somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সহজেই খুঁজে বের করুন আপনার সবচেয়ে প্রিয় সামু ব্লগারকে
তো খুব সহজেই পছন্দের ব্লগারকে খুজে বের করা যায়, আপনি যার লেখার একটু বেশি ফ্যান। এজন্য আপনার মোবাইল নাম্বারের শেষ ডিজিট মনে মনে ভাবুন।

যদি শূন্য হয় তাহলে এর আগেরটা ভাবুন।


অনেকগুলা শূন্য থাকলে আগেরটার আগেরটা ভাবুন। অর্থাৎ আপনি শূন্য নিয়ে হিসাব করতে পারবেন না। <img src=" style="border:0;" />


এবার ঐ সংখ্যাকে ৩ দিয়ে গুন দেন।

এবার গুনফলের সাথে ৩ যোগ করেন।

এবার যোগফলকে আবার ৩ দিন গুন করেন

ভাবছেন ৩ দিয়ে গুন-যোগ কেনো? কারন সামুর ট্যাগলাইনে শব্দ মোটে ৩টি - "বাঁধ ভাঙার আওয়াজ"। তো এবার যেই ২ ঘরের সংখ্যা পেলেন তা পরপর যোগ করেন। যেমন ১২ আসলে (১+২) = ৩

এবার ফাইনাল যোগফলের সাথে মিলিয়ে দেখুন আপনার সবচেয়ে পছন্দের ব্লগার কে -


১) রাগিব
২) ত্রিভুজ
৩) বিডি আইডল
৪) রাগ ইমন
৫) জটিল
৬) বিষাক্ত মানুষ
৭) সবাক
৮) অমি রহমান পিয়াল
৯) কাঙাল মামা
১০) ফিউশন ফাইভ
১১) ভেবে ভেবে বলি/মেঘ বলেছে যাবো যাবো
১২) আরিফ জেবতিক
১৩)ইমন জুবায়ের
১৪) নুশেরা
১৫) নাফিস ইফতেখার
১৬) রাতমজুর
১৭) ম্যাভেরিক
১৮) জিকসেস



আমার আসছে নাফিস ইফতেখার। আপনার কি আসলো? কমেন্টে জানাতে ভূলবেন না <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29534100 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29534100 2012-02-02 22:05:41
যেভাবে পুরানো ফেসবুক ফিরিয়ে আনবেন - ফায়ারফক্স/ক্রোম

গ্রীসমাংকি একটা এডঅন যেটা দিয়ে আপনি ফায়ারফক্সে বিভিন্ন স্ক্রীপ্ট চালাতে পারবেন। ক্রোমে এটা লাগে না, কারন ক্রোমে বাই ডিফল্ট স্ক্রীপ্ট চালানো যায়। ফায়ারফক্সের জন্য এটা ইন্সটল করে নেন। ৩, ৪, ৬ নাম্বারে এটা লাগবে।

১। ফেসবুক টিকার রিমুভাল

ডান পাশের টিকার নিউজ যেটা একটু পরপর কে কি করে সেটা নিয়ে আপডেট হয় - চাইলে অফ করে দিতে পারেন।
ফায়ারফক্স | ক্রোম



২। ফেসবুক কোশ্চেন

হোম পেইজে আজাইরা মানুষের আজাইরা প্রশ্ন-উত্তর দেখতে না চাইলে..
ফায়ারফক্স | ক্রোম



৩। ফটো থিয়েটার কিলার

ছবি দেখার নতুন ভিউয়ারটা ইচ্ছা করলে বন্ধ করে দিতে পারেন। এটা দিয়ে আগের মত ছবি দেখা যাবে।
ফায়ারফক্স | ক্রোম



৪। গেট ওল্ড ফেসবুক চ্যাট

নতুন চ্যাটবারটা আমারো পছন্দ না। এইটা দিয়ে পুরানো চ্যাটবার এনাবল করতে পারেন।
ফায়ারফক্স | ক্রোম



৫। ফেসবুক কমেন্ট ফিক্সার

কমেন্ট করতে হলে এন্টার চাপতে হয়। আগের মত "কমেন্ট" নামে কোনো বাটন থাকে না। বাটন ফিরিয়ে আনতে..
ফায়ারফক্স | ক্রোম




৬। এক কলামে টাইমলাইন

টাইমলাইনে আপনার পোস্টগুলা ডান-বাম দুই পাশে ছড়ায় থাকে। ফলে অনেক সময় পোস্ট খুজতে সমস্যা হয়। এগুলা এক সারিতে, একটার নিচে একটা করতে এই স্ক্রিপ্টটা ব্যাবহার করতে পারেন। এই স্ক্রিপ্টটা অবশ্য ফেসবুকের এড অফ করে দেয়, চ্যাটবারে অফলাইন ফ্রেন্ডগুলাও হাইড করে দেয়। অনেক কাজের কাজী টাইপ জিনিস।



৭। F.B. Purity

২ আর ৫ নাম্বারে ফায়ারফক্সের জন্য যে এডঅনের কথা বলা হয়েছে, তা একটাই - F.B. Purity। এটা দিয়ে ২/৫ ছাড়াও আরো অনেক কাজ করতে পারবেন। কাস্টোমাইজ অপশনে গিয়ে ধরে ধরে অনেক কিছু হোম পেইজ থেকে হাইড করতে পারেন। যেমন - Become a fan, Joined a group, Attended an event, Become friends with, Tagged in video, Commented on page wall সহ আরো অনেক কিছু। বন্ধ করতে পারেন আশেপাশের অনেক বক্স - The Events Box, Sponsored Box (Ads), Suggestions Box (People You May Know/Find More Friends/etc), Get Connected Box, Poke Box। এদের দাবী এরা নাকি টাইমলাইন ডিজাবল করতে পারি। আমি ট্রাই করি নাই, আপনি করে দেখতে পারেন।
উপরে দেয়া ফায়ারফক্সের জন্য এডঅন ইন্সটল করতে না চাইলে স্ক্রিপ্ট ইনস্টল করতে পারেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29530447 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29530447 2012-01-27 21:59:30
তোমাদের সার্ভিস খুব-ই মিস করবো....ভ্যাঁ... ভ্যাঁ... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" />
ঠিক মনে নাই কবে...২ মাস আগের কথা, এয়ারটেল মোবাইলটা অফ করে অন করলাম। পিন কোড চাইলো। পিন কোড জানি। কিন্তু দিলাম ভূল একটা!

এরর!

আবার দিলাম আরেকটা।
এরর!!

আরেকবার...শেষ চেষ্টা...
এরর!!!

এখন PUK কোড চাচ্ছে। অথচ আমি PUK কোড জানি না। <img src=" style="border:0;" />

এখন এত ব্যাস্ততার মাঝে কে যায় এয়ারটেল অফিসে সিম রিপ্লেস করতে? কাছাকাছি যে দোকানটা সেখানে বাসে গেলেও (১৮+১৮) টাকা লাগবে। আর ঐ রাস্তায় যেই জ্যাম!! ব্যাস, ২ মাস ধরে অফ হয়ে আছে কানেকশনটা। চালু একটা সিম বন্ধ করে ফেলা যেনতেন কথা না। সিম খুলে রাখলেও অন করতে মন চায়। তাই এভাবে অফ করে দিলাম।

আজ বিকালে অবসর সময়ে মেইল করলাম এয়ারটেলকে ()। ভালোমত বুঝিয়ে বল্লাম কেনো এই কাজটা করেছি।

বড় করে দেখতে: http://i.imgur.com/XTQhw.jpg

ভাবলাম যদি মেইল চেক না করে? তারপর গেলাম ওদের সাইটের কম্প্লেইন করার বিভাগে। আরেকবার জানায় দিলাম আমি কি চাই।

বড় করে দেখতে: http://i.imgur.com/S5ysp.jpg

এয়ারটেল মিস করবো না জানি। ঐ ৮ জনের সাথে এখন কম কথা হবে - এটাই মিস করবো। আর মিস করবো KitKat ও 5star চকোলেট। আর SetWet Zatak বডি স্প্রে <img src=(" style="border:0;" />

কিন্তু আমার দেশের মানুষকে যারা ল্যাংটা করে পেটায়, তাদের জিনিস গায়ে মাখলে যে পাপ হবে!! :-*]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29529289 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29529289 2012-01-25 21:53:56
“পাত্রী খোঁজের গাণিতিক তথ্য” এবং khobor24-এর কিছু নির্লজ্জ বেহায়া পুরুষতান্ত্রিক মিথ্যাচার অপরাধচক্র। ম্যাগাজিন খুল্লে নিউজপ্রিন্টের পাতায় পাতায় দেশ-বিদেশের অনেক যৌনসুরসুরী মূলক খবর মিলতো।

অনলাইনের এই যুগে এসব ম্যাগাজিন পাওয়া যায় কিনা কে যানে। তবে সমমনা ওয়েবসাইট পাওয়া যায় বৈকি। বিডিনিউজ২৪ বা বাংলানিউজের মত জনপ্রিয় সাইটের আদলে তৈরী হওয়া এসব সাইটের মধ্যে অন্যতম খবর২৪।



চোখের সামনে খবর২৪ এর জন্ম হওয়ায় অনেক কিছু জানি। ফেসবুকে একটা গ্রুপ আছে ছেড়ে দে শয়তান, তোর ঘরে কি মা বোন নেই? নামে। মজার মজার সব ছবি আর কয়েকটা দেশপ্রেমমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে ১৯০০০ মেম্বার পটিয়ে এই গ্রুপটা হঠাৎ করে খবর২৪ এর উদ্ভোদন রিলেটেড কথা বলা শুরু করে। এরপর কাজটা অনেক সহজ। ১৯ হাজার মেম্বারের কাছে খবর২৪ এর লিংক শেয়ার করা আর মাঝে মাঝে সূরসূরিওয়ালা ছবি পোস্টানো।











সম্প্রতি মডেল/অভিনেতাদের ডিভোর্স-পরকীয়া নিয়ে ঢালাও ভাবে বানোয়াট রিপোর্টিং করা শুরু করে খবর২৪। এমনকি কাকে নিয়ে রিপোর্টিং করবে সেই আহবান-ও জানায়!


তো একবার মেহেরজানের অভিনেত্রী শায়না আমিনের একটা ফেইক ন্যুড ফটো ছাপায় দেয় আর বলে "প্রভা,নোভা, চৈতি, তিন্নি এবং শখের পর স্ক্যান্ডালের আচড় লাগলো এবার শায়না আমিনের গায়ে।"। ফটোর নিচে আবার বলছে, "অনেকেই বলে ছবিটা ফেইক, কিন্তু এটা সত্যিকারের ছবি।" <img src=" style="border:0;" />


শায়না আমিন

আমি, ব্লগার কাঙাল মামা, দিনে এতগুলা স্ক্যান্ডাল সাইটে ভিজিট করি - এই মেয়ের কথা কোথাও পেলাম না খবর২৪ ছাড়া! এসব নিউজ ওরা বসে বসে বানায় নাকি? কমেন্টে প্রবল আপত্তির মুখে আধানগ্ন ছবিটা সরায় নেয় ওরা।

ওদের খবরের শিরোনাম গুলোর দিকে একবার চোখ বুলাই:

•ছাত্রীকে জোর পূর্বক বিবস্ত্র করে ছবি ও ভিডিও ধারন!
•নিজেকে স্থির রাখতে পারেননি রেখা
•আবারো আচঁড় শায়না আমিন, এবার স্ক্যান্ডাল
•সাধারন মেয়ে থেকে আবেদনময় চরিত্রে
•ব্যাপক খোলামেলা হয়ে আইটেম গানে আসছেন পূজা মিশরা
•আবারো ও ঘনিষ্ঠ চুমোদৃশ্যে ক্যামেরাবন্দি ইমরান হাশমি ও তনুশ্রী
•শ্বশুরের পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন পুত্রবধূ !
•রেট বাড়ালেন পপি
•‘বৈরী বাতাস’ এ পতিতা নওশীন
•সালোয়ার কামিজের সৌন্দর্য্য ধর্ষনের উৎসাহের কারন!
•চুমু দেওয়ায় গণপিটুনি
•স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করতে স্বামীর পর্ণোভিডিও তৈরী!
•তিন্নীর লাগামহীন জীবন
•ভারতীয়দের পুরুষাঙ্গ আন্তর্জাতিক কনডমের জন্য ছোট

কি বুঝলেন? হ্যা, এটা একদল চরম মানসিক বিকারগ্রস্তদের দ্বারা চালিত ওয়েবসাইট।

মনগড়া রিপোর্টিং এর সেরা উদাহরন পেলাম গতকাল। জেনে নিন পাত্রী খোজের গাণিতিক সূত্র নামক রিপোর্টে। ‘খোঁজ’ শব্দটির বানান তারা ভুল করেছে, তবে সেটা নিয়ে আসলে কথা বলার কিছু নেই; আছে তাদের নির্লজ্জ মিথ্যাচার নিয়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে ফর্সা মেয়েদের তুলনায় শ্যামলা, উজ্জ্বল শ্যামলা কিম্বা কালো রং এর মেয়েরা স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বেশী ভক্তি করে।

প্রথম খটকাটা এখানে লাগলো। জেনেভা স্কুল অব বিজনেসের গবেষকরা তাদের দেশে শ্যামলা, উজ্জ্বল শ্যামলা পাইলো কই? ককেশিয়ান আর নিগ্রোদের নিয়ে কথা বলা এক কথা, ফর্সা-শ্যামলা নিয়ে কথা বলা একেবারেই অন্য কথা। ফর্সা-শ্যামলার এই বিষয়টি উপমহাদেশের একচেটিয়া। ইউরোপের গবেষণায় এটা ফিচার্ড অংশ হবার কথা নয়।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে স্বাস্থ্যবতী মেয়েরা শান্ত শিষ্ট ও ধর্য্যশীল হয় আর ক্ষীন স্বাস্থ্যের মেয়েরা খিটখিটে মেজাজের হয়। -ওহ তাইলে তো এখন হইতে চিকন স্বাস্থ্য মোটা ও সুন্দর করিবার আশায় গরুর ট্যাবলেট সেবন শুরু করিতে হইবে, না কি?

জানা গেছে, যে পাত্রীরা তুলনামূলক আলজেবরায় ভালো, তারা সাংসারিক দুঃখ সুখ শেয়ারিং এ ভালো, আর যারা পাটীগণিতে ভালো তারা কিছুটা স্বার্থান্বেষী ধরণের হয়। আর জিওমেট্রিতে ভালো যারা, তাদের লোভ বেশী থাকে।

এই তো তোমাদের গবেষণার আসল পর্যবেক্ষণ পরিলক্ষিত হইল…মেয়েদের পড়ালেখার গন্ডি তাইলে এস, এস, সি পর্যন্তই যথেষ্ট! এর পরের শিক্ষা আসলে মেয়েদের বুদ্ধি, চিন্তা বিকাশে নিতান্তই অর্থহীন, এখানে ইনিয়ে-বিনিয়ে বুঝানো হয়েছে, “ইয়ে মানে, শেষমেশ সংসারই তো করবা, আর ওই মেট্রিকের লেখাপড়া দিয়াই কিন্তু তোমাদের বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, এরপর যত পড়ালেখা কর, তোমাদের মানসিক বিকাশ এখানেই স্থগিত থাকতেছে কিন্তু”

মূল গবেষণাটির অ্যাবস্ট্রাক্ট ও আরো কয়েকটি নিউজ ঘাটার বুঝলাম খবর২৪ ছাড়া অন্য কোনো খবরেই এরকম রেসিস্ট কোনো কথা লেখা নেই!

১৯০০০ ফ্যানের কল্যানে লিংকটি ছড়িয়ে পড়ছে সবখানে। অনেককেই দেখলাম সিরিয়াসলি ব্যাপারটা নিছে। মেয়েদের মনের ভেতরেই একটা বৈষম্য সৃষ্টি করা হচ্ছে। একটা মানুষ কালো না সাদা- এইটার জন্য যদি তার মেন্টালিটি ভিন্নতা পায় তার জন্যেও কিন্তু এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ দায়ী। কালো মেয়ে স্বামীর বাধ্য হবে, কারন তার একটা দোষ আছে-সে কালো!!

কোনো একটি গর্দভ পুরুষ এই লেখাটি প্রসব করেছে, এবং নিজের পুরুষবাদী ভ্রান্ত ধারণা এখানে ঢোকানোর সময়ে দুর্গন্ধটা লুকোতে পারেনি। একটি গবেষণা সম্পর্কে প্রকাশিত খবরের সাথে নিজের দুর্গন্ধযুক্ত মস্তিষ্কের প্রসব করা কথা মিশিয়ে দেবার সাহস এই লোকের কী করে হয়? গবেষণা জিনিসটা কি ফাজলামি জাতীয় কিছু? একটা পরিসংখ্যানিক গবেষণাকে অপমান করার সাহস এদের কী করে হয়?

খবর২৪ এর মিথ্যাচার নিয়ে পড়লেন। এখন মূল রিপোর্টের প্রধান ফিচার্ড ধারণাগুলো আরেকবার নিশ্চিত হয়ে নিন।

১. বর-কনের বয়সের পার্থক্য পাঁচ বছরের কাছাকাছি হওয়া উচিত।
২. তাদের একইরকম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে উঠে আসা উচিত।
৩. নারীর পুরুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হওয়া উচিত।
৪. পুরুষের চেয়ে নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি থাকা উচিত।
৫. এবং বিয়ে বিষয়টি মূলত পারস্পরিক সহযোগিতার ওপরে সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল।

এর বাইরে কালো-ফর্সা, চিকন-মোটা, পাটিগণিত-বীজগণিত বিষয়ক বেহায়া মতবাদগুলো আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে দিন। আর একটা গবেষণার ফলাফল নিয়ে যারা ফাজলামি করতে পারে, তাদের মুখে আমার পক্ষ থেকে কয়েকদলা থুতু নিক্ষেপ করলাম।

//লেখাটির শিরোনাম একটি বড় অংশ বিনা অনুমতিতে ধার করা হয়েছে মুক্তমনা ব্লগের অবর্ণন রাইমসের লেখা থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29525885 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29525885 2012-01-20 21:45:38
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশী প্রভাষকের ফেসবুক স্ট্যাটাস সংক্রান্ত শাস্তির খবর


গত ১৩ অগাস্ট মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান সম্পাদক মিশুক মুনীরসহ পাঁচ জনের মৃত্যুর পর ফেইসবুকে এক স্ট্যাটাস আপডেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মৃত্যু কামনা’ করেন রুহুল। ১৩ অগাস্ট সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ফেইসবুক ওয়ালে পোস্ট করা একটি স্ট্যাটাসে লেখা ছিল, “পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার ফল তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?”

ওই স্ট্যাটাস নিয়ে ১৮ অগাস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে ‘জাবির জামায়াতপন্থী শিক্ষকের ঔদ্ধত্য’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদ আদালতের নজরে নেওয়ার পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে। রুলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।











facebook, bangladesh, status, jail - এই চারটি টার্ম দিয়ে গুগল সার্চ করলেই পৃষ্ঠাব্যাপী সার্চ রেজাল্ট দেখাচ্ছে। আমি প্রথম ৭টা পেইজ ঘেটে দেখলাম সবই এই ঘটনার ভ্যালিড রেজাল্ট।




বিবিসি, সিএনএন, এফপি ছাড়াও

ফ্রান্সের টোয়েন্টিফোর = Click This Link
ভারতের জিনিউজ = Click This Link
ওয়াশিংটনপোস্ট = Click This Link
থাই ইন্ডিয়ান = Click This Link
কেটিটিভি নিউজ = Click This Link
যুক্তরাষ্ট্রের আইবি টাইমস= Click This Link
জিমগার্ডিয়ান = http://www.zimguardian.com/?p=24935
গ্লোবালপোস্ট = Click This Link
পাকিস্তানের ট্রিবিউন = Click This Link

পত্রিকা সহ প্রায় সব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ হয়।



//লেখাটি লিখতে প্রিয় টেকের সাহায্য নেয়া হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29517550 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29517550 2012-01-06 21:19:20
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে অনলাইন পিটিশন - কর্পোরেট ব্যাবসা ও তথ্য চুরির নয়া কারবার টিপাইমুখ বাঁধ। এর বিরুদ্ধে লেটেস্ট যে প্রতিবাদ কর্মসূচীটা আসছে সেটা একটা অনলাইন পিটিশন। বলা হচ্ছে এতে এক লাখ সই দিলেই জাতিসংঘ এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে। পাবলিকের মাথায় কাঠালভাঙার যত উপায় আছে তার মধ্যে সবচেয়ে লেটেস্টও এইটারে মনে হইলো। স্ল্যাকটিভিজম বা ইন্টারনেট পিটিশনের মাধ্যমে একটা ইস্যুতে জনমত জানানো যায় বটে, কিন্তু সেটার গ্রহণযোগ্যতা অন্তত জাতিসংঘে নাই কারণ সেখানকার জনগনের (মানে সাইনদাতাদের) পরিচয়ের ব্যাপারে কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নাই, তাই জাতিসংঘ সেটা গ্রহণ করে না। আলোচ্য ওয়েবসাইটে গেলে দেখবেন কোনো ইহুদি যেন যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে না পারে এমন পিটিশনও দিছে লোকে। মোটের উপর জাতিসংঘের এমন কোনো ক্ষমতাই নাই, থাকলে তারা ইসরায়েলের অবৈধ বসতিস্থাপনের বিরুদ্ধেই তো হস্তক্ষেপ করতে পারতো। কিংবা আমেরিকারে ঠেকাইতে পারতো ইরাকে মানবাধিকারলংঘন থেকে।

জাতিসংঘে কথা হয় G2G লেভেলে, মানে সরকার টু সরকার লেভেলে। বাংলাদেশ সরকারই কেবল আর্জি জানাতে পারে। মনে নাই ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করার জন্য একজন প্রবাসী বাংলাদেশী আবেদন করেছিলেন। পরে বাংলাদেশ সরকার যখন উদ্যোগ নিলো সেটা সফল হয়েছিলো।

তো না জাইনা পাবলিক যারা এতে সই করতেছেন তার যেসব ঝুঁকি নিতেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা তুলে দিলাম:

১. এইটার একটা ফিশিং স্ক্যাম হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। আপনার আই্ডি হয় হ্যাক হবে নয়তো আপনার ইউজার প্রোফাইলের তথ্যাদি বিক্রি করে মোটামুটি বড় অংকের টাকা কামাবে এর নেপথ্যে থাকা লোকজন। এই টাইপের স্ক্যামের ব্যাপারে নিচের সাইটে তথ্য পাবেন প্রচুর: Click This Link



ভোট দেয়ার পরেই ওরা আপনাকে ফেসবুকে শেয়ার দিতে বলে।ওখানে ক্লিক করলেই আপনার প্রোফাইল যাবতীয় বিষয়ের ওপর ওরা একসেস চাইবে। মজার ব্যাপার হলো যারা এলাউ করেছেন তারা তো গেছেন। কারন ওদের এপ্লিকেশন এর DOM আনুযায়ী আমি একসেস দিলে উনারা চাইলে আপনার প্রোফাইল থেকে স্টাটাস, ভিডিও এবং ছবি পোষ্ট করতে পারবে এবং আপনার যাবতীয় তথ্য তারা নিতে পারবে(পাসয়ার্ড এবং নন পাব্লিক ইনফো বাদে)।

২. এই পিটিশনটার নাম বদলাইয়া যাইতে পারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করো বা গোলাম আযমের মুক্তি চাই নামে। তারপর সেটা দেওয়া হবে যুক্তরাজ্য আর ইউএস সরকারের ওয়েবসাইটে। পিটিশনের গ্রহণযোগ্যতা এই দুইটা জায়গাতেই কিছুটা আছে।

উইকিতে একটা ইন্টেরেস্টিং তথ্যে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। "The website makes revenue in part by providing list building services (access to its users' email addresses) to partner organizations."

১ লক্ষ সাইন হলেই জাতিসংঘে ভারতের কাজে হস্তক্ষেপ করবে এমন তথ্য কে কোথায় পেল? এমন যদি হতোই তাহলে মানুষ সকল অপরাধ এই ১ লক্ষ সাইনের মাধ্যমে রুখে দিতো। change.org সাইটের একটি পিটিশনের ফলে জাতিসংঘ কাজ শুরু করে দিবে এমন বুদ্ধি মাথায় আসে কিভাবে! জাতিসংঘের কর্মকর্তারা কি নিয়মিত সাইটটি ভিজিট করে নাকি? জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কি এতোই সোজা? তারচেয়ে বড় কথা গত কয়েক দশকের ইতিহাসে জাতিসংঘে কোন ভালো কাজটাতে হস্তক্ষেপ করেছে?

এটা নিয়ে প্রতিবাদ করলেই কিছু লোক change.org এর সাফল্যের লিস্ট ধরায় দেয়। এদের সাফল্য গুলা হলো:

# Bank of America Drops Proposed Debit Card Fee
ব্যাংক অব আমেরিকা যে ক্রেডিট কার্ডের ফি কমাইলো। এইটা গ্রাহকদের একটা ওপেন জরিপের ভিত্তিতে তারা সিদ্ধান্তটা নিছে। এইখানে ইন্টারনেট পিটিশনের ভুমিকা বুঝলাম না। বরং ব্লগে লেখালেখি করে তারা ব্যাপারটারে একটা ইস্যু বানাইছিলো এমন খবর পাওয়া যায়।

# JC Penny Compensates Workers' Families, Leads Fire Safety Program
জেসি পেনির ফ্যাক্টরিতে আগুন লাইগা শ্রমিক মারা গেছে, তার জন্য যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হইছিলো। কোম্পানি তেমন প্রতিশ্রুতি একবার দিলেও তারা সেটা থেকে সরে আসছে।

#Grand Canyon Plastic Bottle Ban to Move Forward, Despite Coca Cola’s Opposition
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে লোকজন কোকের প্লাস্টিক বোতল ফালাইয়া জায়গাটা নোংরা করতেছে, এইটা বন্ধের পিটিশন! বাহ!!

#Kelley Williams-Bolar Granted Clemency by Ohio Gov. John Kasich
বাচ্চাদের একটা ভালো স্কুলে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে কেলি উইলিয়ামস নামে এক মহিলা নিজের ঠিকানার জায়গায় বাপের ঠিকানা ব্যবহার করছে। এইটা যুক্তরাষ্ট্রে একটা অপরাধ। এই তথ্য গোপনের অপরাধে তারে তিনদিনের জেল দেওয়া হইছিলো যেটা গভর্নর ক্ষমা করছে

#ইরাকযুদ্ধ ফেরত এক লোক সামনের উঠানের গাছে দুই ছেলের খুশী করতে একটা ঘর বানাইছে, যেইটারে ট্রি হাউজ বলে। এটা নিয়ে এক প্রতিবেশী কমপ্লেইন করায় কাউন্টি অফিস থেকে সরানোর নোটিশ পাইছে, সেই নোটিশ প্রত্যাহার করা একটা বিশাল বিজয়, তাই না!


লোকজন ভারত-পাকিস্তান করতে করতে ভুইলা গেছে যে কর্পোরেট দালাল বইলাও একটা জিনিস আছে, যারা অনলাইনে টাকা আয় করনের লিংক দিয়া পাবলিকরে ভুদাই বানায়।

আমি বরং বলি এক লাখ সইদাতার বদলে এক লাখ মানুষের একটা মিছিল করা হোক। টিপাইমুখ অভিমুখে না পারি, সংসদ অভিমুখে গিয়াও, অন্তত সংসদ ভবনের রাস্তায় দাড়াইয়া আমরা এই বাঁধ বন্ধ করার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানাইয়া আসতে পারি।অনলাইন একটিভিজমের বাস্তব প্রয়োগ এখন পর্যন্ত যা দেখছি তাতে আমি আশাবাদী না সেটা সম্ভব বলে। ১৪০০ মানুষের হম্বিতম্বি রাস্তায় যখন ১৪ জনে অনুদিত হয়, তখন হতাশ হইতেই হয় বৈকি।



ডিসক্লেইমার: সম্পূর্ন লেখা অমি রহমান পিয়াল, অরিত্র আহমেদ ও ব্লগার ক্যামেরাম্যানের ফেসবুক কমেন্ট/পোস্ট হতে নেয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29511754 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29511754 2011-12-28 21:12:12
ক্রিপটিক ফেইট : স্টুডিও অ্যালবামের লিরিক্স সংকলন
Ends Are Forever (১৯৯৪)
শ্রেষ্ঠ (২০০২)
দানব (২০০৬)





Ends Are Forever (১৯৯৪)




Ends are forever
i think the time is here for me to make my move
i think the time is here for me to once and for all choose
no more hiding in the darkness no more waiting for the light
i think the time has come for me to come outside and fight
all the knights of the world unite under me
i'm the one that will lead you to your destiny
the stars and the planets revolve in joyous fervor
our time to fight them is now finally here

breathe the fire in your heart in to your blade
thrust your sword deep in your enemy's neck
earn the right to be a knight of the ray
pray you stay alive to fight another day

dragon fire burns the sky clouds of steam are rolling by
the blessed messiah looks upon the charred remains of our town
this was not supposed to happen where the hell did i go wrong
all of my grand visions have been turned in to a sad song
boiling liquid all around evil and darkness are abound
nightmares come to life in a violent reality
this was not supposed to happen heaven help the shattered throngs
once oppressed and now defunct they fought to die to breed their own dawn

now that I've made my move i look back in retrospect
lives were a price we paid for the freedom that we gained
their blood will soak the soil to found our hopes anew
behold the light your sword and the promise to be true
i know you find it puzzling the method to the madness
but unless you've been there once don't think you can confess
don't tell us to forgive won't tell us to regret
we don't like to die still we give it our best

this was not supposed to happen how can you know for sure
life is a painful mystery that we all shall have to endure




Withered Alive
i see you in my dreams you touch me and i feel your scream
bones crumbling they reflect the past, blood flows through you breathe to gasp
smog engulfs there's death in the air, look around in an aimless stare
forgotten wars fill my thoughts, take my gun you will be bought

you can't ever see the things that won't let be
embrace the darkness that commands your judgment to do right
you can't ever see a world that'll never be
embrace the darkness cringe in pain it withers you alive

shards of shell cuts thorough your ribs, baby born in a dying crib
evil beckons with a terrifying wrath, no end to the hell that it can hath

zero seconds left to your fate, Armageddon will be your date
hope and peace are now long gone, death decay is now the norm
bones crumbling they reflect the past, blood flows through you breathe to gasp
forgotten wars now fill my thoughts, take my gun you will be bought




Odious Zephyr
Much has been lost but i'm still going on
its this life that stole my virtue
immune to this world's treacherous inhumanity
none are saints but a few
ostracized for rebelling words of derision
hated for the good I've always done
seeking justice thats blindfolded by greed
its now too late to see
odious zephyr the raiment of my sins
its too cruel and i don't know the answers to this day
odious zephyr the raiment of my sins
its the mirror that reflects my past to me again
notorious enough to censure the innocent
its this life that burned my desires
truth is always stronger than the iron
but it can bend against you
ostracized for rebelling words of derision
distant echoes hit it all
the storm has driven the innocent away
takes me to a game of mental fray




Captors of Fate
she calls out to her boy on the street
he plays on trapped in his dreams
he works hard to earn a decent life
for a family so poor yet rich in hopes
she cooks with pride a meal fit for dogs
father and son look hungry eyes
they're human too just like you and me
yet they're captors of fate while we are free




Oath unto you
living for tomorrow is what i'm living for
violating an oath crushing under my shoes
to hell with all the facts that once remained
and lose all respect that once I'd gained
to hell with all the rules cause I've had enough

hideous secrets cryptic fate
done as said promises made
words to kill see you lacerate
hideous secrets cryptic fate

i won't die for you i would rather see you dead
i won't dream of you i'd rather stay awake
lies are sweeter than the promises that you made
lies are sweeter than the promises for this i have been blessed

living for tomorrow is what i'm living for
tumult bedlam chaos is what i adore
my soul is never yours an oath unto you
heed all these words just spoken to you
the present is envious the past was selfish
now await the results and kick your wish




Bloodshed
up above the sky flies the hunter with piercing eyes
won't be too long before he falls down
make them crawl on their knees, trophies for the hunter's deed
never will the bloodshed be undone

when you're gonna see don't let them go where they shouldn't be
what're you gonna say when they start their bloody fray
you must have eyes to see the ones who died
you must have ears to have heard about their fears

no where to run or hide murder's now personified
if the blades don't rise the blood won't fall
the passion of the play it slowly fades away
somehow they survived another nightmare

the killing of the innocents is going on and on
seems to me the battle has been lost
fanning destruction run for your lives
maybe the last for those to come




sanity deceiver
out of the madhouse and into this world
jumping and laughing as i see you twirl
no more straight no more injections
everything is said but nothing is done
follow my footsteps you'll never go astray
come walk in my shoes your temper will go affray

insanity is what i believe
serenity is my soul nemesis
endlessly i promise to breed
flawlessly i rule over you

suffered for long and cowered through pain
there was nothing that i could ever gain
no more mercy have a lot to rejoice
cause i'm dancing no more to their voice
follow my footsteps end your distress
enter my world of utter madness




moment in madness
when i look toward the sky i don't want to deny
but i feel something breathing down my neck
is there something in this place that can be my saving grace
cause i feel myself going down for the last time

come with me in my moment of madness
where i hold the reigns and i don't walk alone
be with me in my ecstasy
observe the madness seep in to your soul

the beckoning that i hear are they melodies to revere
the tantalizing beats hunt me down
this call i defy it makes me want to cry
don't you feel the madness coursing through your veins

when i look towards the sky i don't want to deny
i crave your burning touch on my soul
is there something in this place that can be my saving grace
i know i am going down for the final time




Eternal
give me your tears all the pain and the fears
and i'll take them on as they're my own
live to defy all the death signify
that we can still face the unknown
for as long as i can I've been searching
for the perfect way to end it all
but whenever i'm close to grasping
it slips away just a little bit more

why should i cry for the people who die
for i know they will die once again
make all the guns then you cry for the ones
who died by the bullets you made

the new day dawns through the lens of time
i live to see another sunrise
i'm broken but i'm not defeated
i'm a prisoner of hope
i'm the man on the street and i'm hanging on by a rope
be my friend will you be my guide
lost mistreated by sorrupted minds
i see your face everywhere i turn
and i laugh at you when you fail to learn
you can't see me but you fight me
i live in your shadow
you can't kill me can't consume me
i'm your eternal enemy
i will control you someday
you will be mine
i will pursue if i have to
to the end of time

take back your words or act on them
fools can die they can also condemn
deaf to the truth you're blind to the good
this dying land you rule
this sun will set and you will be the fool
you have paralyzed the land
lost control of your honest man
in the guise of a saint on judgment day
a heavenly hell what a price you'll pay









শ্রেষ্ঠ (২০০২)




ভবঘুরে
বৃষ্টি ভেজা পথে গলে পরে সোডিয়াম এর সোনার এল
আমার করতলে তোমার হাত মনে কি পরে সেই রাত গুলো
সেই পথ আছে আছে চেই বাতি এখনো বৃষ্টি হয়
শুধু তুমি নেই আমার পাশে এই পথ আর তোমার নয়

সব পাখি নিরে ফেরে সব নদী মেশে সাগরে
ঠিকানাবিহীন চলি আমি
নিসঙ্গ এক ভবঘুরে

আজ আমি ফিরে আশি কিসের টানে
সব কিছু মনে রাখি কি কারণে
কত কোথা কত বেথা আমার মনে
জল হয়ে ঝরে পরে আমার গানে

বাস্ত শহর নিঝুম দুপুর ঘাসে ছাওয়া উদ্যান
কৃষ্ণচুড়ার ছায়ে তুমি আমি আর পাখিদের কলতান
সেই মাঠ আছে আছে সেই গাছ পাখিরা গায় তাদের গান
শুধু তুমি নেই আমার পাশে আছে তোমার না থাকার অভিমান

চিলেকোঠার ছোট সেই ঘর সাজিয়ে চিলে তুমি নিজের হাতে
যেথা হাজার দিন হাজার রাত স্বপ্ন দেখে গিয়েছে কেটে
তোমার হাতে গড়া সেই বাগান এখনো ফোটায় ফুল
ভুলে যায় মানুষ দিরে চলে যায় তবু ফুল ফুটাতে গাছ করে নাক ভুল




প্রতিবাদ
চোখের যত জল মনের বেথা ভয়
তুমি দাও আজ করে উজার
আমি নেব আপন করে
যেন এসবি ছিল আমার
যতদিন আছি আমি খুজবো তোমায়
দেখব এর শেষ কোথায়
যখনি আমি খুব কাছাকাছি
ঠিকানা দুরে চরে যায়
জীবনের মানে লুকিয়ে মরণে
সত্য লুকিয়ে মিথ্থায়
এসবের আড়ালে আছ যে তুমি
আমি খুজি সেই তোমায়




লোভের আগুন
অনেক হারিয়েছি এই জীবনে
তবু আছি কোনমতে টিকে
পৃথিবী চুরি করেছে আমার সব পুণ্য
বোধ জ্ঞান আর নেই হয়ে গেছে শূন্য
চারিদিকে এক এর পর এক হিংসার দেয়াল
ভেঙ্গে দেয়ার শক্তি আমার নেই
অন্ধ বিশ্বাস এক ফাসির জোট আমার গলায়
সময় নেই আর ফিরে তাকাবার
লোভেরী আঘুন পুড়িয়েছে আমায়
অন্যায়ের বাধনে ঘেরা আমি অসহায়
লোভেরী আগুন আজ এনেছে কোথায়
অন্ধকার ভবিশ্সত দেখি জীবনের আয়নায়
আজ আমি একা অতৃপ্ত অসহায়
শত বাসনা আঘাত করে বার বার
অন্ধকারের ভ্রান্ত কামনা
কেড়েছে আমার সব অধিকার




শ্রেষ্ঠ
মধ্ধরাতের কালো অন্ধকারে কে তোমার দরজা ধাক্কায়
ক্লান্ত বিধ্ধস্ত এক মুক্তিযোদ্ধা সে তোমার কাছে আশ্রয় চায়
ভয় পেলে ঠিকই তবু থাকতে দিলে তাকে তোমারি কাছে
পাক বাহিনী জানলে খবর আছে তবু বাচালে যোদ্ধাকে
ভোরের রাজপথে আবছা আলোয় যে তুমি কাগজ কুড়াও
সন্ধার আধারে ভারী বোঝা ঘাড়ে সেই তুমি কোথা ছুটে যাও
জীবন মরণের বোঝা ঘাড়ে পারবে কি সব বাধা
তোমার নেয়া গুলি শত্রু হেনে
আনবে স্বাধীনতা
পচিশ বছরের হলো স্বাধীনতা
তবু কেউ বলে না তাদের কোথা
অবহেলিত যাদের বুকে রাখা কষ্ট
তারাও তো সত্তি বির তারাও শ্রেষ্ঠ
লাখ বাঙালির রক্তে ধ্ব এই দেশের আঙ্গিনা
মাত্র সাতজন শ্রেষ্ঠ কেমনে হয় তাতো আমি বুঝিনা
কত হাজার বির হারালো হাই আমাদের অবহেলায়
মাতৃভূমি এই লজ্জা তুমি বল রাখবে কোথায়




আমার সাথে আয়
প্রথম যেদিন তোকে দেখি আমার মন ভরে গেছে
সারাক্ষণ ইচ্ছা করে তোর সাথে থাকতে
ধারণা ছিল নিজেকে নিয়ে সারাটা জীবন বেস্ট রব
ধারণা ছিল আমার মনের মিল কখনো খুঁজে না পাব
তোকে যখন খুঁজে পেলা আমি
মনে সেদিন থেকে সবি রঙিন
তোর ভেতর যা ইচ্ছে আছে আমি তা পুষিয়ে দেব
তোর মুখের হাসি ধরে রাখতে সব চেষ্টা আমি করব
তুই শুধু আমার সাথে আয়
আমার সাথে আয়
সব কিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু আমার সাথে আয়
তুই আর আমি যখন একসাথে
বিশ্বটাকে একদম ঠিক লাগে




স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র
সারাদিনের যুদ্ধ শেষে যখন আমি ফিরি শিবিরে
রাদীয়তা মাঝে রেখে বসি সবাই ঘিরে
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে হবে এখন আরম্ভ
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র আমাদের মুক্তির তরঙ্গ
আমরা সবাই চাই স্বাধীন বাংলার খবর জানতে
মুক্তির ইথারে চাই স্বাধীনতার সুর শুনতে
বসে আছি আমি শুনব বলে একটি ফুল কে বাচাবো
বসে আছি কখন হবে শুরু মুকুলের চরমপত্র
যুদ্ধ করেছে বিচ্ছিন্ন আমাকে পৃথিবী থেকে
দিনের শেষে সেইতো একজন যে একটু সান্তনা দেবে




শেষ ট্রেন
বিছানায় শুয়ে দেখি আমি আলো আধারির খেলা চারিপাশে
নিস্তব্ধ গোধুলিতে রাখাল ছেলের বাসী বেজে ওঠে
এই সুন্দর পৃথিবীকে চোখ দিয়ে দেখব না আর
মিশে যাব মাটির সাথে থাকবে না কিছুই আমার
নিল আকাশে মাটির সাথে মিশে রব
মনে পরে সেই দিনগুলো আমার স্বপ্নে ঘেরা শৈশবকে
বন্ধুরাই যখন ছিল সব সারাদিন কাটত একসাথে
জীবনের এই শেষবেলায় ওরা এসে কান ভিড় জমায়
ভুলে থাকা সব ছবিগুলো ভেসে ওঠে স্নৃতির পাতায়
শেষ ট্রেন বাশি বাজায় সময় হলো বলে
যাত্রী আমি যে তার যাচ্ছি সব পেছন ফেলে
দেশের ডাকে সারা দিয়ে সবাই মিলে গেলাম যুধ্ধেতে
ফিরে এলাম শুধু আমি ওরা গেল শহীদ হয়ে




শ্বেত শুভ্রতা
একটা ছবি দেবে কি একে
যা দেখাবে সত্তি আমাকে
কোথা দিচ্ছি পাবে মুল্য তোমার
কারণ আমি যাই সব পিছে ফেলে
শীতের দুয়ার খুলে যায়
বসন্ত ফুলের গন্ধে হয়
ঢেকে যাই আমার শীতের হার
সবুজ পোশাকে
ভেঙ্গে গর নতুন করে সত্যের ছোয়া আমার ঘরে
সাত রঙের বর্ণালিতে নই
ঢেকে দাও শ্বেত শুভ্রতায়
একটা গল্প দেবে কি লিখে
যা বলবে আমার অতীত তোমাকে
কিছুকি তুমি নেবে শিখে
না শুধু লেখার জন্য যাবে লিখে
সময় নেই আর ছবি আকার
গল্প শোনার সময় নেই যে আর
এসেছে নেমে আলোর দূত
সময় হলো অনন্তে যাবার




প্রতিবাদ মিলেনিয়াম রিমিক্স
চোখের যত জল মনের বেথা ভয়
তুমি দাও আজ করে উজার
আমি নেব আপন করে
যেন এসবি ছিল আমার
যতদিন আছি আমি খুজবো তোমায়
দেখব এর শেষ কোথায়
যখনি আমি খুব কাছাকাছি
ঠিকানা দুরে চরে যায়
জীবনের মানে লুকিয়ে মরণে
সত্য লুকিয়ে মিথ্থায়
এসবের আড়ালে আছ যে তুমি
আমি খুজি সেই তোমায়
এক নতুন দিনের জন্ম হয়
দেখব বলে আরেকটা সূর্যোদয়
পরাস্ত নই আমি পরাজিত বন্দী আমি আশায়
আমি সে জন যে দাড়িয়ে একা রাস্তায়
সাথী হয় দেখাবো পথ ভুলে যাও আজ সেই আশা
তোমার দেখানো পথে চলে সব হারিয়ে ফিরে আসা
পারনা দেখতে পার লড়তে আমি থাকি তোমার ছায়ায়
পারনা ভাঙ্গতে ধংশ করতে শত্রু আমি তোমার ভাবনায়
করব আমি নিয়ন্ত্রণ তোমারি জীবন
নতুন কাহিনী ইতিহাস জন্মাবে তখন
তোমার কোথা তোমার বাণী
যা তুমি নিজেও মনোনি
ফিরিয়ে নাও আজ সবকিছু থাকবেনা কেউ তোমার সাথে
তোমার সূর্যোদয় আজ দেখব এখানে
ধংশ করেছ তুমি সব ভরসা আসা অনুভব
সময় এসেছে আজ আবার সত্যের সামনে গিয়ে দাড়াবার




DreamSayer
Walking through the mist i feel like something's watching me
i can't escape these thoughts is it the future that i see
sirens in the distance i know a soul has just been freed
riding on the bullet i'm approaching breakneck speed
sweat breaks out and i'm shivering in fear
its happening once again and i'm so alone in here

in my dreams i feel the happiness in my nightmares all the pain
of people that i've never met, and i know them like they're my friends
all of this is so real to me and when i wake i'm living the dream
in my dreams i feel the happiness, in my nightmares all of the pain
all the pain

if these visions are so real, then am i going insane
i'm no prophet i'm no liar i am an honest man
I've been chosen i don't know why i need to justify
the powers that have robbed me of my sleep

many years since i have known who'd take over the throne
wars that have killed so many lives never worth the flesh and bones
science enriched technology, curing people bridging needs
but now in time i realize why the wounds would never heal

by the token of heaven's love religious faith when offered hope
light denied for darker days when deliverance is gone
wiser men died gruesome deaths who was there to feed the rest
i've seen all this and much much more
all these visions that i live for

Many nights in sleepless daze, i have thought of things to say
a premonition in truth divined, touching souls in special ways
its been this way for so long now, and still i don't know how
slef belief eluding me, i asked for strength not infamy
when the sky above goes dark, and velvet rivers overflow
i hear the sirens once again, not one soul but many more
from this final dream i wake and i'm shivering no more
and now todays i spread the word of the greatest day on earth









দানব(২০০৬)





আহবান
আসমান জুড়ে মেঘেরই ঘনঘটা
নিশ্সন্দেহে প্রলয় আসছে ধেয়ে
ঠিকানাবিহীন আমার অস্তিত্তেরী সংস্পর্শ
আলোকিত করে তিমির
ঠিকানাবিহীন ঘনঘটার মাঝে
আমি হই বিলীন তান্ডব অলিন্গনে
যেন জেগে উঠি দুসপ্নকে দেখব বলে
যেন জেগে উঠি এক মিথথে প্রলোভনে




রাগ
কি ভাবে আমাকে তুমি বলবে
কি ভাবে আমাকে শান্ত করবে
আত্মঘাতী ধংশযজ্ঞ রাতারাতি যুদ্ধ ক্ষেত্র
উন্মাদনায় সবাই মত্ত
অস্ত্র জোরে সব কেড়ে নেই
হিংস্র চোখে সব দেখে যায়
সীমাহীন এই অপমান যে
সহ্য করতে পারি না

মাথায় ওঠে রাগ
রক্ত গরম রাগ
ইচ্ছা করে ওদের ধরে ঠান্ডা মাথায় হাসি মুখে গলা টিপে হত্যা করি

কি ভাবে আমাকে তুমি বলবে
ওদের বিরুদ্ধে কিছু না করতে
জানোয়ারের পর্যায় এরা
করেছি ওদেরকে জেরা
ওদের জীবন ছিনতাই করতে কি যে আনন্দ

নিদ্রা

আমারি প্রাণ করে আহবান রক্তিম এল
সত্যের নিদ্রা নষ্ঠের আখড়া
একি পরিনতি




অগ্নিবীণা
আবার ক্লান্ত মেজাজে
নিদ্রা আসক্ত শরীর ঠেলে দেই বিছানায়
চেতনা পাশ কেটে, বেরিয়ে যায় নেচে
দেখি বন্ধ চোখে অন্য জগত

ভিন্ন মঞ্চ অনুপ্রবেশ অনারম্বরে
কার শান্নিধে এখানে আগমন
রঙ্গমঞ্চ জমে উঠেছে

আবার অনুতপ্ত সবার মন, আবার অভিশপ্ত জীবন
বার বার চোখে পরে

অগ্নিবীণা বাজাবে এই দিহনে, এক প্রলয় নাচন
হিংস্র দাবানলে ভুবন পুড়িয়ে দিবে
সব ছারখার

পশ্চাত্যের রাজনীতি দুর্বল এই নিয়তি
লোম হর্ষক নাটকীয় ঘটনার বিপাকে
প্রচন্ড আবেগে রক্তাত্ত মান্চিন্ত্রে
নিষ্প্রাণ কথামাল গেথে কি আর হবে

অগ্নিবীণা বাজানোর সময় এসে গেছে, উত্তপ্ত এই মন
হিংস্র দাবানলে ভশ্শ্মিভূত হয়ে যাবে
সব ছারখার
অদ্রিশের কল্পনায় চেতনা ফিরে পাই
উন্মুক্ত চিত্তে ঝেড়ে ফেলি সান্তনা
আক্ষেপের সুরে নয়, ঝংকার করবে প্রলয়
সুখেরই বর্ণনায় আর কাজ হবে না

বিনারী অগ্নিপাতে সবকিছু পুরে যায়
প্রলয় নাচন দেখি মনেরই পর্দায়




অনুপ্রেরণা
সেই দিন দেখি তোমায় উল্লাসে মেতে আছ
কিভাবে ভুলে গেছ আমায় একেবারে
আমি তো ভুলিনি তোমায়
আসমান থেকে জমিন ছুয়ে, আমার হৃদয় জুড়ে
আছ তুমি এ ক্ষণে আমার প্রাণে মিশে
রক্তের ধ্বনি
আমার চোখেরই এল আমার মনেরই ভালো
মুছে দিও না

নতজানু আমি আবার অনুপ্রেরণার খোজে
আশ্রয় নিতে হয় এই কঠিন বর্ষা থেকে
তোমার কন্ঠে কি বেদনা জাগে
যখন আমার নাম তোমার মুখে আসে

নষ্ট আমি কষ্টের মাঝে
আশ্চর্য ভিন জগতে
যেন ফুলের ভেতর লুকিয়ে থাকা কীটনাশক
তুমি তো বোঝোনি আমায়
আমি তোমারি মনের অনুপ্রেরণার স্থানে ছাপ রাখতে পারিনি
আমার চোখেই এল তোমার রাতেরই কালো মুছে দিতে পারেনি

তোমার চোখে কি অশ্রু জমে যখন আমার ছবি মনে আসে




ডাক আমার নাম
আর কত চিত্র দেখব আমি অর্ধ নগ্ন দুনিয়ায়
আর কত মিথ্থা বেচবো আমি এই শর্তসাপেক্ষ ভালবাসায়
কান তুমি ছাড়বে না
কান তুমি মান না

ভাসমান সত্যে ভেসে ভেসে গড়ে তুলো তোমারি মিথ্থা ইতিহাস
ইর্শান্নিত চোখে তুমি চেয়ে দেখো বাকি সব শত প্রয়াস
হিংশারী খেলা খেলে তুমি ঠেলে দাও সবকিছু ধংসের পথে
তারপর নির্লজ্জ পশুর মত আশ কেন ক্ষমা চেতে

হয়ে যাবে কাজ তুমি ভেব না
প্রতিদানে কি পাবে যেন না
ভেবে দেখো কোথা দিবে নাকি
আমারি সুখ তোমারি দুখে

ডাক তুমি আমারি নাম
জপ তুমি অবিরাম
ভেবে দেখো কিভাবে
কিভাবে ডাকবে আমায়

পাষানের মন রবে চিরন্তন অনুভূতিহীন, বিলীন
আশংকা হয়, এই পরিচয় একদমই প্রবীন

এই অশালীন রাজ্যের মাঝে তুমি আসবে কেন কি বা করতে চাও
এই সুখের জায়গা ছেড়ে কেন তুমি মিছে মিছি পুরতে চাও

আশ্রয়ের স্বপ্ন দেখো রক্ত হাতে, নিশ্প্রাপ্তি পেতে আশ অন্য পথে




দানব
আমার সঙ্গে আসবে নাকি ভেবে দেখো
রক্তের মধ্যে মিশে আছে রাজতন্ত্র
দেশের স্বার্থে লড়ছি আমি, দেশের আর্তনাদ
জনমতের স্বার্থেই আমার প্রতিবাদ

অত্তহাশি পেয়ে বসে তোমার কান্ড দেখে
মিষ্টি মধুর কোথা শুনে কত সহজে যাচ্ছ বেকে
রাজতন্ত্রকে যন্ত্র হিসেবে শোষণে লাগিয়েছি
ভরণ পোষণ করে আমি কত সন্ত্রাসী পুষেছি

আমার করাল হাতের মুঠোয় শান্তির আবরণে
নিজেকে জড়িয়ে রাখার স্বপ্ন আর দেখো না

মানুষ হয়ে জন্মেছি তবু তাতে কিছু হয় নি
ধর্ম কর্ম শিক্ষা শাস্ত্র সবি ছেড়ে দিয়েছি
শুধু অর্থ আর ক্ষমতার লোভ আমায় করে বশ
নৃসংশ দানব আমি, আমায় পূজা কর

আমার এই খুদা মেটাতে রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে
আমার এই রক্ত পিপাসা, পারবে না থামাতে
তোমার সুখের অলঙ্করণ নিমেষেই ছিন্ন হবে
ক্রুদ্ধ বোমা বিশ্ফরণী আমার কুচকাওয়াজ

চক্রবদ্ধ হয়ে তুমি খোজ নিস্তার
আষ্টেপৃষ্টে ভাধা তোমার সত্য আচার
বিশ্বাসেরই স্তম্ভ গড়ে ভেঙ্গে দাও বারে বার
বের্থ চোখে দেখেও আশা জাগে তোমার

আলোয় বাধা রাতের টুকরো

মনে কর এই পৃথিবী শুধু তোমারি
চন্দ্র সুর্য ঘুরছে চারিধার
সর্গ নরকের নেই চাহিদা এখানে

আমার আলোয় বাধা এই রাতের টুকরো নেবে নাকি বল
আমার হৃদস্পন্দনে ছোয়া এই গোধুলি তুমি নিবে

আমার অরক্ষিত সত্তা শুধু তোমারি
সংশয় প্রশ্রয় মিথ্থে আশ্রয়
ঈর্ষা ভ্রান্তি প্রশ্রয় নেই এখানে

শান্তির কোলাহলের মাঝে প্রতিশ্রুতি বাধা সময়
ধরা ছোয়ার বাইরে কাল্পনিক আওয়োজন
সেই জগতের চাবি আমি দিতে পারি




যাত্রা
সেই পথে চলে যাও যেই পথে সবাই যায়
যেখানে ভাগ্য নির্ধারণের চিন্তা নাই
কেন পরে রবের এই ক্ষুদ্র ঠিকানায়
রি রুদ্র পরিবেশে কেন বেড়ে উঠবে
রঙিন স্বপ্ন চোখে যাত্রা শুরু

পাল তুলে দিয়েছ তুমি নদীর ওপার যাবেই
হল ধরে বসেছ তুমি নদী পার হবেই
যত সুখ সবি ওপারে

যা নেবার নিয়ে নাও যা কিছু খুঁজে পাও
যা দিয়ে গর্বে ভবিশ্সতের আঙ্গিনা
আসবে তুমি ফিরে যখনি সময় পাও দেশের অবস্থা দেখে একটু করে কাদবে
তোমারি চোখের পানি, নেব না আমি

তোমারি কোথা ভেবে এই দেশ গড়া হয়েছে আমার
আমারি কষ্টার্জিত পরিশ্রমের বাধা শেকর
কিছুর টানে ফিরে এস, একটা হলেই হয়
আমার দরজা খোলা রবে চীরতর




রণক্লান্তি
আমার চোখে তাকিয়ে বলতে পারবে না কি হচ্ছে বলতে পারবে না কি ঘটছে
আমার মাথার ভেতর ঢুকতে চেয় না, ঘুরতে চেয় না এই গোলক্ধাদায়
শত বছর পেরিয়ে চলছি মুক্তির পথে আমি রণক্লান্তির আবেশ আমায় এখনো ছুয়ে নি
আবার এখানে
সমঝোতা

আস্তাবলে পরে আছে আমার সোনার বই
সন্নাশিরি মত ধেনে মগ্ন রই
পির পৈগম্বরে ভরা এই দেশ শিখিয়েছে আমার
আল্লাহর নামে কিছু দিয়ে বাকি দাও অন্যের খাতায়

সুস্থ পরিবেশ বলতে কি বোঝো তুমি
কারচুপি করার দিকে তুমি অগ্রগামী
ভাবতে কেমন লাগে তোমার সন্তানের কথা

অন্য ধারায় বর্ণ বিদ্বেষ করাই আসল কাজ
ওদের সাথে হাত মেলাতে করে নত লাজ
আস্তাবলের কনা থেকে বইটা তুলে
লোভে পাপ
পাপে মৃত্যু
লোভে পাপ
মৃত্যুর প্রথম ধাপ

এই মনে ক্লান্তি নেই শক্ত করে গড়া
এই লক্ষে হার নেই, সত্যের ভিত্তি গড়া









এছাড়া আছে আরো ১০টা মিক্সড এলবামের গান। এর মধ্যে প্রথম আর শেষটা দিয়ে দিলাম।


চল বাংলাদেশ - (ছাড়পত্র মিক্সড এলবাম, ২০০০)
ভাবতে ভালো লাগে নতুন দিন'এর শুরু হচ্ছে আজকে
ছড়াতে তোমাদের আকাশে আমার নিজের এল
কতগুলো আত্মার মাঝে লুকিয়ে আছে আমার দেশে ছায়া
তোমাদের আছে জড়িয়ে অনেক অনেক জনমের মায়া

পর কি তুমি বুঝতে, পার অনুভব করতে
কি দারুন আনন্দ জাগে মনে

চল বাংলাদেশ, খেলবে আমার দেশ
চল বাংলাদেশ, দেখব আমার দেশ

জলবে আগুন অনির্বান শিখা
উল্লাস ঘরে ঘরে দেখে বেট আর বল এর প্রতিভা
বিদ্বেষ অশান্তি ভুলে যাই দেখে তোমাদের উন্মাদনা
এ খেলাই পারে বদলাতে আমাদের পরিচই ঠিকানা



অন্ধ - (রক ৪০৪, ২০১০)
আমার শরীর জুড়ে আজ, বেদনাজরিত আঘাতের ছাপে স্পষ্ট
তোমার হাতেরই অপমান, মুখেরই অপবাদ, ভেবেছ আমাকে ভৃত্য
রাখো তোমার স্মৃতি, তোমার ইতি টেনে দেব আমি
মুছ কুমির কান্না, আমাকে নারে না, চোখ খুলে এত কেন অন্ধ

ও পাখি, শান্ত পায়রা, উড়ে উড়ে ঘুরে আকাশ পায় না
করবি কি করিস ডানা মেলে, আকাশ গেছে মুছে নিকষ আধারে

আকাশ গেথে নিকষ আধার

এইবার বলি ছোট্ট কলি, ফুল হবে কোন আশায়
সুন্দর তুমি বুঝবে যখনি, পেরে নিবে তোমায়
অন্ধ আমি অন্ধ তুমি অন্ধ দুনিয়ায়
বন্ধ ছোখে, ছন্দ পতন, স্তব্ধ জীবন, ক্লান্ত এ মন

তোমার পাশে দাড়ায়, অযথা তোমায় হারায়
শুধুই তোমায় কাদায়

নিশ্বেস করেছ আমাকে, কেরেছ সব সুখ, দিয়েছ যত দুক্ষের বোঝা
এই ঘার বেকেছে সে ভারে, নুয়েছে যে মাথা, তবু ভাঙ্গেনি মেরুদন্ড
আমার সর্ব শক্তি, সর্ব যুক্তি, করব প্রয়োগ তোমারি এই
অন্ধ আপোষ, অন্ধ বিশ্বাস, অন্ধ আক্রোশ ভাঙ্গতে

অরে ওঝা করবি কি রে কর, জাদু টোনা, সাপে হবে বর
ঝার ফুক করে হবে কি যে আর, আকাশ গেছে মুছে চারিদিকে আধার







পরিশিষ্ট:
ক্রিপটিক ফেইটের বিশাল ভক্ত ইরেগুলার ব্লগার তাসবির-কে উৎসর্গ করলাম। গানের লিরিক্স নেয়া হয়েছে ফেইটের ভোকাল সাকিবের ফেসবুক নোট হতে। সবগুলো লিরিক্স নিজের সুবিধার জন্য একসাথে করলাম। গান খুজতে ctrl+f লিখে গানের নাম বা লিরিক্সের কয়েক লাইন লিখে সার্চ করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29475261 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29475261 2011-10-30 21:01:32
ছবি ব্লগঃ স্টিভ জবসকে আমার যে কারনে ভালো লাগে


প্রথমদিকের পিক্সার টিম।


এই স্টিভ না থাকলে ... .. .


খেলনাগুলো খেলনা হয়েই ঘরের কোনায় পড়ে থাকতো


পোকামাকড়দের জীবন বলে কিছু থাকতো না


ভূতগুলাকে সবসময়েই ভয়ংকর লাগতো


নিমোকে খুজে পাওয়া যেতো না


সুপারহিরোগুলা অফিসে বসে একাউনটেন্টের কাজ করতো


গাড়িগুলাও চলতে পারতো না


বাবুর্চি ইদুরের দেখা পেতাম না


রোবটরা ভালোবাসতে পারতো না


৭৮ বছরের বুড়ো কার্ল জীবনের শেষ ইচ্ছা পূরন করতে পারতো না


অসাধারন মোরাল/পান্চ লাইন ওয়ালা এসব মুভির একএকটা ক্যারেক্টার মনে রাখার মত। মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই কিভাবে মানুষকে হার মানানো এত এক্সপ্রেশন দিতে পারে এইসব কম্পিউটারাইজড চরিত্রগুলা!!

অনেক ধন্যবাদ স্টিভ!! ওয়েল ডান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29469939 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29469939 2011-10-20 22:18:09
বিনামূল্যে ট্যাবলেট কম্পিউটার অতঃপর সত্যিকারের ডিজিটাল হয়ে উঠা গ্রামটির কথা
আমাদের ক্লাউড একটা বেসরকারী সফটওয়ার ডেভলপার প্রতিষ্ঠান। আমার কয়েকটা বন্ধু এখানে এন্ড্রয়েড ডেভলপার হিসাবে কাজ করে বিধায় ওদের "চুপিসারে শেষ হওয়া" প্রজেক্ট Digits To All -এর ব্যাপারে অনেক কিছু জেনে যাই। ১৭ ই জুন হাতে নেয়া এই প্রজেক্টের উদ্দেশ্য ছিলো শিক্ষা এবং প্রযুক্তি ব্যাবহারের অজ্ঞতার কারনে সৃষ্ট বিভাজন দূর করা। এই প্রোগ্রামের আওতায় এসিএল এটা প্রমান করে দেখায় যে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে শিক্ষিত হওয়াটা জরুরী নয়।





তিন মাসের একটি প্রকল্পের আওতায় গাজীপুরের নিজমাওনা গ্রাম সিলেক্ট করা হয়। এই গ্রামের ১৫০ জন সিলেক্টেড ফ্যামিলিকে ১৫০টি এন্ড্রয়েড ট্যাব দেয়া হয় বিনামূল্যে ব্যাবহারের জন্য। যাকে-তাকে তো আর ট্যাব দেয়া যায় না, তাই নির্বাচনের প্রক্রিয়াটা ছিলো:

✔ কম শিক্ষিত এবং দরিদ্র পরিবার যারা সাহায্য পেলে উন্নতি করতে পারে।
✔ কৃষিজীবি পরিবার যারা সেচ্ছায় নতুন ধরনের কৃষি পদ্ধতি বা পশুপালনে আগ্রহী।
✔ যাদের বাড়ির আশেপাশে বিদ্যুত ব্যবস্থা আছে।



বাঙালী হওয়ায় প্রথমেই আমার মনের মধ্যে সন্দেহ হতে লাগলো ঠিক কি কারনে এই কোম্পানির মালিক ফ্রি ফ্রি ট্যাব বিলায় যাইতেছে! বন্ধুদের ঘাটিয়ে জানলাম, ওদের বসের নাকি টাকা-পয়সা বেশী। তো সে গ্রামের মূর্খ চাষাদের আমাদের মত কম্পু-সুফলভোগী-geek বানাতে চাইলো। আমরা নেট থেকে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ বানানো শিখি, ওরা শিখবে অ-আ! আমরা কিভাবে উবুন্টু ইনস্টল করা লাগে শিখি, ওরা শিখবে ট্রাক্টর কিভাবে ঠিক করতে হয়!!

"আমাদের ট্যাবলেট"-এ দেয়া হয় সিএল সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট টিম দ্বারা তৈরীকৃত "লিটারেসি প্রুফ" এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন। অর্থাৎ ট্যাব চালানোর জন্য আপনাকে পড়াশোনা জানা লাগবে না। প্রতিটি মেনু যদি হয় কৃষি সম্পর্কিত তাহলে আইকন হবে কৃষি সম্পর্কিত ছবিসহ। সেখানে চাপ দিলেই একটা অডিও ক্লিপ বলবে "কৃষি"। এতে করে যে পড়াশোনা জানে না সেও এটা ব্যাবহার করতে পারে।

এপ্লিকেশনে থাকে নানান ধরনের তথ্য। যেমন কৃষি, আইন, সাস্থ্য এবং শিক্ষা সম্পর্কিত ভিডিও টিউটোরিয়াল, লার্নিং এপ্লিকেশন, প্রেজেন্টেশন, বই ইত্যাদি। ভিডিও টিউটিরিয়ালগুলো তৈরী করে আমাদের ক্লাউড এর কন্টেন্ট ডেভেলপাররা। এই তথ্যগুলো ঢাকার মেইন সার্ভার থেকে আপলোড করে দেয়া হয়, যা নিজমাওনায় বসানো সার্ভারে পোস্ট হয়ে যায়। আমাদের ক্লাউড এর নেটওয়ার্ক টিম সেখানে একটি ওয়ার্লেস মেশ নেটওয়ার্ক বসিয়ে দেয় যা দ্বারা সেখানকার লোকাল সার্ভার থেকে গ্রামবাসীরা ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে এপ্লিকেশন দ্বারা খুব সহজেই নামিয়ে নেয়।



নতুন তথ্য ঢাকা থেকে পুশ করা হলে যখনই একটি ট্যাব নিয়ে ইউজার ওয়াফাই জোনে ঢুকে তখনই এপ্লিকেশনে একটি আপডেট বাটন ভিজিবল হয়। যা চাপার সাথে সাথে নতুন তথ্য অটোমেটিক ডাউনলোড হতে থাকে। সাথে সাথে ইউজারের ব্যাবহার সম্পর্কিত তথ্য যেমন কতবার কোন ভিডিও টিউটোরিয়ালে ইউজার ব্রাউজ করেছে তা আপলোড হয়ে যায় সার্ভারে- যা পরবর্তীতে ঢাকার সার্ভার থেকে এনালাইজ করা হয়।



কি ধরনের ভিডিও টিউটোরিয়াল থাকে

✖ সাস্থ্য বিষয়ক যেমন যক্ষা হলে কি করতে হবে, ডেংগু কিভাবে প্রতিরোধ করতে হয়, পেটের পীড়া ইত্যাদি অসুখ এর সিম্পটম সম্পর্কে তথ্য এবং করনীয়। তাছাড়া আছে ফার্স্ট এইড যেমন এসিড ছুড়লে কি করতে হবে ইত্যাদি। সাথে এলাকার সরকারী বেসরকারি হাসপাতালের নাম্বার ও ডাক্তারদের নাম্বারের তালিকা।



✖ শিক্ষা বিষয়ক: অশিক্ষিত মানুষদের বর্নমালা সেখানোর জন্য "অক্ষর" নামের একটি এপ্লিকেশন যা একটি টাচ সেন্সিটিভ স্লেট। এটা দিয়ে স্লেটে লিখে বর্নমালা শেখার মতো করে যে কেউ তা শিখতে পারে। তার সাথে আছে স্কুলের বই এর পিডিএফ ফাইল সহ অন্যান্য টিউটোরিয়াল।



✖ কৃষিবিষয়কঃ পশুপালন, সবজি চাষ, সার ব্যাবহার ইত্যাদি।

✖ আইন সম্পর্কিতঃ নারী অধিকার, সাধারন আইন যেমন জিডি কিভাবে করতে হয়, এসিড মারলে কি হয়।


প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন টিউটোরিয়াল আপলোড করা হয় যাতে ব্যাবহারকারীরা পর্যাপ্ত পরিমানে তথ্য পায়। সব কন্টেন্ট ডাউনলোড হওয়ার সাথে সাথে ডিভাইসে ক্যাশ হয়ে যায় যার কারনে অফলাইন ব্রাউজ করা যায়।

ট্যাব ডিস্ট্রিবিউশন এবং গ্রামবাসীদের ট্রেইনিং এর কাজগুলো করে ছাত্রছাত্রীদের গড়া ভলেন্টিয়ার অর্গানাইজেশন ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ


উল্লেখ্য যে ট্যাব ব্যাবহার করতে দেয়ার জন্য গ্রামবাসীদের কাছ থেকে কোন প্রকার অর্থ বা অন্যকোন সুবিধা নেয়া হচ্ছে না। একটি চুক্তিপত্রের দ্বারা এই ট্যাব দেয়া হয়েছে প্রতিটি পরিবারকে। ট্যাবের দেখাশোনার সম্পুর্ন ভার পরিবারের উপর। কোন কারনে কোন ট্যাব নষ্ট হয়ে গেলে সেক্ষত্রে আমাদের ক্লাউড সেটা বদলে নতুন ট্যাব দেয়। তবে যদি ব্যাবহারকারীর অসতর্কতার কারনে তা হয়ে থাকে তবে সেই ট্যাব আর ফেরত দেয়া হয় না। তবে আশার কথা গ্রামবাসীরা এই জিনিসটিকে এখন পর্যন্ত বেশ যত্নসহকারে ব্যাবহার করে আসছে।


এই প্রকল্পে এখন পর্যন্ত সরকারী বা বেসরকারীভাবে (দেশি বা বিদেশি) কোন আর্থিক সাহায্য দেয়া হচ্ছে না, পুরো খরচটাই বহন করছে আমাদের ক্লাউড। ট্যাবগুলো শুধু বাইরে থেকে কেনা। এছাড়া বাকি সবকিছু লোকাল এক্সপার্টদের দ্বারা করা হয়েছে।


ট্যাব দেয়ার ৩ সপ্তাহ পর আমাদের ক্লাউড সরজমিনে দেখতে গিয়েছিলো গ্রামবাসীদের কর্মকান্ড। আপনারা ২ মিনিটের ভিডিওগুলো দেখে নিজেরাই গ্রামবাসীর মুখ থেকে শুনে নিন।

একজন শিক্ষক বলছেন কিভাবে ট্যাবলেটের মাধ্যমে সে উপকার পাইছে


আরেকজন রীতিমত টিউটোরিয়াল দেখে হাসের পোল্ট্রি ফার্ম খুলে ফেলছে!


কয়েকদিন আগে গিয়ে দেখি এই বেটা হাস বড়ো করে বেইচাও দিছে। এখন সে গরু কিনছে! সে এপলিকেশন ঘাইটা দেখছে হাসপালন আর গরু পালনে নাকি অনেক মিল!!

সূর্যবানু আর তার জামাইয়ের কথা শুনেন। একজন মাছ চাষ করা শুরু করছে, আড়েকজন এখন নিজেই নিজের ট্রাক্টর ঠিক করতে পারে!



দুইমাস আগে শেষ হওয়া এই প্রজেক্টটি আসলে এখনও শেষ হয়নি। এটা কেবল শুরু। আমরা ওদের তথ্য দিয়ে যাবো আর ওরা সেটা কাজে লাগিয়ে আরেকটু স্বচ্ছল হবে। প্রযুক্তির কাজ-ই তো এটা!

সংযুক্তি:
অফিসিয়াল সাইট
ইউটিউব চ্যানেল
আমাদের ক্লাউড এর স্ট্র্যটেজিক পার্টনার এবং এডভাইজর লিস্ট
ইত্তেফাক রিভিউ
ফেসবুক পেইজ
ব্লগস্পট
প্রজেক্টের আরো ছবি


ডিসক্লেইমার: আমাদের ক্লাউডের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নাই। তাদের এডভার্টাইজ করা আমার কাজ না। বন্ধুদের মুখে শোনা ও নেট ঘেটে যা পাইছি তুলে দিছি। আমার পোস্টের মূল উদ্দেশ্য সরকারকে এটা বোঝানো, চাইলে খুব কম বাজেটের মধ্যেই বাংলাদেশকে সত্যিকারের প্রযুক্তির সুফল ভোগ করিয়ে দেয়া যায়। এরজন্য কোটি টাকার দোয়েল ল্যাপটপ বা থ্রিজি লাইসেন্স নিয়ে ব্যাবসা করা লাগে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29466141 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29466141 2011-10-14 21:21:23
যেভাবে যেভাবে ৫/৬ জনকে জামা দেয়ার প্ল্যান করে আমরা একেবারে ৪৪৩ জন শিশুকে ঈদের জামা দিয়ে ফেল্লাম! রাস্তার টোকাইদের ঈদ উপলক্ষে জামা দিতে। এগুলা আগেও দেখছি। ২০জন পাংকু পোলাপাইন মিলে ৫টা রাস্তার ছেলেকে নতুন জামা দিয়ে নিজেদের সাথে গ্রুপ ফটু তুলে ফেসবুকে দিবে আর ভাব নিবে! এর মাঝে হয়তো আবার টাকা মারিং-কাটিং এর ব্যাপারও আছে! show off!

এসব ভাব-নেয়া-সমাজসেবকদের থেকে দূরে দূরে ছিলাম সবসময়। কিন্তু ঐদিন ভার্সিটি যাওয়ার পথে এক ছেলে ফোন দিছে। বলে, কোথায় টাকা দিতে আসবো। প্রথমে ভ্যাবাচেকা খেয়ে সামলে নিয়ে বুঝলাম ক্লাসমেটরা এই টাইপ একটা ইভেন্ট করছে আর সেখানে আমার ফোন নাম্বার দিয়ে রাখছে আমার এলাকার একমাত্র টাকা কালেক্টর হিসাবে। যাই হোক, কেউ টাকা দিতে চাইলে মানা করতে পারি না। জায়গার নাম বলে বল্লাম ইফতারীর পর আসতে টাকা নিয়ে। ছেলে বলে, "ইফতারীর পর তো আমি তারাবীহ পড়ি, এর আগে সম্ভব না?"। চরম বিরক্তি নিয়ে বলে দিলাম, নাহ!

বাসায় এসে ১৫ মিনিটে ইফতার করে টিভির সামনে বসলাম এমন সময় ছেলের ফোন। বাসার সামনে দাড়ায় আছে টাকা হাতে। গিয়ে তো অবাক হয়ে গেলাম। পিচ্চি একটা ছেলে। আমি যে স্কুল থেকে পাশ করছিলাম সেটারই ক্লাস টেন-এ পড়ে। চেহারায় বাচ্চা বাচ্চা ভাব। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মুখ গোমড়া করে ২০০ টাকা দিলো। বাসা কই জিজ্ঞাসা করতে বুঝলাম অনেক দূর থেকে আসছে টাকা দিতে। অবাক হয়ে গেলাম। হয়তো ঠিকমত ইফতারটুকুও করতে পারে নাই। পানি খেয়েই দৌড় দিছে। এখন আরেক দৌড়ে মসজিদে ঢুকবে।

নিজের কাছেই খারাপ লাগা শুরু হলো। এতটুকু ছেলের কত দায়িত্ববোধ! দেশের জন্য কিছু করার প্রতি কতটা টান!! আমি ইভেন্টের পেইজটা খুল্লাম। পড়ে দেখলাম। আমারই কিছু ক্লাসমেট নিজেরা নিজেরা টাকা তুলে ১০/১২ জনকে ঈদের জামা দেয়ার প্ল্যান করতেছে। আমি পার্টিসিপেট না করেও চুপচাপ ওদের সাথে যোগ দিয়ে ফেল্লাম!

এরপর আরেকটা ফোন আসলো, সে থাকে আরো দূরে কিন্তু কোচিং করতে এখানে আসে। তখনই আমাকে টাকাটা দিয়ে দিবে। নিজের ফোন নাই, বাবার ফোন থেকে ফোন দিছে। পরদিন সকাল ১১টায় বাসার সামনে দোকান থেকে ফোন দিয়ে বলে আমি আসছি, টাকাটা নিয়ে যান। গেলাম। ৫০০ টাকা দিয়ে বলে এরচেয়ে বেশি পারলাম না। বল্লাম, "ঠিক আছে, এটাই অনেক। আপনার নাম ইভেন্টে লিখে দিবো।" বলে, "না না! নাম লেখা লাগবে না। সমস্যা আছে।"। আলাপ করে জানলাম এই ছেলেও স্কুলে পড়ে। এভাবে আমার এলাকা থেকে ১২০০ টাকা উঠে গেলো।

ঐদিনই ছিলো টাকা জমা দেয়ার শেষ দিন। আমি ১২০০টাকা ক্লাসমেটদের কাছে জমা দিতে গিয়ে দেখি ২২,০০০টাকা উঠে গেছে! ইভেন্টে তখন ৫০০ মানুষের এটেংডিং!

এরপরের দিন ওরা গেলো সদরঘাট/বংগবাজার থেকে জামা কিনতে। আমি এসব ভেজালে আর গরমে না গিয়ে বাসায় বসে ছিনেমা দেখতে লাগলাম। রাতে শুনি আরো টাকা আসতেছে। সবশেষ ২৬ অগাস্ট শুনলাম ৯ দিনের মাথায় ৭৪০০০ টাকা উঠে গেছে!! ২৭ তারিখ ওরা আবার গেলো পাইকারী শপিং করতে। সারাদিন রোদে ঘুরে ঘুরে শপিং করলো আর আমি বাসায় ফ্যানের বাতাস খেলাম!!

২৮ তারিখ এদের একজনের বাসায় যেতে বল্লো। ভলেন্টিয়ার লাগবে। জামা কাপড় সব বস্তায় প্যাকেট করা। এগুলা খুলে আলাদা আলাদা প্যাকেট করা লাগবে। ৪০০ জনের জামা। ছেলেদের ২টা করে(শার্ট-প্যান্ট) আর মেয়েদের ১টা(কামিজ বা ফ্রক) করে দেয়া হবে। বয়স/সাইজ অনুযায়ী জামা সাজিয়ে প্যাকেট করলাম। সারাদিন লেগে গেলো! ইফতার করে বাসায় ফিরলাম। পরদিন ২৯ তারিখ, গিফট দেয়ার দিন!!







টাকা-পয়সা খরচের ব্যাপারে আমরা সতর্ক ছিলাম। একটাকাও যেনো এদিক-ওদিক না হয় এবং পুরো টাকা যেনো শিশুরা পায় সেজন্য সবকিছুর হিসাব রাখা হচ্ছিলো। একজন আমাকে বল্লো, "মানুষের বিশ্বাসটাই আসল। আমরা জাগো বা ইউনিসেফ না। মানুষ যে আমাদের মত একটা ছোট অনলাইন কমিউনিটিকে বিশ্বাস করে হাজার হাজার টাকা দিতেছে - সেই বিশ্বাসটা রাখতে হবে।"

২৯ তারিখ সকাল সকাল আগারগাও থেকে শুরু করলাম। এরপর বিজয়স্মরনী, ধানমন্ডি, মহাখালী, আবদুল্লাহপুর, মিরপুর, মোহাম্মদপুর। আমাদের টার্গেট ছিলো ঢাকা শহরের অনুর্ধ ১২ বছরের শিশুরা - যারা ট্রাফিক সিগনালে ভিক্ষা করে, ফুল-পেপার বিক্রি করে।





মানুষ নাকি বলে সাত আসমানের উপর স্বর্গ। আপনি যদি একবার দেখতেন রোদে পোড়া খালি গায়ের বাচ্চাগুলা হাতে নতুন জামা নিয়ে হাসি দিতেছে - সেই হাসিতে কৃতজ্ঞতা আর চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক...খোদার কসম, সাত আসমানের স্বর্গকে আপনার সদরঘাট লাগতো! স্বর্গ তো এখানে, বাংলাদেশের এই না পাওয়া শিশুদের চোখে!





এই স্বর্গীয় সুখের ছোয়া পাবার পর আমার নেশায় ধরে গেলো। খুজে খুজে একজন একজন করে জামা দিচ্ছি আর তাদের হাসিমাখা মুখ ক্যামেরাবন্দী করতেছি। কত হবে? এক একটা জামা ১০০/১৫০ টাকা? আমার আপনার একবেলা খাওয়ার টাকা। অথচ এই সামান্য "কমদামী" জামা পেয়ে ওদের যেই আনন্দ - নতুন কেনা স্যামসাং গ্যালাক্সী ট্যাব-ও আমাকে এত আনন্দ দিতে পারে নাই।







এতগুলা শিশুকে জামা দিয়ে, ঈদের খুশি ভাগ করে, একটা শান্তির পরশ নিয়ে আমার বাসায় ফেরার কথা ছিলো। কিন্তু বাসায় ফিরলাম মন খারাপ করে। কেননা শুধু জামা দিয়ে এদের একদিনের আনন্দ দিলেই হবে না। এদের নিয়ে স্থায়ী একটা সমাধান বের করতে হবে। এরা যেনো শিশুশ্রমে লিপ্ত না হয়, পড়াশোনা করে, ঠিকমত খাবার পায় এবং ভালো যায়গায় থাকতে পারে - সেই ব্যাবস্থা করতে হবে। যদি আমরা সবাই মিলে এদের পুনর্বাসনের ও পড়াশোনার একটা ব্যাবস্থা করতে পারতাম - তাহলে হয়তো আমাদের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জামা দেয়া লাগতো না। এরা নিজেরাই কামাই করে নিজেদের জামা কিনে ফেলতে পারতো!



ফেসবুকে একজন এইসব দেখে কমেন্ট করছিলো, "That's amazing man. hopefully next year it will be 800+ and so on, but hopefully by ten years we can say - আজকে জামা কাপড় কম দেয়া লাগলো। poverty আসলেই কমতেছে"



এরকমই একটা বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি আমরা কয়েকজন। আপনিও চাইলে যোগ দিতে পারেন আমাদের সাথে। আপনার "সাথে থাকা" আমাদের সবচেয়ে বড় ডোনেশন। সমাজের জন্য কিছু করতে গেলে নির্বাচনে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হওয়া লাগে না। আপনি আপনার জায়গা থেকেই সেটা করতে পারবেন। আপনি নিজেই পারেন আপনার এলাকার কয়েকটা পথশিশুদের জন্য কিছু করতে, সেজন্য আমাদের সাথে হাত মেলাতেও হবে না! আপনার ইচ্ছাটাই আসল। একবার করেই দেখেন না... স্বর্গের স্বাদ কিন্তু অদ্ভূত সুন্দর!



৫/৬ জনকে জামা দেয়ার প্ল্যান করে আমরা একেবারে ৪৪৩ জন কে জামা দিয়ে ফেল্লাম! ব্যাপারটা মোটেও ছোটোখাটো না। বিশাল এই ব্যাপারটা সম্ভব হয়েছে কেবলমাত্র আপনাদের সাপোর্টের জন্য। অনেক অনেক মানুষ যে টাকা দিয়ে সাহায্য করছে তা কিন্তু নয়। ৬৭ জনের কাছ থেকে আমরা ডোনেশন পেয়েছি। ২ জন রেডিমেড নতুন জামা কার্টনে ভরে দিয়ে গেছে। আর সাপোর্ট পেয়েছি হাজারেরও বেশি মানুষের!

তাই বলে আমরা কিন্তু থেমে যাইনি। ২৯ তারিখ জামা গিফ্ট দিয়ে বাড়ি ফিরার পথে আমরা সবাই ভাবছিলাম সামনের কোরবানী ঈদে কি করা যায়। সামনের ঈদে শীত পড়বে, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে এবং ক্রয় করে উত্তরবঙ্গের মানুষদের কষ্ট সামান্য হলেও দূর করার চেষ্টা করবো।

এজন্য আবারো আমরা আপনাদের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। গত শীতের কাপড় যা আপনি ফেলে দিবেন, পুরাতন সোয়েটার-কাথা-কম্বল-লেপ-শাল-হাত মৌজা-টুপি অথবা নগদ টাকা। যে যতটুকু পারবেন, সাহায্য করবেন। আপনি না পারলে অন্তত আপনার বিল্ডিং-এর মানুষ, আত্মীয়স্বজন, অফিসের কলিগ - সবাইকে জানিয়ে দিন। হয়তো আপনার সামান্য হাত বাড়িয়ে দেয়া বাচিয়ে দিতে পারে ৭০ বছরের কোনো শীতার্ত বৃদ্ধকে।

আশা করছি এবারো আপনাকে আমাদের সাথে পাবো। আপনার মতামত, সাহায্য ও আপডেটের জন্য চোখ রাখুন আমাদের ফ্যান পেজে:

ইভেন্ট পেইজ | আমাদের ফেসবুক পেইজ



ডিসক্লেইমার:
১। এটা সম্পূর্ন একটা ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার ব্লগ। আমি যেভাবে টাকা নিয়েছি (আমার বাসার সামনে এসে টাকা দিয়ে যান), বাকি সবাই এভাবে টাকা নেয় নাই। ডোনাররা ফোন দিয়েছে, ভলেন্টিয়াররা বাড়ি/অফিস গিয়ে টাকা নিয়ে আসছে। টাকা নেয়ার ব্যাপারে আমি ছাড়া সবাই আন্তরিক ছিলো।
২। আমি সবসময় দূরে দূরে ছিলাম, সবচেয়ে কম পরিশ্রম করেছি। ছবি তোলা আর আইডিয়া দেয়ার প্রতি আমার আগ্রহ ছিলো বেশি। পুরো ব্যাপারটা ঠিকঠাক সম্পন্ন করা যে কত কষ্ট - সেটা আমার লেখা হতে বুঝা যাবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29445487 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29445487 2011-09-09 22:46:58
অন্তত এই লড়াইটাতে আপনাদের জিততেই হবে
আমি আপনাদের অনুরোধ করবো, আপনারা যা শুরু করেছেন সেটা শেষ না করে থামবেন না। আপনারা ভালো মিডিয়া কভারেজ পাচ্ছেন, অনেকেই এখন আপনাদের কথা জানে (এর আগে কোনো ভিক্টিম এরকম সাপোর্ট পেয়েছে বলে জানা নাই)। আর এখন শেষ না করে সরে দাড়ালে পরিমলদের সাহস বেড়েই চলবে (রাজউক থেকেও একই কারনে পরিমলকে বের করে দেয়া হয়েছিলো।ঐখানে একটা শক্ত বিচার করলে হয়তো সে একই কাজ ২য়বার করতে পারতো না)। এছাড়া আপনাদের প্রোটেস্ট বিফলে গেলে বর্তমানে যারা প্রটেস্ট করছেন তাদেরকে যে ক্লাস/কোচিং-এ হোসনেআরার সমর্থক টিচারদের দ্বারা মানসিক নির্যাতন সইতে হবে না তার নিশ্চয়তা কি? দয়া করে কোনো অবস্থাতেই অর্ধেক হিসাব বুঝে বাসায় ফিরে যাবেন না।

পরিমলের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আপনাদের হাতে এখন একটা সুযোগ এসেছে হোসনেআরাকে বিদায় জানানোর। আপনাদের কি মনে নাই হাসিনার বান্ধবী এই লীগবাজ মহিলা হাসিনার মায়ের নামে(বদরুন্নেসা) আপনাদের স্কুলের নাম বদলাইতে চাইছিলো?

আপনাদের জন্য শুভকামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29411259 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29411259 2011-07-11 21:46:35
VLC মিডিয়া প্লেয়ারের ১৯ গুন



১) ডিভিডি রিপ করা :

Media মেনু তে যান। এরপর Convert/Save। Disc ট্যাবে ক্লিক করেন। স্টার্টিং পজিশন সিলেক্ট করেন। সিলেক্টেড টাইটেল/চাপ্টার রিপ করতে পারেন চাইলে। .MPG এক্সটেনশনের ফাইলনেইম দেন আর রিপিং শুরু করেন। সেভ! কোয়ালিটি খারাপ না, ভালোই।



২)ভিডিও এর সিলেক্টেড অংশ রেকর্ডিং

রেকর্ড বাটন বাই ডিফল্ট হিডেন থাকে। দেকাহর জন্য View থেকে Advanced Control এ যাবেন। নিচের ছবির মত রেকর্ড বাটন দেখা যাবে।



Advanced Control থেকে স্ন্যাপশট, লুপিং, ফ্রেম বাই ফ্রেম ভিউ দেখা সম্ভব।



৩) কনভার্ট ফাইল:

ভিডিও/অডিও ২টাই কনভার্ট করা যায়। Media থেকে Convert/Save এ যাবেন। Add button দিয়ে যে ফাইল কনভার্ট করবেন সেটা লোড করবেন এরপর Convert এ ক্লিক! আউটপুট ফরমেট আর আটপুট লোকেশন দেখায় দিবেন।






৪) .RAR ফাইল চালানো

seek bar ব্যাবহার করে .RAR ফাইল চালাতে পারবেন। সিম্পলি ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করবেন। আর যদি রার ফাইল কয়েকটা ফাইলে স্প্লিট করা থেকে (যেমন avatar.part001.rar, avatar.part002.rar) তাহলে প্রথমটা চালু করেন, বাকিগুলা অটো প্লে হবে। আনজিপের ঝামেলায় যাওয়া লাগবে না।



৫) Damaged আর unfinished ভিডিও চালানো

প্রায়ই নেট থেকে ১০০ মেগাবাইটের ফাইল নামাতে দিলে দেখা যায় ৭০ মেগা নেমে ডাউনলোড শেষ হয়ে গেছে। এসব আনফিনিশিড ফাইল টেনে এনে ভিএলসিতে ছেড়ে দিবেন। প্রথম ৭০ মেগাবাইটই চলবে (পুারাটা চলবে না!!)



৬) ভিডিও স্ন্যাপশট নিতে পারবেন : Video থেকে Snapshot অপশনে





৭) ASCII মুডে ভিডিও দেখা

Tools থেকে Preferences এ যাবেন। “Video” সেকশন ওপেন করবেন আর “Output” এ সিলেক্ট করবেন “Color ASCII art video output”। সেভ করবেন।





৮) অনলাইন রেডিও শুনতে পারেন

স্পিড ভালো থাকলে ট্রাই করেন > Media থেকে Services Discovery থেকে Shoutcast radio listings।





9)ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করেন

ইউটিউব থেকে ভিডিও URL টা নেন। Media থেকে Open Network stream এ যান। URL পেস্ট করেন, Play ক্লিক করেন।

এখন VLC streaming করা শুরু করবে। তখনই Tools থেকে Codec Information এ যাবেন। এই উইন্ডোর নিচে একটা লোকেশন বক্স দেখবেন। এটা কপি করে ব্রাউজারে পেস্ট করেন। ব্রাউজার ফাইলটা ডাউনলোড করা শুরু করবে।

অথবা স্ট্রিমিং এর সময় আপনি ২ নাম্বার ট্রিক্সের মত ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন (যদি ভিডিও সাবলীল ভাবে চলে আর কি!)



১০) লোগো/ওয়াটারমার্ক এড করেন

যেকোনো চলন্ত ভিডিওতে আপনার লোগো (PNG/JPG ফরম্যাট) এড করতে পারেন। Tools থেকে Effects and Filters থেকে Video Effects এ যাবেন। Logo ট্যাবের নিচে ইমেজ ফাইল লোকেশন দেখায় দেন। transparency আর লোগো পজিশন ঠিক করেন। ইমেজের ছবির রেজুলেশন ভেদে লোগো ছোটবড় হবে। আমি লোগো বানাইতে গিয়া বড় রেজুলেশনের JPG ফাইল দিয়ে দিছিলাম!





১১) ভিডিও জুম ইন/আউট

Tools থেকে Effects and Filters থেকে Video Effects এ যাবেন। Geometry ট্যাবের নিচে Magnification/Zoom option এনাবেল করবেন।





১২) পেনড্রাইভ থেকে রান করা যায়।



১৩) সিস্টেম ট্রে তে মিনিমাইজ করতে পারেন।





১৪) হট-কি ব্যাবহার করে মনমত কাস্টোমাইজেশন করতে পারেন। হট-কির একটা লিস্ট পাবেন এখানে : http://wiki.videolan.org/HotKeys (হট-কি পরিবর্তনযোগ্য)





১৫) ইন্টারফেস কাস্টোমাইজেশন

২ ভাবে সম্ভব। VLC player qt interface কাস্টোমাইজেহন করে বা স্কিন ইন্সটল করে।






১৬) রিমোটলি VLC কন্ট্রোল করেন

ভার্শন 0.9.6 এর পরের সবগুলাতে অন্য পিসিতে বসে আপনার পিসির VLC চালাতে পারবেন। অন্য পিসিতে VLC না থাকলেও!! (এটা কিভাবে করে আমি জানি না, কিন্তু লিনাক্সের একটা ফোরামে দেখছিলাম করা যায়)



১৭) ISO ফাইল চালাতে পারেন।


১৮) স্ট্রিমিং করেন : নিজের পিসির ভিডিও/অডিও ফাইল অনলাইনে স্ট্রিমিং করতে পারেন। বিস্তারিত উইকিহাউ-তে : Click This Link



১৯) অটো পিসি শাটডাউন

ভিডিও চালানো শেষ হয়ে গেলে অটো পিসি শাটডাউন করতে পারেন। যদিও এটা VLC এর কোনো অপশন না। নোটপেড খুলে নিচের লেখা পেস্ট করে .BAT এক্সটেনশনে সেভ করবেন।
START /WAIT C:\"Program Files"\VideoLAN\VLC\vlc.exe %1 vlc://quit shutdown -s -t 60

মনমত ভিডিও নিয়ে প্লেলিস্ট ক্রিয়েট করবেন। সেভ করবেন। সেই প্লেলিস্ট ড্র্যাগ করে সেই ব্যাট ফাইলের উপর আনবেন। এরপর VLC ওপেন হবে, ভিডিও শেষ হলে পিসি শাটডাউন হবে।


এভাবে ড্র্যাগ করবেন (যদিও ছবিতে VBScript ফাইলে টানছে। VBScript দিয়েও শাটডাউন করা যায়, তবে অন্য স্ক্রিপ্ট লাগবে)



অনেক কাজের কাজী এই প্লেয়ারটা যদি না নামিয়ে থাকেন, লেটেস্ট ভার্শন নামিয়ে ফেলুন এখনই, একদম ফ্রী তে! ডাউনলোড লিংক : http://www.videolan.org/vlc/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29402454 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29402454 2011-06-25 22:39:45
ড. মশিউর রহমানের সাহায্যের ‘হাত পাতা’ বনাম নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক.

সকলের ভালোবাসায় ড. মশিউর রহমানের প্রয়োজনীয় ১০ লাখ টাকা জোগাড় হয়ে যাবে আমি নিশ্চিত। কিন্তু তবুও এই লেখার মাধ্যমে আমি নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তথা পরিচালনা পরিষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর গড়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এযাবতকালে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ২৫ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। আর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে মাত্র ১০ লাখ টাকার জন্য জনগণের কাছে হাত পাততে হচ্ছে কেন, সেই প্রশ্নটিই আমাকে তাড়া করছে? এটি যদি এইজন্য হয়ে থাকে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিসি-তে নেই। সেক্ষেত্রে আমি বলব এটি পলিসি-তে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এবং সেটি করা কঠিন কোন কাজ নয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বারগণ নিশ্চয়ই প্রতিদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন না যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড নিঃশেষ হয়ে যাবে।

আমি কোনমতেই ড. মশিউর রহমানের হাত পাতা মেনে নিতে পারছি না। তিনি দেশ ও দশের জন্য কাজ করেছেন। একদিনের জন্য হলেও নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন। অতএব, তাঁর এই হাত পাতা আমি মনে করি নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য লজ্জার বিষয়। বিশেষ করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সঙ্গে যারা জড়িত আছেন বিভিন্ন ধরনের জনহিতকর কাজে তাদের যে পরিচিতি সেটা যেন এই একটিমাত্র ঘটনায় ম্লান হয়ে যায়। আমি আশা করবো এই লেখাটি তাদের কেউ না কেউ পড়বেন কিংবা কেউ না কেউ তাদের নজরে বিষয়টি আনবেন যাতে করে দুয়েক দিনের মধ্যে বিশেষ বোর্ড সভা আয়োজনের মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ড. মশিউর রহমানের চিকি‍ৎসার পুরো খরচ বহন করার ঘোষণা দিতে পারেন।

পাশাপাশি, এই লেখার মাধ্যমে আমি রাষ্ট্র পরিচালকদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। ড. মশিউর রহমানদের মতো মানুষের জন্য রাষ্ট্রেরও করণীয় আছে। আমি নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনেকেই ফেসবুকে আছেন, যারা এই লেখাটি পড়বেন। তাদের দায়িত্ব হলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ড. মশিউর রহমানের অসুস্থতার বার্তাটি পৌঁছে দেয়া যাতে করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সাহায্য দিতে পারেন।

মনে রাখা দরকার যে, রাষ্ট্র ও বড় বড় প্রতিষ্ঠান যদি সেরা মেধাদের নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিতে কাজ করার নিরাপত্তা না দিতে পারে তাহলে মেধাবীরা দেশকে ও প্রতিষ্ঠানকে সার্ভ করার সাহস দেখাতে পারবে না।

দুই.

ড. মশিউর রহমান অসুস্থ। তিনি নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর আর কোনো পরিচয় দেয়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এদেশের প্রথম ও সেরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক। যোগদান করেছেন ২০০৮ সালে। পড়ানোর বিষয় হলো সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস টেকনোলজি, ন্যানো টেকনোলজি এবং আইপি টেলিফোনি। তাঁর চিকিৎসার জন্য মোট ২০ লাখ টাকা দরকার। তাঁর জমানো ১০ লাখ টাকা আছে। বাকি ১০ লাখ টাকার জন্য তিনি ফেসবুকে সাহায্যের আবেদন করেছেন। অথচ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ফাউন্ডেশনের পরিষদবর্গ বলে থাকেন, “সেরা ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের জন্যই আজকে এই বিশ্ববিদ্যালয় এই পর্যায়ে উন্নীত হতে পেরেছে।” তারপরও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বারকে জনসাধারণের কাছে অর্থ সাহায্য চাইতে হয়। যে অর্থের পরিমাণ ১০ লাখ টাকা।

তিন.

ব্যাংকক হসপিটাল থেকে ২৯ এপ্রিল ড. মশিউর ফেসবুকে নোটে লিখেছেন- “কখনও স্বার্থপরের মত এমন একটি চিঠি লিখতে হবে তা ভাবিনি। কিন্তু আল্লাহ মানুষকে এমন কিছু মুহুর্তের মুখোমুখি করায় যার জন্য সে প্রস্তুত থাকে না। সারাটি জীবন ভেবে এসেছি, কিভাবে মানুষের ও দেশের উপকার করা যায়। নিজের ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে সবারকাছে হাত পাততে, সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। মার্চের শুরুতে জাপানের একটি গবেষনার কাজ গুছিয়ে যখন দেশে ফিরবার জন্য প্রস্তুত নিচ্ছি, তখন জানতে পারলাম আমার মুত্রথলিতে একটি পাথর ও টিউমার আছে। এর পর জাপানের সুনামি ও তেজস্ক্রিয়তার কারণে আর এটি নিয়ে ভাবার সময় পাইনি। জাপানের কাজ শেষ করে মে মাসে যথারীতি বাংলাদেশে আমার কর্মস্থল নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার কথা। ভাবলাম বাংলাদেশে যাই, তারপরে সেখানেই অপারেশন করা যাবে। একটু খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারলাম পাথরের অপারেশন বাংলাদেশে নিয়োমিত হচ্ছে এবং খুব একটি সমস্যা হবার কথা নয়। বাংলাদেশে ফিরে পিজির প্রোফেসর সালামের কাছে গেলাম এবং এপ্রিলের ১০ তারিখে অপারেশন করে পাথর ও টিউমার সরানো হলো। তবে ভয়াবহ খবরটি জানতে পারলাম তার তিনদিন পরে, টিউমার এর কোষগুলি টেস্ট করে সেখানে ক্যানসার ধরা পড়েছে। সবার পরামর্শে ব্যাংককে আসি উন্নত চিকিৎসা করার জন্য। ব্যাংককে এসে তারাও জানায় যে ক্যানসার আছে। ক্যানসার থেকে রক্ষা পাবার জন্য খুব দ্রুত একটি জটিল অপারেশন করে মূত্রথলিটি সরিয়ে ফেলতে হবে। এই অপারেশন বাবদ প্রায় ২০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। হাতে আছে ১০ লক্ষ টাকা। এখন আমার আরো ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। এখন আমি আপনাদের কাছে হাত পাতছি, বাকি অর্থ সংগ্রহ করবার জন্য সহায়তা করার জন্য।”

চার.

আসুন এবার নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানি। এটি এই দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এখনো পর্যন্ত নাম্বার ওয়ান প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে আপনাদের জন্য কিছু তথ্য দিচ্ছি। ওয়েবসাইটের ঠিকানা হলো: http://www.northsouth.edu/

সম্প্রতি তারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজেদের ক্যাম্পাসে গিয়েছে। এই ক্যাম্পাসটি গড়ে উঠেছে মোট ১৮ বিঘা জমির উপর। ৬টি ৮ থেকে ১০ তলা বিল্ডিংয়ের সমন্বয়ে সর্বমোট ১২ লাখ ৫০ হাজার বর্গফুট ফ্লোরস্পেসের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধারণ ক্ষমতা ১২ হাজার। বসুন্ধরাতে এক কাঠা জমির দাম ৫০ লাখ টাকা হিসেবে ১৮০ কোটি টাকার জমির উপর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে। প্রতি স্কোয়ার ফুটের নির্মাণ খরচ ৫০০০ টাকা ধরলে ৬২৫ কোটি টাকার ভবন ওই জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। তারমানে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অফেরতযোগ্য ভর্তি ফি হলো জনপ্রতি প্রায় ২০,০০০ টাকা। তাহলে, ১২০০০ শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিবছর শুধুমাত্র ভর্তি ফি বাবদ পাওয়া যায় ২৪ কোটি টাকা। যার ব্যাংক ইন্টারেস্ট আসে বছরে আরো প্রায় ৩ কোটি টাকা। টিউশন ফি প্রতি ক্রেডিটের জন্য সাড়ে চার হাজার থেকে আট হাজার টাকা। এভাবেই এই বিশ্ববিদ্যালয়টি টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে। এবং নিজেদের এই বিশাল ক্যাম্পাসে যেতে পেরেছে। অর্থ আয় করা অন্যায় নয়। বড় প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করাও অন্যায় নয়। বরং এসবই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু যে বা যারা এই প্রতিষ্ঠান গড়ায় অবদান রেখেছেন বা রাখছেন বা রাখবেন তাদের জন্য প্রতিষ্ঠান কি করছে সেই প্রশ্নটিও আসতেই পারে।

এই বিশ্ববিদ্যালয় দাবী করে যে, তারা মানব কল্যাণে ভূমিকা রাখছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স বিভাগের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের বিষয়ভিত্তিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। আর ড. মশিউর ক্যান্সারেই আক্রান্ত হয়ে ব্যাংকক হসপিটাল থেকে ১০ লাখ টাকার আবেদন জানান জনগণের কাছে। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, তাঁর এই সাহায্য চাওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুভূতি কী? ‍কারণ, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যারা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং যারা বিশ্ববিদ্যালয় ফাউন্ডেশনের সদস্য তারা সবাই স্বনামখ্যাত শিল্পপতি ও সমাজের অভিজাত শ্রেণী। তারা ও ‍তাদের প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ডে অঢেল অর্থ ব্যয় করে থাকেন, যা আমরা বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাই। যেমন:

১. নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন মি. আজিম উদ্দিন আহমেদ যিনি মিউচুয়াল গ্রুপ অফ কোম্পানিজেরও চেয়ারম্যান। এছাড়াও সদস্যরা হলেন,

২. রেমন্ড গ্রুপের এমডি মি. বেনজির আহমেদ

৩. স্পার্ক লিঃ ও ওমনিচেম লিঃ এর চেয়ারম্যান ও এমডি মি. ইফতেখারুল আলম

৪. লিবরা ফার্মাসিউটিক্যালের এমডি ড. রওশন আলম

৫. সিলেট টি কোম্পানি লিঃ এর এমডি মি. রাগিব আলী

৬. প্রাইম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও এমডি মি. ‍আবদুল আওয়াল

৭. মাল্টি অয়েল রিফাইনারি লিঃ এর চেয়ারম্যান মি. ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন

৮. পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মি. এম এ হাশেম

৯. টি কে গ্রুপ এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের এমডি মি. এম এ কালাম

১০. কনকর্ড ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড কনস্ট্রাকশনসের চেয়ারম্যান মি. এসএম কামালউদ্দিন

১১. মিউচুয়াল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এম এ কাশেম

১২. আবুল খায়ের গ্রুপের এমডি মি. আবুল কাশেম

১৩. বেঙ্গল ট্রেডওয়েজ লিঃ এর এমডি মিসেস রেহানা রহমান

১৪. বেক্সিমকো গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মি. সোহেল এফ. রহমান

১৫. শাহ ফতেহউল্লাহ টেক্সটাইল মিল লিঃ এর এমডি মি. মোঃ শাহজাহান

১৬. বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সেক্টর ম্যানেজার ড. জুনায়েদ কামাল আহমেদ এবং আরো কয়েকজন।

তারা হয়তো বলবেন যে, আমাদের পলিসিতে নেই বলে আমরা কিছু করতে পারছি না। আমি বলবো পলিসিতে নেই, সেতো নাই থাকতে পারে। পলিসি তো আর বাইবেল বা কোরআন নয় যে, পরিবর্তন করা যাবে না। বোর্ড মিটিং ডাকুন।

এমন তো নয় যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি কাউকে আর্থিক সহায়তা দেয় না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচি চালু আছে। শুধুমাত্র ২০১০ সালের সামার সেমিস্টারে ৬১৮ জন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এই খাতে মোট ব্যয় করা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কর্তৃপক্ষ মনে করে যে, তাদের এই অর্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ ও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এযাবতকালে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বমোট ২৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

শেষ কথা:

একটি আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে আমি এই লেখাটি শেষ করতে চাই। সেই আহ্বানটি হলো নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি। আমি তাদেরকে বলতে চাই: তোমরা ১২০০০ শিক্ষার্থী যদি একটি বার্গার না খাও তাহলে গড়ে ১০০ টাকা করে ১২ লাখ টাকা উঠতে পারে শুধুমাত্র তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। অন্যের কাছে হাত পাতার আগেই তোমাদের দায়িত্ব ছিলো নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পাশে দাঁড়ানো। আর একটি কাজ তোমরা করতে পারো সেটি হলো প্রিয় শিক্ষকের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সজাগ করতে ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা এবং আগামীতেও যাতে শিক্ষকগণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ গুরুতর অসুস্থতায় আর্থিক সাহায্য পান সেই ব্যবস্থা নিতে ৫ মিনিটের শিক্ষাগ্রহণ বিরতি পালন করতে পারো। ভিসি ও বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিতে পারো। আর তোমাদের বক্তব্যের সপক্ষে বড় বড় পোস্টার পেপার লাগিয়ে তাতে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে পারো। মনে রেখো তরুণরাই সমাজ বদলের হাতিয়ার।



=====================================================



মশিউর স্যারের কমেন্ট: (মে 2, 2011 at 9:24 পুর্বাহ্ন)
NSU এর ছাত্র-ছাত্রীরা, তোমরা কোন ধ্বংসাত্মক বা Aggressive কাজে নেমোনা। NSU কর্তৃপক্ষের মুখোমুখি হয়ে কোনো ধ্বংসাত্মক বা Aggressive কাজ করোনা। ইতিমধ্যে জাপান, আমেরিকা ও বাংলাদেশ থেকে সবাই যে অর্থ সাহায্য করেছে, ইনশাল্লাহ তা দিয়েই আমার চিকিত্সা করা সম্ভব হবে। তোমাদের সবার ভালোবাসার ঋণে আমি আবারও আবদ্ধ হয়ে গেলাম। কেউ ধ্বংসাত্মক বা Aggressive কিছু করতে চাইলে আমার বক্তব্যটি দিয়ে তাদের শান্ত করবে।

মূল ব্লগার মোহাম্মদ গোলাম নবীর জবাব:
আপনি আমার লেখাটির মূল স্পিরিট খেয়াল করতে পারেননি, সম্ভবত। আপনি যদি আমার লেখাটি পড়ে থাকেন তবে এটি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন আপনি আমার লেখার উপলক্ষ্য হলেও আমার মূল বক্তব্যটি একটি পলিসি তৈরি করার উপর যার মাধ্যমে পরবর্তীকালে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মানুষগুলো মাত্র ২০ লক্ষ টাকার জন্য জনগণের কাছে হাত না পাতে।




মূল লেখা | মোহাম্মদ গোলাম নবীর ব্লগ

পোস্টের উদ্দেশ্য: মশিউর স্যারের উছিলায় (অবশ্যই উনাকে সাহায্য করার মধ্য দিয়ে) প্রাইভেট ভার্সিটিগুলাতে ফ্যাকাল্টিদের জন্য গুরুতর অসুস্থতা পারবর্তী সাহায্যের ট্রেন্ড চালু করা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29373916 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29373916 2011-05-02 21:42:28
ফটোব্লগ: বাংলাদেশের হিপহপ ও হিপহপ কনসার্ট আবার জিগায়" এর লিরিক্স পোস্ট করছিলাম।

হিপহপ নিয়া আমার জ্ঞান ঐ পর্যন্তই। এরপরে অনেক ব্যান্ডের নাম শুনছি। Blazin Annex, CDL, Disclples, Deshi MC's, Uptown Lokoz, Hip Hop Jaat, Thugz of Dhaka। কিন্তু এদের গান শুনি নাই!!

সম্প্রতি ফেসবুকে দেখলাম, এসব ব্যান্ড প্রায়ই কনসার্ট করে। এমনকি এসব কনসার্টে অনেক মানুষও আসে! ক্রমেই রক-মেটালের পাশাপাশি এরা নিজেদের একটা অবস্থান করে নিতেছে। সব লিরিক্স যে ভালো, তা নয়। এই যেমন স্টয়িক ব্লিসের গানটায় পুরান ঢাকার অনেক কিছু হাইলাইট করা হইছে। মাঝে একটা দলের গান শুনছিলাম - বাংলাদেশ, ৭১ এসব নিয়ে র‌্যাপ। এগুলা যারা শুনে তারা এযুগের অন্য টাইপের ছেলে-মেয়ে। তাদের হয়তো আমরা মোলায়েম ভাষায় ৭১ নিয়ে বুঝাতে পারতাম না, কিন্তু র‌্যাপের ছন্দে সেটা ওরা জেনে যাচ্ছে। এটা একটা পজিটিভ পয়েন্ট।

শেষ! আমি আর কোনো পজিটিভ পয়েন্ট পাইনা এসব র‌্যাপের। গানের জেনারে র‌্যাপ আমার কাছে পুরাই ফালতু মনে হয়। তবে এগুলা যারা লিখে, সুর করে - জিনিয়াস, স্বীকার করেই এরকম একটা হিপহপ কনসার্তের কিছু ছবি ফেসবুক থেকে কপি পেস্ট করলাম।







































































ডিসক্লেইমার: কোনো হিপহপ ব্যান্ডকে প্রোমোট করতে এই পোস্ট লেখা হয় নাই। পোস্টের উদ্দেশ্য এটা বুঝানো যে ব্লগের যারা এদের নিয়ে হাসি তামাশা করে, তাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখানো - এরা অনেক র‌্যাপিড আকার ধারন করছে। এদের সংখ্যা বাড়তেছে। সুতরাং আপনি যদি এন্টি-র‌্যাপ হন, তাইলে মেটাল/রক সং প্রোমোট করেন। আপনার ছেলেমেয়ে ভাইবোনদের মেটাল/ক্লাসিক গান শুনান। র‌্যাপ হলো শয়তানের চ্যালার গান]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29371349 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29371349 2011-04-28 22:11:33
গ্রামীনফোন কথন নাসিফের সাথে। জানালো, ঐ নাম্বারটা ০১৭১৭ হলেও আসলে ডিজুস না। সে ডিজুস থেকে সহজ প্যাকেজে মাইগ্রেট করছে। পরে ঐ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করে দেখি সে আসলেই সহজ! কিন্তু আমি এটা কেমনে জানবো? আমি তো ০১৭১৭ দেখে ডিজুস ভেবেই ফোন দিছি। আর মাঝে হালকা বাশ খেয়ে গেছি!!



এটা গ্রামীনের চালাকী বলা যায় কিনা বুঝতেছি না। নাম্বার যেটাই হোক না কেন ইউজার যেকোনো প্যাকেজ ইউজ করতেই পারে। সুতরাং ডিজুস মনে করে ফোন দেয়ার আগে একবার ভাবতে হবে আসলেই সেটা ডিজুস নাকি!!



২) রাতে P7 দিয়ে টুইটার ব্রাউজ করতে করতে দেখি আর ব্রাউজ হয় না। P7 ব্যালেন্স চেক করে দেখি ০ মেগাবাইট!! অথচ একটু আগেও এখানে ৮/৯ মেগার মত ছিলো। নিজেই কনফিউজড হয়ে গেলাম। আবার P7 এক্টিভ করলাম ৩৬ টাকা দিয়ে। ১৫ মেগা, ১৫ দিন। ১৪ মেগা বাকি থাকতে ঘুমায় গেলাম।

পরদিন যখন ডিজুস ওভারচার্জিং এর ব্যাপারে কথা বলছিলাম, একটা মেসেজ পেলাম যে আমার P7 সাফল্যের সাথে ডিএক্টিভেট করা হয়েছে। আমি মেসেজটা রাতে খেয়াল করলাম আর দেখলাম যে আমি নেটে ঢুকতে পারতেছি না। এরপর রাত ১১টায় ওদের জানালাম। সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হলো, Intekhab [11:24:34 PM]: Exactly this type of problem is facing all P7 users of us now due to some technical upgradation। অথচ তখন আমার অনেক বন্ধুই P7 দিয়ে অনলাইনে বসে আছে!!

দুপুর ১২টাতেও যখন ঠিক হয় নাই, তখন আবার চ্যাটে জিজ্ঞাসা করলাম। বলে, Shami [11:43:13 AM]: It will solved with in four hour

৪ঘন্টা পরেও ঠিক হয় নি। ১২১ এ ফোন দিলাম। ওরা বলে, আমি নাকি রিকোয়েস্ট করছি P7 অফ করতে। এটা ডাহা মিথ্যা। ওরা বল্লো, ওয়েট করেন, ইনভেস্টিগেট করতেছি। এরপর বলে, আপনার প্রবলেম সলভড!

চেক করে দেখি, ১৪ মেগা থেকে ২২ মেগা হয়ে গেছে। কিন্তু নেট কানেক্ট হয় না! আবার ফোন দিলাম, বলে, "স্যার, কম্লেইন নোটেড ডাউন!" আমি বুঝলাম না আমার হাতে ২২ মেগা আছে, এক্সপায়ার্ড ডেট ১৩ দিন পর। তাও ওরা এটা চালু করতে পারতেছে না কেন?

P7 ছাড়া ২য় রাত পার করলাম।

সকালে ফোন দিলাম, P১ চালু করে দিয়ে বলে, "স্যার, আপাতত P১ চালান আমরা ব্যাপারটা দেখছি।" P১ দিয়ে কিছুক্ষন ফ্রি নেট চালাইলাম।*

৩য় রাত শুরুর আগে আবার ১২১ থেকে ফোন "সরি স্যার, আপনার সাথে ওভারচার্জিং এর ব্যাপারে চ্যাট করতে গিয়ে আমাদের এজেন্ট নাসিফ ভূল করে আপনারটা অফ করে দিয়েছে। আপনার একাউন্টে ৩৩ টাকা পাঠায় দিলাম। দয়া করে P7 এক্টিভ করে নিন। গ্রামীনফোনের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ" <img src=" style="border:0;" />

* শুধুমাত্র P১ এ অপেরা মিনি কনফিগার করে ফ্রি নেট চালানো যাচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29354535 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29354535 2011-03-31 21:09:28
মনে বড় প্রশ্ন জাগে....
হঠাৎ মোজার গন্ধ নাকে যেতে পাশে তাকিয়ে দেখলো এক লোক লুঙি পড়ে পায়ের উপর পা তুলে সমানে ফেসবুকে সুন্দরী মেয়ে এড করে যাচ্ছে। মার্ক ওর দিকে তাকিয়ে আছে বুঝতে পেরে নিখিল দাস মার্ককে জিজ্ঞাসা করে বসলো, "পাকিস্তান না ভারত বাশ খাবে? শেখ হাসিনা না ইউনুস কার নোবেল পাওয়া উচিত? ডক্টর ইউনুস বাংগালী জাতিকে কি দিয়েছেন? কোন প্রাইভেট ভার্সিটি ভালো? নিখিল দাস কি ছেলে ভালো? আপনি কি ইংলিশ লিখতে অভ্র ব্যাবহার করেন?"

গন্ধওয়ালার এত প্রশ্নে সে অবাক হয়ে গেলো। আরে আজব, গুগল থাকতে আমাকে এসব জিগায় কেন?! গাধা নাকি...কঠিন এক ঝাড়ি দিবে এমন সময় তার মাথায় ১০০ ওয়াটের সিএফএল বাল্ব জ্বলে উঠলো। হবে, এই গাধাগুলাকে দিয়েই হবে..

লাফ দিয়ে উঠে অফিসের দিকে দৌড়াতে শুরু করলো মার্ক। নতুন আইডিয়া মাথায় আসছে।

এদিকে ব্যাক্কলের মত নিখিল তাকিয়ে থাকলো "আনসোশ্যাল" মার্কের যাওয়ার পথের দিকে। সে ঘুনাক্ষরেও টের পেলো না ততক্ষনে তার আইডিয়া চুরি হয়ে বিলিয়ন ডলারের ব্যাবসায় মূলধনিত হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29351800 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29351800 2011-03-27 00:33:44
সামান্য একটি জার্সি - অতঃপর অহেতুক মন খারাপ হবার কারন ICC Cricket World Cup 2011 গ্রুপে এই ভিডিওটি পেলাম। বেশি বড় না, ৫৭ সেকেন্ডের একটা ভিডিও।

পাকিস্তান-ওয়েস্টইন্ডিজ খেলা শেষ হবার পরের কথা। এক বাংলাদেশী অনেক কাকুতি-মিনতি করতেছে এক পাকিস্তানীর কাছে। পাকিস্তানী "ভাইটি" যেন দয়া করে তার জার্সি খুলে দেয়। কেননা, গরীব এই দেশে পাকিস্তানের জার্সি সবজায়গায় পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও সেটার "হয়তো" অনেক দাম।

পাকিস্তানী "ভাইটি" প্রথমে দিতে চায় নাই। প্রথমে আমতা আমতা করলেও, বাংলাদেশীটি যখন নিজের সাধারন জামা খুলে ফেলে, সেও না খুলে পারে না। হাজার হোক, ভীনদেশে এসেছে খেলা দেখতে। পরে কি থেকে কি হয়ে যায়!!

অতঃপর জার্সি পেয়ে বাংলাদেশী খুবই খুশী। সে বলে, এটার প্রতিদান তো দিতে পারবো না, তবে আমার সারাজীবন মনে থাকবে। সে ছবি তুলে আর বলে ভিডিওটা ফেসবুকে আপলোড করা হবে যাতে বিশ্ববাসী এই ভাত্রৃত্বের স্বাদ নিতে পারে।

কাহিনী শেষ। ওহ হ্যা, আমার মন খারাপ। এইসব জার্সি টানাহেচড়ার জন্য না। আমি বাংলাদেশী, তাই।

ভিডিও লিংক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29351033 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29351033 2011-03-25 21:38:51
গান ব্লগ : অটোগ্রাফ ছবির ৩টি গানের কথা
মোট গান ৬টা। এরমাঝে ৩টা আমার ভালো লাগে। এই ৩টার লিরিক্স দিয়ে ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিলাম।




আমাকে আমার মত থাকতে দাও
গানের কথা : অনুপম রায় | গায়ক : অনুপম রায়


আমাকে আমার মতো থাকতে দাও
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি
যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক
সব পেলে নষ্ট জীবন

তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলোয়
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাঁচের মতো
যদি উড়ে যেতে চাও তবে গা ভাসিয়ে দাও
দূরবীনে চোখ রাখবোনা
না না না না ...

এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাই না আর তার
কোনো রাত দুপুরের আবদার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পার খোঁজার

কখনো আকাশ বেয়ে চুপ করে
যদি নেমে আসে ভালবাসা খুব ভোরে
চোখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খুঁজোনা আমায়
আশে পাশে আমি আর নেই
আমার জন্য আলো জ্বেলোনা কেউ
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ
এই স্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরবো না না
না না ...........

তোমার রক্তে আছে স্বপ্ন যত
তারা ছুটছে রাত্রি দিন নিজের মতো
কখনো সময় পেলে একটু ভেবো
আঙ্গুলের ফাঁকে আমি কই ?
হিসেবের ভিড়ে আমি চাইনা ছুঁতে
যত শুকনো পেয়াজ-কলি ফ্রীজের শীতে
আমি ওবেলার ডালভাত ফুরিয়ে গেছি
গেলাসের জলে ভাসবো না না
না না না .....
ডাউনলোড





বেচে থাকার গান
গানের কথা : অনুপম রায় | গায়ক : রূপম ইসলাম / সপ্তর্ষি মুখার্জী


যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা
জেনো কেড়ে নিতে দেবোনা
যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা
জেনো আমি ছাড়তে দেবোনা

আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ

আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান

আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে
বেঁচে থাক রাতে পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখার গান

যদি নিমেষে হারালে জীবনে পরিপাটি
তবু হেরে যেতে দেবোনা
যদি বেচে দিতে বলে শিকড়ে বাধা মাটি
জেনো আমি বেচতে দেবোনা
ডাউনলোড





চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন
গানের কথা : শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় | গায়ক / গায়িকা : শ্রেয়া ঘোষাল / প্রিয়ম মুখার্জী


চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে couplet
আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে -এ মাপলে
হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল (nostalgia), মিঠে কুয়াশায় ভেজা আস্তিন
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতি

প্রিয় বন্ধুর পাড়া নিঝ্ঝুম চেনা চাঁদ চলে যায় রিকশায়
মুখে যা খুশি বলুক রাত্তির শুধূ চোখ থেকে চোখে দিক সায়
পায়ে ঘুম যায় একা ফুটপাথ, ওড়ে মোড়া প্লাস্টিক
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতিস

চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন..

পোষা বালিশের নিচে পথ-ঘাট, যারা সস্তায় ঘুম কিনতো
তারা কবে ছেড়ে গেছে বন্দর , আমি পাল্টে নিয়েছি রিংটোন
তবু বারবার তোকে ডাক দিই একি উপহার নাকি শাস্তি
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতিস
ডাউনলোড



পূর্বের গানব্লগ
গানব্লগ : পাখিরে তুই দূরে থাকলে - সুবীর নন্দী

গানব্লগ : যাও পাখি বলো তারে - কৃষ্ণকলি

গান ব্লগ : কাভি কাভি মেরে দিল মে খ্যায়াল আতা হ্যায় - মুকেশ/লতা মুংগেশকর

গান ব্লগ : কেন চলে গেলে দূরে - শ্রাবন্তী আলি এবং অর্নব

গান ব্লগ : তোমার চোখের আঙিনায় - স্টিলার (ব্যান্ড) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29323954 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29323954 2011-02-10 20:58:15
নতুন পিসি কিনবো, কোনটা?

১) রেম কোনটা? টুইনমস না ট্রানসেন্ড?
২) মাদারবোর্ড কোন কোম্পানীর কিনুম? ইন্টেল/গিগাবাইট/এমএসআই?

একটু হেল্পান। রিপ্লাই দিতে দেরী হইতে পারে, আবার যেদিন পিসিতে বমু, সেদিন /<img src=" style="border:0;" />



আমি পিসি কিনছি অনেকদিন হয়ে গেছে। কোর আই ৩ - ৩.০৬ গিগাহার্য, গিগাবাইট h55m-d2h, ট্রানসেন্ড ৪গিবি ডিডিআর৩ ১৩৩৩ বাস। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29318568 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29318568 2011-02-01 21:35:28
পাক, ছাড়, জমিন, ছাদ, ভাত or whatever fu*k you say লেনিনের টুইট: "This Pakistani kid @SaadBassi thinks Bangladesh would have been better under their ruined Pakistan. Pity on these generation pity religion." ঘটনা বুঝতে ছাদবাসীর টুইটারে গিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। বাংলাদেশকে নিয়ে যা ইচ্ছা বলছে!



ঘটনা শুরু ছাদবাসীর টুইটার স্ট্যটাসে
Happy birthday to #Zulfiqar Ali Bhutto ... Great leader

লেনিন: He's also war criminal on 1971's battle against Bangladesh

ছাদবাসী: Its how you see things. He is my leader and I follow him.

লেনিন: Its not how I see things. Men like him made your nation into an astray now. Crime must be tried, nature takes revenge.

ছাদবাসী: Well, I feel the same way about Majeeb Ur Rehman. If he could do some compromises, Balngladash would still be a part of Pakistan

লেনিন: Yes, you meant slave of Fuckistan?

ছাদবাসী: Its the army who screwed and its still the army who rules both Countries. Zulfiqar ali Bhutto had the balls to bring politics in ppl. And abuses does not prove anything. They only show un-maturity. Every one knows how Mr. Majeeb Ur Rehman took help from India in 1971. I hope this is something you are up to accept. Who took of the elected govt in bangladesh in 2007 and put a new care taker govt? Problems you mentioned are nothing new for

লেনিন: Just get real and get a life. Its no more a army ruled country here. Yours is a militia, extremist, terrorist ruling tribes all over.

ছাদবাসী: un-developed countries. Views you think are extremism, many ppl think they r real Islam. Evry 1 has different ways of seeing 1 thing

লেনিন: There's nothing wrong is true freedom seeking. You were getting help from 7th Fleet from USA. Feel ashamed of your country's past

ছাদবাসী: True freedom seeking == Mujib Ur Rehman was not getting his part in government? I am not ashamed of Pakistan's past neither present

লেনিন: Without the help of another country there would have been freedom might be little later. Pakistan will be tried today or tomorrow

ছাদবাসী: If there is corruption, militancy, extremism. These are common problems of 3rd world countries including india and bangladesh

লেনিন: 1947 was British crooked plan of divide and chaos. For extremist nihilistics. Who are british to give India/Pakistan freedom?

ছাদবাসী: Getting freedom with the help of a country from which you earlier got freedom in 1947? and if US will be helping PAK,

লেনিন: You prove to have understanding problems. So please stop sending spams.




অবাক হইছি এ কারনে যে আসলেই কি এখনকার পাকিস্তানীরা ভাবে তাদের "অংশ" হয়ে থাকলে আমরা বাংলাদেশীরা অনেক ভালো থাকতাম? বিশেষ করে এসব আধুনিক চিন্তাভাবনার ছেলেরা? (ছাদবাসী: WebDesigner | Software Engineer | Web Developer and Professional Designer)

আমরা খারাপ আছি কিসে সেটাই তো ভেবে পাই না। আমাদের দেশে কি প্রতি মাসে সুইসাইড বম্বিং হয়? বন্যা হলে কি আমারা সামাল দিতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে যাই? আমাদের সাকিব-আশরাফুলরা টাকা খেয়ে মাঠে নামে?

এমন ভাবে কথা বলে যেনো আমরা ৮ মাস ভারতের পা চেটে সাহায্য চাইছি আর ৯ম মাসে ভারত এসে দয়া করে আমাদের উদ্ধার করে দিয়ে গেছে!! ভারত যুদ্ধে অংশ না নিলে কি আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না? নাহয় আরো ৯ মাস লাগতো, তাও কি আমরা হারতাম? বাংলাদেশীরা কি হারতে জানে?

"I am not ashamed of Pakistan's past neither present" - এই ছেলে কি জানে তার দেশ "মুসলিম ভাত্রৃত্ববোধ" বজায় রাখতে গিয়া ৭১ এ গণধর্ষন আর লুট করছে? ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জমি ছাড়া আর কি চাইছিলো ওরা? পাকিস্তান এমন একটা দেশ যেখানে ইসলামী শরিয়া আইনে আমি যে কাউরে ধর্ষন করতে পারবো এবং মেয়ে যদি পুলিশের কাছে যায়, মেয়ে শাস্তি পাবে! আহা!!

তালেবান, মৌলভী, ফতোয়া, কাশ্মীর কনফ্লিক্ট, গোয়েন্দাবিভাগ-সরকার-সেনাবাহিনী ভজগট ... নে, এখন তোদের স্বাধীনতা খা। দ্যাখ, কয়দিন টিকে থাকতে পারোস তোদের "মুজরা ড্যান্সের দ্যাশ" নিয়া।





ছাদবাসীর টুইটার | লেনিনের টুইটার ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29302977 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29302977 2011-01-06 20:53:19
সুইট রিভেন্জ

১.
১৯৭১ সালে এ দেশের হাজারো তরুণের মতো মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন আনোয়ারা থানার চাতরি গ্রামের দুই যুবক আবদুল কাদের চৌধুরী ও নুরুল আমিন। মার্চ ও এপ্রিল মাসে গুজরা খাসমহাল অপারেশনসহ বেশ কয়েকটি অপারেশনে অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। প্রত্যন্ত গ্রামে আধুনিক মানের অস্ত্র দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছিল বলে মে মাসের মাঝামাঝি কয়েকজন সহযোদ্ধা বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করে চট্টগ্রাম শহরের জেল রোডে আসেন। রূপসা বোর্ডিংয়ে এসে উঠেছিলেন তাঁরা। কিন্তু অস্ত্র সংগ্রহের আগেই তাঁদের গতিবিধি নজরে পড়ে যায় রাজাকারদের। রূপসা বোর্ডিং থেকে এ দুই তরুণকে রাজাকারেরা ধরে নিয়ে যায় নগরের রহমতগঞ্জে বহুল পরিচিত নির্যাতনকেন্দ্র এবং মুসলিম লীগের নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরীর বাসভবন গুডস হিলে।
এ কথা সবারই জানা, ফজলুল কাদের (ফকা) চৌধুরীর (সাকা চৌধুরীর বাবা) গুডস হিলের বাড়িটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের সমর্থকদের জন্য হাবিয়া দোজখ। পাহাড়চূড়ার সেই বাড়িটি কত তরুণের মৃত্যু ও লাঞ্ছনা, কত মায়ের সারা জীবনের আহাজারির সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সে প্রসঙ্গটি আজকের এ লেখার বিষয় নয়। শুধু জানাই, তরুণ আবদুল কাদের ও নুরুল আমিনের ওপর ১৫ দিন ধরে যে অকথ্য নির্যাতন চলেছিল, তাতে তাঁরা মরেননি বটে, কিন্তু পুরো শরীরে ছিল কাটা দাগ ও বিভিন্ন স্থানে মাংসে ধরেছিল পচন। আজও তাঁরা শরীরে বয়ে চলেছেন সেই দুঃসহ স্মৃতি, বাকি জীবনও বইতে হবে।

মৃত্যু তাঁদের অবধারিত ছিল। কিন্তু আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মানুষের অনুরোধে আনোয়ারা থানার শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ফজল করিম তাঁদের জীবন ভিক্ষা নেন ফকা চৌধুরীর কাছ থেকে। এত নির্যাতনও মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারেনি স্বাধীনতার স্বপ্ন। মুক্তি পেয়ে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে দুর্বল শরীরেও এ দুই মুক্তিযোদ্ধা অস্ত্র প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের দেবাংগ্রিতে পালিয়ে যান। দেশ স্বাধীন হওয়ার কয়েক দিন আগে তাঁরা ফিরে আসেন আনোয়ারায়, যোগ দেন পুরোনো সহযোদ্ধাদের সঙ্গে।

এদিকে বিজয়ের প্রাক্কালে ডিসেম্বরের ১৪ তারিখ সপরিবারে বার্মা পালিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমির অদূরে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় ধরা পড়েন ফকা চৌধুরী। মুক্তিযোদ্ধারা তাঁকে ধরে এনে রাখেন মুসলিম লীগের আরেক নেতা এয়াকুব আলী চৌধুরীর বাড়িতে। সেই বাড়ির পাহারারত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে একজন ছিলেন আবদুল কাদের। কাদেরকে দেখে চিনতে পারেন ফকা চৌধুরী। তাঁকে যে প্রাণে না মেরে ছেড়ে দিয়েছিলেন, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বারবার নিজের প্রাণ রক্ষার অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধা প্রকৃত বিজয়ীর মতো তাঁর জীবন রক্ষা করেছিলেন।

প্রিয় পাঠক, এ পর্যন্ত গল্পটির মধ্যে স্বাভাবিকতা আছে। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের ও নুরুল আমিন নানা সময়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এসব কথা বলেছেন পত্রপত্রিকায়। নুরুল আমিন এখন বিদেশে, আর আবদুল কাদেরের মুখ বন্ধ। এখন এসব বিষয়ে কারও সঙ্গে কথা বলেন না তিনি। কেন বলেন না?

সেই ঘটনাটা বলি। আশির দশকে এরশাদ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আনোয়ারায় তাঁর বাবার শেষ সময়ের ঘটনাবলি ও স্মৃতি সংগ্রহের চেষ্টা করেন। শোনা যায়, এ সময় তিনি তাঁর বাবার একটি দিনপঞ্জি (ডায়েরি) খুঁজে পান, যেখানে চরম বিপদের সময় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদেরের অনুকম্পা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। মন্ত্রী সালাউদ্দিন কাদের লোক মারফত বারবার খবর দিয়ে আবদুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কাদের কিছুতেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিটি অবশেষে এই মুক্তিযোদ্ধাকে কবজা করতে সক্ষম হন।

কাদেরকে গুডস হিলে আসতে হয় আরও একবার। কিন্তু প্রথমবার এসেছিলেন বীর বন্দী হিসেবে, দ্বিতীয়বার জীবনযুদ্ধে পরাজিত একজন হিসেবে। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদেরকে দিয়েই চাতরি গ্রামে জমি কেনেন, সেখানে প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর বাবার নামে ফজলুল কাদের চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দেখাশোনার দায়িত্ব দেন আবদুল কাদেরের ওপর। একজন স্বাধীনতাবিরোধীর নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলের দেখভাল করছেন তাঁরই হাতে নির্যাতিত একজন মুক্তিযোদ্ধা!




২.
১৯৭১ সালের ৯ নভেম্বর ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ এক রাত। বেতারে প্রচারিত হচ্ছিল ৯ নম্বর মহা বিপৎসংকেত। সেই রাতে সার্জেন্ট মহিউল আলমের নেতৃত্বে একদল মুক্তিযোদ্ধা আক্রমণ করেছিলেন সমুদ্র-উপকূলীয় পশ্চিম আনোয়ারার রাজাকার ক্যাম্পগুলোতে। মুক্তিযোদ্ধাদের লক্ষ্য (টার্গেট) ছিল আবদুল গণি ও আবদুল জলিল নামে চিহ্নিত দুই রাজাকার, যারা তখন ওই এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগী হিসেবে হত্যা, লুণ্ঠন, নারীনির্যাতনসহ হেন কোনো দুষ্কর্ম নেই যা করেনি। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে বেশ কয়েকজন রাজাকার মারা গেলেও আবদুল গণি ও জলিল মাছ ধরার নৌযানে চেপে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এই মুক্তিসেনা দলের একজন ছিলেন ২০-২১ বছরের তরুণ রুস্তম আলী। সে রাতের অপারেশন শেষে বারশত কালীবাড়ি এলাকার সুরমা পুকুরপাড়ে পালিয়ে যেতে থাকা রাজাকারদের গুলিতে মারা যান রুস্তম। সহযোদ্ধারা সেই ঝড়-বৃষ্টির রাতে রুস্তমকে সুরমা পুকুরপাড়ে দাফন করে ফিরে যান ক্যাম্পে। পরদিন খবর পেয়ে রাজাকার কমান্ডার জলিল ও গণির নেতৃত্বে স্থানীয় রাজাকাররা ছুটে আসে সুরমা পুকুরপাড়ে। তারা কবর খুঁড়ে বের করে রুস্তমের লাশ। সেই লাশ দড়ি দিয়ে বেঁধে টানতে টানতে নিয়ে যায় প্রায় তিন মাইল দূরে মেরিন একাডেমির পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে। প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনো শিউরে ওঠেন সেই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে। বারশত কালীবাড়ি হয়ে মেরিন একাডেমির দীর্ঘ সড়কটিতে রুস্তমের মৃতদেহটি রক্ত-কাদায় একাকার হয়ে গিয়েছিল, খসে পড়েছিল মাংস। শোনা যায়, খোদ পাকিস্তানি মেজর এই বীভৎস দৃশ্য দেখে ভর্ৎসনা করেছিলেন রাজাকারদের, লাশটি পুনরায় একই স্থানে কবর দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন।

শহীদ রুস্তমের লাশের লাঞ্ছনা ও অবমাননা হয়েছিল যে রাস্তায়, স্বাধীনতার পর সেই রাস্তাটি তাঁর নামে নামকরণের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। সে দাবি বাস্তবায়িত হয়নি, সেই দুঃখ সতীর্থদের মনে দীর্ঘশ্বাস হয়ে আছে। এ পর্যন্ত ঘটনাটির স্বাভাবিকতা আছে।
এখন অবিশ্বাস্য ও অস্বাভাবিক বাস্তবতার কথা বলি। সেই সড়কটি উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর এলজিইডি এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের দপ্তর, চট্টগ্রামের বরাতে একটি দৈনিক পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। সড়কের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আবদুল গণি চৌধুরী বারশত গোবাদিয়া লিংক রোড’। তার চেয়ে নির্মম হলো, গত ষোলোই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনে ওই সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সাংসদ আখতারুজ্জামান চৌধুরী।

প্রিয় পাঠক, আবদুল গণিকে চিনতে পেরেছেন?

এভাবেই ক্ষমতার পালাবদল, বিত্তবৈভবের দাপট আর ভোটের রাজনীতির কাছে পরাভব মানছে ইতিহাস। আমরা শুধুই তার নীরব দর্শক!

(তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন লেখক-সাংবাদিক জামাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রশিদ আহমদ।)




মূল লেখা : যেভাবে পরাজিত হয় ইতিহাস (প্রথম আলো)
বিশ্বজিৎ চৌধুরী | তারিখ: ৩১-১২-২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29300273 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29300273 2011-01-01 18:38:55
অপারেশন জ্যাকপট কি? এই পুরানো পোস্ট থেকে। (পোস্ট শেষ)]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29294308 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29294308 2010-12-22 20:23:10 কাঙাল মামার ৩ বছর ও ১০০তম পোস্ট


পরিসংখ্যান কথা বলে:::..

প্রথম এক বছর

পোস্ট করেছেন: ৩০টি
মন্তব্য করেছেন: ১১৩৩টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৯৩০টি
ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ২০২৫৭ বার দেখা হয়েছে


দ্বিতীয় এক বছর

পোস্ট করেছেন: ৭০টি
মন্তব্য করেছেন: ৩৯৩৩টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৩১৩১টি
ব্লগ লিখেছেন: ২ বছর ১ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ৬০৫১২ বার দেখা হয়েছে


তৃতীয় এক বছর

পোস্ট করেছেন: ১০০টি
মন্তব্য করেছেন: ৬০২৬টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৪৮২০টি
ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ১ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ১৪৫১৫২ বার দেখা হয়েছে



৩য় বছরে হিট হটাৎ করে এত বেড়ে যাওয়ার কারন হচ্ছে আমি এমন সব পোস্ট তখন দিয়েছিলাম যেগুলা ২০~২৫০ ব্লগার শোকেসে নিয়েছিলো। পরে দেখি মানুষ ফেসবুকে আমার পোস্টের লিংক শেয়ার করে এবং আরেকটু চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে দেখতে পেলাম মানুষ তাদের সাইটে আমার পোস্ট আমার নাম ছাড়া কপি পেস্ট করে!! <img src=" style="border:0;" />

বাস্তব জীবনের মত ব্লগেও আমি অনেক লেট। একটা পোস্ট হবার অনেক পর সেটা আমি দেখি আর কমেন্ট করি। তবে সবচেয়ে ভালো লাগে যখন আমি কমেন্ট করার পর নিচে অনেকেই আমার কমেন্ট কপি পেস্ট করে!!

আজকাল পোস্ট দেয়ার কিছু পাই না। অবশ্য আগেও কিছু পাইতাম না, এই জন্যই ৩বছরে ১০০ পোস্ট! মাঝে মাঝে আনকমন জোসিলা গান পোস্ট করতে মন চায়, পোস্ট করার আগে সার্চ করে দেখি বিষাক্ত মানুষ বছর আগেই সেটা পোস্টায় ফেলছে।<img src=" style="border:0;" />

বিশ্বে কোটি ব্লগার থাকলেও আমি ব্লগার হিসাবে বেশ গর্বিত। আমি রাস্তায় একটা অনিয়ম দেখলে হয়তো প্রতিবাদ করতে পারি না, আমি গ্রামীনফোন বা সরকারের দুর্নীতি নিয়ে গলাবাজী করতে পারি না, কিন্তু এই ব্লগে সেটা নিয়ে লিখতে পারি, আরো ১০জন কে সতর্ক করে ১০ জনের মাঝে প্রতিবাদের ভাষা ফোটাতে পারি। এখানই স্বার্থক আমি, আমার লেখা।

প্রথম পোস্টে করা প্রথম কমেন্ট ত্রিভূজের। আমার একজন প্রিয় ব্লগার যদিও ব্লগের খুব কম মানুষই উনাকে পছন্দ করে!! বাকি ৩ জন হলেন লোকালটক, কালপুরুষ আর চিকনমিয়া। আমার অধিকাংশ প্রিয় ব্লগারই অবশ্য এখন আর লিখে না যাদের লেখা দেখে একসময় সামুতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম।

২য় বছরে শোকেসের সব পোস্ট একসাথে করে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম যেটা কিনা আবার ৮০ জন শোকেসে নিছে! ১ বছরের মাথায় শোকেস আবার ভরে গেছে। এগুলাকে আবার সাইজ করতে হবে, যদিও সময় পাচ্ছি না।

আমার আরেকটা অদ্ভূত সমস্যা আছে। আমি হোমপেজে পোস্টের টাইটেল আর কয়েকলাইন দেখে পোস্ট বিচার করি। এমনকি ব্লগারের নামটাও দেখি না। যদি টাইটেল আমাকে টানতে না পারে তাহলে পোস্টে ঢুকি না। ফলে দেখা যায় অনেক পরিচিত ব্লগারের পোস্ট মিস হয়ে যায়। কমেন্টের ব্যাপারেও আমি কৃপন। পোস্টটা পড়েই ট্যাব অফ করে দেই। এখন কেউ যদি ভাবে আমি তাদের ব্লগে যাই না বা তাদের খোজ খবর রাখি না, সেটা ভূল।

আমার আসল নাম শুভ। এটা অবশ্য আমার ব্লগের লিংক(shuvo666) দেখলেও বুঝা যায়। ব্লগার সাইফুর ডাকেন শুভি বলে আর অনেকেই সংক্ষেপে ডাকেন কা.মা. বলে। রাতমজুর একবার এই নিকের রহস্য জিজ্ঞাসা করছিলেন। রহস্য কিছু নাই। একটা সময় কারো ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কাঙাল হয়ে থাকতাম, এখন অবশ্য সেই সময় নাই। আর সবাই যাতে মামা ডাকতে পারে তাই লেন্জায় একটা মামা লাগাইছিলাম, গন মামা হওয়ার খায়েশ। এভাবেই তৈরী হইছিলো নিক "কাঙাল মামা"। আর ব্লগার কাঙাল মামা তৈরী হইছে আপনাদের ভালোবাসায়। :`> ভালোবাসার এই ব্যাপারটা অবশ্য আমার গত পোস্টে বলে ফেলছি।

ব্লগে আমার আরো কয়েকটা নিক ছিলো। এদের মূল কাজ মডারেশন আর মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদ করা যেগুলা "সুশীল কাঙাল", যে কিনা প্রায়ই স্ব-নিকে ব্লগ আড্ডায় যায়, তার পক্ষে বলা সম্ভব ছিলো না। এখন অবশ্য সব লগইন ব্যান খাইয়া বসে আছে। সামনে নতুন কোনো নিক নিয়ে মাঠে নামার সময় নেই। ব্লগে আরেকটা নিক আছে "কাঙাল", ঐটা আমি না।

যাই হোক, সবাইরে ধন্যবাদ। যারা এতদিন সাথে ছিলেন, সাপোর্ট দিছেন, নামে বেনামে ব্লগ ভিজিট করছেন - সব্বাইকে। এরকম আরো কয়েকটি বছর যেনো আপনাদের সাথে কাটতে পারি <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29245227 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29245227 2010-09-25 22:35:27
যাদের কাছে সারা জীবন কৃতজ্ঞ হয়ে গেলাম
অনেকদিন হয়ে গেছে, ১ বছরেরও বেশি। একসময় সব কিছুই ঠিক হয়ে যায় - কথাটা অবান্তর শুনালেও কথাটা আসলেই ঠিক। এখন এসব ব্যাপার একটা ভোতা অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না।


বলতে গেলে প্রথমেই বিবর্তনবাদীর কথা বলতে হয়। এই মানুষটা সবচেয়ে ট্যালেন্ট। সামান্য ২ লাইন বলবে, এই দুই লাইনই আমাকে সারাক্ষন ভাবাবে এবং লাইনে আসার জন্য এই দুই লাইনই যথেষ্ঠ।

রাতমজুর নানা প্রায়ই ঐ সময়টায় ইয়াহুতে বসে বসে আমাকে বুঝাইতেন কি করতে হবে, কি করতে হবে না। সাইফুর মামার সামান্য "মন খারাপ করে না ভাই" কথা শুনলে মন খারাপ করা হারামের পর্যায়ে চলে যেত!!

আরেক পাব্লিক ছিলো নাফিস ইফতেখার। ফোন দিয়া দুনিয়ার যাবতীয় টেকি ব্যাপারে আলাপ করতো, ইয়াহুতে সারাদিন-রাত কথা হইতো। প্রথম দিকে বিরক্ত লাগলেও আস্তে আস্তে নেশায় ধরে যায়। আমরা একসাথে বসে নতুন পোস্টের আইডিয়া বের করতাম, টেকি প্রবলেমের সলিউশন বের করতাম। কয়েক মাস পর টের পাই, নাফিস হয় ইচ্ছা করে, নাহয় নিজের অজান্তেই আমার মনটাকে অন্য দিকে ডাইভার্ট করে রাখতো সবসময়, এভাবেই।

ফারা তন্বী আপু আমাকে প্রথমে ব্লগে, এরপর ইয়াহুতে সব কিছু বুঝায় বলছিলেন। সাপোর্ট দিছিলেন। উনার নিজের রিলেশনশিপের অবস্থা ছিলো করুন, তাও কোনোদিন আমার প্রতি সামান্য বিরক্ত হন নাই।


মন খারাপ থাকলে যে বাবা-মার কথা ভাবতে হয় এই মেথডটা আমি জানতাম না। সুলতানা শিরীন সাজি সেটা জানায় দিয়ে গেছেন। এটা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে, সবক্ষেত্রে। একরামুল হক শামীম ভাইয়ের উপলব্ধিগুলা মনে রাখার মত। ভেবে ভেবে বলি অবশ্য মুখের উপর সত্যি কথা বলে ফেলছিলেন। উনার কমেন্টের জবাব দেয়ার সাহস এখনও হয় নাই আমার। স্বপ্নকর বলছিলো, "প্রেম করলে এমন ভাবে করবা যেনো কখনও ব্রেকআপ করা না লাগে। সেটা না পারলে দরকার নাই এসবের"। কথাটা কানে বাজে সবসময়েই। নাহিন কিভাবে এই বাজে সময় কাটানো যায় তার হাজারটা উপায় বাতলে দিলেন!

আকাশ_পাগলার কথা আর কি বলবো! সমবয়সী এই ছেলেটা আমার সবকথা শুনে ব্লগেই আগাগোড়া বিশ্লেষন করে মেয়ের হাজারটা দোষের কথা বের করে ফেলছিলো!! প্রথমে তার কথা ভালো না লাগলেও, ঠান্ডা মাথায় যখন ভাবি, তখন মনে হইছে সে ভূল কিছু বলে নাই। আপনাকে অনেক সালাম বস।

উপরে যাদের কথা বল্লাম, তাদের সবার সাথেই ব্লগে কমবেশি খাতির ছিলো। ছন্নছাড়ার পেন্সিল এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম। উনার ব্লগে জীবনেও যাই নাই অথচ উনি আইসা বল্লো, রাতমজুর/একরামুল হক শামীম ভাইয়ের কাছে নাকি আমার ব্যাপারে অনেক শুনছে। এরপর সে আমাকে বিভিন্ন এংগেল দিয়া দেখাইতে লাগলো এখানে কোথায় কার দোষ ছিলো আর আমাকেই বা এখন কি করা লাগবে!!

এর বাইরে আছেন আমি এক যাযাবর, আমি পৃথিবী রচে যায়, বিষণ্ণ দুপুরে নির্জন নিষাদ, রিসাত, শান্তির দেবদূত, ধ্রুবমেঘ, আকাশচুরি, এন এইচ আর , অজানা এক পথিক, নীল-দর্পণ - যাদের কথা কখনও ভুলার নয়।

ব্লগের বাইরেও কয়েকজন আছে। বৈশাখী আপু, রুশো ভাই, এ্যানি আপু, লাবন্য সুলতানা, হামজা ও অনন্যা। এদেরকে কখনও ধন্যবাদ দেয়া হয় নাই। যেইভাবে ভূমিকম্প হইতেছে, দেরী করা ঠিক হবে না।


পোস্টটা আমার ব্লগজীবনের সবচেয়ে প্রিয় পোস্ট। যখন মন খারাপ থাকে, যখন ভেঙে পড়ি, যখন একা লাগে; পুরো পোস্টটা একবার পড়ি। আপনাদের কথা গুলা আমাকে সামনে চলার প্রেরনা দেয়। কাপুরুষ কাঙালকে সাহসী করে তুলে।

সত্যি বলতে, মাঝে মাঝে পোস্টটা পড়লে নিজের অজান্তেই চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। হয়তো আমার মনের মানুষ নাই, হয়তো জীবনের প্রথম সম্পর্কে কেউ আমার সাথে বিট্রে করছে। কিন্তু সামহোয়ারে আমার অনেক কাছের কয়েকজন মানুষ আছেন যাদের কথা শেষ নিঃশ্বাসেও মনে থাকবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29242069 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29242069 2010-09-19 22:15:54
ডাউনলোড করুন শিরোনামহীনের "রবীন্দ্রনাথ" এবং মেটাল মিক্সড এলবাম ROCK 404 ও 505 এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

(পোস্ট শেষ)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29236702 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29236702 2010-09-07 21:43:44
মানবজীবনে নীলছবির ভূমিকা কাঙালের জীবনে প্রথম নারী স্পর্শ) দিছিলাম, সেই ধারাবাহিকতায় আরেকটা হালকা ১৮+ দিয়া দিলাম। এইটা মূলত একটা ঘটনা সংকলন পোস্ট।


প্রথম কাহিনীটা আমাদেরই একজন ব্লগারের। ঘরে ফ্যামিলি থাকায় সে কম্পুটার ছাইড়া হেডফুন লাগিয়ে পর্ন দেখার বাসনা পোষন করতেছিলো। তো সে করলো কি; দরজাটা একটু চাপিয়ে, হেডফুনটা কানে লাগিয়ে, সাউন্ডটা একটু বাড়িয়ে কিছু সময় নীল জগত থেকে বেড়িয়ে আসলো। আসার পর যখন হেডফুন খুলে রাখতে যাবে, তখন তার খিয়াল হলো যে সে স্পিকার আউট পোর্টে হেডফুন লাগায় নাই। এতক্ষন সকল শব্দ লাউড স্পিকার দিয়ে বাইর হইছে <img src=" style="border:0;" />


দ্বিতীয় কাহিনী আমার স্কুল ফ্রেন্ডের। ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় তার বাসায় ক্লাস টু/থ্রি এর কয়েকটা কাজিন আসলো বেড়াইতে। সে তাদেরকে কম্পিউটারে গেম খেলতে দিয়া স্কুলে গেলো। বাচ্চালোক কি টিপতে কি টিপে ফেল্লো, বের করে ফেল্লো পর্নের ফোল্ডার। ডাবল ক্লিকের খেলায় যখন পর্নো ভিডিও চলা শুরু হইছে, তখন পুলাপানগুলো তাড়স্বরে চেচাতে লাগলো। এমন সময় অন্য রূম থেকে দৌড়িয়ে এলেন তাদেরই এক মামা। এই মামা গ্রামে থাকে এবং সামান্য মূর্খ টাইপের। তো মামা এসে টিভি(!!) তে এই সিনারি দেখে কি করবে বুঝতে না পেরে কোমর থেকে গামছা খুলে মনিটরটা আচ্ছামত ঢেকে দিলো। আর বাচ্চালোকদের ঝাড়ি দিয়ে রূম থেকে বিদায় করে দিলো। বন্ধুর মা এইসব দেখে ডাক দিলেন তার এক টেকি ভাইকে। টেকি ভাই এসে সব পর্নো ডিলিট করে দিলো আর শাস্তি হিসাবে বন্ধুর রূম থেকে কম্পু সরানো হলো।


তৃতীয় কাহিনীটা আমাদের কয়েক স্কুল ফ্রেন্ডদের। কলেজে থাকতে আমরা সবাই অনেক বাইছা বুইছা স্টেডিয়াম থেকে নীল সিডি কিনা আনছিলাম দেখার জন্য। এরপর ছাড়ার পর দেখি, ৩টার মধ্যে ২টাই আমাদের আগের দেখা। আমার এক বন্ধু হতাশ হইয়া কইলো, "এত্তগুলা অংক কইরা হলে যাই, তাও অংক কমন পড়ে না....আর শ্লার এক্স কমন পইড়া গেলো!"


শেষ কাহিনীটা আমার। স্কুলে থাকতে যখন হালকা পাতলা জিনিস বুঝা শুরু করছিলাম তখন আমার লেংটাকালের বন্ধু Concept ক্লিয়ার করতে আমাকে Cosmopolitan এর একটি সংখ্যা পড়তে দিছিলো। এইটা একটা মেয়েদের ম্যাগাজিন যেইখানে বিউটি টিপস, মেয়েলী সমস্যা-সমাধান আর পূর্ন পৃষ্ঠাব্যাপী মেয়েদের হাফ-ন্যাকেড রঙিন ছবি থাকে। তো সেই বয়সে এই জিনিস হাতে পেয়ে আমি আকাশে উড়তেছিলাম। খুবই সযত্নে সেটা আমার বিছানার নিচে রেখে মাঝে মাঝে দেখতাম আর কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতাম <img src=" style="border:0;" />।

তো হঠাৎ একদিন দেখি ঐটা বিছানার নিচে নাই। আমি ভাবলাম হয়তো অন্য কোথাও রাখছি। একটু পর আম্মা ডাক দিয়া বল্লো, "এইটা কি?" আম্মার হাতে কসমোপলিটন!!

জীবনেও এই সিচুয়েশনে পড়ি নাই। কান দিয়া গরম ধূমা বইর হইতেচিলো আর কি বলবো বুঝতেছিলাম না। কইলাম, "ইংরেজিটা প্র্যাকটিস করার জন্য ঐটা আনছি <img src=" style="border:0;" />"

এরপর আম্মা ঐটা গোল পাকাইয়া সিধা পিঠের উপর বাড়ি দিয়া কয়, "আমারে ইংলিশ শিখাও?" এরপর ঐটা চোখের সামনে টুকরাটুকরা কইরা ডাস্টবিনে ফালায় দিলো। ভাবছিলাম পরিস্থিতি ঠান্ডা হইলে ডাস্টবিন থেকে ঐটা তুইলা আইনা জোড়া দিমু। কিন্তু গভীর রাতে কমান্ডো অপারেশন চালাইয়া দেখি ডাস্টবিন ক্লিয়ার!!

"দিমু, দিমু" বলার অনেকদিন হয়ে যাবার পরেও যখন ম্যাগাজিন ফেরত দিতেছিলাম না, বন্ধু আমারে চাপা দিয়া ধরলো। আসল কাহিনী শুইনা তো বন্ধুর হার্টফেল করার দশা! আমি কইলাম, "সামান্য একটা ম্যাগাজিনই তো, নিলক্ষেত থিকা কিনা দিমু নে"। তখন বন্ধু কইলো,"ঠিক এই সংখ্যাটাই কিন্না দেওন লাগবো।" আমি কই, "কেন? এখন এইডা যদি না পাই? এইডার চেয়ে ভালা কিন্না দিলে হইবো না?" তখন সে যা কইলো এরপর আমি আর কিছু কওয়ার পাই নাই। "এইটা আমার নানার কালেকশনের ম্যাগাজিন। উনার ট্রাংক থেইকা চুরি কইরা আনছি। উনি টের পাইলে আমি শেষ!"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29232045 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29232045 2010-08-29 23:13:19
সিলেট থেকে এসে....(১) এই পোস্টে শ।মসীর, আমড়া কাঠের ঢেকি, নীল ভোমরা, সায়েম মুন আর ডলুপূত্রের মূল্যবান কমেন্টের জন্য। "ব্লগারদের ট্যুর" বলছি এই কারনে আমাদের ৭ জনের মধ্যে ৪ জনই সামহোয়ারইনে ২ বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত লিখে!!


ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ রাত ১০টার ট্রেনে চড়ে আমরা ৭ জন সিলেট পৌছাই সকাল ৭টায়। মাঝে ঢাকায় ১ ঘন্টার ট্রেন ডিলে ছিলো। আর শীতকালে রাতে ট্রেন জার্নি বড়ই খারাপ। ঠান্ডায় ঘুমাতে পারবেন না, আর রেলের লোকেরা সারারাত বগির সবগুলা বাতি জ্বালিয়ে রাখে।

মাঝরাতে যখন দূরের কামরায় চা খেতে গেলাম, দেখলাম এর মাঝেই মেঝেতে অনেক মানুষ কুকড়িয়ে শুয়ে আছে। গায়ে সাধারন জামা ছাড়া কিছু নেই। কিছু বৃদ্ধকে দেখলাম আটসাট হয়ে বসে শুন্য দৃষ্টিতে আমাকে দেখতেছিলো। শীত লাগাটা তখন অনেকটাই কমে গেছিলো।

সিলেট স্টেশন নেমেই হাটতে হাটতে মাজারের দিকে চলছিলাম। অনেকদূর, ২০ টাকা রিকশা ভাড়া। কিন্তু পথের মাঝে যে কিন ব্রিজ পড়বে, সেটা দেখার জন্য হেটে যাওয়াটাই মনে ধরলো।ভোরের গাঢ় কুয়াশায় ব্রিজের উপর দিয়ে হেটে আসলাম। কুয়াশার জন্য ব্রিজ থেকে আসেপাশে কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না। এ এক "লর্ড অফ দ্যা রিংস" টাইপো অনূভতি।




এটা নেট থেকে নেয়া।ব্রিজের নিচে দুই পাশে অনেকটা পিচের রাস্তাও আছে।


এরপর হেটে এসে শাহজালাল মাজার এলাকায় নাস্তা করে, শাহজালাল ভার্সিটি এর ঐদিকে হোটেল বুক করলাম।শুক্রবার থাকায় মাজার এলাকায় ফাকা রূম পাই নাই।অবশ্য শহর থেকে দূরে হোটেলের রূম ভাড়া কম। ২ বেড, একদিন, ৯০টাকা! এরপর শুরু হলো আমাদের সফর -

ডে ওয়ান

ডে-ওয়ানে আমাদের টার্গেট ছিলো কিন্স ব্রিজ, শাহজালাল মাজার, শাহজালাল ইউনিভার্সিটি, সিলেট এয়ারপোর্ট, মালনিছড়া চা বাগান। মালনিছড়া চা বাগানে ঢুকতে প্রতি গ্রুপ ২০টাকা লাগে। এক গ্রুপে যত জনই হোক না কেন। এইখানে চা বাগানের পাশাপাশি পাবেন আনারস ও কমলার বাগান। সময় কম থাকলে আপনি এয়ারপোর্ট বাদ দিতে পারেন। এসব ঘুরার জন্য আমরা ৪০০ টাকায় একটা টেম্পু ভাড়া করছিলাম। টেম্পু আমাদের সব ঘুরিয়ে শাহজালাল ভার্সিটিতে নামায় দেয়। ঐখানে পাহাড়ের উপর একটা শহীদ মিনার আছে। ব্লগার শামসীর ভাইয়ের আইডিয়া মত ঐখানে বসে বসে আমরা সন্ধ্যা হওয়া দেখি।


ডে টু

ডে টু তে আমাদের টার্গেট ছিলো হাকালুকি হাওর, সিলেট ক্যান্টনমেন্ট, সারিঘাট(লালাখাল), জয়িন্তা রিসোর্ট, তামাবিল ও জাফলং। গতকালের টেম্পুওয়ালাটাকে ধরে আমরা ৮০০ টাকায় এই সব কিছু দেখানোর জন্য রাজি করে ফেলি। সকালে বেশি করে নাস্তা খেয়ে নেই কারন এসব এলাকায় খাবারের প্রচন্ড দাম। পরিচিত লোক না থাকলে আপনাকে ক্যান্টনমেন্ট ঢুকতে দিবে না।

লালাখাল বিশাল একটা খাল আর এর পানি কেনো জানি নীল। ব্লগে এটার ফটু দেখে ভাবছিলাম ব্লগার ব্যাটা মনে হয় ফটোশপ মারছে, পরে নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস হলো। অসম্ভব নীল/সবুজাভ পানি। মনে হবে কেউ রং ঢেলে দিছে।দেখার মত জিনিস।


এরকম একেবেকে চলা পাহাড়ী রাস্তা দিয়েই জাফলং যেতে হয়। টেম্পু দিয়ে যাওয়ার কারনে উচা ঢালগুলায় আমাদের প্রায়ই নেমে যাওয়া লাগতো আর ড্রাইভার যাত্রীহীন টেম্পু ঢাল বেয়ে উঠাতো। মাইক্রোবাস হলে হয়তো নেমে আশেপাশের সৌন্দর্য দেখা হত না। সত্যি বলতে কি, জাফলং যাওয়ার পুরোটা রাস্তার আশপাশ দেখার মত।




এরপর সোজা তামাবিল গেলাম। সেখানে বাংলাদেশি বর্ডারে দাড়াইয়া ভারত দেখলাম। মাইক্রোবাস/প্রাইভেট কার দিয়া অনেক লোক আইসা ফটু তুলতাছিলো। আমরাও তুল্লাম। কিন্তু আফসুস, ভারতের কোনো লোক তাদের বর্ডারে আইসা আমাদের মত ফটো তুলতেছিলো না। খুব খেয়াল করে দেখলাম ভারতের পাহাড়ের উপর একটা মাটির ঘরে জিন্স পড়া ফর্সা এক মেয়ে গোছলের পর কাপড় শুকাতে দিচ্ছিলো। :`>



জাফলং নেমে সোজা নদীর ওপারে চলে গেলাম। ওপারে আছে খাসিয়া পল্লী ও রাজবাড়ী। শুরুতে ট্রাক্টর-ইন্জিনচালিত রিকশাভ্যান নিয়ে একবারে ভিতরে চলে গেলাম যেখানে আছে এক বিশাল সমতল চা বাগান। এখানে কোনো পাহাড় নাই। সমতল উচা ভূমিতেই চা বাগান করছে।বাংলাদেশ এক ভারতীয়ের কাছে এটা ইজারা দিছে আর মালিক থাকে ভারতে। একটু পাশেই মালিকের বাংলাদেশী দোতালা বাড়ি দেখলাম। খুবই চুপচাপ এই জায়গাটায়, বাগানের আইল বরাবর অনায়াসে কয়েকঘন্টা হেটে পার করে দেয়া যায়। আসা-যাওয়ার সময় উপভোগ করলাম বিভিন্ন উপজাতীদের জীবনধারা।বলতে গেলে তাদের বারান্দা, উঠান, ড্রইংরুমের সামনে দিয়েই আসা হইছে। ১৯৫৭ সালের একটা স্কুলও চোখে পড়লো।





এরপর আসল জাফলং এ গেলাম। যেখানে স্বচ্ছ ঠান্ডা পানি আর দূরে ইন্ডিয়ার বর্ডার দেখা যায়। পানিতে পা দিয়েই ঢান্ডায় হাত পা শিরশির করতেছিলো। শীতকাল বলেই অনেক মানুষের ঢল ছিলো। ছিলো বিডিআরদের তৎপরতা। কিছু ছেলেকে দেখলাম গায়ের জামা খুলে কালারফুল আন্ডারওয়ার পরে মাঝ নদীতে জলকেলী করতেছে। প্রকৃতির মাঝে এটাও দেখতে মন্দ লাগছিলো না।





২০ টাকায় ১০ মিনিট হিসাবে বাইনোকুলার দিয়ে আসেপাশের ইন্ডিয়া দেখলাম। এখানে ট্রলার ভাড়া খুবই বেশি। ৩৫০ এর নিচে কথাই বলবে না। কিন্তু আমরা একটা ছেলেকে পটিয়ে তার নৌকায় ১২০ টাকায় যাওয়া আসা সম্পন্ন করেছি। ৯০ টাকা ভাড়া, ৩০ টাকা বখশিস।

এরপর গেলাম চমৎকার ডিজাইন করা জয়িন্তা রিসোর্টে। কাজ কমপ্লিট হলেও তখনও সেটা চালু করে নাই। তবে রিসোর্টটা সেরকম। এটার শেষ মাথায় রেলিং এর সামনে দাড়ালে বুঝা যায় আমরা পাহাড়ের কত উপরে। অনেক নিচে অনেকটুকু ফাকা জমি এরপর ইন্ডিয়ার পাহাড়। পাহাড় থেকে পাশাপাশি ২টা ঝরনা দিয়ে পানি পড়ছিলো। ওদের দাবী এটা সর্বোচ্চ জলপ্রপাত। আমরা আফসোস করতেছিলাম ভারত সব ভালো জিনিস নিয়ে গেছে। নাহলে আমাদের জলপ্রপাত দেখতে মাধবকুন্ড যাওয়া লাগতো না। শীতকালে অবশ্য ঝরনার পানি কম ছিলো। রেলিং এর উপর বসেই পাহাড় ঘেষা সূর্যাস্ত দেখলাম।


উপরের ছবিতে বামে রিসোর্টের শেষ মাথার রেলিং এবং ডানে রিসোর্টের একাংশ। আরো বামে ভারত এবং আরো ডানে জাফলং হাইওয়ে।


উপরের ছবিতে পিংকিশ কালারের একটা সিড়িযুক্ত রূম দেখা যাচ্ছে।

রাতে কিন্স ব্রিজের নিচে সিলেটের শেষ রাত কাটালাম। রাতের বেলায় এই ব্রিজ অন্যরকম ভাব নেয়। যানজট মুক্ত পরিষ্কার একটা শহর ছেড়ে পরদিন ৩ তারিখ সকাল ৮টায় শ্রীমঙ্গলের উদ্যেশে রওনা দিলাম...




(পরের পর্বে সমাপ্য। পরের পর্বে থাকবে ২ দিনের শ্রীমঙ্গল ট্যুর যেখানে আছে লাউয়াছড়া ফরেস্ট, মাধবপুর, মাধবকুন্ড, নীলকন্ঠের চা, ফিনলে টি-গার্ডেন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29230268 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29230268 2010-08-26 22:00:46
আসেন স্বাদ বদল করি
ছুপা রুস্তম
গুলশান ২ নম্বরে এই ভারতীয় খাবারের রেস্তোরাঁটি বরাবরের মতো এবারও ইফতারের নানা আয়োজন নিয়ে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে ছুপা রুস্তম কাবাবের কথা এখন মানুষের মুখে মুখে। পাঠক, জেনে রাখুন, ছুপা রুস্তম কাবাবের খাসির কিমার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই মুরগির টুকরোগুলোই আসলে ‘রুস্তম’। এক শিক ছুপা রুস্তমের দাম ৫৫০ টাকা।



টোস্টেড টুইস্টার
কেএফসির মেন্যুতে নতুন এসেছে টোস্টেড টুইস্টার। আর এসেই একেবারে হইচই ফেলে দিয়েছে। ময়দার এক ধরনের রুটির মাঝখানে মচমচে করে ভাজা মুরগির বুকের মাংস, সবুজ তরতাজা লেটুসপাতা, লাল লাল টমেটোর টুকরো আর মেয়োনেজ দিয়ে গোল করে পেঁচিয়ে দেওয়া হয়। ভেতরে এত রঙের ছড়াছড়ি দেখলেই মনটা ভালো হয়ে যায়।তাই ইফতারের স্বাদে সামান্য একটু বদল আনতে একটা টোস্টেড টুইস্টার চেখে দেখতে পারেন অনায়াসে। দাম পড়বে ২৭০ টাকা।



চিকেন কাবাব
বেইলি রোডের সুইসে কেক-পেস্ট্রি তো আছেই, এর সঙ্গে রমজানের মেন্যুতে যোগ হয়েছে ‘চিকেন কাবাব’। প্রতি পিসের দাম ৫০ টাকা।



আতশি কাবাব
গুলশান-২-এর ১০৯ নম্বর রোডের হেরিটেজকে সবাই চেনে টমি মিয়ার রেস্তোরাঁ হিসেবে। আতশি কাবাব হচ্ছে মুরগির পাখনার মাংস দিয়ে বানানো টক-মিষ্টি কাবাব। কাজু বাদাম বাটা, পনির, টকদই, ক্রিম—এসব দিয়ে মুরগির মাংস মেখে তন্দুরিতে ভাজা হয়। এক টুকরো কাবাবের দাম ৭৫ টাকা।



শিরমাল
দুধের সঙ্গে ময়দা, ডিম, মাওয়া আর এলাচির গুঁড়া মিশিয়ে, ছাঁচে ফেলে বানাতে হয় শিরমাল রুটি। প্রতিটি রুটির দাম পড়বে ৭০ টাকা।

চিকেন চাপ
ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের চিকেন চাপের কথাই বলা যাক। মুরগির বড় মাংসের টুকরো নানা রকম মসলা আর টকদই মাখিয়ে তেলে ভাজা হয়। প্রতি পিসের দাম পড়বে ৮০ টাকা।

ইলিশ সস
গোটা ইলিশ মাছ, ফিশ সস আর পেঁয়াজের কুচি দিয়ে রান্না করা। খেতে খুবই সুস্বাদু। একটা ইলিশ সসের দাম নেওয়া হয় ২৫০ টাকা।











]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29227882 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29227882 2010-08-22 22:46:59
উনাদের ফেসবুক প্রোফাইল লিংক <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" />
যাই হোক, এগুলা যে ওদের সত্যিকারের আইডি সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। কারন কবে কোথায় কোন চ্যানেলে নাটক-টকশো বা কোন চিপায় এরা কনসার্ট করবে সেটা অনেক আগে থেকেই বলে দিতো। রিসেন্ট ছবি পোস্ট করতো আর একটা প্রোফাইলের লিস্টে আরো অনেকগুলা সেলিব্রেটি প্রোফাইল থাকতো। সবগুলা তো আর ভুয়া হতে পারে না।

এবার আমার লিস্টে যারা ছিলো, এবং যাদের প্রোফাইলের ভ্যালিডিটির ব্যপারে আমি শিউর তাদের লিংক দিয়ে দিলাম।



মাকসুদ হক : গান গায় (ব্যান্ড: ঢাকা)


রাসেল আলী : ওয়ারফেজের প্রাক্তন মেম্বার।


মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী


শারিয়ার খান : কার্টুনইস্ট


ইকবাল আসিফ জুয়েল : মাইলসের গিটারিস্ট


বেজবাবা সুমন


মিলা


আরজে নীরব


বাবনা করিম (ওয়ারফেজ)


নাহিয়ান হাসান (পাওয়ারসার্জ)


মেহমুদ আফ্রিদি/ টনি গোমেজ (ব্ল্যাক)


মানিক রতন : কার্টুনিস্ট


মারজুক রাসেল


কামরুজ্জামান কামু : কবি


রাশেদ উদ্দীন আহমেদ তপু (ব্যান্ড: যাত্রী)


রাশেদ উদ্দীন আহমেদ তপু : (ব্যান্ড: যাত্রী) (উনার এত ফ্যান যে প্রোফাইল ২টা লাগে!!)


সাব্বির হোসেইন তূর্য্ : ভাইব ব্যান্ডের ড্রামার


রেদওয়ান রনি : নাটক পরিচালক (এফ-এন-এফ, হাউজফুল)


সাজু (আর্টসেল)


জিল্লুর রহমান : নাটক করে (হাউজফুল/ফিফটি ৫০)


অনি হাসান (ওয়ারফেজ)


সামিউল ইসলাম (পাওয়ারসার্জ)


শামস মনসুর ঘানি (কিবোর্ডিস্ট, ওয়ারফেজ)


ইফতেখার আহমেদ ফাহমি : নাটক পরিচালক (ফিফটি-৫০, হাউজফুল)


কাজী রহমান : স্টোয়িক ব্লিসের র‌্যাপার


রায়েফ আল হাসান : অর্থহীনের ড্রামার


অনিলা চৌধুরী : (গান গায়। সুমনের সাথে ডুয়েট করছে। ফুয়াদের সাথেও গলা দেয়)


অমিতাভ রেজা : নাট্যকার, বিজ্ঞাপন নির্মাতা


নওরিন হাসান খান জেনী : আমিতাভ রেজার বউ, নাটকে অভিনয় করে।


আনুশেহ আনাদিল : বাংলা ব্যান্ডের ভোকাল


বুনো : বাংলা ব্যান্ডে বাজায়, আনুশেহ আনাদিলের জামাই।


মোহাম্মদ জোহাদ রেজা চৌধুরী : নেমেসিসের ভোকাল


ফুয়াদ আল মুক্তাদির : হালের সো কলড মিউজিক কম্পোজার মোটকা ফুয়াদ


আরমান মুসা : বাংলা গানের লিজেন্ড আব্বাস উদ্দিনের পরিবারের মেয়ে, গান করে।


আরমান মুসা (উনার প্রোফাইল ২টা)


আনিসুল হক : প্রথম আলোর


অনিমেষ আইচ : নাট্যকার, বিজ্ঞাপন নির্মাতা


আলিফ আলাউদ্দিন : গান গায়, উপস্থাপনাও করে।


নোভা ফিরোজ : অভিনয় করে। হাউজফুলে অভিনয় করছিলো


বন্যা মির্জা : অভিনয় করে


এলিটা করিম : গান গায়


ফাহমিদা নবী : গায়িকা


ব্রাত্য রাইসু : খেক! আমাগো ব্লগার রাইসু


হৃদি হক : অভিনয়


ইরেশ যাকের : আলী ও সারাহ যাকেরের ছেলে। অভিনয় করে।


শাহানা বাজপেয়ী : গান গায়, অর্নবের সাবেক বউ।


লামিয়া চৌধুরী : নায়িকা দিতীর মেয়ে, মোটকা ফুয়াদের গার্লফ্রেন্ড


নওশীন নাহরীন মৌ : আরজে নওশীন


হাসান মাসুদ : অভিনেতা, বিবিসি সাংবাদিক।


হাসান মাসুদ : (উনার প্রোফাইল ২টা)


গিয়াসউদ্দিন সেলীম : মনপুরা-র পরিচালক


আজমেরী হক বাধন : লাক্স সুপারস্টার বাধন


দেবাশিষ বিশ্বাস : পথের পাচালি উপস্থাপক, মুভি ডিরেক্টর।


অপূর্ব ফারুক : অভিনয় করে, যে কিনা রিসেন্টলি প্রভার সাথে বিয়া পলাইয়া বিয়া করছে


সুমন পাটোয়ারী : অভিনেতা, মোটা করে (হাউজফুল, এফএনএফ)


ফেরদৌস বাপ্পী : মিউজিক এক্সপ্রেসের পরিচালক, স্কুল কলেজের বিতর্ক অনুষ্ঠান বানায়


জর্জ লিংকন ডি কস্তা : আর্টসেলের ভোকাল


লিংকন : উনার ২য় প্রোফাইল


সিজান : আর্টসেল বেইজ


মিশু সাব্বির : অভিনয়


পার্থ বড়ুয়া : গান গায়, আজকাল অভিনয়ও করে


ইবরাহীম কামাল আহমেদ : অর্থহীন/ওয়রফেজের গিটারিস্ট


জেরিফ আহমেদ (পাওয়ার সার্জের নয়া গিটারিস্ট, বাপের নাম মানাম আহমেদ। মাইলসে বাজায়)


সায়ান চৌধুরী : গায়ক অর্নব

জন কবির : ব্ল্যাক ব্যান্ডের ভোকাল

=============================================
১) কোনো প্রোফাইল বন্ধ পাইলে বুঝতে হবে ব্যাটারা প্রোফাইল ডিএক্টিভেট করে দিছে। এখানে কাঙালের কুনো দোষ নাই।
২)পোস্ট রেগুলার আপডেট হবে। নয়া লিংক পেলেই ঢুকায় দিবো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29226668 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29226668 2010-08-20 22:54:34
চউক্ষে পানি আইসা পড়লো <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" />
আহা! কত মহানুভব দেশের পাশে আমরা বাস করি।আসেন সবাই ভারতের পায়ে পইড়া সিজদা দেই। ভাত্রৃত্বের এই নিদর্শন খোদ অ্যামেরিকার পা-চাটা ইংল্যান্ডের মাঝেও বিরল।

ভারতের সাবেক ও বর্তমান মিলে অন্তত তিনজন প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য বৈষম্য কমানোর মৌখিক ও লিখিত আশ্বাস আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। ড. মনমোহন সিংয়ের প্রথম মেয়াদে ভারত যে বাংলাদেশ থেকে ৮৫ লাখ পিস তৈরি পোশাক আমদানির ওয়াদা করেছিল, তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

ভারত থেকে টাকা দিয়ে আমদানী করা চাল-ডাল গুলা বেশিরভাগ সময়ই পোকায় খাওয়া হয়। পেপারে এসবের ছবি দেখে ঘিন্নায় গায়ের লোম দাড়িয়ে যায়। আর সেই খাদ্যের অযোগ্য চাল-গম আমরা টাকা দিয়ে কিনি আর ভারতের সাথে সম্প্রীতি বাড়াই।

কপালটা কত বড় খারাপ হইলে ভারতের মত একটা ুতমারানী দেশকে প্রতিবেশী হিসাবে পাই যারা কিনা মন চাইলে বর্ডারের হাবিলদার টাইপের লোক নিয়ে বাংলাদেশের জয়ীন্তা সীমান্তে ঢুকে হাওর থেকে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়।

আগে মাছ চুরি করতো, আর এখন শুনি ৫টা বাচ্চাকেও ধরে নিয়ে গেছে টেরোরিজমের জন্য। সবচেয়ে বড়টার বয়স ১৫। ফেরত দেয়ার নাম নাই।

যাই হোক, গরীবের বাচ্চা। আল্লাহ নিছে, আল্লাহই ফেরত দিয়া যাইবো। এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে কথা না বলি।

সাত হাজার কোটি টাকার এই চুক্তিতে ভারতের সবচেয়ে বেশী লাভ সেটা কোনো সন্দেহ নাই। নেপাল, ভূটান আর উত্তর-পূর্ব ভারতে সহজে মাল পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের রাস্তা ব্যাবহার করাটা খুবই লাভজনক হবে। ভারত এটা অনেক আগে থেকেই চাচ্ছিলো। আমরা এই সুযোগে ভারতকে চিপায় ফেলে হয়তো কিছু দাবী-দাওয়া পেশ করতাম। বর্ডারের সমস্যা, তিস্তা নদীর পানিবণ্টনের চুক্তি আর ভারতে শুল্কজনিত সমস্যা দূর করে আমাদের পন্য রপ্তানী। সবগুলা না হোক, ভারত হয়তো কয়েকটা দাবী মানতেও পারতো।

কিন্তু কোথা থেকে কি হয়ে গেলো। আমাদের সরকার কোন বেকুবগুলা চালায় বুঝলাম না। আওয়ামী সমর্থক হয়েও আজকে মেজাজ চুড়ান্ত রকমের খারাপ। দাবী পেশ করা তো দূরের কথা, উল্টা আরো শর্ত মাথায় নিয়ে এই ঋণের বোঝা নিয়ে নিলো।

এক ব্লগার বল্লো, ভারত অনেক আগে থেকে আমাদের ুদার সিস্টেম করে রাখছে। ওদের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কটাই এরকম ুদাুদির। দাদারা ভরবে, আর আমরা "আহা আহা! সম্পর্ক জোড়দার হচ্ছে" বলে োয়া আরো বাড়িয়ে ধরবো। এই চুক্তিটা সেই "সম্পর্ক"কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

কোনো সন্দেহ নাই এই ঋণ বাংলাদেশ শোধ করতে পারবে না। এবং এটাকে একটা পলিটিকাল ইস্যু হিসাবে দুই দলই ব্যাবহার করবে। কিন্তু ২০ বছর পর ভারত কি করবে সেটাই দেখার বিষয়। তখন বর্ডার ক্রস করে রাজধানীতে ঢুকে বিএসএফ যদি মৌজ-মাস্তির জন্য শেখ হাসিনার সুন্দরী নাতনী কে ধরে নিয়ে যায়, কারই কিছু করার থাকবে না।

আমি ভারতের দান এই পোকায় খাওয়া চাল-গম খেয়ে, ভারতের শোকর করতে করতে আরো ২০ বছর বাচতে চাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29217660 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo666blog/29217660 2010-08-08 13:33:45