাসী অনেকদিন পর জম্পেশ এক বিশালতম র্যালী দেখলো কোরআন প্রেমিকদের । রাসুলপ্রেমিকদের এ সমাবেশ থেকে বার্তা ছড়িয়ে দেয়া হলো, মসজিদের দেশ বাংলাদেশে কোরানের বিরোধী কোন আইন বানানোর দিবাস্বপ্ন ছেড়ে দিতে হবে ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28781650 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28781650 2008-03-23 01:50:01
ডেইলি স্টারের ধরা খাওয়া সেই ছবি...... (মাহমুদ রহমান)
এরকম পরিস্কার বোল্ড আউট হতে দেখিনি আগে। পাঠক লক্ষ করুন রোড ডিভাইডারের উপর যে লেখাটা আছে সেটা উল্টানো ছিল ডেইলি স্টারের ছবিতে। রাস্তাঘাটে মিরর ভিউ দেখানোর জন্য কখনও উল্টা লেখা দেখেছেন?

সেইখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, যদি ছবিটা সোজা করে ধরা হয় তবে দেখা যায় যে, পিস্তলের ডিরেকশন ইঙ্গিত করে গুলি যাচ্ছে আওয়ামী শিবির থেকে জামায়াত শিবিরে।

একই ছবি যুগান্তর ছাপিয়েছিল সোজা করে। তারা ডেইলি স্টারের মত অত বুদ্ধিমান ছিল না।


কৃতজ্ঞতাঃ মাহমুদ রহমানের পোষ্ট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28775522 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28775522 2008-03-01 22:46:10
কম্পিউটার ব্যবহার ইসলামে হালাল না হারাম কম্পিউটার " ও "ইসলাম "

হাস্যকর এ প্রশ্নের জবাবে অশ্লীল-এটিমের নিকেরা (!) নানা উদ্ভট কথা বলেছে ।

আমি কমেন্ট করেছিলাম, প্রজুক্তির ব্যবহার শুধু হালাল ই না বরং জরুরী এবং অত্যাবশ্যক । বরং সুযোগ থাকা সত্বেও প্রজুক্তির ব্যবহার না করলে পাপী হবার সম্ভাবনা আছে ।

আযাদভক্ত কেন যেন আমার উত্তর পছন্দ করলেন না । ডিলিট করে দিলেন <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

এই পোস্টের শিরোনামটা হাস্যকর । তবে ইসলামগ্রুপ চাইলে প্রযুক্তির ব্যবহার ও ইসলাম সম্পর্কিত আলোচনা করতে পারেন !


গ্রুপ পোষ্ট


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28774723 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28774723 2008-02-28 04:36:17
আমাদের ব্রেনওয়াশ যেভাবে করা হয়

১.এক্স খুব ভালো ব্যবহার করে আমার সাথে, এত মিষ্টি করে সালাম দেয় ভালো না লেগে উপায় নেই

২.এক্স খুব স্মার্ট এবং ফিটফাট থাকে-তার মাথার চুল আচড়ানো, মুখের দাড়ি গোছানো-পোশাক ধবধবে পরিষ্কার

৩.এক্সকে কখনও কোন খারাপ কথা বলতে শুনিনা, সিগারেট খেতে দেখি না

৪.এক্স নামাজ পড়ে ৫ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে

৫.এক্স এর বন্ধুরাও সবাই খুব ভালো- ঠিক এক্সের মত

৬.এক্স আমাকে সুন্দর সুন্দর পত্রিকা-গল্পের বই উপহার দেয়, ওগুলো এত মজার যে পাওয়ামাত্র পড়ে শেষ করে ফেলি ।

৭.এক্স ও তার বন্ধুরা কুইজ প্রতিযোগীতা, রচনা প্রতিযোগীতা এসবের আয়োজন করে । আমি তাতে খুব আগ্রহ নিয়ে অংশ নেই । রচনা প্রতিযোগিতায় ফাষ্র্ট হয়ে যাই কোনোবার।

৮.এক্সদের পিকনিকে ও যেতে হয় এরপর আমার । উফ, সে কি পিকনিক, হুলস্থুল কান্ড । গাড়িতে যাই আমরা । কি মিষ্টি মিস্টি গান শোনায় ওদের শিল্পীরা- কত কৌতুক বলে-অভিনয় করে, আমরা হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরিয়ে ফেলি । সবকিছু হয় খুব সাজানো গোছানো, কোন অনিয়ম নেই

৯.এক্সকে একদিন গালাগালি করে পাড়ার কিছু ছেলে । ওদের কে সবাই বখাটে ছেলে বলে । ওরা একদিন দেখি এক্সকে থাপ্পর মারলো, আমার এত কষ্ট হলো সেদিন ।

১০.আমার সেবার জ্বর হল । এক্স ও তার বন্ধুরা আমাকে যে কতবার দেখতে এসেছে তার ইয়াত্তা নেই । আমার আব্বু-আম্মু কখনও এক্সদের দেখতে পারে না । এরপর থেকে তারাও এক্সদের পছন্দ করতে শুরু করলো । এমনকি আম্মু দেখি বলছে, ছেলেটা কি সুন্দর করে সালাম দিয়ে খালাম্মা বলে ডাকলো !

ধীরে ধীরে এক্সরা আমাকে নিয়ে আসে আলোকিত এক ভুবনে । যে ভুবনের বাসিন্দারা কখনও কোন খারাপ কাজ করেনা , কাউকে অনর্থক কষ্ট দেয়না, সবাইকে ভালোবাসে আপনজনের মত ।যে ভুবনের বাসিন্দারা প্রত্যেকে জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাকে । যে ভুবনের বাসিন্দাদের প্রত্যেকের মনে গেঁথে গেছে সোনালী যুগের সাহাবী-জীবন যাপনের বাসনা ।

এক্সদের ভালোকাজের পরিমান এত বেশি-এতবেশি চোখ ধাধানো যে তার তোড়ে ভেসে যায় বখাটেদের গালিগালাজ আর এক্সদের বিরুদ্ধে তুলে ধরা যাবতীয় অপবাদ ।আমি হয়ে যাই পুরোপুরি ব্রেনওয়াশড !!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28772944 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28772944 2008-02-22 06:17:26
পল্লবকে শুধু ব্যান নয়- আইপি প্রকাশ করুন আইপি প্রকাশ করতে হবে । শুধুমাত্ ব্যান করবেন আর সে চলে যাবে সবার দৃষ্টির আড়ালে -পুরো ব্লগাররা রয়ে যাবে অন্ধকারে এমনটা যেন নাহয় ।

পল্লবের পোষ্ট পড়ে যে কোন সামান্যতম আইকিউসম্পন্ন ব্লগারও বুঝতে পারবেন, এটা কোনক্রমেই ইসলামী সংগঠনের কেউ হতে পারে না । খুব কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে বর্তমান দৃঢ় একটা অবস্থানে পৌছে যাওয়া এদেশের ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা অনেক বেশি বুদ্ধিমান । তারা ব্লগে আসে ইসলামের সুমহান বার্তা ছড়িয়ে দিতে । সংগঠনের প্রেস রিলিজ ছাপানোর মত গাধামার্কা কাজ করার মানসিকতা যার আছে সে অবশ্যই অসুস্থ অথবা নিশ্চিতভাবে সংগঠনের কেউ নয় ।

গতরাতে নোটিশবোর্ড নতুন একটা সংযোজন করেছেন নীতিমালায় । সংযোজনের ধর্ম সংক্রান্ত অংশ ধর্মবিরোধী নাস্তিক গোষ্ঠী এবং তাদের তালে নাচা আওয়ামীধ্বজাধারীদের ভালো লাগেনি । সেই ক্ষোভেই কি আবার পল্লব মিশন শুরু হলো ?

পরিশেষে আবার ও আহবান জানাচ্ছি, মুনতাকার আইপি প্রকাশ করুন । সে যদি শিবির বা জামায়াতের কর্মী হয়েও থাকে তার বিরুদ্ধে সংগঠনের কাছে অভিযোগ জানাবো আমি ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28770373 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28770373 2008-02-14 06:35:00
একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাচ্ছিরে কুরআন
পবিত্র কুরআন থেকে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় আয়াতের পর আয়াত পাঠ করেন আর তার বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা করেন । আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাচ্ছিরে কুরআন হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন অনেক আগেই ।

মূলত হিন্দুপ্রধান নিজ নির্বাচনী এলাকায় একাধারে বেশ কয়েকবার এমপি নির্বাচিত হ্ওয়া তার মানবিকতা-জনপ্রিয়তার প্রকৃষ্ট উদাহরন । হিন্দু জনগনের হৃদয় জয় করে নেওয়া মনে হয় একমাত্র এমপি এই জামায়াত নেতা ।

আমাদের এলাকার বিশাল ফুটবল মাঠটাতে একবার সাইদী সাহেবের ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিলো । বাস্তবতা উপলদ্ধি করেছি সেদিন । বিশাল মাঠ উপচে পড়েছিল মানুষের ভীরে । আশেপাশের রাস্তা-বাজার-স্কুল কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল । একটানা ৩ ঘন্টা বক্তব্য রাখাকালীণ একটা মানুষও নড়াচরা করেনি জায়গা থেকে । মানুষের মুগ্ধ-বিষ্ময় দেখেছি সেদিন ।

নিজ নির্বাচনী এলাকার সকল শ্রেনীর মানষের কাছে সম্মানিত-সারা দেশের মানুষের শ্রদ্ধা আদায়কারী- এই মানুষটিকে মহান আল্লাহ যথোপযুক্ত প্রতিদান দিন-।।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767827 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767827 2008-02-07 04:24:53
আজ তার জন্মদিন- প্রিয় সংগঠন আমার ! তোমাদের মাঝে এমন একটি দল থাকবে যারা মানুষকে কল্যানের পথে ডাকবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে'-আল-কুরআন

এটা মানব-সভ্যতার ইতিহাস । যেখানেই জমাটবাধা ঘনঘোর অন্ধকার সেখানেই প্রোজ্জ্বল আলোর মশাল নিয়ে উপস্থিত হন স্রষ্টার দুত।অন্যায়,অনাচার,পাপাচার,অসত্য,অপরাধ,অশ্লীলতা,অধর্ম,অশিক্ষা, দুর্নীতি, দুরাচার, পঙ্কিলতা যখনই এই সুন্দর ধরনীকে কলুষিত-বিষাক্ত করার চেষ্টা করেছে তখনই মহামহিম আল্লাহর অপার করুনার রহম-বারি বর্ষিত হয়েছে ধ্বংসন্মুখ জাতির ওপর ।

জান্নাতের সেই রহমতের ঝর্নাধারায় সিক্ত এক আলোক-কাফেলা হতাশার মহাসমুদ্রে নিমজ্জিত বাংলাদেশের জনগনকে দেখিয়েছিল সান্তনার সবুজ দ্বীপের ঠিকানা । ছাত্রসমাজকে জাহান্নামের পার্শ্বদেশ থেকে সরিয়ে এনে কুরআনের কুহকে আবদ্ধ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলো সেদিন এ জান্নাতী সংগঠন ।

উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে আল্লাহু-আকবর ধ্বনির প্রথম স্বাধীন উচ্চারণ হয়েছিল এ দিনটিতে ।
১৯৭৭ সালের ৬-ই ফেব্রুয়ারী

সভ্যতা-জ্ঞান-প্রগতির কথিত সূতিকাগার যখন বালা-বর্ম পরিহিত বিভ্রান্ত তরুনদের বিষাক্ত ছোবলে ক্ষত-বিক্ষত ছিল,
সমাজতন্ত্র-পুঁজিবাদ , ধর্মনিরপেক্ষতা আর সর্বহারার মতবাদ যখন কুড়ে-কুড়ে খাচ্ছিলো কোমলমতি জ্ঞানতাপস ছাত্রসমাজের মেধা-মনন কে, ছিলনা শান্তি, স্বস্তি আর স্বকীয়তা। অর্থনৈতিক শোষণ-রাজনৈতিক নিপীড়ন আর সাংস্কৃতিক গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করার সকল আয়োজন যখন সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে তখনই হেরার রশ্মীর প্রতিফলনে ঝকঝকে সাদা আকাশ নিয়ে আবির্ভাব এ পবিত্র সংগঠনের।

প্রতিষ্ঠার ৩১ বছরে ১৩১ শহীদের রক্তের নজরানায় আজ এ সংগঠন এদেশে ছাত্রসমাজের সবচেয়ে আপন-সবচেয়ে প্রিয়-সবচেয়ে নিরাপদ সংগঠনে পরিনত হয়েছে । শৃঙ্খলা-মেধা-চরিত্রের প্রভায় প্রভাবিত আজ গোটা দেশ ।


হাজারো জুলুম নির্যাতন- মিথ্যা অপপ্রচার-মিডিয়া সন্ত্রাস এর অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারেনি এতোটুকু বরং উল্টো মানুষের কাছে প্রমানিত করেছে প্রিয় রাসুল সাঃ এর আন্দোলন ও কর্মপদ্ধতির সাথে সাদৃশ্য । আল্লাহর রাসুল সাঃ কে যেধরনের অপপ্রচার - বিরোধিতা -নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়েছে একেও একই মাত্রার জুলুম-নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767423 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767423 2008-02-06 02:28:22
প্রিয় গান - বাড়ি থেকে মা আমাকে দিয়েছে চিঠি বাড়ি যেতে হবে পিঠা খেতে হবে
তবু যাওয়া হবে না যে কিযে আমি করি..
ও আমার মা, সালাম তোমায়.. .. .

দুরে থাকি তবু মাগো মনে পড়ে তাই
ছাত্রশিবির করি অবসর নাই,

বাড়ি বাড়ি ঘুরি
দাওয়াতি কাজ করি
পথে পথে ঘুরি
দাওয়াতি কাজ করি

আমি মাগো তোমাকে যে যাইনি কো ভুলে

ও আমার মা, সালাম তোমায়

ভুল মাগো ভেঙে গেছে এ যে গুরুভার
গাফলতি হলে মাগো ছাড়বেনা আর

দ্বীনি কাজ আগে-দুনিয়া শেষভাগে
ছাড়বেনা খোদাতায়ালা , জানি কোন ছলে..

ও আমার মা, সালাম তোমায়

পরিশেষে বলি মাগো হয়োনা অধীর
ইসলামী বিপ্লবে হয়েছি নিবির

ভালো আছি আমি- দোয়া করো তুমি
দোয়া করো তুমি -ভালো আছি আমি
যেতে পারি যদি নেতা বাড়ি যেতে বলে

ও আমার মা......





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767071 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28767071 2008-02-05 02:55:59
শিবির-জামায়াত মুক্ত ব্লগ চাই-তাইনা ?
কি লাভ হয় এসব ভার্চূয়াল মারামারিতে ?

জামায়াত শিবিরের বিরোধিতা করতে গিয়ে আপনারা করেন গালাগালি-অশ্লীলতার চর্চা - অতি আবেগী চেতনার নমুনা রাখতে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে করেন অপমানিত । ভাষা আন্দোলনের মাসে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে মাতৃভাষাকে করেন কলঙ্কিত ।

আল্টিমেটলি আপনারা নিজেদের ব্যক্তিত্বকে হেয় করেন-ছোট করেন ।

বন্ধ করেন এসব, প্লিজ !

আর না পারলে এটা করুন- ইসলামের আদর্শের কথা বলে যারা তাদের আদর্শের বিপক্ষে আপনারা আপনাদের আদর্শ তুলে ধরুন । লড়াইটা ব্যাক্তি আক্রমন না হয়ে আদর্শিক লড়াই হোক ।

জামায়াত শিবিরের মওদুদিবাদি (?) আদর্শের বিপরিতে কি আর কোন ধর্মীয় আদর্শ নেই । তাবলীগ তো জামায়াত বিরোধী । তারা যেভাবে ইসলামের কথা বলে আপনারা অন্তত সেটা নিয়ে বলতে পারেন । তারপর দেখা যাক, কোন আদর্শ যৌক্তিক-কোনটা গ্রহনযোগ্য ।

মনে রাখবেন, ব্লগের গুটিকয়েক নাস্তিক-মানবতাবিরোধী-ধর্মবিদ্বেষী সমাজতন্ত্রীরা আপনাদেরকে ব্যবহার করছে ।

এদের ফাদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সকলের সচেতন থাকা উচিত ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28766562 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28766562 2008-02-03 08:49:37
রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে প্রথম স্মারকলিপি দেয়ার দায়িত্ব গোলাম আযম যেভাবে পেয়েছিল
২. এক সেশনে ভিপি মুসলিম হলে অন্য সেশনে হবে হিন্দু

৩.১৯৪৭-৪৮ সেশনে গোলাম আযম জিএস নির্বাচিত হয়

৪.৪৮ সালের ২৭ নভেম্বর ছাত্রসমাবেশের আয়োজন করা হয় বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম ময়দানে ইউনিভার্সিটি ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ।

৫.প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী কে শোনানোর জন্য মেমোরেন্ডাম তৈরী করা হয় । এতে পুর্ববাংলার বেশ কিছু দাবীদাওয়ার কথা উল্লেখ ছিলো । তবে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে রাষ্ট্রভাষা বাংলার ব্যাপারটা হাইলাইট করা হয়েছিলো।

৬. মুসলিম লীগ সরকারের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ব্যাপারে অপপ্রচার ছিলো যে এর পেছনে হিন্দুদের হাত আছে ।

৭.একারনেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মেমোরেন্ডামটি ইউনিয়নের হিন্দু ভিপি পাঠ না করে মুসলিম জিএস গোলাম আযম পাঠ করবে ।


***তৎকালীন সাধারন ছাত্রনেতা গোলাম আযমের পরবর্তীতে জামায়াতের আমীর হওয়ার কারনে জামাতিদের বিরুদ্ধে করা উর্দুপ্রীতির অভিযোগ একারনেই জামাতীরা প্রত্যাখ্যান করতে সাহস পায় ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28766203 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28766203 2008-02-02 03:08:15
কেন উনি জামায়াত-শিবিরের বিরোধীতা করেন...(উৎসর্গ: জামাল ভাস্কর নামের সুকৌশলী ব্লগারকে) আমার পোষ্টের জবাব দিয়েছেন এক ব্লগার । পোষ্টের শিরোনাম
কেন আমি জামায়াত-শিবিরের বিরোধীতা করি...(উৎসর্গ: ভালো নামের অপকৌশলী ব্লগাররে)
সেখানে আমার কমেন্ট ------->
**********************************************
ভাইজান, আমার পোষ্টেই বলছি আমি বাচ্চা মানুষ । জানতে এসেছি <img src=" style="border:0;" />

১. আপনার পুরো পোষ্টে আপনি নিজেকে ধর্মবিরোধী বলে জোড়গলায় দাবী করেছেন । আপনি বলতে চেয়েছেন, ইসলাম অহিংশ নয় সহিংস, মানবিক নয়-অমানবিক । জোরজবরদস্তি করে সে নিজের অনুসারী বৃদ্ধি করতে চায় বলে আপনি তাকে পছন্দ করেন না ।


২. আপনি ইশ্বরে বিশ্বাসী না

-এবং.. .. ..

৩. জামাতের সাথে আপনাদের মূল দ্বন্দ্বটা ক্ষমতার জন্য ।

[ক্যান জামায়াতে ইসলামীর বিরোধীতা করি...কারন সেই একই...ক্ষমতা দখলের প্রয়োজনে এরা কৌশলাশ্রয়ী হয়...ধর্মটাও তার অনেক অপকৌশলের একটা]


৪.জামায়াত যে করেই হোক (হোক কন্সপিরেসী'র চাইতে নোংরা) যদি ক্ষমতায় থাকে সেক্ষেত্রে আপনারা ক্ষমতার স্বাদ পাবেন না ।


******************************************



যুক্তি-সত্যতা-ইতিহাস সব বাদ দিয়ে একটা কথা বলি । প্রতিটি ইমানদার মুসলমান উপরের ১ ও ২ নং পয়েন্টের কারনে আপনার সাফল্যের বিরোধী । কারন "আস্তিকদের "শেষ" অস্ত্র-বিশ্বাস" । তারা আপনার আদর্শের সফলতা কখনও চাইবেনা ।


আপনি সফল হবেন না যদি জামায়াত সফল হয় ।
আপনি জামায়াতকে সফল হতে দিতে চান না অবশ্যই ।

অতএব এসব যুক্তি তর্কের ফালতু আলাপন ছেরে দিয়ে একটা ডাইরেক্ট কথা বলি, প্রতিটি ইমানদার মুসলমানের উচিত অন্তত আপনার ১ ও ২ নং বিশ্বাসের বিরোধীতা করার জন্য জামায়াতকে সফল করার প্রচেষ্টা চালানো ।

তাই আমি যেহেতু আমার পোষ্টে প্রথমেই বলেছিলাম, আমি জামাতি ফেতনা থেকে বাচতে চাই তাই আপনাদের প্রতি অনুরোধ করি, এখন থেকে

১. হয় ১ ও ২ নং বিশ্বাসকে ইনভার্ট করুন
২.না হয় জামায়াতকে সমর্থন করতে থাকুন


কারন আমার পোষ্টের বক্তব্য অনুযায়ী জামায়াত-শিবির ইসলামের শত্রু

এবং


এই পোষ্টের বক্তব্যের আলোকে আপনারা ও ইসলামের শত্রু


**************************

আমি সাধারন মুসলমান আমার বিশ্বাস নিয়ে বেচে থাকতে চাই । মৃত্যুর পর আরেকটি জীবনে হতাশার সাগরে ডুবে যেতে চাইনা ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28765708 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28765708 2008-01-31 03:31:27
আমি জানতে চাই, নাস্তিকরা কেন জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করে ? ইসলাম গ্রুপের বিরোধীতা )

২.ইসলামের ক্ষতি করে বা ইসলামের অবমাননা করে এমন যেকোন সংগঠনকে নাস্তিকরা সমর্থন দেবে । (যেমন কাদীয়ানী )

৩. জামায়াত-শিবির কোন ইসলামি দলই না , এরা ইসলামের নামে ব্যবসা করে । ইসলামের অনেক ক্ষতি করেছে এরা ।

৪.ইসলামের নামে মওদুদীবাদ প্রচার করে জামায়াত-শিবির

৫.........জ্বী, এখন প্রশ্ন হলো, ইসলামের জন্য ক্ষতিকর জামায়াত শিবিরকে নাস্তিক-সমাজতন্ত্রীরা কেন পছন্দ করেনা ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28765496 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28765496 2008-01-30 07:34:18
মানুষ এত বুদ্ধিমান হয় কিভাবে? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
একই মানুষ কিন্তু একটা নিকের প্রফাইলে ইমেইল এড্রেস দেয়াই নাই <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

উরেব্বাপরে নাস্তিকরা কি বুদ্ধিমান <img src=" style="border:0;" />

ঐ নামটা লিখে একটা সার্চ দেন, আরো বুদ্ধির প্রমান পাওয়া যাবে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28764738 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28764738 2008-01-27 18:26:21
ইসলাম গ্রুপ প্রমান করবে- ব্লগের অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে http://www.somewhereinblog.net/group/islam ইসলাম গ্রুপ ।


ইসলাম পন্থী প্রত্যেক ব্লগারকে ইসলাম গ্রুপে জয়েন করার আহবান জানাচ্ছি ।

ইসলামকে যারা ভালোবাসেন- আসুন প্রমান করে দেই- ধর্মদ্রোহী নাস্তিকদের অবস্থান এদেশে কত দুর্বল । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28764687 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28764687 2008-01-27 15:20:49
ছেলেমানুষি ভালো কথা / আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
আমরা সবাই বলি দেশকে ভালোবাসি ,কিন্তু দেশের উন্নতির জন্য কি করতে হবে তা বুঝতে পারি না । দেশের উন্নতির জন্য আমাদের প্রথম দরকার সবরকম দলাদলি- মারামারি বন্ধ করা ।

সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করতে পারলেই আমাদের দেশটা অনেক উন্নত দেশ হতে পারবে ।


(পুরা পোলাপান)
<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28763532 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28763532 2008-01-23 15:41:04
সুন্দরে সুন্দরে পাল্লা.....
দেখি কার রুচির দৌড় কতটুকুন !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28763456 http://www.somewhereinblog.net/blog/shundorblog/28763456 2008-01-23 11:36:23