আমার প্রিয় পোস্ট
- - স্বর্ণলতা
- সেপটিক ট্যাংকের পোকা-দের জন্য (অপ)মানপত্র - ছোটমির্জা
- চলুন, মনমোহনকে জানাই অগ্নিল শুভেচ্ছা - এফ এম-৯৭
- তরুণ-শক্তির সার্বজনীণ ঐক্যের প্রতিবাদী মানবন্ধনকে যে-কারনে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রথমআলো গোষ্ঠী, দেখুন!.. - সুবোধ ভদ্র-জেলা ফরিদপুর
- ফেলানী বোন! সীমান্তে খুন হওয়া শতশত ভাইয়েরা! আমরা আপনাদের জন্য আসছি রাজপথে.. আমাদের কোন দল নেই, কোন রাজনীতি নেই.. একটাই পরিচয়- আমরা আপনাদের ভাই.. - বেঙ্গল মাসুদ
- চট্টগ্রামের সকল ব্লগার আগামীকাল উপস্থিত থাকবেন। বিকেল ২.৩০ এ বিএসএফ এর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভমিছিল - ইন্সট্যান্ট জাতিসঙ্ঘ
- চট্টগ্রাম থেকে শুরু হলো বাংলাদেশের -স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন সংগ্রাম! - বেঙ্গল মাসুদ
- ফিফার সমস্যাটা কোথায় মনে হয় ধরতে পারছি .... - হোরাস্
- আওয়ামী স্বর্ণযুগ : কিছু নমুনা - অভ্র
- বঙ্গোপসাগরে খালিদ বিন ওয়ালিদ, ছুটে যাচ্ছে মেঘলা : সবার জন্য শুভকামনা - ফিউশন ফাইভ
১১ টা কম্পিউটার পুড়িয়ে দিলো বুয়েটের ছাত্রলীগ!!!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০১
চেয়ে চেয়ে অসহায় চোখে তাকিয়ে দেখলাম । বুয়েটে-ও আবার শিবির!! চশমা চোখে বাচ্চা বাচ্চা চেহারার কয়েকটা ছেলে । চরম নিরীহ । এমনকি বুয়েটে তাবলীগকে যতটা পাত্তা দেয়া হয়, এদেরকে তাও না । এদের সাথে কি এমন শত্রুতা থাকতে পারে ! টিউশানি করে নিজের পয়সায় এই কম্পিউটারগুলো কেনা বেশিরভাগের । চলতি টার্মের ক্লাশ শেষ । পরীক্ষার অপেক্ষা । কম্পিউটারে চোথাপত্রের সফ্টকপি । লকারে আর টেবিলে পরীক্ষা প্রস্তুতির খাতা-বই । সম্পূর্ন বিনা কারনে ছাত্রলীগ মিছিল নিয়ে এসে ধ্বংস করে দিলো সব ।
বুয়েটের মত প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ এতটা উগ্র আর নির্মম তান্ডব চালাবে , আমরা ভাবিনাই । মেধাবীদের প্রতিষ্ঠান, পড়ুয়াদের প্রতিষ্ঠান, সেরা ছাত্রদের প্রতিষ্ঠান, রাজনীতির ধার না ধারা ছাত্রদের প্রতিষ্ঠান... এই আমাদের বুয়েটে ছাত্রলীগ এ কী কলংক লাগালো !! দাউদাউ করে জ্বলছে বই, চোথা, জামাকাপড়, টেবিল, তোশক...
ওরা মিছিল শুরুই করেছে হাতে পেট্রোলের টিন নিয়ে । শামীম , মিকি , হারুন জিমি , কল্যান, ইফতি, রেজা, রানা, তন্ময় , অন্তু, দেবাশীষ, বাপ্পী, সোলায়মান শোয়েব, মিশু, নিশু, রওনক... তোমরা যখন ক্লাশমেটদেরকে কেবল শিবির হিসেবে দেখে এত প্রিয় কম্পিউটারগুলো জ্বালিয়েছো পেট্রোলে নির্মমভাবে, আমরা অল্প কয়েকজন তখন ওদেরকে কেবল ক্লাশমেট আর বন্ধু হিসেবেই দেখেছি । বলেছি, দোস্ত, সরে যা.. আমাদের রুমে চলে আয় .....ওরা কোনদিন আমাদের বা তোমাদের সাথে "শিবিরিয়" আচরন করে নাই । একসাথে ক্লাশ করা বা প্রক্সি দেয়া, এসাইনমেন্ট কপি করা, সেশনাল রিপোর্ট নিয়ে টেনশন করা.. কোনকিছুতেই তো ওরা আমাদের থেকে ভিন্ন ছিলো না । বুয়েটের একজন ছাত্রের প্রথম ও প্রধান পরিচয় বুয়েটিয়ান হিসেবে । কিভাবে তোমরা পুরোপুরি ভুলে গেলে ?
বুয়েটের ছাত্রত্ব শেষ করে যখন কর্মজীবনে যাবে, মনে রাখো, আজ যে অন্যায় তান্ডব তোমরা বন্ধুদের সাথে চালিয়েছো, তোমাদের বিবেক কোনদিন তোমাদেরকে ক্ষমা করবে না.. এখন হয়তো বিবেক নামের স্বত্তাটাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছো বা খুন করে ফেলেছো, কর্মজীবনের কঠিন বাস্তবতায় তোমার এই মৃত বিবেক নিশ্চিত জেগে উঠবে ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
আপনার কথা যদি সত্য হয়ে থাকে, ছেলেগুলো যদি আদতেই নিরাপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে ব্যাপারটা ক্ষমার অযোগ্য। কি হচ্ছেটা কি, দেশে??
লেখক বলেছেন: ছবি কথা বলে, তাইনা ? ছাত্রলীগ বুয়েটে যা করেছে, তা ক্ষমার অযোগ্য । সারাজীবন এরা আমার কাছে ঘৃন্য নোংরা কীট হয়ে থাকবে ।
ডঃ জেকিল বলেছেন:
বুয়েট কোন লেভেল কোন টার্ম, কোন ডিপ. বাবা তোমার?
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন:
তুমারটা পুড়ায়নাই বাজান? সাবদানে থাইকো। আর শিবির করা ছাইড়া দাও বুজলানি?
লেখক বলেছেন:
সাবধানে আছি । দুরত্ব বজায় রেখে আছি । আর কিছু বলার নাই ।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
একজন প্রাক্তন বুয়েট ছাত্র হিসেবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। পিএল এর মধ্যে এ ধরনের ঘটনা দুঃখ ও হতাশাজনক। পড়শোনার সুষ্ঠু পরিবেশ এতে ব্যাহত হবে কোন সন্দেহ নেই। ছাত্রলীগকে সংযত হবার আহবান জানাই।
লেখক বলেছেন: বুয়েটকে কলংকিত করেছে ছাত্রলীগ । বুয়েটের ঐতিহ্যে কালি লাগিয়েছে তারা । মাষ্টার্স হল, শহীদ স্মৃতি হলে আগুন দিয়েছে, ভাবতে পারেন ? কতটা পশুত্ব এরা দেখিয়েছে !
গরম কফি বলেছেন:
এক তরফা পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ঘটনা একতরফা । অন্য তরফের কোন নিউজ আমার জানা নাই । আপনি জানেন ? ঠিক কি কারনে এই কম্পিউটারগুলো পুড়ানো হলো পরীক্ষার আগমুহূর্তে ?
টি-ভাইরাস বলেছেন:
তাহলে ব্যাপারটা ক্ষমার অযোগ্য। কি হচ্ছেটা কি, দেশে??তাহলে ব্যাপারটা ক্ষমার অযোগ্য। কি হচ্ছেটা কি, দেশে??তাহলে ব্যাপারটা ক্ষমার অযোগ্য। কি হচ্ছেটা কি, দেশে??তাহলে ব্যাপারটা ক্ষমার অযোগ্য। কি হচ্ছেটা কি, দেশে??
সেলটিক সাগর বলেছেন:
এই পোস্ট দেয়ার জন্য নতুন নিক লাগল? রগকাটা শিবিরের পোলাপান দেখি নিজের নাম নিতে লজ্জা পায় আজকাল।
লেখক বলেছেন: প্রথম কথা হলো আমি "রগকাটা শিাবির" না । দ্বিতীয় কথা হলো, লজ্জা পাইনা । ভয় পাই । প্রচন্ড ভয় পাই ।
লেখক বলেছেন: অন্তত বুয়েটে যতটা দেখেছি । অবশ্যই সবচেয়ে নিরীহগুলা হয় শিবির এখানে ।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
শিবিরের কার্যক্রম কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু ছাত্রলীগকে আরো সংযত হতে হবে। আশা করি সবাই বুঝতে পারবে।
কালপুরুষ বলেছেন:
যদি সত্যই এমনটা হয় তবে ঘটনাটা সত্যই নিন্দাযোগ্য।
লেখক বলেছেন: এমনটাই হয়েছে । আগুনের লেলিহান শিখা এই বুয়েটে দেখবো, কখনো ভাবিনি...
ডঃ জেকিল বলেছেন:
বৎস আমার প্রশ্নের উত্তর দাও, কোন হলে থাকো বাবা??
টেকি মামুন বলেছেন:
রাজনৈতীক পোস্ট হতে দূরে থাকি তবে যেদিন কিছু করার সুযোগ আসবে সেদিন জীবন দিয়ে বাংলাদেশের জন্য কিছু করব।আপাতত এইসব চিল্লাচিল্লি হতে দূরে আছি।
নিম গাছ বলেছেন:
নিরীহ বলে কোন কথা নেই, ওদের দোষ ওরা কেন কম্পিউটার দিয়ে লেখা পড়ার কাজ করবে! ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তো কম্পিউটারের দরকার নেই কি বলেন? বেপরোয়া ছাত্রলীগের কাছে এর চেয়ে ভাল কাজ আশা করছি। শিবির খারাপ ঠিক আছে, কিন্তু এরা কি দেখাচ্ছে?????????????????
মৈত্রী বলেছেন:
.....কির পোলাগো যা করা দরকার না......
লেখক বলেছেন: রাজশাহির শিবিরের সাথে বুয়েটের শিবিরের কি সম্পর্ক ? বুয়েটের কোন শিবিরকর্মীটা কি কি অন্যায় বুয়েটে করছে আজ পর্যন্ত ?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
এবার বুয়েট কে ধ্বংস করবে লীগ। কুত্তার বাচ্চা দের চরম মুগুর পিটা দিতে পারলে দেশ বাচতো।
ক্ষুদ্র মানব বলেছেন:
ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা কথা শোনেনা বলেই তো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগকে বয়কট করলেন। সত্য প্রকাশ হলে ওদের খুব লজ্জা লাগে। আর গালিগালাজ, ওটা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা জসীম উদ্দিন মানিক এর কথা ভুলে যাইনি যে ধর্ষনের সেঞ্চুরী করে ককটেল পার্টি দিয়েছিল। আমরা ঢাবির ছাত্রলীগ নেতা রাসেলের কথা ভুলে যাইনি যে থার্টি ফাস্ট নাইটে শাওন আক্তার বাধনকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানি করেছে। ঢাবিতে লীগের দুদলের বলি আবু বকর, ঢাকা মেডিকেলে কদিন আগে ওদের শিকার রাসেল। ওরা শিবিরকে রগকাটা বলে, কিন্তু নিজেরা তো গলাই কেটে ফেলে। ওরাইতো রাবিতে রগকাটা শিবির গ্রুপের সাধারন সম্পাদক নোমানীকে গত বছর ২১মার্চ নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। সেটার বিচার কি ওরা পেয়েছে? মাঝ থেকে কস্ট পাচ্ছে সাধারন ছাত্র। সন্ত্রাসী ছাত্রনামধারী দের কে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করা হোক।যে কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কোনদিন ভাল ফল বয়ে আনেনা।
একাকী বালক বলেছেন:
ভাল। খুব ভাল। বই পুড়াইতেছে, কম্পিউটার পুড়াইতাছে এরা রাস্তা বানাইব, চিপ বানাইব। ভালা।
বায়োস্কোপ বলেছেন:
নিম গাছ বলেছেন: নিরীহ বলে কোন কথা নেই, ওদের দোষ ওরা কেন কম্পিউটার দিয়ে লেখা পড়ার কাজ করবে! ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তো কম্পিউটারের দরকার নেই কি বলেন? বেপরোয়া ছাত্রলীগের কাছে এর চেয়ে ভাল কাজ আশা করছি। শিবির খারাপ ঠিক আছে, কিন্তু এরা কি দেখাচ্ছে?????????????????
ডিজিটাল কলম বলেছেন:
ছিঃ
যুদ্ধবাজ বলেছেন:
বুয়েটিয়ানের কাছ থেকে এ ধরনের পশুবৃত্তি মুলক আচরন মেনে নেয়াটা সত্যিই অন্যায়। আপনার লেখায় যুক্তি আছে। একজন বুয়েটিয়ানের কাছে অপর একজন তার রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত আদর্শর চেয়ে বড় সে তার সহপাঠি বা সতির্থ। দেশের রাজনৈতিক পশুবৃত্তি তাদের মন-মানষিকতাকেও নষ্ট করে দিচ্ছে। ধিক্কার জানাই ক্ষমতায় আসীন সেই কলকাঠি নাড়নেওয়ালাদের।বুয়েটের ছাত্রলীগের যে সকল কর্মী জিহাদী যোশে উদ্ভুদ হয়ে শিবির নিধন বা যেই নিধনেই নামুক তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, তোরা কি পেরেছিস এখনোও সনি হত্যা-র বিচার করতে? পারিসনি। কিচ্ছু করতে পারিসনি তোরা এখনোও। তোদের তাহলে এত গরম কোথা থেকে আসে? লজ্জা করেনা তোদের? নিজের বোনকে মেরে ফেললো, কিচ্ছু করতে পারলিনা, আর এখন শিবিরের ট্যাগিং লাগিয়ে সহপাঠিদের বই আর কম্পিউটার পোড়াচ্ছিস পিশাচের দল। ধিক তোদের। তোরা বুয়েটের কলঙ্ক। তোদের সবাই মুখে থুতু দেবে একদিন।
শিবিরকে যেমন আমি পছন্দ করিনা, সেভাবে লীগকেও করিনা বা দলকেও না, হয়তো শিবিরকে একটু বেশী ঘৃণা করি, কিন্তু আমার কাছে প্রথমে আমার সহপাঠি, এরপর বাকি সবকিছু। এটা কেন আমরা ভূলে যাই? আবার আমরাই নাকি দেশের শ্রেষ্ঠ সুকীর্ত্তিমান ছাত্র-ছাত্রি!
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আগেকার দিনে ব্যাপার গুলো এরকম ঘটতো, বড় জোর ছাত্ররা দল বদ্ধ হয়ে কোন শিবির নেতার ঘরে গিয়ে লেপ, তোশক, কম্পিউটার, বই পুস্তক তিন তলা থেকে ফেলে দিতো। কিন্তু ক্যাম্পাসে এভাবে গণহারে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় আমি বেশ হতভম্ব।বুয়েট প্রশাসন এ সংক্রান্ত বিষয়ে (আইন শৃঙ্খলা ও অধিকার প্রশ্নে) সব সময় অন্যান্য যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে জেনে/ দেখে একটা শ্রদ্ধা আছে। শৃঙ্খলা বিরোধী কাজের প্রমাণ পেলে জরিমানা, টার্ম সাসপেন্ড থেকে শুরু করে ছাত্রত্ব বাতিলের উদারহণ দিয়েছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ। ছেলেরা সহজে দিনের বেলায় মিছিল বের করতে পারেনা। বুয়েটের আন্দোলনের মূল ইস্যু "বিশ্বকাপ" আর "পরীক্ষা" পিছানোর বাইরে "রাজনৈতিক" কারণে সচরাচর হয়না। এরকম একটা পরিবেশে কীভাবে তারা এ কাজ করার সাহস পেল ভেবে অবাক হচ্ছি। এমনকি সনি মারা যাবার দিনেও "বিশ্বকাপ বন্ধের" আন্দোলনের কারণে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।বুয়েটে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ হবার কারণে শিবির সমর্থক ছাত্রগুলো একটু কোণ ঠাসা হয়েই থাকে, অন্তত রাবি, চবি, ইবি, শাবিপ্রবি শিবির নামের ঘৃণ্য সন্ত্রাসী গুলোর সাথে এদের তুলনা করা যায়না।
ইসফার আহমদ সিফাত বলেছেন:
ad
ইসফার আহমদ সিফাত বলেছেন:
Sorry, আসলে হবে Sad
নরাধম বলেছেন:
বুয়েটে শিবির নাই কইতেছেন? আপনে কি?
যাই হোক, এরকম পুড়িয়ে দেয়াটা ভাল হইনাই, আমার মামা চমেক তে পড়তেন, তিনি ছাত্রলীগ করতেন বলে পরীক্ষার আগে আগে শিবিরের ক্যাডাররা এসে তার খাতা-নোটস, বিছানা সব পুড়িয়ে দিত। এজন্য তিনি ২-৩ বছর পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরে ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে শেষ করেন কোনমতে। এসব নতুন না।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
এ ধরনের নেতা গিরি ফলানো বেশ লাভ জনক। পরীক্ষা পেছানোর আন্দোলন, রাজাকার পেদানোর আন্দোলনে ক্যাম্পাসে যে যত অগ্রগামী ছিল, তারাই পরবর্তীকালে ক্ষমতাসীন সরকারের সুবিধাভোগী বিশাল ছাত্র নেতা হয়েছে। ব্যাপার গুলো এখন সংখ্যা লঘু-সংখ্যা গুরু ইস্যুর মত। আমি সংখ্যা গুরু মুসলিম বলে আইন, জনরায়, মানবাধিকার সব আমার পক্ষে। সেখানে সংখ্যা লঘু হিন্দু পিটিয়ে বের করে দিলে বা হিন্দুর ঘরে আগুন কারো কিছু বলার থাকেনা। জামাত-শিবিরের নাগরিকত্ব বাতিলের কোন চিন্তা নেই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কোন নিশানা নেই, আবার দেশদ্রোহী জামাতী পোনা গুলোকে নাগরিকত্বের মুকুট দিয়ে জুতা মারা- জ্বালাও পোড়াও। পারেও বাঙালি, যখন যেখানে যেমন সুযোগ সুবিধা পায়।
লুথা বলেছেন:
ছাত্রলীগ বুয়েটে যা করেছে, তা ক্ষমার অযোগ্য । সারাজীবন এরা আমার কাছে ঘৃন্য নোংরা কীট হয়ে থাকবে ।
অক্টোপাস বলেছেন:
ওহে মুর্খ হবু ইঞ্জিনিয়াররা ---- ওই কীটস্য কীট হাসিনা খালেদা নিজামির পদলেহন করার জন্য তোরা এত লালায়িত কেন!
ধিক্ তোদের। তোরা বুয়েটের কলঙ্ক! তোরা কুকুরেরও অধম!
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
যত দ্রুত সম্ভব ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা উচিত.
শ্বেত সওদাগর বলেছেন:
১১ তা পুড়িয়েছে কিনা জানি না, তবে আমার হলে আমার চোখের সামনে একটা যে পুড়িয়েছে সেটা দেখেছি । শিবির খারাপ জানি, তবে ছাত্রলীগ যে ধোয়া তুলসী পাতা না, সেটা আবার প্রত্যক্ষ করলাম। এই PL এর সময়ে বুয়েটের নিরুপদ্রপ শিবিরের কয়েকটা ছেলের বই খাতা, কম্পিউটার, বিছানা-পত্র পুড়িয়ে ছাত্রলীগ যে অন্যায় করলো সেটা ভাষাতীত।
রকমফের বলেছেন:
সর্বশেষ বুয়েট ছাত্রদের উচ্ছৃঙ্খলতা দেখেছিলাম ১৯৯৯তে ছাত্রলীগের নামে রাতভর বুয়েট টিচারদের বাসায় বাসায় গিয়ে হামলা করা, লাল ক্যাম্পাসের এমন কোন গাড়ি ছিলনা যা অক্ষত ছিল। শিক্ষকদের অপরাধ ছিল লীগের এক নেতাকে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে বাধা দিয়েছিলেন। বুয়েট ছাত্রদের হিংস্রতা কত বেশি হতে পারে তখন দেখেছিলাম। আজ আবার এই ব্লগে দেখলাম।ছিঃ ছিঃ!! বুয়েট ছাত্রবৃন্দ। সরকার আর জনগন কি টাকা দিয়ে তোমাদের বুয়েট পড়ার সুযোগ দিয়েছে কি জ্বালাও পোড়াও কর্মকান্ড করার???
ক্ষমা চাও জাতির কাছে। পেরেছ তোমরা আগুন নিভানোর কন প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে। তোমাদের পিছনে যত টাকা খরচ হয় তার কয় টাকা তোমরা জাতিকে তোমাদের লভ্য জ্ঞান দিয়ে প্রতিদান দিয়েছ। পড়া শেষ হলেই তো চলে যাও বিদেশে!!! আর দেশের টাকা দিয়ে কর জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচি।
ক্ষমা চাও জাতির কাছে।
ক্ষমা চাও জাতির কাছে।
ক্ষমা চাও জাতির কাছে।
দলীয় পরিচয় মনুষ্যত্ববোধের উপরে ঠাঁই পাচ্ছে।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
বাঃ বাঃ সেইরকম ভাবে বুয়েটকে গালাগালি করা হচ্ছে। আমার চোখের সামনেই দুজন শিবিরের জিনিসপত্র তছনছ করা হলো তখন মনে হচ্ছিল আসলেই বাড়াবাড়ি হচ্ছে। কিন্তু এই পোস্ট পড়ে যা মনে হল যে যা হয়েছে ঠিকই হয়েছে। শিবিরের শূয়োরগুলোর সাথে গা মাখামাখি করবা আবার নিরীহ ট্যাগ গায়ে লাগিয়ে গা বাচায়েও চলবা? দুনিয়াটা অত সস্তা নয় চান্দু- শিবির ছাইড়া ভালা পথ ধর, যাকে বলে কিনা সিরাতুল মুসতাকিম।
এ.জে. মিন্টু বলেছেন:
পরীক্ষা পিছানোর ট্রিক হৈতারে তবে যাইহোক ছাগুদের বই ও কম্পিউটার পুড়িয়ে দেয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
রাগ ইমন বলেছেন:
শিবির করা বুয়েটের ছেলেদের অন্যায় করার দরকার নাই ।শিবির করাটাই দেশের বিরুদ্ধে যথেষ্ট অন্যায় করা ।
কেন? শিবির না করে ইসলাম পালন করা যায় না?
তবে লীগের ছেলেগুলা আসলেই গোয়ার , নয়ত গাধা । পোড়ানোর কোন দরকার ছিলো না।
রাগ ইমন বলেছেন:
শিবির করা বুয়েটের ছেলেদের অন্যায় করার দরকার নাই ।শিবির করাটাই দেশের বিরুদ্ধে যথেষ্ট অন্যায় করা ।
কেন? শিবির না করে ইসলাম পালন করা যায় না?
তবে লীগের ছেলেগুলা আসলেই গোয়ার , নয়ত গাধা । পোড়ানোর কোন দরকার ছিলো না।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
@অপরিচিত_আবির , এ পোস্ট ও ঘটনার সূত্র ধরে শিবির সাধারণ জনগণের সহানুভূতি পাবে, সন্দেহ নেই, শিবিরের লাভ এতটুকুই। লাশের ছবির পোস্টার নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের জন্য এটা খুব কম ক্ষতিতে বেশি লাভবান হবার একটা ভাল মওকা। লাশের বদলে ক'টা কম্পিউটারের পুজিতে যদি এত লাভ হয়, তাতে করে বরং শিবির পন্থীদেরই দিল খোশ হবার কথা। যতদূর জানি আপনি শিবির পন্থী নন, কাজেই ভুল যায়গায় ভুল ভাবে সমর্থন দিচ্ছেন কিনা ভেবে দেখবার অনুরোধ রইল।
পারভেজ বলেছেন:
আমরা যখন ক্যাপ্পাসে ছিলাম সেসময়ও দু/তিনবার এরকম ভাঙচুর পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। শুধু শিবির বলে কথা নয়; দল কিংবা লীগের ছেলেদেরও রুম ভাঙচুর হয়েছিল। তবে অনেকটাই প্রতিবাদের ঢং এ, লেপ কাঁথা আর কিছু বই পত্র পুড়িয়ে। বুয়েটের ছেলেদের ভেতর রাজনৈতিক উদারতা আগের চাইতে কমছে। আর, আমাদের ভন্ড রাজনীতির ইতিহাস খেয়াল করলে দেখতে পাবো, এখনে চিরস্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কেউ নেই। আফসোস, ছাত্ররা সব সময় ক্রীড়ানক হয়েই থাকলো।বুয়েটে সব ধরণের ধর্মভিত্তিক বা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির অবসান হওয়া উচিত।
সাজিদ বলেছেন:
@পাপী ০০৭, আপনাকে একটা প্রশ্ন আফগানিস্তার বা ইরাকে মুসলিম টেররিস্টদের জন্য যদি বাংলাদেশ বা পৃথিবীর অন্য মুসলিমদের বাড়িঘর জালিয়ে দেয়া হয় সেটাকে কি সমর্থন করেন? এটা যে একদম হয়না তা না। ৯/১১ এর পর এমন অনেক ঘটনা হয়েছে। কিন্তু এরা আমাদের থেকে অনেক অনেক সভ্য। আমরাতো ৯/১১ এ টিভি রুমে বসে আনন্দের সাথেঅবলোকন করেছি। আমেরিকাকে গালি দিয়েছি আর পাশ করে বাহিরে আসার বেপারে সব এক। আমাদের সৌভাগ্য যে এরা আমাদের এসব বন্য হিংস্রতা এখনও পুরাপুরি শিখে উঠে নাই। তাহলেতো আমেরিকায় কোনো মুসলিম আর থাকতে পারতো না।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
যার যেখানে ক্ষমতা, সে সেখানেই ক্ষমতার ভয়ঙ্করতম প্রয়োগ দেখাচ্ছে! সৈয়দ আশরাফ বলছেন তাদের যা বলার তা তারা বলবেন, কিন্তু কথা রাখা-না রাখার এখতিয়ার ছাত্রলীগের। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন অনেক শান্তিময়!!!!!!!
কিষান বলেছেন:
অক্টোপাস বলেছেন: ওহে মুর্খ হবু ইঞ্জিনিয়াররা ---- ওই কীটস্য কীট হাসিনা খালেদা নিজামির পদলেহন করার জন্য তোরা এত লালায়িত কেন!সহমত
সৌরভ৩৫২ বলেছেন:
অশ্বথবৃক্ষ, শিবির কবে থেকে এত নিরীহ হইল? প্রতিদিন সন্ধ্যায় আপনাকে পেনাং এ খাইতে নিয়ে যেয়ে এই শিক্ষা দিছে?
রাগ ইমন বলেছেন:
যে পিস্তল দিয়ে এখনো একটাও গুলি করা হয় নাই , তাকে নিরপরাধ বলে চুমু খাওয়ার কিছু নাই । পিস্তল দিয়ে কেউ ধান চাষ করে না ।
বুয়েটিয়ান শিবিরও ভবিষ্যতে গুলিই করবে, ধান চাষ করবে না ।
বুয়েটের শিবিরের এখনকার এজন্ডা হইলো বুয়েটকে দখল করা । আর পাশ করে বের হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করা ।
সবাই কি আর ক্যাডার হয়?
ক্যাডার এর উপরে শিক্ষিত , সম্মানিত , গড ফাদার লাগে না?
অপ্রয়োজন বলেছেন:
শিবিরও করবে আবার গদাম ও খাবে না তা তো হয় না। পুরা ছাত্র রাজনীতিই বাদ দিতে হবে। শিবির হইলো বিষফোড়া ... তাই বলে লীগ দলও ঢোয়া তুলসিপাতা না ... এক হাতে তালি বাজে না।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
@সাঈফ শেরিফ, আমার মনে হয় না সহানুভূতি জিনিসটা এতটা সস্তা। আমাদের হলে যখন ভাংচুর করা হলো শিবিরের দুটো রুম তখন কাউকেই আমি একফোটাও দুঃখ করতে দেখলাম না(সাধারণ ছাত্রদের কথা বলছি।) । আমার মনে হয় দেশের মানুষ শিবিরকে ঘৃনা করবার জন্য শিবিরকে যতটুকু চেনা দরকার ততটুকু ভালভাবেই চেনে। এরকম পরিস্থিতিতে কেউ যদি সব জেনে বুঝে সুস্থ মস্তিস্কে শিবিরে যোগ দেয় তবে সেটাই যথেষ্ট অপরাধ হওয়া উচিত। যেমনটি অপরাধ ধরা হয় হিযবুত তাহরীর বা লশকরী তৈয়বার মতো দলে নাম লেখানোকে।
মৌ-মাছি বলেছেন:
রকমফের বলেছেন: সর্বশেষ বুয়েট ছাত্রদের উচ্ছৃঙ্খলতা দেখেছিলাম ১৯৯৯তে ছাত্রলীগের নামে রাতভর বুয়েট টিচারদের বাসায় বাসায় গিয়ে হামলা করা, লাল ক্যাম্পাসের এমন কোন গাড়ি ছিলনা যা অক্ষত ছিল। শিক্ষকদের অপরাধ ছিল লীগের এক নেতাকে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে বাধা দিয়েছিলেন।রকমফের, ঐটা একটা অরাজনৈতিক বিষয় ছিল। আমরা সেই ঘটনার ভুক্তভোগী ছিলাম। এই মিথ্যাচার না করেও আপনি এখনকার বিষয় নিয়ে যা বলার বলতে পারেন।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
সাধারণ ছাত্ররা "দুঃখ" করবে? হাসালেন, ভাই আবির! বুয়েটের সাধারণ ছাত্রের যেখানে ত্রাস দেখে আতঙ্কে গলা শুকিয়ে যায়, সেখানে শিবিরের জন্য "দুঃখ" প্রকাশ করে জীবনটাকে শ্বাপদ সংকুল করে তুলবে! অন্তত এ পোস্টের লেখককে আমি শিবির পন্থী মনে করিনা, গোপনে জরিপ চালিয়ে দেখতে পারেন, কত শতাংশ "আম-জনতা" ছেলে গুলোর ব্যাপারে সহানুভূতিশীল। অন্তত নিক ধারীরা ৪৪/১৪ ভোটে পোস্টটিকে এগিয়ে রেখেছে। এ সহানুভূতির খানিকটা ভাগ শিবিরও পাচ্ছে । ভারতে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গলে বাংলায় মন্দির ভাঙ্গা হবে এসব তো অঘোষিত নিয়ম, রাবিতে লীগ মরলে প্রবিতে শিবির পেটাবে এটাও নায্য অধিকার বৈকি! ক্ষমতাসীন দলের পেটোয়া বাহিনীর নেতাদের খুব ভাল করে চেনা আছে, ওদের ল্যাগের ফিরিস্তি আর গাজা-মদের বোতলের সংখ্যাও জানা আছে। জনগণের টাকায় এদের প্রবি ক্যাম্পাসে পুষে শিবির পেটানোর মত ফরয কাজে লাগছে ভেবে তৃপ্তি পেতে পারেন, অসুবিধা নাই।
@নরাধম,
বুয়েটে হয়েছে বলে বেশী বাজে লাগছে। বুয়েটকে ঢাবি, রাবি সহ অন্য অনেক ইউনি থেকে অন্যরকম ভাবতাম।
যুদ্ধবাজ বলেছেন:
আমি সাইফ শেরিফের সাথে একমত। এগুলোতে শিবির বরঞ্চ আরও সহানুভুতি-ই পাচ্ছে। কাজের কাজ কিচ্ছুই হচ্ছেনা। @আবিরঃ তোমার ক্লাসমেইট যারা শিবির করে, তাদের সাথে কখনোও মিশে দেখেছ? কথা বলে দেখেছো কেন তারা শিবিরে জয়েন করলো? আমাদের ব্যাচের যে ছেলেটি শিবির করতো তার সাথে কথা বলেছি আমি, খুব গরীব ঘরের ছেলে, কিছু সিনিয়ররা তাকে প্রলুব্ধ করে, ভবিষ্যতে চাকুরী ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছিলো। কনক্রিটে ক্লাস নিতো, নিতান্তই নিরীহ গোছের এক ছেলে ছিলো। শিবির হিসেবে আমরা বেশিরভাগ পোলাপান এড়িয়ে চলতাম তাকে, কিন্তু সহপাঠি হিসেবে চমৎকার একটা ছেলে ছিলো সে। আজ আমার সামনে যদি তার কম্পিউটার পোড়ানো হতো, টার্ম ফাইনালের আগে, অবশ্যই আমার খারাপ লাগতো তার জন্য। আর সে খারাপ লাগার কিছুটা অংশ হয়তো শিবিরের জন্য সিমপ্যাথি হিসেবে কাজ করতে (যেটা ভয়ংকর)।
লীগ এর কথা বলবো? আউলার যে পোলাটা লীগের নেতা ছিলো ওইটাকে সবাই সাইকো বলে ডাকতো। পার্সোনালিটি বলে কিছু ছিলোনা, লীগের পোলাপাইনগুলাও ওইটারে কোন বেইল দিতোনা। আর দল তো দল-ই ছাগল নম্বর-১। ফ্রন্টের পোলাপাইন একটু স্ট্রং ছিলো কিন্তু থিওরেটিক্যাল কথাবার্তা বলে আর কয়দিন?
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
@যুদ্ধবাজ, হ্যা অন্তত আমি বুয়েটের যতজন শিবিরকর্মীকে চিনি তারা কেউই গরীব ঘরের ছেলে বা বোকাসোকা বলে শিবিরের খাতায় নাম লেখায় নি। তাদের প্রায় প্রত্যেকেরই ফ্যামিলি জামায়াতের সাথে জড়িত বা জামায়াতের রাজনীতি সমর্থন করে। এবং তারা সবাই শিবিরের রাজনীতি এবং কর্মকান্ড সমর্থন করে। দুএকজন বাটে পড়ে এসেছে কিনা আমি জানি না, অন্তত বুয়েটে সেরকম কাউকে আমার চোখে পড়ে নি। আর আমার মেনে হয় চাকরীর প্রলোভনে নিজের নীতিকে বিকিয়ে যে শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে তার জন্য সহানুভূতি দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই।আর শেষে বলে নেই যে ভাববেন না বুয়েটের পোলাপান একেবারে পাগল হয়ে গেছে। হয়তো খেয়াল করেছেন যে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয় নি। তার কারণ আমাদের যারা যারা ক্লাসমেট ছিল শিবিরের তাদেরকে আমরা আগে থেকেই সাবধান করে দিয়েছি, ক্লাসমেট বলেই সেটা করেছি। তাড়াহুড়োয় তারা জানটা বাচাতে পেরেছে মাল ফেলে গিয়েছে।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা উচিত। বুয়েটে এমন ঘটনা সত্যিই হতাশাজনক। একতরফা ভাবে শুধু শিবিরের দোষ না দেখে অন্যদেরটাও দেখা উচিত। কোন দলের ক্যাডাররা ধোয়া তুলসীপাতা নয়। শুধু শিবির করে বলেই পেটাতে হবে এটা কোন যুক্তি হতে পারে না। আর সবচেয়ে বড় কথা ওদের পেটানোর অধিকারটা কে দিয়েছে? দোষ তো তারাও করেছে পিটিয়ে।
ডঃ জেকিল বলেছেন:
না উৎর পেলাম না।
কালোজাম বলেছেন:
হলোকাস্টের সময় এক কবির একটা লাইন মনে পড়ে গেল:যখন তারা কম্যুনিস্ট মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি কম্যুনিস্ট না।
যখন তারা ইহুদিদের মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি ইহুদি না।
আর তারা যখন আমাকে মারতে আসল, তখন আমার জন্য বলার কেউ ছিলনা।
কালোজাম বলেছেন:
হলোকাস্টের সময় এক কবির একটা লাইন মনে পড়ে গেল:যখন তারা কম্যুনিস্ট মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি কম্যুনিস্ট না।
যখন তারা ইহুদিদের মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি ইহুদি না।
আর তারা যখন আমাকে মারতে আসল, তখন আমার জন্য বলার কেউ ছিলনা।
দৃক বলেছেন:
Excellent..কালোজাম বলেছেন: হলোকাস্টের সময় এক কবির একটা লাইন মনে পড়ে গেল:
যখন তারা কম্যুনিস্ট মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি কম্যুনিস্ট না।
যখন তারা ইহুদিদের মারতে আসল, আমি বললাম মরুক গে,
আমি ইহুদি না।
আর তারা যখন আমাকে মারতে আসল, তখন আমার জন্য বলার কেউ ছিলনা।
কেউ ই এই কুকুর দের হাত থেকে নিরাপদ না.।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
তারা যখন আপনাকে মারতে আসবে তখন শিবির অন্তত আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে না এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ!
সাহসী বলেছেন:
আপনার শেষ পোস্টা মুছে দেবার কারন হিসাবে কি বলা হয়েছে ?
বেগুনী আলো বলেছেন:
রাগ ইমন বলেছেন: শিবির করা বুয়েটের ছেলেদের অন্যায় করার দরকার নাই ।শিবির করাটাই দেশের বিরুদ্ধে যথেষ্ট অন্যায় করা ।
কেন? শিবির না করে ইসলাম পালন করা যায় না?
তবে লীগের ছেলেগুলা আসলেই গোয়ার , নয়ত গাধা । পোড়ানোর কোন দরকার ছিলো না
কাদা মাটি জল বলেছেন:
শিবিরে কোন মায়া নাই।শিবির খেদাইতে হবেই
কম্পিউটার পোড়াইছে, আমার ক্ষমতা থাকলে ঐ রাজাকারের বাচ্চা গুলা কে পোড়াইতাম।
মধ্যরাতের অশ্বারোহী বলেছেন:
জাতীয়তাবাদী কুত্তাদলের কথা শুনার টাইম নাই।
মোঃ সুজন বলেছেন:
ডঃ যেকিল তোমার আম্মার সোনা ডিপার্টমেন্ট এ পড়ে। শালা মাগীর পুত তোর মারে জিগাইস তোর আব্বা কয়টা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















