আমার প্রিয় পোস্ট

কতো কী করার আছে বাকি..................

এ মাসের জন্য আড়াই হাজার বছর পেছনে চলে যাচ্ছি।

১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0



এদ্দিন যে কাজটা করতাম তা ছেড়ে দিয়েছি। নতুন আরেকটা কাজে যোগ দেয়ার আগে মাস দুয়েক একটা গবেষণা কর্মে যুক্ত হবো। ছাত্রাবস্থায় সেখানে টানা তিন বছর কাজ করেছি। পড়াশোনা শেষ করার পর নানাবিধ ঝামেলায় এবছর যাওয়া হয় নি। কিন্তু টানছিল, ভীষণ টানছিল কাজটা। তাই আরেকটা প্রতিষ্ঠানের যোগ দেয়ার সময়টুকুর মাঝখানটা হেলায় ফেলে না দিয়ে কাজে লাগানোর ধান্দায় চলে যাচ্ছি সেখানে।

যেই কাজে যাচ্ছি তাকে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা বললে সবাই বুঝবে। কিন্তু এর রোমাঞ্চটা টের পাবে না। আড়াই হাজার-এরও বেশি পুরোনো একটা সভ্যতা, নিজেদের দেশের মাটির নীচে হরেক রহস্য আর সম্ভবনা নিয়ে লুকিয়ে আছ। খুঁড়ে খুঁড়ে তা বের করার শিহরণটুকু তো আর প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা শব্দটায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু আমাকে ডাকছে-ওই মাটির নীচের রহস্য ভীষণভাবেই আমাকে ডাকছে। পারছি না আর থাকতে। তা-ই চলে যাচ্ছি। আবিষ্কারের নেশা যে সব কিছুকেই ছাড়িয়ে যায়।

মনে আছে একবার ঘড়া ভর্তি মুদ্রা পেয়েছিলাম। রুপার মুদ্রা। খুঁড়তে খুঁড়তে দুই আড়াই মিটার মাটির নীচে। আড়াই হাজার বছরের পুরোনো মুদ্রা। খালি গবেষণা কর্মের অভাবে বলা যাচ্ছে না, নইলে আমার জানি, বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন মুদ্রা এগুলো। এতো পুরোনো সময়ের মুদ্রা প্রাপ্তির খবর কোথাও পাওয়া যায় না। তো সেই ঘড়া ভর্তী মুদ্রা প্রথম দিনে অর্ধেক খুঁড়ে বের করতে করতেই সন্ধ্যা। চলে আসতে হল ক্যাম্পে। সারারাত ঘুম নেই-পাহারায় আছেন কয়েকজন। পরদিন সূর্যকে হার মানিয়ে তার আগেই আমরা হাজির ট্রেঞ্চে-কি যে এক উত্তেজনার মধ্যে বের করতে হয়েছে-হোর্ডটা। লিখে কি আর তা বোঝানো যায়।

আরেকবার উত্তেজনায় কেটেছে গর্ত বসতি পাওয়ার আগে। আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন চার হাজার বছর আগে মানুষ গর্ত করে তাতে ছাউনি দিয়ে বাস করত। আমারও কিভাবে যেন পেয়ে গেলাম এমনই এক বসতি। প্রায় তিন মিটার নীচে। প্রথমে বুঝিনি। একটা গর্ত সাদা প্রলেপ দেয়া-কি হতে পারে। অর্ধেক কাজ বাকি রেখেই ক্যাম্পে ফিরে এলাম। স্যার সারারাত ভরে পড়লেন এটা ওটা কি যেন বই। আমরা হাসলাম-ভাবলাম, কি হতে পারে। আবারো ঘুমহীন রাত। ভোরে উঠলাম-ট্রেঞ্চে গেলাম। স্যার বললেন, হতে পারে এটা গর্ত বসতি। ভারতের ইনামগাঁও বা কিছু কিছু জায়গায় এমনটা পাওয়া যায়। প্রায় মরুভূমি কিংবা শুষ্ক অঞ্চলে এমন বসতি পাওয়া যায়। এখন গবেষণার পালা ওই সময়ে এই অঞ্চলে এমন পরিবেশ ছিলো কি-না।

রাস্তা পাওয়ার উত্তেজনা লিখতে গেলে লম্বা হয়ে যাবে। সম্প্রতি পাওয়া গেছে একটা ইটের স্থাপত্য অনেকটা পিরামিডের উল্টা আকৃতির। ভারতের কিছু কিছু জায়গায় এমন স্থাপত্য দেখা যায়। কিন্তু আকার এবং ইটের বিন্যাসে-এই স্থাপত্য এক বিস্ময়। দুই বছরে বের করেছি এই স্থাপত্য। এখনো ঢাকা শহরের গ্যাঞ্জামের মধ্যে হঠাৎ করেই মনে পড়ে যায়। তুমুল তর্ক চলছে আমাদের-কেউ বলছে এটা কবর, কেউ বলছে বাঙ্কার, বেশির ভাগই মন্দির। আমি ছিলাম কবরের পক্ষে। শেষমেশ কবর মেলে নি। রহস্যই থেকে গেলো।

সেই রহস্যের টানেই আবারো যাচ্ছি। আমাদের দেশে এমন গবেষণার নজির নেই। মহাস্থানগড় বা ওই সমস্ত স্থানে ফ্রান্স টিম খনন করে-বা গবেষণা করে। কিন্তু কি করে না করে ওরাই জানে, আমাদের কিছু জানায় না। আর সরকারি অধিদপ্তর কতো জিনিস যে নষ্ট করে-না দেখলে বুঝবেন না। আমাদের যেহেতু একাডেমিক জ্ঞান আছে-আমরা যত্নও নিতে জানি। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি-কিভাবে করি, যারা যাবেন হাতে কলমে দেখিয়ে দিবো।

এই সভ্যতার নাম উয়ারি-বটেশ্বর। উয়ারি হচ্ছে দুর্গ নগরি। তাকে কেন্দ্র করে আশপাশে আরো অনেক নগর বা বসতি গড়ে উঠেছে। এই সভ্যতার সাথে যোগাযোগ ছিলো রোমান সভ্যতার। মনে করা হয় আলেকজান্ডার এই বঙ্গে যাদের ভয় পেয়ে চলে গিয়েছিলেন তাদেরই খুঁজে বের করেছি আমরা। কাজ করতে গেলেই যখন হাতের মুটোয় মাটি উঠে আসে, আর টের পাই এই মাটি আমার শেকড়ের, আমার ইতিহাস, কতো মানুষ আজ কেবলই ইতিহাস হয়ে মাটি হয়ে গেছে, আর তার খানিকটা আমার হাতের মুঠোয়। এতো রোমাঞ্চ কোথায় রাখি বলেন।

ও, বলাই হয়নি, সভ্যতাটা পাওয়া গেছে নরসিংদীতে। এখানে পাবেন অনেক কিছু। । কাজ শেষ করে আসা পর্যন্ত ব্লগে আসার সুযোগ কম। আর যারা দেখে আসতে চান দেশের সভ্যতা আর ইতিহাস, তারা বিনা দ্বিধায় চলে আসুন। তবে এ মাসের মধ্যেই।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: লিখাটি বার বার ঝামেলা করছিল। তাই আবারো পোষ্ট দিলাম। ...


দুঃখিত।
২. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: যান। টাইমে মেশিনে ঘুইরা আসেন।
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: হা যাওয়ার সময়কার গল্প আরেকদিন। যাইতে হয় পুরানা বাসে চইড়া, টাইম মেশিন-ই বটে।

১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি বলতে হবে না। ওই জায়গার সবকিছুই গুড। আর পুরোটাই লাক। সারাদিনে হয়তো খালি মাটিই খুঁড়ে গেলেন। আর কোনদিন মাটিই খুঁড়তে পারলেন না-ফাইন্ডিঙস সামলাতে সামলাতে।

৪. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ওয়াও!!!!! গ্রেট... আপনার কাজতো দুর্দান্ত... :) ... প্রত্নতত্ত্ব আমাকে খুব প্রবলভাবে আকর্ষণ করে... উফ.. কি এক্সাইটিং লাগছে... খুব সুন্দর অনুভূতির মধ্য দিয়ে আপনার দিনগুলো কাটুক এই প্রত্যশা... উয়েরী-বটেশ্বরী নিয়ে আশা করছি আপনার থেকে অনেক গল্প শুনতে পারব... তার প্রতীক্ষায় রইলাম... :)
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: আরে চলে আসুন। ঢাকা থেকে খুব কাছে-দিনে গিয়ে দিনেই চলে আসতে পারবেন। গল্প না হয় শুনলেন কিন্তু দেখার মজাটা নষ্ট কবেন কেন।

৫. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: শুভ্র ভাই নিয়ে যাবেন?
পুরোটা সময় তো থাকতে পার্বো না, অন্ততঃ একদিনের জন্য হলেও গেলাম, দেখে আসলাম আপ্নেদের কাজ?
মেইলাইডি রাইখা গেলাম raehatuzzahar@জিমেইল.কম ইচ্চা হৈলে ডাক দিতে পারেন।
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: ওক্কে।

৬. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
রোহান বলেছেন: আমিও যাবো ঠিক করছি এক ফাঁকে :)
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। কোন ভুল নাই।

৭. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: পুরান বাসে যান ক্যান? নতুন বাসে যাইবেন এখন থেইকা।
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: লোকাল বাসের মতোই। নতুন আর পুরোনো যাই হোক।


আর একটু ফ্লেভার দিলাম বুঝেন না কেন।

৮. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: কতদিন কাজ চলবে?? খুব যাওয়ার ইচ্ছে আছে ... কিন্তু এখন তো যেতে পারব না... :( ... অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে থাকা হবে অনেকদিন :(
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: আমি থাকবো..পরশু থেকে অন্তত ২০ দিন। এর মধ্যে যে কোন সময়ে....


পরেও যাওয়া যায়.কিন্তু তখন আসলে গবেষকরা কেউ থাকবেন না। বর্ষায় খনন বা সংরক্ষণ সম্ভব হয় না।

৯. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: প্রসুন লন নেক্সট শুক্রুবারে যাই গিয়া
১০. ১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
রোডায়া বলেছেন: গেলে কিভাবে যেতে হবে? কবে গেলে ভালো হবে?
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: যাওয়টা খুব সহজ। মহাখালি থেকে বাস পাবেন। নরসিংদীর বাস। মরজাল নামক জায়গায় নামতে হবে। তারপর রিকশা। মরজাল নেমে খনন এলাকায় যাবো বললেই হবে।

১১. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আপনি তো ভাই দুর্দান্ত কাজ করেন। চমৎকার।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ।

১২. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: কাক ভাই.. কবে যাইতে চান??
ক্যামনে যায়??
কতক্ষণ লাগে??
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: হ...যারা যারা যাবেন কাকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

১৩. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী বলেছেন: যাবার আগে ফোনে যোগাযোগ করতে চাই। আমার নম্বর ০১৫৫২৪৯৮৮০৪. নামাজের সময় বাদ দিয়ে যে কোন সময় ফোন করতে পারবেন। ঐ সময়টা ফোন সাইলেন্ট রাখি। ধন্যবাদ
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: যাবার আগে না বস গিয়েই আপনার সাথে যোগযোগ করছি। আমার সাথে যাওয়াটা বিব্রতকরও হতে পারে।

১৪. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
নেক্সাস বলেছেন: শুভ্র ভাই পড়ে রোমঞ্চিত হয়ে পড়ছি।দেশে থাকলে অবশ্যই আপনাদের কাজ দেকেহ আসতাম...
আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: হুমমমমমমমমমমমম...দেশেও যে কতো বড় কাজ হয় তা দেখে আইসেন একদিন।

১৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪০
লীনা দিলরূবা বলেছেন: শুভ্রতো ভালই আছ.........ইহ-জীবনে এমন কাজের সুযোগ পাবোনা। সাবধানে থেকো।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: হুমমমমমমমমমম

সাবধানেই থাকবো।

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: হুমমমমমমমমমম....আমি জানি অনেকেই রোমাঞ্চিত।

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সময় করে নিতে হয়।

আপনারে দেইখা ভাল্লাগলো।

১৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫০
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: যেভাবে লিখেছেন রোমাঞ্চিত না হয়ে উপায় নেই। যেতে খুব মন চায় কিন্তু :(
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আরে চইলা আসেন। পারলে চাইলা আসেন। আপনারে দেখি না ক্যান। ব্যস্ত নাকি।

১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫২
লুথা বলেছেন: চিন্তা করতেছি চলে যাবো... আমি আসলে অনেক কিছুই হয়তো জানতে চাইবো, আপনি আবার বিরক্ত হবেন নাতো ভাই ??
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আরে না না....চলে আইসেন। ওইখানে একটাই সমস্যা দুপুরের খাবার, একেবারে গ্রামতো, হোটেল পাবেন না। এটুকু সমাধান করতে পারলে চলে আসেন সকালে, একবারে সন্ধ্যা পর্যন্ত থেকে দিব্যি ঢাকায় ফিরতে পারবেন।

২০. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
মাঠশালা বলেছেন: নিঃশ্বাস নিলাম ভাই আপনার এখানে এসে।
শুভ কামনা থাকল আর এরকম কিছু লেখা পড়তে পারার জন্য ধন্যবাদ জানবেন।
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: জানলাম ধন্যবাদ।


তাড়াহুড়োয় আছেন নাকি।

২১. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: নাহ এই চান্স মিস করা যাবে না......


ভাইয়া , যেতে কতক্ষণ লাগতে পারে ?আর কাজ কি ৭ দিন ই চলে ?
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: কাজ প্রতিদিনই চলে। আমাদের কোন ছুটির দিন নেই।

আসার নিয়ম কানুন আগের কমেন্টগুলোতে দেয়া আছে।

২৪. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪১
শত রুপা বলেছেন: আপনি কিন্তুক আড়াই হাজার বছর থেকে পাচ দিন এগিয়ে এসেছেন!
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেই তো দরকার। সময়কালগুলো খুব সহজেই জেনে নেয়া যাবে।

২৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯
সৌম্য বলেছেন: শুক্রবারদিন আইতেছি, আমি আর বাংলাদেশ সাইকেল ভ্রমণকারী।
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: হ....এরপর কিন্তুক আমারে নিয়া যাইতে হবে....পাহাড়ে।

২৬. ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন: আমি ১৫ তারিখ গেছিলাম। কাউরে পাই নাই। তবে ওই গর্ত বসতি দেখছি। বুঝি নাই ওইটা গর্ত বসতি, ভাবছিলাম ফোয়ারা টোয়ারা কিছু হবে।
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: ১৫ তারিখ কোথায় ছিলাম মনে নেই। সম্ভবত অন্য কোন সাইটে।


গর্ত বসতি কিভাবে দেখলেন.ছবিতে নাকি।

২৭. ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
তারার হাসি বলেছেন:
যেতে চাচ্ছি, কাজ কতদিন চলবে ?
জুনের শেষ পর্যন্ত চলবে কি ?
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে আসতে হলে, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আসতে হবে।

২৮. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আপনে বলে কারে কারে ঘুরাইয়া আনছেন, আমার বখরা কৈ?
২৯. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
ভাই আরেকটু ডিটেইল বলেন না!
কোন সময় , কি রকম বসতি? কী সভ্যতা?

মুদ্রার ছবি একটা দেন,
অসুবিধা থাকলে মেইল দেন,

২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনের লগে পরে আলাপ করতাছি।

৩০. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: কাকশা আমার পুস্ট থিকা ঘুরান্টি দিয়া আসো।
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: যাবো.............

৩১. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
দিছি আগেই , আরেক বারও দিলাম, সেরাম না আরও তথ্য সহ
২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ওক্কে।

৩২. ২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
শুভ্রভাই, ৩১ নং কমেন্টটা কাওয়ারে
২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাবে ---তবে ক্যামেরা নিয়ে আসতে হবে।

৩৪. ২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
আকাশ অম্বর বলেছেন:

"যাওয়টা খুব সহজ। মহাখালি থেকে বাস পাবেন। নরসিংদীর বাস। মরজাল নামক জায়গায় নামতে হবে। তারপর রিকশা। মরজাল নেমে খনন এলাকায় যাবো বললেই হবে।"

টুকে নিলাম। আপনি কি জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত থাকছেন?
অবশ্যই আসছি।

"কাজ করতে গেলেই যখন হাতের মুটোয় মাটি উঠে আসে, আর টের পাই এই মাটি আমার শেকড়ের, আমার ইতিহাস, কতো মানুষ আজ কেবলই ইতিহাস হয়ে মাটি হয়ে গেছে, আর তার খানিকটা আমার হাতের মুঠোয়।"

শ্রদ্ধা।


২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

৩৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
আকাশ অম্বর বলেছেন:

শুভ্র ভাই, আপনি কি ৭ই জুন (রবিবার) ওখানে থাকবেন ?
ধন্যবাদ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: নাহ.........চলে এসেছি, তবে আপনি নিজে গিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।

৩৬. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৯
আকাশ অম্বর বলেছেন:

ওহ্‌ ! চলে এসেছেন !
যেতে পারিনি বিভিন্ন কাজে। তবে ঐদিন যাচ্ছি।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভালো থাকবেন।
৩৭. ০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আপনে আসলেই লাকি
আমরা ব্যাড লাকি :(

~~~~~~~~~~~~~~~~

পোষ্টটা প্রিয়তে নিলাম ।
৩৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
চরম ঈর্ষাম্বিত হইলাম, আর মেজাজ খারাপ হইলো কেনো এই পোষ্ট এখন পড়লাম এই ভেবে। যখের ধন থেকে শুরু করে বিভূতিভূষণ,ইন্ডিয়ানা জোন্স আর রোমাঞ্চকর সব কাহিনী পড়ে এম্নিতেই টান টান হয়ে থাকতাম, সেই এক্সপিডিশানগুলো একাডেমিক্যালি কীভাবে করে দেখতে পাওয়া আসলেই ভাগ্য। তার উপর আবার আমার নিজের দেশের প্রত্বতাত্তিক নিদর্শন!

:(

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: কি আর করবেন। আফসোস। তয় যোগাযোগ রাইখেন আমি কইলাম প্রত্নতত্ত্বের ছাত্র-এখন চাকুরে। কাজ না করলেও খোঁজ খবর রাখি। ব্লগের অনেকেই গেছে-আওয়াজ দিলেই পাইবেন।

৩৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২২
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
চরম ঈর্ষাম্বিত হইলাম, আর মেজাজ খারাপ হইলো কেনো এই পোষ্ট এখন পড়লাম এই ভেবে। যখের ধন থেকে শুরু করে বিভূতিভূষণ,ইন্ডিয়ানা জোন্স আর রোমাঞ্চকর সব কাহিনী পড়ে এম্নিতেই টান টান হয়ে থাকতাম, সেই এক্সপিডিশানগুলো একাডেমিক্যালি কীভাবে করে দেখতে পাওয়া আসলেই ভাগ্য। তার উপর আবার আমার নিজের দেশের প্রত্বতাত্তিক নিদর্শন!

:(

৪০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২
সুবিদ্ বলেছেন: এখনো যাওয়া হলোনা.......শুভকামনা রইল
৪১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২
ধ্রুবো বলেছেন: প্রথম-আলো ব্লগ ডেড.... আপনি এই সুযোগে ঘুরে আসুন..... অল দা বেস্ট... :-B
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা.এটাতো সুযোগ না দৃর্যোগ।

৪২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩১
আশিক রেজা বলেছেন: Shuvro vai bangla likhte partasi na, ai dukkhe poranta faita jaitase. Jaugga, mairi koitasi ami romanchito bodh kortasi, bishtarito & update khobor kothai pabo doia kore bolben ar prothom shujogei okhane jabo ami.

Many Many Thanks for the article.....................

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সব কিছু খর লাগে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই