এক রাক্ষসী খপ্পরের মাঝে পড়ে
বেঁচে আছি অভুলা মাতাল সেজে
কর তোরা জানে না সে
জ্ঞান আহরণের নেশা
যতই করিবে ততই শিখিবে
পুড়ে সোনা হয় খাঁটি।
এক রাক্ষসীর খপ্পরের মাঝে পড়ে
হৃদয় নন্দন কেঁপে উঠে
আসিয়াছে সে ঝড়
থামবে কেমনে
উল্টো বায়ের ঝড় আসে মরা নদীর টানে।
এক রাক্ষসীর খপ্পরের মাঝে পড়ে
কান্দি আমি নীরবে নীরবে।
তবু বুঝি সুখ হলো না
তাদের জীবনে
শেষ করে দিবে বুঝি
আমার জীবন রজনী।
এই রিকশাওয়ালার নামটি ভুলে গেছি। কবিতাটা লিখে সে আমাদের হাতে দিয়েছিল। কি জন্য তাও পরিষ্কার করেনি-হয়তো শুধুই পড়ার জন্য। কিংবা তার চোখের প্রত্যাশা পড়ে নেয়ার চোখ আমাদের নেই। হয়তো সে বলেছিল-যদি কোনো পত্রিকায় ছাপাতে পারি, সবাই তার নামধাম জানবে। নাকি সে নিজের কষ্টটাই আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। এ হয়তো তার সান্ত্বনা খুঁজে বেড়ানো। কবিতা লিখেছিল যে যন্ত্রণা থেকে, তা-ই আমাদের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে কি সে। বুঝে উঠতে পারি না। বলেছিল বানান ঠিক করে নিতে। তাই করেছি-কিন্তু এই কবির অনুভূতিটা স্পর্শ করতে পারিনি। আপনারা পারেন কি-না দেখুনতো। তার ছবি এবং নাম সংযোজনের জন্য কিছুদিন সময় লাগবে।
ও, যারা উয়ারী-বটেশ্বর গিয়েছিলেন তারা হয়তো দেখেছেন এই কবিকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



