আমার প্রিয় পোস্ট
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- না যেও না! সন্ধ্যাপ্রদীপ - পুতুল
- ৩ টি সনেট - সেলিম তাহের
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৫ - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৪ - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩ - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- আমি নাস্তিক। - পুতুল
- পুনর্মুদ্রন ..।// লেখাটা দয়া কইরা পড়েন - ছক্কা হাজী
- প্রিয় বিহংগকে - পুতুল
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- প্রিয় সন্ধ্যাপ্রদীপ কে শুভেচ্ছা - পুতুল
- পদত্যাগের খবরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন কে লেখা 'অপারাজিতা'র শেষ চিঠি - আদৃতা আবৃত্তি
- আমার বালিকার কাছে ... ... ... ... - রাগ ইমন
- নদীরে ও নদীরে তুই একটু দয়া কর, ভাঙ্গিস না আর বাপের ভিটা, বসত বাড়ি-ঘর।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- ওরা পারে, আমি পারি না/সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- ইসলামি রাষ্ট্রঃ প্রেক্ষিত সৌদি আরব - প্রশ্নোত্তর
- পবিত্র কোরআন থেকে সহজ সরল বাংলা অনুবাদ - সূরা আল আহযাবঃ আয়াত ৪৯-৫২ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- রাজাকার প্রজন্মের প্রতি মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের আহবান- এসো সত্য ও ন্যায়ের পথে - অমি রহমান পিয়াল
- গোলাম আজম নিয়া শওকত ওসমানের সেই অমর বানী - আমি সাগর
- আমি নিজেই যখন ঈশ্বর হয়ে যাই /বিহংগ। - বিহংগ
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- আমার সোনার বাংলা আমার সবচেয়ে প্রিয় কবিতা----- - সুমি
- তোরা উর্দুতে লিখ(আমার এ পোস্টটি কেন মুছে ফেলা হলো জানিনা, তাই আবার রিপোস্ট করলাম,দয়া করে কেউ কিছু মনে করবেন না) - বিহংগ
- বিহংগের একটি সরল কবিতা। উত্স্বর্গঃ ভাগিনা ভাংগা চাঁদ। - বিহংগ
- বিশ্ববিদ্যালয় গুলো খুলছে কিন্তু আমাদের শিক্ষক আর মানবেন্দ্র এর মতোন শিক্ষার্থীদের কি হবে ?তবে কি বন্দুকই সকল ক্ষমতার উৎস ?? - রাহা
- রক্তে লেখা ইতিহাস - দুটো কথা - রাগ ইমন
- সথ মানুষের অসথ কথা!! উনি ১ কোটি ট্যাকা লোন নেননি? ১ বছরে ৬৬ লাখ টাকা শোধও করেননি!! কেমনে কি!!! - এহহামিদা
- ফিরে দেখা ৭১: রিয়াজ রহমান - দালাল কুটনীতিক - চিনে রাখা ভাল! - এস্কিমো
- রবিঠাকুরের প্রজাপ্রেম - বিহংগ
- অনলাইনে রবীন্দ্রনাথের গীতবিতান। বাংলায় - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- তোমার হাত ! - রাগ ইমন
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমি রহমান পিয়াল
- এলোমেলো অবয়বের ঠোঁটে জন্মদাগের কষ্ট - রাগ ইমন
- মাজার দুলুনি মিথ্যা বলে না.....(ক্লোজআপহাসি)(রিপোস্ট) - সুন্দর সমর
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- বঙ্গবন্ধুর ক্ষমা, জামাতের রাজনীতির অধিকার এবং অন্যান্য প্রসংগ - - এস্কিমো
- মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামাতের রাজনীতি করার অধিকার নেই! - এস্কিমো
- সোনার বাংলার জন্য - উপদেষ্টাদের দুর্নীতি বিষয়ে - মোসতফা মনির সৌরভ
- কর্ণেল তাহেরের শেষ কবিতা - মোসতফা মনির সৌরভ
- স্বাধীনতাবিরোধীরা এবং বর্তমান সরকার - মোসতফা মনির সৌরভ
বিশ্ব মানবতার মুক্তির জন্য সমাজতন্ত্রই একমাত্র পথ ??
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬
''সাম্যবাদী'' একটি পোষ্ট দিয়েছেন
''বিশ্ব মানবতার মুক্তির জন্য সমাজতন্ত্রই একমাত্র পথ ।''
Click This Link
ওনার মতাদর্শে আমার প্রশ্ন নেই । আছে শ্রদ্ধা, তবু দ্বিমত আছে কিছুটা ওনার বিশ্লেষন আর সিদ্ধান্তে ।
=> মুক্তির প্রশ্ন যদি হয় মানবতার, তবে দ্বিমত করবনা । মানবতার প্রশ্নে সমাজতন্ত্রের অবস্থানটা ইউনিকই ।
তবে, মুক্তির প্রশ্ন যদি হয় ব্যাক্তিসত্তার তবে পুজিবাদ আর সমাজবাদ দুটোই সেখানে পরম সমাধানে ব্যর্থ । সমাজবাদের ব্যর্থতা সেখানে গ্রোস, পুজিবাদেরটা তেলা মাথায় তেল দেয়া ।
বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র পিছিয়ে পড়েছে ব্যাক্তিসত্তার এই শৃংখল ভাংগার গানে । শোষীত-বন্চিত মানুষ বিপন্ন মানবতার মুক্তিতে খুশী বটে, কিন্তু
পেটের চাহিদা মিটে গেলেই কিংবা মৌলিক চাহিদা মিটে গেলেই সে আপন সত্তার অস্তিত্ব টের পেয়ে যায়, টের পায় সেই সত্তার শৃংখল ।
কার্ল মার্ক্স দেখিয়েছেন আদিম-সাম্যবাদী-গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষ কিভাবে ''আমরা'' থেকে ''আমি'', ''আমাদের'' থেকে ''আমার'' সত্তায়
ভাবতে শেখে আর সে ভাবনা কিভাবে তাকে সম্পত্তির অধিকারে আগ্রহী করে তোলে, করে তোলে লোভী, আগ্রাসী । ট্রাজেডী হলো, সমাজতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তির মৌল চাহিদা মিটে গেলে সে এই সংকীর্ন সত্তার কথা মার্ক্সের প্রত্যাশা মত ভুলে যাওয়ার বদলে ভিন্ন আংগিকে তা ফিল করতে শুরু করে । মানুষের তো চাওয়ার শেষ নেই, তার এটা চাই সেটা চাই, অভাব না হলেও সুপারিয়রিটি দেখানো চাই, সামাজিক স্তরায়নের উপরের স্তরে যাওয়া চাই, ইত্যাদি ইত্যাদি । ফলে মানুষের মনে অনিবার্য আসে শৃংখল ভাংগার গান ।
আপনি যদি অর্থনীতি পড়ে থাকেন, তবে দেখবেন গভীরে গেলে, সমাজতন্ত্রের রীতি-নীতি অর্থনীতির ''বন্টন'' প্রক্রিয়ার সংগে যুক্ত । সেখানে মুখ্যত: আলোচনা কিভাবে সম্পদের সুস্ঠু বন্টন হবে, সমতা নিশ্চিত করা হবে । work according to your ability and earn according to your work. অর্থ্যাত এ পর্যায়ে প্রত্যেকে কেবল সেই পরিমান পাবে যে পরিমান কাজ সে করবে । (রাষ্ট্র এখানে বিকলাংগ বা পংগু, বৃদ্ধ বা শিশুর বিষয়ে, যারা কর্মে অক্ষম, কিছুটা উদাসীন )। এটার সম্পুর্নতা আসে সাম্যবাদে যেখানে নীতি হল: work according to your ability and earn according to your necessity. সেখানে বিকলাংগ বা পংগু, বৃদ্ধ বা শিশু, সবাই প্রয়োজন অনুযায়ী অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-চিকিতসা-শিক্ষা জাতীয় মৌল চাহিদার নিশ্চয়তা পাবে ।
অন্যদিকে পুজিবাদের অর্থনৈতিক দর্শন ''উৎপাদন'' প্রক্রিয়ার সংগে যুক্ত । সেখানে বন্টনটা অটোমেটিক ধরে নেয়া হয়, অনেকটা ট্রিকল ডাউন থিয়োরির মত, যেখানে টাকা একটা সুনির্দিষ্ট চক্র ঘুরে সবার হাতে পৌছায় । তবে ডারউইনিজম এখানে চালিকাশক্তি: সারভাইবল অব দ্য ফিটেষ্ট, যোগ্যতরই টিকিয়া থাকিবে । পুজিবাদী কাঠামোয় তাই করপোরেট পুঁজি গড়ে ওঠে দ্রুত, দফায় দফায় হাত-পা গজায় ধনকুবেরদের । গড়ে ওঠে বাজার দখলের খেলা, প্রযুক্তি, বিগ্গাপন আর নিত্য নতুন ইনোভেশানের তীব্র প্রতিযোগীতা ।
সমাজতন্ত্রে করপোরেট পুজির আপদ নেই । ছল-চাতুরীর বিগ্গাপন নেই, নেই ইনোভেশান (বানিজ্যিক অর্থে) । ভোক্তারা তাই প্রতারিত হয়না, বিগ্গাপনের বাহুল্য মুল্য আদায়ের শিকার হয়না, ভোক্তার রিয়াল পার্চেজিং পাওয়ার তাই বেশী থাকে ।
অন্যদিকে মুনাফা অর্জনে পিছিয়ে থাকে সমাজতান্ত্রিক দেশের সরকারী বা বেসরকারী কোম্পানী । প্রযুক্তির পেছনে তাই কাড়ি কাড়ি অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেনা যেমনটা মাইক্রোসফটরা পারে । পন্যের উৎকর্ষে তাই পিছিয়ে পড়ে অল্প কিছুদিনের ব্যবধানেই । বিশ্ববাজারে ক্রমশ: কমপটিটিভনেস হারিয়ে ফেলে । আর এর নিয়ন্ত্রিত বাজারের ভোক্তারা উচ্চমুল্যে ক্রয় করে বিশ্বাজারের পিছিয়ে পড়া দেশীয় পন্য । বাজার ক্রমশ: বিদেশীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যেতে থাকে, নতুবা চোরাচালান অবশ্যাম্ভাবী হয়ে পড়ে । আভ্যন্তরীন বাজার উন্মুক্ত হয়ে গেলে সমাজতান্ত্রীক দেশের এসকল সরকারী-বেসরকারী কোম্পানী আকস্মিকভাবে বাইরের বড় বড় পুজিবাদী কর্পোরেট পুজির সংগে পেরে উঠতে হিমসিম খেয়ে বসে, ফলে দিতে হয় সরকারী ভর্তুকী নতুবা কোম্পানী দেউলিয়া । অন্যদিকে সরকারী ভর্তুকী দিতে গিয়ে সরকার দেউলিয়া, বেড়ে যায় ঋনের বোঝা, কিংবা পরোক্ষ কর ।
আল্টিমেল্টলী যা দেখা যায় তা হলো একটি বিশেষ অবস্থায় আসার পর
সমাজতন্ত্রের মানবিক-অর্থনৈতিক বন্টন নীতি যুগের সংগে খাপ খেয়ে উঠতে অপারগ হয়, পুজিবাদী ব্যবস্থা টিকে যায় । এটা একটি অর্থনৈতিক বিশ্লেষনে । অর্থ্যাৎ সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক, সামরিক বা ধর্মীয় অন্যান্য কারনাদি যুক্ত হয়ে তা একেক সময়, একেক দেশে একেক রকম হতে পারে, হয়েও থাকে । যতদিন পৃথিবীতে মানুষ ব্যক্তিকেন্দ্রীক, ততদিনই পুজিবাদের জয় অনিবার্য । আর সম্ভবত: মানুষ জন্ম জন্মান্তরে, অন দ্য এভারেজ, ব্যক্তিকেন্দ্রীকই ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লোকালটক বলেছেন:
+
দিনমজুর বলেছেন:
একমত নই, তবে ব্যাখ্যাটি দেয়াটাও কর্তব্য মনে করছি- কিন্তু ঘন্টাখানেক না ঘুমালে আমার কাল অফিস করা আর হবে না!!!!!!!!
তাই, একটা বিরতি চাচ্ছি, আশা করি- কাল অফিসে বসে বসেই কিছু লেখতে পারবো- নাহলে রাতে.......
আশা করবো, ইতোমধ্যে আমার ব্লগের সবকটি পোস্ট আপনি একটু কষ্ট করে পড়বেন- সবই এ বিষয়েই- ....... হয়তো আমার কালকের ব্যাখ্যা দেয়ার আগেই আমার অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা আচ পাবেন। আর, সেই পোস্টে(সাম্যবাদীর) আমার কমেন্টগুলো পড়েছেন???? সেখানে আরো কমেন্ট করার অবশ্য ইচ্ছা আছে। .....
আপনার সময় স্বল্পতা থাকলে অবশ্যই আমার প্রথম পোস্ট(সিরিয়াস পোস্টঃ বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত চাপাবাজি), অর্থনৈতিক বৈষম্য, অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিদেশি বিনিয়োগ..... এসব পড়বেন, পারলে নোবেল বক্তৃতা সিরিজটি আর, বাংলাদেশের কৃষি নিয়ে লেখাটিও পড়বেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, ব্লগে আমন্ত্রন জানাবার জন্য ।
হ্যা, সমাজতন্ত্রিক দর্শনে আমার ভক্তি আছে । আমার উপলব্ধিটা মর্ত্যের মানুষের জন্য, যারা সতত:ই ''আমি'' আর ''আমার'' কেন্দ্রীক,
যারা প্রত্যকে চেতনে অবচেতনে পুজিবাদী ।
আপনার ব্লগ দেখব কয়দিন পর, কালকে রাতেই দেশে যাবার ফ্লাইট ।
আশা করি দেশে একটু সেটল্ড হয়ে আপনার ব্লগে ঢু মারব ।
পুতুল বলেছেন:
দিলেতো ঘুমটা হারাম করে! পোষ্ট দিবা দাও, তা এত জটিল করে কেন?
লেখক বলেছেন: আমি যে কবি না পুতুল, আর যে পারিনা ।
সহজ কথা কইতে আমায় কহো যে
সহজ কথা যায় না বলা সহজে
(আবারো রবি বাবুর কাছে যেতে হলো)
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: গান সব পেয়েছি বিমা, ইচ্ছে করে প্রান ভরে দোয়া করি যেন এই উইকেন্ডে........(বুইঝা নিয়েন )
লেখক বলেছেন: জোর করে বল্লে দোস্ত ? ভয়ে কিছু লিখিনা এজন্য, তোমাদেরকে জোর করে বলাতে ইচ্ছে করেনা যে ''জ্বী তরকারীটা ভালই হয়েছে, তবে লবনটা যদি অর্ধেক আর ঝোলটার বেশীর ভাগ কম থাকত তবে আরও.....।
লাগেজে হাত দেইনি দোস্ত । সব তো বই আর বই ।
ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেবার জন্য ।
লেখক বলেছেন: তয় একটু সাবধানে বিমা, ইস্ট য়্যুরোপের বাতাস নাকি একটু ভারী ভারী !!
নরাধম বলেছেন:
আমরা সন্ধ্যাপ্রদীপের কাছ থিকা পুতুল আর সন্ধ্যাপ্রদীপে জটিল কাহানী শুনতে চাই।
লেখক বলেছেন: হ্যা, কাল জানি কোথায় শ্যাষ করলাম ? ও, মনে পড়ছে,
এক দেশে ছিল এক রাজকইন্যা.............
ধ্যাত ভুলেইতো গেলাম ।
নরাধম বলেছেন:
উঁহু, ভুললে চলবেনা। মনে করুন এবং ব্লগের খাতায় লিপিবদ্ধ করুন।
লেখক বলেছেন: নারু ভাই, আমারে কি সশ্রম মৃত্যদন্ড না দিলেই হয়না ?
মাত্র ছোট্ট একখান জীবন, বাচার বড় সাধ আছিলো ।
পুতুল বলেছেন:
কবিকে অত আস্কারা দিও না, মাথায় উঠবে। আর তোমার পূঁজি বাদ আর সমাজতন্ত্রের বিশ্লেষন দিয়ে আউলা ঝাওলা করে ফেলবে। জাক এখন লোক পাওয়া গেছে, রাতমজুর ক্ষেতমজুর রা সমাজতনত্র সমর্পকে ভাল জানে। একজন অর্থনীতি বিদ পাওয়াগেল। তোমার মতের বিরোধীতা করতে পারছিনা। মানুষ কি চায়, সেটা একটু আঁচ করতে পারি বলে হয়ত। পূঁজি না থাকলে তা বন্টনের প্রশ্নটা একটু কাব্যিক হয়ে যায়।ঐ পোষ্টে একটা আলোচনার দ্বর উম্মুক্ত করতে চেয়েছিলাম। আমার প্রস্তাব ছিল;
আমাদের দেশের প্রেক্ষীতে একটা প্রয়োগযোগ্য পদ্ধতির অন্বেণন।
কিন্তু আগে থেকে সমাজতনত্রকে বেছে নেয়ার কারনে আলোচনা মুক্ত করা গেলনা। এক্ষেত্রে তোমার লেখাটি যথেষ্ট খোলা মনে হচ্ছে।
তাই কথা বলতে ইচ্ছে করছে। সমাজতন্ত্র কায়েম করার সমভবনা থাকলে খুব খুশীমনে তাতে যোগ দিতাম।
তাই এই দেশের মানুষের ভালমন্দ শুধু বিধাতার কাছে ছেড়ে দিতে চাইনা। একটা কিছু পদ্ধতি বের করতে চাই। তা করতে হলে তোমার মত মানুষ দরকার। যারা কোন ব্যাবস্থাকে ঝামেলাহীন মনে করেনা। হয়ত এভাবেই নতুন কোন একটা "পদ্ধতি" উদ্ভাবিত হতে পারে। আমরা তো আর কোরান নিয়ে কথা বলছি না! তাই একটু মুক্ত আলোচনা ভাল। এবং তোমার আলোচনাটা আমার কাছে মুক্ত মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: কাল বলছিলাম যে তৃতীয় বিশ্বের অর্থনীতির ছাত্রদের চিন্তায় একটা মানবিক-আদর্শিক চেতনা কাজ করে । সেটা প্রায়োগিক হোক বা না হোক, প্রয়োগযোগ্যতা থাক বা না থাক । এও উল্লেখ করেছিলাম
ওয়েষ্টার্ন ওয়ার্ল্ডের অর্থনীতি প্রায়োগিক । সেখানে ''মানুষের কি করা উচিত'' এই দর্শন বিবেচ্য নয় । বিবেচ্য, ''মানুষ আসলে কি করে'' ।
সমাজতন্ত্রের দর্শনটা মানুষকে উচিত-অনুচিত শেখায় । মানুষ, ইন মোস্ট অব দ্য টাইম, আসলে তা নয় । এই আমি, এখানে যদি একটা ফ্ল্যাট কেনার কথা ভাবি, তবে তা আমার প্রেয়সী কিংবা স্ত্রীর জন্য, খুব সম্ভবত: আমার বোনটার জন্য বা আমার ছোট-বড় ভাইয়ের বউয়ের জন্য নয় । তাহলে কি দাড়ালো, ভাবার বেলায় হয়তো ভাবি আমি সবাইকে ভালোবাসি, আসলে কিন্তু বাসি নিজেকে ।
এনিওয়ে, আমি বলিনা পুজিবাদ উতকৃষ্ট, বলিনা আমি খুব স্বচ্ছন্দ এতে । আসলে এর মেকানিজমটাই মানুষের স্বার্থপরতাকে আশ্রয় করে গড়ে ওঠা, তাকে বাড়তে বাড়তে শিখরে তোলা । আর স্বার্থপর মানুষ, আত্মকেন্দ্রীক মানুষ যতদিন আত্মকেন্দ্রীক থাকবে, পুজিবাদ তারাই টিকিয়ে রাখবে । অন্যদিকে যে সমাজতন্ত্র মানুষের মৌল চাহিদার নিশ্চয়তা দেয়; মৌল চাহিদার পুরন হলে সেই মানুষই তার প্রয়োজনী্য়তা বোধ করেনা, বরং তার উপরে উঠায় একে প্রতিবন্ধকতারুপে দেখতে পায় । আবশ্যিকভাবে ব্যাক্তি বনাম সমাজতন্ত্র মুখোমুখি হয়ে পড়ে । রাষ্ট্রের পীড়ন এ অবস্থায় যখন অনিবার্য হয়ে ওঠে তখন ব্যাক্তিও চুড়ান্ত বিদ্রোহী হয়ে পড়ে ।
দিনমজুর বলেছেন:
খুব দ্রুত ৪ টি প্লাস পড়ায়, আমি কিছু কথা সংক্ষেপে বলছি- আশা করি বাকিটা কালকে বলা যাবে......
১। আপনি শেষ পর্যন্ত বলেছেন- অর্থনৈতিক দিকটার কথা উল্লেখ করে বলেছেন- অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা টিকে যায়.... সমাজতন্ত্র টিকতে পারে না- কেননা- তারা পুঁজির সমস্যায় ভোগে, মুনাফার সমস্যায় ভোগে..... ইত্যাদি
--------------->
আপনি সামাজিক/সাংস্কৃতিক/মানবিক ইত্যাদির দিকে সমাজতন্ত্রের কথা স্বিকার করে অর্থনৈতিক বিচারে একে ব্যর্থ যে বলছেন- সেখানে একটা ভুল আছে, এবং আপনার অর্থনীতির বিচারেই একটা ভুল আছে।
আপনি বলেছেন- সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি বন্টন কেন্দ্রিক, আর পুঁজিবাদী অর্থনীতি উতপাদন কেন্দ্রিক। এটা সঠিক সংজ্ঞা নয়। আসলে- অর্থনীতির কেন্দ্র বিন্দুই হলো উতপাদন। এই উতপাদন প্রণালী, এই উতপাদনকে কেন্দ্র করে সম্পর্ক বা উতপাদন সম্পর্ক, উতপাদন উদ্দেশ্য ও বাজার ব্যবস্থা- এসবের উপর নির্ভর করে, অর্থনৈতিক কাঠামোটি কি?
সামন্তীয়, পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার পার্থক্য হলোঃ সামন্ততন্ত্রে- উতপাদন সম্পর্ক ভূমিদাস-ভূস্বামি, উতপাদন উদ্দেশ্য ভোগ, বাজার আঞ্চলিক; পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় উতপাদন সম্পর্ক মালিক-মজুর, উতপাদন উদ্দেশ্য মুনাফা বা লাভ, বাজার হলো জাতীয়; আর সমাজতান্ত্রিক/সাম্যবাদী ব্যবস্থায়- উতপাদন সম্পর্ক সামাজিক, উতপাদন উদ্দেশ্য সামাজিক, এবং বাজার সামাজিক।
একটু ব্যাখ্যা করি- সামন্তীয় ব্যবস্থায় যা কিছুই উতপাদন করা হয়- সব ভোগের উদ্দেশ্যে, এর বাইরে যেটা উদ্বৃত্ত থাকছে- সেটা হয়ত তারা বিনিময় করে, ফলে- বাজারো থাকে আঞ্চলিক, পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়- যা কিছু উতপাদন করা হয় তা হয়- মুনাফার উদ্দেশ্যে, আমাদের নিত্যব্যবহার্য চারপাশের যা কিছু দেখছি সবকিছু তৈরি করা হয়েছে- মুনাফার উদ্দেশ্যে, ফলে, একজন কৃষকও যখন চাষ করে- তখনও তারও মাথায় থাকে- কত খরচ, যে ধানটা উতপাদিত হবে- সেটা বেচে কত মুনাফা হবে? বাজার হয় জাতীয়- দিনাজপুরের চাল আপনি চট্টগ্রামে পাবেন- এমনকি বাজার আন্তর্জাতিকও , কেননা এখন সাম্রাজ্যবাদের যুগ।
আর সমাজতন্ত্রে সামাজিক উতপাদন মানে সকলে মিলে উতপাদন- সকলে মিলে ভোগ- সে উদ্দেশ্যে বন্টন।
এবার আসি, ......
নরাধম বলেছেন:
আমার কাছে ডেমক্রেসিকেই বেস্ট এমাং দি এভেইলেবল মনে হয়, যদিও তার অনেক সমস্যা আছে। সমাজতন্ত্র থিয়রীতে খুব ভাল, কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল না। ভাল হয় দুটার সংমিশ্রণ। তবে এ ডিবেট কোনদিন শেষ হবেনা।
লেখক বলেছেন: নারু ভাই, পশ্চিমা বিশ্বের রাজনৈতিক কাঠামোর যে গনতন্ত্র সেটা নিশ্চয় এই মুহুর্তের সেরা । আপাতত: এর ভালো কোনো বিকল্প নেই, সম্ভাবনাও নেই ।
তবে অর্থনৈতিক কাঠামো, যেমন, পুজিবাদী, স্ক্যান্ডিক-নরডিক ওয়েলফেয়ার ইকোনমি, আর সমাজতন্ত্র; এগুলো অর্থনৈতিক স্তরায়নের উপর নির্ভরশীল । দীর্ঘ আলোচনায় গেলে দেখানো যায় যে, একটি স্বল্প আয়ের দেশে সমাজতন্ত্র বেশ ভালো । আবার একটা মধ্যম আয়ের দেশে ওয়েলফেয়ার ইকোনমি ভালো । পুজিবাদ অবশ্যই ভাল একটি শিল্পোন্নত-প্রযুক্তি হান্টিং করপোরেট পুজির দেশে । আমার পোষ্টটি আমি দীর্ঘ করতে চাইনি । আর এটাও সত্যি, এসব বিষয়ে কাউকেই একমতে নিয়ে আসা যায়না, সো, বিতর্কেও যাইনা আমি ।
মিরাজ বলেছেন:
সন্ধ্যাপ্রদীপ, দেশে যাচ্ছেন? মনটা ছুটে গেলো.. কতদিন দেশকে দেখিনা ।
ভাল থাকবেন..চমৎকার কিছু স্মৃতি নিয়ে ফিরে আসুন ।
পোষ্টের বক্তব্য নিয়ে কাল কথা বলবো ।
লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই, এম.এস শেষ করলাম ।আপাতত: কিছুদিন বিশ্রাম নেব, হাপিয়ে উঠেছি । এরপর আপনাদের রাস্তায় আবারো বের হব ।
ভাল থাকবেন ।
পুতুল বলেছেন:
নরাধম; কিন্ত কথা বলতে তো দোষ নেই। আপনার কথাটি কিন্তু আমার কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে।
মিরাজ বলেছেন:
কোন সাবজেক্টে এম এস করলেন?
লেখক বলেছেন: ইকোনোমিক্সে মিরাজ ভাই ।
মাত্রই এম.এস, এখনও সাত সমুদ্দুর তের নদী.........। উফ, পারছিনা ভাবতে । আপনারা যে কিভাবে পারেন, ভাবলে শিউরে উঠি !
দিনমজুর বলেছেন:
আপনার পুঁজি ও মুনাফার সমস্যায় ভোগার বিষয়ে!!!
আসলে- আজকের পুঁজিপতি দুনিয়ার দিকে তাকিয়ে আমরা মনে করি উতপাদনের মূল বিষয় হলো পুঁজি। নব্য উদারবাদী অর্থনীতিবিদরাও সেটা প্রচার করে থাকেন, আমরা বিভ্রান্ত হই। আসলে- পুঁজির ভূমিকা কোন মতেই মুখ্য নয়। মূল যেটি সেটি হলো- শ্রম। একদম আদি কাল থেকে আজ পর্যন্ত উতপাদনের মূল যেটি নিয়ামক হিসাবে কাজ করেছে- সেটি হলো শ্রম।
আপনার একটা দেশে কাচামাল থাকলে, আর সেখানে শ্রম যুক্ত হলে- কেন সে উতপাদন করতে পারবে না??
এবং আরেকটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার, উতপাদনের উদ্দেশ্যটি খুব গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, আপনি উতপাদন মুনাফার উদ্দেশ্যে করলে- ব্যাপারটি কেমন হয়, উতপাদন অধিক হলে- মাঠে সেটা পচানো হবে, কিন্তু দুনিয়ার ৮৫৪ মিলিয়ন নাঙ্গা-ভুখা থাকবে!!! ফলে- কখনই এই পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা উতপাদন এমন করবে না যে, সমস্ত মানুষের অভাব মিটে যায়, কেননা- এতে যে তার মুনাফা হবে না- পণ্যের দাম দ্রুত ফল করবে।
যাহোক, তত্ত্ব কালকে আলোচনা করবো- আজ কিছু বাস্তব উদাহরণ দেই,......
সোভিয়েত রাশিয়া বিপ্লবের আগে এশিয়া/ইউরোপ তথা পৃথিবীর মধ্যেই একটি পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্র ছিলো। সেই সোভিয়েত ইউনিয়নই মাত্র ১০/১২ বছরের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অন্যতম সুপ্রিম পাওয়ার হয়ে ওঠে। শিল্পে- অস্ত্রে- গবেষণায়- খেলাধুলায়- কিসে না??? ১৯৩০ এর দিকে যে দুনিয়ার পুঁজিবাদী দেশসমূহ মহামন্দায় ভুগেছে- সোভিয়েত ইউনিয়নে তার হাওয়া পর্যন্ত লাগে নি। কেন?? এটা বুঝতে অর্থনীতির কিছু বিষয় বুঝতে হবে, প্রোফিট ম্যাক্সিমাইজ যেমন বুঝতে হবে, প্রোফিটেবিলিটির হারও বুঝতে হবে------- আমার অর্থনীতি নিয়ে পোস্ট সমূহে কিছুটা ক্লিয়ার করার চেস্টা করেছি। আজকের সমগ্র পুঁজিবাদী দুনিয়া সংকটে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাসিক বাণিজ্য ঘাটতি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার, ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণের বোঝা তার মাথায়... আপনি বলছেন, এটা সমাজতান্ত্রিক সমাজের ঘটনা!!!!!!
চীনের গল্প করে অনেকে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থা চালু করায় নাকি চীনের আজকের এই অবস্থা... কিন্তু কেউ এটা জানতে চায় না যে, এই চীন এই সেদিনও বিপ্লবের আগে- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও ছিল- একটা অংশ জাপান আরেকটা অংশ সামন্তীয় জোতদারদের দখলে পিছিয়ে পড়া একটি রাষ্ট্র, অথচ- এই চীনই বিপ্লবের পর থেক কত অল্প সময়ে কোন অবস্থানে পৌচেছে!! সে পুঁজিবাদী অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় তার বার্ষিক প্রবৃদ্ধি যে এত উচ্ছ হলো- তার কারণটি কিন্তু এত দিনের সমাজতান্ত্রিক অবকাঠামোর ভূমিকাই সর্বাধিক। এর সাথে আরো দুটো ফ্যাক্টর- ১। চীনের নিজেরই একটা বিশাল মার্কেট আছে,
২। চীন যে সময় শুরু করেছে- সে সময় পশ্চিমের দেশগুলো অনেকদিন পার করেছে, এবং সেখানে মজুরিও অনেক উচ্চ, সে তুলনায় চীনে মজুরিও অনেক কম, ফলে- সমাজতান্ত্রিক অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে ও কম মজুরিকে কাজে লাগিয়ে- উতপাদিত পণ্য অত্যন্ত কম দামে বাজারে আনতে পারছে- এবং আন্তর্জাতিক বাজারটিও কম দামে পণ্য সরবারাহের কারণে হাতের মুঠোয় চলে আসছে।
এখন চীনের অর্থনীতি সমাজতান্ত্রিক থাকলে- কেমন হতো এ প্রশ্নের উত্তর পরে দিচ্ছি, তার আগে এটা বলা দরকার, অবধারিতভাবেই এই চীনও সমস্যায় পড়বে- যদি পুরোপুরি পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে প্রবেশ করে। কেননা- এই অর্থনীতির ঘটনাই হলো এটা বিপদে পড়াটা অবসম্ভাবী।
..........
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যে আবেগ আছে, যুক্তির চেষ্টাও আছে । ধন্যবাদ ।
উতপাদন প্রক্রিয়ার কথা বলি । উতপাদনের মুলে যে শ্রম সেটা কেউ অস্বীকার করেনা। কিন্তু কি দেখছেন আমাদের প্রিয় স্বদেশের গার্মেন্টসগুলোয়? পুজি সেখানে বেধে রাখে শ্রমিকদের, ১২ ঘন্টা খাটিয়ে ২-৩ হাজার টাকা দেয়া হয় । কেন এটা হচ্ছে? উত্তরটা পেতে হলে দেখতে হবে উতপাদন প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রন করে কে । আর এই নিয়ন্ত্রক বরাবরই পুজি, উতপাদন প্রক্রিয়া যত বেশী শ্রম-অনিবিড় পুজি তত আগ্রাসী । আপনার বক্তব্যমত নিয়ন্ত্রন থাকা উচিত শ্রমের । মানলাম আদর্শের প্রশ্নে । কিন্তু বাস্তবতা হলো নিয়ন্ত্রন চলে যায় পুজির মালিকের হাতে তার স্বার্থপরতায় । মানুষের এই স্বার্থপরতাই পুজিবাদকে টিকিয়ে রাখে, রাখছে; আমি এটুকু বলতে চেয়েছি । আমি বলিনি যে ইহা অতীব উত্তম ।
আপনার সোভি্য়েত কেন্দ্রীক প্রশ্নের জবাবে বলব । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত সুপার পাওয়ার হয়ে ওঠে । আর বাস্তবতা এটাও যে আশির দশক পর্যন্ত তা বিশ্বমানের কমপিটিটিভ ইকোনমি ছিলোও । কিন্তু পরে তফাতটা ধরা পড়ে । কিরকম? সেই পুজির ।
পশ্চিমা কোম্পানী গুলো পর্বত পরিমান মুনাফা করে । বিনিয়োগ করে নিত্য নতুন ইনোভেশানে, বিগ্গাপনে (পোষ্টেই বলা) । ফলে তাদের সংগে কম মুনাফাকারী সামাজিক দায়বদ্ধ সোভিয়েত কোম্পানী পেরে ওঠেনা । আকাশ-পাতাল ব্যবধান তৈরি হতে থাকে ।
এ কারনেই সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোয় আজ পর্যন্ত কোনও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী গড়ে ওঠেনি যা মাইক্রোসফট বা কোকা কোলার সমকক্ষ । সমাজতান্ত্রিক কোন দেশই তাই জাতীয় আয়ে মধ্য ধনী দেশের কাতারে উঠতে পারেনি আজও । সোভিয়েতের মাথাপিছু আয় তাই আমেরিকার মাথাপিছু আয়ের ১৫ শতাংশ মাত্র । চীনের আরও কম ।
দিনমজুর বলেছেন:
নরাধম, আপনার গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কিছু আলোচনা সাম্যবাদীর ঐ পোস্টে করেছিলাম- আশা করি পড়বেন.....
দিনমজুর বলেছেন:
আমি নরাধমের জন্য কমেন্ট কপি পেস্ট করে দিচ্ছিঃ
দিনমজুর বলেছেন:
স্নোবল,
একটা ভুল মনে হয় আমরা বারবার করছি- সেটা হলো ডেমোক্রেসি ও সমাজতন্ত্রকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছি।
অথচ, এদের মধ্যে কি আসলেই বিরোধ আছে???
বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাঠামো হিসাব ধনতন্ত্র বা পুঁজিতন্ত্র বা পুঁজিবাদ আর সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের তুলনামূলক আলোচনা হতে পারে- অন্যদিকে- রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসাবে গণতন্ত্র- একনায়কতন্ত্র-স্বৈরতন্ত্র-রাজতন্ত্র প্রভৃতির মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা হতে পারে, কিন্তু সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রকে পরষ্পরবিরোধি ব্যবস্থা হিসাবে উপস্থাপন করার মাঝেই প্রচণ্ড বিভ্রান্তি আছে.......
দিনমজুর বলেছেন:
স্নোবল,
এবারে আপনার গণতন্ত্র নিয়ে একটু কথা বলি।
গণতন্ত্র মানে আমরা কি বুঝি??
সবচেয়ে জনপ্রিয় সংজ্ঞাটাই নেই- লিংকন বলেছিলেন- অব, ফর ও বাই দ্য পিপল। আজ আপনি এমন একটি পুঁজিবাদী রাষ্ট্র দেখাতে পারবেন- যেখানে জনগণের দ্বারা-জন্য ও জনগণের সরকার ব্যবস্থা আছে??? আজ গণতন্ত্র মানে শুধু এটুকুই বুঝা যায়- একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ভোটাভুটি করে- কিছু প্রতিনিধি নির্বাচিত করা। কিন্তু কাদের প্রতিনিধি??? এই প্রতিনিধিদের কাজ কি???
আপনি কি একেই গণতন্ত্র বলবেন???
এখানে জনগণের কোন অধিকারটা সংরক্ষিত হয়????
নামে- অনেক কিছুই আছে, রাষ্ট্রের সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসাবে অনেক কিছুই আছে, কিন্তু বাস্তবাতা হলো- এখন দুনিয়ার ৮৫৪ মিলিয়ন লোক ক্ষুধার্ত!!!!!
মত প্রকাশের অধিকার নিয়ে আমরা বড়ই চিহ্নিত হই- অথচ, মত দেয়ার ন্যুনতম শিক্ষাটাও যে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারে না- যাদেরকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলে- তারা দেশ পরিচালনার নীতি গুলো সম্পর্কেও কোন মতামত রাখার মত অবস্থায় যেতে পারে না- জানে না- বাজেট সম্পর্কে- জানে না শিক্ষানীতি সম্পর্কে- কৃষি নীতি সম্পর্কে-শিল্প নীতি সম্পর্কে------ সে কিকরে মতামট দিতে পারে????
এটা শুধু একধরণের প্রবোধ দেয়া- পুঁজিবাদী ব্যবস্থার।
বিদ্যাহীন-ক্ষুধার্ত একজন মানুষের রাস্তায় দাঁড়িয়ে চিতকার করাকে মত প্রকাশ করা বলে না।
এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতি কোনমতেই গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। যতদিন- পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা থাকবে- ততদিন প্রকৃত গণতন্ত্র সুদুর পরাহত থাকবে আমাদের নিকট।
নরাধম বলেছেন:
দিনমজুরভাই, অবশ্যই পড়ব। অনেক ধন্যবাদ।পুতুল, আমি হইলাম গিয়ে নরাধম, তাই জটিল জিনিস নিয়ে মাথা ঘামায়না।
দিনমজুর বলেছেন:
নরাধম,
আরেকটি কমেন্ট কপি করছি আপনার জন্য- আশা করি বড় বড় কমেন্ট হলেও সব পড়বেনঃ
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০ দিনমজুর বলেছেন:
সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কিভাবে গণতন্ত্র সম্ভব????
আজ পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় গণতন্ত্রে জনগণের অধিকারকে এই জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে যে, এক লোক- এক ভোট। ধনী-গরীব নির্বিশেষে সমান গণতান্ত্রিক অধিকার!!!!! (সেটিতেও সে কতদিন থাকে সেটাও দেখার বিষয়- কেননা যুক্তরাষ্ট্রের গত নির্বাচনে আদালতে সিদ্ধান্ত টানতে হয়েছে!!)
অথচ, গণতন্ত্রের উন্মেষলগ্নে- গণতন্ত্রের আকাঙ্খার মূল জায়গা ছিলো- ভিন্ন, সেই বুর্জোয়া বিপ্লবের সময়কার শ্লোগান ছিলো- সাম্য-মৈত্রি-স্বাধিনতা; সাম্য হলো- সমানাধিকার- মানুষের মৌলিক-গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক অধিকারের সমানাধিকার। এবং রাষ্ট্রের মালিক হবে- জনগণ- জনগণই শাসন করবে রাষ্ট্রকে। কিভাবে জনগণ শাসন করবে?? বলা হলো- রাষ্ট্রকে সুবিধা মত ভাগে ভাগ করা হবে, তারপর - প্রতি ভাগ থেকে জনগণ তাদের হয়ে একজন করে প্রতিনিধ ঠিক করে দিবে- তারাই গিয়ে নিজ নিজ অংশের জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রকে শাসন করবে- আইন তৈরি করবে- এবং সমস্ত জনগণের অধিকার রক্ষা করবে।
এই হলো- নির্বাচন ব্যবস্থার মূল কথা। গরজ টা যে প্রতিনিধি হবে তার না- গরজ টা হলো জনগণের।
অথচ, আজ কি দেখি?
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এটা সম্ভব না কেন????
কারণ এই ব্যবস্থা মুনাফা কেন্দ্রিক ও পুঁজি-ড্রাইভেন।
ফলে- যার পুঁজি আছে, সে সেই পুঁজির জোরে প্রতিনধি হয়। এবং এই পুঁজির জোরেই - পুঁজিপতি বা বুর্জোয়া শ্রেণি- চলে গেল শাসন-ক্ষমতায়। হয়ে গেল- সমাজের একটা অংশের সরকার ব্যবস্থা। এটাই কিন্তু গণতন্ত্রের মূল আকাঙ্খা- সংজ্ঞারই পরিপন্থী।
গণতন্ত্রের মূল সংজ্ঞাই হলো- জনগণের শাসন-ব্যবস্থার কায়েম।
ফলে, এটা সম্ভবই নয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়।
সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায়- শ্রমিক শ্রেণির হাতে চলে যাবে শাসন-ক্ষমতা, যেহেতু- রাষ্ট্রের সিংহ অংশই এই শ্রমিক-কৃষক শ্রেণি, সেহেতু, তখনই এই গণতন্ত্রের সূচনা ঘটবে।
আর, যখন সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থায় আমরা প্রবেশ করবো- মানে যখন কোন শ্রেণি থাকবে না তখনই সম্ভব পরিপূর্ণ গণতন্ত্র।
সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায়- উচ্চতর গণতন্ত্র সম্ভব হবে- জনগণের মৌলিক-রাজনৈতিক-গণতান্ত্রিক সমানাধিকার এবং একই সাথে অর্থনৈতিক সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।
দিনমজুর বলেছেন:
সন্ধাপ্রদীপ, এবারে আবার আপনার প্রসঙ্গে আসি.......
পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কেন- সংকটে পড়ে??
কারণ এটার উতপাদন উদ্দেশ্য মুনাফা। মুনাফার ধর্মই হলো সে আরো বাড়তে চায়। বাড়তে চাওয়ার লিমিট কত?? আনলিমিটেড!!! গোর্কির সেই গল্পটির কথা মনে আছে?? যেখানে এক মিলিয়নিয়ার/ বিলিয়নিয়ার শিল্পপতির সাক্ষাতকার নেয়া হয়।
প্রথমে তার কাছে শোনা হয় তার প্রাত্যাহিক জীবন কেমন- সে কি কি করে- দেখা যায় গড়পরতা আমাদের মতই- সকালে উঠে দাঁতব্রাশ থেকে- নাস্তা...সারাদিনের কার্যাবলি....... এর পরে তার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। এখানে জানা যায় - তার কতটা কিসের কারখানা আছে। এরপর থেকে শুরু হয় একটা লুপের মত পর্ব-
প্রশ্নঃ কারখানা দিয়ে কি হয়?
উত্তরঃ মুনাফা
প্রশ্নঃ এত মুনাফা তো আপনার দৈনন্দিন জীবন চালানোর জন্য নেসেসারি না, তো এত মুনাফা দিয়ে কি করেন?
উত্তরঃ আবার ব্যবসায় খাটাই
প্রশ্নঃ কি ভাবে?
উত্তরঃ ধরেন- নতুন আরেকটি কারখানা দেই
প্রশ্নঃ নতুন কারখানায় কি হয়?
উত্তরঃ আরো মুনাফা হয়,
প্রশ্নঃ সেটা কি করেন?
উঃ আবার ব্যবসায় খাটাই.........
এই অসুস্থতা কতদিন চলে?? এটাও খুব মজার। কেননা- এর মধ্যেই আছে, পুঁজিবাদের সংকটের মূল। ..............
লেখক বলেছেন: আপনার আদর্শটা নিয়ে কিন্তু আমার কথা নেই । আমার কথা বাস্তবতায় ।
আমি উল্লেখ করেছি পোস্টে যে সমাজতন্ত্র আলোকপাত করে what men should do . অন্যদিকে পুজিবাদ আবর্তিত এই প্রশ্নে, what men are actually doing.
পুজিবাদ জানে মানুষ বড় বেশী আত্মকেন্দ্রীক । তাই তাকে উস্কে দেয় সে । সমাজবাদ সামাজিক দায়বদ্ধতায় দমিয়ে রাখে তা । আবশ্যিকভাবে ব্যাক্তির স্বীয় সত্তা তাই পুজিবাদী কাঠামোয় সায় দেয় ।
আধুনিক বিশ্বে তাই পুজিবাদ টিকে থাকে, আগ্রাসী ভাবে ।
দিনমজুর বলেছেন:
কারখানায় কি হয়?
পণ্যের উতপাদন হয়।
এখন এই পণ্য শুধু উতপাদন করলেই হয় না, তার জন্য একটা বাজারও লাগে। একটা টেরিটরিতে মার্কেট ক্যাপাসিটি লিমিটেড। যখন- সে ঐ টেরিটরিকে কাভার করে ফেলে- তখন তার টেরিটরির বাইরেও মার্কেট এক্সপাণ্ড করা দরকার হয়, এবং এ গরজ আরেক দিক দিয়ে- আগের বার যে মুনাফা আসলো সেটাকে পুঁজি হিসাবে খাটানো টাও দরকার। ফলে- সে পুঁজি ও পণ্য দুই নিয়েই বাইরে বের হতে চায়।
এতদিন ভিতরে- ছিল একধরণের সংগ্রাম- সেটা হলো অন্যান্য পুঁজির মালিকদের সাথে সংগ্রাম, বড় পুঁজির ছোট পুঁজিকে গিলে খেয়ে বা একত্রিত হয়ে- মনোপলি তৈরি হয়- উতপাদন ক্যাপাসিটিও বাড়ে অনেক, সেই সাথে মার্কেট প্রাইসও নিজের হাতের মুঠোয় চলে আসে- কিন্তু যখন সে বাইরে বের হয়- তখন ওপেন কম্পিটিশনে পড়ে। এই কম্পিটিশনেও হাতে গোনা কটি দেশই (সবগুলোই পুঁজিবাদী দেশ হওয়া সত্ত্বেও)- সমস্ত কিছু করায়াত্ব করে ফেলে, এবং তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ (বাজার দখলের) ও কিছুটা ঐক্য (মিলেমিশে লুটে খাই ছোট দেশগুলোকে) দিয়ে চলতে থাকে।
কিন্তু, সেই গরীব দেশগুলোর বাজারে পণ্য বিক্রি হবে কিভাবে, যদি তাদের হাতে টাকা না থাকে?? সেখানে তারা পুঁজিও নিয়ে যায়, নাম বিনিয়োগ (ঋণ-দান-খয়রাত বা সাহায্য- শিল্পে বিনিয়োগ- সবই বিদেশি বিনিয়োগ), উদ্দেশ্য, সেখানে সস্তা শ্রমটিতে পণ্য উতপাদন, ও সেই দেশে কিছুটা মানি সার্কুলেট করা যাতে- তাদের পণ্য বেচা যায়......
লেখক বলেছেন: হ্যা, এভাবেই পুজির চক্রক্রমিক বর্ধন । আবশ্যিকভাবে যা পুজিবাদকে শক্তিশালী করে ।
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:
ভাল থাকুন সবাই, শুভ রাত্রি ।
দিনমজুর বলেছেন:
আপনার জবাবটি পড়লা,
আপনাকে কিছু উদাহরণ দিয়ে বলতে পারলে মনে হয় ভালো হবে....
সোভিয়েত রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই ব্যালান্সড কণ্ডিশানে যায়....
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলো পরা দরকার আপনার...
সে যেভাবে তার রেল তৈরি করেছে, যেভাবে ইস্পাত শিল্পকে অল্প সময়ে নাই অবস্থা থেকে দুনিয়ার এক নম্বরে নিয়ে গিয়েছে.... এসব সবই ইতিহাস.....
একদম নাই অবস্থা আবারো বলছি, কেননা- ১৯১৭ সালের আগে সেটা ছিল জার শাসিত পশ্চাদপদ একটা দেশ!!!!!!!!
কোন দিক দিয়ে সে টেক্কা দেয় নি?? স্পেস গবেষণা বলেন- মাটিতে গবেষণা বলেন......
সমস্যা ছিল, বিস্তর সমস্যা ছিল, সেসব পরে বলবো,.... কিন্তু এরপরেও যা করেছিলো, সেটা এখনও অর্থনীতিবিদদের কাছে স্বপ্নের মত!!!!!!!! আপনাকে হাতে- কলমে ধরিয়ে দেখানো যেতে পারে, অর্থনীতিতে পুঁজিবাদী অর্থনীতির সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কোনো তুলনাই হতে পারে!!!!
আপনি কিউবার উদাহরণও দেখেন- আজকের ল্যাটিন আমেরিকার উদাহরণ দেখেন......
আর যে, গড় ইনকামের কথা বললেন- সেটাতো শুভঙ্করের ফাঁকি। আপনি অর্থনৈতিক বিশ্ব পরিস্থিতি শীর্ষক পোস্ট পড়লে বুঝতে পারবেন। দুনিয়ার শীর্ষ ৫ ভাগের লোকের হাতে আছে, দুনিয়ার মোট সম্পদের ৮৫ ভাগ, আর নিচের দিকের ৫ ভাগের কাছে আছে মোট সম্পদের ১ ভাগ, এখন একে আপনি গর করলে- একটা হেলদি অ্যামাউন্টই পাবেন, কিন্তু স্টাণ্ডার্ড ডেভিয়েশন বের করলেই বুঝবেন ফাঁকি কাকে বলে!!! এবং যুক্তরাষ্ট্রে এই ডেভিয়েশন দুনিয়ার মধ্যে প্রথম দিকে (১ম বা ২য়),
আর, গার্মেন্টসের উদাহরণ টেনে কি বুঝাতে চাইলেন বুঝলাম না। আমি বলছি- উতপাদনের মূল ভুমিকার কথা এবং অবশ্যই সেটা শ্রম, কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়- সেই শ্রমকে অস্বিকার করা হয়, শ্রম শোষণ করার লক্ষে, এবং আমাদের গার্মেন্টস শুধু নয়- যেকোন কারখানা দেখলেই বুঝবেন- পুঁজির জোরে কিভাবে শ্মকে শোষণ করা হয়.....
আজকে আর পারছি না.....
আজকের মত বিদায় নিই...... বিদায়ের আগে দুটা কথা..
আপনি যে বলেছেন- work according to your ability and earn according to your work. অর্থ্যাত এ পর্যায়ে প্রত্যেকে কেবল সেই পরিমান পাবে যে পরিমান কাজ সে করবে । (রাষ্ট্র এখানে বিকলাংগ বা পংগু, বৃদ্ধ বা শিশুর বিষয়ে, যারা কর্মে অক্ষম, কিছুটা উদাসীন )। ---------> এটা ঠিক না, তাদের ক্ষেত্রে কাজ আর পাওয়ার বিষয়টি প্রযোজ্য নয়, তাদের দায়িত্ব সরাসরি রাষ্ট্রের।
আর, দ্বিতীয়ত, সমাজতন্ত্রে ব্যক্তিসত্তার বিকাশ, মোটিভেশন, ইনোভেশন কম- সবই অপপ্রচার!!!!!!!!!!
ব্যাখ্যা কাল দিবো.....।
লেখক বলেছেন: দেখুন, বিল গেটসদের হাতে সম্পদ পুন্জিভুত হচ্ছে এটা ঠিক ।
অর্থনীতিতে বলে সাইজ অব দ্য পাই অর শেয়ার অব দ্য পাই?
সমাজতান্ত্রিকরা শেয়ার নিয়ে মাথা ঘামায়, আপনিও বলছেন ''গড়'' আর স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়াশানের যুক্তিতে ।
পুজিবাদের যুক্তিটা সাইজ অব দ্য পাই-তে । যে পাই-য়ের পরিধি সমষ্টি ২০ তাকে ৫ জনের মধ্যে সুষম বন্টন করা হলে গড়ে ৪ পাওয়া যায় ।
আর পাইটাকে যদি বড় করে যদি ৬০, ৭০ বা ৮০তে নিয়ে যাওয়া যায় তবে অসম বন্টন হলেও সবচেয়ে দরিদ্র জনকেও আগের ৪এর বেশি দেওয়া যায়, বাকীটা নাহয় পুজিপতি খেয়ে নিলো । এই কারনেই
দেখবেন, আপনার ''গড়'' আর স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়াশানের যুক্তিটা ফাকা যুক্তি । কিরকম । উদাহরন হিসেবে বলি, আমেরিকার গড় আয় কেবল পুজিপতিদের আয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সোভেয়েতের থেকে বেশি তা নয়। আমেরিকার সবথেকে কম আয়ের ১০ শতাংশ মানুষও গড়ে চায়না বা রাশিয়ার জাতীয় গড় আয়ের থেকে বেশী আয় ভোগ করে, কারন, সেই সাইজ অব দ্য পাই ।
বিহংগ বলেছেন:
পুঁজিবাদের শোষন আর অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্য সামনে রেখে যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার উদ্ভব এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।কিন্তু সফল কতুটুকু ।
সোস্যলিজম নিয়ে কার্ল মার্ক্স কি অনেক বেশী লিখেছিলেন তা কিন্তু না।
কিন্তু এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল আর্কিটেক্ট ছিলেন-বিপ্লবী লেনিন।
১৯১৭ সালের বিপ্লবের পর চার বছরের মাথায় ১৯২১ সালের মধ্যে ১৪% গ্রোস উতপাদন হৃাস পায় ,যদি মেমোরী সঠিক হয়ে থাকে। মনে হয় , এই পরিসংখ্যানই লেনিনকে নতুন পরিকল্পনার দিকে এগিয়ে নেয়। আর তা হলো-NEP New Economic Policy যা ছিলো অনেকটা পুঁজিবাদ আর সমাজবাদের মিশেল। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে তাও পারেনি রাশিয়ার অর্থনীতিতে গতি সন্চালন করতে। সম্ভবত ১৯২৭ সালের শেষের দিকে নতুন শাসক স্ট্যালিন এ ব্যবস্থারও পরিবর্তন করেন।
তারপরও শোষনবাদ আর অর্থনৈতিক নৈরাশ্যের মুক্তির আশায় টিকে ছিলো ৭০ বছর।
মূল অর্থ আইনের একেবারে চারিত্রিগত পরিবর্তন,উতপাদন ব্যবস্থার মন্দাভাব,মূল্য ব্যবস্থা সঠিক ভাবে আরোপিত না হওয়া,মুনাফার আশা মুখ্য না হওয়ায় প্রতিযোগিতা কমে যাওয়া, বেসিক উপযোগের চাহিদা হারানো -যেমন,সরকারী হসপিটালের প্রতি অবহেলা অন্যদিকে সামরিক ক্ষেত্রে সর্বোপরি সুযোগ দেয়া। এর বাইরে আরো কিছু কারন এসে যায়।
ভোক্তা আর উতপাদনকারীর মাঝে সামন্জস্য না থাকা, ঠিক তেমনি ভাবে কায়িক শ্রম আর মানসিক শ্রমকে একেবারে একি মানদন্ডে বিচার করা।শহুর ভাবধারায় গ্রামকে নগরায়নের চেস্টা। সমসাময়িক বিশ্বব্যবস্থায় পুঁজিবাদী রাস্ট্রের সাথে পাল্লা দেয়া, অথবা পারস্পরিক অসহযোগিতা।
আসলে বইয়ের লিখিত তথ্যে আর ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পূর্ন ভিন্ন জিনিস।
There was always a vast and widening gap between theory and practice. আমার ছোট একটি কৌতুক মনে পড়ে গেলো-
পড়ালিখা শেষে ছেলে গ্রামে গেছে । বাপের সাথে গেলো এক গ্রামে দাওয়াত খেতে। কিন্তু ওরা মনে করেছিলো শুধু বাপই যাবে দাওয়াত খেতে। তাই খাবার টেবিলে ছিলো শুধু মাত্র ১ টা ডিম। এখন বাপ পড়েছেন চিন্তায়। কী করা যায়।
কিন্তু বাপ ছেলেকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে বাবা- মনে করো বাটিতে ২টি ডিম আছে।
বাপ বলে -আমি দেখি ১ টা ডিম তুই ২ টা বলিস কেন?
ছেলে বলে- বাবা , মনে করো-এখানে ২টি ডিম, যাতে হিসাব মিলাতে সহজ হয়।
তখন বাপ রেগে গিয়ে বল্লেন- তুর "মনে করো" টা তুই খা। আর ডিম টা আমি খাই।
সমাজতন্ত্র যদি সফল হতো আশাকরি সবার ভাগ্যে ডিম জুটতো।আমরাও খুশী হতাম।
কিন্তু ৭০ বছর পর বুঝা গেলো -বইয়ের সে ডিম -বেশী মানুষের পাতে যায়নি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ । তোমার পোষ্টে এইমাত্র জবাব দিয়ে এলাম এটির ।
দিনমজুর বলেছেন:
সন্ধাপ্রদীপ ও পুতুল,
পরে আরো কথা বলার প্রত্যাশায় আজ অফিসের উদ্দেশ্যে এখন রেডি হতে গেলাম।
তবে অবশ্যই অবশ্যই আমার কয়েকটি পোস্ট পড়বেন......
বিহংগ,
আপনার কথারো উত্তর কাল দিবো, আশা করি পড়বেন.....
ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
সন্ধাবাতি,
আবার আসলাম, বুঝতেই পারছএন- আজ রাতে ঘুম হয়নি- আপনার কারণে------------(সরি- আপনার প্রতি অভিযোগ নয়- আপনাকে ধন্যবাদ- আলোচনার সুযোগ দেয়ায়...)
যাহোক আপনার "সমাজতন্ত্র আলোকপাত করে what men should do . অন্যদিকে পুজিবাদ আবর্তিত এই প্রশ্নে, what men are actually doing." এর ব্যাপারে কিছু বলার ছিলো, এবং আরো অনেক কিছু নিয়েই অনেক কিছু বলা দরকার, আপাতত সাম্যবাদীর পোস্টে করা একটা কমেন্ট তুলে দিচ্ছিঃ (কেননা- বিহংগকে নিয়ে ব্যস্ত- তিনি উপরের কমেন্ট নিয়ে একটা স্বতন্ত্র পোস্ট দিয়ে ফেলেছেন)ঃ
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:১৫
দিনমজুর বলেছেন:
এরপরে, যে কথাটি সম্পর্কে বলা দরকার, সেটি হচ্ছেঃ.....
স্নোবলের একটি বক্তব্য, যাকে আবার পুতুল(!) ফেলে দিতে পারেন নি!!!!
পুতুল বলেছেন: স্নোবল;
বাস্তবতার নিরিখে কুনটা সফল, আর কুন্টা বিফল সেটাই দেখা উচিত, আদর্শের দিকে থেকে কুনটা ভালো বা খারাপ-সেটা বিবেচনা না করে।
কথাটা ফেলে দিতে পারছিনা। আমরা কোন ধর্ম নিয়া আলোচনা করছি না। ..........
---------------------------->>
প্রচণ্ড অন্যায় অবস্থান এবং ঐতিহাসিকভাবেই এটা স্বার্থপর ও প্রতিক্রিয়াশীলদের অবস্থান।
মানব বিকাশ তথা মানব সমাজের বিকাশের উল্টো স্রোতে যারা কাজ করেন, তারাই তো প্রতিক্রিয়াশীল। এখন দেখেন- মানুষ যে পশু থেকে মানুষ হয়েছে- সেটা কিন্তু তার বিবেক দিয়ে। বিবেক কি? একটু ব্যাখ্যা করি....
পশুর সাথে মানুষের পার্থক্য কি? পশুরও প্রবৃত্তি আছে, অর্থাত তার ক্ষুধা আছে, নিদ্রা আছে, যৌন চাহিদা আছে- মানুষেরও এসব চাহিদা আছে। দেখতে হবে- এসব কিছুই (মানুষ ও পশু উভয়েরই) আত্মকেন্দ্রিক। সমাজবদ্ধ মানুষ যখন থেকে আত্মকেন্দ্রিকতার বাইরে সমাজের প্রয়োজনে নিজের প্রবৃত্তিকেও বা প্রবৃত্তিজাত চাহিদা বশে আনলো, তখন থেকে বিবেক নামক বিষয়টির আবির্ভাব। সেটির প্রকার আকার হয়তো পাল্টেছে, কিন্তু এখনও- এই বিবেকের সংজ্ঞাটি এমনই- এই বিবেক দিয়েই মানুষ তার আত্মকেন্দ্রিকতার বাইরে এসেসমাজ বিকাশের সাথে একাত্ব হতে পারে, এটাকেই আদর্শ বলা যেতে পারে। এবং সমাজ বিকাশের ইতিহাস থেকেই আমরা জানি- মানুষের এই বিকাশের পেছেন- এই আত্মকেন্দ্রিকতার বাইরে আসার ভূমিকা তথা বিবেকের ভূমিকা প্রধান- তেমনি আত্মকেন্দ্রিক জীবন ব্যবস্থা সমাজকে পিছিয়েও দিয়েছে।
ফলে, আজও- ভালো/মন্দের কথা বিচার না করে শুধু বাস্তবতার দোহাই দেয়া- সমাজের বিকাশকে লাগাম টেনে ধরারই নামান্তর। এই বাস্তবতার দোহাই দিলে- এই সমাজ কখনও পাল্টাতো না, যদি মানুষের মধ্যে সেই আদর্শের প্রতি আকর্ষণের জায়গা না থাকতো.....
এবারে, আরেক দিক দিয়ে আলোচনাটি করি,
মার্কস নিজেই সমাজ-বাস্তবতার কথা বলেছিলেন। মার্কস সাহেবের আলোচনাটি অবশ্য স্নোবলের উদ্দেশ্য থেকে ভিন্ন।
এই সমাজ-বাস্তবতার বিষয়টি কেমন??
বাস্তবতাটি হচ্ছে, মানুষের উতপাদনের বিকাশের সাথে সাথে মানুষের সমাজ-কাঠামোটিও পরিবর্তনশীল। অতীতের সমাজ যেমন পাল্টেছে, তেমনি আজকের সমাজটিও এই জায়গায় বসে থাকবে না। এই পরিবর্তনটি হয়েছে- আমরা আদর্শ মনে করেছি সে জন্য - তা নয়, বরং সমাজ অভ্যন্তরে সেই পরিবর্তনের একটি বাস্তব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলেই সেটি পরিবর্তিত হয়েছিল- সেই বাস্তব পরিস্থিতিই মানুষের মধ্যে সেই আদর্শ তৈরি করেছে.... হয়তো- অনেক মানুষের আদর্শ আবার সেই পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করেছে......
আজও, সমাজ বাস্তবতায়- পুঁজিবাদী/সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থা সমস্তদিক দিয়ে সমস্যাগ্রস্ত, এটি মানুষের বিকাশকে টুটি চেপে ধরেছে- সিংহভাগ মানুষ এখানে নিষ্পেশিত- পুঁজিপতিরাও নিত্যনতুন ক্রাইসিসে ভুগছে- .... ফলে- এই অসহনীয় অবস্থা থেকেও মানুষ একদিন মুক্তি খুজবে- মুক্তি আসবেই, এটাই সমাজ বাস্তবতা, এই সমাজবাস্তবতাতেই মার্কস বলছেন- সাম্যবাদ হলো এই সমাজব্যবস্থার অনিবার্য পরিণতি।
(দুই প্রমিজ থেকে করা আলোচনাকে কন্ট্রাডিক্টরি মনে হলে জানান দিয়েন!!)
লেখক বলেছেন: ভাইরে এই নিকটি প্রদীপ; বাতি নয় ।
এই ব্লগে আরেকখান বাত্তি আছে ।
দিনমজুর বলেছেন:
আরো কিছু যুক্ত করি এর সাথে,....
রাষ্ট্র কখনই মানুষের প্রজেন্ট কণ্ডিশন কি আছে- এর উপর তাকে ছেড়ে দিতে পারে না, সেটা আপনি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদাহরণ নয় বুর্জোয়া রাষ্ট্রের দিকে তাকালেই বুঝবেন।
রাষ্ট্রের আইন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, তার সমস্ত নীতি সমূহ দেখলে বুঝতে পারবেন- সেগুলোর ভূমিকা, উপসংহার- শিরোনামে দেখবেন প্রতিটিতে উদ্দেশ্য বা অবজেকটিভ বলে একটা প্যারা থাকে (যদিও এগুলোর অনেক কিছুই শুভংকরের ফাঁকি!!!), তার পরেও- রাষ্ট্র যখন নীতি গ্রহণ করবে- তখন সে জনগণের অভিভাবক হিসাবে- সমস্ত জনগণের জন্য কি করা উচিত এটা দিয়ে তার নীতি গ্রহণ করতে হয়। ফলে- এটা কোন কথাই নয় যে, উচিত আর কি আছে তার ভিত্তিতে ক্রিয়া করার বিষয়টি.....
আসলে, কি ঘটে???
এটা নির্ভর করে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাদের দখলে, তাদের উপর। ক্ষমতার কেন্দ্রে পুঁজিপতি শ্রেণি অবস্থান করলে- তার প্রভাব সেখানে পড়বেই। ফলে, তারা যখন কোন নীতি গ্রহণ করে- তখন - কি করলে তাদের আখেরে লাভ হবে, সেটাই তারা বাস্তবায়ন করে।
এখন, বুঝা দরকার.... কেন আমরা হোয়াট শুড মেন ডু, এটা ভাববো না?? প্রথমত, বর্তমান পুঁজিবাদী/সাম্রাজ্যবাদী অর্থনৈতিক কাঠামোতে আমরা বিশ্ব জুড়ে কি ফল দেখছি? মানবতার কি দশা দেখছি? অর্থনীতির কি দশা দেখছি?? আমরা যদি সেই ৯৫% এর মধ্যে পড়ি যাদের হাতে মোট সম্পদের মাত্র ১৫% আছে, আমরা যদি- সেই তৃতীয় বিশ্বের দেশে বাস করি- যাকে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর করে দেয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত, তাহলে আমরা কিভাবে বসে বসে- হোয়াট মেন আর একচুয়ালি ডুয়িং এর মধ্যে জীবন কাটাবো?? কেন আমরা আমাদের ঐচিত্যবোধকে তাড়িত করবো না?? কেন আমরা বেটার লাইফের কথা ভাববো না????
দিনমজুর বলেছেন:
আপনি নিজেও স্বিকার করেছেন, পুঁজিবাদ মানুষের মধ্যকার আত্মকেন্দ্রিকতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়, মানুষকে আরো বিচ্ছিন্ন করে...... সেটাকে দেখে মানুষকে সেভাবেই বিচার করবেন???
মানুষ কি আসলেই এরকম?? সবসময়ই এরকম ছিলো??? আজ, দেখুন- বিহংগ যে কৌতুকটি দিলো- সেটি দেখুন মানুষকে কোন জায়গায় নামিয়ে দেয়া হয়েছে সেখানে- আসলেই হয়তো এরকম চিত্র আছে, বাবা নিজে না খেয়ে পুত্রের মুখে তুলে দেয়াটা বা পুত্র নিজে না খেয়ে বাবার মুখে তুলে দেয়াটাই হয়তো অস্বাভাবিক বানিয়ে ফেলেছে পুঁজিবাদ, প্রাণিজগতে দেখা যায়- বাবা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা-ও নিজের সন্তানকেও খুধায় খেয়ে ফেলে, সামনে হয়তো পুঁজিবাদ আমাদের সেরকম জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, পিতৃপ্রেম/মাতৃপ্রেম হয়তো একসময় পৌরানিক আবেগ হিসাবে গণ্য হবে, - অথচ, আমরা কি সবসময় এমন অনুভূতিশূণ্য ছিলাম- এটা কি আমাদের কষ্ট দেয় না, আমরা সব ঝেড়ে কি বলতে পারি না- নাহঃ আমরা এরকম হবো না, হতে চাই না- মানুষের ইতিহাস তা বলে না, মানুষকে ভালোবেসে আত্মত্যাগ করে যে প্রশান্তি পাওয়া যায় তার দাম অনেক বেশি......
মজার ব্যাপার হলো- একথাকে আপনি আবার বলতে পারবেন- অনেক আবেগ দিয়ে লিখছেন... কিন্তু বাস্তবতা হলো এই....... কিন্তু আপনি এই বাস্তবতাকে মেনে একে টিকিয়ে রাখার কথা বলছেন, আর আমি- এই বাস্তবতা মেনে মানব জাতির অনিবার্য ধংস টেনে আনার কোনো ভাবে পক্ষপাতি নই।
দিনমজুর বলেছেন:
বিহংগের পোস্টে করা কমেন্ট এখানে তুলে দিচ্ছিঃ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১১ দিনমজুর বলেছেন:
ঠিক আছে, ধৈর্য ধরে শুরু করে দেই......
বিহংগ,
আপনার কমেন্ট / পোস্টের ব্যাপারে আমার বক্তব্যঃ (নিচ থেকে উপরে)
১। আপনি মন্তব্যের শেষে যে পিতা-পুত্রের যে কৌতুকটি উল্লেখ করলেন, সেটির ব্যাপারে প্রথমে কিছু বলি, তারপরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসটি সম্পর্কে বলবো।
আপনার কৌতুকটিতে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি আত্মকেন্দ্রিকতা- এটা দেখানোর জন্য যে উদাহরণটি দিলেন- সেখানে মনে হতে পারে, পিতা নিজে না খেয়ে পুত্রের মুখে ডিমটি তুলে দেয়ার ঘটনা বা পুত্র নিজে না খেয়ে পিতার মুখে তুলে দেয়ার ঘটনা আজকের বাস্তবতায় বিরল!!! এটা যদি মেনেও নিই, তারপরেও এটুকু বলতে হচ্ছে, এই সমস্ত আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা মানুষের মধ্যে এই পুঁজিবাদ তৈরি করছে।
ঐ নৈতিকতা কেন্দ্রিক আলোচনা থেকে বেরিয়ে এসে- অন্য দিক থেকে আলো ফেলি- একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র এরকম ঘটনাটিতে- পিতা বা পুত্রের কারো জন্য ঐ ডিমের পুরোটা অপরিহার্য না হলে- তাদের দুজনকে সমান দুভাগে ভাগ করে দেয়া হবে যতদিন না ডিমের প্রাচুর্য তৈরি হচ্ছে।
এখন প্রাচুর্যের বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করি। আমরা যার প্রাচুর্যের মধ্যে বাস করি- সেটির জন্য কি আমাদের মাঝে কাড়াকাড়ি- মারামারি থাকে?? যেমন বাতাস, যতক্ষণ বাতাসের প্রাচুর্য আছে, ততক্ষণ কি বাতাস নিয়ে কোন কাড়াকাড়ি বা লোভের বিষয় ঘটে?? বা পানি, যেসময়ে আমাদের সামনে পানির প্রাচুর্য থাকে, তখন কি সেই পানি নিয়ে কোন কাড়াকাড়ি দেখেছেন- অথচ- এখন যখন পানির সংকট তৈরি হয়, তখন এই পানির জন্য খুন-খারাবিও হতে পারে!!!
প্রশ্নটি হলো, সাম্যবাদী সমাজে- সবকিছুর প্রাচুর্য কি সম্ভব??? হুম হতে পারে, এখন পর্যন্ত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যে অবস্থানে গিয়ে পৌচেছে- তাতে মানুষ চাইলে- নিজেদের সমস্ত চাহিদা মেটানোর মত উতপাদনের সামর্থ রাখে (পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কৃত্রিম ও অসংলগ্ন চাহিদার কথা এখানে ধরা হয়নি)। একটু উদাহরণ দেই, আজকের দুনিয়ার যদি মাত্র ৩/৪ টি দেশ যে পরিমাণ খাদ্য শস্য উতপাদন করে- তাই দিয়ে দুনিয়ার তাবত মানুষকে তিন বেলা খাওয়ানো সম্ভব। কিন্তু পুঁজিবাদী কাঠামোতে বাস্তবতা হলো এই যে, দুনিয়ার ৮৫৪ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার্ত; যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার উদ্বৃত্ত খাদ্য খেতে পচিয়ে ফেলা হবে, গবাদী পশুকে খাওয়ানো হবে, সমুদ্রের মাছকে বিলানো হবে, তবু উগাণ্ডা-রুয়াণ্ডা-অমালিয়া প্রভৃতি দেশের হাড্ডিসার মানুষগুলোর পেটে তা যাবে না!!!!
আসলে- পুঁজিবাদী সমাজে তাই দারিদ্র আজ কৃত্রিমভাবে তৈরি করা, ....
এবং আপনার গল্পের ঐ আত্মকেন্দ্রিকতাও এই সমাজব্যবস্থারই সৃষ্টি!!!!!!
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২১ দিনমজুর বলেছেন:
২। সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসটি একটু বলছি, সংক্ষেপেই....
প্রথমে স্বীকার করতে হচ্ছে যে, ১৯২১ এ এসে উতপাদন আসলেই অনেক কমেছিল- ১৪% এরও বেশি কমেছিল, কৃষি উতপাদন অর্ধেকে নেমে আসে, এবং শিল্প উতপাদন আগের বছরগুলোর তুলনায় এক সপ্তমাংশে নেমে আসে।
কিন্তু কেন ও কিভাবে???
সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করলো কিকরে???
এবং এমন অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে এক দশকের মধ্যে দুনিয়ার মধ্যে লিডিং পর্যায়ে নিয়ে গেল কি করে???
এক দশকের মধ্যে লিডিং পর্যায়ে চলে গিয়েছিল- এই কথাটি আপনার পোস্টের ৭০ বছরে সম্ভব হয়নি- এই কথার সাথে বিরোধার্ত্মক। চাইলে আপনাকে এর বিভিন্ন খাত ধরে দেখিয়ে দেয়া যেতে পারে, শুধু একটা কথা বলি- ১৯৩০ এর যে মহামন্দায় গোটা পুঁজিবাদী দুনিয়া পর্যুদস্ত, সেই সময়টাতে এর সামান্যতম আচ লাগেনি সোভিয়েতে!!!!!
কিভাবে সম্ভব হলো????
একটু ভেবে দেখবেন,
আমার ব্যাখ্যা পরে মানে রাতে দিচ্ছি, এখন অফিস ছুটি, বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবো...........
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভাই রুমানিয়ার চাউসেস্কুর কথা না দেইখা দিলে হার্ট খাইলাম!
আবু সালেহ বলেছেন:
পুরোপোস্ট এক নিঃশ্বাসে পড়লাম....++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সালেহ ভাই ।
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:
ভাল থাকবেন সবাই । দেশে যাবার আগের ঝামেলা, কত কত যে কাজ !! দেশে গিয়ে আবার যোগ দেব আপানদের সংগে । সবাই ভাল থাকবেন সে নাগাদ ।
মুহিব বলেছেন:
পুজিবাদের জয় অনিবার্য
দিনমজুর বলেছেন:
বিহংগের পোস্টের কমেন্ট এখানে তুলে দিচ্ছিঃ
সরি, গতকাল অফিস থেকে বাসায় গিয়ে কোন রকমে কিছু পেটে তুলেই ঘুম......
আজকেও মনে হয় বেশিক্ষণ সময় দিতে পারবো না, টানা ছুটি- ফলে বেশ কিছু কাজ করতে হচ্ছে অফিসে- একটু ব্যস্ত.....
সন্ধ্যায় আবার ঢাকার বাইরে যাব, তিনদিনের ছুট ঢাকার বাইরেই কাটাবো, তবে কাল নিশ্চিতভাবেই বেশ কিছু কথা বলবো......
তবে সন্ধাপ্রদীপের উদ্দেশ্যে দুটি কথা বলতেই হচ্ছে........
১। মহামন্দার আঘাত কেন লাগেনি সেটি সামনে এনে কি বলতে চাইলেন??
সে সময়ে গোটা দুনিয়ায় উতপাদন কমেছে, কোটি কোটি মানুষ বেকার হয়ে দারিদ্রের চরমে পৌচেছে- আর উল্টোদিকে সোভিয়েত ইউনিয়নে উতপাদন বেড়েছে ২০০% এরও বেশি!! এখন কারণ যেটি বললেন- সেটিও পরিস্কার নয়, তারপরেও সেটিকে ঠিক ধরলেও তো বলতে হয়- সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো অনেক বেশি সাসটেইনেবল।
২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি কি হয়? আর সোভেয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অবস্থা কি হয়, কেন হয়??
সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ধীরে ধীরে পড়তির দিকে গেল, কি কি সমস্যা ছিল, সেটা পরে আলোচনা অবশ্যই করবো, কিন্তু আপনি যে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য দেখালেন- সেটা একধরণের হাস্যকর উপস্থাপনা পুঁজিবাদী/ নিওলিবারেল অর্থনীতিবিদদের। তারা উন্নতির মাপকাঠির জন্য এই মাথাপিছু আয়, প্রবৃদ্ধি প্রভৃতিকে সকলের সামনে নিয়ে এসে বিভ্রান্তই করতে চায়।
আমার পোস্ট পড়ার আহবান জানিয়েছিলাম- আপনি এখনও পড়েননি... যাহোক, দুটি পোস্টের কিছু তথ্য এখানে তুলে দিচ্ছিঃ
...... মার্কিন সরকারের ঋণ বুশ ২০০১ এর জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার সময় ৫.৬ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে লাফিয়ে এখন হয়েছে ৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ......
এই বাজেট ঘাটতি ও ঋণের উপর সুদ- যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝাকেই বাড়াচ্ছে, যেটি এ মুহুর্তে ৯ ট্রিলিয়ন ডলারেরও উপরে গিয়ে পৌঁছিয়েছে।
CBO এর হিসাব মতেআগামী এক দশকে ঋণের সুদবাবদই গনতে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। .......
মজার ব্যাপার, এই ঋণের বোঝাটা পড়বে- সাধারণ মানুষের উপর, কেননা- এত কিছুর পরেও যুক্তরাষ্ট্রের ধনিক গোষ্ঠীর ধন ঠিকই বাড়ছে!!! এর ফলাফলটা হবে- সরকার চালিত স্বাস্থ্য সেবা ও অবসর কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই উঠেছে!!! কিন্তু ধনিক অংশের অবস্থাটি একটু দেখুন (যাদের আয় দিয়ে আপনার মাথাপিছু গড় আয় এত উপরে!!!)ঃ
......এই 'ধনীতম'' দেশেও আছে বিশাল বৈষম্য।
যুক্তরাষ্ট্রে মাথাপিছু গড় সম্পদ ১৪৪,০০০ ডলার, এবং এটি দুনিয়ার দেশসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ, যেখানে ভারতে মাথাপিছু গড় সম্পদের পরিমাণ ৬৫০০ ডলার, যেটি সর্বনিম্ন (যেসব দরিদ্র দেশের ডাটা পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে)। আর, যুক্তরাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশী সম্পদ কেন্দ্রীভূত আছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ১% এর কাছে আছে দেশটির মোট সম্পদের ৩২.৭%, এই হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয়তে অবস্থান করছে, কেননা প্রথম অবস্থানটি সুইজারল্যান্ডের। সুইজারল্যান্ডের শীর্ষ ১% এর কাছে আছে ৩৪.৭%।
WIDER এর রিপোর্টে বিভিন্ন দেশ ও এলাকা অনুযায়ী সম্পদের বৈষম্যের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, দুনিয়ার সম্পদধারীদের মধ্যে শীর্ষ ১০% ও শীর্ষ ১% এর উল্লেখযোগ্য অংশই যুক্তরাষ্ট্রের (যথাক্রমে ৩৭% ও ২৫%)। আবার যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনগণের(২০ বছরের উর্ধে) ৪৫.৫% ই (৯২ মিলিয়ন লোক) দুনিয়ার শীর্ষ ১০% সম্পদধারী লোকের তালিকায় অবস্থান করে। .....
উপরের আলোচনা দুটি আমার যে দুটি পোস্টের অংশ বিশেষ, সেগুলি হচ্ছেঃ
১। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধখরচ, ( Click This Link)
২। অর্থনৈতিক বৈষম্যঃ বিশ্ব-পরিস্থিতি ( Click This Link)
আশা করি পোস্টদুটি পড়বেন।
রঙ পেন্সিল বলেছেন:
Left is DEAD! Long Live Left! সমাজতন্ত্র ke bachanor jonno eto change lagche je.......shomajtontro je mora chele tate shondeho nai (shondeho jara kore tara either porena othoba dekhena......othoba GANOPAPI!! sorry if i m a little bit hursh!).......rather let us treat the other system so that they are free of their shortcomings! Long Live Left may be a slogan to extract some good things out of সমাজতন্ত্র. এই লেখার ধারাবাহিকতা চাই!
কার্নেল বলেছেন:
প্লাস এবং প্রিয়তে।পুজিবাদের খুব সুন্দর একটা সাফল্য হচ্ছে সিলিকন ভ্যালি। প্রায় অর্ধশতক আগের সমাজতান্ত্রিক সাফল্য থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেয়ে বর্তমান বিশ্বের উদাগরণগুলো দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সমাজতন্ত্র ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না , যেকারণে বিল গেটস, স্টিভ জবসের মত জন্ম কখনো সমাজতান্ত্রিক দেশে হয় না।
কার্নেল বলেছেন:
প্লাস এবং প্রিয়তে।পুজিবাদের খুব সুন্দর একটা সাফল্য হচ্ছে সিলিকন ভ্যালি। প্রায় অর্ধশতক আগের সমাজতান্ত্রিক সাফল্য থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেয়ে বর্তমান বিশ্বের উদাহরণগুলো দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সমাজতন্ত্র ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না , যেকারণে বিল গেটস, স্টিভ জবসের মত জন্ম কখনো সমাজতান্ত্রিক দেশে হয় না।
কার্নেল বলেছেন:
আমার আগের কমেন্টগুলো মুছে দিন। ওখানে কিছু টাইপিং ত্রুটি আছে।প্লাস এবং প্রিয়তে।
পুজিবাদের খুব সুন্দর একটা সাফল্য হচ্ছে সিলিকন ভ্যালি। প্রায় অর্ধশতক আগের সমাজতান্ত্রিক সাফল্য থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেয়ে বর্তমান বিশ্বের উদাহরণগুলো দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সমাজতন্ত্র ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না , যেকারণে বিল গেটস, স্টিভ জবসের জন্ম কখনো সমাজতান্ত্রিক দেশে হয় না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














