মেয়ে গেছে ভার্সিটি। বাসায় টেবিলের উপর বইয়ের ভাজে আমাদের ২খানা ফটু। মেয়ের মা কেমনে কেমনে জানি ফটু ২খান দেখে ফেলছে! এরপর মেয়ের ছোটো বোন মানে আমার হবু শালীকে ব্যাপক জিগ্গাসাবাদ !
মা: এইডা কিসের ফটু?
শালী: দেখতেই তো পাইতেছো, কাঙাল ভাই আর আপুর ফটু।
মা: তাদের মধ্যে কি কিছু আছে?
শালী: আমি কেমনে কমু? ফ্রেন্ডও তো হইবার পারে!
মা: ফ্রেন্ড হইলেই ভালা। তুই সত্যি জানোস না কিছু?
শালী: নাহ! জানলে তো কইতাম, নাকি?
মা: দেখ, এসব আমার মোটেও ভালো লাগে না।
শালী: সেইটা আপুরে যাইয়া কও।
কথা হইলো, আন্টি আমারে খুব ভালো কইরাই চিনে(মেয়ের বয়ফ্রেন্ড হিসাবে না)। আর শালী!! ঐ ঘরে একমাত্র ওই আমাদের সম্পর্কের কথা জানে!!
প্রেমিকা ঘরে আসার পর কাহিনী:
শালী: মা আজকে তোমাদের ফটু দেখে ফেলছে!
প্রেমিকা: কি!! কি বলছে?
শালী : ব্লা...ব্লা...ব্লা...
প্রেমিকা: হুমম...
শালী: আপু তুমি এত শান্ত আছো কিভাবে?
প্রেমিকা: এখানে অশান্ত হওয়ার কি দেখলি?
মা মেয়ের হাত ধরে,
মা: তোর আর কাঙালের ফটু দেখালম...সত্যি করে বলতো, তোদের মধ্যে কি কিছু আছে?
প্রেমিকা: থাকলেই বা কি?
মা: থাকলেই বা কি মানে? দেখ, পড়াশোনা করতেছিস পড়াশোনা কর। আমার এসব জিনিস একটুও ভালো লাগে না।
প্রেমিকা: তো আমি কি করবো?
মা: এসব আর করবি না।
প্রেমিকা: করবো, তুমি কি করবা??
মা:
কথা হইলো ছবি দুইটা ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা। খালি আমাদের দুইজনের মুখের ছবি। আমি ওর ঘাড়ে হাত দিয়ে রাখছি। খুব সিম্পল। তেমন কিছু না।
আমি: কেনো রে ভাই, পিসিতে কি ছবি দেখা যায় না?এই ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার ফালাইয়া কোন হিসাবে ছবি প্রিন্ট করতে গেছিলা??
প্রেমিকা: পিসিতে সবসময় দেখতে ভালো লাগে না। হাতের কাছে থাকলে বেশি ভালো লাগে।আর কারেন্টের যা অবস্থা! কারেন্ট না থাকলে সবসময় চাইলেই তো আর ছবি দেখা যায় না!!
হইছে!!! এবার ঠেলা সামলাও। আগে তো লাফায় লাফায় মাইয়ার বাসায় যাইতাম।এখন তো মনে হয় সেইটা অফ হইয়া গেলো! আহারে!! আন্টি আমারে কত সুন্দর সুন্দর সব খানাদানা দিতো!!
এখন কথা হইলো, আন্টি জিগাইলে আমি কি কমু??
প্রবাদ : ঐ বাসায় কোনো কিছু আন্টি জানলে, বাংলাদেশের উইকেট পড়ার আগেই তা আংকেলের কানে চলে যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

