আমার প্রিয় পোস্ট

কতো কী করার আছে বাকি..................

মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

শেয়ারঃ
0 65 0


আগুনে সব পুড়ে ছাই। ঘরদোর, শস্য, হাড়িপাতিল, সংসারের যাবতীয় জিনিস, সব পুড়ে ছাই। এখনো ধোঁয়া ওঠে পুড়ে যাওয়া শস্য থেকে। তিনদিনের অভুক্ত ঘরপোড়া মানুষ জঙ্গলের আড়াল থেকে নিজের ছাই হওয়া ভিটেমাটি দেখে। উন্মূল মানুষের কষ্ট সইবার ভার থাকে কেবল দেবতাদের। সেই দেবতার ঘরও পোড়া। মুখ থুবড়ে পড়ে আছে পোড়া বুদ্ধ। নগর পুড়লে দেবালয় যে অরক্ষিত থাকে না। বাঘাইছড়ির সর্বভূক আগুন তাই মৈত্রীপুর বনানী বন বিহারটিকেও রেহাই দেয়নি। বৌদ্ধ মূর্তি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সেখানে। মধ্যে থাইল্যান্ড সরকারের উপহার হিসেবে দেওয়া কয়েকটি বৌদ্ধ মূর্তিও রয়েছে। পার্বত্য বৌদ্ধ মিশনের সভাপতি ও পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রধান সুমনালংকর মহাথেরো বলেন, 'কী বলে এর বর্ণনা করব, তা বুঝতে পারছি না। পৃথিবীতে যত ভাষা আছে, তা দিয়েও এর নিন্দা জানানো যাবে না।' ভূমি আর ভিটামাটির দখলের জের টানতে টানতে কোনঠাসা পাহাড়িদের ওপর সর্বাত্মক আগ্রাসন নতুন কোন ঘটনা নয়। এর আগেও বহুবার এমন আগ্রাসনের শিকার হয়ে তারা উচ্ছেদ হয়েছে। জীবন দিয়েছে। তাদের জুমের ফসল পুড়েছে দখলদারদের আগুনে বার বার। দখলদাররা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেও রেহাই দেয়নি। ইতিহাস ঘাঁটলে এই নির্লজ্জতা বের হয়ে আসে।

দিঘীনালার বাঘাইছড়িতে ১৯৮৮ সালের আগষ্ট মাসে এবং ১৯৮৯ সালে দখলদাররা ঘরবাড়ী ও মুখ মন্দির ধ্বংস করে দেয় । সেখানে প্রথমদিকে ছিল ১৭৫টি পরিবারের বসবাস এবং ১৩৫টি পরিবার ত্রিপুরায় পালিয়ে যায়। ৩০টি পরিবারকে নিকটবর্তী একটি গুচ্ছগ্রামে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। সেনাবাহিনী সমগ্র এলাকা থেকে সব গাছপালা কেটে ফেলে এবং তা বিক্রি করে দেয়।

১৯৮৬ সালে বোয়ালখালী গ্রামে অবস্থিত পার্বত্য চট্টল বৌদ্ধ অনাথ আশ্রম ধ্বংস হয়। এই অনাথ একটি মন্দির এবং হাইস্কুল ছিল। ১৯৮৬ সালের ১৩ জুন বেআইনীভাবে প্রবেশকারী দখলদাররা বেশ কিছু ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দেয়। ১৪ জুন সকালে অসংখ্য অনুপ্রবেশকারী এসে আশ্রমের নিকটস্থ বাড়ীগুলো পুড়িয়ে দেয় এবং আশ্রমের গুদামঘর পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। আশেপাশের সমস্ত গ্রাম পুড়ে ছাই হয়ে যায় ভয় পেয়ে ঐ দিনই আশ্রমের একজন ভিক্ষু অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে আশ্রম ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সেদিন ১৭ জন ভিক্ষু ৮০টি অনাথ শিশুকে নিয়ে পলিয়ে যান

১৯৯০ এর ৩১শে অক্টোবর খাগড়াছড়ির বেতছড়ি খৃষ্টান পাড়ায় কানাডীয় ব্যাপটিষ্টদের আথির্ক সাহায্যে তৈরী একটি গীর্জা ছিল যা ধ্বংস করা হয়েছে। ঐদিন বেতছড়ি এলাকায় উক্ত খৃষ্টান গীর্জাটিসহ অনেকগুলো পাড়া ধ্বংস করে দেয়া হয়। বেতছড়ির ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ইউনিফরম পরিহিত সেনাবাহিনী ও বাঙালী বসতিস্থাপনকারীরা। তারা দা দিয়ে এবং পুড়িয়ে ফেলে বাড়ীঘর ধ্বংস করে দেয়।

১৯৮৬ সালে ধ্বংস হওয়া দালাইলামা বৌদ্ধ মন্দির ছিল ঠিক দিঘীনালা বাজারের পরেই যেখানে পরবতীর্কালে একটি সামরিক চেকপোষ্ট বসানো হয়। এক সময় যেখানে মন্দির ছিল এখন সেখানে খালি জায়গায় মেশিনগান দিয়ে নিশানা চর্চা করা হয়। মন্দির বলতে এখন শুধুমাত্র কিছু ইট এবং সিমেন্টের ভিত পড়ে আছে। সৈন্য বাহিনীর সহায়তায় বসতিস্থাপনকারীরা ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দেয়। আশ্রমের কাছাকাছি অন্যান্য বৌদ্ধ মন্দির ছিল সেগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়।

১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে এই মন্দিরটি লংগদুর তিনতিল্যা মন্দির পোড়ানো হয়। লংগদুর সোনেই এলাকায় দখলদাররা এই গ্রামে আসে এবং সব ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দেয়। সেটেলাররাও তাদের সাথে ছিল। সেখানে তিনতলায় বনভান্তের মন্দির ছিল। ঐ দিনই দখলদাররা থাইল্যান্ড থেকে আনা বুদ্ধ মূতির্টিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। লংগদুর তিনতিল্যা মন্দিরটির কংক্রিটের কাঠামো এবং সুউচ্চ মন্দিরটি অত থাকলেও ভেতরটা আগুনে ভালোমত পুড়ে যায়। মন্দিরের কোন আসবাবপত্র আর অবশিষ্ট ছিল না। বুদ্ধমূর্তির গায়ে দা দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন পাওয়া যায়। মূর্তির একটি কান ভেঙ্গে হয়। আর একটি ছোট বুদ্ধ মূর্তিকে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ফেলা হয়।

পানছড়ির পুজগাং মন্দির মন্দিরটি আক্রমণ করা হয় প্রথমবার ১৯৮৬ সালে এবং আবার ১৯৮৯ সালের ২৮ জুন। মন্দিরের সামনের অংশ সম্পূর্ণরুপে ধ্বংস করা হয় এবং ভেতরে একটি বেদীর উপর অবস্থিত তিনটি বৌদ্ধ মূর্তির মাথা ভেঙ্গে ফেলা হয়।

খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের বৌদ্ধ বন ভিক্ষু কুঠির বুধবার ১৪ জুন ২০০৬ সকালে সন্ত্রাসীরা পুড়িয়ে দিয়েছে। পাহাড়ীদের বৌদ্ধবিহারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা নাগরিক কমিটি পৃথক বিবৃতিতে অভিযোগ করে সকাল ৭ টায় নুনছড়ি সেটেলার বাঙালীরা দলবদ্ধ হয়ে মাইসছড়ি মৌজার বৌদ্ধ বন ভিক্ষু কুঠিরে(বৌদ্ধ বিহার) এ অগ্নিসংযোগ করে। (যুগান্তর ১৫ জুন,২০০৬)

এই সমস্ত ঘটনা প্রমাণ করে সাম্প্রতিক সময়ের বাঘাইছড়ির সংঘর্ষও আসলে সকল অমানবিকতাকে ছাড়িয়ে যায় এবং তার উদ্দেশ্য কোন জাতি গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করবার দূরভিসন্ধির পথে পরিচালিত। ভাষা-ধর্ম-আচার সংস্কৃতির ওপর আঘাত বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। দখল এবং আগ্রাসনকে জায়েজ করবার সকল হীনতাকে আঘাত করতে হবে। সরকারকে পালন করতে হবে কঠোর ভুমিকা এবং অবশ্যই তা ন্যায়ের পথে। কোন গোষ্ঠির বা বাহিনীর চক্রান্তের কাছে নতজানু হয়ে থাকার পরিণতি এমন অনেক খুন আর হত্যাকেই বারে বারে ফিরিয়ে আনবে। দখলদারদের কোন জাত নেই।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০২
অন্তীম বলেছেন: হলুদ সাংবাদিকতার কবলে পার্বত্য চট্টগ্রাম....

হাজার হাজার বাংগালী হত্যাকারী পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের ভালো মানুষ সাজানোর চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগেছে একশ্রেনীর ভারতীয় পেইড সাংবাদিক ও পেইড ব্লগার।

ছি!!!!!!!!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: হাজার হাজার বাঙালি হত্যা হইছে নাকি। কে কয়। আপনিতো হলুদও না ঝরে ঝরে পড়া শুকনো ভঙ্গুর সাংবাদিকতার পক্ষ নিচ্ছেন। দারুন। আপনাদেরই জয় হচ্ছে বিশ্বময়। লাশ নয় লাশের পরিচয় আপনাদের কাছে প্রধাণ। হা.........

অট. আপনার বাঙালি বানান ভূল হয়েছে।

২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
We are what we think.
All that we are arises with our thoughts.
With our thoughts we make the world.
Speak or act with an impure mind
And trouble will follow you
As the wheel follows the ox that draws the cart.
We are what we think.
All that we are arises with our thoughts.
With our thoughts we make the world.
Speak or act with a pure mind
And happiness will follow you
As your shadow, unshakable.
"Look how he abused me and hurt me,
How he threw me down and robbed me."
Live with such thoughts and you live in hate.
"Look how he abused me and hurt me,
How he threw me down and robbed me."
Abandon such thoughts, and live in love.
In this world
Hate never yet dispelled hate.
Only love dispels hate.
This is the law,
Ancient and inexhaustible.
You too shall pass away.
Knowing this, how can you quarrel?
How easily the wind overturns a frail tree.
Seek happiness in the senses,
Indulge in food and sleep,
And you too will be uprooted.
The wind cannot overturn a mountain.
Temptation cannot touch the man
Who is awake, strong and humble,
Who masters himself and minds the dharma.
If a man's thoughts are muddy,
If he is reckless and full of deceit,
How can he wear the yellow robe?
Whoever is master of his own nature,
Bright, clear and true,
He may indeed wear the yellow robe.
Mistaking the false for the true,
And the true for the false,
You overlook the heart
And fill yourself with desire.
See the false as false,
The true as true.
Look into your heart.
Follow your nature.
An unreflecting mind is a poor roof.
Passion, like the rain, floods the house.
But if the roof is strong, there is shelter.
Whoever follows impure thoughts
Suffers in this world and the next.
In both worlds he suffers
And how greatly
When he sees the wrong he has done.
But whoever follows the dharma
Is joyful here and joyful there.
In both worlds he rejoices
And how greatly
When he sees the good he has done.
For great is the harvest in this world,
And greater still in the next.
However many holy words you read,
However many you speak,
What good will they do you
If you do not act upon them?
Are you a shepherd
Who counts another man's sheep,
Never sharing the way?
Read as few words as you like,
And speak fewer.
But act upon the dharma.
Give up the old ways -
Passion, enmity, folly.
Know the truth and find peace.
Share the way.

Dhammapada

1. Choices
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: Only love dispels hate.
This is the law,

থ্যাংকস ইমন ভাই।

৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৪
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: Temptation cannot touch the man
Who is awake, strong and humble,
Who masters himself and minds the dharma.

৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
রেজোওয়ানা বলেছেন: মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: তোমার ফোন নাম্বরাটা লাগতো। কাম আছে।

৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
মাঠশালা বলেছেন: লেখাটা ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।

৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১০
আকাশচুরি বলেছেন: কিছু ব্লাগারদের মন্তব্য দেখে না থমকে পারি না! সবকিছুর উপরে মানবতার কথা চিন্তা করেন, প্লিজ!!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: মানবতা মানে হইলো ধর্ম-জাতি-গোষ্ঠি। হা হা.............

এরা লাশেরও পরিচয় খোঁজে। খুনিরও পক্ষ খোঁজে।

৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১০
কৌশিক বলেছেন: ভালো লিখেছেন
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
কিরিটি রায় বলেছেন: অন্তীম বলেছেন: হলুদ সাংবাদিকতার কবলে পার্বত্য চট্টগ্রাম....

হাজার হাজার বাংগালী হত্যাকারী পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের ভালো মানুষ সাজানোর চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগেছে একশ্রেনীর ভারতীয় পেইড সাংবাদিক ও পেইড ব্লগার।

ছি!!!!!!!!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: এতো টাকা মানুষ কই রাখে।

১০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭
ছু-মন্তর বলেছেন: ভাল লিখেছ শুভ্র ভাই!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০
ছু-মন্তর বলেছেন: সাধারণ ষড়যন্ত্র তত্ত্বে এটাকে ফেলানো যাবেনা@ অন্তীম, ফালতু মিয়া।
১২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
কুয়াশা বলেছেন: অন্তীম বলেছেন: হলুদ সাংবাদিকতার কবলে পার্বত্য চট্টগ্রাম....

হাজার হাজার বাংগালী হত্যাকারী পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের ভালো মানুষ সাজানোর চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগেছে একশ্রেনীর ভারতীয় পেইড সাংবাদিক ও পেইড ব্লগার।

ছি!!!!!!!!

ঠিক মানবতার কথা চিন্তা করা দরকার। কিন্তু যে ৭ জন বাংঙ্গালী এখনও নিখোজ আছে তাদের জন্য কেউ তো মানবতা দেখালো না। মনে হয় তারা আল্লাহর মাল আল্লাহর কাছে চলে গেছে।

ঠিক এটাইতো মানবতা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আপনিও সেই একই দোষে দুষ্ট। এখানে পাহাড়ি বাঙালি কোন বিরোধ বা এমন কোন আলোচনাই নেই।

লেখাটা ভালো করে পড়ুন। আপনি কোথায় থাকেন-বাঘাইছড়ি থেকে তা কতোদূর। আপনি বাঙালি বলেই কি বিষয়টা নিয়ে আপনি চিন্তিত। নাকি মানুষ বলে। সুস্থ্য স্বাভাবিকতার পক্ষের মানুষ বলে।

মন্দিরের ওপর হামলা কেন। কারা করে, কেন করে। বাঘাইছড়ি রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সীমান্তে অবস্থিত। সেখানে সেনাবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোন গাড়ি-ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে না। সেখানে অস্ত্র আসলো কিভাবে। সেই অস্ত্রের জোগানদার কারা। আপনার কি মনে হয় কেবলই ভূমির দখল। তাহলে বুদ্ধ মূর্তির কেন এই অবস্থা।

ভাবুন। আমার শেষ লাইন আপনার জন্য আবার দিলাম-

দখলদারদের কোন জাত নেই।

বাঙালিরা সেখানে কিভাবে গেল। এর ইতিহাস কি ?

১৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
এস এম মোমিন বলেছেন: ক মানবতার কথা চিন্তা করা দরকার। কিন্তু যে ৭ জন বাংঙ্গালী এখনও নিখোজ আছে তাদের জন্য কেউ তো মানবতা দেখালো না।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: নাহ তাদের পক্ষে কেউ নাই। খালি আপনারা কয়েকজন আছেন।

১৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
মং হ্লা প্রু পিন্টু বলেছেন: ...দখলদারদের কোন জাত নেই।

এই উপমহাদেশের কোনো দেশেই জাতিগত, ভাষাগত, সংস্কৃতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভালো থাকতে পারেন না। এসব সংখ্যালঘু মানুষকে কোনো কালেই পরিপূর্ণ মানুষ হিসাবে বিবেচনায় আনেনি কিংবা মানবাধিকার যে তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, এটা কখনো ভেবে দেখেনি এই অঞ্চলের সংখ্যাগুরুরা। এটা বোধহয় সংখ্যাগুরুদের একটা সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
ধন্যবাদ আপনাকে, সাম্প্রতিক বিষয়টি নির্মোহভাবে উপস্থাপন এবং মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ-মং হ্লা প্রু পিন্টু

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন:
comment by: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: দুঃখজনক।

১৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
দিনমজুর বলেছেন: “গভীর রাতে ৫০ জনের মতো আর্মি এসে গ্রামের সমস্ত মানুষকে একজায়গায় জড়ো করলো। ভোর নাগাদ সবাই গ্রেফতার। আমাকে উলংগ করে হাত পা বেধে রাখা হলো। আমাকে তারা ধর্ষন করলো। সেখানে আরো তিনজন নারী ছিল। সবার সামনে এমনকি আমার শ্বশুরের সামনে আমাকে ধর্ষন করলো তারা। আমার চোখের সামনে বাকি তিনজন নারীকেও ধর্ষণ করলো তারা।“

ধর্ষিতা নারীর দেয়া এই বর্ণনাটি আমাদের ১৯৭১ সালের নয় মাস ধরে চলা পাক-হানাদার বাহিনীর বর্বরতার কথা মনে করিয়ে দিলেও এই ঘটনাটি কিন্তু পাক হানাদাররা ঘটায় নি, কিংবা এটা পশ্চিম তীর কিংবা গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের উপর চলা ইসরায়িলী আগ্রাসনের বর্ণনা এটি নয় কিংবা আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ানদের উপর চলা আগ্রাসনও নয়, ঘটনাটি স্বাধীন বাংলাদেশের-বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সুকর্মটি করে ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যার ফলস্রুতিতে সে সময় ৫৬ হাজার পাহাড়ি উদ্বাস্তু হিসেবে ত্রিপুরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনার আগে পরে গণ-হত্যা, খুন, ধর্ষন, লুটপাট, জামি দখল, মন্দির ভাংচুর ইত্যদি এরকম আরো ঘটনা ঘটেছে যেমন: কাউখালি(১৯৮০), মাটি রাঙ্গা(১৯৮১), লংগাদু(১৯৮৯ ও ১৯৯২), দিঘীনালা(১৯৮৬), পানছড়ি(১৯৮৬ ও ১৯৮৯), মিতিঙ্গাছড়ি(১৯৯১), বেতছড়ি(১৯৯০), লোগাং(১৯৯২), নানিয়ারচর(১৯৯৩), বাবুছড়া(১৯৯৯) ইত্যদি স্থানে ধারাবাহিক ভাবেই ঘটিয়ে চলেছে বাংলাদেশের বাঙ্গালি বুর্জোয়া শাসক গোষ্ঠী তাদের পার্বত্য উপনিবেশের আধিপত্য জারি রাখার জন্য- গত ১৯-২০ ফেব্রুয়ারি তারিখে ঘটা বাঘাইছড়ি হত্যাকান্ড এর সর্বশেষ নজির। আমাদের মনে রাখা দরকার এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়-পাহাড়ি আদিবাসীদের ভূমি দখল করার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে শাসক বাঙ্গালি মিলিটারি ও স্থানীয় দখলদারেরা।

আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তে দোষীদের বিচার দাবী করি এবং অবিলম্বে পুরোপুরি সেনা দখল দারি অবসানের আহবান জানাই।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: সকল প্রকার দখলদারিত্বের অবসান হোক।

১৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
চতুষ্কোণ বলেছেন: দুঃখজনক। তীব্র নিন্দা জানাই। সরকার আশু পদক্ষেপ নিবে এটাই আশা করছি।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: সরকার কি বিচার করবে-কাদের বিচার করবে এবং কেন করবে।

হা হা

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
গিনিপিগ বলেছেন: দেশটা আপনাদেরই জন্য। হাজার হাজার বাঙালি নিহত হয়েছে কি না - আপনি এটাই জানেন না। অথচ পাহাড়িদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনাই তুলে এনেছেন নিখুঁতভাবে। এত খবর রাখার জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সবসময়ই ঘৃণ্য। এটাকে সমর্থন করার কোন যুক্তি থাকতে পারে না। কিন্তু পাহাড়ে যখন কোন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে তখন এটা সংজ্ঞায়িত হয়, সেটেলারদের দ্বারা আদিবাসীরা আক্রান্ত!!

বাঙালিদের খুঁজ-খবর আপনার মত মহান মানবতাবাদীদের রাখার দরকার নাই। কারণ ওরা মানুষ নয়, পাহাড়ে তারা গিনিপিগ।

মন্দির ধ্বংসের কথা বলেছেন, কিন্তু কত মসজিদ পোড়েছে পাহাড়ে তা আপনার জানার কথা নয়। হয়ত বেশি হলে গির্জা পোড়ার খবর আপনার কাছে থাকতে পারে। তাই বলে কোন লেখায় আবার গির্জা পোড়ার কথা লিখে দিয়েন না। কারণ পাহাড়ে সেটেলাররা এখনো গির্জা পোড়ানো শুরু করেনি। যে কয়টি পোড়া গেছে সেগুলো নাকি আপনাদের আদরের শান্তি প্রিয় আদিবাসীরাই পুড়িয়েছে তাদের বাপ-দাদার ধর্ম রক্ষার তাগিদে।

যাই হোক, দুইটা উদাহরণ দেই, আপনার বিশ্বাস না করলেও চলবে।

দীঘিনালার সোনা মিয়া টিলায় ১৯৮৮ সালে বাঙালিদের ছেড়ে আসা ৪ হাজার একরের বেশি জায়গা দখল করে একটি বৌদ্ধ মন্দির স্থাপন করা হয়েছে।

মহালছড়িতেও একই কায়দায় বাঙালিদের কয়েকশত একর জমি দখল করে তোলা হয়েছে আরো একটা বৌদ্ধ মন্দির।

এসব জায়গায় পূর্বে বসবাস করা বাঙালিরা বর্তমানে গুচ্ছগ্রাম নামক কারাগারে গিনিপিগ হয়ে বসবাস করছে।

এই গিনিপিগগুলোকে পার্বত্য অঞ্চল থেকে বিতাড়ন করার মিশন নিয়ে নেমেছে ইউএনডিপি, সিএইচটি কমিশন, ডব্লিউএফপি, ইউপিডিএফ, জেএসএস। কিন্তু জেএসএস এবং ইউপিডিএফ পরস্পরের মধ্যে কলহে লিপ্ত থাকায় তাদের এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না। এর জন্যই পরিকল্পিতভাবে ভাবে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। যাতে এর মাধ্যমে পাহাড়ে বিবদমান সংগঠন দু'টিকে বৃহৎ স্বার্থে এক করা যায়।

এখন পর্যন্ত ঘটনা যতটুকু গড়িয়েছে তাতে তারা সফল হয়েছে। এর প্রমাণ হল বাঘাইহাটের ঘটনার পর গুলি বিদ্ধ কিছু পাহাড়ি যুবক বাঘাইছড়ি সদরের বাবু পাড়ায় থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এটা জেএসএস-এর আস্তানা। কিন্তু বাঘাই হাট হল ইউপিডিএফ-এর শক্ত ঘাটি।

এই দু'টি সংগঠনের যোগ-সূত্র স্থাপনে সবচেয়ে ভাল ভূমিকা রেখেছে সিএইচটি কমিশন। তারা গত কয়েক দিন আগেও বাঘাই হাটে গিয়ে এদের সাথে মিটিং করে এসেছে।

আবারো বলছি, আমার একটা কথাও বিশ্বাস করে আপনার মানবতাবাদী সুশীল চিন্তা-ভাবনায় বিঘ্ন ঘটাবেন না। ধরে নিবেন, কিছু প্রলাপ বকলাম।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়লাম কিন্তু বুঝলাম না।

* ১৯৮৮ সালে বাঙালিদের ছেড়ে আসা ৪ হাজার একরের বেশি জায়গা দখল করে একটি বৌদ্ধ মন্দির স্থাপন করা হয়েছে।
- নাম কি ওই মন্দিরের। আর ছেড়ে আসা জমিতে পুকুর কাটুক বা মন্দির বানাক তাতে সমস্যাটা কোথায়।

*কারণ পাহাড়ে সেটেলাররা এখনো গির্জা পোড়ানো শুরু করেনি। যে কয়টি পোড়া গেছে সেগুলো নাকি আপনাদের আদরের শান্তি প্রিয় আদিবাসীরাই পুড়িয়েছে তাদের বাপ-দাদার ধর্ম রক্ষার তাগিদে।
-তারমানে সেটেলাররা খালি বৌদ্ধ মন্দির পোড়ায়। গির্জা পোড়াতে তাইলে সমস্যাটা কোথায়। বিশ্বজুড়েই পাহাড়ি-আদিবাসি-ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বা সমূহের সাথে খ্রিষ্টান ধর্মের বিরোধ আছে। কিন্তু কথা হল মসজিদ-মন্দির-গির্জা এই সাম্প্রদায়িক বিভাজনটা তৈরি করার মানসিকতা আপনার আছে-এটা পরিষ্কার।

*এসব জায়গায় পূর্বে বসবাস করা বাঙালিরা বর্তমানে গুচ্ছগ্রাম নামক কারাগারে গিনিপিগ হয়ে বসবাস করছে।
-এটা মিথ্যাচার।

* হাজার হাজার বাঙালি নিহত হয়েছে কি না - আপনি এটাই জানেন না।
- ?

বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আমার কিছু বলার নেই।

দৃষ্টি আকর্ষণ-

দিনমজুরের মন্তব্যটা পড়ুন।

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯
শয়তান বলেছেন: ছি! ঘেন্না ঘেন্না !!!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন। আজকে আরেকটা পোস্ট দিবো। দেখবেন আশা করি।

২১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৬
রাগ ইমন বলেছেন: দখলদারদের কোন জাত নেই।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: +

২২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১০
রেজোওয়ানা বলেছেন: আমার নাম্বার সৌরভেরটার মতোই, শেষে ৪৪৩৬
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ওক্কে।

২৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
বাস্তবতা বলেছেন: ৪ হাজার একরের মন্দির, এটা তো বিশ্বরেকর্ড!!, নামটা জানালেন না? দেখে আসতাম "গাঁজার গরুকে"।

খোঁজ নিলে দেখবেন, প্রত্যেকটা ঘটনা এই সেটেলাররা শুরু করেছে। একটা দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু বাসিন্দারা কখন লড়াই করে সেটা আপনারা অনেকেই বুঝবেন না। কারন আপনাদের মনোভাব সেই ১৯৭১ এ পশ্চিম পাকিস্তানীদের মতই।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: কারে কইলেন। তয় ভালো কইছেন।

২৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৩
গিনিপিগ বলেছেন: আরের অন্ধের দলকে বুঝানো কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, পাহাড়ের এত খবর রাখেন অথচ এইসব খবর রাখার সামর্থ নেই। ছিঃ এইসব নোংরামী পূর্ণ একপেশে পোস্ট লেখকদের।

গুচ্ছ গ্রামে মানুষ গুলো খুব ভাল আছে!! আরে যুদ্ধকালীন সময়ে মানুষের নিরাপত্তার জন্য তাদের যে সব কলোনী বানিয়ে তাদের রাখা হয় তা যদি সুন্দর কোন ব্যবস্থা হয় তাহলে ৭১ সালে বাঙালিরা তো ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে খুব ভালভাবেই ছিল এটাই বুঝাতে চাইছেন। ফিলিস্তিনিরা যেভাবে আশ্রয় শিবির গুলোতে বাস করছে তাকে তো বলতে হবে যে তারা ভাল আছে । কারণ তারা সেখানে সাহায্য পাচ্ছে, তাই না?

দিনমজুরের মন্তব্য পড়ার কথা বলেছেন, আরে ভাই তারে বলেন।ঘটনা আরো আছে ১৯৯৬ সালে বাঘাইছড়ির পাকুয়াখালিতে ৩৫জন বাঙালি কাঠুরিয়াকে বিনা উস্কানীতে শান্তিবাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।
১৯৮৪ সালের ৩০ মে দিবাগত রাতে শান্তিবাহিনী (যার নেতৃত্ব দিয়েছিল মনি স্বপন দেওয়ান) বরকলের ভূষণছড়াতে একই সাথে ৪ শতাধিক বাঙালিকে হত্যাকরেছিল । এরকম আরো অসংখ্য হত্যাকান্ড ঘটিয়ে শান্তিবাহিনী বাঙালিদেরকে বাধ্য করেছিল প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। অতএব দিনমজুর যদি আপনার মত এক চক্ষুওয়ালা সুশীল না হয়ে থাকে তাহলে তাকে বলেন সেইসব ঘটনা বিস্তারিত বর্ণনা করে সমস্যার সমাধান খুঁজার চেষ্টা করুক।

বাঙালিরা নিরাপত্বার অভাবে তাদের নামে বন্দবস্তিকৃত জমি ছেড়ে আসার পর মন্দির বানিয়ে তা পাহাড়িদের দখল করা যদি আপনার দৃষ্টিতে বৈধ হয় তাহলে যেসব পাহাড়ি এক সময় নিরাপত্তার অভাবে তাদের জমি ছেড়ে ভারত চলে গিয়েছিল তাদের জমি বাঙালিদের দখল করাও নিশ্চয় আপনার দৃষ্টিতে বৈধ??? তাই না???? ছিঃ আপনাদের মানসিকতাকে?

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: প্রমাণ দেন।

গালিগালাজ করেন ক্যান। বাঙালি মরে নাই এটাতো আমি কই নাই। এর জন্য বাঙালি দায়ী না। দায়ী সরকার-রাষ্ট্র-সেনাবাহিনী।

আপনের এতো গায়ে লাগে ক্যান।

২৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২
মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেছেন: কিছু ব্লগারের comment দেখে মনে হয়, আমরা তাহলে এখনো রক্ত - "ধর্ম-জাতি-গোষ্ঠি"-র গন্ডি থেকে বের হতে পারিনি।।
........................সাধারন পাকিদের আর দোষ দেই কেন ? ওরাতো হাজার মাইল দুরে ছিলো, কম জানতেই পারে ৭১-এ এখানে কি হয়েছিলো!!!!!!!!
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: হা হা ..........ভালো বলছেন। এরা মানুষ চিনে না জাতপাত আর ধর্ম চিনে খালি।

২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৭
মাঠশালা বলেছেন: বিগত জরুরী অবস্থা, পিলখানা হত্যাকাণ্ড সব মিলায় বাংলাদেশ সেনা বাহিনী ভাবমূর্তি খুবই নাজুক অবস্থায় আছে। একমাত্র জাতিসংঘের শান্তি মিশনে ভাড়াটে সৈনিক হিসাবে রপ্তানি ছাড়া এগুলা দেশের আর কোন কাজে আসতেছে না, এইটা জনগন বুইঝা গেছে। অল্পকাল আগেই এরা নাসাকার ধাওয়া খাইয়া সইরা আসছিল বইলা খবর পড়ছিলাম। এই যখন অবস্থা তখন সেনাবাহিনীই নিজের তাকৎ আর প্রয়োজনীয়তা বুঝাইবার লাইগা এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা

২৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
গিনিপিগ বলেছেন: কিসের প্রমাণ চান? অন্ধকে তো আপনি সুর্য্যের আলো কি সেটাই বুঝাতে পারবেন না। তাকে আবার চাঁদের আলোর স্নিগ্ধতা বুঝাবেন কিভাবে?

আমায়ের গায়ে লাগবে কেন? আমি এক চক্ষুওয়ালা না। কিন্তু এই সমাজের সুশীল নামের কুটিল মানুষগুলোর কারণে জটিল হয়ে যাচ্ছি এটাই একটু সমস্যা।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার কি ধারণা আপনি একাই চোখে সব আলো নিয়া বইসা আছেন। আমার পোস্টে আমি বাঙালি পাহাড়ি কাউরে খুন কইছি। আমি ইতিহাস তুইলা ধরছি। আপনের সহ্য হইতাছে না যে ক্যান আমি পাহাড়ি বাঙালি আলাদা করি নাই।

সোজা কথা হইলো পক্ষ দুইটা -রাষ্ট্র এবং তার জনগণ।


বুঝতে পারছেন।

২৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
অসামাজীক বলেছেন: পাহাড়ী, সেটেলার শব্দগুলোর বদলে কেন আমরা একক নই? ঘটনাটি নিয়ে রাজনীতি চলছে। সাথে যোগ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কূটচাল। ব্লগারদের দোহাই লাগে এ ইস্যুতে পরমতসহিষ্ঞু হন।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। দখলের রাজনীতি মানবতাকে হত্যা করছে। এটাই মূল সমস্যা। জাতি বা গোষ্ঠীর দ্বন্দ সাজানো।

২৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
রুবেল শাহ বলেছেন: রক্তাক্ত বাঘাইছড়ি... রক্তাক্ত আমি...
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: রক্তাক্ত বাঘাইছড়ি... রক্তাক্ত আমি..

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: হায় হায়.....কি হইলো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৮১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সব কিছু খর লাগে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই