somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো: টিপাইমুখে বাঁধ হবেই
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং টিপাইমুখে বাঁধ না দেয়ার কোনো প্রতিশ্রতি দেননি। বাংলাদেশের ক্ষতি হয় তেমন কিছু করা হবে না বলে শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন মনমোহন। সাক্ষাৎকারে সন্তোষ দেব আরো বলেন, পানি সম্পদমন্ত্রী থাকাকালে আমিও ক্ষতিকর কিছু করা হবে না বলে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছিলাম। তার মানে এই নয় যে, ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বাদ হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বরাক নদীর ওপর এ বাঁধ হবেই।

শেখ হাসিনার সঙ্গে মনমোহনের কী কথা হয়েছে তা কেউ জানে কি না সে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে তার দেশের মানুষের উদ্বেগের কথা জানান। মনমোহন তাকে কথা দেন, টিপাইমুখে ভারত এমন কিছু করবে না যাতে বাংলাদেশের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়।

এর মানে এই নয় যে, টিপাইমুখ প্রকল্প প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

সূত্রঃ Click This Link

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে গিয়ে অশ্বডিম্ব পেড়ে আসলেন কেন? উনি কেন মুখ ফোটে বলতে পারলেন না, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মান না করতে। ভারতে সেই কথা না শুনলে ভারতের অনেক দিনের চাহিদা বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার, ট্রানজিট ইত্যাদি না দিলেই হত।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29079512 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29079512 2010-01-16 13:53:42
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা - প্রয়োজনীয়তা ও ঊপযোগিতা আছে কি? প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মেধা তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকারী তিন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা উত্তীর্ণ না হলে কোন শিক্ষার্থী ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবে না। সেই অর্থে এটিকে শিক্ষার্থীদের জন্যে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা (আগে ছিল এস, এস, সি)।

আমার প্রশ্ন হল, এত অল্প বয়সে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় অবতীর্ণ করানো জরুরী আছে কিনা?

কিছু কিছু শিক্ষাবিদ্গণ যেখানে পাবলিক পরীক্ষা হিসাবে S.S.C. কে বাদ দিয়ে সরাসরি H.S.C. থেকে শুরু করার পক্ষে সেখানে ৫ম শ্রেণীতেই পাবলিক পরীক্ষা শুরু করা হল ! এর প্রয়োজনীয়তা ও ঊপযোগিতা আছে কি?

সবচেয়ে খারাপ দিক হল - এই পরীক্ষায় সেই পুরনো মার্ক সিস্টেম, মেধা তালিকা ইত্যাদি ফিরে এসেছে। যদি পরীক্ষা নিতেই হয়, তাহলে বর্তমানে চালু S.S.C., H.S.C. এর মত গ্রেডিং পদ্ধতিতেই মূল্যায়ন করা উচিত। বিকল্প হিসাবে একটি নির্দিষ্ট নম্বর প্রাপ্তির ভিত্তিতে সার্বিকভাবে 'পাস ফেল' দিয়েও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

মোদ্দা কথা, পুরনো পদ্ধতির মার্কিং, মেধা তালিকা ইত্যাদির মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধার অসূস্থ প্রতিযোগিতা আমরা দেখতে চাই না। কারণ,এর মাধ্যমে প্রাইভেট কোচিং, শিক্ষকদের বাণিজ্যিক মনোভাব, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অসূস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যাবে।

এই পাবলিক পরীক্ষা নিতেই যদি হয়, তাহলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিকে খেয়াল রেখে 'গ্রেডিং পদ্ধতি' বা 'পাস-ফেল' দিয়ে তাদের মূল্যায়ন করা হোক।

সম্মানিত ব্লগারগণ কী বলেন?




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29064387 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29064387 2009-12-23 19:54:09
তাহলে কি ভারতীয় গোয়েন্দা বা কমান্ডোরা বাংলাদেশের মাটি থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে?
যদিও উলফা চেয়ারম্যান বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সত্যতা নাকচ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, 'ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে উলফা চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তারের যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি।'

তার পরদিনই শনিবার গৌহাটির আদালত প্রাঙ্গণে অরবিন্দ রাজখোয়া সাংবাদিকদের কাছে বাংলাদেশ থেকে তাকে আটক হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের সঙ্গে একশ’ ভাগ প্রবঞ্চনা করেছে, বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, স্বাধীনতাকামী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী উলফা নেতাদের আটকের ব্যাপারে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনীর এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন অজ্ঞতা কেন?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা ফেলনা নয়। আমাদের ধরে নিতেই হবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথামত রাজখোয়া বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতার হননি। তার মানে, বাংলাদেশের মাটি থেকে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনীর রাজখোয়াকে আটক করেন নি। তাহলে একটাই বাকী থাকল । আর তা হল - ভারতীয় গোয়েন্দা বা কমান্ডোরা বাংলাদেশের মাটি থেকে তাকে ধরে নিয়ে গিয়েছে।

যদি তাই হয়, সেটা স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর ভারতের হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশ সরকার এ নিয়ে চুপ কেন?




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29054871 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29054871 2009-12-07 12:59:17
গ্যালওয়ে বলেছেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে সুরমা নদীর অববাহিকা নদ-নদীর মারাত্মক সমস্যা হবে। সরকার তা মনে করেন না কেন? !!!
টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী মিছিল করার পর সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরে বুধবার দুপুরে রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

গ্যালাওয়ে বলেন, "টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের একাংশের মানুষের পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আমি আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করছি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ তদন্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।"

তিনি বলেন, "টিপাইমুখ বাঁধ কেবল বাংলাদেশ ও ভারতের বিষয় নয়। বাঁধটির সঙ্গে জলবায়ু ও পরিবেশের সম্পর্ক থাকায় তা কোনো দুটি দেশের বিষয় নয় আর্ন্তজাতিক বিষয়।"

গ্যালওয়ে মনে করছেন, ভারতে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে এ অঞ্চলের পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে, সিলেটের সুরমা নদীর অববাহিকায় নদ-নদীর ব্যবস্থাপনায় মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এটা সিলেটের বিশাল এলাকার মানুষের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়। কারণ ওই বাঁধের ফলে সিলেটে বন্যা দীর্ঘতর হবে। ফলে আর্থিক-সামাজিক-পরিবেশগত সমস্যার মুখোমুখি হবে সিলেটের মানুষ।

গ্যালওয়ের নেতৃত্বে ব্রিটেন থেকে আসা ১৭ সদস্যের প্রতিনিধিদলটি টিপাইমুখে প্রস্তাবিত বাঁধের বিরোধিতা করে গত রোববার সকাল ১০টার দিকে সিলেট শহর থেকে মিছিল শুরু করে। জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার অমলসিধ সীমান্তে পৌঁছালে বিডিআর দলটিকে আটকে দেয়।

সুরমা ও কুশিয়ারার উৎস বরাক নদীর ওপর বাঁধ নির্মিত হলে সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এর সম্ভাব্য 'ক্ষতিকর' প্রভাবের বিষয়টি বিশ্ববাসীর নজরে আনার জন্য এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়।

গ্যালাওয়ে দীর্ঘদিন ব্রিটেনের লেবার পার্টির এমপি ছিলেন। ইরাক যুদ্ধের ব্রিটিশ সরকারের ভূমিকার প্রতিবাদে তিনি ওই দল ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি রেসপেক্ট পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে গ্যালাওয়ে বাংলাদেশ সফরের কারণ তুলে ধরে জানান, একটি প্রচারণার অংশ হিসেবে তাদের এ সফর।

বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন, মানবাধিকার রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, ফিলিস্তিনিদের সমর্থন এবং লন্ডনে ২০১২ সালের অলিম্পিক প্রভৃতি বিষয়ও এর সঙ্গে যুক্ত।

এসব বিষয় নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ এবং জামায়াতে ইসলামী ও সুফি পিস কনফারেন্স এর নেতাদের সঙ্গে সফল আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "ভারত একটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশ। বাংলাদেশ সেরকম নয়। আমি জানি, লন্ডনে টিপাইমুখ বাঁধ ইসু্যুতে ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে ভারতীয় প্রবাসীরাও বিক্ষোভ করেছেন। এটা কেবল বাংলাদেশের মানুষের নয়, ভারতের একাংশের মানুষের জন্যও সমস্যা হবে। সেজন্য এটাকে আন্তর্জাতিকভাবে দেখতে হবে।"

Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29052798 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29052798 2009-12-03 10:43:14
ডেভিড কপারফিল্ডের চীনের প্রাচীর ভেদের বিখ্যাত যাদু ও তার ভেতরের রহস্য(Trick)
চীনের প্রাচীরের যাদুটি দেখুন নিচের ভিডিওতে।

http://www.youtube.com/watch?v=

এবার দেখুন, এর ভেতরের রহস্য!

http://www.youtube.com/watch?v=

*অনেকে হয়ত আগেই দেখেছেনএই ভিডিও, কিন্তু যারা দেখেননি তাদের জন্যে এই পোষ্ট।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29044504 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29044504 2009-11-16 19:04:37
ইংরেজি সংখ্যার বানানে a, b, c, d এর ব্যবহার জেনে অবাক ... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
a, b, c ও d অক্ষরগুলো 1 থেকে 99 পর্যন্ত সংখ্যার ইংরেজি বানানে ব্যবহার করতে হয়না।
d প্রথমবারের মত আসে 100(Hundred) লিখতে

a, b ও c অক্ষর 1 থেকে 999 পর্যন্ত বানান করে লিখতে দরকার হয়না।
a প্রথমবারের মত আসে 1000(Thousand) লিখতে।

b ও c অক্ষর 1 থেকে 999,999,999 পর্যন্ত বানানে লাগেনা।
b প্রথমবারের মত ব্যবহার করতে হয় 1 billion লিখতে।

এবং

c অক্ষরটি ইংরেজি সংখ্যার কোন বানানেই প্রয়োজন পড়েনা !!!!

আপনি নিজে চেষ্টা করে দেখুন, ব্যাপারটা ঠিক কিনা?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29044447 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29044447 2009-11-16 17:35:59
দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত সাজেদার ছেলের দন্ড মওকুফ করে মাননীয় রাষ্ট্রপতি অনৈতিক কাজ করেছেন?
সূত্রঃ Click This Link

দন্ড মওকুফের আইনগত ক্ষমতা মাননীয় রাষ্ট্রপতির থাকতে পারে। কিন্তু শাহাদাব আকবরের সাজা মওকুফের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নীতিবোধ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে বাধ্য।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম সাজেদা চৌধুরীর ছেলে বলেই আওয়ামীলীগার জিল্লুর রহমান এই নির্লজ্জ কাজ করেছেন। অথচ, রাষ্ট্রপতির উচিত দলীয় পরিচয়ের উর্ধ্বে থাকা।

দূর্নীতির দায়ে দন্ডপ্তাপ্ত আসামীকে এভাবে মওকুফ আমাদের রাজনৈতিক, নৈতিক ও সামগ্রিক দৈনতাকেই ফূটিয়ে তোলে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29042778 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/29042778 2009-11-13 11:52:58
২ দিন আগে মগজের ঘিলু বের করা গরম, আর আজ গলা পানি - এই হল ঢাকা
আজ নাকি ঢাকা গলা পানিতে।

কেমন আছেন ঢাকাবাসীরা?

এই অভিশপ্ত জীবন আর কত দিন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28985023 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28985023 2009-07-28 12:57:43
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতের বিস্তারিত সাক্ষাতকার
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28970769 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28970769 2009-06-28 15:19:08
টিপাইমুখে বাঁধঃ ফুঁসে উঠেছে আসাম, মনিপুর, মিজোরামের জনগণ
বিষেশজ্ঞরা একে উন্নয়ন নয় ধ্বংস হিসেবেই দেখছেন। এ নিয়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। লেখালেখি। দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে ভারত এ বাঁধ নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যেই বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আসাম, মনিপুর, মিজোরামসহ ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে ‘অ্যাকশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ প্রজেক্ট’ নামে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।

পরিবেশ, মানবাধিকার ও উন্নয়ন কর্মীরা এর বিরুদ্ধে কলাম নিবন্ধ লিখছেন। আন্দোলনকারীরা হুমকি দিয়েছেন, ভারত সরকার যদি এ প্রকল্প বন্ধ না করে তবে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বাঁধ নির্মাণ বন্ধে ইতোমধ্যে দিল্লিতে লবিং শুরু হয়েছে। যদিও ইতোমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু মিজোরাম সরকার এখনো এ ব্যাপারে ছাড়পত্র না দেয়ায় প্রকল্পের কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে।

ডেভিড ভুরিল নামের একজন বিষেশজ্ঞ ‘উন্নয়ন না ধ্বংস’ শিরোনামে লিখেছেন, যারা এ বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এর পরিণতি সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতা রয়েছে নতুবা তারা বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এ বাঁধ নির্মাণের ফলে ওইসব এলাকার আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে। টুইভাই ও বরাক নদী এসব মানুষের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। আদিবাসী এসব মানুষ আবারো বুঝতে পারল যে, নিজের মাটিতে তাদের কোনো অধিকার নেই। সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাদের কোনো বলা-কওয়া নেই। তারা একেবারেই অপাংক্তেয়। যেমনটি তাদের জীবন। লুংথালিয়েন গ্রামের থাঙলেই বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন। তারা দিল্লিতে বসে সিদ্ধান্ত নেয়। এমনকি মনিপুর সরকারও এ বাঁধ নির্মাণে সেনা পাঠিয়েছে। আমরা জানি না তারা সবাই কি চায়। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ সাম্রাজ্যবাদি চরিত্রেই বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে।

‘টেন টু টুয়েন্টি ইয়ার্স মোর অব ডার্কনেস’ শিরোনামে টি ভুঙ্গলালিয়ান লিখেছেন, এ বাঁধ নির্মাণ পরিকল্পনা আমাকে মারাত্মকভাবে হতাশাগ্রস্ত করেছে যা সহসাই শেষ হচ্ছে না। ‘টিপাইমুখ ড্যাম ইজ অ্যা জিওটেকটনিক ব্লান্ডার অব ইন্টারন্যাশনাল ডাইমেনশনস’ শিরোনামে ড. সোইবাম ইবোতম্বি লিখেছেন, এ বাঁধ শুধুমাত্র আশপাশের গ্রামের মানুষদের জন্য দুঃখই বয়ে আনবে না এটি বছরের পর বছর ধরে মানুষের ক্ষোভের কারণ হবে এবং বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা তৈরি করবে।

সূত্রঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28969304 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28969304 2009-06-25 12:29:34
টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ নিয়ে সিলেটে মনিপুর ও আসামের প্রতিনিধিদের বক্তব্য
সোমবার বিকালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সংহতি বন্ধনের আয়োজন করে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অঙ্গীকার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল গনির উপস্থাপনায় ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংহতি বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ভারতের মণিপুর ও আসামের নদী অধিকার, পরিবেশ ও সংবাদকর্মী ড. আর কে রঞ্জন সিং, রামানন্দ, যোশেফ হামার, বিক্রমজিত, অর্ণব দত্ত, টিপাইমুখ বাঁধ আন্দোলনের সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন সহ আরো অনেকে।

আর কে রঞ্জন সিং বলেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে বাংলাদেশের মতো ভারতের আসাম ও মণিপুরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিবেশ বিপর্যয় দেখা যাবে। টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আদিবাসীরা। বাংলাদেশের স্বাদু পানি প্রবাহিত নদীগুলোতে লবণাক্ত অয়ানবি প্রবেশ করে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনবে। তিনি এই বাঁধ সম্পর্কে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য ও বিশ্লেষণ চেয়ে বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘের জলপ্রবাহ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনের আইন লঙ্ঘন করেছে। বেদানান্দ ভট্টাচার্য নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলনের মাধ্যমে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করা হবে বলে জানান।

ভারত থেকে আগত প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করে আয়োজ কদের হাতে শুভেচ্ছে উপহার তুলে দেন। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন, ভারতে মনিপুর রাজ্যের সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফসর ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. আর কে রঞ্জন সিং।

সূত্রঃ Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28968536 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28968536 2009-06-23 20:02:56
বুয়েট পাস প্রকৌশলী বোমা বানিয়ে ইসলাম কায়েমে নেমে পড়েছে!!
আটক চারজনের একজন 'এহসার সদস্য' এমরানুল হক রাজিব বুয়েট থেকে পাস করা প্রকৌশলী বলে নিজের পরিচয় দিয়েছেন। রাজিবের মতো এরকম উচ্চশিক্ষিত জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনা এটাই প্রথম। র‌্যাব জানিয়েছে, প্রকৌশলী রাজিব জেএমবির তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) প্রধান এবং প্রধান বোমা ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ।

সংবাদ সম্মেলনে রাজিব বলেন, "২০০৩ সালে বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে আমি পাশ করেছি। বেশ কয়েক বছর ওয়াটার রিসোর্স ডিপার্টমেন্টে রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে চাকরি করেছি।"

রাজিব জানান, তিনি ইন্টারনেট থেকে বোমা ও বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো অনুবাদ করে জেএমবির শীর্ষ নেতা মওলানা সাইদুর রহমানের ছেলে বাশারকে দিতেন। এরপর বাশার সেগুলো 'বোমারু' মিজানসহ বিভিন্ন জনকে সরবরাহ করতেন। সেসব তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তারা বিভিন্ন ধরনের বোমা বানাতেন।

বিস্তারিতঃ Click This Link
...........................................................................................

বুয়েট থেকে পাস করা ও পরবর্তীতে একটি সংস্থায় 'রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট' হিসাবে কাজ করা লোক বোমা বানাতো জেএমবির জন্যে? জেএমবির কার্যকলাপে তার মত একজন উচ্চ শিক্ষিত যুবক কীভাবে জড়িয়ে পড়ল? তার এই অবস্থা হলে অ-শিক্ষিত বেকার যুবকদের তো জিহাদের সস্তা ও ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে অনেক কিছু করে ফেলবে ইসলামের নামে সন্ত্রাসী এই জেএমবি।

ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে রাজিবের মত বুয়েট শিক্ষিতরা বোমা বানিয়ে ইসলাম কায়েমে নেমে পড়তো পারত?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28968134 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28968134 2009-06-22 22:21:55
যন্তর মন্তর - সবচেয়ে বড় সূর্যঘড়ি, বাংলাদেশে আজ ঘড়ির কাঁটার এগিয়ে যাওয়া এবং সরকারের দিন বদলের হাওয়া
ছু মন্তর ছু (কিংবা যন্তর মন্তর) দিয়ে আজ বাংলাদেশ থেকে ১টি ঘন্টা হারিয়ে যাবে। ১৯শে জুন রাত ১১:০০ থেকে রাত ১১:৫৯ এ আপনি কী করেছিলেন তার হদিস পাওয়া যাবেনা ইতিহাসে।

একটি ঘন্টা এভাবে বেমালুম গায়েব হওয়ার ঘটনার বাংলাদেশী স্বাক্ষী হতে পেরে আমার কিন্তু কিছুটা পুলক অনুভব হচ্ছে। কোন এক যাদুকর যেন তার যন্তর মন্তর দিয়ে ১টি ঘণ্টা গায়েব করে দিচ্ছে। ভাবতেই অবাক লাগছে আমার।

যাই হোক। 'যন্তর মন্তর' কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘড়ি হিসাবে 'গিনিস বুকে' স্থান পেয়েছে। ভারতের জয়পুরে শতাব্দী প্রাচীন এই ঘড়িটি তৎকালীন জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিস্ময়। এই বিষয়ে জানতে পড়ুন Click This Link

যেটা বলছিলাম, সরকার তার হাতের যাদুর কাঠির 'যন্তর মন্তর' দিয়ে আমাদেরকে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিচ্ছেন দিনের আলোর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য।

এর উপযোগিতা সময় বলে দেবে। তবে সরকারের যেকোন ভাল উদ্যোগে সমর্থন দেয়া কর্তব্য বলে মনে করি।

চিন্তা করে দেখুন, কত ক্ষমতা থাকলে ১টি ঘন্টা সরকার হাওয়া করে দিতে পারে। আশা করি, টিপাইমুখের বাঁধের ব্যাপারেও সরকার পদক্ষেপ নিবেন। সরকার 'না' বলে দিলে ভারতের সাধ্য নাই এই বাঁধ নির্মাণ করে।যদি, 'না' বলতে ব্যর্থ হয়, তা হবে সরকারের ১২ টা বাজিয়ে দেবে জনগণ। তখন, 'দিন বদলের' সরকার রাতের অন্ধকারে পালানোর পথ পাবেনা।

যারা সরকার দলীয় সমর্থক বন্ধু আছেন, তাদের বলি, আপনাদের দায়িত্ব বেশি। আপনারা সরকারকে বুঝান। সাহস দিন।

আজ সময় ১ ঘন্টা আগাচ্ছে, সমস্যা নাই।

কিন্তু, এই সরকারের সময়ে যদি টিপাইমুখে বাঁধ হয়ে যায়, তাহলে কিন্তু আর সেই সময় আর ফিরে পাওয়া যাবে না।

সময় থাকতে হুঁশিয়ার। টিপাইমুখ বাঁধ হলে সরকারকে দিনের বদলে রাতে জীবনযাপন করতে হবে। অতএব, দিন বদলের যাত্রীরা - হুঁশিয়ার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28966779 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28966779 2009-06-19 19:30:48
টিপাইমুখ বাঁধ যেন না হয় মরণফাঁদ
নদীমাতৃক দেশ হয়েও আজ বাংলাদেশের সর্বত্রই পানির জন্য হাহাকার পরিলক্ষিত হচ্ছে। এক সময় যে মাঠে দিগন্তজোড়া ফসলের সমারোহ দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যেত আজ সেই মাঠই শুধু ধুধু বালুচর। পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্যের অভাবনীয় পরিবর্তনের ফলে দেশ আজ প্রচণ্ড অস্তিত্ব সংকটে নিপতিত হচ্ছে। কিন্তু তারপরও আমাদের চৈতন্যবোধ হয় না। দেশপ্রেমকে আজ আমরা সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি আর টক শোতে আবদ্ধ করে ফেলেছি। তাই তো ১৯৭৬-এ ফারাক্কার বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ পরিলক্ষিত হয়েছিল এখন টিপাইমুখের ক্ষেত্রে তা রাজনৈতিক বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে থাকছে।

পশ্চিমবঙ্গের হুগলি-ভাগীরথী নদীতে ৪০ হাজার কিউসেক পানি ধরে রাখার জন্য ১৯৭৫ সালে ভারত গঙ্গার উজানে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। এতে করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গার প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য চাষ, বন, নৌ-চলাচল, গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত পানির ব্যবহার ও বিভিন্ন শিল্পের প্রসার দ্রুত হ্রাস পায়। গঙ্গার পানিপ্রবাহ কম হওয়ায় এবং শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর বৃহত্তম ‘ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট’ সুন্দরবন এখন প্রচণ্ড হুমকির মুখে। পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলা ও খুলনার বৃহৎ অংশ আজ মরুভূমি হতে চলেছে।

সর্বজনশ্রদ্ধেয় মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী জাতির এই সর্বনাশা বিপদ উপলব্ধি করে এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিবাদ-আন্দোলনের ডাক দেন। তার সেই প্রতিবাদী কণ্ঠের আহ্বানে বাংলাদেশের সর্বত্রই ফারাক্কার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের সৃষ্টি হয়। লং মার্চ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত সরকারের গঙ্গার পানিচুক্তি অনুযায়ী ন্যায্য পানি ভারত এখনো পর্যন্ত আমাদের দেয়নি। গঙ্গা ব্যারেজ ও তিস্তা নদীর গর্জনডোবা ব্যারেজ নির্মাণের ফলে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও পরিবেশ যখন হুমকির মুখে ঠিক সেই মুহূর্তে নতুন করে ভারত বরাক নদীর ওপর টিপাইমুখ (বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১০০ কিলোমিটার উজানে) নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণ করতে যাচ্ছে। জানা যায়, এ বাঁধ নির্মাণের ফলে সুরমা-কুশিয়ারা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় ২৭৫.৫ কিলোমিটার এলাকার পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সুরমা-কুশিয়ারার অববাহিকায় পানির পরিমাণ শতকরা ৬০ ভাগ এবং ভরা মৌসুমে শতকরা ১২ ভাগ হ্রাস পাবে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের সিলেট, নোয়াখালী, বরিশাল এবং ঢাকা বিভাগের বিশাল এলাকা মরুভূমিতে পরিণত হবে। ধ্বংস হয়ে যাবে পরিবেশের ভারসাম্য, দেখা দেবে নানা ধরনের বৈরী আবহাওয়া।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অভিন্ন নদীর উজানে যে কোন ধরনের কাঠামো নির্মাণ করতে হলে অবশ্যই ভাটিতে বসবাসকারী জনপদের ওপর এর প্রভাব চিন্তা করতে হবে। এ ধরনের কাঠামো হতে হবে উভয় দেশের স্বার্থকে রক্ষা করে। অর্থাৎ তাতে যেন উভয় দেশই উপকৃত হয়। কিন্তু ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে নিজেদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এ ধরনের গর্হিত কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতি এবং বলিষ্ঠ গঠনমূলক সমালোচনা বা পুরো জাতির ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদের অভাবে শেষ পর্যন্ত ভারত সরকার যদি টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করে ফেলে তাহলে বাংলাদেশ সঙ্কটে পড়ে যাবে। কারণ দেশের একটা বৃহৎ অংশ পুরোটাই মরুকরণের পথে অগ্রসর হবে।

তাই আসুন, দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠের বলয়ে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতের এই আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানাই। আর এ ক্ষেত্রে সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। কেননা, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের এ বিষয়টা নিয়ে ভারতের সাথে দরকষাকষি করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে ভারতকে যেন বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আন্দোলনে সোচ্চার হতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা করতে হবে।

সূত্রঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28965880 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28965880 2009-06-17 15:20:53
টিপাই মুখ বাঁধের বিরুদ্ধে কারা আছেন? আওয়াজ তুলুন। আর চুপ থাকা নয়। শুরু হোক জোরালো প্রতিবাদ।
টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ভারত এবং এই বিষয়ে নিয়ে সামু সহ বিভিন্ন ফোরামে অনেক কথা হয়েছে বা হচ্ছে। তাই আমি এসব নিয়ে নতুন করে লিখছি না। আমার শুধু একটি প্রশ্ন এসে ভর করছে তা হলো জাতির বিবেকরা চুপ কেন? পান থেকে চুন খসলে যেখানে তারা সারা দেশ অচলে করে দেয় তারা আজ কি করছে? তেমনিভাবে আমার দেশের সোনার ছেলেরা ছাত্রলীগ বা ছাত্রদল তারাই বা কি ভুমিকা নিচ্ছে? দেশের ক্রান্তিকালে কি তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না??

পরিশেষে বলি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলার মাটি এবং জনগনের সাথে বেঈমানি করবেন না। তারা বড় আশা নিয়ে আপনাকে দেশের নেতা নির্বাচিত করেছিল। আপনি 'না' বলে দিলে ভারত কেন ভারতের বাবার ও ক্ষমতা নেই টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করার।

জনগন সাথে নিয়ে দেশের এই দুর্যোগ মোকাবেলা করুন। ভেবে দেখুন ভেবে দেখুন এটা তো শত সিডরের চাইতে ও ভয়াবহ!! আর তা যদি না করেন ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না।

গত কাল আমিও এ নিয়ে ব্লগ দিয়েছি।
নদীগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা সাধুবাদ জানাই। টিপাইমূখ বাঁধের বিরুদ্ধেও তাঁর সাহসী উচ্চারণ ও পদক্ষেপ চাই। Click This Link

সামু ব্লগে যারা টিপাই মুখের বিরুদ্ধে আছেন, আসুন সবাই ব্লগে, মিডিয়ায়, জনগণের কাছে আমাদের প্রতিবাদ তুলে ধরি। সামু ব্লগের প্রোফাইল পিকচারে আমরা সবাই নিচের ছবিটি সংযোজন করে প্রতিবাদের সূচনা করি।


আপনারা কারা কারা এ বিষয়ে একমত তাঁরা আওয়াজ দিন প্লিজ। এভাবেই শুরু হোক আমাদের প্রতিবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28961028 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28961028 2009-06-06 17:58:27
নদীগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা সাধুবাদ জানাই। টিপাইমূখ বাঁধের বিরুদ্ধেও তাঁর সাহসী উচ্চারণ ও পদক্ষেপ চাই Click This Link নদীগুলোর নাব্যতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই ইতিবাচক মনোভাব প্রশংসনীয়।

আশা করি বাংলাদেশের অনেক নদীর স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নাব্যতা রক্ষার স্বার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টিপাইমূখ বাঁধের বিরুদ্ধেও সাহসী ভুমিকা রাখবেন।

বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিবিদেরা দেশের জন্যে উল্লেখজনক অবদান রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে সমালোচনা আছে। কিন্তু আমি মনে করি, ভারতকে টিপাইমূখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করতে বাধ্য করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নিজের নাম লিখতে সমর্থ হবেন। বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার দেশপ্রেমিক, নির্ভিক, সাহসী ভূমিকা দেখতে চায়। বঙ্গবন্ধু কণ্যা এই ধরণের ভুমিকা রাখার যথেষ্ট যোগ্যতা রাখেন।

মনে রাখতে হবে, পাকিস্তান আমলে পরিকল্পনা নিয়েও ভারত ফারক্কা বাঁধ নির্মাণ করতে পারেনি। পরবর্তীতে বাংলাদেশের তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর ব্যর্থতায় সেই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে ভারত। যদিও, মাওলানা ভাষানী প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন।

ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধের ব্যর্থতাকে বর্তমান প্রজন্ম তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীকে কখনই ক্ষমা করতে পারবেনা।

যাই হোক, বাংলাদেশের আরেক মরণফাঁদ টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এই ঐতিহাসিক ক্রান্তিকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাহসের সাথে তার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্যে আমি অনুরোধ জানাব।

এর মাধ্যমে গত কয়েক দশকে রাজনীতিবিদেরা দেশপ্রেম দেখাতে যে ব্যর্থতা দেখিয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হবে বলে আমার বিশ্বাস।

বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ভুমিকা পালন করবেন- এই আশাই আমরা করছি। অন্যথায় বাংলাদেশের বর্তমান জনগণ ও পরবর্তী প্রজন্ম উনাকে ক্ষমা করবেনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28960655 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28960655 2009-06-05 20:36:14
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী নিপীড়ণকারীদের কী শাস্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্রীকে ক্লাসে যাবার জন্য হল থেকে বের হলে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মনিরুল ইসলাম খান তার গতিরোধ করে। পরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঐ ছাত্রীকে চড়-থাপ্পড় মারে এবং শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে।

মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঐ ছাত্রকে আটক করে প্রক্টরের নিকট সোপর্দ করে। কিন্তু প্রক্টর ঐ ছাত্রটি কোন রকম শাস্তিমুলক ব্যবস্থা ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেয়।(বিস্তারিতঃ Click This Link)
কেন ছাড়া হল? জানতে চাই।

এর আগে চবিতেও অনুরুপ ঘটনায় রাজুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিস্কার করা হয়েছে। (বিস্তারিতঃ Click This Link)

এই শাস্তিই যথেষ্ট নয়।
আমি ছাত্রী নিপীড়নকারী দোষী ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত শাস্তি চাইঃ

১। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিস্কার করতে হবে এবং
২। নারী ও শিশু নির্যাতন আইন (বা অন্য আইনে) দোষী ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করতে হবে।

আর কি কি শাস্তি দেয়া যেতে পারে এদের। আপনাদের মত তুলে ধরুন।



চলুন, ব্লগে এদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করি ও প্রতিবাদ করি।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28960093 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28960093 2009-06-04 15:38:10
'টিপাইমুখ বাঁধের মাধ্যমে বন্যার অথবা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ভারতের থাকবে।' -ভারতীয় হাইকমিশনার। এবার বলুন, এটা বাংলাদশের জন্যে উপকারী?
টিপাইমুখ বাঁধের মাধ্যমে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে কিনা, সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'টিপাইমুখ বাঁধ একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। পানি আটকেই এতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। তবে পানি আটকিয়ে রাখা হবে না। এতে বরং প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে এর মাধ্যমে বন্যার অথবা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ভারতের থাকবে।'

ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশসহ গোটা অঞ্চল সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়বে বলে মনে করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।

এ বাঁধ হলে ভারত তাদের পছন্দমত পানি ছাড়বে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

অধ্যাপক মোজাফফর বলেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে ভারত তাদের ইচ্ছেমতো বাংলাদেশে পানি দেবে বলে তাদের ধারণা। এর ফলে শীতের সময় বাংলাদেশের নদীগুলো আরো শুকনো এবং বর্ষায় আরো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন গড়ে তুলবেন জানিয়ে মোজাফফর আহমদ বলেন, টিপাইমুখ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য পরিকল্পিত বাঁধ সম্পর্কে সমস্ত তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

সূত্রঃ Click This Link
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28959800 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28959800 2009-06-03 23:24:51
কলুষিত ছাত্র-রাজনীতি এরকম আর কত রাজুকে নষ্ট করবে ?
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর পরই ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পরে রাজু। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর নিজেকে ছাত্রলীগ সদস্য পরিচয় দিয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রমে মাদকাশক্ত, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মেয়েদের উত্যক্ত করাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে নষ্টের চূড়ান্ত পর্যায়ে যায় রাজু।

জানা যায়, সরকার বদলের পর ছাত্রলীগের প্রভাব দেখিয়ে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হকে রাজু। অভিযোগ পাওয়া গেছে, ক্যাম্পাসে সাধারণ ছাত্রদের শিবির অভিযুক্ত করে একাধিকজনের কাছ হতে মোবাইল ফোন ও অর্থ ছিনতাই করে রাজু। ছাত্রলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিভিন্ন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীযদের মোবাইল ফোন চুরি ও ছিনতাই করেছে রাজু। ওই নেতা একাধিকবার রাজুর কাছ হতে মোবইল ও টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানান।

চাঁদার দাবিতে রাজু ক্যাম্পাসে অবস্থিত ঢাকা হোটেল এর মালিকের ছেলেকে এবং এক নম্বর রোডস্থ রেলগেইট এলাকায় কয়েকজন স্থানীয়কে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি কার্যালয় হতে মোবাইল চুরির অভিযোগও রয়েছে রাজুর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে শাটল ট্রেনের বগিতে ছাত্রীদের উত্যক্ত করা এবং অশ্লীল মন্তব্যের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার চবি শামসুন নাহার হলের সামনে রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের এক ছাত্রীকে উত্যক্ত এবং মারধর করার অপরাধে গতকাল শামসুল ইসলাম রাজুর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয হতে তাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

বিশ্বদ্যালয়ে ভর্তির সময়ে একজন মেধাবী ও শান্ত ছাত্র হিসেবে পরিচিত রাজু মাত্র এক বছরের শিক্ষাজীবন পার করেই ছাত্র রাজনীতির উপর ভিত্তি করে তার নিজের কার্যকলাপের দায়ে ধ্বংস হলো। আর আশায় বুক বাধা মা বাবার আশার স্বপ্ন ঢাকলো অন্ধকারে।

সূত্রঃ Click This Link

আমাদের কলুষিত ছাত্র-রাজনীতি কী রাজুদের বখে দেবার জন্যে অনেকটা দায়ী নয়? ছাত্র-রাজনীতির গরমে এরা 'নিজেদের সব কিছুর উর্ধে' চিন্তা করা শুরু করে এরা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জায়গায় ইভ টিজ আর প্রহার কিছুতেই সম্ভব নয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28959031 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28959031 2009-06-02 10:57:43
সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় সাবেক উপদেষ্টা এম এ মতিনের আজ উপলব্ধি হয়েছে- এ দেশ ভাল মানুষের জন্য নয় !!!
তিনি বলেন, "জীবনের শেষ প্রান্তে ওঠা এ অভিযোগ ও নানা আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আজ আমার উপলব্ধি হয়েছে- এ দেশ ভাল মানুষের জন্য নয়।"

একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের জের ধরে গত বুধবার সাবেক উপদেষ্টা মতিনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনায় অভিজ্ঞতাহীন একটি কোম্পানিকে অনিয়মের মাধ্যমে কাজ দেওয়ার অভিযোগ তোলে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বিস্তারিতঃ Click This Link
.............................................................................
সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে কিছু কিছু হাস্যকর দুর্ণীতি মামলা যখন করা হচ্ছিল, তখন উনার এই বোধ কোথায় ছিল? ঊনারা সেই সময়ে কিছু এমন মামলা করেছিলেন, সেরকম মামলা বাংলাদেশের সকল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে করে জেলে দেয়া যায়।

যাই হোক, আশা করি উনার প্রতি যথেষ্ট সম্মান দেখিয়ে, বিনা বিচারে উনাকে কারাবন্দী করা হবেনা। যদিও উনি তাই করেছিলেন।

মনে রাখাতে হবে, যেনতেন ভাবে দূর্ণীতির অভিযোগ ভাল নয়, তাতে ভাল মানুষেরাও কিন্তু কাজ করতে সাহস পাবেনা ভবিষ্যতে। তখন সবাই ভাববে,"এ দেশ ভাল মানুষের জন্য নয়"।

এই মনোভাব কিন্তু খুব মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28958299 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28958299 2009-05-31 18:44:24
টিপাইমুখ ড্যাম নিয়ে বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ ড.আইনুন নিশাতের অভিমত
বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ ড.আইনুন নিশাত বলেন, শব্দটা আমি ড্যাম ব্যবহার করছি, বাঁধ নয়। বাঁধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Enbankment। বাঁধ হচ্ছে নদীর সমান্তরাল একটা স্ট্রাকচার, আর ড্যাম হচ্ছে একটা নদীর আড়াআড়ি স্ট্রাকচার। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ক্ষতির ধরনটা বুঝতে পারবো তখন, যখন ভারত প্রকৃত অর্থে কী করছে তার তথ্য উপাত্ত পাবো। সেটার জন্য দুদেশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে বসে তথ্যের আদান প্রদান হওয়া উচিৎ। এই ড্যাম ভারত তাদের পরিবেশের প্রভাব সংক্রান্ত সমীক্ষা চালিয়েই নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে মনে করি। আমার ধারণা তা সম্পূর্ণভাবে হয়নি। কারণ যে কোনো ধরনের পরিবেশের প্রভাব বিষয়ক সমীক্ষা করতে গেলে তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া কতদুর গিয়ে পড়বে সে হিসাবটাও করতে হবে। সে হিসাব যদি সীমান্তে এসে থেমে যায় তাহলে তো হবে না। তাই পরিবেশের প্রভাব সংক্রান্ত সমীক্ষা আন্তর্জান্তিক মান সম্পন্ন হওয়া উচিৎ। আমরা যে ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছি, সরকারের উচিৎ হবে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে বসে তা নিরূপন করা।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ড্যামের সঙ্গে একটা করে স্পিলওয়ে থাকে যেমন আছে আমাদের কাপ্তাইয়ে। এটি হলো বর্ষায় যদি বেশি পানি আসে তা ছেড়ে দেয়ার পদ্ধতি। আমাদের কাপ্তাইতে ড্যাম আছে- কর্ণফুলীর পানি ধরে রাখে। একইভাবে টিপাইমুখ ড্যাম কাপ্তাই থেকে বড় আকৃতির হলেও মূলত দেখতে একই রকম হবে, সামনে বিরাট একটা জলাধার থাকবে। এটি হলে তিনটা ঘটনা ঘটবে।

প্রথমত, বর্ষার প্রথম দিকে পানির পরিমান কিছুটা কমে যাবে। দ্বিতীয়ত, বর্ষার শেষের দিকে যখন জলাধারটা কানায় কানায় পূর্ণ, তখন যদি কোনো কারণে স্পিলওয়ে খুলতে হয়, তাহলে বর্ষার শেষে ভারি বন্যার প্রকোপটা বাড়বে। তৃতীয়ত, শীতকালে পানির পরিমানটা বেড়ে যাবে। এখন শীতের মৌসুমে যে পরিমান পানি আছে, তার থেকে পানি বেশি হবে। কারণ বর্ষার অতিরিক্ত পানি সারাবছর সমানভাবে ছাড়তে গেলে দেখা যাবে শীতকালে পানির স্তরটা বেড়ে গেছে। জলাধারে পানির স্তরটা বাড়লে নদীতেও পানির স্তরটা বাড়বে। যেমন কাপ্তাইতে যেখানে হালদা নদী এসে পড়েছে সেখানে উজানে ৬২ সনের আগে হাটুতো দুরের কথা গোড়ালি পরিমান পানি ছিল। এখন একটা লঞ্চ নিয়ে কাপ্তাই পর্যন্ত যাওয়া যায়। টিপাইমুখেও সেই ঘটনা ঘটবে, পানির উচ্চতাটা অনেক বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য এটা একটা ভয়ের কারণ, ক্ষতির কারণ। কারণ প্রথমত, ওই পাহাড়ি নদীটা এসে যখন আমাদের সুরমা কুশিয়ারা ভ্যালিতে প্রবেশ করবে তখন হাওর অঞ্চলের পানি নেমে যাওয়া কমে যাবে, বোরো ধান উৎপাদন কমে যাবে, কমে যাবে ধানী জমির পরিমান, খাদ্য সংকট দেখা দেবে। এটা যদি শুধুমাত্র ড্যাম, রিজার্ভার, জলাধার এবং স্পিলওয়ে অর্থাৎ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজটা করে তবেই এ ধরনের প্রতিক্রিয়া ঘটবে আমাদের দেশের।

এগুলো সম্পন্ন হলে দ্বিতীয় যেটি হতে পারে তা হলো ব্যারাজ। ব্যারাজে জলাধার নির্মাণ হয় না, ব্যারাজের কাজ হচ্ছে শীতকালে যখন নদীর পানি নিচে নেমে যাচ্ছে সেটাকে উপরে তোলা। নদীর সেই পানি একটা ক্যানেলের মাধ্যমে ডাইভার্ট করা হয়। ওই ক্যানেলের ক্যাপাসিটির উপরে নির্ভর করে কতোটা পানি ডাইভার্ট হচ্ছে।

টিপাইমুখের এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য আমি জানি না। বাংলাদেশ সরকারকেই এ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। যদি ভারতের প্রকৌশলী এমন ক্যাপাসিটির ক্যানেল তৈরি করলেন যেখানে বরাকের পুরো পানিই তারা নিয়ে নিলেন, তাহলে তখন আমাদের সুরমা কুশিয়ারা শুকিয়ে যাবে। এটি না করে যদি অর্ধেক পানি নেয়, তখন আমরা সমীক্ষা চালিয়ে দেখে বুঝতে পারবো।

সূত্রঃ Click This Link

পঞ্চগড় তেঁতুলিয়ার ছবি ব্লগ (ভবিষ্যতের টিপাইমুখ বাঁধ এর পরিণতি কী হবে তার সামান্য চিত্র) : ( সৌজন্যেঃ শামসীরের ব্লগ)
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28958227 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28958227 2009-05-31 16:04:39
অনলাইনে বাংলাদেশী সংবাদপত্র পাঠে বিড়ম্বনা
এই মাত্র মানবজমিনে ক্লিক করে এই সমস্যায় পড়েছি। গত কয়েকদিন ধরে যুগান্তরেও একই সমস্যা।

পত্রিকাগুলোর এসব বিষয়ে নজর দেয়া দরকার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957991 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957991 2009-05-30 23:44:57
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়েও দেশে রাজনীতি! বিশেষজ্ঞরা কী বলেন। ...................................................................................................

ভারতের টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিপাইমুখ পর্যবেক্ষণে সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি পাঠানোর কথা বললেও তার বিরোধিতা করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর দাবি জানিয়েছে।

ক্ষমতাসীন দলের সিলেট অঞ্চলের মন্ত্রী-এমপিসহ বিএনপি ও জামায়াত নেতারা টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করলেও বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের পর বিরোধিতা যারা করছেন তারা প্রকৃত অবস্থা না জেনেই হইচই করছেন।
অন্যদিকে দেশের পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম নেতা অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ বলেছেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মিত হলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বাংলাদেশ। এ নিয়ে কোনো ধরনে বিভ্রান্তিতে না ভুগে দেশের মানুষকে নিয়ে সব রাজনৈতিক দল ও সরকারকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বিভিন্ন মহল সোচ্চার হলেও এর ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে তার কোনো তথ্য-উপাত্ত সরকারের কাছে নেই।

বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের উপকারের সম্ভাবনা দেখলেও ক্ষমতাসীন সরকারের সিলেট বিভাগের দুই মন্ত্রী এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন অনেক আগেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, টিপাইমুখে বাঁধে বাধা দেয়া প্রত্যেক বাঙালির কর্তব্য। সমজকল্যাণমন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ বলেছেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মরভূমি হয়ে যাবে। একটি দেশ আরেকটি দেশকে এভাবে বাঁধ নির্মাণ করে ঠেকিয়ে দিতে পারে না। বাংলাদেশ সরকারের এ ব্যাপারে ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানানো উচিত।

টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণে বিএনপির আপত্তির কথা জানিয়ে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ওই বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এর ফলে মেঘনা, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিপ্রবাহ হ্রাস পাবে, সৃষ্টি হবে মরুকরণ ও লবণাক্ততা। সিলেটের হাওর এলাকায় জলাবদ্ধতাও সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী গত ১৯ মে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ভারতের মনিপুর রাজ্যে নির্মীয়মাণ টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

২০০৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর টিপাইমুখ বাঁধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে ভারত। বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারার মূল নদী বরাকের টিপাইমুখ নামক স্থানে ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়াধীন নিপকো কোম্পানি এ বাঁধ নির্মাণ করছে। কিন্তু ভারতীয় বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার মতে, টিপাইমুখ প্রকল্পটি প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র পেতে ঝামেলায় পড়ে। সর্বশেষ ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে তারা ছাড়পত্র পেয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ বলেছেন, এ বাঁধ নির্মিত হলে যে ভয়াবহ পরিবেশ ও মানবিক বিপর্যয় হবে সে বিষয়ে এ দেশের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রথাগত কূটনীতির বদলে অর্থনৈতিক কূটনীতি অনুসরণ করে ভারতের সঙ্গে নদী ও পানিবিষয়ক সমস্যাদি সমাধান করার কোনো বিকল্প নেই। এ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চল শীতকালে শুষ্ক এবং বর্ষাকালে বন্যার কবলে পড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে ভূমিকম্প ও সুনামির আশঙ্কা। তাই দেশের জনস্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে ভারতের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানাতে হবে।

প্রখ্যাত পানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আইনুন নিশাতও অভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে। তবে আগে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে ভারত কী শুধু বাঁধ নির্মাণ করবে, নাকি ফুলারতল নামক স্থানে ব্যারেজও নির্মাণ করবে। বাঁধ করলে এক ধরনের প্রভাব পড়বে, সঙ্গে ব্যারেজ নির্মাণ করলে আরেক ধরনের প্রভাব পড়বে। তিনি মনে করেন, বাঁধ নির্মাণ করলে পানির প্রবাহ কমবে না কিন্তু এতে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। এর বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ওই অঞ্চলজুড়ে। তিনি বলেন, কী হচ্ছে আগে জানতে হবে।

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রখ্যাত পানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম মনোয়ার হোসেন বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মিত হলে মেঘনা বেসিনে পানি সরবরাহ কমে যাবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে পুরো মেঘনা অববাহিকা এলাকায়। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কোনো দেশ কোনো নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ করতে চাইলে ভাটির দেশের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু এখানে তা হচ্ছে না। ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনেক পরে গঙ্গা চুক্তি হয়েছে। এটা ঠিক নয়। আগে আলাপ-আলোচনা করে নেয়া উচিত। তিনি বলেন, এখন মূল কাজ হচ্ছে এ বাঁধ নিয়ে লেখালেখি করা, বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে আনা। এর কোনো বিকল্প নেই।

ভারতের মনিপুরে অভিন্ন বরাক নদীর ওপর এককভাবে ৫০০ ফুট উঁচু ও ১৫০০ ফুট দীর্ঘ বিশাল বাঁধ তৈরি করার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে ভাটির দেশ বাংলাদেশের কোনোই ক্ষতি হবে না এমন মন্তব্যের নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই। বরাকের স্বাভাবিক প্রবাহ রুদ্ধ করে সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা অধ্যুষিত বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না এমনটি বলার মতো কোনো যুক্তিও নেই।

অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ সাউথে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণারত জান্নাতুন নাহারের এক গবেষণা রিপোর্টে জানা গেছে, ভারতের মনিপুর রাজ্যের পাহাড় থেকে নির্গত হয়ে ৯৪৬ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বরাক, সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনার অভিন্ন নদীপ্রবাহ ভোলা জেলা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এর ২৭৭ কিলোমিটার ভারতের এবং বাকি ৬৬৯ কিলোমিটার বাংলাদেশের মধ্যে। ওই গবেষণা রিপোর্টে জানা গেছে, বাংলাদেশের ১/৬ অংশজুড়ে বিরাজমান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিশাল হাওরাঞ্চলে টিপাইমুখ বাঁধের কারণে ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দেবে, যা এক ফসলি হাওরাঞ্চলের কৃষিকে ধ্বংস করে ফেলবে। ভাটির দেশ হিসেবে শুধু বাংলাদেশই নয়, বরং এ প্রকল্পের ফলে খোদ ভারতেরই ২৭ হাজার ২৪২ হেক্টর বনভূমি বিনষ্ট হবে। আসাম, মনিপুর ও মিজোরামের ৩১১ বর্গকিলোমিটার ভূমি প্লাবিত হবে, যার অধিকাংশই আদিবাসী অধ্যুষিত।


বিস্তারিতঃ Click This Link

টিপাইমুখ বাঁধ যদি মরণবাঁধ ফারাক্কার মত হয়, তাহলে আমাদের কী হবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957970 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957970 2009-05-30 22:54:06
ভাগ্যের পরিহাস : চিড়িয়াখানার বদ্ধ খাঁচায় নীড় বাঁধবে কীভাবে?

চিড়িয়াখানার বদ্ধ খাঁচায় নীড় বাঁধার পর্যাপ্ত পরিবেশ না থাকায় মেঝেতে ডিম পেড়েছিল বকটি। কিন্তু বিধিবাম। শক্ত মেঝেতে পড়ে ভেঙে গেছে ডিম। ভাগ্যের নির্মম এ পরিহাসে ভর্ৎসনা করবে কাকে।

অগত্যা বাস্তবতা মানলেও মনতো আর মানে না। আর তাই মনমরা হয়ে চেয়ে আছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হারানোর বেদনায়।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা থেকে ছবিটি তুলেছেন আলোকচিত্রী মসিউর রেহমান বাদল।

সৌজন্যেঃ Click This Link

মনটা উদাস হল ছবিটা দেখে।

মুক্ত না হোক, অন্তত সাফারি পার্কে থাকলে বকগুলোর এই বেদনার্ত ভাব দেখতে হতনা। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957493 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957493 2009-05-29 18:23:45
টিপাইমুখে ড্যাম নির্মাণ হলে 'বাংলাদেশ লাভবান হবে' বা 'ভারতের ক্ষতি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হবে' ? ............................................................................................

ভারতের টিপাইমুখে ড্যাম নির্মাণ ও কাছাকাছি ফুলেরটালে ব্যারেজ নির্মাণ করে পানি প্রত্যাহার করা হলে তা বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট নদীর পানি প্রবাহে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের আশঙ্কা, এর ফলে পরিবেশ, কৃষি উৎপাদন ও নাব্যতার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে যা নতুন দারিদ্র্য সৃষ্টি করতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ও ওয়াটার রিসোর্সেস প্ল্যানিং অর্গানাইজেশনের সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী ইনামুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তাদের জানা তথ্যমতে সিলেটের জকিগঞ্জের অমলসীদ সীমান্ত থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে জলাধার নির্মাণের জন্য টিপাইমুখে ড্যাম তৈরি করা হবে। জলাধারের পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। বরাক, টিপাই ও ইরাং এ তিনটি নদী থেকে পানি নিয়ে বিশাল এলাকা নিয়ে ওই জলাধার নির্মাণ করতে হবে বলে তিনি জানান।

প্রকৌশলী ইনামুল হক বলেন, এছাড়াও বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে ভারতের ফুলেরটাল এলাকায় ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষিতে সেচ দেওয়ার জন্য পানি খালের মাধ্যমে প্রবাহিত করা হবে।

ইনামুলের মতে, "শুধু ড্যাম হলে পানির স্তর ধীরে ধীরে কমবে। কিন্তু ব্যারেজ হলে পুরোটাই ওদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।"

এ প্রকৌশলীর পর্যবেক্ষণ, এর ফলে ভাটিতে দুটো প্রতিক্রিয়া হবে। একটি হচ্ছে ডিসেম্বর থেকে পানি কমে এলে বাংলাদেশের হাওর এলাকায় যে জমি জেগে ওঠতো তা আর হবে না। এতে করে ডিসেম্বর থেকে ফেব্র"য়ারি পর্যন্ত ওই এলাকার জনসাধারণ যে আগাম বোরো চাষ করতো তা আর পারবে না।

আবার এর পর পরই মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ওই এলাকায় পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে আসবে। ইনামুল হক জানান, কুশিয়ারার পানি ২০ ভাগ কমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ ভারত ওই সময় নিজেদের কৃষির জন্য পানি প্রত্যাহার করে নেবে।

আইইউসিএন এর আবাসিক প্রতিনিধি পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, টিপাইমুখে ড্যাম তৈরি করা হলে প্রথম বর্ষায় বন্যার প্রকোপ কিছুটা কমবে। বর্ষার শেষ দিকে বন্যার আশংকা বাড়বে। আবার শুষ্ক মওসুমে পানির প্রবাহ বাড়ার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি বলেন, ভারত টিপাইমুখে ড্যাম তৈরির পর ফুলেরটালে ব্যারেজ নির্মাণ করতে পারে। এ ব্যারেজের মাধ্যমে তারা পানি প্রত্যাহার করতে পারে। তাতে বর্ষায় সুরমা-কুশিয়ারার পানির প্রবাহ অপরিবর্তিত থাকলেও শুষ্ক মওসুমে প্রত্যাহারের কারণে প্রবাহ কমতে পারে।

আইনুন নিশাত বলেন, "প্রবাহ কতোটা কমবে তা নির্ভর করবে যে খালের মাধ্যমে পানি প্রত্যাহার করা হবে তার ক্ষমতার ওপর। ক্ষমতা বেশি হলে শুষ্ক মওসুমে সুরমা-কুশিয়ারা একেবারে শুকিয়ে গেলেও বিস্মিত হবো না। এর প্রভাব চাঁদপুর পর্যন্ত পড়তে পারে।"

ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং এর এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ করা হলে অমলসীদে সুরমা ও কুশিয়ারার উৎসস্থলে জুলাই মাসে পানির স্তর এক মিটার নেমে যাবে। এতে ভাটিতে ভাঙন বেড়ে যাবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এতে করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে। আবাদী জমি হ্রাস পাবে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে কর্মসংস্থান কমবে। বিপরীতে দারিদ্র্য বাড়বে।

ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, ভারতের মনিপুর রাজ্যের টিপাইমুখে বরাক নদীতে ১৬২ দশমিক ৫ মিটার উঁচু ও ৩৯০ মিটার দীর্ঘ এ বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এ থেকে প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। এতে সেখানে প্রায় ২৭৫ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা স্থায়ীভাবে প্লাবিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের মণিপুর পর্বতমালায় জন্ম নেওয়া বরাক নদী সুরমা-মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ। এটি মনিপুর, মিজোরাম ও আসাম রাজ্য হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

বাংলাদেশের পরিবেশবাদী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিশেষজ্ঞদের অনেকে ভারতের এ বাঁধ প্রকল্পের সমালোচনা করে তা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
সূত্রঃ Click This Link

..........................................................
এরপরেও টিপাইমুখে ড্যাম নির্মাণ হলে 'বাংলাদেশ লাভবান হবে' বা 'ভারতের ক্ষতি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হবে' বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এসবের অর্থ কী?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957180 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28957180 2009-05-28 23:22:52
ম্যানইউকে বার্সা হারিয়ে দিল

খেলার ৭০ মিনিট। দারুন হেডে গোল করে মেসি বার্সাকে ২-০ তে জয়ী করে দিল। প্রথম গোল করেন ইতো ১০ম মিনিটে।

ম্যান ইঊ পাত্তাই পায়নি।

পুরস্কার বিতরণী দেখুনঃ http://www.justin.tv/sportswiixx
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28956774 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28956774 2009-05-28 02:38:13
তদন্তে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় জঙ্গিবাদ ও বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি !
প্রতিবেদনে স্বল্পমেয়াদী ৮ দফা ও দীর্ঘমেয়াদী ১৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরার পর কমিটির প্রধান আনিস-উজ-জামান এক প্রশ্নের জবাবে জানান, তদন্তে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় জঙ্গিবাদ ও বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিডিআর বিদ্রোহের মোটিভ ছিল- চেইন অব কমান্ড ধ্বংস করে বিডিআরকে অকার্যকর করা, সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে নির্যাতন ও হত্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সেনা কর্মকর্তাদের এই সংস্থায় প্রেষণে কাজ করতে নিরুৎসাহিত করা, সেনাবাহিনী ও বিডিআরকে সাংঘর্ষিক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে দেওয়া, সামগ্রিকভাবে সেনা বাহিনীর ক্ষতি করা, নবনির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করা, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা, বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দেশের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত করা।

সংবাদ ব্রিফিঙে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ, স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান সরকার, বিডিআর'র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রঃ Click This Link

৭ পৃষ্টার প্রতিবেদন পড়ুনঃ http://www.bdnews24.com/upfile/27-05-2009.pdf

তদন্তে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় জঙ্গিবাদ ও বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি !!!!!

দেশি কারা কারা জড়িত- সেটা বের করেনি কেন সরকার? আপনারা কী মনে করেন?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28956574 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28956574 2009-05-27 17:40:28
বালকের গরু রচনা, সরকারের জে এম বি ভীতি এবং অতঃপর -৩য় পর্ব (বিডিআর বিদ্রোহ) গরুর ৪ টি পা, ২টি শিং। গরু ঘাস খায়..................।

এরপর যে রচনাই লিখতে দেয়া হয়, সে গরু রচনায় নিয়ে যায়।
................................................................................................
পিলখানার হত্যাকান্ডে সেনা তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে 'জঙ্গী সম্পৃক্ততা
নেই'।

অথচ পিলখানায় সেনা অফিসার হত্যাকান্ডের পর তদন্ত কমিটিগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান তদন্তকালীন সময়েই জনগণকে 'বালকের গরু রচনা'র মত করে 'এই ঘটনায় জঙ্গী সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে' ঘোষণা দিয়েছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন - ২য় পর্বে Click This Link

ফেল্টু ছাত্রের মত 'গরু রচনা' লিখে পরীক্ষায় আন্ডা পেলেও সরকার নির্লজ্জ্বের মত এখনো 'বিডিআর ঘটনায় জঙ্গী' জড়িত থাকার কথা বলেই যাচ্ছে।

দেখা যাক, তাদের কিছু কথাঃ (সূত্রঃ বিডি নিউজ) Click This Link

আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, "পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টটি যদি সত্য হয় তাহলে বলব সত্যকে আড়াল করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এটা করা হয়েছে।"

আশরাফ বলেন, প্রতিবেদন থেকে তাদের মনে হচ্ছে বিডিআর ঘটনা নিয়ে ধুম্রজাল ছড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের জড়িত করে সরকারই বিডিআর ঘটনার জন্য দায়ী একথা প্রমাণ করাই এর উদ্দেশ্য।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বিডিআর ঘটনায় জঙ্গীবাদের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, "ঘটনার সময় অনেকের মুখে ভিন্ন তিন রংয়ের রুমাল দেখা গেছে যা দেশের একটি জঙ্গী সংগঠনের পরিচিতি চিহ্ন।"
_____________________________________________

অবাক কান্ড, সরকার জনগণকে সেই একই রচনা গিলতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে !!!!
হায়রে সেলুকাস! কী বিচিত্র আমাদের রাজনীতি !!!!!!!!!!!!!!! ??????






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28952404 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28952404 2009-05-18 18:00:45
আসুন এই সৎ মানুষ থেকে শিক্ষা গ্রহন করি
জামালপুরের রামনগর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন পথে কুড়িয়ে পাওয়া এক লাখ টাকা তার প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে সততার পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছেন। টাকার প্রকৃত মালিকের জন্য তিনি পথের ধারেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেছেন।

মোটা অংকের অর্থের লোভ সামলে ওঠা যে কারো পক্ষেই কঠিন। অতীতে শিশুশিক্ষা ও ধর্মশিক্ষায় কতগুলো নৈতিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হতো। সদা সত্য কথা বলা, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করার মতো বিষয় আদর্শ শিক্ষার অন্তর্গত ছিল। পরের ধন হরণ করা এই আদর্শ শিক্ষার বিরোধী ছিল। জামালপুরের রামনগর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন দেখালেন আদর্শ শিক্ষার মর্মবাণী এখনো আমাদের সমাজ থেকে একেবারে উঠে যায়নি।

শিক্ষকের এই সততা আমাদের প্রত্যেকের মনের মধ্যে বাস করা সৎ, নির্লোভ ও আদর্শবান বিবেককে জাগ্রত করুক। তিনি যেভাবে হারিয়ে যাওয়া অর্থের প্রকৃত মালিকের জন্য পথের ধারে অপেক্ষা করেছেন, তা আধুনিক যুগের এক রূপকথাবিশেষ। রামনগর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেনকে লাখো সালাম।

সুত্রঃ http://www.shamokal.com/details.php?nid=112341

আমরা কী এ থেকে শিক্ষা নেব?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28950833 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28950833 2009-05-14 21:34:11
বালকের গরু রচনা, সরকারের জে এম বি ভীতি এবং অতঃপর - ২য় পর্ব গরুর ৪ টি পা, ২টি শিং। গরু ঘাস খায়..................।

এরপর যে রচনাই লিখতে দেয়া হয়, সে গরু রচনায় নিয়ে যায়।

বিস্তারিত পড়ুন - ১ম পর্বে
Click This Link
.............................................................................................

যাই হোক, পিলখানায় সেনা অফিসার হত্যাকান্ডের পর তদন্ত কমিটিগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান তদন্তকালীন সময়েই জনগণকে 'বালকের গরু রচনা'র মত করে 'এই ঘটনায় জঙ্গী সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে' ঘোষণা দিয়েছিলেন।

কিন্তু, পিলখানার হত্যাকান্ডে সেনা তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে 'জঙ্গী সম্পৃক্ততা নেই'।
এ নিয়ে পড়ুন ইত্তেফাক, প্রথম আলো সহ আজকের পত্রিকাসমুহ।
Click This Link
Click This Link
.............................................................................................

অথচ, পিলখানার ঘটনায় সরকার পরীক্ষার খাতায় 'এতে জঙ্গীরা জড়িত' বর্ণনা করে রচনা লিখেছে।

এখন, পরীক্ষক হিসাবে সম্মানিত ব্লগাররা (ও জনগণ) সরকার কে উক্ত রচনায় কত নম্বর দেওয়া যায় বলে মনে করেন?

বিঃ দ্রঃ রচনাটির পূর্ণমানঃ ২৫। পাস নম্বরঃ ৯।

দয়া করে পরীক্ষক হিসাবে আপনার নম্বর দিন ও মন্তব্য দিন।







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28950796 http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28950796 2009-05-14 18:58:19