আমার প্রিয় পোস্ট

কতো কী করার আছে বাকি..................

রাংলাই এর সাক্ষাৎকার

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২

শেয়ারঃ
0 0 0

বন্য শুকর তাড়িয়ে আর পাহাড়ে জুম চাষ করতে করতেই তার বেড়ে ওঠা। পাহাড়ের পথেই তার সাবলিল কিন্তু কঠিন জীবন অতিবাহিত হত। কিন্তু পাহাড়ের সেই সন্তান, রাংলাই ম্রো, এখন দূর্বল-মুখ পাংশুটে- একটানা কয়েক মিনিটের বেশি কথা বলতে পারেন না ।

এটা শুধুমাত্র আমাদের ভূমি, বা অধিকারহরণের বিষয় নয়। আমরা এই ভূমিতেই আমাদের পূর্ব পুরুষদের দাহ করি এবং তাদের ছাই একটা নর্দিষ্ট জায়গায় সংরক্ষণ করে তাদের পূজা করি, রাংলাই বলেন। একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস নেয়ার জন্যে তাকে থামতে হয়।

রাংলাই ম্রো হচ্ছেন ম্রোদের নেতা- চাকমা, মারমা, টিপরাদের পরে দেশের চতুর্থ বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী- সংখ্যায় প্রায় ষাট হাজার যাদের বেশিরভাগই বাস করেন বান্দারবানে।

মানুষ সাধারণত ম্রোদের অর্ধ উলঙ্গ বা বর্বর বলে অবিহিত করে কিন্তু যখনই এবং যেখানেই আমরা বসতি করতে যাই, আমাদের বাধা দেয়া হয়, সবসময়ই পাঠিয়ে দেয়া হয় দুর্গম পাহাড় এবং জঙ্গলে। রাজধানীর একটি হাসপাতালের বিছানায় বসে রাংলাই এসব কথা বলেন।

রাংলাই বান্দারবানের থানচি উপজেলার সুয়ালোক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, গত বছরের চব্বিশ ফেব্রুয়ারি কোন প্রকার মামলা ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বহনের মামলায় অভিযুক্ত করা হয় এবং সতের বছরের জন্য কারান্তরীণের শাস্তি সাব্যস্ত হয়।

মজার বিষয় হচ্ছে, পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়, যে পিস্তল পাওয়া গেছে রাংলাইয়ের ঘরে তা নষ্ট এবং বুলেট ছিল ব্যবহৃত।

ডিটেনশনে থাকা অবস্থায় রাংলাইয়ের ওপর এতো অত্যাচার করা হয় যে কোর্টে বিচারের সময় তার দাঁড়াতেই কষ্ট হত। অত্যাচারের ফলে তার ভেতরের ধমনীর রক্তক্ষরণ হয় এবং কথা বন্ধ রাখা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। তাকে জেলে পাঠানোর পূর্বে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের হৃদরোগ ইউনিটে রাংলাই তিন দিন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মৃত্যুর কাছাকাছি বেঁচে ছিলেন।

এবছর জানুয়ারির তেরো তারিখে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

ডেইলি স্টারের সাথে কথা বলতে গিয়ে রাংলাই বলেন তারা কিভাবে পিছিয়ে আছে সরকারি অবহেলার কারণে, যা মূলত বাংলা ভাষাভাষি লোকদের দ্বারা পরিচালিত, যারা সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি।

মাত্র ৬০-৭০ জন ম্রো সরকারি চাকুরি করে, মাত্র দুইজন পুলিশ কনস্টেবল। গত বছরই প্রথম তিনজন ম্রো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ পায়।

রাংলাই জানান চট্রগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের আঞ্চলিক বা জেলা কাউন্সিলেও ম্রো আদিবাসীদের কোন অবস্থানই নেই এমনকি শান্তি চুক্তির পরেও গত আওয়ামিলীগ সরকার নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পূর্বে তাদের একজনকে জেলা কাউন্সিলের সদস্য পদ দেন যার উদ্দেশ্য ছিল ভোট জোগাড়। ম্রোদের প্রায় বিশ হাজার -পঁচিশ হাজার ভোট আছে।

আমাদের বেশি কিছু চাওয়ার নেই। আমরা দুর্গম পাহাড়ে বাস করি কিন্তু সেখান থেকেও আমাদের উচ্ছেদ হতে হয়। আমরা কোথাও স্থির হতে চাই, রাংলাই বলেন। কিন্তু রাষ্ট্র আমাদের সহযোগীতা করছে না। আমাদের বারবারই দেশের সীমান্তের দিকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

পূর্বে কাপ্তাই বাধ নির্মাণের সময় ম্রোদের উচ্ছেদ করা হয়। তখন তারা বান্দারবানে স্থানান্তরিত হয়।

ম্রোরা শান্তি প্রিয়। আমাদের কোন সামর্থ্য বা মানসিকতা নেই যে আমরা রাষ্ট্রের কৌশলের বিরুদ্ধে লড়াই করবো। আমরা কি করতে পারি যখন সরকারই আমাদেরকে গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। রাংলাই বলেন।

গ্রামে নিজেদের পূজনীয় স্থান ছেড়ে দেয়ার পূর্বে আমার লোকেরা জিজ্ঞেস করছিল কিভাবে তারা পূর্বপুরুষের পূজা করবে। আমি তাদের উত্তর দিতে পারিনি। আমাদের কি কোন অধিকার নেই মরে যাওয়া আমাদের পূর্বপুরুষের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের। রাংলাই বলছিলেন, অশ্রু তখন তার দুই গন্ডে।

তিনি দাবি তোলেন সুয়ালোক ইউনিয়নের সাড়ে এগার হাজার ভূমির মালিকানা পূনর্বন্টনের যা ১৯৯০ সালে সরকার গোলন্দাজ বাহিনীর ট্রেনিং এর জন্য অধিগ্রহন করেছিল। এ জন্য অনেক আদিবাসী এবং বাঙালি এর ক্ষতিপূরণ পেলেও সেই সময়ে সাড়ে এগার হাজার ভূমির পূনর্বন্টন হয়নি।

রাংলাই বলেন আজ ষোল বছর পরে তারা আমাদের বলছে কোন পুনর্বাসন ছাড়াই ওই জায়গা ছেড়ে দিতে।

এই সময়ে প্রায় দুশোর অধিক বাঙালী এবং আদিবাসী পরিবারকে তাদের গ্রাম ত্যাগ করতে হয় তার মধ্যে আছে, দেব পাড়া, গয়াল পাড়া, ভাগ্যকুল, মুসলিম পাড়া, হিন্দু পাড়া, হাতি ডেরা, দেওয়াই হেডম্যান পাড়া, চিনি পাড়া, কাসাবাটলি, ছিং-ছং পাড়া, রামরি পাড়া,শোংখাই পাড়া, বাতিয়া পাড়া, এবং উদার বন্যা পাড়া যা থানচির টংকাবতি এবং সুয়ালোক ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত।

এটা ছিল ঠিক চাষের পূর্ববর্তী সময়। তারা সবাইকেই তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াল গ্রাম থেকে যাদের শেষ আশ্রয় হল শীতের খোলা আকাশ। তিনি বলেন।

রাংলাই সিভিল ও সামরিক লোকগুলোর সাথে এই উচ্ছেদ বন্ধের জন্য যুক্তি করেছিলেন। তিনি আরো বলেন আমি এই ঘটনার বিরোধিতা করি আমি বিশ্বাস করি এ জন্যেই আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সেই গ্রামবাসীরা এখন কোথায়। রাংলাই বলেন, আমার গ্রামের কিছু লোক এবং দেওয়াই হেডম্যান পাড়া ওয়াই জংশনের কাছে তাদের ঘর তুলেছে যা বান্দারবান থেকে রুমা বাজার যাওয়ার পথে পড়ে। বাকিরা জঙ্গলে বা পাহাড়ে চলে গেছে।

ডেইলি স্টারে ১৪ই ফেব্রুয়ারি,০৯-এ প্রকাশিত পিনাকি রায়ের লিখা থেকে।

এ প্রসঙ্গে আমার একটি লিখা

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ম্রো ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
মাইবম সাধন বলেছেন: হুম! স্পষ্টত চোখে ভেসে উঠছে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার উপর অত্যাচার। অমানবিক রাষ্ট্রযন্ত্রের ৌদ্ধতাচরণ..

'অত্যাচারের ফলে তার ভেতরের ধমনীর রক্তক্ষরণ হয় এবং কথা বন্ধ রাখা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। তাকে জেলে পাঠানোর পূর্বে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের হৃদরোগ ইউনিটে রাংলাই তিন দিন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় প্রায় বেঁচে ছিলেন'- বেঁচে থাকবেন..

শোকেসে নিয়ে গেলাম। ধন্যবাদ।
২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২
তর্পন বলেছেন: খুব কষ্টকর! ড: জাফর ইকবালের একটি লেখা ছিল এ প্রসঙ্গে যেটা প্রখম আলোতে প্রকাশিত হয়েছিল । কেউ লিংক টা পেলে ব'লেন।
৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
ফালতু মিয়া বলেছেন: শান্তিবাহিনীর অত্যাচারে এই পাহাড়ী দুস্যুদের আমি ঘৃণা করতেই শিখেছি। দেশ ও স্বাধীনতার শত্রু এরা ভারতের চর। আমার প্রিয় বন্ধু বিডিআর তাদের কর্মকান্ডের নিখুত বর্ণনা দিয়েছে। পরবর্তীতে সে তাদের হাতেই নিহত হয়। আমি আজও তা ভুলতে পারি না। আপনার মায়া কান্না দেখে অবাক হলাম না কারণ কারা দালাল তা জানতে কষ্ট হয় না।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার প্রিয় বন্ধু বিডিআর মানে বুঝি নাই। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আপনার প্রিয় বন্ধু বিডিআরে কাজ করে। তার নিহত হওয়ার বিষয়ে আমিও দুঃখিত। ঠিক যেমনি দুঃখিত সীমান্তে নিহত মানুষের লাশ দেখে। কিন্তু সে আপনার বন্ধু-সে মানুষ। রাংলাই ম্রোরাও মানুষ।

ভারতের চর বলছেন-ভারত কোথায় নেই। তার কথিত চরের বিরুদ্ধে রোষাগার মানবতার বিরুদ্ধেই কি মানবতার বিরুদ্ধেই যায় না। ওই ষাট হাজার ম্রো ভারতের চর। আর সরকার ভারতের বিরুদ্ধে বলে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে চায় বলতে চান।

আর আমি কাঁদছি না। ভাবছি। কিছু মানুষ নিয়ে, তারা এতো বিজ্ঞ-কে চর আর কে ভালো কতো সহজেই বুঝে যায়। এই চর চিহ্নিত করণে আপনার সহযোগীতা যেন পাই ভবিষ্যতে।

৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: ফালতু মিয়া, রাংলাই ম্রো কি শান্তিবাহিনীর ছিল, শুয়োরছানা? ... শান্তিবাহিনী কেমনে তোরে আর তোর ারে ুন্দাইলসিলো সেই কাহিনী লিখ্, পড়ুম।
৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১১
মিলটনরহমান বলেছেন: লেখা নিয়ে বিতর্ক হবে
তারপর দাঁড়াবে পুরো একটি দলিল
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: হা......বিভেদ তৈরির এক সংস্কৃতিতে আমরা পড়ে গেছি। সবাই শোষিত তবুও সবাই বিচ্ছিন্ন।

৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ধন্যবাদ, চমৎকার পোস্টের জন্য।

আরো বেশিবার পঠিত হলে ভালো লাগতো। ফালতু মিয়ার মতো অবস্থান দেখেছি আমার পরিচিত অনেক বাঙালি বন্ধুর। তাদের প্রশ্ন করেছি: ৭১ এর ভূমিকার জন্য পাক হানাদার বাহিনীর প্রতি আমাদের ঘৃণা তা কি শুধু আমরা বাঙালি সে কারণে? না-কি ওরা অন্যায়ভাবে আমাদের উপর নির্যাতন করেছে সে কারণে?

আজ কি বাঙালিরা অন্য জাতির উপরে নির্যাতকের ভূমিকা নিচ্ছে না? আজ কি বাঙালিরা সে সময়ের পাকিস্তানিদের মতই আচরণ করছে না?


মানি- সবের মূলেই রাষ্ট্রযন্ত্রের ভূমিকা। কিন্তু এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই যে- রাষ্ট্রযন্ত্র তো আজ বাঙালিদের কবজায়। তাই মনে করি- রাষ্ট্রযন্ত্রের এই নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে- নির্যাতিত ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পাশে না দাঁড়ালে - কোনভাবেই বাঙালিরা "ঘৃণ্য নির্যাতক" এর অভিযোগ থেকে পরিত্রাণ পাবে না।


আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
দস্যু বনহুর বলেছেন: ফালতু মিয়াদের মতো ফালতু লোকদের জন্য আমরা আজ অন্যদের কাছে ফালতু জাতিতে পরিণত হতে চলেছি। পোস্টে প্লাস।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: এই প্রথম আপনাকে আমার ব্লগে পেলাম।
ধন্যবাদ।

৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
সৌম্য বলেছেন: শুভ্র ভাই। গত সপ্তাহেই থানছিতে ছিলাম। আমার স্বল্প অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি পাহাড়ে একেকটা জাতি গোষ্ঠি একেক রকম। ম্রো আর বম রা একই জায়গায় থাকলেও অনেক পার্থক্য।

পাহাড়ে মানবাধিকার নিয়ে আমরা বড় বড় কথা বলছি, কিন্তু একটা জিনিস আমাকে খুব বেশী কষ্ট দেয় সেটা চিকিতসা ব্যাবস্থার ভয়ানক অব্যাবস্থপনা। উপজেলা সদর ছাড়া কোথাও হাসপাতাল তেমন নেই। পাহাড়ে এমন গ্রামে রাত কাটাতে হয়েছে যেখানে কেউ বাংলা জানেনা। ওদের কাছে মানবাধিকার শব্দটা অপরিচিত। কিন্তু ম্যালেরিয়াতে সন্তানহারা ন্যূ (ম্রো শব্দ- মা) এর কান্না সহ্য করা মুশকিল।

পাহাড়ে ওদের একধরনের এসোসিয়েশান বেশির ভাগ গ্রামেই আছে, যেমন ইয়ং বম এসোসিয়েশান, ইয়ং ম্রো এসোসিয়েশান। এদেরকে মাঠপর্যায়ে ট্রেনিং দেয়া, কিংবা মাসখানেকের মতো একদম বেসিক ওষুধ গুলো দিয়ে দেয়া যায়। সব গ্রামেই একজন কারবারী থাকে। কারবারীরা হেডম্যানের কাছে রিপোর্ট করে। হেডম্যান করে রাজার কাছে। একটা চেইন আছে। এটাকেও কাজে লাগানো যায়। চিকিতসা ব্যাবস্থা অপ্রতুল বললে কম হয়। আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় তো ওখানে যায় না। গভীরে ওরা বাঙ্গালী দেখেই খুব কম। রোগ হলে ওষুধ খেতে হবে এই ধারনাটা তৈরি করা প্রয়োজন।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: সৌম্য ভাই কেমন ঘুরলেন-পোষ্ট দিয়েছেন নাকি। আপনার চিন্তা অবশ্যই ইতিবাচক। আমিও ভাবছিলাম। কিন্তু ওই ভাবনাইতো-তারপরও সুযোগ আছে-কিছু করার সুযোগ আছে-তবে সময় লাগবে একটু। আপনার মতামতটি আমি কয়েকজনকে জানাবো।

কিন্তু চিকৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রেও আমার মনে হয়-স্থানীয় চিকিৎসা পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। তবে ম্যালেরিয়া বা গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে উদ্যোগ থাকাই উচিত। এই বিষয়ে আপনার আরো মতামত চাইছি। সম্মিলিত একটা উদ্যোগ গ্রহণ করাই যায়- কি বলেন।

৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
তনুজা বলেছেন: শুভ্র লেখাটা আগেই পড়ে গেছি , মন্তব্য করিনি , কারণ বলার তো কিছু নেই কথাগুলো এরকম হবে জানাই ছিল

তারপরও তথ্যের আকারে পেলাম, তাই ধন্যবাদ
বিশেষ বিশেষ কমেন্ট দেখে ঘৃণা হয়, কি আক্রমণাত্মক! কার কাছে বিবেক বাঁধা আছে বলেন তো ? কোন কিছুই কি স্বাভাবিক মানবীয় চোখে দেখতে জানেনা
মানুষ বোধহয় আসলে দুটো গোষ্ঠী শুভ আর অশুভ। সবকিছু মেরুকরণ হয়ে যাচ্ছে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুয়েল ভাই।

১২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
আমি ও আমরা বলেছেন: একটা সংখ্যাগরিষ্ট জাতির অবহেলার কারনে এই লঘুরা যদি বিপ্লবের ডাক দেয় তখন কি হবে? আমরা নিজেরাই নিজেদের বিপদের খাল কিন্তু কাটছি। আমার খুব খারাপ লাগে এটা ভাবতে যে এরাও বাংলাদেশী, কিন্তু অনেক কিছুতে তারা অনেক পিছিয়ে আছে সামর্থ থাকা সত্ত্বেও। এটা আমাদের অবহেলার একটা কারন।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: গরিষ্ঠ আর লঘু-হিসেবটা আপত্তিকর। কারণ একজন হলেও মানষ। তার নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে।

আর গোটা মানব জাতির মুক্তি থেকে কোন মুক্তিকেই বিচ্ছিন্ন করা ঠিক না।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৫৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সব কিছু খর লাগে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই